সেরা রিপোর্টারদের সম্মাননা দেবে ‘নগদ’

সেরা রিপোর্টারদের সম্মাননা দেবে ‘নগদ’

সংবাদ সম্মেলনে ‘নগদ-ডিআরইউ বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড ২০২১’ নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন অতিথিরা। ছবি: নিউজবাংলা

ঘোষণা অনুসারে গত ১ অক্টোবর ২০২০ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১-এর মধ্যে ডিআরইউ সদস্যদের প্রকাশিত ও প্রচারিত প্রতিবেদন অ্যাওয়ার্ড মনোনয়নের জন্য জমা দিতে হবে। রিপোর্ট জমা দেয়ার শেষ সময় ৮ অক্টোবর রাত ৮টা পর্যন্ত।  

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সবচেয়ে আকর্ষণীয় আয়োজন বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড। পুরস্কারটিতে এবার অংশীদার হয়েছে ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’। আর এটির নামকরণ করা হয়েছে ‘নগদ-ডিআরইউ বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড ২০২১’।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার নগদ ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

এ বছর প্রিন্ট, অনলাইন, টেলিভিশিন ও রেডিও দুই ভাগে ২২টি ক্যাটাগরিতে সেরা রিপোর্টের জন্য পুরস্কার দেয়া হবে। দেশের ১০ জন জ্যেষ্ঠ সম্পাদক জমা পড়া রিপোর্টের মধ্য থেকে যাচাই-বাছাই করে সেরা রিপোর্ট নির্বাচন করবেন। পরে চলতি মাসের শেষ দিকে জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা ও পুরস্কার তুলে দেয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে ‘নগদ-ডিআরইউ বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড ২০২১’ নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন ডিআরইউ-এর সাধারণ সম্পাদক মসিউর রহমান খান। আর এই আয়োজনে ‘নগদ’-এর যুক্ত হওয়ার বিষয়টি আলোকপাত করেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদ এলিট।

মসিউর রহমান জানান, ঘোষণা অনুসারে গত ১ অক্টোবর ২০২০ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১-এর মধ্যে সংগঠনের সদস্যদের প্রকাশিত ও প্রচারিত প্রতিবেদন অ্যাওয়ার্ড মনোনয়নের জন্য জমা দিতে হবে। রিপোর্ট জমা দেয়ার শেষ সময় ৮ অক্টোবর রাত ৮টা পর্যন্ত।

সংবাদ সম্মেলনে ডিআরইউ-এর সভাপতি মুরসালিন নোমানী, ‘নগদ’-ডিআরইউ বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড কমিটির আহ্বায়ক মাইনুল হাসান সোহেলসহ সংগঠনটির অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

‘নগদ-ডিআরইউ বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড ২০২১’-এ সম্পৃক্ত হওয়া নিয়ে ‘নগদ’-এর নির্বাহী পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদ বলেন, ‘ডিআরইউয়ের মতো সংগঠনের সঙ্গে মিলে এক বছরের সেরা রিপোর্ট নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকা আমাদের জন্য একটি বড় সুযোগ। আমরা এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইনি। আমরা সব সময়ই দায়িত্বশীল ও জনকল্যাণকর সাংবাদিকতার পক্ষে। ভবিষ্যতেও আমাদের এই অবস্থান থাকবে। আশা করি, আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা দেশের সাংবাদিকতার উন্নয়নে কিছুটা হলেও ভূমিকা রাখবে।’

নানান উদ্ভাবন দিয়ে সাড়া জাগানো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’ ইতিমধ্যে ডিআরইউ-এর সব ধরনের পেমেন্ট পার্টনার হিসেবে কাজ করছে।

একই অনুষ্ঠানে ‘নগদ’ পেমেন্টের মাধ্যমে ডিআরইউ-এর বার্ষিক সদস্য চাঁদা পরিশোধ করে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ডিআরইউ-এর সভাপতি মুরসালিন নোমানী ও সাধারণ সম্পাদক মসিউর রহমান খান।

২০১৯ সালের ২৬ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্বোধনের পর মাত্র আড়াই বছরের মধ্যে ‘নগদ’ সাড়ে ৫ কোটি গ্রাহক পেয়েছে। সেই সঙ্গে দৈনিক গড় লেনদেন পৌঁছে গেছে ৭৫০ কোটি টাকায়।

আরও পড়ুন:
হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সঙ্গে নগদের চুক্তি
৮টি ছাড়া স্থগিত সব নগদ হিসাব সচল
রাজস্ব আয়ে ডাক বিভাগে সবচেয়ে সফল ‘নগদ’
‘নগদ’ অফিস ঘেরাওয়ের হুমকি
সাত শতাধিক ‘নগদ’ অ্যাকাউন্ট পুনঃসচল

শেয়ার করুন

মন্তব্য

চাঙা অর্থনীতি, রাজস্ব আদায়ে জোয়ার 

চাঙা অর্থনীতি, রাজস্ব আদায়ে জোয়ার 

চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বা রাজস্ব আহরণে সামগ্রিকভাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১৭ শতাংশ। এ সময়ে মোট রাজস্ব আহরণ হয় ৫৮ হাজার ৩৫১ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে আদায় হয়েছিল ৪৯ হাজার ৯৯১ কোটি টাকা।

