সহজ হচ্ছে জন্ম-মৃত্যুর নিবন্ধন

সহজ হচ্ছে জন্ম-মৃত্যুর নিবন্ধন

জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবসে রাজধানীর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে আলোচনা সভা। ছবি: সংগৃহীত

মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, ‘নাগরিকদের জন্মনিবন্ধন করা থাকলে যেকোনো সরকারি সুবিধা নেয়া-দেয়া সহজ হয়। যত দ্রুত জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন করা হবে, তত দ্রুত ও সহজে আমরা সেবা পাব। নিবন্ধনকাজকে আরও সহজ করতে চায় সরকার।'

জন্ম ও মৃত্যুর নিবন্ধনকাজকে আরও সহজ করতে চায় সরকার। আইন ও বিধিমালায় যদি কোথাও সমস্যা থাকে, সেগুলোরও দ্রুত সমাধান করা হবে। নিবন্ধন বিনা মূল্যে করার পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বুধবার এক অনুষ্ঠানে এসব কথা জানান।

জাতীয় জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন দিবসে বুধবার রাজধানীর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে এক আলোচনা সভা হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘সবার জন্য প্রয়োজন, জন্ম ও মৃত্যুর পরপরই নিবন্ধন’।

আলোচনা সভায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, ‘নাগরিকদের জন্মনিবন্ধন করা থাকলে যেকোনো সরকারি সুবিধা নেয়া-দেয়া সহজ হয়। যত দ্রুত জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন করা হবে, তত দ্রুত ও সহজে আমরা সেবা পাব।'

জন্ম-মৃত্যুর নিবন্ধন বিনা মূল্যে করার পরিকল্পনা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এটা চালু হতে পারে। এ জন্য জাতীয় কমিটিকে বলা হবে। নিবন্ধনকাজকে আরও সহজ করতে চায় সরকার। আইন ও বিধিমালায় যদি কোথাও সমস্যা থাকে, সেগুলোরও সমাধান করা হবে। রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়কে সক্ষম ও শক্তিশালী করতে অনেক উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’

অনৈতিক পন্থায় জন্ম-মৃত্যুর নিবন্ধন হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নিবন্ধন জালিয়াতির মাধ্যমে অনেক সময় আইডি কার্ড দেয়া হয় ও ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এসব ঠেকাতে প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।’

সভায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম জানান, জন্ম বা মৃত্যুর পর ৪৫ দিন পর্যন্ত সময়ে এখন বিনা মূল্যে সনদ দেয়া হয়। আর ৪৫ দিনের পর থেকে ৫ বছর সময় পর্যন্ত ২৫ টাকা, ৫ বছরের পর থেকে ১০ বছর পর্যন্ত ৫০ টাকা ও ১০ বছরের পর থেকে ১০০ টাকায় নিবন্ধন সনদ দেয়া হয়।

মেয়র বলেন, ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে সব নাগরিককে নিবন্ধনের আওতায় আনতে হবে। এ জন্য সহজে নিবন্ধন সনদ দিতে কাউন্সিলরদের দায়িত্ব দেয়া দরকার।’

স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, স্বাস্থ্য বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
এবার নাম হলো জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মুগদা হাসপাতালে আগুন, দগ্ধ ৪

মুগদা হাসপাতালে আগুন, দগ্ধ ৪

রাজধানীর মুগদা হাসপাতালের আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে ফায়ার সার্ভিসের সাত ইউনিট। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

মুগদা থানার এসআই প্রাণতোষ বণিক বৃহস্পতিবার দুপুরে নিউজবাংলাকে জানান, দগ্ধ চারজনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালে আগুনে চারজন দগ্ধ হয়েছেন, এর মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।

তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মুগদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) প্রাণতোষ বণিক বৃহস্পতিবার দুপুরে নিউজবাংলাকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘হাসপাতালের ৬ তলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। এসি বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। হাসপাতালের ৬ তলায় নির্মাণাধীন আইসিইউ ফ্লোরে আগুনটি মূলত ছড়ায়, তবে আইসিইউ নির্মাণাধীন থাকায় এখানে কোনো রোগী ছিল না।

‘আগুনের সময় আইসিইউতে একজন নার্স ও তিনজন স্টাফ ছিলেন। এই চারজন দগ্ধ হয়েছেন, এর মধ্যে নার্সের অবস্থা গুরুতর। আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।’

