উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সেবা সহজ চায় ইউজিসি

উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সেবা সহজ চায় ইউজিসি

প্রতীকী ছবি

ইউজিসির সদস্য ড. মুহাম্মদ আলমগীর বলেন, ‘সেবাপ্রত্যাশীরা যাতে অহেতুক বিড়ম্বনায় না পড়ে কিংবা সেবা প্রদান প্রক্রিয়া জটিল না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। সেবা প্রদানে সংশ্লিষ্টদের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে।’

দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সেবা সহজে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর।

সেবা সহজীকরণ নিয়ে বুধবার ইউজিসি আয়োজিত দুই দিনের কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

আলমগীর বলেন, ‘সেবাপ্রত্যাশীরা যাতে অহেতুক বিড়ম্বনায় না পড়ে কিংবা সেবা প্রদান প্রক্রিয়া জটিল না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। সেবা প্রদানে সংশ্লিষ্টদের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে।’

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ইউজিসির সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস জামান।

তিনি বলেন, ‘সরকারি সেবা সাধারণ মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে সেবা সহজীকরণে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ পদক্ষেপগুলো যথাযথ বাস্তবায়ন সম্ভব হলে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে রূপান্তর করা সম্ভব হবে।’

ইউজিসির সিনিয়র সহকারী পরিচালক ও এপিএর ফোকাল পয়েন্ট মো. গোলাম দস্তগীর এবং ইনোভেশন টিমের ফোকাল পয়েন্ট মো. রবিউল ইসলামের সঞ্চালনায় কর্মশালায় কমিশনের বিভাগীয় প্রধান ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় ইউজিসির বিভিন্ন পর্যায়ের ২৬ কর্মকর্তা অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্থিক শৃঙ্খলা আনতে চায় ইউজিসি
২৬ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে সতর্কতা
প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিতের আহ্বান ইউজিসির
উচ্চশিক্ষা পাঠ্যক্রম ঢেলে সাজানোর পরামর্শ
এনআইডি ছাড়াই টিকা পাবেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পূর্বাচলে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপন

পূর্বাচলে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপন

পূর্বাচলে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের ভিত্তি স্থাপন করছেন কানাডিয়ান হাইকমিশনার বেনোয়া প্রিফন্টেইন (বামে) ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। ছবি: নিউজবাংলা

অনুষ্ঠানে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘আমাদের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের কাজ আজ শুরু হলো। আমার বিশ্বাস, কাজ শেষ হলে ক্যাম্পাসটি ঢাকা শহর ও দেশের শিক্ষাখাতে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হবে।’

রাজধানীর পূর্বাচলে নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাসের নির্মাণকাজ শুরু করল দেশের প্রথম সারির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ (সিইউবি)।

পূর্বাচলের ৯ নম্বর সেক্টরে শনিবার বেলা ৩টায় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপন করেন ঢাকায় কানাডিয়ান হাইকমিশনার বেনোয়া প্রিফন্টেইন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কানাডিয়ান হাইকমিশনার বেনোয়া প্রিফন্টেইন বলেন, ‘আমি যখন প্রথম চৌধুরী নাফিজ সরাফাতের সঙ্গে দেখা করি তখন তিনি আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নিয়ে পরিকল্পনা বলেছিলেন। কখনোই ভাবিনি, আমিই সেটির ভিত্তি উদ্বোধনে থাকব। ঢাকায় আমার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে আর এজন্য সাড়ে চার বছর আগে তার সঙ্গে প্রথম দেখা করার পর আজ এখানে এই অনুষ্ঠানে এসে খুব ভালো অনুভব করছি।

‘নাফিজ সরাফাত আমাকে তার কিছু স্বপ্নের কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এই ক্যাম্পাস ঢাকায় সব সময় কানাডার একটি ছোট অংশ হবে। আমি এখানে এসেও তাই দেখছি। চার পাশে সবুজ মাঠ। যখন এই ক্যাম্পাস তৈরি হয়ে যাবে তখন এখানে প্রতিদিন হাজার হাজার শিক্ষার্থী থাকবে। পড়াশোনার পাশাপাশি তারা আরও অনেক কিছু করবে। সেসব অভিজ্ঞতা তারা এখানে অর্জন করবে, যা শুধু বিশ্ববিদ্যালয়েই পাওয়া যায়।’

