জাপার মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে নেই রাঙ্গা

জাপার মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে নেই রাঙ্গা

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অফ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স (আইডিইবি) মিলনায়তনে জিয়াউদ্দিন বাবলুকে নিয়ে আয়োজিত স্মরণসভায় জাপার নেতারা। ছবি: নিউজবাংলা

মশিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, ‘আমি একমাত্র সৌভাগ্যবান যে দলের তিন নেতারই আদর পেয়েছে। এরপরে আমার কোনো আদরের প্রয়োজন নেই। আমি আজকে ঘোষণা দিচ্ছি, আমি মহাসচিব হতে চাই না। আমি এই দৌড়ে নেই।’

জাতীয় পার্টির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুর মৃত্যুর পর নতুন মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব নিতে চান না বলে জানিয়েছেন দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মশিউর রহমান রাঙ্গা।

তিনি বলেছেন, ‘আমি দলের মহাসচিব ছিলাম। আমাকে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ দলের মহাসচিব করেছিলেন। বর্তমান চেয়ারম্যানের আমলেও আমি মহাসচিব ছিলাম। পার্লামেন্টে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের দায়িত্ব বেগম রওশন এরশাদ আমাকে দিয়েছেন।

‘আমি একমাত্র সৌভাগ্যবান যে দলের তিন নেতারই আদর পেয়েছে। এরপরে আমার কোনো আদরের প্রয়োজন নেই। আমি আজকে ঘোষণা দিচ্ছি, আমি মহাসচিব হতে চাই না। আমি এই দৌড়ে নেই।’

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অফ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স (আইডিইবি) মিলনায়তনে জিয়াউদ্দিন বাবলুকে নিয়ে আয়োজিত স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

জিয়াউদ্দিন বাবলু সব সময় জাতীয় পার্টির স্বকীয়তা বজায় রেখে রাজনীতি করেছেন বলে উল্লেখ করে জি এম কাদের বলেন, ‘জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুর মধ্যে যে একটি স্বকীয়তা ছিল, সেটি আমরা সব সময় অনুভব করতাম। আজকে তিনি আমাদের মাঝে নেই। কিন্তু আজকে যারা এখানে (মিলনায়তনে) আছি, হয়তো আমরা আগামীতে অনেকেই থাকব না।’

উপস্থিত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে দলের চেয়ারম্যান বলেন, ‘একটি বিষয় বিশেষভাবে দেখার, সারাজীবন যতক্ষণ মানুষ বেঁচে থাকে, ততক্ষণ মানুষ তার কাজের মূল্যায়ন পায়। কিন্তু জীবিত থাকলে যে মূল্যায়ন, সেই মূল্যায়ন সব সময় নিরপেক্ষ হয় না। কিন্তু একটি মানুষ মারা যাওয়ার পর যে মূল্যায়ন হয়, সেটিই হলো সঠিক মূল্যায়ন।’

জাপার কো-চেয়ারম্যান সালমা ইসলাম বলেন, ‘জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুর রাজনীতির উজ্জ্বল দিক নিয়ে একটি বই রচনা করতে হবে। এতে আগামী প্রজন্ম তার রাজনীতির সম্পর্কে জানতে পারবে। জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু অমর হয়ে থাকবেন তার কল্যাণময় কর্মের মাঝে।’

‘আগামী মহাসচিব হবেন কর্মীবান্ধব’

জাতীয় পার্টি ঐক্যবদ্ধ ছিল এবং থাকবে- উল্লেখ করে দলের কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা বলেন, ‘দলের চেয়ারম্যান আমাকে বলছেন, উনি দলের মহাসচিব আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতেই করবেন। ৫৬ ধারার ক্ষমতায় এই এখতিয়ার ওনার কাছে আছে। আমি মনে করি যে দলের কো-চেয়ারম্যান ও প্রেসিডিয়ামের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে তিনি এমন একজন ব্যক্তিকে মহাসচিব করবেন, যিনি রাজনীতিতে আগামীতে মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারবেন।’