এর আগে ফায়ার সার্ভিস জানায়, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আগুন লাগে। বাহিনীর সাত ইউনিট ১২টা ৫৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া অফিসার মো. রায়হান নিউজবাংলাকে জানিয়েছিলেন, হাসপাতালের ছয় তলায় আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের তিন ইউনিট খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে যায়। পরে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় আরও চার ইউনিট।

আরও পড়ুন:
এবার নাম হলো জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস

শেয়ার করুন

বিদ্যুতায়িত হয়ে ইলেকট্রিক মিস্ত্রির মৃত্যু

বিদ্যুতায়িত হয়ে ইলেকট্রিক মিস্ত্রির মৃত্যু

নিহতের স্ত্রী তাসলিমা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী পেশায় একজন ইলেকট্রিক মিস্ত্রি। রাতে বাসায় ইলেকট্রিকের কাজ করার সময় হঠাৎ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ছিটকে পড়ে অচেতন হয়ে পড়েন। পরে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে এলে চিকিৎসক বলেছেন, তিনি আর নেই।’

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার কানাদিয়া এলাকায় নিজ বাসায় ইলেকট্রিকের কাজ করার সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে আহাদ মিয়া নামের এক ইলেকট্রিক মিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে।

বিদ্যুতায়িত হওয়ার পর অচেতন আহাদকে বুধবার রাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

নিহতের স্ত্রী তাসলিমা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী পেশায় একজন ইলেকট্রিক মিস্ত্রি। রাতে বাসায় ইলেকট্রিকের কাজ করার সময় হঠাৎ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ছিটকে পড়ে অচেতন হয়ে পড়েন। পরে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে এলে চিকিৎসক জানান, তিনি আর নেই।’

তাসলিমা জানান, তাদের ঘরে দুই সন্তান; এক ছেলে, এক মেয়ে। তারা নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন কানাদিয়া নতুন মহল্লায় থাকতেন। গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার মতলব থানার কালিয়াপুর গ্রামে।

নিহত আহাদ তার চার ভাই, দুই বোনের মধ্যে সবচেয়ে ছোট ছিলেন।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া জানান, মরদেহটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সিদ্ধিরগঞ্জ থানাকে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
এবার নাম হলো জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস

শেয়ার করুন

চলন্ত ট্রেনে পাথর ছুড়ছিল তারা

চলন্ত ট্রেনে পাথর ছুড়ছিল তারা

বিমানবন্দর রেলস্টেশনে ট্রেনে পাথর ছোড়ার সময় আকাশ রহমান, রিফাত ইসলাম ও মো. হাসান নামের তিন তরুণকে গ্রেপ্তার করে রেলওয়ে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

কমলাপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাজহারুল হক বলেন, ‘কমলাপুর থেকে পঞ্চগড়গামী একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি বিমানবন্দর রেলস্টেশন ছেড়ে যাওয়ার সময় গ্রেপ্তার তিনজন চলন্ত ট্রেনকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করে। তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়। আটকের পরে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।’

রাজধানীর বিমানবন্দর রেলস্টেশনে কমলাপুর থেকে ছেড়ে আসা পঞ্চগড়গামী একতা এক্সপ্রেস ট্রেনে পাথর ছোড়ার সময় থেকে তিন তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে রেলওয়ে পুলিশ।

গ্রেপ্তার আকাশ রহমান, রিফাত ইসলাম ও মো. হাসান- এই তিনজনের বয়স ১৮ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে।

বুধবার সকালে রাজধানীর বিমানবন্দর রেলস্টেশনে ঢাকার কমলাপুর থেকে পঞ্চগড়গামী একতা এক্সপ্রেস ট্রেনে পাথর ছোড়ার সময় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

কমলাপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল হক এ ঘটনা নিশ্চিত করে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কমলাপুর থেকে পঞ্চগড়গামী একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি বিমানবন্দর রেলস্টেশন ছেড়ে যাওয়ার সময় গ্রেপ্তার তিনজন চলন্ত ট্রেনকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়। আটকের পরে মামলা দিয়ে তাদের আদালতে পাঠানো হয়।’

গত ৬ অক্টোবর কুমিল্লার আদর্শ সদরে চলন্ত ট্রেনে দুর্বৃত্তের ছোড়া পাথরে শিশুসহ তিন যাত্রী আহত হন।

ঢাকা থেকে নোয়াখালীগামী আন্ত নগর উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনে আদর্শ সদর উপজেলার গোমতী নদীর বানাশুয়া ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন লাকসাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন।