তিনি বলেন, ‘আমি এখন থেকে ১৫ বছর পরের কথা ভাবছি, যখন নতুন নতুন কোম্পানি আসবে আর এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সেগুলো পরিচালনা করবে। এর মাধ্যমে তারা মেধা ও প্রযুক্তি দিয়ে এই শহর ও দেশকেও উন্নত করবে।’

কানাডিয়ান হাই কমিশনার বলেন, ‘বাংলাদেশ ও কানাডার সম্পর্ক খুব ভালো। আমি স্বপ্ন দেখি যে এই ভালো সম্পর্ক আরও বহুদূর যাবে। আমি বিশ্বাস করি, কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে কাজ করবে। কানাডার শিক্ষার্থীরা এখানে আসবে। তারা এশিয়া সম্পর্কে জানবে। বাংলাদেশের শিক্ষার্থী ও অধ্যাপকেরা কানাডা যাবেন।’

অনুষ্ঠানে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘আজকের দিনটি আমাদের জন্য এক বিশেষ মাইলফলক, কারণ আমরা কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপন করেছি। এটি এমন একটি প্রতিষ্ঠান যা শিক্ষার্থীদেরকে তাদের নিজস্ব দিগন্তের বাইরে অন্বেষণ করতে, সহনশীল হতে ও সংস্কৃতি, জাতি, ধর্ম বা প্রেক্ষাপটের বিভেদকে অতিক্রম করে পারস্পরিক বন্ধন আবিষ্কারে অনুপ্রাণিত করে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের ফ্যাকাল্টি, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইসহ সিইউবি সংশ্লিষ্ট সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। শুরুর দিন থেকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে সাহায্য ও দিকনির্দেশনা দেয়ায় আমি আন্তরিকভাবে বেনোয়া প্রিফন্টেইন ও কানাডিয়ান হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানাই।

‘আমাদের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের কাজ আজ শুরু হল। আমার বিশ্বাস, কাজ শেষ হলে ক্যাম্পাসটি ঢাকা শহর ও দেশের শিক্ষাখাতে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হবে।’

স্থায়ী ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দিক বর্ণনা করে ড. নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় ভবন, দৃষ্টিনন্দন লেক এবং বিশাল খেলার মাঠ থাকছে আমাদের ক্যাম্পাসে। তার চেয়েও বড় কথা, এটি হতে যাচ্ছে সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব একটি ক্যাম্পাস।

‘সর্বাধুনিক ল্যাব, স্টুডিও, লাইব্রেরি, থিয়েটার, স্টাডি জোনের সঙ্গে থাকছে শিক্ষার্থী লাউঞ্জ, অবসর কাটানোর জায়গা, জিম, ফুড লাউঞ্জসহ বিভিন্ন সুবিধা। শিক্ষার্থীদের মনে রাখার মতো একটি অভিজ্ঞতা দিতেই ক্যাম্পাসটি গড়ে তোলা হচ্ছে।’

নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘আমরা সবসময় পর্বতশীর্ষের চাকচিক্য দেখে মুগ্ধ হই। কিন্তু আমার কাছে পর্বতের ভিত্তিপ্রস্তরটির গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। এ কারণেই আজকের দিনটি এতটা তাৎপর্যপূর্ণ।’

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সিনিয়র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. এইচ এম জহিরুল হকসহ ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, ইউজিসি সদস্য, কূটনীতিক, সরকারি কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট এবং অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পূর্বাচলে ১২ বিঘা জমিতে গড়ে তোলা হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির সুবিশাল ক্যাম্পাস। সেখানে নির্মাণ করা হবে অ্যাকাডেমিক ভবন, প্রশাসনিক ভবন, ল্যাব বিল্ডিং, বিনোদন, অডিটরিয়াম, লাইব্রেরি এবং প্রার্থনাকক্ষ।

