নিউজবাংলাকে র‌্যাব

কক্সবাজারে গিয়েছিল সেই ৩ ছাত্রী

কক্সবাজারে গিয়েছিল সেই ৩ ছাত্রী

প্রতীকী ছবি

র‌্যাবের কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘তিন মেয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, মেহজাবিন নামে এক মেয়ের সঙ্গে ওদের পরিচয় হয়েছিল। সে তাদেরকে কক্সবাজার নিয়ে গিয়েছিল।’

রাজধানীর পল্লবী থেকে ‘নিখোঁজ’ তিন কলেজছাত্রী কক্সবাজারে গিয়েছিল বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৪-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর সকালে পল্লবী থেকে কলেজছাত্রী তিন কিশোরী ‘নিখোঁজ’ হয়। তারা বাসা ছেড়ে বের হওয়ার সময় টাকা, অলংকার ও নিজেদের সার্টিফিকেট নিয়ে যায়।

দীর্ঘ সময় ছাত্রীরা বাসায় না ফেরায় পরিবার খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরে এ বিষয়ে পল্লবী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়।

তিন কলেজছাত্রীর সন্ধান না পেয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও চার থেকে পাঁচজনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে মামলা হয়।

এজাহারে দাবি করা হয়, কলেজছাত্রীদের পরিবার লোক মারফত জানতে পেরেছে অপহরণের ঘটনা। পল্লবী ১০ নম্বর সেকশনের প্যারিস রোডের কাইল্লার মোড়ের উত্তর পাশের পাকা রাস্তা থেকে একটি সাদা মাইক্রোবাসে তাদের উঠিয়ে নেয়া হয়।

এ মামলায় এজাহারভুক্ত চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আগেই আটক করেছিল পুলিশ। পরে তাদের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

মিরপুর বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে বুধবার ভোরে তিন কলেজছাত্রীকে উদ্ধার করে র‌্যাব।

তাদের বিষয়ে র‌্যাবের কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘তিন মেয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, মেহজাবিন নামে এক মেয়ের সঙ্গে ওদের পরিচয় হয়েছিল। সে তাদের কক্সবাজার নিয়ে গিয়েছিল।

‌‘আমরা সিসিটিভি ফুটেজ চেক করেছি, কিন্তু মেহজাবিনকে পাইনি। শুধু তিনজন মেয়েকেই দেখা গেছে।’

তিনি জানান, নিখোঁজ হওয়া তিনজনের সন্ধানে র‌্যাব কক্সবাজারেও গিয়েছিল। কিন্তু বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে তিনজন ঢাকায় চলে আসে। ঢাকায় আসার পর তাদের বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।

মেহজাবিনের বিষয়ে র‌্যাব বলছে, তিন কলেজছাত্রী মেহজাবিন নামে যার কথা বলেছে, তার মোবাইল নম্বর তাদের কাছে নেই। তারা যেসব মোবাইল নিয়ে গিয়েছিল, সেগুলো নষ্ট করে দিয়েছে। নতুন মোবাইল কিনে মেহজাবিনের কোনো নম্বর ওঠায়নি বলে তারা জানিয়েছে।

তিন কলেজছাত্রীর বক্তব্য যাচাই-বাছাই করছে র‌্যাব। কেউ তাদের নিয়ে গিয়েছিল, নাকি তারা স্বেচ্ছায় বাইরে গিয়েছিল, তা তদন্ত করা হচ্ছে।

র‌্যাব-৪-এর অধিনায়ক মোজাম্মেল হক বলেন, ‘আজকেই পল্লবী থানা এবং পরিবারের কাছে তিন মেয়েকে হস্তান্তর করা হবে।’

আরও পড়ুন:
পল্লবী থেকে নিখোঁজ ৩ কলেজছাত্রী উদ্ধার
টাকা-অলংকার নিয়ে নিখোঁজ তিন কলেজছাত্রী
স্বর্ণকিশোরীর ওপর হামলা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

গাজীপুরে বিষপানে দম্পতির আত্মহত্যা

গাজীপুরে বিষপানে দম্পতির আত্মহত্যা

বিষপান করে এ দম্পতি আত্মহত্যা করেন। ছবি: নিউজবাংলা

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া দুজনের মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত করে জানান, কি কারণে তারা বিষ খেয়েছে সেই বিষয়টি জানার চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে বিস্তারিত জানা যাবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।