তিনি বলেন, ‘এমন একজন মহাসচিব হবেন যিনি হবেন কর্মীবান্ধব। যিনি আগামীতে জাতীয় পার্টিকে মূল লক্ষ্যে পৌঁছে দেবেন।’

আরও পড়ুন:
মহাসচিব নিয়োগ নিয়ে জাপায় অস্থিরতা
মায়ের সঙ্গে থাকবে দুই শিশু, বাবার সাক্ষাৎ দিনের বেলা
জাপানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা
জাপানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে, জানা যাবে আজ
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় আমরা বদ্ধপরিকর: জি এম কাদের

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে চুরি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে চুরি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি

এ বিষয়ে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার গোস্বামী বলেন, ‘বিষয়টি জেনেছি ও দেখেছি। রোববার মিটিং ডেকেছি। মিটিংয়ে আলোচনা হবে।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় পরীক্ষা কমিটির সভাপতি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. নঈম আকতার সিদ্দিকীর অফিস কক্ষে আলমারির তালা ভেঙে নম্বরপত্রসহ গুরুত্বপূর্ণ নথি চুরির অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার সকালে অফিসে গিয়ে আলমারির তালা ভাঙা দেখতে পান নঈম আকতার।

নিউজবাংলাকে নঈম বলেন, ‘আমার কক্ষে মেরামতের কিছু কাজ থাকায় গতকাল রুমের চাবি বিভাগের এক পিয়নের কাছে দিয়ে গিয়েছিলাম। আজ বিভাগে যাওয়ার পর দেখি, রুমের বাইরের তালাটা ঠিকই আছে। কিন্তু রুম খোলার পর ভেতরে গিয়ে আলমারির তালা ভাঙা। তখন আমি দ্রুত বিভাগীয় প্রধান ও একজন কর্মকর্তাকে ডাকলাম। এরপর দেখি আমার একটি চেক ছিল সেটি নেই। গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাগজ ছিল তাও নেই। বিগত সেমিস্টারের নম্বরপত্র ছিল তাও সরানো হয়েছে। এসব দেখার পর বিভাগের চেয়ারম্যান দ্রুত অ্যাকাডেমিক মিটিং ডাকেন।’

এ ব্যাপারে নঈম আকতার বলেন, ‘বিভাগে আমার সঙ্গে কারো কোনো সমস্যা নেই। আর পিয়ন ছিল বয়স্ক। এখন উনার সঙ্গে কারো কোনো সমস্যার কারণে কেউ কিছু করলো কি-না সেটা ভেবে দেখতে হবে। আর কোনো শিক্ষার্থীর এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রশ্নই আসে না। বিভাগের পিয়নদের ভেতরে কেউ এ কাজ করতে পারে বলে মনে হচ্ছে।’

এ বিষয়ে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার গোস্বামী বলেন, ‘বিষয়টি জেনেছি ও দেখেছি। রোববার মিটিং ডেকেছি। মিটিংয়ে আলোচনা হবে।’

আলোচনার পর প্রশাসন বরাবর অভিযোগ দেয়া হবে কি-না এমন প্রশ্নে অরুণ কুমার বলেন, ‘রেজিস্ট্রারকে এর আগে আমার নিজের ড্রয়ারের তালা ভাঙার বিষয়ে জানানো হলেও সে ঘটনার কিছু হয়নি।’

এর আগেও মো. নঈম আকতার সিদ্দিকীর বিভাগে যোগদানের নথিভুক্ত ফাইলটি চেয়ারম্যানের ড্রয়ার থেকে চুরি হয়ে গিয়েছিল।

আরও পড়ুন:
মহাসচিব নিয়োগ নিয়ে জাপায় অস্থিরতা
মায়ের সঙ্গে থাকবে দুই শিশু, বাবার সাক্ষাৎ দিনের বেলা
জাপানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা
জাপানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে, জানা যাবে আজ
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় আমরা বদ্ধপরিকর: জি এম কাদের

শেয়ার করুন

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বাতিলের দাবি জনশক্তি রপ্তানিকারকদের

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বাতিলের দাবি জনশক্তি রপ্তানিকারকদের

‘বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সি’ (বায়রা)-এর পক্ষ থেকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

ব্যবসায়ীদের দাবির প্রেক্ষিতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সহজ করার চেষ্টা করা হবে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ভূমধ্যসাগরে মানুষ ডুবে মারা যাওয়ার যতগুলো ঘটনা ঘটেছে, সেজন্য মানুষ পুলিশকেই জবাবদিহি করছে। পুলিশের কথাই বলছে যে, পুলিশ কি করছে? কিভাবে এসব মানুষ পুলিশের চোখ আড়াল করে পাচার হল?’