বিশ্বমানের স্থাপত্য নকশায় গড়ে তোলা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টির নান্দনিক স্থায়ী ক্যাম্পাস।

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশে রয়েছে আধুনিক সময়ের উপযোগী বিভিন্ন বিভাগ। শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিতে রয়েছে বৃত্তির সুযোগ। ইনফরমেশন সিস্টেমস অডিট অ্যান্ড কন্ট্রোল অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা আছে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের।

এ ছাড়া কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত আছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। নর্থ আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সাজানো হয়েছে পাঠ্যক্রম।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা সর্বোত্তম মানের শিক্ষা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর। দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনে প্রায়োগিক জ্ঞানের ওপর জোর দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুন:
বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্থিক শৃঙ্খলা আনতে চায় ইউজিসি
২৬ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে সতর্কতা
প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিতের আহ্বান ইউজিসির
উচ্চশিক্ষা পাঠ্যক্রম ঢেলে সাজানোর পরামর্শ
এনআইডি ছাড়াই টিকা পাবেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন

যশোর শিক্ষা বোর্ডে আরও আড়াই কোটি টাকার জালিয়াতি

যশোর শিক্ষা বোর্ডে আরও আড়াই কোটি টাকার জালিয়াতি

নতুন জালিয়াতির বিষয়ে বলা হয়েছে, হিসাব সহকারী আবদুস সালাম শিক্ষা বোর্ডের বর্তমান চেয়ারম্যান মোল্লা আমীর হোসেন সচিব থাকার সময় এসব জালিয়াতি করেছেন। ২০১৭ সাল থেকে শিক্ষা বোর্ডের মোট পাঁচ কোটি টাকা চেক জালিয়াতি করে তুলে নেয়া হয়েছে।

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেক জালিয়াতি করে আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনার রেশ কাটতে না-কাটতে একই পরিমাণ অর্থের আরও জালিয়াতি ধরা পড়েছে।

৯টি প্রতিষ্ঠানের নামে আরও ২ কোটি ৪৩ লাখ ৭ হাজার ৮৭৮ টাকা তুলে নেয়ার প্রমাণ পেয়েছে শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে দুদকে নতুন অভিযোগও দিয়েছে শিক্ষা বোর্ড।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাধব চন্দ্র রুদ্র জালিয়াতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ৮ অক্টোবর চেকের মুড়ি বইয়ের (গ্রাহকের কাছে থাকা চেকের অংশ) সঙ্গে ব্যাংকের স্টেটমেন্ট মেলানোর সময় ১০ হাজার ৩৬ টাকার বিপরীতে মোট ৯টি চেকে জালিয়াতি করে ২ কোটি ৫০ লাখ ৪৪ হাজার ১০ টাকা তোলার ঘটনা ধরা পড়ে।

ওই ঘটনায় ১৮ অক্টোবর দুদক পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করে।

মামলার আসামিরা হলেন যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোল্লা আমীর হোসেন, সচিব অধ্যাপক এ এম এইচ আলী আর রেজা, হিসাব সহকারী আবদুস সালাম, যশোর রাজারহাটের ভেনাস প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের মালিক শরিফুল ইসলাম বাবু ও শেখহাটী জামরুলতলার শাহী লাল স্টোরের মালিক আশরাফুল আলম।

নতুন জালিয়াতির বিষয়ে বলা হয়েছে, হিসাব সহকারী আবদুস সালাম শিক্ষা বোর্ডের বর্তমান চেয়ারম্যান মোল্লা আমীর হোসেন সচিব থাকার সময় এসব জালিয়াতি করেছেন। ২০১৭ সাল থেকে শিক্ষা বোর্ডের মোট পাঁচ কোটি টাকা চেক জালিয়াতি করে তুলে নেয়া হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালের ২১ আগস্ট বিজনেস আইটি নামে একটি প্রতিষ্ঠানের নামে আয়কর বাবদ ১২ হাজার ২৭৬ টাকা তুলে নেয়া হয়। একই সালের ৪ অক্টোবর শহরের জামে মসজিদ লেনের নূর এন্টারপ্রাইজের নামে ৫৯ হাজার ৩৫ টাকা তোলা হয়।