গাজীপুরের শ্রীপুরে বিষপান করে এক দম্পতি আত্মহত্যা করেছেন।

হাজী মার্কেট পুকুরপাড় জাহিদ কলোনি এলাকার রবিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, মো. ফিরোজ ও লিজা আক্তার। ২৫ বছর বয়সী ফিরোজের বাড়ি নওগাঁ জেলায় ও ২২ বছর বয়সী লিজার বাড়ি নীলফামারীতে। তারা দুইজনই পোশাক কারখানায় কাজ করতেন।

মধ্যরাতে অচেতন অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিয়ে আসলে চিকিৎসক ভোর পাঁচটার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রতিবেশী রিন্টু মিয়া ওই দম্পতিকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তিনি জানান, রাত সাড়ে এগারোটার দিকে ওই দুজন একসঙ্গে বিষপান করেন। আমরা তাদেরকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত ঢামেক হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পাশের ঘরের বাসিন্দা এই দুজনের মধ্যে অনেক ভালো সম্পর্ক ছিলো। তবে মাঝে মধ্যে বিবাদও হত। কিন্তু আত্মহত্যা করার মত ঝগড়া চোখে পড়েনি।’

রিন্টু জানান, ‘১ মাস আগে লিজা চাকরি থেকে রিজাইন দেয়। তবে কি কারণে তারা বিষ খেয়েছেন এ বিষয়ে আমরা কিছু জানি না।’

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া দুজনের মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত করে জানান, কি কারণে তারা বিষ খেয়েছে সেই বিষয়টি জানার চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে বিস্তারিত জানা যাবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
পল্লবী থেকে নিখোঁজ ৩ কলেজছাত্রী উদ্ধার
টাকা-অলংকার নিয়ে নিখোঁজ তিন কলেজছাত্রী
স্বর্ণকিশোরীর ওপর হামলা

শেয়ার করুন

মণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে শাহবাগে অবরোধ

মণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে শাহবাগে অবরোধ

বিভিন্ন জেলার পূজামণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে শাহবাগ মোড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবরোধ। ছবি: নিউজবাংলা

অবরোধে যোগ দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিহির লাল শাহ বলেন, ‘আমরা রোহিঙ্গা নই, আমরা বাংলাদেশি। আমরা আমাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের অধিকার রাখি। আমাদের এই অধিকারে যারা হাত দিয়েছে, তাদের হাত আমরা ভেঙে দেব। আমরা এভাবে রাস্তা অবরোধ করতে চাইনি, কিন্তু আমাদের বাধ্য করা হয়েছে। যারা আমাদের কারণে যানজটে পড়ে আছে, তাদের কাছে আমরা ক্ষমা চাই।’

কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার পূজামণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তি নিশ্চিতের দাবিসহ ৭ দফা দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

রোববার সকাল ১০টা থেকে শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে শাহবাগ থেকে পল্টন, সায়েন্স ল্যাব, বাংলামোটর ও টিএসসি অভিমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলসহ বিভিন্ন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা টিএসসি এলাকায় জড়ো হন। সেখান থেকে তারা মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড়ে আসেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গতকাল রাতে রংপুরের ঘটনার প্রতিবাদে শাহবাগ মোড়ে জগন্নাথ হলের ছাত্ররা অবস্থান নিয়েছে। যান চলাচল বেশ কিছুক্ষণ ধরে বন্ধ আছে। হলের প্রভোস্ট স্যারও আছেন।’

অবরোধে যোগ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিহির লাল শাহ বলেন, ‘আমরা সবাই বাংলাদেশের মানুষ। সকলের শরীরে একই রক্ত প্রবাহিত হয়। তাহলে এ ধর্মীয় উন্মাদনা কেন? সরকারের প্রতি আমাদের দাবি, এই সাম্প্রদায়িক হামলা বন্ধ করতে হবে। দ্রুত হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হোক। আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।

