সানোফির ৫৫% শেয়ার এখন বেক্সিমকো ফার্মার

সানোফির ৫৫% শেয়ার এখন বেক্সিমকো ফার্মার

সানোফি বাংলাদেশের ৫৫ শতাংশ শেয়ার কিনে নিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বেক্সিমকো। ছবি: সৌজন্যে

চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি বহুজাতিক কোম্পানি সানোফি বাংলাদেশ লিমিটেডের ৫৪ দশমিক ৬ শতাংশ শেয়ার অধিগ্রহণে বেক্সিমকো ফার্মা ও সানোফির মধ্যে চুক্তি হয়।

পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড বহুজাতিক ওষুধ কোম্পানি সানোফি বাংলাদেশের প্রায় ৫৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক হয়েছে।

দেশের অন্যতম শীর্ষ ওষুধ উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারী প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, চুক্তি অনুসারে বিদেশি এই কোম্পানির ৫৪ দশমিক ৬ শতাংশ শেয়ার অধিগ্রহণ শেষ করেছে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস।

চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি বহুজাতিক কোম্পানি সানোফি বাংলাদেশ লিমিটেডের ৫৪ দশমিক ৬ শতাংশ শেয়ার অধিগ্রহণে বেক্সিমকো ফার্মা ও সানোফির মধ্যে চুক্তি হয়।

চুক্তির আট মাস পর শেয়ার অধিগ্রহণের কাজ শেষ করেছে বেক্সিমকো ফার্মা।

রাজধানীর একটি হোটেলে বৃহস্পতিবার শেয়ার অধিগ্রহণ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বেক্সিমকো ফার্মা।

বেক্সিমকো ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সংসদ সদস্য নাজমুল হাসান পাপন, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) চেয়ারম্যান শাহ মো. ইমদাদুল হক এবং উভয় কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাজমুল হাসান পাপনসহ পাঁচ সদস্যের একটি নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। পর্ষদে আরও রয়েছেন বেক্সিমকো ফার্মার চিফ অপারেটিং অফিসার রাব্বুর রেজা ও চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার আলী নওয়াজ, বিসিআইসি চেয়ারম্যান এবং সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে শিল্প মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা।

সানোফির ৫৫% শেয়ার এখন বেক্সিমকো ফার্মার
বেক্সিমকো ফার্মাসিটিউক্যালস। ছবি: সংগৃহীত

সানোফি বাংলাদেশ হচ্ছে বৈশ্বিক বায়োফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি সানোফি এসএ এর একটি প্রতিষ্ঠান। মানব স্বাস্থ্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে কার্যক্রম পরিচালনা করে প্রতিষ্ঠানটি। ১৯৫৮ সালে ‘মে অ্যান্ড বেকার’ নামে বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু করে ব্রিটিশ কেমিক্যাল কোম্পানি সানোফি। বাংলাদেশ থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নিতে ২০১৯ সালের অক্টোবরে ঘোষণা দেয় কোম্পানিটি। সেই ঘোষণার ১৪ মাস পর শেয়ার হস্তান্তরের জন্য বেক্সিমকো ফার্মার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয় প্রতিষ্ঠানটি।

শুরু থেকেই বাংলাদেশে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করে আসছে সানোফি। গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি অত্যাধুনিক ওষুধ তৈরির কারখানা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।

এ ছাড়া আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের বিভিন্ন ভ্যাকসিন, ইনসুলিন ও কেমোথেরাপির নানা ওষুধ বাংলাদেশে আমদানি করে সানোফি। হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, টিউমার চিকিৎসা, চর্মরোগ ও সিএনএসে সানোফির ওষুধ বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়।

কোম্পানিটির বহুল প্রচলিত ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে লান্টাস, এপিড্রা, ফিমোক্সিল, ফ্লাজিল, এভিল ও এন্টারোজারমিন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