২০১৯ সালের ২৯ এপ্রিল মেসার্স খাজা প্রিন্টিং প্রেসের নামে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৫৩০ টাকা এবং নিহার প্রিন্টিং প্রেসের নামে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৫৩০ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এভাবে ৯টি প্রতিষ্ঠানের নামে আরও ২ কোটি ৪৩ লাখ ৭ হাজার ৮৭৮ টাকা তুলেছেন হিসাব সহকারী আবদুস সালাম।

এ ছাড়া সেকশন অফিসার আবুল কালাম আজাদের নামে ৯৪ হাজার ৩১৬ টাকা এবং আবদুস সালামের নিজ নামে ২৫ লাখ ৮০ হাজার ১০ টাকা তোলা হয়েছে।

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের হিসাব ও নিরীক্ষা বিভাগের উপপরিচালক এমদাদুল হক বলেন, ‘আমরা আরও প্রায় আড়াই কোটি টাকার চেক জালিয়াতির প্রমাণ পেয়েছি। দুদকে ২১ অক্টোবর আরও একটি অভিযোগ জমা দিয়েছি।

‘বর্তমান চেয়ারম্যান মোল্লা আমীর হোসেন বোর্ডের সচিব থাকাবস্থায় প্রথম জালিয়াতি হয়েছে। আবদুস সালাম তখন হিসাব শাখার দায়িত্বে ছিলেন। তার নেতৃত্বে ভেনাস প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের মালিক যশোরের শরিফুল ইসলাম বাবু এসব জালিয়াতি করেছেন বলে আমরা জেনেছি। দুদক বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।’

দুদকের যশোর কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. নাজমুচ্ছায়াদাত বলেন, ‘আরও প্রায় আড়াই কোটি টাকা জালিয়াতির অভিযোগ পেয়েছি। এ জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করা হবে।’

আরও পড়ুন:
বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্থিক শৃঙ্খলা আনতে চায় ইউজিসি
২৬ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে সতর্কতা
প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিতের আহ্বান ইউজিসির
উচ্চশিক্ষা পাঠ্যক্রম ঢেলে সাজানোর পরামর্শ
এনআইডি ছাড়াই টিকা পাবেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন

জানুয়ারি থেকে বাড়বে ক্লাসের সংখ্যা: শিক্ষামন্ত্রী

জানুয়ারি থেকে বাড়বে ক্লাসের সংখ্যা: শিক্ষামন্ত্রী

করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে জানুয়ারি থেকে ক্লাসের সংখ্যা বাড়বে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ছবি: নিউজবাংলা

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শ্রেণিকক্ষে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য এত পরিমাণ জায়গা আমাদের নেই। তাই আগামী জানুয়ারিতে যদি করোনার পরিস্থিতি এমন থাকে তাহলেই আমরা চিন্তা করব শ্রেণিকক্ষে ক্লাসের সংখ্যা বৃদ্ধি করার।’

করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলে আগামী বছরের জানুয়ারিতে ক্লাসের সংখ্যা বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

চাঁদপুর শহরের বাবুরহাট এলাকায় শনিবার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নবনির্মিত কার্যালয় উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর জানুয়ারিতে যখন ক্লাস শুরু হবে, তখন ক্লাসের সংখ্যা বাড়ানো হবে।

‘এই মুহূর্তে ক্লাসের সংখ্যা বাড়ানোর আর কোনো সুযোগ নেই। স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে এবং সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করেই শিক্ষার্থীদের শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।’

বিশ্বের কিছু দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ লক্ষ্য করা যাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। শ্রেণিকক্ষে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য এত পরিমাণ জায়গা আমাদের নেই।

‘তাই আগামী জানুয়ারিতে যদি করোনা পরিস্থিতি এমন থাকে, তাহলেই আমরা চিন্তা করব শ্রেণিকক্ষে ক্লাসের সংখ্যা বৃদ্ধি করার।’

দেশে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিষয়েও কথা বলেন আওয়ামী লীগের এ নেতা। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার জন্য, দেশকে উন্নত করার জন্য নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