‘আমরা রোহিঙ্গা নই, আমরা বাংলাদেশি। আমরা আমাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের অধিকার রাখি। আমাদের এই অধিকারে যারা হাত দিয়েছে, তাদের হাত আমরা ভেঙে দেব। আমরা এভাবে রাস্তা অবরোধ করতে চাইনি, কিন্তু আমাদের বাধ্য করা হয়েছে। যারা আমাদের কারণে যানজটে পড়ে আছে, তাদের কাছে আমরা ক্ষমা চাই।’

মোড়ে অবস্থান নেয়া শিক্ষার্থীরা ‘সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় করতে হবে’, ‘মন্দিরে হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেব না’সহ নানা স্লোগান দিচ্ছেন।

তাদের ৭ দফা হলো:

০১. হামলার শিকার মন্দিরগুলো প্রয়োজনীয় সংস্কার করা।

০২. বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাটের ক্ষতিপূরণ।

০৩. ধর্ষণ ও হত্যার শিকার পরিবারগুলোকে স্থায়ী ক্ষতিপূরণ।

০৪. দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করা।

০৫. জাতীয় সংসদে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে মন্দির ও সংখ্যালঘুদের বসতবাড়িতে সাম্প্রদায়িক হামলার দায়ে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা।

০৬. সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় ও সংখ্যালঘু কমিশন গঠন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট্রের আধুনিকায়ন করে ফাউন্ডেশনে উন্নীত করা।

০৭. জাতীয় বাজেটে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য জিডিপির ১৫% বরাদ্দ রাখা।

আন্দোলনকারীরা বলছেন, তাদের এসব দাবি মানার আশ্বাস না আসা পর্যন্ত তারা অবরোধ চালিয়ে যাবেন।

আরও পড়ুন:
পল্লবী থেকে নিখোঁজ ৩ কলেজছাত্রী উদ্ধার
টাকা-অলংকার নিয়ে নিখোঁজ তিন কলেজছাত্রী
স্বর্ণকিশোরীর ওপর হামলা

শেয়ার করুন

আইস সিন্ডিকেটের খোকন-রফিক রিমান্ডে

আইস সিন্ডিকেটের খোকন-রফিক রিমান্ডে

গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারি মোহাম্মদ হোসেন ওরফে খোকন ও তার সহযোগী মোহাম্মদ রফিক। ছবি: নিউজবাংলা

পুলিশের দাবি, টেকনাফকেন্দ্রিক মাদক কারবারে জড়িত সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা খোকন ও রফিক। তারা নৌপথে মিয়ানমার থেকে মেথামফেটিন-জাতীয় মাদকদ্রব্য আইস আনেন। কক্সবাজার সীমান্ত হয়ে বড় বড় চালান তারা ছড়িয়ে দেয় ঢাকাসহ সারা দেশে।

মাদক চোরাচালানে আইস (ক্রিস্টালমেথ) সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা মোহাম্মদ হোসেন ওরফে খোকন ও তার সহযোগী মোহাম্মদ রফিককে ৯ দিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।

ঢাকার মহানগর হাকিম শাহিনুর রহমানের আদালত রোববার আসামিদের মাদক মামলায় পাঁচ দিন করে রিমান্ড দেয়। অস্ত্র মামলায় মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়ার আদালত তাদের চার দিনের রিমান্ড আদেশ দেন।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে শনিবার এক অভিযানে খোকন ও রফিককে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। তাদের কাছে পাওয়া যায় প্রায় পাঁচ কেজি আইস ও বিদেশি অস্ত্র। জব্দ করা আইসের আনুমানিক বাজারমূল্য সাড়ে ১২ কোটি টাকা।

র‌্যাব-১৫-এর নায়েব সুবেদার ফিরোজ আহমেদ অস্ত্র ও মাদক আইনে যাত্রাবাড়ী থানায় তাদের বিরুদ্ধে আলাদা দুটি মামলা করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার এসআই শরীফুল ইসলাম রোববার দুই আসামিকে আদালতে হাজির করেন। তিনি দুই মামলায় তাদের ২০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, আসামিরা মাদকচক্রের সক্রিয় সদস্য। বিশেষ এ সিন্ডিকেট মেথামফেটিন জাতীয় মাদকদ্রব্য আইস সংগ্রহ করে মিয়ানমার থেকে। এরপর কক্সবাজার সীমান্ত থেকে বড় বড় চালান নিয়ে ছড়িয়ে দেয় ঢাকাসহ সারা দেশে। তারা যুবকশ্রেণিসহ অনেক মানুষকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। মাদক কারবারে তারা আগ্নেয়াস্ত্রও ব্যবহার করেন।