ট্রেনে পাথর ছোড়া রোধে প্রচার

চলন্ত ট্রেনে পাথর ছোড়া রোধে দেশব্যাপী সচেতনতামূলক প্রচার শুরু করে রেল বিভাগ।

‘পাথর নিক্ষেপ প্রতিরোধ করুন, নিরাপদ ট্রেন ভ্রমণ নিশ্চিত করুন’- এ স্লোগানে গত ৬ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে সপ্তাহব্যাপী এই কার্যক্রম।

দেশের অন্য জেলার মতো এই সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে লালমনিরহাট ও নীলফামারীতে।

আরও পড়ুন:
এবার নাম হলো জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস

শেয়ার করুন

গণতদন্ত কমিটি গঠনের দাবি নাগরিক সমাজের

গণতদন্ত কমিটি গঠনের দাবি নাগরিক সমাজের

নাগরিক সমাবেশে দেশের বিভিন্ন কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষক, বামপন্থি রাজনৈতিক দলের নেতারা ও তাদের ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরা বক্তব্য দেন। ছবি: নিউজবাংলা

অধ্যাপক এম এম আকাশ বলেন, ‘যদি রাষ্ট্র ধর্মকে ইসলাম করেন আবার যদি এখানে ধর্ম নিরপেক্ষতা ও অসাম্প্রদায়িকতার কথা বলেন তাহলে দুটি একসঙ্গে কখনোই যাবে না। যত দিন পর্যন্ত এটি পরিবর্তন না করা হবে তত দিন পর্যন্ত এ দেশের সংখ্যালঘুরা এ দেশে নিজেদের নিরাপদ মনে করবেন না।’ বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার।

কুমিল্লা, নোয়াখালী, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা তদন্তে ‘গণতদন্ত কমিটি’ গঠনের দাবি জানিয়েছে নাগরিক সমাজ।

বুধবার বিকেলে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়।

সমাবেশে দেশের বিভিন্ন কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষক, বামপন্থি রাজনৈতিক দলের নেতারা ও তাদের ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা দিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ‘ব্যর্থ’ আখ্যা দিয়ে তাকে সরিয়ে দেয়ার দাবিও জানিয়েছে নাগরিক সমাজ।

‘সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ’ ব্যানারে ‘সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হোন’ শীর্ষক এ সমাবেশের আয়োজন করে সুশীল সমাজের সংগঠন নাগরিক সমাজ।

বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার।

ইমরান বলেন, ‘শুধু এই হামলা নয়, আগের কোনো সাম্প্রদায়িক হামলার বিচার হয়নি, বরং হামলাকারীদের পুরস্কৃত করা হয়েছে। দেশে যত সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা ঘটেছে সরকারকে সব হামলার বিচার করতে হবে। প্রয়োজনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্যে যেমন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দ্রুত বিচার করা হয়েছিল, সাম্প্রদায়িক হামলার বিচারেও বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে।’

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ‘জনবান্ধব সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। সামগ্রিকভাবে এই সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রাখতে হবে।

পূজার নিরাপত্তার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বের অবহেলা রয়েছে বলে অভিযোগ করে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাইফুল হক বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করতে হবে। যেসব জায়গায় হামলা হয়েছে, সেসব স্থানে দায়িত্বরত ডিসি- এসপিরা যারা আগে থেকেই আভাস পেয়েছে এমন কিছু হতে যাচ্ছে, এই কর্মকর্তাদের অনতিবিলম্বে দায়িত্ব হতে অব্যাহতি দিয়ে তাদের আইনি হেফাজতে আনা হোক৷’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এম এম আকাশ বলেন, ‘বাংলাদেশের শাসকশ্রেণি আমাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। যেদিন ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম করা হয়েছে, সে দিন থেকে মুক্তিযুদ্ধের ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি আর থাকল না। আপনি যদি রাষ্ট্রধর্মকে ইসলাম করেন আবার যদি এখানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও অসাম্প্রদায়িকতার কথা বলেন, তাহলে দুটি একসঙ্গে কখনোই যাবে না। যত দিন পর্যন্ত এটি পরিবর্তন না করা হবে, তত দিন পর্যন্ত এ দেশের সংখ্যালঘুরা এ দেশে নিজেদের নিরাপদ মনে করবেন না।’

সমাবেশ থেকে ঘোষণাপত্র পাঠ করেন সাবেক ছাত্রনেতা বাকি বিল্লাহ। এ সময় তিনি আটটি দাবি জানান। দাবিগুলো হলো