জনশক্তি রপ্তানির ডিমান্ড লেটার পাওয়ার পর কর্মীদের বিদেশে যেতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স উঠিয়ে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের নামে ২০ দিনের বেশি সময় নষ্ট হয়ে যায়। পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে এ ধরনের পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের প্রয়োজন হয়না।

বুধবার রাজধানীর হোটেল শেরাটনে মানব পাচার আইনের হয়রানি থেকে মুক্ত করার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ‘বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সি’ (বায়রা)-এর পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। এই অনুষ্ঠানেই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বাতিলের দাবি জানান জনশক্তি রপ্তানিকারক রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা।

ব্যবসায়ীদের দাবির প্রেক্ষিতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সহজ করার চেষ্টা করা হবে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ভূমধ্যসাগরে মানুষ ডুবে মারা যাওয়ার যতগুলো ঘটনা ঘটেছে, সেজন্য মানুষ পুলিশকেই জবাবদিহি করছে। পুলিশের কথাই বলছে যে, পুলিশ কি করছে? কিভাবে এসব মানুষ পুলিশের চোখ আড়াল করে পাচার হল? পুলিশ তখন দায়িত্ববোধ থেকে মামলা করতে বাধ্য হয়। এজন্য ভালো ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বৈধভাবে পাঠালে সমস্যা হওয়ার কথা না। অল্প সময়ে যাতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স হয় সেই ব্যবস্থা করছি।’

তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে ই-পাসপোর্ট ও বিমানবন্দরে ই-গেট চালু হয়েছে। এ ছাড়া কয়েক দিনের মধ্যে এসব গেটে ভিসা সঠিক আছে কি না সেটাও চেক করা যাবে। সব কিছু ঠিক থাকলে গেট অটো চালু হয়ে যাবে। এতে পুলিশের ভিসা চেক করার দরকার হবে না। ইমিগ্রেশনে লাইন ধরে দাঁড়াতে হবে না।’

গেস্ট অব অনারে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি বলেন, ‘জনশক্তি রপ্তানিতে গার্মেন্টসের রেমিট্যান্স বেশি। গত বছর ২৪ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। করোনার কারণে গত বছর আগের চেয়ে কম ৭ থেকে ১০ লাখ মানুষ বিদেশে গেছে। মানুষ বিদেশে না গেলে সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ত।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বায়রা’র সাবেক সভাপতি ও ইউনিক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নূর আলী বলেন, ‘বিদেশে কর্মী যেতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স উঠিয়ে দেয়া উচিত। পৃথিবীর কোথাও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রয়োজন হয় না। পুলিশ কিয়ারেন্স করতে ২০ দিন সময় লেগে যায়। এ ছাড়া আনুষঙ্গিক কাজ করতে প্রায় তিন মাস সময় লাগে। এ কারণে ডেসপাস কমে যায়। ব্যবসায়ীরা কাজ করতে পারে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘যে পরিমাণ লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে বিএমইটিতে সে পরিমান জনশক্তি নাই। জনশক্তি বাড়ানো দরকার।’

তিনি জানান, সৌদিতে এনলিস্টেড থাকার পরও কয়েকশ এজেন্সিকে দূতাবাস কাজ করার সুযোগ দিচ্ছে না। এজেন্সিগুলো সৌদি আরবে কর্মী পাঠাতে পারছে না।