আদালতে আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। শুনানি শেষে আদালত আসামিদের রিমান্ডের আদেশ দেন।

র‍্যাব জানায়, টেকনাফকেন্দ্রিক মাদক কারবারে জড়িত সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা খোকন। তিনি নৌপথে নিয়মিত মিয়ানমার যেতেন। পাঁচ বছর ধরে ইয়াবা কারবারে জড়িত। কয়েক মাস ধরে তারা ভয়ংকর মাদক আইস নিয়ে আসছে। এই সিন্ডিকেটে ২০ থেকে ২৫ জন রয়েছে।

আরও পড়ুন:
পল্লবী থেকে নিখোঁজ ৩ কলেজছাত্রী উদ্ধার
টাকা-অলংকার নিয়ে নিখোঁজ তিন কলেজছাত্রী
স্বর্ণকিশোরীর ওপর হামলা

শেয়ার করুন

মুসার ‘সঙ্গী’ কাদের কারাগারে

মুসার ‘সঙ্গী’ কাদের কারাগারে

কথিত অতিরিক্ত সচিব কাদেরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতায় ডিবিতে জিজ্ঞাসাবাদের পর বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন মুসা বিন শমসের।

রোববার আব্দুল কাদেরকে রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের গুলশান জোনাল টিমের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) নূরে আলম সিদ্দিকী।

রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় করা প্রতারণার মামলায় জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পরিচয় দেয়া আব্দুল কাদেরকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

ভূয়া সরকারি কর্মকর্তার পরিচয় দেয়া কাদেরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আলোচিত অস্ত্র ব্যবসায়ী মুসা বিন শমসেরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি।

রোববার আব্দুল কাদেরকে রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের গুলশান জোনাল টিমের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) নূরে আলম সিদ্দিকী।

পরে ঢাকার মহানগর হাকিম আবু সাঈদ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট থানার আদালতের সাধারণ শাখার নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক মনিরুজ্জামান নিউজবাংলাকে কাদেরকে কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

১৩ অক্টোবর আব্দুল কাদেরের তিন দিনের রিমান্ড আদেশ দেয় আদালত।

৭ অক্টোবর ঠিকাদার কনস্ট্রাকশনের মালামাল সরবরাহকারী শেখ আলী আকবর প্রতারণা করে ২৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন আব্দুল কাদেরের স্ত্রী সততা প্রোপার্টিস লিমিটেডের চেয়ারম্যান ছোঁয়া ও ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম।

আরও পড়ুন:
পল্লবী থেকে নিখোঁজ ৩ কলেজছাত্রী উদ্ধার
টাকা-অলংকার নিয়ে নিখোঁজ তিন কলেজছাত্রী
স্বর্ণকিশোরীর ওপর হামলা

শেয়ার করুন

৩৫তম ফোবানা সম্মেলন নভেম্বরে

৩৫তম ফোবানা সম্মেলন নভেম্বরে

জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি সম্মেলন কক্ষে ফোবানা সম্পর্কিত এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এবারের সম্মেলনের ভেন্যু করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে অবস্থিত ন্যাশনাল হারবারের বিখ্যাত গেলর্ড ন্যাশনাল রিসোর্ট অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারকে।

বাধাবিপত্তি আর করোনার ভয়াবহতাকে মোকাবিলা করে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ফেডারেশন অব বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশন ইন নর্থ আমেরিকা (ফোবানা) সম্মেলন।

নভেম্বরের ২৬ তারিখে শুরু হবে তিন দিনব্যাপী ৩৫তম এই সম্মেলন। এটির আয়োজক আমেরিকান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি (এবিএফএস)।

এবারের সম্মেলনের ভেন্যু করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে অবস্থিত ন্যাশনাল হারবারের বিখ্যাত গেলর্ড ন্যাশনাল রিসোর্ট অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারকে।

সম্মেলনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘অদম্য বাংলাদেশে অবাক বিশ্ব’।

রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি সম্মেলন কক্ষে এ সম্পর্কিত এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