১. সারা দেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার সঙ্গে জড়িত এবং মদদদাতাদের গ্রেপ্তার করে বিচার করা।

২. অব্যাহত সাম্প্রদায়িক হামলার দায় সরকার ও পুলিশ প্রশাসনকে গ্রহণ করাসহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অপসারণ করা।

৩. সভা-সমাবেশ এবং ইউটিউব-ফেসবুকে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া।

৪. বহুধারার শিক্ষাপদ্ধতি বাতিল করে মাতৃভাষায় এক ধারার বিজ্ঞানমুখী শিক্ষা পদ্ধতি চালু করা।

৫. দেশের প্রতিটি স্কুলে শিল্পকলাবিষয়ক একাধিক শিক্ষক নিয়োগ প্রদান করাসহ পাঠ্যপুস্তকের সাম্প্রদায়িকীকরণ রহিত করার পাশাপাশি ইউনিয়ন পর্যায়ে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন করা।

৬. রামু, নাসিরনগর, সাতক্ষীরা, অভয়নগর, শাল্লাসহ পূর্বের সব সাম্প্রদায়িক হামলার বিচার করাসহ সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা তদন্তে ‘গণতদন্ত কমিটি’ গঠন করে তার সুপারিশ বাস্তবায়ন করা।

৭. সব দলকে ধর্মকে রাজনীতি ও ক্ষমতার হাতিয়ার করা থেকে বিরত থাকা।

৮. সংবিধান সংশোধন করে ‘রাষ্ট্রধর্ম’ বাতিল করে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ পুনঃস্থাপন করার পাশাপাশি ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা।

সমাবেশ শেষে একটি মশাল মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি এলিফ্যান্ট রোড, সায়েন্সল্যাব, নিউ মার্কেট, নীলক্ষেত হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে এসে শেষ হয়।

আরও পড়ুন:
এবার নাম হলো জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস

শেয়ার করুন

‘শান্তিপূর্ণভাবে একই দিনে ৩ ধর্মের উৎসব পালিত’

‘শান্তিপূর্ণভাবে একই দিনে ৩ ধর্মের উৎসব পালিত’

বুধবার সন্ধ্যায় বাসাবো ধর্মরাজিক বৌদ্ধ বিহারে ফানুস ওড়ানোর অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি এবং আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া। ছবি: নিউজবাংলা

আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, ‘আজকে একটি বিশেষ দিন। এদিনটি তিনটি ধর্মের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। মুসলমানেরা পালন করছেন ঈদে মিলাদুন্নবী। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা পালন করছেন লক্ষ্মীপূজা। আর বৌদ্ধ সম্প্রদায় পালন করছেন প্রবারণা পূর্ণিমা। শান্তিপূর্ণভাবে একই দিনে তিনটি ধর্মীয় উৎসব পালিত হওয়ায় প্রমাণিত এটাই সম্প্রীতির বাংলাদেশ।’

যথাযথ ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে একই দিনে তিনটি ধর্মের তিনটি উৎসব পালিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে একই দিনে তিনটি ধর্মীয় উৎসব পালিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি এবং আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, এটাই সম্প্রীতির বাংলাদেশ।

বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাসাবো ধর্মরাজিক বৌদ্ধ বিহারে ফানুস ওড়ানোর অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, ‘আজকে একটি বিশেষ দিন। এদিনটি তিনটি ধর্মের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। মুসলমানেরা পালন করছেন ঈদে মিলাদুন্নবী। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা পালন করছেন লক্ষ্মীপূজা। আর বৌদ্ধ সম্প্রদায় পালন করছেন প্রবারণা পূর্ণিমা।’

তিনি বলেন, ‘প্রাকৃতিকভাবেই তিনটি সম্প্রদায়ের তিনটি ধর্মীয় উৎসব এক দিনে পড়েছে। এ ঘটনা আমাদের হাজার বছরের যে অসম্প্রদায়িকতা, মানবসত্ত্বা এক ও অভিন্ন সেটি সারা পৃথিবীর মানুষকে স্মরণ করিয়ে দিল। যেখানে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে কোনো ভেদাভেদ নেই। এটাই সম্প্রীতির বাংলাদেশ।’

তিনি আরও বলেন, ‘হযরত মুহাম্মদ (সা.) শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এসেছিলেন। একইসঙ্গে মহামতি গৌতম বুদ্ধ, তিনিও শান্তি প্রতিষ্ঠার বাণী দিয়েছেন।’

বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, ‘গত কয়েকদিন বিভিন্ন জায়গায় যে সহিংসতা দেখেছি, আমরা সেই জায়গায় আর ফিরে যেতে চাই না। তিনটি ধর্মের উৎসব এক দিনে শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপিত হচ্ছে।

যারা ধর্মের নামে সহিংসতা করতে চায়, সেই সাম্প্রদায়িক সহিংসতা প্রতিরোধে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

পরে প্রবারণা বৌদ্ধ পূর্ণিমায় ফানুস ওড়ানো উদ্বোধন করেন তিনি। এর আগে এ দিবসটি উপলক্ষ্যে সকাল থেকেই বৌদ্ধ মন্দিরে ভিক্ষু সংঘের প্রাতরাশ, মঙ্গলসূত্র পাঠ, বুদ্ধপূজা, পঞ্চশিল ও অষ্টাঙ্গ উপসথ শিল গ্রহণ, মহাসংসদান, অতিথি আপ্যায়ন, পবিত্র ত্রিপিটক থেকে পাঠ, আলোচনা সভা, প্রদীপ পূজা, আলোকসজ্জা, বিশ্বশান্তি কামনায় সম্মিলিত বুদ্ধোপাসনা আয়োজিত হয়। সন্ধ্যায় ফানুস ওড়ানো হয়।

সারা দেশে একইদিনে উদযাপিত হয়েছে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদের মিলাদুন্নবী, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের লক্ষ্মীপূজা আর বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা পালন করেছেন প্রবারণা পূর্ণিমা।

আরও পড়ুন:
এবার নাম হলো জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস

শেয়ার করুন

যৌনতার পর টাকা চেয়ে খুন হন শিপন

যৌনতার পর টাকা চেয়ে খুন হন শিপন

বস্তাবন্দী শিপনের মরদেহ ও খুনী জব্বার।

খুনির স্বীকারোক্তির পর শিপন আক্তারের মোবাইল, বোরকা, স্যান্ডেলসহ হত্যাকাণ্ডের অন্যান্য আলামত উদ্ধার করেছে পুলিশ।

খুনির দাবি অনুযায়ী, টাকার বিনিময়ে পরিচিতদের সঙ্গে সময় কাটাতেন পোশাক শ্রমিক শিপন আক্তার। গত ৮ অক্টোবর রাতে রাজধানীর ভাটারায় ছোলমাইদ ঢালিবাড়ী এলাকায় শিপনকে নিজের ভাড়া বাসায় নিয়ে গিয়েছিলেন গ্যারেজকর্মী আব্দুল জব্বার।

সেই রাতে কোনো টাকা না দিয়ে শিপনকে সারা রাত বাসায় রাখতে চাইলে তিনি এর প্রতিবাদ করেন। আর তখনই গলাটিপে তাকে হত্যা করেন জব্বার।

শুধু তা-ই নয়, শিপনকে হত্যার পর তার মোবাইল বিক্রি করে ওই টাকায় তিন পিস ইয়াবা কিনে মরদেহের পাশেই বন্ধু হীরাকে নিয়ে বাসায় সেবন করেন জব্বার। পরে দুজন মিলে মরদেহটি বস্তাবন্দি করে রাস্তার পাশে ফেলে আসেন।

হত্যাকাণ্ডের দুই দিন পর ১০ অক্টোবর বিকেলে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিপনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগ তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ও সিসি টিভির ফুটেজ পর্যালোচনা করে খুনিদের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। এরই ধারাবাহিতায় হত্যাকারী আব্দুল জবারকে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন জব্বার। তার বন্ধু হীরাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনিও স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।

ডিবি গুলশান বিভাগের উপকমিশনার মশিউর রহমান নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, গত ৮ অক্টোবর জুমার নামাজের পর মোবাইল ফোনে পরিচিত জব্বারের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য বের হন শিপন। পরে তাকে নিয়ে যমুনা ফিউচার পার্ক এবং ফুটপাতে ফুসকার দোকানে ঘোরাঘুরি শেষে সন্ধার পর নিজের ভাড়া বাসায় নিয়ে যান গ্যারেজকর্মী জব্বার।

আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জব্বার জানান, তিনি বিবাহিত। কিন্তু ঘটনার দিন তার স্ত্রী ও সন্তান শ্বশুরবাড়ি চাঁদপুরে ছিল। বাসায় যৌনতা শেষে টাকা দাবি করেন শিপন এবং চলে যেতে চান।