অনুষ্ঠানে বায়রা’র সাবেক সভাপতি বেনজির আহমদ এমপি’র সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন, বিএমইটির মহাপরিচালক শহীদুল আলম, বায়রার সাবেক সভাপতি আবুল বাসার, সাবেক মহাসচিব আলী হায়দার চৌধুরী, শাহাদাত হোসেন, শামীম আহমেদ চৌধুরী নোমান প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
মহাসচিব নিয়োগ নিয়ে জাপায় অস্থিরতা
মায়ের সঙ্গে থাকবে দুই শিশু, বাবার সাক্ষাৎ দিনের বেলা
জাপানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা
জাপানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে, জানা যাবে আজ
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় আমরা বদ্ধপরিকর: জি এম কাদের

শেয়ার করুন

স্বাচিপের সম্প্রীতি সমাবেশে বিএনপিকে দোষারোপ

স্বাচিপের সম্প্রীতি সমাবেশে বিএনপিকে দোষারোপ

শাহবাগের সম্প্রীতি সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন হাসাপাতালের অর্ধশতাধিক চিকিৎসক ও আওয়ামী লীগ নেতারা। ছবি: নিউজবাংলা

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বলেন, দেশে আবার অশান্তি সৃষ্টি করলে বিএনপিকে বড় শিক্ষা দেয়া হবে। তারা শান্তি মিছিলের নামে পুলিশকে আক্রমণ করছে। সরকার হটাতে গণঅভ্যুত্থানের নামে তারা পূজামণ্ডপে হামলা করছে। তারা প্রমাণ করতে চায় বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক ও অকার্যকর রাষ্ট্র।

সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) সম্প্রীতি সমাবেশ করেছে। দেশের বিভিন্ন জেলায় সাম্প্রদায়িক হামলার জন্য সমাবেশ থেকে দায়ী করা হয়েছে বিএনপি ও জামায়াতকে।

রাজধানীর শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে বুধবার দুপুরে সম্প্রীতি সমাবেশ করে স্বাচিপ। চিকিৎসক ছাড়াও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা এতে অংশ নেন।

সমাবেশে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বলেন, ‘দেশে আবার অশান্তি সৃষ্টি করলে বিএনপিকে বড় শিক্ষা দেয়া হবে। তারা শান্তি মিছিলের নামে অশান্তি করছে, পুলিশকে আক্রমণ করছে। সারাদেশে ২০১৩-১৪ সালে পেট্রোল বোমা হামলা ও সন্ত্রাস করে বিএনপি এখন মাশুল দিচ্ছে। জনপ্রতিরোধে বিএনপি-জামায়াত এখন কোনঠাসা হয়ে গেছে।

‘বিএনপি জামায়াত বাংলাদেশের অপশক্তি। সরকার হটাতে গণঅভ্যুত্থানের নামে তারা পূজামণ্ডপে হামলা করে। তারা প্রমাণ করতে চায় বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক ও অকার্যকর রাষ্ট্র। তবে এসব সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে সারাদেশ ঐক্যবদ্ধ। সে ঐক্যের সামনে অপশক্তি পরাজিত হতে বাধ্য।’

সিরাজগঞ্জ ২ আসনের সাংসদ ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না বলেন, ‘বাংলাদেশ যখন উন্নতির শিখরে যাচ্ছে, তখন জামায়াত-বিএনপি দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি তাদেরকে দাঁতভাঙা জবাব দেবে। সকল ধর্মের মানুষ মিলে আমরা তাদের প্রতিরোধ করব।’

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সাংসদ অধ্যাপক আব্দুল আজিজ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক শরফুদ্দিন আহমেদ, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের মহাসচিব অধ্যাপক এম এ আজিজ, ডা. আব্দুর রউফ সরদার, অধ্যাপক আবু ইউসুফ ফকির, অধ্যাপক খলিলুর রহমান, মাকসুদুল আলম বাচ্চুসহ স্বাচিপ নেতারা।

রাজধানীর বিভিন্ন হাসাপাতালের অর্ধশতাধিক চিকিৎসকের পাশাপাশি সমাবেশে আওয়ামী লীগের বিপুল সংখ্যাক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
মহাসচিব নিয়োগ নিয়ে জাপায় অস্থিরতা
মায়ের সঙ্গে থাকবে দুই শিশু, বাবার সাক্ষাৎ দিনের বেলা
জাপানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা
জাপানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে, জানা যাবে আজ
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় আমরা বদ্ধপরিকর: জি এম কাদের

