স্ত্রীসহ কারাগারে এসপিসি ওয়ার্ল্ডের সিইও আল আমিন

স্ত্রীসহ কারাগারে এসপিসি ওয়ার্ল্ডের সিইও আল আমিন

এসপিসি ওয়ার্ল্ড এক্সপ্রেসের সিইও ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আল আমিন। ছবি: সংগৃহীত

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা এসপিসি ওয়ার্ল্ড এক্সপ্রেস লিমিটেড কোম্পানির নামে ই-কমার্স ব্যবসার আড়ালে অনুমোদনহীন মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) ব্যবসা চালাচ্ছিলেন। তারা কোম্পানির হিসাব থেকে এক কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করে মানিলন্ডারিং করেছেন।

মানিলন্ডারিং আইনের মামলায় গ্রেপ্তার ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ‘এসপিসি ওয়ার্ল্ড’ এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আল-আমিন এবং তার স্ত্রী সারমীন আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।

সোমবার জামিন আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসীম।

এর আগে কলাবাগান থানায় করা মামলাটি দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশের উপপরিদর্শক (নিরস্ত্র) সোহানুর রহমান।

আসামিদের পক্ষে কামরুজ্জামান চৌধুরী জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক জামিন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক শরীফ সাফায়েত হোসেন।

এর আগে আসামিদের রোববার রাতে রমনা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তাদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে ২৬ আগস্ট কলাবাগান থানায় মামলা করেন সিআইডি পুলিশের উপপরিদর্শক (নি.) নাফিজুর রহমান।

এতে বলা হয়েছে, আসামিরা এসপিসি ওয়ার্ল্ড এক্সপ্রেস লিমিটেড কোম্পানির নামে ই-কমার্স ব্যবসার আড়ালে অনুমোদনহীন মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) ব্যবসা চালাচ্ছিলেন। তারা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে বিভিন্নভাবে টাকা আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে প্রতারণামূলকভাবে টাকা নিতেন। এছাড়া আসামিরা কোম্পানির হিসাব থেকে এক কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করে মানিলন্ডারিং করেছেন।

আরও পড়ুন:
টাকা ফেরত পেতে পারেন কিউকমের গ্রাহকরা: ডিবি
কিউকমের মালিক গ্রেপ্তার
এসপিসি ওয়ার্ল্ডের সিইওসহ গ্রেপ্তার ৩
অনলাইনে কেনাকাটায় সাবধান হোন: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ই-অরেঞ্জের সোনিয়া-মাসুকুরের বিরুদ্ধে আরেক মামলা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ত্রিশালে সড়ক দুর্ঘটনার মামলায় বাস চালক গ্রেপ্তার

ত্রিশালে সড়ক দুর্ঘটনার মামলায় বাস চালক গ্রেপ্তার

স্যাপার এম.এ রহিম পরিবহনের চালক আনসার আলীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

চালকের বরাত দিয়ে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডির এলআইসির বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর বলেন, ‘ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া সৌখিন পরিবহনের একটি বাস ও স্যাপার এম.এ রহিম পরিবহনের বাসের প্রতিযোগিতার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।’

ময়মনসিংহের ত্রিশালে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কায় সাতজন নিহতের ঘটনায় বাসের চালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নরসিংদীর মনোহরদি থেকে সোমবার সকালে স্যাপার এম.এ রহিম পরিবহনের চালক আনসার আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া সৌখিন পরিবহনের একটি বাস ও স্যাপার এম.এ রহিম পরিবহনের বাসের প্রতিযোগিতার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডির এলআইসির বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর এসব তথ্য জানিয়েছেন।

চালক আনসার আলীকে গ্রেপ্তারের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে মুক্তা ধর বলেন, গত ১৬ অক্টোবর রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে ৪২ জন যাত্রী নিয়ে শেরপুরের ঝিনাইগাতী বাসস্ট্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয় স্যাপার এম.এ রহিম নামের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো ব-১১-০১৪৮)।

একই সময় ও স্থান থেকে সৌখিন পরিবহনের একটি বাস প্রায় ৫০ জন যাত্রী নিয়ে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। প্রায় সম্পূর্ণ রাস্তায়ই চালকরা প্রতিযোগিতা করে গাড়ী চালাতে থাকে। ত্রিশালের চেলেরঘাট এলাকায় পৌঁছালে প্রতিযোগিতার এক পর্যায়ে স্যাপার এম.এ রহিম বাসটি দ্রুত ও বেপরোয়া গতিতে মহাসড়কে দাড়িয়ে থাকা বিকল ড্রাম্প ট্রাকটিতে সজোরে ধাক্কা দেয়। মুর্হুতেই বাসটি ধুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ৫ জনের মৃত্যু হয়।

আহত ১০-১২ জনকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ২ জন মারা যায়। ঘটনার পরপরই চালক আনসার আলী পালিয়ে যান।

ওই দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ছিলেন, ২জন শিশু, ২ জন নারী ও ৩ জন পুরুষ। এর মধ্যে একই পরিবারের ৪ জন ছিলেন। তারা হলেন- আজমল মন্ডল ফজু, তার স্ত্রী ফাতেমা বেগম, তাদের পাঁচ বছরের ছেলে আমানুল্লাহ, ও আট বছরের মেয়ে মারিয়া আক্তার আজমিনা। এছাড়া নজরুল ইসলাম, সিরাজ ও হেলেনা নামে তিনজন মারা যান।

এ ঘটনায় ত্রিশাল থানায় স্যাপার বাস ও ট্রাকের অজ্ঞাত চালকদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। এ মামলার ছায়াতদন্ত করে আজ সকালে চালক আনসার আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও পড়ুন:
টাকা ফেরত পেতে পারেন কিউকমের গ্রাহকরা: ডিবি
কিউকমের মালিক গ্রেপ্তার
এসপিসি ওয়ার্ল্ডের সিইওসহ গ্রেপ্তার ৩
অনলাইনে কেনাকাটায় সাবধান হোন: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ই-অরেঞ্জের সোনিয়া-মাসুকুরের বিরুদ্ধে আরেক মামলা

শেয়ার করুন

সহিংসতার বিচারে আল্টিমেটাম, শাহবাগে অবরোধ প্রত্যাহার

সহিংসতার বিচারে আল্টিমেটাম, শাহবাগে অবরোধ প্রত্যাহার

রোববার দুপুর সোয়া ২টার দিকে অবরোধ প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন আন্দোলকারীরা। এর আগে সকাল ১০টা থেকে শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে শাহবাগ থেকে পল্টন, সায়েন্স ল্যাব, বাংলামোটর ও টিএসসি অভিমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

দেশের বিভিন্ন জেলার পূজামণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তি নিশ্চিতের দাবিসহ ৭ দফা মানতে সরকারকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে শাহবাগ মোড়ের অবরোধ প্রত্যাহার করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তারা বলছেন, জনদুর্ভোগ কমাতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

রোববার দুপুর সোয়া ২টার দিকে অবরোধ প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন আন্দোলকারীরা। এতে ওই এলাকায় যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।

এর আগে সকাল ১০টা থেকে শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে শাহবাগ থেকে পল্টন, সায়েন্স ল্যাব, বাংলামোটর ও টিএসসি অভিমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলসহ বিভিন্ন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা টিএসসি এলাকায় জড়ো হন। সেখান থেকে তারা মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড়ে আসেন।

অবরোধে যোগ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিহির লাল শাহ বলেন, ‘আমরা সবাই বাংলাদেশের মানুষ। সকলের শরীরে একই রক্ত প্রবাহিত হয়। তাহলে এ ধর্মীয় উন্মাদনা কেন? সরকারের প্রতি আমাদের দাবি, এই সাম্প্রদায়িক হামলা বন্ধ করতে হবে। দ্রুত হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হোক। আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।

‘আমরা রোহিঙ্গা নই, আমরা বাংলাদেশি। আমরা আমাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের অধিকার রাখি। আমাদের এই অধিকারে যারা হাত দিয়েছে, তাদের হাত আমরা ভেঙে দেব। আমরা এভাবে রাস্তা অবরোধ করতে চাইনি, কিন্তু আমাদের বাধ্য করা হয়েছে। যারা আমাদের কারণে যানজটে পড়ে আছে, তাদের কাছে আমরা ক্ষমা চাই।’

মোড়ে অবস্থান নেয়া শিক্ষার্থীরা ‘সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় করতে হবে’, ‘মন্দিরে হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেব না’সহ নানা স্লোগান দেন।

৭ দফা

০১. হামলার শিকার মন্দিরগুলো প্রয়োজনীয় সংস্কার করা।

০২. বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাটের ক্ষতিপূরণ।

০৩. ধর্ষণ ও হত্যার শিকার পরিবারগুলোকে স্থায়ী ক্ষতিপূরণ।

০৪. দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করা।

০৫. জাতীয় সংসদে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে মন্দির ও সংখ্যালঘুদের বসতবাড়িতে সাম্প্রদায়িক হামলার দায়ে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা।

০৬. সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় ও সংখ্যালঘু কমিশন গঠন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট্রের আধুনিকায়ন করে ফাউন্ডেশনে উন্নীত করা।

০৭. জাতীয় বাজেটে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য জিডিপির ১৫% বরাদ্দ রাখা।

আরও পড়ুন:
টাকা ফেরত পেতে পারেন কিউকমের গ্রাহকরা: ডিবি
কিউকমের মালিক গ্রেপ্তার
এসপিসি ওয়ার্ল্ডের সিইওসহ গ্রেপ্তার ৩
অনলাইনে কেনাকাটায় সাবধান হোন: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ই-অরেঞ্জের সোনিয়া-মাসুকুরের বিরুদ্ধে আরেক মামলা

শেয়ার করুন

যুবলীগ নেতা হত্যা মামলায় ৮ জনের যাবজ্জীবন

যুবলীগ নেতা হত্যা মামলায় ৮ জনের যাবজ্জীবন

ঝিনাইদহে যুবলীগ নেতা শান্তি হত্যা মামলায় ৮ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। ছবি: নিউজবাংলা

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১০ সালের ৭ জুলাই গান্না বাজার থেকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন তৎকালীন ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেন মণ্ডল শান্তি। পথে কাশিমনগর ব্রিজের ওপর পৌঁছালে সন্ত্রাসীরা তাকে লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালায়। ১১ জুলাই সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শান্তির মৃত্যু হয়।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কাশিমনগর গ্রামের যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন মণ্ডল ওরফে শান্তি হত্যা মামলায় ৮ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

জেলা অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক শওকত হোসাইন সোমবার সকালে এ দণ্ডাদেশ দেন। প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা ও বিস্ফোরক আইনে ৭ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

দণ্ডিতরা হলেন শান্তি হোসেন, আব্দুল করিম, লাভলু, আবু জাহিদ মনি, মিজানুর রহমান ওরফে টাক মিজান, ইব্রাহিদ খলিল ওরফে ইদ্রিস ওরফে ইদু, মুকুল ও নাসির।

এ মামলায় অপর আসামি গান্না ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন মালিথার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে। আর মশিউর রহমান ও উজ্জল হোসেন মারা যাওয়ায় তাদের মামলা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১০ সালের ৭ জুলাই গান্না বাজার থেকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন তৎকালীন ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেন মণ্ডল শান্তি। পথে কাশিমনগর ব্রিজের ওপর পৌঁছালে সন্ত্রাসীরা তাকে লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল পরে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসা দেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১১ জুলাই সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শান্তির মৃত্যু হয়।

মামলা থেকে আরও জানা যায়, এ ঘটনায় নিহতের শ্বশুর সিরাজুল ইসলাম মালিথা সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে ১১ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেয়।

মামলা চলাকালে আটকদের মধ্যে তিনজন ঘটনার দায় স্বীকার করেন। মোট ১৯ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত সোমবার এ মামলায় রায় ঘোষণা করে।

মামলায় ৮ জনকে যাবজ্জীবন ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

এ ছাড়া তাদের বিরুদ্ধে করা বিস্ফোরক মামলায় ৭ বছর করে কারাদণ্ড দেন বিচারক।

আরও পড়ুন:
টাকা ফেরত পেতে পারেন কিউকমের গ্রাহকরা: ডিবি
কিউকমের মালিক গ্রেপ্তার
এসপিসি ওয়ার্ল্ডের সিইওসহ গ্রেপ্তার ৩
অনলাইনে কেনাকাটায় সাবধান হোন: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ই-অরেঞ্জের সোনিয়া-মাসুকুরের বিরুদ্ধে আরেক মামলা

শেয়ার করুন

নিরাপত্তা চেয়ে রাজবাড়ীতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানববন্ধন

নিরাপত্তা চেয়ে রাজবাড়ীতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানববন্ধন

সহিংসতার প্রতিবাদে রাজবাড়ীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হয়। ছবি: নিউজবাংলা

হিন্দু খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি গণেশ নারায়ণ চৌধুরী বলেন, ‘যাদের সঙ্গে আমরা একটা সিঙ্গারা ভাগ করে খাই, এক সঙ্গে ওঠাবসা করি, সামাজিক অনুষ্ঠানে চলাফেরা করি, তারা কেমন করে আমাদের ঘরে আগুন দেয়? যে চেতনা নিয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম সেই দেশ দেখতে চাই। আমরা এর প্রতিকার চাই।’

কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মন্দিরে হামলা ও সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনার জেরে নিরাপত্তার দাবিতে রাজবাড়ীতে মানববন্ধন করেছে হিন্দু সম্প্রদায়।

জেলা প্রেসক্লাবের সামনে সোমবার সকাল ১১টায় এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জয়দেব কুমার, হিন্দু খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি গণেশ নারায়ণ চৌধুরী, সেক্রেটারি জয়দেব কুমার, ইসকন মন্দিরের অধ্যক্ষ শান্ত নিবাস দাসসহ অনেকে।

মানববন্ধনে পূজা উদযাপন পরিষদের সেক্রেটারি জয়দেব কুমার বলেন, ‘আমরা মুসলমানদের ধর্মকে সম্মান করি। মিথ্যা অভিযোগে আমাদের উপর অত্যাচার কেন করা হলো? আমাদের কোনো নিরাপত্তা নাই। আমরা কোথায় যাব? প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

নিরাপত্তা চেয়ে রাজবাড়ীতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানববন্ধন



হিন্দু খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি গণেশ নারায়ণ চৌধুরী বলেন, ‘যাদের সঙ্গে আমরা একটা সিঙ্গারা ভাগ করে খাই, এক সঙ্গে ওঠাবসা করি, সামাজিক অনুষ্ঠানে চলাফেরা করি, তারা কেমন করে আমাদের ঘরে আগুন দেয়? যে চেতনা নিয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম সেই দেশ দেখতে চাই। আমরা এর প্রতিকার চাই।’

আরও পড়ুন:
টাকা ফেরত পেতে পারেন কিউকমের গ্রাহকরা: ডিবি
কিউকমের মালিক গ্রেপ্তার
এসপিসি ওয়ার্ল্ডের সিইওসহ গ্রেপ্তার ৩
অনলাইনে কেনাকাটায় সাবধান হোন: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ই-অরেঞ্জের সোনিয়া-মাসুকুরের বিরুদ্ধে আরেক মামলা

শেয়ার করুন

তুফান সরকারকে কেন জামিন নয়: হাইকোর্ট

তুফান সরকারকে কেন জামিন নয়: হাইকোর্ট

তুফান সরকার। ফাইল ছবি

বগুড়ায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের পর কিশোরী ও তার মাকে মাথা ন্যাড়া করে দেয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার বহিষ্কৃত শ্রমিক লীগ নেতা তুফান সরকারকে দুদকের মামলায় কেন জামিন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও এ কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে তুফান সরকারের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন রফিকুল ইসলাম সোহেল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কে এম মাসুদ রুমি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মেহেদী হাসান মিলন।

তুফান সরকারের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুদকের মামলায় দীর্ঘদিন ধরে জেলে আছেন তুফান। এ মামলায় আমরা জামিন চেয়ে আবেদন করি। আদালত শুনানি শেষে রুল জারি করেছে।’

এর আগে তুফান সরকার ছয় মাস কোথাও জামিন চাইতে পারবে না হাইকোর্টের এমন আদেশ স্থগিত চেয়ে করা আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ২ জুন আপিল বিভাগ তার আবেদন খারিজ করে দেয়।

ফলে তিনি ৬ মাস কোনো আদালতে জামিন চাইতে পারবে না উল্লেখ করে গত ১ মার্চ আদেশ দেয় হাইকোর্ট।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, শ্রমিক লীগ নেতা তুফান সরকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন।

আসামি তুফান সরকারের আয়ের কোনো উৎস ছিল না। তিনি আয়কর রিটার্নে ১ কোটি ৬৯ লাখ ৫৮ হাজার ৮৮৫ টাকা দেখান। দুদকের নোটিশে সম্পদের সঠিক হিসাব দেননি তিনি।

এই কারণে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর বগুড়া সদর থানায় মামলা করেন। এ আসামি ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ২০১৭ সালের ২৯ জুলাই থেকে জেল হাজতে আছেন। এরপর ২০১৯ সালের ১১ জুলাই তাকে দুদকের মামলায় আটক দেখানো হয়।

আরও পড়ুন:
টাকা ফেরত পেতে পারেন কিউকমের গ্রাহকরা: ডিবি
কিউকমের মালিক গ্রেপ্তার
এসপিসি ওয়ার্ল্ডের সিইওসহ গ্রেপ্তার ৩
অনলাইনে কেনাকাটায় সাবধান হোন: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ই-অরেঞ্জের সোনিয়া-মাসুকুরের বিরুদ্ধে আরেক মামলা

শেয়ার করুন

ইভ্যালি নিয়ে বিচারপতি মানিকের কী পরিকল্পনা

ইভ্যালি নিয়ে বিচারপতি মানিকের কী পরিকল্পনা

আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক। ছবি: সংগৃহীত

ইভ্যালির ভাগ্য নির্ধারণসংক্রান্ত কমিটির প্রধান আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, ‘আমার সঙ্গে আরও চারজন সদস্য আছেন। সবার সঙ্গে আলাপ করে ইভ্যালিকে ভায়াবেল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হবে। যারা এখানে পয়সা ঢেলেছেন তাদের পয়সা ফেরত দেয়ার চেষ্টা করা হবে।’

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ভাগ্য নির্ধারণে হাইকোর্টের গঠন করে দেয়া বিশেষ কমিটির প্রধানের দায়িত্ব পাওয়া আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেছেন, প্রতিষ্ঠানটিকে ‘ভায়াবেল’ তথা কার্যকর করার চেষ্টা করবেন।

বিচারপতি খুরশীদ আলম সরকারের হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার ইভ্যালিবিষয়ক পাঁচ সদস্যের একটি গঠন করে দেয়। এই কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সাবেক সচিব মো. রেজাউল আহসান, মাহবুবুল করিম, চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট ফখরুদ্দিন আহমেদ ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শামীম আজিজ।

ইভ্যালি নিয়ে পরিকল্পনা জানতে চাওয়া হয় শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের কাছে। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘আমি তো মাত্র দেখলাম খবরটা। এই মুহূর্তে পুরোপুরি মন্তব্য তো দেয়া সম্ভব হবে না। কাগজপত্র দেখতে হবে। তবে এ মুহূর্তে যেটা বলতে পারি তা হলো ইভ্যালিকে ভায়াবেল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা…।

‘আমার সঙ্গে আরও চারজন সদস্য আছেন। সবার সঙ্গে আলাপ করে ইভ্যালিকে ভায়াবেল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হবে। যারা এখানে পয়সা ঢেলেছেন তাদের পয়সা ফেরত দেয়ার চেষ্টা করা হবে।’

আরও পড়ুন:
টাকা ফেরত পেতে পারেন কিউকমের গ্রাহকরা: ডিবি
কিউকমের মালিক গ্রেপ্তার
এসপিসি ওয়ার্ল্ডের সিইওসহ গ্রেপ্তার ৩
অনলাইনে কেনাকাটায় সাবধান হোন: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ই-অরেঞ্জের সোনিয়া-মাসুকুরের বিরুদ্ধে আরেক মামলা

শেয়ার করুন

আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য গ্রেপ্তার

আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য গ্রেপ্তার

নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা দলের সদস্য শামীম হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

শিবালয় থানার ওসি ফিরোজ কবির জানান, গোপন তথ্যের মাধ্যমে এন্টি টেররিজম ইউনিট শিমুলিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করেন। এ সময় তার কাছ থেকে বেশ কিছু জিহাদি বই উদ্ধার করা হয়।

মানিকগঞ্জের শিবালয় থেকে নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য শামীম হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

উপজেলার শিমুলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে রোববার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করেন অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের সদস্যরা। সোমবার দুপুরে তাকে আদালতে তোলা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার শামীম শিবালয় উপজেলার শিমুলিয়া পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ কবির নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শামীম নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের একজন সক্রিয় সদস্য। ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারের মাধ্যমে যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক, মেসেঞ্জার, টেলিগ্রামে উগ্রবাদী কন্টেন্ট প্রচার ও উগ্রবাদী বই দেয়া-নেয়া করতেন।

গোপন তথ্যের মাধ্যমে এন্টি টেররিজম ইউনিট শিমুলিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে বেশ কিছু জিহাদি বই উদ্ধার করা হয়।

তার বিরুদ্ধে শিবালয় থানায় এন্টি টেররিজম ইউনিটের পক্ষ থেকে একটি মামলা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
টাকা ফেরত পেতে পারেন কিউকমের গ্রাহকরা: ডিবি
কিউকমের মালিক গ্রেপ্তার
এসপিসি ওয়ার্ল্ডের সিইওসহ গ্রেপ্তার ৩
অনলাইনে কেনাকাটায় সাবধান হোন: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ই-অরেঞ্জের সোনিয়া-মাসুকুরের বিরুদ্ধে আরেক মামলা

শেয়ার করুন