‘সেখানে নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি জামায়াত ও তাদের দোসররা এই সরকারের বিরুদ্ধে, বাংলাদেশের উন্নয়নের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে বিভিন্ন অপকর্ম করছে। আজকে তা বিভিন্নভাবে প্রমাণিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘অশুভ শক্তি যতই সংঘবদ্ধ হোক না কেন, আমরা শুভশক্তির মানুষ সবাই যদি একজোট হই, তাহলে অশুভ কোনো শক্তি কিছুই করতে পারবে না। যেমন একাত্তরেও পারেনি। তাই আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সবাইকে চোখ কান খোলা রাখতে হবে।’

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ, পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ, চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম দেব কুমার, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাহাজ্জল হোসেন এসডু পাটওয়ারী ও মজিবুর রহমান ভূঁইয়া।

আরও পড়ুন:
বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্থিক শৃঙ্খলা আনতে চায় ইউজিসি
২৬ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে সতর্কতা
প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিতের আহ্বান ইউজিসির
উচ্চশিক্ষা পাঠ্যক্রম ঢেলে সাজানোর পরামর্শ
এনআইডি ছাড়াই টিকা পাবেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন

শিশুদের হোমওয়ার্কের চাপ কমাতে চীনে আইন

শিশুদের হোমওয়ার্কের চাপ কমাতে চীনে আইন

শিশুদের ওপর পড়াশোনার চাপ কমাতে নতুন আইন পাস করে চীন। ছবি: এএফপি

চীনের বার্তা সংস্থা শিনহুয়া জানায়, নতুন আইনটিতে স্কুলশিক্ষার্থীদের ওপর হোমওয়ার্ক ও প্রাইভেটে পড়ার চাপ কমাতে স্থানীয় সরকারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শিশুরা যাতে পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও শরীরচর্চা করতে পারে, সে জন্য নতুন ওই আইনে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। এতে শিশুদের মানসিক চাপ কমার পাশাপাশি তাদের ইন্টারনেট আসক্তিও হ্রাস পাবে।

স্কুলের শিশুদের হোমওয়ার্ক ও প্রাইভেটে পড়ার চাপ কমাতে নতুন একটি আইন এনেছে চীন।

দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা শিনহুয়া শনিবার তাদের প্রতিবেদনে জানায়, নতুন আইনটির পুরোটা প্রকাশ করা হয়নি। আইনটিতে স্কুলশিক্ষার্থীদের ওপর হোমওয়ার্ক ও প্রাইভেটে পড়ার চাপ কমাতে স্থানীয় সরকারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে শিশুরা যাতে পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও শরীরচর্চা করতে পারে, সে জন্য নতুন ওই আইনে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। এতে শিশুদের মানসিক চাপ কমার পাশাপাশি তাদের ইন্টারনেট আসক্তিও হ্রাস পাবে।

নতুন এই আইন ছাড়াও চলতি বছরে শিশু-কিশোরদের বিষয়ে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে চীন। কিশোরদের অনলাইন গেমসের নেশা কাটাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া থেকে শুরু করে ইন্টারনেট সেলিব্রিটিদের প্রতি ভক্তি কমানো ছিল উল্লেখযোগ্য।

সোমবার চীনের পার্লামেন্ট জানায়, কিশোররা খুব খারাপ ব্যবহার করলে বা কোনো অপরাধে জড়িয়ে পড়লে তাদের অভিভাবকদের শাস্তি দেয়ার আইন প্রণয়নের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি চীনের শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিশুদের অনলাইন গেমসের সময় কমিয়ে দেয়। শুধু শুক্র, শনি ও রোববার এক ঘণ্টা করে তারা অনলাইনে গেমস খেলতে পারবে।

এ ছাড়া হোমওয়ার্কের পরিমাণ কমানোর পাশাপাশি সাপ্তাহিক ছুটিসহ অন্যান্য ছুটির দিনে স্কুল শেষে প্রধান বিষয়ে প্রাইভেটে পড়া নিষিদ্ধ করেছে চীনের শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