শেয়ার করুন

মায়ের বকা সইতে পারেননি যুবক

মায়ের বকা সইতে পারেননি যুবক

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ওয়াজিবের স্বজনদের আহাজারি।

‘করোনার সময় চাকরি চলে যায় ওয়াজিবের। এখন আবার মালিক কাজের জন্য ডেকেছে। কিন্তু সে কাজ করবে না। এ নিয়ে আমার সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক হয়। পরে সে ফাঁস লেগেছে।’

রাজধানীর লালবাগে মায়ের সঙ্গে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন মো. ওয়াজিব নামে এক যুবক।

বুধবার বিকেল সাড়ে চারটায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের মা রিতা আক্তার বলেন, ‘করোনার সময় চাকরি চলে যায় ওয়াজিবের। এখন আবার মালিক কাজের জন্য ডেকেছে। কিন্তু সে কাজ করবে না। এ নিয়ে আমার সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক হয়। পরে সে ফাঁস লেগেছে।’

বড় ভাই সোহাগ বলেন, ‘তিন মাস ধরে সে কোনো কাজ করে না। এ নিয়ে মায়ের সঙ্গে রাগারাগি হয় দুপুরের দিকে। পরে সে রুমের দরজা লাগিয়ে দেয়। অনেক ডাকাডাকি করলেও সে দরজা খোলে না। পরে জোরে ধাক্কা দিলে দরজা খুলে যায়। এ সময় দেখি, সে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে। তাকে তাড়াতাড়ি নামিয়ে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জানান আমার ভাই মারা গেছে।’

সোহাগ জানান, ৯ মাস আগে বিয়ে করেছিলেন ২৪ বছর বয়সী ওয়াজিব। তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার ছোট। বর্তমানে লালবাগ থানার পোস্তার কাজী রিয়াজুদ্দিন রোডের ৬০ নম্বর বাসায় থাকেন পরিবারের সবাই। তাদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ সদর থানার মাঝকান্দা গ্রামে। বাবার নাম আব্দুল মান্নান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী ইনচার্জ (এএসআই) আব্দুল্লাহ খান বলেন, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি লালবাগ থানাকে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মহাসচিব নিয়োগ নিয়ে জাপায় অস্থিরতা
মায়ের সঙ্গে থাকবে দুই শিশু, বাবার সাক্ষাৎ দিনের বেলা
জাপানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা
জাপানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে, জানা যাবে আজ
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় আমরা বদ্ধপরিকর: জি এম কাদের

শেয়ার করুন

নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ: বিএনপির ৫০ নেতা-কর্মী কারাগারে

নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ: বিএনপির ৫০ নেতা-কর্মী কারাগারে

বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

মঙ্গলবার পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা-কর্মীদের আদালতে হাজির করে ১৫ জনের সাত দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন মডেল থানার পুলিশের উপপরিদর্শক মনজুরুল হাসান খান। বাকি ৩৫ জনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপির ৫০ নেতা-কর্মীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।

বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্যমহানগর হাকিম হাসিবুল হক এই আদেশ দেন।

আসামিপক্ষের অন্যতম আইনজীবী সাদেকুল ইসলাম ভুইয়া জাদু তথ্যটি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

তাদের আদালতে হাজির করে ১৫ জনের সাত দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন মডেল থানার পুলিশের উপপরিদর্শক মনজুরুল হাসান খান।

এ ছাড়া বাকি ৩৫ জনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল বাসেত মজুমদারের মৃত্যুতে আদালত বন্ধ থাকায় রিমান্ড শুনানি মুলতবি রাখার আবেদন করেন ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি মাসুদ আহমেদ তালুকদার ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক খন্দকার হজরত আলী।

শুনানি শেষে বিচারক রিমান্ড শুনানির জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার তারিখ ঠিক করে সবাইকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

