চট্টগ্রাম-বরিশাল জাহাজ চলাচল নভেম্বরে শুরু

চট্টগ্রাম-বরিশাল জাহাজ চলাচল নভেম্বরে শুরু

চট্টগ্রাম-বরিশাল রুটে জাহাজ চলাচল শুরু হচ্ছে নভেম্বরে। ছবি: নিউজবাংলা

বিআইডব্লিউটিসি জানায়, চট্টগ্রাম-বরিশাল রুটে দুটি জাহাজ চলাচল করবে। এর মধ্যে এমভি তাজউদ্দীন বর্তমানে চট্টগ্রাম-হাতিয়া রুটে চলাচল করছে। পুনর্নির্মাণ শেষে চলাচলের জন্য প্রস্তুত বার আউলিয়া। মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া থ্রি এঙ্গেল ডকইয়ার্ড থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে জাহাজটি চট্টগ্রামে পৌঁছাবে।

চট্টগ্রাম-বরিশাল রুটে জাহাজ চলাচল শুরু হচ্ছে নভেম্বরে। দীর্ঘ ৯ বছর প্রতীক্ষার অবসান হচ্ছে চট্টগ্রাম থেকে ভোলা-বরিশালে চলাচলকারী যাত্রীদের। ৭৫০ আসনের যাত্রীবাহী দুটি জাহাজ দিয়ে এই রুটে জাহাজ সার্ভিস চালু হবে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) চট্টগ্রাম-বরিশাল রুটে এমভি বার আউলিয়া ও এমভি তাজউদ্দীন নামের দুটি জাহাজ চলাচলের উদ্যোগ নিয়েছে। ২০১২ সালে এ রুটে চলাচলকারী জাহাজগুলো জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। ৯ বছর পর আবারও রুটটি চালু হলে চট্টগ্রামে বসবাস করা ভোলা ও বরিশাল অঞ্চলের যাত্রীদের দুর্ভোগের সমাপ্তি ঘটবে।

চট্টগ্রাম থেকে ভোলা ও বরিশালে সরাসরি যাতায়াতব্যবস্থা নেই। যাতায়াত করতে হয় অনেক পথ ঘুরে। চট্টগ্রাম থেকে বরিশালের যাত্রীরা বাস ও ট্রেনে চাঁদপুর যান। সেখান থেকে বাকি পথ যেতে হয় লঞ্চে। ভোলার বেশির ভাগ যাত্রী চট্টগ্রাম থেকে বাসে লক্ষ্মীপুরের মজু চৌধুরী ঘাট দিয়ে পাড়ি দেন নিজ জেলায়। এভাবে এই রুটে চলাচল করতে গিয়ে সময় ও অর্থের অপচয় হয়। জাহাজ চালু হলে চট্টগ্রাম থেকে অল্প খরচে ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টায় সরাসরি ভোলা ও বরিশাল যেতে পারবেন যাত্রীরা।

বিআইডব্লিউটিসি জানায়, চট্টগ্রাম-বরিশাল রুটে দুটি জাহাজ চলাচল করবে। এর মধ্যে এমভি তাজউদ্দীন বর্তমানে চট্টগ্রাম-হাতিয়া রুটে চলাচল করছে। পুনর্নির্মাণ শেষে চলাচলের জন্য প্রস্তুত বার আউলিয়া। মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া থ্রি এঙ্গেল ডকইয়ার্ড থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে জাহাজটি চট্টগ্রামে পৌঁছাবে।

বিআইডব্লিউটিসি চট্টগ্রামের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ ফয়সাল আলম চৌধুরী জানান, চলতি মাসে বিআইডব্লিউটিএ এবং বিআইডব্লিউটিসির একটি যৌথ দল চট্টগ্রাম-বরিশাল নৌপথের সার্ভে করবে। এরপর সময় ও ভাড়া নির্ধারণসহ আনুষঙ্গিক অন্য কাজ শেষে আগামী মাসেই জাহাজ চলাচল শুরু হবে। প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে দুই দিন চলাচল করবে এই জাহাজ। চট্টগ্রামের সদরঘাট থেকে হাতিয়া, নোয়াখালী ও ভোলার ইলিশাঘাট হয়ে বরিশালের সদরঘাটে পৌঁছাবে জাহাজ; একই রুটে আবার ফিরবে।

কর্তৃপক্ষ জানায়, পলি জমে নাব্য কমে যাওয়ায় জাহাজগুলো বর্তমানে সন্দ্বীপে যাত্রী আনা-নেয়া করতে পারবে না। জাহাজ দুটি চলাচল শুরু করলে চট্টগ্রাম ও বরিশালে পর্যটকের সমাগম বাড়বে।

আরও পড়ুন:
সুদিন ফিরছে জাহাজ রপ্তানিতে
নতুন ৬টি জাহাজ কিনছে বিএসসি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বাঁশখালীতে অজ্ঞাত বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার

বাঁশখালীতে অজ্ঞাত বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার

স্থানীয় বাসিন্দা কলিম উল্লাহ মিসবাহ বলেন, ‘বুধবার থেকে খাটখালী বাজারে ওই বৃদ্ধাকে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। সে সারা দিন বাজারের আশপাশে ঘুরেছে। বৃহস্পতিবার সকালে বাজারের পাশের জলকদর খালে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়া হয়।’

চট্টগ্রামের বাঁশখালী থেকে অজ্ঞাত এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার গণ্ডামারা ইউনিয়নের খাটখালী বাজারের পাশে জলকদর খাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা কলিম উল্লাহ মিসবাহ বলেন, ‘বুধবার থেকে খাটখালী বাজারে ওই বৃদ্ধাকে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। সে সারা দিন বাজারের আশপাশে ঘুরেছে। বৃহস্পতিবার সকালে বাজারের পাশের জলকদর খালে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়া হয়।’

এ বিষয়ে গণ্ডামারা পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) প্রদীপ বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার গায়ে আঘাতের কোনো চিহ্ন দেখা যায়নি। তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।’

আরও পড়ুন:
সুদিন ফিরছে জাহাজ রপ্তানিতে
নতুন ৬টি জাহাজ কিনছে বিএসসি

শেয়ার করুন

এক দিনের বন্যায় বিপর্যস্ত উত্তরের ৩ জেলা

এক দিনের বন্যায় বিপর্যস্ত উত্তরের ৩ জেলা

উজানের ঢলে এক দিনের বন্যায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে তিস্তার তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল। ছবি: নিউজবাংলা

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নীলফামারীর ডালিয়ার বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার পর তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এক দিনের বন্যা ও ভাঙনে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে তিস্তার তীরবর্তী নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুর জেলার নিম্নাঞ্চল। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এসব এলাকার অর্ধলাখ মানুষ। চোখের সামনে ঘরবাড়ি, ফসল বন্যায় নষ্ট হতে দেখে বলার ভাষা হারিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত অনেকে।

নীলফামারী

উজানের ঢলে বুধবার ভোরে প্রথম বিধ্বস্ত হয় ভারত-বাংলাদেশের জিরো পয়েন্টে থাকা নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্বছাতনাই ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রোয়েন বাঁধ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, বাঁধের ৬০ মিটার ভেঙে যাওয়ায় তিন শতাধিক বসতঘরসহ কয়েক শ হেক্টর ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যায়।

বন্যায় চরের শত শত হেক্টরের ভুট্টা, উঠতি আমন ধান, শাকসবজি, পুকুরের মাছ, বসতঘর ভেসে প্রায় ২৫ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এক দিনের বন্যায় বিপর্যস্ত উত্তরের ৩ জেলা

বন্যায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে পূর্বছাতনাই ঝাড় সিংহেশ্বর গ্রামের বৃদ্ধা মোহনা বেওয়ার। খোলা আকাশের নিচে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘মোর (আমার) সব শেষ হইল (হয়েছে)। ঘর, গরু-ছাগল সব মোর এই বন্যা নিয়ে গেইল। অ্যালা (এখন) কি হইবে মোর?’

একই গ্রামের রজব আলী বলেন, ‘ফজর নামাজ পড়ার জন্য মসজিদে যাই। তখন বাঁধ ভাঙার খবর পাই। নামাজ শেষে বের হয়ে দেখি নদীর পানি বাড়তাছে। ৩০ মিনিটের মধ্যে বাড়িতে কোমর পর্যন্ত পানি উঠে আসে।’

এক দিনের বন্যায় বিপর্যস্ত উত্তরের ৩ জেলা

বাঁধ ভাঙার পরপরই নীলফামারী জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দ্রুত উদ্ধারকাজ চালায়।

নীলফামারী জেলা প্রশাসক (ডিসি) হাফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, প্রাথমিকভাবে ডিমলা উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য জিআরের ৪০ টন চাল ও টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। শহর রক্ষা বাঁধসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নেয়া বন্যা ও ভাঙন কবলিত পরিবারগুলোকে শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।

এক দিনের বন্যায় বিপর্যস্ত উত্তরের ৩ জেলা

ডিমলা উপজেলা ফায়ার সর্ভিসের ইনচার্জ এটি এম গোলাম মোস্তফা জানান, তিস্তার বন্যায় চর এলাকায় আটকে পড়া অসংখ্য পরিবারকে উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে আনা হয়েছে। এ কারণে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নীলফামারীর ডালিয়ার বন্যা পূর্বাভাস ও সর্তকীকরণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার পর তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এক দিনের বন্যায় বিপর্যস্ত উত্তরের ৩ জেলা

পাউবোর প্রধান প্রকৌশলী (উত্তরাঞ্চল) জ্যোতি প্রসাদ ঘোষ বলেন, ‘এই বন্যায় তিস্তা ব্যারেজ ও নদী রক্ষার প্রায় ৯টি স্পার্ক, ক্রস ও গ্রোয়েন বাঁধ বিধ্বস্ত হয়ে ৫০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।’

লালমনিরহাট

দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজের লালমনিরহাট অংশে প্রচণ্ড পানির চাপে ফ্লাড বাইপাস বাঁধের ৩০০ মিটার ভেঙে যায়।

জেলা পাউবো সংশ্লিষ্টরা জানায়, ৬৯৬ মিটার দীর্ঘ এই ব্যারেজ রক্ষা বাঁধের ৩০০ মিটার ভেঙে যাওয়ায় নীলফামারী ও লালমনিরহাট জেলার সড়ক পথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এক দিনের বন্যায় বিপর্যস্ত উত্তরের ৩ জেলা

পাউবোর উত্তরাঞ্চলীয় প্রধান প্রকৌশলী জ্যোতি প্রসাদ ঘোষ বলেন, ‘অনেক জায়গায় ভাঙন দেখা দিয়েছে; আমরা প্রটেক্টশন দেয়ার চেষ্টা করছি। এখনও আমাদের কাজ চলছে।’

রংপুর

তিস্তায় হঠাৎ পানি বেড়ে যাওয়ায় রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার তিন ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বানভাসীরা কেউ সড়কে, কেউ বাঁধে, কেউ বা আবার অস্থায়ী তাঁবুতে রাত কাটিয়েছেন। গৃহপালিত পশু রাখা হয়েছে সড়কের ওপর। বন্যা কবলিত এলাকায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও শুকনো খাবারের সংকট।

হঠাৎ বন্যায় শত শত একর ফসলি জমির আবাদ নষ্ট হয়েছে। পানির তোড়ে কাঁচা রাস্তা বিলীন হয়ে যাওয়ায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।

এক দিনের বন্যায় বিপর্যস্ত উত্তরের ৩ জেলা

বানভাসী মজনু মিয়া বলেন, ‘নদী তো শুকনে ছিল। শুকনে নদীত হঠাৎ পানি। সেই পানি বাড়িঘর ভাসি গেইল। গরু-ছাগল, বাচ্চা নিয়ে আস্তাত আছি। খুব ক্ষতি হইচে।’

আরেক বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পানিতে বাড়ি যাওয়ার রাস্তা নাই। কষ্ট করি রাস্তার উপরে আছি। রান্না নাই, খাওয়াও নাই।’

সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘হঠাৎ করি বন্যা আসি, ধান চাল সোগ শ্যাষ। ৬ দোন মাটির ধান কাটি থুচি আর সব ভাসি গেইচে। ছৈল পৈল নিয়ে কি খামো। কপাল নিয়ে গেইচে পানি।’

এক দিনের বন্যায় বিপর্যস্ত উত্তরের ৩ জেলা

আব্দুল মজিত বলেন, ‘হামার আবাদি জমি সোগ তলে গেইচে। হঠাৎ এমন করি ভারত পানি ছাড়লে হামরা বাঁচমো ক্যামন করি? একে তো এবারের বানোত (বন্যা) হামার মেলা ক্ষয়ক্ষতি হইছে। তার ওপর এই অসময়ে ফির বান! নদীপাড়োত হামার সুখ-শান্তি নাই।’

বন্যাকবলিত এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, গংগাচড়ার নোহালী, আলমবিদিতর, কোলকোন্দ, গজঘণ্টা লক্ষ্মীটারী ও মর্ণেয়া ইউনিয়নের কোথাও আংশিক, কোথাও ৩ থেকে ৫টি পাড়াসহ তিস্তা নদীর উত্তরে গংগাচড়া উপজেলার সব মানুষ এখন পানিবন্দি হয়ে মানবতার জীবন যাপন করছেন। বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে ভাঙন।

এক দিনের বন্যায় বিপর্যস্ত উত্তরের ৩ জেলা

লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদি বলেন, ভয়াবহ এ বন্যায় ইউনিয়নের কেল্লারপাড়, শংকরদহ, বাগেরহাটসহ বেশ কিছু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। তিস্তার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষজনকে নিরাপদ স্থানে নিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এখন যে পরিস্থিতি, তাতে আর দু-এক দিন এভাবে পানি বাড়তে থাকলে স্মরণকালের বন্যা হবার সম্ভাবনা রয়েছে।

রংপুর জেলা প্রশাসক আসিব আহসান বলেন, ‘বুধবার বন্যাকবলিতদের ২০ টন চাল ও ৫০০ প্যাকেট শুকনা খাবার দেয়া হয়েছে। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত ত্রাণ রয়েছে। প্রয়োজনে সেগুলো বিতরণ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
সুদিন ফিরছে জাহাজ রপ্তানিতে
নতুন ৬টি জাহাজ কিনছে বিএসসি

শেয়ার করুন

ছাত্রদল থেকে অনুপ্রবেশ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে বহিষ্কার

ছাত্রদল থেকে অনুপ্রবেশ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে বহিষ্কার

সদ্য বহিস্কার হওয়া গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মেহেদী রাসেল। ছবি: নিউজবাংলা

স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক আজিজুল হক আজিজ মুঠোফোনে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রাসেল মূলত জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী। তিনি মুজিব আদর্শের সৈনিক নন। তিনি বিভিন্ন অপরাধ থেকে বাঁচতে ছাত্রদল থেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগে ঢুকে পড়েন।’

ছাত্রদল থেকে আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগে অনুপ্রবেশ করায় আব্দুল্লাহ আল মেহেদী রাসেলকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের দপ্তর সম্পাদক আজিজুল হক আজিজ স্বাক্ষরিত অব্যাহতিপত্রে ২০ অক্টোবর রাতে এই ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

রাসেল গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।

ওই চিঠিতে বলা হয়, রাসেলের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও গঠনতন্ত্র বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগ রয়েছে। এতে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।

চলতি মাসে সংগঠনটির জেলা সভাপতি ও সম্পাদকের লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

এ বিষয়ে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক আজিজুল হক আজিজ মুঠোফোনে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রাসেল মূলত জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী। তিনি মুজিব আদর্শের সৈনিক নন। তিনি বিভিন্ন অপরাধ থেকে বাঁচতে ছাত্রদল থেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগে ঢুকে পড়েন।’

এসব কারণে রাসেলকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

ছাত্রদল থেকে অনুপ্রবেশ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে বহিষ্কার

রাসেল ২০০১ সালে বামনডাঙ্গা আঞ্চলিক ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ২০০৩ সালে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন বলে জানা গেছে।

২০১০ সালে স্থানীয় আজেপাড়া দাখিল মাদ্রাসায় কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুরের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়।

আরও পড়ুন:
সুদিন ফিরছে জাহাজ রপ্তানিতে
নতুন ৬টি জাহাজ কিনছে বিএসসি

শেয়ার করুন

মেঘনা থে‌কে কোস্ট গার্ড সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

মেঘনা থে‌কে কোস্ট গার্ড সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

হিজলা উপ‌জেলার হ‌রিনাথপুর ইউ‌নিয়নসংলগ্ন মেঘনা নদী‌ থে‌কে বৃহস্প‌তিবার সকা‌লে পার‌ভেজের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছেন কোস্ট গার্ড ব‌রিশাল স্টেশ‌নের মি‌ডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট এস এম তাহ‌সিন রহমান।

ব‌রিশা‌লের মেঘনা নদী থে‌কে নি‌খোঁ‌জের দুই দিন পর কোস্ট গার্ড সদস‌্যের মরদেহ উদ্ধার ক‌রা হ‌য়ে‌ছে।

হিজলা উপ‌জেলার হ‌রিনাথপুর ইউ‌নিয়নসংলগ্ন মেঘনা নদী‌ থে‌কে বৃহস্প‌তিবার সকা‌লে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

মৃত কোস্ট গার্ড সদস্যের নাম পার‌ভেজ বলে নিশ্চিত করেছেন কোস্ট গার্ড ব‌রিশাল স্টেশ‌নের মি‌ডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট এস এম তাহ‌সিন রহমান।

তি‌নি জানান, মঙ্গলবার ভো‌রে হিজলার মেমা‌নিয়া ইউ‌নিয়নসংলগ্ন মেঘনা নদী‌তে জে‌লে‌দের ট্রলা‌রের সঙ্গে কোস্ট গা‌র্ডের ট্রলা‌রের সংঘর্ষ হয়। এ‌তে কোস্ট গা‌র্ডের ট্রলার‌ থে‌কে দুজন নদী‌তে প‌ড়ে যান।

এ সময় একজনকে উদ্ধার করা গেলেও পার‌ভেজ নি‌খোঁজ ছি‌লেন।

আরও পড়ুন:
সুদিন ফিরছে জাহাজ রপ্তানিতে
নতুন ৬টি জাহাজ কিনছে বিএসসি

শেয়ার করুন

পূজামণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

পূজামণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

পূজামণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে মানিকগঞ্জে মানববন্ধন। ছবি: নিউজবাংলা

অধ্যাপক আবুল সিকদার বলেন, ‘কোরআন অবমাননার অভিযোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে পূজামণ্ডপে হামলা, ভাঙচুর, লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনা পূর্ব পরিকল্পিত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এসব ঘটনায় যারা জড়িত আমরা তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

দেশের বিভিন্ন জেলায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজামণ্ডপ ও বাড়িঘরে হামলার প্রতিবাদে মানিকগঞ্জে সমাবেশ ও মানববন্ধন হয়েছে।

বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি ও প্রগতিশীল গণসংগঠন জেলা শাখার আয়োজনে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক আবুল সিকদারের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় কৃষক সমিতির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম আরজু, জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সেতোয়ার হোসেন খান, সিপিরির জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান ও বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন সংসদের জেলা শাখার সাবেক সভাপতি এম আর লিটনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাপক আবুল সিকদার বলেন, ‘কোরআন অবমাননার অভিযোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে পূজামণ্ডপে হামলা, ভাঙচুর, লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনা পূর্ব পরিকল্পিত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এসব ঘটনায় যারা জড়িত আমরা তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

আরও পড়ুন:
সুদিন ফিরছে জাহাজ রপ্তানিতে
নতুন ৬টি জাহাজ কিনছে বিএসসি

শেয়ার করুন

এক মাসে গরুর দুধের দাম বেড়ে দ্বিগুণ

এক মাসে গরুর দুধের দাম বেড়ে দ্বিগুণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে বেড়েছে গরুর দুধের দাম। ছবি: নিউজবাংলা

বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য শাহজাহান মাস্টার বলেন, ‘সারা বছর দুধের দাম কম থাকে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানের কারণে আশ্বিন-কার্তিক মাসে দুধের দাম বেশি থাকে। গত শনিবার ৯০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত প্রতি লিটার দুধ বিক্রি হয়েছে। কিছুদিন পর আগের দামে চলে যাবে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে এক মাসে দ্বিগুণ বেড়েছে গরুর দুধের দাম।

বাজারে প্রতি লিটার দুধ এখন বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকায়। গত মাসেও গরুর দুধের দাম ছিল লিটারপ্রতি ৪০-৫০ টাকা।

বিক্রেতারা জানায়, হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসবের কারণে বেড়েছে দুধের চাহিদা। সরবরাহ সে অনুযায়ী দিতে না পারলেও দ্বিগুণ দামে বিক্রি করা হয়েছে গরুর দুধ।

উপজেলার আড়াউসিধা ইউনিয়নের চকবাজার থেকে মঙ্গলবার সকালে দুধ কিনতে আসেন দিদার মিয়া। তিনি বলেন, ‘ঐতিহ্যবাহী এ বাজারে দুধ বিক্রি হচ্ছে অর্ধশত বছর ধরে। তবে কিছুদিন থেকে দুধের দাম বাড়তি। কিনতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

‘আগে এ বাজারে প্রতি লিটার দুধ বিক্রি হতো ৪৫ থেকে ৫০ টাকা করে। আর এই অক্টোবর মাসে বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত। সামনে দাম আরও বাড়তে পারে।’

এক মাসে গরুর দুধের দাম বেড়ে দ্বিগুণ

ইদ্রিস হোসেন নামের আরেক ক্রেতা বলেন, ‘আশ্বিন কার্তিক মাসে আমাদের এলাকায় বিয়ের আমেজ থাকে। তা ছাড়া সনাতন ধর্মীদেরও চলছে পূজার আমেজ। তাই দুধের দাম দ্বিগুণ হয়ে গেছে। আজকে এক লিটার দুধ নিতে হয়েছে ৯০ টাকায়।’

দুধ বিক্রেতা নাহিদ মিয়া বলেন, ‘এক মাস ধরে দুধের ভালো দাম পাচ্ছি। আগে ৪০ টাকা লিটার বিক্রি করতাম। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এখন ৮০ থেকে ৯০ টাকা করে বিক্রি করছি। সারা বছর এই দামে বিক্রি করতে পারলে গাভী পালন করে লাভবান হতে পারতাম।’

বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য শাহজাহান মাস্টার বলেন, ‘এ বাজারে প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ মণ দুধ বিক্রি হয়। সারা বছর দুধের দাম কম থাকে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানের কারণে আশ্বিন কার্তিক মাসে দুধের দাম বেশি থাকে। গতকাল শনিবার ৯০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত প্রতি লিটার দুধ বিক্রি হয়েছে। কিছুদিন পর আগের দামে চলে যাবে।’

আরও পড়ুন:
সুদিন ফিরছে জাহাজ রপ্তানিতে
নতুন ৬টি জাহাজ কিনছে বিএসসি

শেয়ার করুন

সেতুর আশ্বাসেই ৫০ বছর পার

সেতুর আশ্বাসেই ৫০ বছর পার

শেরপুরে শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্তবর্তী নদীতে সেতু না থাকায় এলাকাবাসীর ভোগান্তি। ছবি: নিউজবাংলা

খারামোরার নুরুল আমীন বলেন, ‘বাপ-দাদার আমল থেকে শুরু কইরে হাজার হাজার মানুষ আমরা কত যে কষ্ট করতাছি, কেউ আমাগো কষ্ট দেহে না। আমরা নদীতে পানি বাড়লে বাজার সদাই করবার পাই না। না খাইয়া থাহা নাগে।’

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্তবর্তী পাঁচ গ্রামকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে সোমেশ্বরী নদী। স্বাধীনতার পর থেকেই এ নদীতে একটি সেতু নির্মাণে দাবি জানিয়ে আসছেন এসব গ্রামের লোকজন। এত বছর ধরে আশ্বাসই পেয়ে আসছেন তারা। সেতুর দেখা আর মেলেনি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভারত থেকে বয়ে আসা সোমেশ্বরী উপজেলার গারো পাহাড়ের খারামোরা, রাঙাজান ও কোচপাড়াসহ পাঁচ গ্রামকে বিচ্ছিন্ন করেছে। এর উত্তর প্রান্তে রয়েছে ভারতের সীমানা।