করোনার প্রভাবে সৃষ্ট গভীর খাদ থেকে উঠে দাঁড়িয়েছে দেশের রাজস্ব খাত। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রাজস্ব আদায় বেড়েছে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় পাঁচ গুণ।

অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, করোনার প্রভাব কাটিয়ে দেশের অর্থনীতি যে চাঙা হচ্ছে, এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে রাজস্ব আদায়ে। এটি দেশের জন্য সুসংবাদ বলে মনে করেন তারা।

রোববার প্রকাশিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সবশেষ প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বা রাজস্ব আহরণে সামগ্রিকভাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১৭ শতাংশ।

এ সময়ে মোট রাজস্ব আহরণ হয় ৫৮ হাজার ৩৫১ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে আদায় হয়েছিল ৪৯ হাজার ৯৯১ কোটি টাকা।

অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের আদায়ের এই চিত্র সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে রেকর্ড তৈরি করেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে প্রবৃদ্ধি ছিল ৩ দশমিক ২১ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের প্রথম থেকে রাজস্ব আয়ে গতিশীলতা লক্ষ করা যাচ্ছে। আগস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বরে গতি আরও বেড়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, আমদানি-রপ্তানিতে গতি এসেছে। চাঙা হচ্ছে অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে রাজস্ব আহরণে।

দেশে করোনা সংক্রমণ হওয়ার পর সবকিছু বন্ধ থাকায় গত বছরের এপ্রিল-মে রাজস্ব আদায় হয়নি বললেই চলে। জুন মাসেও তেমন রাজস্ব আদায় হয়নি।

গত বছরের জুলাই মাস থেকে রাজস্ব আদায় স্বাভাবিক হতে শুরু করে। আর চলতি অর্থবছরের শুরুতে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে করোনার আগের সময়ের ধারায় ফিরে আসে এনবিআর।

করোনার প্রথম ধাপে ২০১৯-২০ অর্থবছর রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক বা নেতিবাচক ছিল। স্বাধীনতা-পরবর্তী আর কখনোই এমনটি দেখা যায়নি। সেই অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে রাজস্ব খাত ক্রমাগত উচ্চ প্রবৃদ্ধির দিকে যাচ্ছে।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এখন পর্যন্ত রাজস্ব আদায়ে নেতৃত্ব দিচ্ছে আমদানি খাত। অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে এ খাতে সর্বোচ্চ ২১ শতাংশ হারে আদায় বেড়েছে, যেখানে গত অর্থবছরের একই সময়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৭ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, করোনা পরিস্থিতি উন্নতির ফলে অভ্যন্তরীণ চাহিদা চাঙা হওয়ায় আমদানির চাহিদা বেড়েছে। এ কারণে আমদানি শুল্ক বাড়ছে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বাজোরে পণ্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে আদায়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

সাধারণত আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বাড়লেও আমদানি শুল্ক বাড়ে। কারণ, তখন বেশি দামের ওপর ভিত্তি করে পণ্যের শুল্কায়ন করা হয়।

এনবিআরের হালনাগাদ পরিসংখ্যান বলছে, চলতি অর্থবছরে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আমদানি পর্যায়ে রাজস্ব আহরণ হয় ১৯ হাজার ৩০৯ কোটি টাকা, যেখানে গত অর্থবছরের একই সময়ে আয় ছিল ১৫ হাজার ৯৫৮ কোটি টাকা।

রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে ভ্যাটে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় সাড়ে ১৬ শতাংশ। গত অর্থবছর একই সময়ে এটি ছিল মাত্র ১ দশমিক ২৫ শতাংশ।

এ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ভ্যাট আদায় হয়েছে ২১ হাজার ৯২ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে একই সময় আদায় হয় ১৮ হাজার ১১২ কোটি টাকা।

এনবিআরের কর্মকর্তারা বলেন, করোনার দ্বিতীয় ধাক্কার পর গত আগস্ট মাসে বিধিনিষেধ তুলে দেয়া হয়। ফলে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙা হয়। যে কারণে ভ্যাট আহরণ বেড়েছে।

অভ্যন্তরীণ আয়ের অন্যতম উৎস আয়কর বা প্রত্যক্ষ কর খাত অন্য দুটি অপেক্ষা কিছুটা পিছিয়ে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে আয়কর আদায় বেড়েছে প্রায় ১৩ শতাংশ হারে, যেখানে গত অর্থবছরে একই সময়ে প্রবৃদ্ধি হয় ২ শতাংশের কিছু বেশি।

এ সময়ে আয়কর আদায় হয়েছে ১৭ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা। গত অর্থবছর এ সময়ে আদায় ছিল ১৫ হাজার ৯২০ কোটি টাকা। এনবিআর বলছে, অর্থবছরে শুরুতে উন্নয়ন কাজের গতি মন্থর থাকায় আয়কর আদায় কম হয়। শুষ্ক মৌসুমে এডিপির কাজের গতি বাড়ে। ফলে আয়কর আদায়ও বাড়বে।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এনবিআরের তিনটি উৎস– আমদানি, ভ্যাট ও আয়কর আদায়ে অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে ডাবল ডিজিট প্রবৃদ্ধি হয়েছে, যেখানে গত অর্থবছরের একই সময়ে তা ছিল সিঙ্গেল ডিজিট।

তবে আদায় পরিস্থিতি ভালো হলেও তিন মাসে রাজস্ব আদায় পিছিয়ে আছে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায়। ঘাটতি ৬ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