ফোবানা সম্মেলনের সদস্যসচিব শিব্বীর আহমেদের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন এবারের ফোবানা সম্মেলনের কনভেনার জি আই রাসেল।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফোবানা চেয়ারম্যান জাকারিয়া চৌধুরী, স্বাগতিক কমিটির নিরাপত্তাবিষয়ক সাবকমিটির চেয়ারপারসন দেওয়ান জমিরসহ ফোবানার অন্য নেতারা।

বিশ্বে ফোবানা নামটি একটি ‘ব্র্যান্ড’ উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে সদস্যসচিব শিব্বীর আহমেদ বলেন, ‘৩৫ বছর ধরে এই সংগঠনটি উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন শহরে বাংলাদেশিদের মিলনমেলার আয়োজন করে আসছে। এবারও এর ব্যতিক্রম নয়।’

তিনি বলেন, ‘১৯৮৭ সালে ওয়াশিংটন ডিসিতে বিশ্বব্যাংকের একটি ছোট অডিটরিয়ামে অত্যন্ত ছোট পরিসরে যে ফোবানার জন্ম হয়েছিল, সেই ফোবানার ৩৫তম আসর আজ একই শহরের সবচেয়ে বড় বিলাসবহুল ও ব্যয়বহুল সেন্টারে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।’

সম্মেলনে দেশ ও প্রবাসের লেখক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, শিল্পীসহ গুণিজনরা অংশ নেবেন বলে জানান ফোবানার কনভেনার জি আই রাসেল।

তিনি বলেন, ‘৩৫তম ফোবানার অতিথি তালিকায় যেসব বিশিষ্ট ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, স্টেট মিনিস্টার শাহরিয়ার আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশন চেয়ারম্যান ড. শিবলী রুবায়েত উল ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শহিদুল ইসলাম, দুবাইয়ের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাহতাবুর রহমান, বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নইম নিজাম, ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, জাতীয় প্রেস ক্লাব সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, অনন্যা প্রকাশনীর মনিরুল হক, ডিবিসি নিউজের সিইও মনজুরুল ইসলাম, সময় টেলিভিশন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আহমেদ জোবায়ের, চ্যানেল আই প্রধান ফরিদুর রেজা সাগর প্রমুখ।

এ ছাড়াও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী, বাণিজ্যবিষয়ক মন্ত্রী, শিক্ষাবিষয়ক মন্ত্রীকে সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানোর প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

কনভেনার রাসেল জানান, সম্মেলনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ। তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে ফ্যাশন শো, মিস ফোবানা, ম্যাগাজিন, বিজনেস লাঞ্চ, বইমেলা, মিউজিক আইডল, ড্যান্স আইডল, সেমিনার, ইয়ুথ ফোরাম, ইন্টারফেইথ ডায়ালগসহ নানা ইভেন্টের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নৃত্যশিল্পী সাদিয়া ইসলাম মৌ এবং ওয়ার্দা রিহ্যাব অংশগ্রহণ করবেন।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পর্বে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন, জেমস, তাহসান খান, হৃদয় খান, শফি মণ্ডল, লায়লাসহ জনপ্রিয় শিল্পীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া বৃহত্তর ওয়াশিংটন ও উত্তর আমেরিকার একঝাঁক শিল্পী ৩৫তম ফোবানা সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন বলেও জানান রাসেল।

এ ছাড়া ২৭ নভেম্বর বিজনেস নেটওয়ার্ক লাঞ্চ অনুষ্ঠিত হবে। এই লাঞ্চে দেশের ও প্রবাসের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতারা অংশগ্রহণ করবেন।

আরও পড়ুন:
পল্লবী থেকে নিখোঁজ ৩ কলেজছাত্রী উদ্ধার
টাকা-অলংকার নিয়ে নিখোঁজ তিন কলেজছাত্রী
স্বর্ণকিশোরীর ওপর হামলা

শেয়ার করুন

বিসিএস না দিয়ে চিকিৎসক জয়দেব কি আত্মহত্যা করেছেন?

বিসিএস না দিয়ে চিকিৎসক জয়দেব কি আত্মহত্যা করেছেন?