রিমান্ড আবেদন করা আসামিরা হলেন- ছাত্রদল ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয় শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, জিহাদুল হক রঞ্জু ও ঝলক মিয়া, সূর্যসেন হল শাখার সাধারণ সম্পাদক আবু হান্নান তালুকদার, ঢাবি শাখার সাবেক সহসম্পাদক আল ইমরান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কর্মী শাহাদাত হোসেন, বিএনপি কর্মী সজিব, ছাত্রদলের সাবেক নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব, যুবদলের শেরে বাংলা নগর থানা যুবদলের সভাপতি আতিকুর রহমান অপু, যুবদল কর্মী হাসান আলী।

এ ছাড়া ছাত্রদল কর্মী মুতাছিম বিল্লাহ, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা গাজী সুলতান জুয়েল, সাবেক ছাত্রদল নেতা রেজাউল ইসলাম প্রিন্স, বিএনপি কর্মী শুক্কুর এবং আবুল হোসেন হাওলাদার আশিক।

মঙ্গলবার সকালে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সমাবেশের আয়োজন করে বিএনপি। সমাবেশে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ সমাবেশ থেকে ৫০ জনকে গ্রেপ্তার করে।

মামলায় যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুল ইসলাম নীরব ও সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুসহ ৯৭ জনকে আসামি করে মামলা করে পল্টন থানার পুলিশ।

আরও পড়ুন:
মহাসচিব নিয়োগ নিয়ে জাপায় অস্থিরতা
মায়ের সঙ্গে থাকবে দুই শিশু, বাবার সাক্ষাৎ দিনের বেলা
জাপানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা
জাপানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে, জানা যাবে আজ
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় আমরা বদ্ধপরিকর: জি এম কাদের

শেয়ার করুন

বাংলাদেশকে আমরা রক্ষা করব: শাহজাহান খান

বাংলাদেশকে আমরা রক্ষা করব: শাহজাহান খান

মিছিলে বক্তব্য রাখছেন শাহজাহান খান।

শাহজাহান খান বলেন, ‘তারা উন্মাদনা সৃষ্টি করে আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করছে। বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয় তারা পুড়িয়ে দিচ্ছে, ভাঙচুর করছে এবং এর পেছনে কারা মদদ দিচ্ছে তা এখন মানু্ষের কাছে সুস্পষ্ট হয়ে গেছে।’

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাহজাহান খান বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়ে সাত কোটি মানুষ সেদিন মুক্তিযুদ্ধ করেছিল। ধর্মের নামে সেদিন এক শ্রেণীর মানুষ রাজাকার, আলবদর, আলশামস সৃষ্টি করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। তারা কিন্তু এখনও বসে নেই। তারা বারবারই হানা দেয়ার চেষ্টা করছে।

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শ্রমিক কর্মচারী পেশাজীবী মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ আয়োজিত এক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তি মিছিল থেকে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা পরিষ্কার বলতে চাই, বাংলাদেশ কোন সাম্প্রদায়িক শক্তির নয়। এই অপশক্তিকে রোধ করার জন্য শ্রমিক, কর্মচারী, পেশাজীবী, বীর মুক্তিযোদ্ধারা স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে আমরা রক্ষা করব।’

শাহজাহান খান বলেন, ‘তারা উন্মাদনা সৃষ্টি করে আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করছে। বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয় তারা পুড়িয়ে দিচ্ছে, ভাঙচুর করছে এবং এর পেছনে কারা মদদ দিচ্ছে তা এখন মানু্ষের কাছে সুস্পষ্ট হয়ে গেছে। যারা এই সরকারকে উৎখাত করতে চায়, যারা দেশে অশান্তি সৃষ্টি করতে চায়, যারা ধর্মের নামে উন্মাদনা সৃষ্টি করে, যারা এই বাংলাদেশকে একটা অকার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে পরিণত করতে চায়, তারাই রাষ্ট্রে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যারা নিজেদের বীর মুক্তিযোদ্ধা বলে থাকি, আমরা দেশ ও জাতির অতন্দ্র প্রহরী। যখনই বাংলাদেশ কোন সংকটে মুখে পতিত হয়েছে, তখনই বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারী পেশাজীবীর মধ্য দিয়ে এই বীর মুক্তিযোদ্ধারা আমরা রুখে দাঁড়িয়েছি। ২০১৩, ১৪, ১৫ সালে আমরা তা করেছি। ২০১৫ সালে যেভাবে মানুষকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে, সেই বিএনপি-জামাতের লাগাতার আন্দোলনকে আমরা অকার্যকর করে দিয়েছি। শ্রমিক কর্মচারী পেশাজীবীরা আমরা বাংলাদেশের যেকোনো সঙ্কটে ভূমিকা রাখতে চাই।’

আরও পড়ুন:
মহাসচিব নিয়োগ নিয়ে জাপায় অস্থিরতা
মায়ের সঙ্গে থাকবে দুই শিশু, বাবার সাক্ষাৎ দিনের বেলা
জাপানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা
জাপানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে, জানা যাবে আজ
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় আমরা বদ্ধপরিকর: জি এম কাদের

শেয়ার করুন

সরকারি চাকরিতে আগের কোটা চান মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা

সরকারি চাকরিতে আগের কোটা চান মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা

মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত বক্তারা।

প্রশাসন থেকে শুরু করে সব পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের প্রজন্মকে সম্মান ও মর্যাদা দেয়ার আহ্বান জানান বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখা সেক্টরস কমান্ডার ফোরাম ’৭১-এর যুগ্ম মহাসচিব মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ পাটোয়ারী।

সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ পুনর্বহাল চান মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা।

বুধবার মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সম্প্রীতি শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও পরবর্তী প্রজন্মের জন্য এই কোটা বরাদ্দের দাবি জানান তারা।

মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের কেন্দ্রীয় সভাপতি মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও সম্প্রীতি শোভাযাত্রায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মুজিব নগর সরকারের গার্ড অফ অনার প্রদানকারী ও মুক্তিযুদ্ধের ৮ নং সেক্টরের সাব সেক্টর কমান্ডার মাহবুব উদ্দিন বীরবিক্রম (এসপি মাহবুব)। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সেক্টরস কমান্ডার ফোরাম ’৭১-এর যুগ্ম মহাসচিব মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ পাটোয়ারী, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ঢাকা জেলা ইউনিট কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদ মিয়া, ঢাকা মহানগর ইউনিট কমান্ডার মো. শহিদুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম রেজা এবং প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন কমিটির আহবায়ক মাসুদ রানা প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহবুব উদ্দিন বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাণের বিনিময়ে এ দেশ স্বাধীন হয়েছে। সেই মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের কোটা বাতিল করা মোটেই সমীচীন হয়নি। সরকারি চাকরিতে কোটা পুনর্বহাল করে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ কোটা বরাদ্দ রাখতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সুন্দর সমাজ ব্যবস্থার প্রত্যাশায় আমরা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম। সেই সুন্দর সমাজ এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি না। দেশে এখন ধর্মীয় সম্প্রীতির বড়ই অভাব। স্বাধীনতা বিরোধীরা এখনও নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে।’

আবুল কালাম আজাদ পাটোয়ারি বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষা দিতে না পারা। জাতির জনকের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছি। অথচ দেশ স্বাধীনের পর আমরা তাকেই রক্ষা করতে পারিনি।’

তিনি প্রশাসন থেকে শুরু করে সব পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের প্রজন্মকে সম্মান ও মর্যাদা দেয়ার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভার পর জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে সম্প্রীতির শোভাযাত্রা সংসদ ভবন দক্ষিণ প্লাজা, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে ধানমন্ডি ৩২ বঙ্গবন্ধু ভবনে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় সংগঠনটির নেতারা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন ও শপথ বাক্য পাঠ করেন।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি তার মিন্টু রোডের সরকারি বাসভবনে কেক কেটে দিবস উদযাপন শুরু করেন।

আরও পড়ুন:
মহাসচিব নিয়োগ নিয়ে জাপায় অস্থিরতা
মায়ের সঙ্গে থাকবে দুই শিশু, বাবার সাক্ষাৎ দিনের বেলা
জাপানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা
জাপানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে, জানা যাবে আজ
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় আমরা বদ্ধপরিকর: জি এম কাদের

শেয়ার করুন