বাজেটের মোট অর্থের ৮৬ শতাংশ জোগান দেয় এনবিআর।

চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে এনবিআরের মাধ্যমে সংগৃহীত রাজস্বের পরিমাণ ধরা হয় মোট ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। তবে এই লক্ষ্যমাত্রাকে অতি উচ্চাভিলাষী বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।

গত অর্থবছরে ২ লাখ ৫৯ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়।

যোগাযোগ করা হলে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাবেক ঊর্ধ্বতন পরিচালক বর্তমানে অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের ধারায় ফিরছে। রেমিট্যান্স কিছুটা কমলেও রপ্তানি বাড়ছে। সবকিছু মিলিয়ে অর্থনীতি প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরছে। এসব কারণে রাজস্ব আদায় বাড়ছে।’

আরও পড়ুন:
হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সঙ্গে নগদের চুক্তি
৮টি ছাড়া স্থগিত সব নগদ হিসাব সচল
রাজস্ব আয়ে ডাক বিভাগে সবচেয়ে সফল ‘নগদ’
‘নগদ’ অফিস ঘেরাওয়ের হুমকি
সাত শতাধিক ‘নগদ’ অ্যাকাউন্ট পুনঃসচল

শেয়ার করুন

বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও পিপিই পার্কে ব্রিটিশ হাইকমিশনার

বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও পিপিই পার্কে ব্রিটিশ হাইকমিশনার

বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক এবং বেক্সিমকো পিপিই পার্ক পরিদর্শন করেন ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন।

বেক্সিমকো পিপিই পার্কে উচ্চমানের পিপিই উৎপাদন ও পরীক্ষার জন্য অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধার প্রশংসা করে ব্রিটিশ হাইকমিশনার এই বৈশ্বিক মহামারি পরিস্থিতিতে সময়োপযোগী অত্যাধুনিক কারখানা স্থাপনের জন্য বেক্সিমকোকে ধন্যবাদ জানান এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উচ্চমানের পিপিই উপকরণ প্রাপ্যতার গুরুত্বের ওপর জোর দেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো গ্রুপের দুটি পার্ক পরিদর্শন করেছেন ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন।

রোববার সকালে বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক এবং বেক্সিমকো পিপিই পার্ক পরিদর্শন করেছেন বলে প্রতিষ্ঠানটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এ সময় ব্রিটিশ হাইকমিশনারের স্ত্রী মিসেস তেরেসা আলবর, হাইকমিশনের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রধান ডেরেক গ্রিফিথস এবং শাসন ও রাজনৈতিক দলের প্রধান টম বার্জ উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সকাল সোয়া ১০টার দিকে ব্রিটিশ হাইকমিশনার বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে পৌঁছান। বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান সোহেল এফ রহমান এবং গ্রুপের পরিচালক ও বেক্সিমকো টেক্সটাইল, অ্যাপারেলস ও পিপিই ডিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সৈয়দ নাভেদ হোসেন গ্রুপের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে হাইকমিশনারকে স্বাগত জানান।

হাইকমিশনার বেক্সিমকো পিপিই পার্কের অভ্যন্তরে আধুনিক পিপিই উৎপাদন ও সেন্টার অব এক্সেলেন্স ইন্টারটেক ল্যাব পরিদর্শন করেন। এ সময় বেক্সিমকো পিপিই টিম স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য হাসপাতাল গ্রেড গাউন, কভারঅল, সার্জিক্যাল মাস্ক, রেসপিরেটর এবং নন-উভেন কাপড় তৈরির অত্যাধুনিক উৎপাদন সুবিধা তুলে ধরেন।

বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও পিপিই পার্কে ব্রিটিশ হাইকমিশনার

বেক্সিমকো পিপিই পার্কে উচ্চমানের পিপিই উৎপাদন ও পরীক্ষার জন্য অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধার প্রশংসা করে ব্রিটিশ হাইকমিশনার এই বৈশ্বিক মহামারি পরিস্থিতিতে সময়োপযোগী অত্যাধুনিক কারখানা স্থাপনের জন্য বেক্সিমকোকে ধন্যবাদ জানান এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উচ্চমানের পিপিই উপকরণ প্রাপ্যতার গুরুত্বের ওপর জোর দেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বেক্সিমকো পিপিই পার্ক পরিদর্শন শেষে ব্রিটিশ হাইকমিশনার তার সঙ্গীদের নিয়ে বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের অভ্যন্তরে অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় টেকসই ওয়াশিং প্ল্যান্ট এবং বেক্সিমকো সিরামিক প্লান্ট ও অত্যাধুনিক উৎপাদন কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করেন।

আরও পড়ুন:
হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সঙ্গে নগদের চুক্তি
৮টি ছাড়া স্থগিত সব নগদ হিসাব সচল
রাজস্ব আয়ে ডাক বিভাগে সবচেয়ে সফল ‘নগদ’
‘নগদ’ অফিস ঘেরাওয়ের হুমকি
সাত শতাধিক ‘নগদ’ অ্যাকাউন্ট পুনঃসচল

শেয়ার করুন

পেঁয়াজ নিয়ে অস্বস্তিতে বাণিজ্যমন্ত্রী

পেঁয়াজ নিয়ে অস্বস্তিতে বাণিজ্যমন্ত্রী

পেঁয়াজ নিয়ে কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে রয়েছেন জানিয়ে টিপু মুনশি বলেন, ‘পেঁয়াজ উৎপাদনে আমাদের ঘাটতি আছে। প্রয়োজনের তুলনায় কম উৎপাদন হচ্ছে। ফলে আমদানি করে ঘাটতি পূরণ করতে হচ্ছে। সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করছে।’

সংকটকালে ফলন পাওয়া যায় এমন জাতের পেঁয়াজ উদ্ভাবনে জোর দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

দেশে গত কয়েক বছরে পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়লেও তা পর্যাপ্ত নয় বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা এখনও আমদানি করি, এটা থেকে বের হতে সংরক্ষণে জোর দিতে হবে।’

আগামী তিন বছরের মধ্যেই পেঁয়াজ উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পন্ন হবে বলেও প্রত্যাশা করেন মন্ত্রী।

‘বাংলাদেশের ৫০ বছর: কৃষির রূপান্তর ও অর্জন’ শীর্ষক কৃষি সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে জাতীয় দৈনিক বণিক বার্তা এবং বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরাম (বিএজেএফ) যৌথভাবে সম্মেলনটির আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম।

বিষয়ের ওপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন।

পেঁয়াজ নিয়ে কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে রয়েছেন জানিয়ে টিপু মুনশি বলেন, ‘পেঁয়াজের জ্বালায় আমি অস্থির হয়ে পড়েছি। পরিসংখ্যানের একটা ঝামেলা আছে। আমাদের প্রয়োজন ২৪-২৫ লাখ টন পেঁয়াজ। উৎপাদনও হয় ২৫-২৬ লাখ টন। তাহলে আমদানি কেন? এমন প্রশ্ন আসে। সে ক্ষেত্রে বক্তব্য হচ্ছে, প্রায় ২০ শতাংশ পেঁয়াজ আমাদের নষ্ট হয়। সংরক্ষণ করা যায় না।

‘পেঁয়াজ উৎপাদনে আমাদের ঘাটতি আছে। প্রয়োজনের তুলনায় কম উৎপাদন হচ্ছে। ফলে আমদানি করে ঘাটতি পূরণ করতে হচ্ছে। সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করছে।’

তিনি বলেন, ‘সারা বছর উৎপাদনের জন্য পেঁয়াজের নতুন জাত উদ্ভাবন, উৎপাদিত পেঁয়াজ যাতে নষ্ট না হয় এবং দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায়, এমন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।’

টিপু মুনশি বলেন, ‘দেশে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর সময়ে পেঁয়াজের ঘাটতি দেখা দেয়, এই সময়ের জন্য নতুন জাত উদ্ভাবন করেছেন বলে জেনেছি। হয়তো কিছুদিনের মধ্যে আর সংকট থাকবে না। আর তিন-চার বছর হয়তো লাগবে।’

দেশে কৃষির অগ্রগতি তুলে ধরে টিপু মুনশি বলেন, ‘কৃষিক্ষেত্রে আমরা অনেক এগিয়েছি। সরকারের আন্তরিক সহযোগিতায় আধুনিকায়নে সমর্থ হওয়ার কারণেই এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। সরকার খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন হওয়ার নীতি গ্রহণ করেছে। যা আমাদের উৎসাহিত করেছে। এতে আমরা বেশ সফলও হয়েছি।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রাণিসম্পদে আমরা এখন স্বয়ংসম্পন্ন। একসময় দেশের কোরবানির পশুর চাহিদা মেটাতে বিদেশ থেকে আমদানি করতে হতো, আজ চাহিদার বেশি পশু আমরা উৎপাদন করছি।

‘এখন বাংলাদেশ মাংস রপ্তানির চেষ্টা করছে। মৎস্য চাষে পৃথিবীতে বাংলাদেশের অবস্থান এখন তৃতীয়। দেশে মৎস্য চাষে বিপ্লব ঘটেছে। বাংলাদেশ প্রতিবছর মাছ রপ্তানি করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার প্রতিটি সেক্টরে স্বয়ংসম্পন্ন হতে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে।’

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেন, কৃষি সেক্টরে বাণিজ্যিকীকরণে অনেক এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ, ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। খাদ্য উৎপাদন অনেক বেড়েছে, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উৎপাদনে সফল হয়েছি আমরা। অনেক দেশের তুলনায় এখনও আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। তবে এখনও কৃষি খাতে উৎপাদন বাড়ানোর প্রচুর সুযোগ আছে।’

তিনি বলেন, ‘উৎপাদনে প্রযুক্তির ব্যবহার ও নতুন জাত আবিষ্কারের মাধ্যমে আমাদের অনেক দূর এগিয়ে যেতে হবে। এ লক্ষ্যে সরকার নীতিগত ও কারিগরি সহায়তা বৃদ্ধি করেছে।’

ভবিষ্যতে এ ধরনের সহযোগিতা আরও বাড়ানো হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ লাইভস্টক রিসার্স ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. জাহাঙ্গীর আলম, মৎস্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ড. সৈয়দ আরিফ আজাদ, লাল তীর লাইভস্টকের চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা এবং আফতাব বহুমুখী ফার্মস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু লুৎফে ফজলে রহিম খানসহ অন্যরা।

আরও পড়ুন:
হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সঙ্গে নগদের চুক্তি
৮টি ছাড়া স্থগিত সব নগদ হিসাব সচল
রাজস্ব আয়ে ডাক বিভাগে সবচেয়ে সফল ‘নগদ’
‘নগদ’ অফিস ঘেরাওয়ের হুমকি
সাত শতাধিক ‘নগদ’ অ্যাকাউন্ট পুনঃসচল

শেয়ার করুন

ইলেকট্রনিকস শিল্প গার্মেন্টসকে ছাড়িয়ে যাবে: সালমান এফ রহমান

ইলেকট্রনিকস শিল্প গার্মেন্টসকে ছাড়িয়ে যাবে: সালমান এফ রহমান

গাজীপুরে ওয়ালটনের কারখানা পরিদর্শনের সময় ওয়ালটনের ১ লাখ ফ্রিজ রপ্তানির সাফল্য উদযাপনে কেক কাটেন সালমান এফ রহমান। ছবি: সংগৃহীত

সালমান এফ রহমান বলেন, ‘ইলেকট্রনিকস ও প্রযুক্তি খাতে ওয়ালটন সরকারের সুযোগ কাজে লাগাতে পেরেছে। তাদের প্রোডাক্ট ডাইভারসিটি অনেক। তারা বিভিন্ন ধরনের পণ্য উৎপাদন করছে। তারা সব ধরনের যন্ত্রাংশও তৈরি করছে। ওয়ালটন যখন বলে মেইড ইন বাংলাদেশ তখন সেটা সত্যিই মেইড ইন বাংলাদেশ। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য অর্জনে গবেষণা ও উন্নয়ন খুব গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ালটন এ ক্ষেত্রে ব্যাপক কাজ করছে। বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে তাদের আরএন্ডডি খুবই সমৃদ্ধ।’

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেছেন, বেসরকারি শিল্প খাতের জন্য সরকার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে। সেসব কাজে লাগিয়ে ইলেকট্রনিক্স শিল্প খুব দ্রুতই রপ্তানি খাতে গার্মেন্টস শিল্পকে ছাড়িয়ে যাবে।

গাজীপুরের চন্দ্রায় শনিবার ওয়ালটন কারখানা পরিদর্শনের সময় এসব কথা বলেন সালমান এফ রহমান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন আইএফআইসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম শাহ আলম সরোয়ার।

কারখানা কমপ্লেক্সে অতিথিদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম, পরিচালক এস এম রেজাউল আলম, এস এম মঞ্জুরুল আলম ও সাবিহা জারিন অরনা এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মুর্শেদ।

কারখানা পরিদর্শনের সময় ওয়ালটনের ১ লাখ ফ্রিজ রপ্তানির সাফল্য উদযাপনে বিশালাকার কেক কাটেন সালমান এফ রহমান।

এ সময় তিনি বলেন, ‘ইলেকট্রনিকস ও প্রযুক্তি খাতে ওয়ালটন সরকারের সুযোগ কাজে লাগাতে পেরেছে। তাদের প্রোডাক্ট ডাইভারসিটি অনেক। তারা বিভিন্ন ধরনের পণ্য উৎপাদন করছে। তারা সব ধরনের যন্ত্রাংশও তৈরি করছে। ওয়ালটন যখন বলে মেইড ইন বাংলাদেশ, তখন সেটা সত্যিই মেইড ইন বাংলাদেশ। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য অর্জনে গবেষণা ও উন্নয়ন খুব গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ালটন এ ক্ষেত্রে ব্যাপক কাজ করছে। বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে তাদের আরএন্ডডি খুবই সমৃদ্ধ।’

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের এমডি ও সিইও গোলাম মুর্শেদ বলেন, ইলেকট্রনিকস শিল্পই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। ওয়ালটন পণ্য এখন বিশ্বের ৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। দেশের রেফ্রিজারেটর মার্কেটের ৭৫ শতাংশ ওয়ালটনের। এসির প্রায় ৫০ শতাংশ আর টিভির ৪০ শতাংশ মার্কেট ওয়ালটনের। এর অর্থ মানুষ ওয়ালটন পণ্যের প্রতি আস্থা ও ভরসা রাখছে।

কারখানা প্রাঙ্গণে অতিথিরা ওয়ালটনের বিশাল কর্মযজ্ঞের ওপর নির্মিত ভিডিও ডকুমেন্টারি উপভোগ করেন। পরে ওয়ালটনের সুসজ্জিত প্রোডাক্ট ডিসপ্লে সেন্টার ঘুরে দেখেন। ওয়ালটনের মেটাল কাস্টিং, কম্প্রেসর, রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, এলইডি টেলিভিশন, কম্পিউটার ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, হোম অ্যাপ্লায়েন্সসহ বিভিন্ন পণ্যের উৎপাদন প্রক্রিয়াও সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন অতিথিরা।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুরের পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ শফিক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মামুন সরদার, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের ডিএমডি হুমায়ূন কবীর ও আলমগীর আলম সরকার, ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ডিএমডি লিয়াকত আলী ভূঁইয়া, ওয়ালটনের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী পরিচালক কর্নেল (অব.) শাহাদাত আলম, উদয় হাকিম, তানভীর রহমান, আনিসুর রহমান মল্লিক, ফিরোজ আলম, ইউসুফ আলী, মোস্তফা নাহিদ হোসেন, আমিন খান ও ইয়াসির আল ইমরান, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ইউনিটের প্রেসিডেন্ট এডওয়ার্ড কিম, নির্বাহী পরিচালক শাহজাদা সেলিম, আবদুল্লাহ আল মামুন, জাহিদুল আলম, শাহজালাল হোসেন লিমন, মহসিন আলী মোল্লাসহ আরও অনেকে।