স্কুলের শিশুদের ওপর অতিরিক্ত পড়াশোনার চাপ কমাতে এসব সিদ্ধান্ত নেয় চীনা সরকার।

একই সঙ্গে ‘মেয়েলিপনা’ কমিয়ে আরও ‘পুরুষালি’ হতে দেশের কিশোরদের প্রতি আহ্বান জানায় চীন।

এ লক্ষ্যে গত বছরের ডিসেম্বরে ক্যাম্পাসে ফুটবলসহ অন্যান্য খেলা প্রচারে স্কুল কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন:
বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্থিক শৃঙ্খলা আনতে চায় ইউজিসি
২৬ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে সতর্কতা
প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিতের আহ্বান ইউজিসির
উচ্চশিক্ষা পাঠ্যক্রম ঢেলে সাজানোর পরামর্শ
এনআইডি ছাড়াই টিকা পাবেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন

ঢাবিতে ভর্তি পরীক্ষার আগে কেন্দ্রে আগুন

ঢাবিতে ভর্তি পরীক্ষার আগে কেন্দ্রে আগুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রাব্বানী নিউজবাংলাকে বলেন, ঢাবির ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের কেন্দ্রের ৫০৬ নম্বর কক্ষে আগুন লাগে। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই তা নিয়ন্ত্রণে আসে। এতে তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বা পরীক্ষায়ও বিঘ্ন ঘটেনি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ কেন্দ্রের পঞ্চম তলার ৫০৬ নম্বর কক্ষে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। তবে অল্প সময়ের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। পরীক্ষাও বিঘ্নিত হয়নি।

আগুন লাগার ঘটনাটি ঘটে শনিবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে। পরে পলাশী ফায়ার সার্ভিস এসে ১৫ মিনিটের মধ্যে তা নিয়ন্ত্রণে আনে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রাব্বানী নিউজবাংলাকে বলেন, ঢাবির ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের কেন্দ্রের ৫০৬ নম্বর কক্ষে আগুন লাগে। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই তা নিয়ন্ত্রণে আসে। এতে তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বা পরীক্ষায়ও বিঘ্ন ঘটেনি।’

কীভাবে আগুনের সূত্রপাত- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে পলাশী ফায়ার স্টেশনের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এসির শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে তদন্ত করে বিস্তারিত জানানো হবে।

ঢাবিসহ দেশের সাতটি বিভাগের আরও সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শনিবার বেলা ১১টা থেকে একযোগে শুরু হয় ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা। চলবে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিস জানায়, ‘ঘ’ ইউনিটে ১ হাজার ৫৭০ আসনের বিপরীতে ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৮১ জন আবেদন করেছেন। এই হিসাবে ইউনিটটিতে আসনপ্রতি লড়বেন ৭৪ পরীক্ষার্থী।

এই ইউনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬১ হাজার ৮৫০, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২ হাজার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯ হাজার ৮৯৮, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ হাজার ৭৯৮, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ হাজার ১২৪, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ হাজার ১৭৮, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ হাজার ১৩ এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১ হাজার ২০ জনের আসন পড়েছে।

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষার মাধ্যমে মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা ও বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা বিভাগ পরিবর্তন করতে পারবেন। এ ইউনিটে ১১টি অনুষদের অধীনে বিভাগ রয়েছে ৫৫টি।

গত ১ অক্টোবর থেকে ঢাবির ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়। ওই দিন বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হয়।

২ অক্টোবর কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষা হয়। ৯ অক্টোবর চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের বহু নির্বাচনি অংশের ভর্তি পরীক্ষা হয়। ২২ অক্টোবর বিজনেস স্টাডিজ অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষা হয়।

‘ক’, ‘খ’, ‘গ’ ও ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৬০ নম্বরের বহু নির্বাচনি এবং ৪০ নম্বরের লিখিত অংশ আছে। উভয় অংশের জন্য ৪৫ মিনিট করে সময় থাকে।