মৃত চিকিৎসক জয়দেব কুমার দাস। ছবি: সংগৃহীত

নিকুঞ্জ-২ এর ১৫ নম্বর সড়কের ৮ নম্বর বাড়ির ৮ তলার দক্ষিণের পাশের ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে থাকতেন সদ্য পাস করা জয়দেব। তিনি কয়েকদিন কক্ষটি থেকে বের হননি। দুর্গন্ধ বের হওয়ার পর পুলিশ দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে। তার বাম হাতে লাগানো একটি সিরিঞ্জ পাওয়া গেছে, যাতে তরল জাতীয় পদার্থ ছিল। সেখানে একটি নোটও ছিল।

সিলেটের এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ থেকে সদ্য পাস করা জয়দেব কুমার দাস ঢাকা এসে বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। শনিবার রাতে অর্ধগলিত অবস্থায় তার মরদেহ খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ-২ এর একটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয়।

জয়দেবের বাম হাতে একটি সিরিঞ্জ লাগানো ছিল। যাতে তরল জাতীয় পদার্থ পাওয়া গেছে। সঙ্গে একটি নোটও পেয়েছে পুলিশ। সেটি জয়দেবের নিজের লেখা কি না তা যাচাই করা হচ্ছে।

খিলক্ষেত থানা পুলিশ প্রাথমিকভাবে মনে করছে, জয়দেব আত্মহত্যা করেছেন। তবে সিরিঞ্জে পাওয়া তরলের পরীক্ষা, নোটের হাতের লেখার যাচাই এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসার কথা জানিয়েছে বাহিনীটি।

জয়দেব কবে মারা গেছেন, সেটি নিশ্চিত নয়। নিকুঞ্জ-২ এর ১৫ নম্বর সড়কের ৮ নম্বর বাড়ির ৮ তলার দক্ষিণের পাশের ফ্ল্যাটের একটি কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ার পর বিষয়টি জানাজানি হয়।

কক্ষটি কয়েকদিন ধরে বন্ধ ছিল- এমন খবর পেয়ে শনিবার রাত ৯টার দিকে ওই বাড়িতে যায় পুলিশ। কক্ষের দরজা ভেঙে পশ্চিম পাশের বিছানায় জয়দেবকে চিৎ অবস্থায় মৃত পাওয়া যায়।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইম সিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আলামত উদ্ধার করে। সুরতহাল ও অন্যান্য প্রক্রিয়া শেষে রাত ২টার দিকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

রোববার দুপুরে ময়নাতদন্ত করা হয়। তবে রাত ৮টা পর্যন্ত মরদেহ হস্তান্তর করা হয়নি।

নিকুঞ্জ-২ এর বাড়িটির দারোয়ানের বরাতে মরদেহ উদ্ধারের পর খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুন্সি সাব্বির আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জয়দেব গত তিন দিন বাসা থেকে বের হতে দেখেননি। ওই কক্ষে তিনি একাই থাকতেন।’

খবর পেয়েই নিকুঞ্জ-২ এলাকার ওই বাসায় হাজির হয়েছিলেন খিলক্ষেত থানার উপ পরিদর্শক রাসেল পারভেজ। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উনার বাম হাতে লাগানো একটি সিরিঞ্জ পেয়েছি। যাতে তরল জাতীয় পদার্থ ছিল। সিরিঞ্জের ভেতরে কী রয়েছে তা সিআইডির ল্যাবে পরীক্ষার পর জানা যাবে। একটি নোট খাতা ও লাল কলম পেয়েছি।

‘এছাড়া তার কক্ষ থেকে তিনটি সিরিঞ্জে তরল পদার্থ পাওয়া গেছে ও পাঁচটি কেসিএল ইনজেকশনের খালি প্যাকেট পাওয়া গেছে।’

নোটে কী লিখা ছিল তা বলতে চাননি রাসেল পারভেজ। বলেন, ‘এটি তদন্তের বিষয়। আর আমি এখন মনে করতে পারছি না। তবে নোটে লিখাটি জয়দেবের কি না তা যাচাই করা হবে।’

জয়দেবের গ্রামের বাড়ি বাড়ি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের দক্ষিণ সালান্দার কুমারপাড়া গ্রামে। মৃত্যুর খবর পেয়ে তার ভাই নয়ন চন্দ্র দাস ঢাকা মেডিক্যালে আসেন।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঢাকায় ও বিসিএসের পড়াশুনা করছিল। কেন, কীভাবে হলো জানি না। আমি ক্লান্ত।’