সেতুর আশ্বাসেই ৫০ বছর পার

বেশির ভাগ সময় এ নদীতে থাকে হাঁটুপানি। তবে একটু বৃষ্টি হলেই পাহাড়ি ঢলে নদী কানায় কানায় ভরে যায়।

গ্রামবাসী জানায়, পাঁচ গ্রামে দুই শতাধিক শিক্ষার্থীসহ থাকেন প্রায় ১৫ হাজার মানুষ। নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে নদী পার হতে তাদের একমাত্র ভরসা খেয়া নৌকা। তবে পানি বাড়লে স্রোতের কারণে তা ব্যবহার করা যায় না।

ওই সময় গ্রাম থেকে বের হতে পারেন না কেউ। দিনের পর দিন শিক্ষার্থীরা স্কুলেও যেতে পারে না। এমনটি সীমান্তে টহল দিতে পারেন না বিজিবির সদস্যরা।

সেতুর আশ্বাসেই ৫০ বছর পার

ওই সময় খাবারের সংকটেও পড়ে গ্রামবাসী। আবার কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে সময় মতো চিকিৎসা করানো সম্ভব হয় না। বিনা চিকিৎসায় অনেকের মৃত্যুও হয়েছে।

৯৫ বছরের আইজুর রহমান ১৯৬৫ সালে ভারতের আসাম থেকে বাংলাদেশে এসে বসতি গড়েন শ্রীবরদীর খারামুরা গ্রামে। আক্ষেপ নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা ১৯৬৫ সালে এইহানে আইছি। এর থাইকে কষ্ট করতাছি। এই নদীর ওপর এডা ব্রিজ অইলে আমাগো খুব বালা অইত।

সেতুর আশ্বাসেই ৫০ বছর পার

আমরা অনেক কষ্ট কইরা নদী পার অই। যেদিন পানি বেশি থাহে, ওই দিন আর বাড়িতে যাবার পাই না। নদীর এপারেই কষ্ট কইরা থাহন নাগে। কত মানুষ আইল আমাগো ব্রিজ কইরা দিবে। ভোটও দিলাম, কিন্তু ব্রিজ আর অইল না। আপনেগর কাছে অনুরোধ, আমাগো ব্রিজটা কইরা দেন। শেষ বয়সে অইলেও ব্রিজটা দেইখা যাবার পামু।’

খারামোরার নুরুল আমীন বলেন, ‘বাপ-দাদার আমল থেকে শুরু কইরে হাজার হাজার মানুষ আমরা কত যে কষ্ট করতাছি, কেউ আমাগো কষ্ট দেহে না। আমরা নদীতে পানি বাড়লে বাজার-সদাই করবার পাই না। না খাইয়া থাহা নাগে।

সেতুর আশ্বাসেই ৫০ বছর পার

‘আর কেউ যদি অসুখ হয় তালে তার জন্য ওষুধ পাওয়া যায় না। ওষুধ বেগরে মানুষ মারাই যাব, তাও পার অবার কোনো ব্যবস্থা থাহে না।’

কোচপাড়ার স্কুলছাত্র নাসিদ জানান, ‘প্রায়ই নদীর পানি বাড়ে, তখন আমরা স্কুলে আসতে পারি না। দিনের পর দিন আমাদের স্কুল কামাই করতে হয়। আবার ভয়ে ভয়ে নদী পার হয়ে স্কুলে, বাজার-ঘাটে যাই।’

তাওয়াকুচার অছিরা বেগম জানান, ‘আমি আমার মেয়েডারে নদীর ওপারে বিয়া দিছি। তারেও আপদে-বিপদে দেখবার পাই না। আমরা অনেক কষ্ট করে আছি। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ব্রিজ চাই।’

সেতুর আশ্বাসেই ৫০ বছর পার

এ বিষয়ে কথা বলতে শ্রীবরদী উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর হোসাইনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে বরাবরের মতোই তিনি আশ্বাস দেন।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘সেতু নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে নকশা ও মাটি পরীক্ষার কাজ চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রকল্প প্রণয়ন করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হবে। অনুমোদন পেলেই শুরু হবে নির্মাণকাজ।’

আরও পড়ুন:
সুদিন ফিরছে জাহাজ রপ্তানিতে
নতুন ৬টি জাহাজ কিনছে বিএসসি

শেয়ার করুন