তবে ‘চ’ ইউনিটের ৪০ নম্বরের বহু নির্বাচনি পরীক্ষার জন্য ৩০ মিনিট আর ৬০ নম্বরের অঙ্কন পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট সময় বরাদ্দ ছিল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে পাঁচটি ইউনিটে ৭ হাজার ১৪৮টি আসনের বিপরীতে এবার ৩ লাখ ২৪ হাজার ৩৪০ প্রার্থী অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তির আবেদন করেছেন। প্রতি আসনের বিপরীতে গড়ে ৪৫ শিক্ষার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আরও পড়ুন:
বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্থিক শৃঙ্খলা আনতে চায় ইউজিসি
২৬ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে সতর্কতা
প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিতের আহ্বান ইউজিসির
উচ্চশিক্ষা পাঠ্যক্রম ঢেলে সাজানোর পরামর্শ
এনআইডি ছাড়াই টিকা পাবেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা শুরু, আসনপ্রতি ৭৪ পরীক্ষার্থী

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা শুরু, আসনপ্রতি ৭৪ পরীক্ষার্থী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার একটি কেন্দ্র। ফাইল ছবি

ঢাবিসহ দেশের সাত বিভাগের আরও সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শনিবার বেলা ১১টা থেকে একযোগে শুরু হয় পরীক্ষা। চলবে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

ঢাবিসহ দেশের সাত বিভাগের আরও সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শনিবার বেলা ১১টা থেকে একযোগে শুরু হয় পরীক্ষা। চলবে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিস জানায়, ‘ঘ’ ইউনিটে ১ হাজার ৫৭০ আসনের বিপরীতে ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৮১ জন আবেদন করেছেন। এই হিসাবে ইউনিটটিতে আসনপ্রতি লড়বেন ৭৪ পরীক্ষার্থী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬১ হাজার ৮৫০, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২ হাজার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯ হাজার ৮৯৮, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ হাজার ৭৯৮, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ হাজার ১২৪, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ হাজার ১৭৮, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ হাজার ১৩ এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১ হাজার ২০ জনের আসন পড়েছে।

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষার মাধ্যমে মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা ও বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা বিভাগ পরিবর্তন করতে পারবেন। এ ইউনিটে ১১টি অনুষদের অধীনে বিভাগ রয়েছে ৫৫টি।

গত ১ অক্টোবর থেকে ঢাবির ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়। ওই দিন বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হয়।

২ অক্টোবর কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষা হয়। ৯ অক্টোবর চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের বহু নির্বাচনি অংশের ভর্তি পরীক্ষা হয়। ২২ অক্টোবর বিজনেস স্টাডিজ অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষা হয়।

‘ক’, ‘খ’, ‘গ’ ও ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৬০ নম্বরের বহু নির্বাচনি ও ৪০ নম্বরের লিখিত অংশ আছে। উভয় অংশের জন্য ৪৫ মিনিট করে সময় থাকে।

তবে ‘চ’ ইউনিটের ৪০ নম্বরের বহু নির্বাচনি পরীক্ষার জন্য ৩০ মিনিট আর ৬০ নম্বরের অঙ্কন পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট সময় বরাদ্দ ছিল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে পাঁচটি ইউনিটে ৭ হাজার ১৪৮টি আসনের বিপরীতে এবার ৩ লাখ ২৪ হাজার ৩৪০ প্রার্থী অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তির আবেদন করেছেন। প্রতি আসনের বিপরীতে গড়ে ৪৫ শিক্ষার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আরও পড়ুন:
বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্থিক শৃঙ্খলা আনতে চায় ইউজিসি
২৬ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে সতর্কতা
প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিতের আহ্বান ইউজিসির
উচ্চশিক্ষা পাঠ্যক্রম ঢেলে সাজানোর পরামর্শ
এনআইডি ছাড়াই টিকা পাবেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন

ঢাবির কনসার্টে সহিংসতা প্রতিহতের ডাক

ঢাবির কনসার্টে সহিংসতা প্রতিহতের ডাক

বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যে ‘সহিংসতার বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ ব্যানারে কনসার্টের আয়োজন করা হয়। ছবি: সিমু নাসের