জয়দেব মৃত্যুর ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে বলে জানান খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুন্সি সাব্বির আহমেদ। তিনি বলেন, ‘মৃত্যুর কারণ ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর জানা যাবে। পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
পল্লবী থেকে নিখোঁজ ৩ কলেজছাত্রী উদ্ধার
টাকা-অলংকার নিয়ে নিখোঁজ তিন কলেজছাত্রী
স্বর্ণকিশোরীর ওপর হামলা

শেয়ার করুন

হামলার পেছনের কারণ জানানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হামলার পেছনের কারণ জানানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হামলার শিকার কুমিল্লার একটি মণ্ডপ পরিদর্শনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যে ঘটনাগুলো ঘটেছে; আমি শুরু থেকেই বলছি, এটি উদ্দেশ্যমূলক। বাংলাদেশের কোনো ধর্মপ্রাণ মানুষ ধর্মান্ধ নয়, তারা ধর্মভীরু। যে যার ধর্ম পালন করেন। এক ধর্মের মানুষ অন্য ধর্মের পবিত্র গ্রন্থকে এরকম করবে, এটি এদেশের মানুষ বিশ্বাস করে না।’

অতীতে সাম্প্রদায়িক হামলার পর তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসেনি। এবাবের ঘটনার পেছনে কী কারণ সেটি খুঁজে বের করে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

শহীদ শেখ রাসেলের ৫৮ তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে রোববার বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এ কথা জানান।

‘শিশুদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারটি জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে অনুষ্ঠিত হয়।

এবাবের সাম্প্রদায়িক হামলার কারণ সামনে আসবে কি-না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ‘যে ঘটনাগুলো ঘটেছে; আমি শুরু থেকেই বলছি, এটি উদ্দেশ্যমূলক। বাংলাদেশের কোনো ধর্মপ্রাণ মানুষ ধর্মান্ধ নয়, তারা ধর্মভীরু। যে যার ধর্ম পালন করেন। এক ধর্মের মানুষ অন্য ধর্মের পবিত্র গ্রন্থকে এরকম করবে, এটি এদেশের মানুষ বিশ্বাস করে না। এর পেছনে কী কারণ, তা আমরা অবশ্যই খুঁজে বের করব। পরে আপনাদের জানাব। যারা এগুলো করেছেন এবং যে উদ্দেশ্য নিয়ে করেছেন তাদের উদ্দেশ্য কোনদিনই সফল হবে না। তাদেরকে আমরা প্রতিহত করব।’

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘ইতোমধ্যে অনেক কিছুই আপনাদের কানে এসেছে। অনেক কিছু জেনেছেন, আরও জানবেন। যেহেতু তদন্ত চলছে তাই আমি আর মুখ খুলছি না।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক আইজিপি শহীদুল হক। তিনি বলেন, ‘অতীতের ঘটনায় পরিষ্কার বুঝা যায়- স্বাধীনতাবিরোধীরা গুজব ছড়িয়ে ফায়দা নিয়েছে। আমাদের বিকৃত মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে, প্রগতিশীল রাজনৈতিক চর্চা করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শত শত লোক যেভাবে ওয়াজ করে বলে, সেগুলো কুরআন-হাদীসের ধারে কাছে নেই। এবার হেফাজত মাঠে নামেন নাই। তাদের শুভবুদ্ধির উদয় হয়েছে মনে হয়। তাদেরকে মেইনস্ট্রিমে নিয়ে আসতে হবে।’

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের আহ্বাক ড. মীজানুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান, সাবেক আইজিপি ও কলামিস্ট এ কে এম শহীদুল হক, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান, জাগো নিউজের সহকারী সম্পাদক ও কলামিস্ট ড. হারুন রশিদ বক্তব্য দেন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কলামিস্ট মিথুশিলাক মুরমু। স্বাগত বক্তব্য দেন কলামিস্ট ও ফোরামের সদস্য-সচিব অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাস।

আরও পড়ুন:
পল্লবী থেকে নিখোঁজ ৩ কলেজছাত্রী উদ্ধার
টাকা-অলংকার নিয়ে নিখোঁজ তিন কলেজছাত্রী
স্বর্ণকিশোরীর ওপর হামলা

শেয়ার করুন