এ সময় জব্বার টাকা না দিয়ে শিপনকে সারারাতের জন্য রাখতে চান। কিন্তু রাজি হয় না শিপন। তিনি জব্বারের কথায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং চিৎকার করার হুমকি দেন। জব্বার তখন গলাটিপে শ্বাসরোধে শিপনকে হত্যা করেন। রাত ১০টার দিকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

উপকমিশনার মশিউর রহমান জানান, জব্বার ইয়াবা আসক্ত। হত্যাকাণ্ডের পর বন্ধু হীরাকে তিনি বাসায় নিয়ে আসেন এবং শিপনের মোবাইল বিক্রির ১ হাজার টাকায় কেনা তিনটি ইয়াবা দুজন মিলে সেবন করেন। ইয়াবা সেবন শেষে তারা মরদেহটি গোপন করার জন্য প্রথমে একটি কার্টন এবং পরে কার্টনসহ মরদেহটি একটি বড় বস্তায় ঢুকান।

রাত ৩টার দিকে জব্বার বন্ধু হীরার সহায়তায় মাথায় করে মরদেহটি তিনতলা থেকে নিচে নামান এবং ১০০ টাকার বিনিময়ে একটি রিকশা ভাড়া করে দূরে ফেলে আসেন।

খুনির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী শিপনের মোবাইল, তার বোরকা, স্যান্ডেলসহ হত্যাকাণ্ডের অন্যান্য আলামত উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
এবার নাম হলো জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস

শেয়ার করুন

নিজের ঘরে পড়ে ছিল পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ

নিজের ঘরে পড়ে ছিল পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ

এসআই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। ছবি: সংগৃহীত

এসআই নাজমুস সাকিব জানান, মঙ্গলবার রাত আটটা পর্যন্ত ডিউটি করেছেন জিন্নাহ। থানায় নৈশভোজ থাকায় রাত ১০টার দিকে তিনি টিলাবাড়ির ফ্ল্যাটে যান। সেখানে একটি সাততলা ভবনের তৃতীয় তলায় তিনি ভাড়া থাকেন।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের একটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ নামে এক পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ। ৫০ বছর বয়সী জিন্নাহ পুলিশ উপপরিদর্শক (এসআই) হিসেবে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় কর্মরত ছিলেন।

কেরানীগঞ্জের টিলাবাড়ি এলাকার ফ্ল্যাট থেকে বুধবার বেলা তিনটার দিকে মরদেহটি উদ্ধার হয়।

সহকর্মী দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার এসআই নাজমুস সাকিব জানান, মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত ডিউটি করেছেন জিন্নাহ। থানায় নৈশভোজ থাকায় রাত ১০টার দিকে তিনি টিলাবাড়ির ফ্ল্যাটে যান। সেখানে একটি সাততলা ভবনের তৃতীয় তলায় তিনি ভাড়া থাকেন। বুধবার রাতে ডিউটি থাকায় সকালে কেউ তাকে ডাকাডাকি করেননি।

এসআই সাকিব বলেন, ‘দুপুরের দিকে পাশের ঘরের বাসিন্দা থানায় খবর দেন। জিন্নাহর রুম ভেতর থেকে বন্ধ এবং ডাকাডাকি করে সাড়া মিলছে না বলে জানান তিনি। পরে পুলিশ টিম পৌঁছে ঘরের দরজা ভেঙে জিন্নাহকে উদ্ধার করে। খাটে উপুড় হয়ে পড়ে ছিলেন তিনি। দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

এসআই জিন্নাহ ঘুমের মধ্যে স্ট্রোকে মারা যেতে পারেন বলে ধারণা সহকর্মীদের। তবে মৃত্যুর অন্য কারণগুলো খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

সহকর্মীরা জানান, ১৯৯১ সালে কনস্টেবল হিসেবে পুলিশে যোগ দেন জিন্নাহ। এরপর পদোন্নতি পেয়ে এসআই হন। তিনি গত মার্চে মুন্সিগঞ্জ সদর থেকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় যোগ দেন। তার গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার গোলকনগর গ্রামে। কেরানীগঞ্জের ফ্ল্যাটটিতে তিনি একা থাকতেন। পরিবারের অন্যরা থাকেন গ্রামের বাড়িতে।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া জানান, বিকেল পাঁচটার দিকে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে হাসপাতালে আনা হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রাখা হয়েছে মর্গে।

আরও পড়ুন:
এবার নাম হলো জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস

শেয়ার করুন