ব্যতিক্রমধর্মী এই আয়োজনের উদ্যোক্তা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ইনস্টিটিউটের সাবেক শিক্ষার্থী তুহিন কান্তি দাস বলেন, ‘এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য দেশব্যাপী চলমান সহিংসতার বিরুদ্ধে একাত্ম হয়ে সাংস্কৃতিকভাবে প্রতিবাদ জানানো। মিছিল, বক্তৃতা, সভা ও সেমিনারের চেয়ে শিল্প অনেক শক্তিশালী প্রতিবাদের মাধ্যম৷ তাই আমরা এই মাধ্যমকেই বেছে নিয়েছি।’

সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে কনসার্টের আয়োজন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতিমনা একদল শিক্ষার্থী।

বেলা ৩টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যে কনসার্ট শুরু হয়। রাত ১০টায় শেষ হয় এ কনসার্ট। ‘সহিংসতার বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ ব্যানারে এ কনসার্টের আয়োজন করা হয়।

কনসার্টে শিরোনামহীন, মেঘদল, সহজিয়াসহ ১২টি ব্যান্ড দল গান পরিবেশন করে। গানের পাশাপাশি হয়েছে মূকাভিনয়, একক গান, নৃত্য ও থিমেটিক পারফরম্যান্স।

গানের দলগুলোর মধ্যে রয়েছে শিরোনামহীন, মেঘদল, সহজিয়া, শহরতলী, বাংলা ফাইভ, গানপোকা, কৃষ্ণপক্ষ, কাল, অবলিক, অসৃক, গানকবি ও বুনোফুল৷

এ ছাড়া একক সংগীত পরিবেশন করেছেন জয় শাহরিয়ার, তুহিন কান্তি দাস, সাহস মোস্তাফিজ, লালন মাহমুদ, নাঈম মাহমুদ, প্রিয়াংকা পাণ্ডে, যশ নমুদার, তাবিব মাহমুদ, রানা, উদয়, অপু, উপায় ও অনিন্দ্য৷

উম্মে হাবিবা ও আবু ইবনে রাফি নৃত্য পরিবেশন করেছেন। মূকাভিনয় পরিবেশন করেছে ঢাকা ইউনিভার্সিটি মাইম অ্যাকশন। এ ছাড়া কনসার্টে একটি সমবেত ‘থিমেটিক পারফরম্যান্স’ পরিবেশন করা হয়।

বিকেলের দিকে কনসার্ট শুরু হলেও সন্ধ্যার দিকে কনসার্ট জমজমাট হয়ে ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী এই কনসার্ট উপভোগ করেন।

ব্যতিক্রমধর্মী এই আয়োজনের উদ্যোক্তা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ইনস্টিটিউটের সাবেক শিক্ষার্থী তুহিন কান্তি দাস বলেন, ‘এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য দেশব্যাপী চলমান সহিংসতার বিরুদ্ধে একাত্ম হয়ে সাংস্কৃতিকভাবে প্রতিবাদ জানানো। মিছিল, বক্তৃতা, সভা ও সেমিনারের চেয়ে শিল্প অনেক শক্তিশালী প্রতিবাদের মাধ্যম৷ তাই আমরা এই মাধ্যমকেই বেছে নিয়েছি।’

তিনি বলেন, আমাদের প্রতিবাদের ভাষা গান, নৃত্য ও কবিতা। আমরা এই কনসার্টের মাধ্যমে দেশবাসীকে সহিংসতা প্রতিহতের বার্তা দেয়ার চেষ্টা করেছি, যাতে এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে। আমরা চাই এ দেশের মানুষ হিন্দু-মুসলিম পরিচয়ের চেয়ে সবাই বাংলাদেশি পরিচয়ে পরিচিত হোক। এটাই আজকের আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।’

আরও পড়ুন:
বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্থিক শৃঙ্খলা আনতে চায় ইউজিসি
২৬ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে সতর্কতা
প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিতের আহ্বান ইউজিসির
উচ্চশিক্ষা পাঠ্যক্রম ঢেলে সাজানোর পরামর্শ
এনআইডি ছাড়াই টিকা পাবেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন