সিনাই পর্বত সৌদি আরবে, দাবি গবেষকদের

সিনাই পর্বত সৌদি আরবে, দাবি গবেষকদের

গবেষকদের দাবি করা সিনাই পর্বত

গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি রায়ান মাওরো বলেন, ‘মিশরের সিনাই উপদ্বীপে সিনাই পর্বতের যে অবস্থানের কথা বলা হয়, তার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কিন্তু বাইবেলের বর্ণনার সঙ্গে আরব উপদ্বীপে পাওয়া স্থানটির অবিশ্বাস্য মিল খুঁজে পাওয়া গেছে।’

ধর্মীয় গ্রন্থে বর্ণিত আছে, সিনাই পর্বতে অবস্থান করেই নবুয়ত লাভ করেছিলেন মুসা। এই পর্বতের চূড়ায় উঠেই ঈশ্বরের কাছ থেকে পেয়েছিলেন ১০টি আদেশ। বহুকাল ধরে মানুষ এটাই জেনে এসেছে যে বাইবেল, কোরআন আর তাওরাতে উল্লেখিত সেই সিনাই পর্বত মিশরের সিনাই উপদ্বীপের সেইন্ট ক্যাথেরিন শহরে অবস্থিত।

কিন্তু এবার নতুন তথ্য দিলেন একদল গবেষক। তারা দাবি করছেন, এতকাল যেখানে ভাবা হয়েছে সিনাই পর্বত আসলে সেই স্থান থেকে আরও বেশ কয়েক মাইল দূরে অবস্থিত। সেই হিসাবে সিনাই পর্বত মিশরে নয়, বরং সৌদি আরবের ভূখণ্ডেই অবস্থান করছে।

নিউ ইয়র্ক পোস্টের তথ্য মতে, গবেষণাটি পরিচালনা করেছে বাইবেলের প্রত্নতাত্ত্বিক সংগঠন ‘দ্য ডাউটিং থমাস রিসার্চ ফাউন্ডেশন’। এই সংগঠনের গবেষকদের দাবি, বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্টে সিনাই পর্বতকে যেভাবে বর্ণনা করা হয়েছে- ধোঁয়া, আগুন ও বজ্রপাতের মধ্যে আবৃত সেই স্থানটিকে তারা চিহ্নিত করতে পেরেছেন। সৌদি আরবের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় পার্বত্য সেই স্থানটিতেই বাইবেলে বর্ণিত মোজেস কিংবা কোরআনে বর্ণিত মুসা ইসরায়েল জাতির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। জাবাল মাখলা হিসেবে খ্যাত ইহুদি, খ্রিস্টান ও মুসলিমদের পবিত্রতম সেই স্থানটি সৌদি আরবের জাবাল আল-লজ পর্বতেরই একটি অংশ।

গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি রায়ান মাওরো বলেন, ‘মিশরের সিনাই উপদ্বীপে সিনাই পর্বতের যে অবস্থানের কথা বলা হয়, তার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কিন্তু বাইবেলের বর্ণনার সঙ্গে আরব উপদ্বীপে পাওয়া স্থানটির অবিশ্বাস্য মিল খুঁজে পাওয়া গেছে।’

সিনাই পর্বত সৌদি আরবে, দাবি গবেষকদের
সিনাই পর্বতে অবস্থান করেই নবুয়ত লাভ করেছিলেন মুসা

গবেষকরা দাবি করেছেন, তাদের খুঁজে পাওয়া জাবাল মাখলার চূড়াগুলো সূর্যের তাপ কিংবা আগুনে পুড়ে কালো হয়ে গেছে। আর নুয়েবা সৈকতের কাছেই এই স্থানটির অবস্থান, যেখানে বিজ্ঞানীরা পানির নিচে স্থলপথও খুঁজে পেয়েছেন।

মাওরোর ধারণা, মোজেস আর তার অনুসারীদের জন্য সমুদ্রের পানি ভাগ করে এই পথই তৈরি করে দিয়েছিলেন ঈশ্বর।

এ ছাড়া গবেষকরা এমন একটি স্থানও আবিষ্কার করেছেন যা পাহাড়ের পাদদেশে একটি বেদীর মতো। সিনাই পর্বতের পাদদেশে মোজেসের তৈরি এরূপ একটি বেদীর কথা ধর্মগ্রন্থে উল্লেখ আছে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সংসারও ভাঙল সবচেয়ে দুর্ভাগ্যবান ব্রিটিশ দম্পতির

সংসারও ভাঙল সবচেয়ে দুর্ভাগ্যবান ব্রিটিশ দম্পতির

লটারির অর্থ পেতে চলেছেন এই আনন্দে রিচার্ড ব্রেনসনের ব্যক্তিগত দ্বীপে বিলাসবহুল এক সফরে গিয়েছিলেন টট দম্পতি।

মার্টিন আর কাই ভেবেছিলেন, মুহূর্তের মধ্যেই তাদের জীবন বদলে যেতে বসেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের শুরুটা ছিল এখানেই।

২০ বছর ধরেই সবচেয়ে দুর্ভাগ্যবান দম্পতির বিশেষণ নিয়ে বসবাস করছিলেন মার্টিন আর কাই টট। এবার তারা সেই দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটালেন।

রোববার রাতে ব্রিটিশ গণমাধ্যম ‘মিরর’ এ খবর জানিয়েছে।

২০ বছর আগে ইংল্যান্ডের ওয়াটফোর্ডে একটি দুই বেডরুমের ছিমছাম বাড়িতে বাস করতেন মার্টিন আর কাই। খুব সাধারণ আর শান্তিপূর্ণ জীবন ছিল তাদের।

দুজনের রোমাঞ্চ ছিল তখন তুঙ্গে। এখানে-ওখানে ঘোরাঘুরি আর হৈ-হুল্লোড় ছাড়াও প্রতি সপ্তাহেই তারা লটারির টিকিট কিনতেন। সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখতেন। কিন্তু কে জানত, এই লটারির টিকিটেই রচিত হবে তাদের দুর্ভাগ্যের কাহিনি।

প্রতি সপ্তাহেই তারা একই নম্বরের টিকিট কিনতেন। আর মিলিয়েও দেখতেন সপ্তাহে সপ্তাহে। বলা যায়, মাত্র একটি সপ্তাহেই তারা তাদের টিকিট মিলিয়ে দেখেননি।

আশ্চর্যের ব্যাপার হলো যে সপ্তাহে তারা টিকিট মেলাননি, সেই সপ্তাহেই তারা জিতে গিয়েছিলেন ৩.১ মিলিয়ন পাউন্ডের লটারি! বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৩৬ কোটি টাকারও বেশি। ২০ বছর আগের হিসাবে এই অর্থের মূল্য আরও অনেকাংশেই বেড়ে যায়।

সেবার ড্রয়ের পর কেউ লটারি জয়ের দাবি না করায় কিছুটা অবাকই হয়েছিল যুক্তরাজ্যের জাতীয় লটারি সংস্থা ক্যামোলেট। দীর্ঘ ছয় মাস অপেক্ষার পর সংস্থাটির পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে একটি বিজ্ঞপ্তিও ছাপা হয়। যেখানে সেই সপ্তাহের লটারি বিজয়ীকে টিকিট দেখিয়ে প্রাপ্য অর্থ সংগ্রহ করতে বলা হয়।

এই বিজ্ঞপ্তি দেখেই চোখ কপালে উঠে যায়, মার্টিন ও কাই দম্পতির। তারা অবাক বিস্ময়ে দেখেন- এটি সেই নম্বর, যা তারা প্রতি সপ্তাহেই কিনছেন।

মার্টিন আর কাই ভাবলেন, মুহূর্তের মধ্যেই তাদের জীবন বদলে যেতে বসেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের শুরু ছিল এখানেই। কারণ সারা বাড়ি তন্ন তন্ন করেও তারা তাদের সেই টিকিটটি আর খুঁজে পাননি। হয়তো বহু পুরোনো টিকিটের মতো এটিও কোথাও ফেলে দিয়েছিলেন।

কিন্তু জাতীয় লটারি সংস্থা তাদের একটি সুযোগ দেয় এবং বলে, যদি তারা প্রমাণ করতে পারেন যে, ওই নম্বরের টিকিটটিই কিনেছিলেন তবে তাদের পুরস্কারের অর্থ দেয়া হবে।

যেহেতু তারা একই নম্বরের টিকিট কিনতেন তাই লটারি কর্তৃপক্ষও বুঝতে পারে- টট দম্পতি সত্যি কথাই বলছেন। বিশেষ এই নম্বরটি ছিল মূলত টট দম্পতির জন্মতারিখ, বয়স, তাদের প্রথম দেখা হওয়া আর বাগদানের তারিখের সংখ্যাগুলো মিলিয়ে।

কিন্তু লটারি সংস্থা ছিল নিয়মে বাঁধা। সংস্থাটির শর্ত অনুযায়ী, কোনো বিজয়ী তার টিকিটটি হারিয়ে ফেললে তাকে অবশ্যই ৩০ দিনের মধ্যে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। তাই ছয় মাস পার হয়ে যাওয়ায় বিজয়ীর হাতে অর্থ তুলে দেয়া তাদের পক্ষে আর সম্ভব ছিল না।

এদিকে টট দম্পতি যখন আইনি লড়াই করছিলেন, তখনও তারা নিশ্চিত ছিলেন যে লটারির টাকা তাদের হাতে আসতে চলেছে। তারা তাদের সঞ্চিত অর্থ উড়াতে শুরু করেছিলেন। এমনকি কয়েক দিনের জন্য এক বিলাসবহুল সফরে তারা ব্রিটিশ বিলিয়নিয়ার রিচার্ড ব্রেনসনের ব্যক্তিগত দ্বীপও ঘুরে আসেন। সেই সময় ব্রেনসন এমনকি তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারও টট দম্পতির পক্ষে কথা বলেছিলেন। কিন্তু এসবই শেষ পর্যন্ত বাজে খরচের খাতায় চলে যায়।

এমন দুর্ভাগ্যের স্মৃতি নিয়েই মার্টিন আর কাই প্রায় দুই দশক কাটিয়ে দিয়েছেন। বিচ্ছেদের মধ্য দিয়ে এবার শুরু হলো তাদের নতুন আরেক জীবন।

শেয়ার করুন

এস্কোবারের জলহস্তীগুলোকে ‘খোজা’ করা হচ্ছে

এস্কোবারের জলহস্তীগুলোকে ‘খোজা’ করা হচ্ছে

এস্কোবারের জলহস্তির বংশধররা। ছবি: বিবিসি

পাবলো নিহত হওয়ার পরও তার জলহস্তীরা এখনও টিকে আছে। শুধু টিকে থাকাই নয়, এরা বংশবৃদ্ধি করে এখন অনেক হয়ে গেছে। এদের কাছ থেকে দেশের জলাভূমিগুলোকে নিরাপদ রাখাই এখন কলম্বিয়ার সরকারের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ।

মাদক সাম্রাজ্যের বাদশা বলা হয় কলোম্বিয়ার পাবলো এস্কোবারকে। ১৯৯৩ সালে তাকে ধরার জন্য গঠিত বিশেষ বাহিনী সার্চ ব্লকের এক অভিযানে নিহত হয়েছিলেন পাবলো।

মৃত্যুর আগে কোকেন ব্যবসার মধ্য দিয়ে বিপুল অর্থ সম্পদের পাহাড় গড়েছিলেন। অনেকেই দাবি করেন, সেই সময়ে পাবলোই ছিলেন পৃথিবীর সবচেয়ে ধনি ব্যক্তি। কলম্বিয়ায় বসে আমেরিকায় কোকেন চালানের নেতৃত্ব দিতেন তিনি। চলতেন নিজের খেয়ালখুশি মতো।

এমনই এক খেয়াল থেকে নিজ মালিকানাধীন অন্তত ৭ হাজার একরের একটি বিশাল এলাকায় কতগুলো জলহস্তী পালতে শুরু করেন পাবলো। কারণ ওই এলাকাটিতে বেশ কিছু লেকও ছিল।

পাবলো নিহত হওয়ার পরও তার জলহস্তীরা এখনও টিকে আছে। শুধু টিকে থাকাই নয়, এরা বংশবৃদ্ধি করে এখন অনেক হয়ে গেছে। এদের কাছ থেকে দেশের জলাভূমিগুলোকে নিরাপদ রাখাই এখন কলম্বিয়ার সরকারের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ।

পাবলোর মৃত্যুর পর তার সেই এলাকাটি সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল। পরে তিনটি মাদি জলহস্তী ওই এলাকা ছেড়ে পালিয়েছিল। কলম্বিয়ায় জলহস্তীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে ওই তিনটি জলহস্তীকেও দায়ী করা হয়। কারণ এগুলো ছিল উচ্চ উৎপাদনশীল।

গবেষকরা আশঙ্কা করছেন, এখনই জন্ম নিয়ন্ত্রণ না করলে ২০২৪ সালের মধ্যে দেশটিতে জলহস্তীর সংখ্যা দেড় হাজার ছাড়িয়ে যাবে।

শনিবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এস্কোবারের এলাকাটিতে থাকা ৮০টি জলহস্তীর মধ্যেই ২৪টিকে ওষুধ প্রয়োগ করে খোজা করা হয়েছে।

এস্কোবারের নিজস্ব সে সাফারি পার্কে শুধু জলহস্তীই নয়, জেব্রা, হাতি, উটপাখি, উট ও জিরাফও ছিল।

শেয়ার করুন

এটি আসলে কিসের ছবি?

এটি আসলে কিসের ছবি?

অ্যাটাকাস অ্যাটলাস। ছবি: টুইটার

ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে ছবিটি টুইট করে একটি ধাঁধা দিয়েছিল। আর লিখেছিল, ‘সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে এই ধাঁধার উত্তর দেয়া হবে।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পেজে সাধারণত নিজেদের খবরের লিঙ্ক শেয়ার করে গণমাধ্যমগুলো।

কিন্তু শনিবার এই অদ্ভূত ছবিটি নিজেদের টুইটার পেজে শেয়ার করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে। আর অনুসারীদের কাছে প্রশ্ন রেখেছে, ‘আপনি কি জানেন এই সৃষ্টির নাম কী?’

প্রাথমিকভাবে ছবিটি দেখে অনেকেই জোড়া সাপের মাথা বলেই মনে করবেন। কিন্তু টুইটে একটি ক্লুও দিয়ে দেয় পোর্টালটি। ক্লু’তে বলা হয়- ‘এটি আসলে সাপ নয়!’

সাপ নয়, কিন্তু অবিকল সাপের মতো দেখতে। ভ্যাবাচেকা খাওয়ার মতো দশা। তবে কি এটি একটি ফুল?

এক্ষেত্রে বলে রাখা উচিত, এটি আসলে ফুলও নয়। তবে এটি কী?

ভারতীয় গণমাধ্যমটি টুইট-এর শেষ লাইনটিতে লিখেছিল- ‘সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে এই ধাঁধার উত্তর দেয়া হবে।’

তবে, তার আগেই কমেন্টে অনেকে সঠিক উত্তরটি দিয়ে দিয়েছেন বলেই মনে হলো। অন্তত গুগল ঘেঁটে এর সত্যতা মিললো।

জানা গেল, এটি আসলে একটি প্রজাপতি!

শুধু প্রজাপতি বললেও ভুল হবে। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রজাপতিগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রজাতি।

টুইটটির কমেন্ট বক্সে এ নিয়ে মালতি চন্দ্রশেখর নামে একজন উত্তর দিয়েছিলেন, ‘প্রথম দেখায় আমি এটিকে সাপ ভেবেছি। তারপর ভাবলাম এটি হয়তো কোনো বিচিত্র ফুল কিংবা উদ্ভিদ। কিন্তু ভালো করে দেখে বুঝতে পারলাম এটি আসলে একটি প্রজাপতি!'

কৃষ্ণকুমার পজুভাল নামে একজনের কমেন্ট থেকে জানা গেল, পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ এই প্রজাপতিটির নাম অ্যাটাকাস অ্যাটলাস। অনেকে আবার এটিকে ‘স্ন্যাক মাউথ’ বাটারফ্লাই বলেও ডাকেন। শত্রুদের চোখে ধুলা দিতেই এর পাখনাগুলো দেখতে এমন সাপের মতো। আরও সহজ করে বললে, নিজের ডিমগুলোকে এই বিশেষ রূপের সাহায্যেই সুরক্ষা দেয় ‘স্ন্যাক মাউথ’ বাটারফ্লাই।

ছবিটি নিয়ে অনেকে মজার মজার মন্তব্যও করেছেন। সাপের দুটি মুখ দেখে, জাসমিত লালি নামে এক ভারতীয় মন্তব্য করেছেন, ‘মোদি আর যোগি!’

শেয়ার করুন

স্ত্রীর চোখকে আরাম দিতে ঘুরন্ত বাড়ি তৈরি

স্ত্রীর চোখকে আরাম দিতে ঘুরন্ত বাড়ি তৈরি

বসনিয়ায় অবস্থিত ঘুরন্ত বাড়িটি ২২ সেকেন্ডেই এক পাক ঘুরে যেতে সক্ষম। ছবি: সংগৃহীত

ঘরের ভেতর থেকে একই জানালা দিয়ে কতক্ষণ ভুট্টার ক্ষেত, কতক্ষণ কৃষি জমি, কিছু সময় বন, এরপর আবার নদীও দেখা যায়। কতক্ষণ পর দৃশ্যপট বদলাতে চান, সে অনুযায়ী সময়ও নির্ধারণ করে দেয়ার সুযোগ আছে। উদ্ভাবক কুজিক বলেন, ‘সর্বনিম্ন গতিতে ২৪ ঘণ্টায় পূর্ণ চক্রাকারে ঘুরতে সক্ষম বাড়িটি। আর দ্রুততম সময়ে ২২ সেকেন্ডেই এক পাক ঘুরে যেতে পারবে এ বাড়ি।’

স্ত্রী যেন বাড়িতে বসে একঘেয়েমিতে না ভোগেন, প্রতিবারই জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে একই দৃশ্য না দেখেন, তা নিশ্চিতে ঘুরন্ত বাড়ি তৈরি করেছেন এক স্বামী। অভিনব ঘটনাটি বসনিয়ার।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘরের ভেতরে বসে বাইরের দৃশ্যে বৈচিত্র্য চাইতেন স্ত্রী। তার ইচ্ছা পূরণেই নিজেদের পারিবারিক বাড়িটি স্থির না থেকে যেন ঘুরতে থাকে, তা নিশ্চিত করেছেন স্বামী।

৭২ বছর বয়সী ভোজিন কুজিক একজন স্বশিক্ষিত উদ্ভাবক। তিনি জানান, বাড়িটিতে বসে এখন একই জানালা থেকে এক মুহূর্তে সূর্যোদয় দেখলে পরমুহূর্তে পথচারীদেরও দেখতে পারবেন স্ত্রী।

কুজিক বলেন, ‘স্ত্রীর নালিশ শুনতে শুনতে ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিলাম। বেশ কয়েকবার পারিবারিক বাড়ির নকশাও বদলে ঢেলে সাজিয়েছি। তাতেও শান্তি না হওয়ায় শেষমেশ ঘুরন্ত বাড়ি তৈরির আশ্বাস দিই তাকে। যে বাড়িটি স্ত্রীর ইচ্ছেমতোই ঘুরবে।’

কুজিকের বাড়িটি দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বসনিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় শহর সারবাকের উর্বর সমভূমি অঞ্চলে অবস্থিত বাড়িটি। কুজিকের নকশা অনুযায়ী প্রায় সাত মিটার একটি অক্ষের চতুর্দিকে ঘুরপাক খায় বাড়িটি।

এতে ঘরের ভেতর থেকে একই জানালা দিয়ে কতক্ষণ ভুট্টার ক্ষেত, কতক্ষণ কৃষি জমি, কিছু সময় বন, এরপর আবার নদীও দেখা যায়। কতক্ষণ পর দৃশ্যপট বদলাতে চান, সে অনুযায়ী সময়ও নির্ধারণ করে দেয়ার সুযোগ আছে।

কুজিক বলেন, ‘সর্বনিম্ন গতিতে ২৪ ঘণ্টায় পূর্ণ চক্রাকারে ঘুরতে সক্ষম বাড়িটি। আর দ্রুততম সময়ে ২২ সেকেন্ডেই এক পাক ঘুরে যেতে পারবে এ বাড়ি।’

সার্বিয়ান-আমেরিকান উদ্ভাবক নিকোলা টেসলা ও মিহাজলো পুপিনকে দেখে উৎসাহিত হয়েছেন কুজিক। দরিদ্র পরিবারের সন্তান বলে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় খুব বেশি দূর এগোতে পারেননি তিনি। উপার্জনক্ষম হয়ে উঠতে নিজেই ছোটখাট জিনিস বানাতে শুরু করেছিলেন।

কুজিক বলেন, ‘এটা কোনো উদ্ভাবন নয়। ইচ্ছা আর জ্ঞান থাকলেই এমন বাড়ি তৈরি করা সম্ভব। আমার হাতে যথেষ্ট সময় ও জ্ঞান ছিল। পুরো বাড়িটি আমি একাই তৈরি করেছি।’

ঘুরন্ত বাড়িটি তৈরিতে প্রায় ছয় বছর সময় লেগেছে কুজিকের। মাঝে একবার শুধু বছর খানেকের বিরতি নিয়েছিলেন অসুস্থতার কারণে।

বাড়িটি অন্যান্য সাধারণ ঘরবাড়ির তুলনায় বেশি ভূমিকম্প-প্রতিরোধী বলেও দাবি কুজিকের।

শেয়ার করুন

স্ত্রীকে গোখরা সাপ দিয়ে হত্যার অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ড

স্ত্রীকে গোখরা সাপ দিয়ে হত্যার অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ড

স্ত্রীকে গোখরা সাপের কামড় খাইয়ে হত্যার অপরাধে দোষী প্রমাণিত স্বামী সুরাজ কুমার (মাঝে)। ছবি: বিবিসি

ভারতের আইনবিষয়ক ওয়েবসাইট লাইভলর তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ এ বিষয়ে এক হাজার পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। এতে সুরাজের ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত পুরো ঘটনাই নথিবদ্ধ করা হয়েছে। মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবীদের মতে, অপরাধজগতে ‘এটি বিরলতম ঘটনা’ এবং এ ঘটনায় অভিযুক্তের মৃত্যুদণ্ডও দাবি করেছিলেন তারা।

গোখরা সাপের কামড় খাইয়ে স্ত্রীকে হত্যার অপরাধে এক স্বামীকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছিল ভারতে, প্রায় দেড় বছর আগে।

বিবিসির বুধবারের প্রতিবেদনে বলা হয়, একই ব্যক্তিকে জোড়া আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয়ার ঘটনা ভারতে নজিরবিহীন। দুই দিন আগে এমনটাই ঘটেছে দক্ষিণের রাজ্য কেরালায়।

স্ত্রী উথ্রাকে হত্যার অভিযোগে গত বছর সুরাজ কুমারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সাপের কামড়ে মৃত্যু হয়েছিল উথ্রার।

উথ্রার মা-বাবার সন্দেহের ভিত্তিতে এ মৃত্যুর ঘটনায় অনুসন্ধান শুরু করে পুলিশ। নিহত উথ্রার পরিবারের অভিযোগ ছিল, যৌতুকের জন্য তাদের মেয়ের ওপর নির্যাতন চালাতেন স্বামী সুরাজ।

এ ঘটনায় গত সোমবার সুরাজকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দেয় আদালত। জানা যায়, উথ্রা ঘুমিয়ে থাকার সময় তার বিছানায় একটি বিষধর গোখরা সাপ ছেড়ে দিয়েছিলেন তার স্বামী।

২৫ বছর বয়সী গৃহিণী উথ্রাকে গত বছরের মে মাসে নিজ বাড়িতে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

মেয়ের মৃত্যুতে তার পরিবারের সদস্যরা সন্দেহ করতে শুরু করেন যে এটি স্রেফ দুর্ঘটনা নয়। কারণ এক সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিতীয়বার সাপের কামড়ে মৃত্যু হয় উথ্রার।

গোখরার কামড়ে মৃত্যুর আগের সপ্তাহেই বিষাক্ত রাসেলস ভাইপার সাপের কামড়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন উথ্রা। সাপের প্রথম কামড়ের অসুস্থতা থেকে সুস্থ হতে না-হতেই দ্বিতীয়বার সাপের কামড় খান তিনি।

পুলিশ জানিয়েছে, দুটি সাপের কামড়ই সুরাজের হত্যা পরিকল্পনার অংশ ছিল বলে অনুসন্ধানে প্রমাণ মিলেছে।

সাপ সংগ্রহে সুরাজকে সহযোগিতা করায় আরেক ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই ব্যক্তিই পরে পুলিশকে হত্যা মামলার তথ্যপ্রমাণ খুঁজে বের করতে সাহায্য করেন।

ভারতের আইনবিষয়ক ওয়েবসাইট লাইভলর তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ এ বিষয়ে এক হাজার পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। এতে সুরাজের ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত পুরো ঘটনাই নথিবদ্ধ করা হয়েছে।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবীদের মতে, অপরাধজগতে ‘এটি বিরলতম ঘটনা’ এবং এ ঘটনায় অভিযুক্তের মৃত্যুদণ্ডও দাবি করেছিলেন তারা।

এটি ‘বিরল ঘটনা’ বলে সম্মত হলেও আদালত অপরাধীকে সর্বোচ্চ সাজা দেয়া থেকে বিরত থেকেছে এবং জোড়া আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছে। একই সঙ্গে সুরাজকে পাঁচ লাখ রুপি জরিমানাও করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

ঘরের ছাদ ভেঙে বিছানায় উল্কাপিণ্ড!

ঘরের ছাদ ভেঙে বিছানায় উল্কাপিণ্ড!

বামের ছবিতে ছাদে ফুটো এবং ডানের ছবিতে বিছানায় বালিশের ওপর পড়ে থাকা উল্কাপিণ্ড। ছবি: ভিক্টোরিয়া নিউজ

অল্পের জন্য মৃত্যু এড়ানো হ্যামিলটন বলেন, ‘আমি লাফিয়ে উঠে আলো জ্বালাই। বুঝতেই পারছিলাম না যে মাত্র কী ঘটে গেল।’ বালিশের ওপর পাথরের টুকরোটি পড়েছিল। সাধারণত ওই জায়গাতেই মাথা রেখে ঘুমান হ্যামিলটন। কিছু বুঝতে না পেরে সাহস সঞ্চয় করে রহস্য উদঘাটনে জরুরি সেবাকেন্দ্র ৯১১-এ ফোন করেন তিনি।

সম্প্রতি কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রদেশের একটি পার্বত্য এলাকায় চোখধাঁধাঁনো উল্কাপাতের সাক্ষী হয়েছিলেন বাসিন্দারা। হ্রদের ওপর রাতের আকাশ চিরে নেমে আসতে দেখেছেন জ্বলন্ত উল্কাপিণ্ডকে। বাকিদের জন্য প্রকৃতির বিস্ময়কর খেয়াল হলেও একই ঘটনা দুঃস্বপ্নের মতো তাড়া করেছিল এক নারীকে।

স্থানীয় ভিক্টোরিয়া নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, নিজের বাড়িতে নিজ বিছানায় ঘুমিয়েছিলেন রুথ হ্যামিলটন নামের ওই নারী। আচমকাই ছাদ ভেঙে উল্কার একটি টুকরো বিছানায় আছড়ে পড়ে ঠিক তার পাশেই। তীব্র শব্দে জেগে ওঠেন তিনি, কিছু বোঝার আগেই মুখে ধুলা-ময়লা অনুভব করেন।

কী ঘটছে বুঝতে না পেরে আশপাশে তাকিয়ে দেখেন তার বালিশের ওপর পড়ে আছে বড় একটি পাথরের খণ্ড। কয়েক ইঞ্চি দূরে সাক্ষাৎ মৃত্যুর বার্তা যেন ছিল পাথরটি।

অল্পের জন্য মৃত্যু এড়ানো হ্যামিলটন বলেন, ‘আমি লাফিয়ে উঠে আলো জ্বালাই। বুঝতেই পারছিলাম না যে মাত্র কী ঘটে গেল।’

বালিশের ওপর পাথরের টুকরোটি পড়েছিল। সাধারণত ওই জায়গাতেই মাথা রেখে ঘুমান হ্যামিলটন। কিছু বুঝতে না পেরে সাহস সঞ্চয় করে রহস্য উদঘাটনে জরুরি সেবাকেন্দ্র ৯১১-এ ফোন করেন তিনি।

কয়েক কিলোমিটার পূর্বে লেক লুইস নামের একটি বরফের হ্রদের কাছে দর্শনার্থীরা জড়ো হয়েছিলেন রাতের আকাশে উল্কাপাতের দৃশ্য উপভোগ করতে। গত ৪ অক্টোবরের ঘটনা এটি।

হ্যামিলটনের ফোন পেয়ে তার বাড়িতে পৌঁছায় পুলিশ, পাথরটি কোত্থেকে এসে পড়েছে- তা খতিয়ে দেখতে শুরু করে অনুসন্ধান।

নিকটবর্তী একটি নির্মাণ প্রকল্পে কাজ চলছে বলে পুলিশ জানতে পারলেও সেখান থেকে পাথরটির ওই বাড়িতে পড়ার কোনো প্রমাণ পায়নি পুলিশ। বরং পাথরের রাসায়নিক বিশ্লেষণে জানা যায়, কোনো ধরনের বিস্ফোরণের ফল সেটি।

সবদিক বিবেচনা করে পুলিশ কর্মকর্তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে উল্কাপাতের ওই রাতে একটি উল্কাপিণ্ডই হ্যামিলটনের বাড়িতে আঘাত হেনেছে।

হ্যামিলটন বলেন, ‘আমি এই ঘটনায় কেঁপে গিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম কেউ হয়তো আমার বাড়িতে ঢুকে পড়েছে। কিংবা বন্দুকধারী কেউ হামলা চালিয়েছে। সেগুলো না হয়ে আকাশ থেকে আমার বাড়িতে কিছু খসে পড়া বরং অনেকটা স্বস্তির খবর।

টরোন্টো স্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘খুব অপ্রত্যাশিত একটি ঘটনার সাক্ষী হলাম। কয়েক ঘণ্টা কাঁপুনি ছিল শরীরে। কিন্তু জীবিত আছি, সেজন্য কৃতজ্ঞ।’

নাতি-নাতনিদের দেখানোর জন্য উল্কাপিণ্ডটি সংরক্ষণ করার কথা ভাবছেন হ্যামিলটন।

বাড়ির ছাদের আংশিক ভেঙে যাওয়ার ক্ষতিও পুষিয়ে দেবে বীমা কোম্পানি। যদিও নজিরবিহীন এমন ঘটনার সম্মুখীন আগে কখনো হয়নি হ্যামিলটনের বাড়ির বীমাকারী সংস্থা।

শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী হতে চান এক ঘণ্টার মেয়র ইমা

প্রধানমন্ত্রী হতে চান এক ঘণ্টার মেয়র ইমা

ফেনী পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজীর কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নিচ্ছেন ইমা।

প্রতীকী মেয়র হিসেবে ইমার দেয়া বিভিন্ন সুপারিশ আমলে নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন ফেনী পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী।

মাত্র এক ঘণ্টার জন্য নতুন এক মেয়র পেয়েছিল ফেনী পৌরসভার বাসিন্দারা। দায়িত্ব গ্রহণ করেই ফেনী থেকে বাল্যবিবাহ দূর করার ঘোষণা দিয়েছেন সেই মেয়র। দায়িত্ব পালনের ফাঁকে জানিয়েও দিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী হতে চান তিনি।

সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে সাড়ে ৬টা পর্যন্ত ফেনী পৌরসভার মেয়রের দায়িত্ব ব্যস্ততার মধ্য দিয়েই কাটিয়েছেন মাহবুবা তাবাসুম ইমা। তিনি দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়েন।

পৌরসভাকে নারীবান্ধব করে গড়ে তুলতে এবং নারীর উন্নয়নে কাজ করতেই ফেনী পৌরসভার প্রতীকী মেয়র হন ইমা। পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজীর কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নেয়ার পর পৌরসভার মিলনায়তন কক্ষেই কেটে গেছে তার দায়িত্বের পুরোটা সময়। তবে এই সময়ের মধ্যে পৌর পরিষদের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী আনুষ্ঠানিকভাবে তার অধীনই ছিলেন।

মেয়রের দায়িত্ব নিয়েই ইমা ঘোষণা দেন, ৯২৮ বর্গ কিলোমিটারের ফেনী জেলাকে বাল্যবিবাহ মুক্ত করা হবে। পৌরসভার প্রতিটি বিদ্যালয়ে প্রবেশের পথকে ইভটিজিং মুক্ত করা হবে। তারপরও যদি কোনো ইভটিজার থেকে যায় তবে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে তাদের শায়েস্তা করা হবে।

মেয়র অবস্থায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইমা বলেন, ‘আমি এখন প্রতীকী মেয়র হয়েছি। আগামীতে আমি দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে চাই। প্রধানমন্ত্রী হয়ে দেশের সেবা করব। দেশকে বাল্যবিবাহ, শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণমুক্ত করব।’

কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে নারীর ক্ষমতায়নের জন্য বেসরকারি সংস্থা প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল ও ন্যাশনাল চিলড্রেন টাস্কফোর্স- ‘এনসিটিএফ’-এর উদ্যোগে পৌরসভাকে নারীবান্ধব করার আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পান ইমা। এ সময় নিজের সুপারিশমালা তুলে ধরার পাশাপাশি পৌরসভার কিছু দাপ্তরিক কাজেরও তদারকি করেন তিনি।

ইমা রাজধানীর উত্তরা হাই স্কুল এন্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। এর আগে তিনি ন্যাশনাল চাইল্ড পার্লামেন্টে প্যানেল ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্বও পালন করছেন। এ ছাড়া ন্যাশনাল চিলড্রেন টাস্কফোর্স জেলা শাখার সাবেক শিশু গবেষক ও চাইল্ড পার্লামেন্ট মেম্বার তিনি।

প্রতীকী মেয়র হিসেবে ইমার দেয়া বিভিন্ন সুপারিশ আমলে নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন ফেনী পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী। তিনি ইমার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

প্রতীকী মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে আয়োজিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেনী প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ আবু তাহের ভূইয়া, এনসিটিএফের উপদেষ্টা ফেনী প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান দারা, উপদেষ্টা ইমন-উল-হক ও নাজমুল হক শামীম।

এনসিটিএফের সাধারণ সম্পাদক মোহাইমিনুল ইসলাম অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন।

শেয়ার করুন