আরও পড়ুন:
হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সঙ্গে নগদের চুক্তি
৮টি ছাড়া স্থগিত সব নগদ হিসাব সচল
রাজস্ব আয়ে ডাক বিভাগে সবচেয়ে সফল ‘নগদ’
‘নগদ’ অফিস ঘেরাওয়ের হুমকি
সাত শতাধিক ‘নগদ’ অ্যাকাউন্ট পুনঃসচল

শেয়ার করুন

তুরস্ক-মিয়ানমার থেকে এসেছে সাড়ে ৫ হাজার টন পেঁয়াজ

তুরস্ক-মিয়ানমার থেকে এসেছে সাড়ে ৫ হাজার টন পেঁয়াজ

তুরস্ক-মিয়ানমার থেকে সাড়ে ৫ হাজার টন পেঁয়াজ এসেছে। ছবি: নিউজবাংলা

কর্মকর্তারা জানান, তুরস্ক থেকে ১১, ১২, ১৮ ও ২১ অক্টোবর ৪ হাজার ৪ টন পেঁয়াজ এসেছে। আরও কিছু পেঁয়াজ এই সপ্তাহে আসবে।

অতিবৃষ্টির কারণে পেঁয়াজের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভারতে। এ কারণে সেখানে দামও বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশে। গত দুই সপ্তাহে বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ।

দেশের বাজার স্থিতিশীল রাখতে বিকল্প দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা। এরই মধ্যে মিয়ানমার ও তুরস্ক থেকে পেঁয়াজ দেশে ঢুকেছে। আমদানি বাড়ায় এখন খাতুনগঞ্জে কমেছে পেঁয়াজের দাম।

চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র ও টেকনাফ স্থলবন্দরের তথ্য অনুযায়ী, দুই সপ্তাহে তুরস্ক থেকে এসেছে ৪ হাজার ৪ টন পেঁয়াজ। মিয়ানমার থেকে এসেছে এক হাজার ৬৯৮ টন।

চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক নাছির উদ্দিন বলেন, ‘তুরস্ক থেকে ১১, ১২, ১৮ ও ২১ অক্টোবর ৪ হাজার ৪ টন পেঁয়াজ এসেছে। আরও কিছু পেঁয়াজ এই সপ্তাহে আসবে। এরই মধ্যে ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করেছেন আমদানিকারকরা।’

টেকনাফ স্থলবন্দরের উপপরিচালক শৈবাল কান্তি নন্দী জানান, মূলত বাংলাদেশ ভারতের পেঁয়াজের ওপর নির্ভরশীল। সেখানে দাম বেড়ে গেলে এখানকার ব্যবসায়ীরা মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে থাকেন। দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক রাখতে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে।

রোববার খাতুনগঞ্জে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আমদানি বাড়ায় দুই সপ্তাহের ব্যবধানে খাতুনগঞ্জ পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ২০ টাকা কমেছে। আড়তে এখন মিয়ানমারের নিম্নমানের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০-২২ টাকা, উন্নতমানের পেঁয়াজ মানভেদে ৩৫-৩৭ টাকা। আর ভারতীয় পেঁয়াজ মানভেদে ৪৫-৪৭ টাকায় এবং তুরস্কের পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৩০-৩২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খাতুনগঞ্জের আড়তদার ইদ্রিছ আলী বলেন, ‘দুই সপ্তাহের আগ থেকে বর্তমানে পাইকারিতে ২০ টাকা কমে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। আড়তে প্রচুর পেঁয়াজ এসেছে, সামনে আরও দাম কমবে।’

খাতুনগঞ্জের আড়তদার সমিতির সাবেক সভাপতি সোলায়মান বাদশা বলেন, ‘মিয়ানমারের পেঁয়াজগুলো ৫০ শতাংশ খারাপ। তবে তুরস্ক ও অন্যান্য দেশের পেঁয়াজগুলো মোটামুটি ভালো। প্রতিদিন শ শ ট্রাক পেঁয়াজ ঢুকছে দেশে। ভারতীয় পেঁয়াজের অভাব এবার বাজারে পড়ছে। দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই। উল্টো আরও দাম কমবে বলে মনে হচ্ছে।’

এদিকে পাইকারিতে কমে যাওয়া খুচরা পর্যায়েও দাম কমেছে পেঁয়াজের। চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার, নিউ মার্কেট ও কাজীর দেউড়ীর খুচরা দোকানে কেজিপ্রতি মানভেদে ৪৫-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রামের সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, ‘পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কমলেও এর সুফল ভোক্তারা এখনও পুরোপুরি পাচ্ছেন না। আমাদের দেশের বাজারব্যবস্থাটা এমন- কোনো কিছুর দাম বাড়লে সবাই বাড়িয়ে দেয়। কমলে সবাই কমায় না।

‘পেঁয়াজের দাম কমার সঙ্গে সঙ্গে খুচরা পর্যায়েও কমার দরকার ছিল। এর জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেয়া দরকার।’

আরও পড়ুন:
হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সঙ্গে নগদের চুক্তি
৮টি ছাড়া স্থগিত সব নগদ হিসাব সচল
রাজস্ব আয়ে ডাক বিভাগে সবচেয়ে সফল ‘নগদ’
‘নগদ’ অফিস ঘেরাওয়ের হুমকি
সাত শতাধিক ‘নগদ’ অ্যাকাউন্ট পুনঃসচল

শেয়ার করুন

আবারও নিলামে ১১২টি বিলাসবহুল গাড়ি

আবারও নিলামে ১১২টি বিলাসবহুল গাড়ি

চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি করা ১১২ গাড়ি পঞ্চমবারের মতো নিলামে উঠবে। ছবি: নিউজবাংলা

নিলামে গাড়ি পেলেও বন্দর থেকে খালাস নিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ক্লিয়ারেন্স পারমিট নিতে হবে। ব্যক্তিগতভাবে এটি সংগ্রহ করতে হবে। আগের নিলামগুলোতে গাড়ি বিক্রি না হওয়ার প্রধান কারণ এই জটিলতা। এ ছাড়া বেশির ভাগ গাড়ির যন্ত্রাংশ নেই। এমনকি বেশ কিছু গাড়ির চাবিই নেই।

চলাচলের অনুপযোগিতা ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র (ক্লিয়ারেন্স পারমিট বা সিপি) নিয়ে অনিশ্চয়তা রেখেই আমদানি করা ১১২টি বিলাসবহুল গাড়ি নিলামে তুলেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

এর আগে চারবার নিলামে তোলা হলেও বিক্রি হয়নি এসব গাড়ি। তাই পঞ্চমবারের মতো ডাকা নিলামেও গাড়ি বিক্রি নিয়ে সন্দিহান বিডাররা (অংশগ্রহণকারীরা)। এবারের নিলামকে তারা প্রহসন হিসেবে আখ্যায়িত করছেন।

তবে এবারের নিলামে বিডার বাড়বে দাবি করে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বলছে, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, মোংলাসহ পাঁচ স্থানে আগামী ৩ ও ৪ নভেম্বর দরপত্র দাখিল করা যাবে। পাশাপাশি ই-অকশানের (অনলাইন নিলাম) ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এতে কাস্টমস কাঙ্খিত দর পাবে; আবার গাড়ি বিক্রির মাধ্যমে বন্দরের জায়গা খালি হবে, সরকারি কোষাগারেও জমা হবে বিপুল রাজস্ব।

জানা গেছে, ২০১৬ সালের আগস্টে, ২০১৭ সালের মে মাসে, ২০১৮ সালের ৩০ মে এবং ২০১৯ সালের ১৬ এপ্রিল বিলাসবহুল এসব গাড়ি নিলামে তোলা হয়। তখন কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় গাড়িগুলো বিক্রি করা সম্ভব হয়নি।

জার্মানি, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে তৈরি উচ্চমূল্যের বিএমডব্লিউ, মার্সিডিজ বেঞ্জ, ল্যান্ড ক্রুজার, ল্যান্ড রোভার, জাগুয়ার, লেক্সাস ও মিৎসুবিসির মতো দামি ব্র্যান্ডের বিলাসবহুল গাড়ি রয়েছে এগুলোর মধ্যে। ২০১১ সাল থেকে গাড়িগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে পড়ে আছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আমদানিনীতি আদেশের শর্ত অনুযায়ী গাড়ি তৈরির সাল থেকে পাঁচ বছরের বেশি পুরোনো গাড়ি আমদানি করা যাবে না। কিন্তু এখানের বেশির ভাগ গাড়ি ১০ থেকে ১২ বছরের পুরোনো।

নিলামে গাড়ি পেলেও বন্দর থেকে খালাস নিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ক্লিয়ারেন্স পারমিট নিতে হবে। ব্যক্তিগতভাবে এটি সংগ্রহ করতে হবে। আগের নিলামগুলোতে গাড়ি বিক্রি না হওয়ার প্রধান কারণ এই জটিলতাগুলোই। এ ছাড়া বেশির ভাগ গাড়ির যন্ত্রাংশ নেই। এমনকি বেশ কিছু গাড়ির চাবিই নেই।

নিলাম ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ জহিরুল ইসলাম নাঈম বলেন, ‘নিয়মিত নিলামে অংশ নিই। কিন্তু এবার নিব না। নিলামের ক্যাটালগে দেয়া বেশির ভাগ গাড়ি চলাচলের অনুপযোগী। বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নেই। এসব দামি গাড়ির যন্ত্রাংশ পাওয়া কঠিন।

‘তা ছাড়া নিলামে গাড়ি পেলেও সিপি নিতে হবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে। আমদানিনীতি আদেশ অনুযায়ী বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সিপি দেবে না। আর সিপি না পেলে গাড়ি খালাস নিতে পারবেন না ক্রেতারা।’

ক্যাটালগ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ২০০৭ সালে জার্মানের তৈরি একটি বিএমডব্লিউ গাড়ির সংরক্ষিত মূল্য দেয়া হয়েছে ২ কোটি ৩৮ লাখ ১৩ হাজার টাকা। ২ হাজার ৯৯৩ সিসির গাড়িটির চাবি নেই। রাবার চ্যানেল, হুইল ও ব্যাটারি ব্যবহারের অনুপযোগী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০০৫ সালে যুক্তরাজ্যের তৈরি ল্যান্ড রোভার গাড়ির দাম দেয়া হয়েছে ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা। গাড়িটির চাবি ও ড্যাশবোর্ড নেই।

জানা গেছে, সংরক্ষিত মূল্যের ৬০ শতাংশের কম দাম পেলে দ্বিতীয়বার নিলামে তুলতে হবে। তখন প্রথমবারের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হবে। তবে তৃতীয়বার যেকোনো মূল্যে বিক্রির এখতিয়ার রয়েছে কর্তৃপক্ষের।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের উপকমিশনার আল আমীন বলেন, ‘গাড়িতে কোনো সমস্যা থাকলে তা হিসাব করে দাম কম দেবে। তবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে নিজ উদ্যোগে সিপি সংগ্রহ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আমরা সহযোগিতা করব। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করে ১১২টি গাড়ির জন্য স্পেশাল অনুমতি চাইব। এ ক্ষেত্রে গাড়ির যৌক্তিক দাম হাঁকতে হবে।’

আরও পড়ুন:
হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সঙ্গে নগদের চুক্তি
৮টি ছাড়া স্থগিত সব নগদ হিসাব সচল
রাজস্ব আয়ে ডাক বিভাগে সবচেয়ে সফল ‘নগদ’
‘নগদ’ অফিস ঘেরাওয়ের হুমকি
সাত শতাধিক ‘নগদ’ অ্যাকাউন্ট পুনঃসচল

শেয়ার করুন

‘বেস্ট রিটেইল অর্গানাইজেশন অফ দ্য ইয়ার’ জিতল স্বপ্ন

‘বেস্ট রিটেইল অর্গানাইজেশন অফ দ্য ইয়ার’ জিতল স্বপ্ন

‘মোস্ট সাসটেইনেবল রিটেইল ইনিশিয়েটিভ’, ‘বেস্ট একুইজিশন স্ট্যাটেজি’ ক্যাটাগরিতেও পুরস্কার জিতে নিয়েছে স্বপ্ন। এবারই প্রথম বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের আয়োজনে ‘বাংলাদেশ রিটেইল অ্যাওয়ার্ডস ২০২১’ শীর্ষক অনুষ্ঠান ভার্চুয়ালি আয়োজিত হয়েছে। সবকিছু পর্যালোচনা করার পর জুরি বোর্ড ২৩ অক্টোবর রাতে এই পুরস্কার ঘোষণা করে।

মর্যাদাকর ‘বেস্ট রিটেইল অর্গানাইজেশন অফ দ্য ইয়ার’ পুরস্কার জিতেছে বাংলাদেশের জনপ্রিয় চেইন সুপারশপ ‌‘স্বপ্ন’। এই পুরস্কার ছাড়াও ‌‘মোস্ট সাসটেইনেবল রিটেইল ইনিশিয়েটিভ’, ‘বেস্ট একুইজিশন স্ট্যাটেজি’ ক্যাটাগরিতেও পুরস্কার জিতে নিয়েছে ‌স্বপ্ন।

এবারই প্রথম বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের আয়োজনে ‘বাংলাদেশ রিটেইল অ্যাওয়ার্ডস ২০২১’ শীর্ষক অনুষ্ঠান ভার্চুয়ালি আয়োজিত হয়েছে। সবকিছু পর্যালোচনা করার পর জুরি বোর্ড ২৩ অক্টোবর রাতে এই পুরস্কার ঘোষণা করে।

অনুষ্ঠানে অ্যাসোসিয়েট পার্টনার ছিল দ্য ডেইলি স্টার। অনুষ্ঠানে অন্যান্য পার্টনার হিসেবে আরও ছিল ওয়ার্ল্ড রিটেইল ফোরাম, রিটেইল স্টোর টুরস (স্ট্যাটেজিক পার্টনার), এমএসবি (নলেজ পার্টনার), আমরা (টেকনোলজি), ব্যাক পেইজ পিআর।

এর আগে বিশ্বের ১৭টি দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে বাংলাদেশের জনপ্রিয় সুপারশপ ‘স্বপ্ন’ জিতে ‘(এএমএফ) ষষ্ঠ এশিয়া মার্কেটিং এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’, যা এশিয়ার ‘মার্কেটিং কোম্পানি অফ দ্য ইয়ার ২০২০’ নামে স্বীকৃত।

উল্লেখ্য, ‘স্বপ্ন’ তাদের যাত্রা শুরু করে ২০০৮ সালে। বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম আয়োজিত বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড ২০১৬, ২০১৭, ২০১৮, ২০১৯ এবং ২০২০ সালে ‘সুপারস্টোর’ বিভাগে পর পর ৫ বার বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছে।

এ ছাড়া ২০১৯ ও ২০২০ সালে পর পর দুই বছর সব ক্যাটাগরিতে দেশের প্রথম ১০টি ব্র্যান্ডের মধ্যে স্থান করে নিতে পেরেছে ‘স্বপ্ন’। এ ছাড়া সুপার ব্র্যান্ড বাংলাদেশের অধীনে ২০১৮ এবং ২০২০-২১ সালে ‘সুপার ব্র্যান্ড’ হিসেবে পুরস্কার জিতেছে ‘স্বপ্ন’।

আরও পড়ুন:
হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সঙ্গে নগদের চুক্তি
৮টি ছাড়া স্থগিত সব নগদ হিসাব সচল
রাজস্ব আয়ে ডাক বিভাগে সবচেয়ে সফল ‘নগদ’
‘নগদ’ অফিস ঘেরাওয়ের হুমকি
সাত শতাধিক ‘নগদ’ অ্যাকাউন্ট পুনঃসচল

শেয়ার করুন