দীর্ঘ ছয় দশকের এ পথচলায় বেশ কয়েকবার নাম বদল করেছে বাংলাদেশে সানোফির এই অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। ২০০৪ সালে তিনটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান অ্যাভেন্টিস বাংলাদেশ লিমিটেড, ফাইসন্স (বাংলাদেশ) লিমিটেড এবং হোয়েস্ট বাংলাদেশ ম্যারিয়ন রোজেল লিমিটেড একীভূত হয়ে সানোফি-অ্যাভেন্টিস বাংলাদেশ নাম নেয় প্রতিষ্ঠানটি। এরপর ২০১৩ সালে কোম্পানিটির নাম বদলে সানোফি বাংলাদেশ লিমিটেড রাখা হয়।

দেশের ওষুধ শিল্পে একটি আস্থাশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যবসা চালিয়ে এলেও ২০১৯ সালে হঠাৎ বাংলাদেশ ছাড়ার ঘোষণা দেয় সানোফি। তখন থেকেই মালিকানা হস্তান্তরের জন্য সানোফি এমন একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের সন্ধানে ছিল, যারা নৈতিক এবং বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে সানোফির পণ্য প্রচারে প্রতিষ্ঠানটির সুদীর্ঘ ঐতিহ্যের ধারা দীর্ঘ সময়ের জন্য সমুন্নত রাখতে পারবে এবং পাশাপাশি রোগী ও সানোফি বাংলাদেশের কর্মীদের কল্যাণে কাজ করে যাবে। অবশেষে তেমন অংশীদার হিসেবে বেক্সিমকো ফার্মাকে বেছে নিল তারা।

চুক্তির আওতায় বেক্সিমকো ফার্মা তাদের টঙ্গীর কারখানার কাছে ২৫ একর জায়গাজুড়ে অবস্থিত পিআইসি/এস অনুমোদনযোগ্য একটি সেফালোস্পিরিন অ্যান্টিবায়োটিক তৈরির কারখানাসহ অন্যান্য ওষুধ তৈরির কারখানার মালিকানা পাবে। সানোফির ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলো বাংলাদেশে বিপণনের ক্ষেত্রেও অগ্রাধিকার সুনিশ্চিত হবে এ চুক্তির মাধ্যমে। সানোফির সুষম ও ক্রমবর্ধমান পোর্টফোলিও বেক্সিমকোর বর্তমান পোর্টফোলিওকে আরও শক্তিশালী ও প্রসারিত করবে, যা ভবিষ্যতে কোম্পানির বিকাশ, সহজলভ্য ওষুধ ও অত্যাধুনিক চিকিৎসার প্রতিশ্রুতিকে জোরদার করবে।

বেক্সিমকো ফার্মা দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান। আমেরিকা, ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়াসহ বর্তমানে বেক্সিমকো ফার্মা বিশ্বের ৫০টিরও বেশি দেশে ওষুধ রপ্তানি করে। বেক্সিমকো ফার্মার শেয়ার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হয় এবং এর জিডিআর শেয়ার লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট মার্কেটে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

অনুষ্ঠানে বেক্সিমকো ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান বলেন, ‘বেক্সিমকো ফার্মার ইতিহাসে দ্বিতীয় অধিগ্রহণের চুক্তি সম্পন্ন হওয়া আমাদের জন্য এক মাইলফলক অর্জন। আমাদের একটি স্পষ্ট কর্মকৌশল হচ্ছে- বৈচিত্র্য ও প্রসারতা; পাশাপাশি দেশের অন্যতম শীর্ষ ফার্মা কোম্পানি হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরো দৃঢ় করা। সানোফি বাংলাদেশের সিংহভাগ অধিগ্রহণ করা সেই কর্মকৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এতে প্রধান প্রধান চিকিৎসা ক্ষেত্রে আমাদের অবস্থান আরো সুসংহত হওয়ায় টেকসই রাজস্ব ও মুনাফার প্রবৃদ্ধিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।’

তিনি বলেন, ‘সানোফি বাংলাদেশের ৮০০ দক্ষ ও নিষ্ঠাবান কর্মীদের স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় আছি আমরা। একটি বৃহৎ গ্রুপ হিসেবে দেশের অগ্রসরমান বাজারে সাশ্রয়ী মূল্যে চিকিৎসা সেবা এবং অনন্য সব থেরাপি আনার মাধ্যমে আমাদের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে পেরে আমরা আনন্দিত।’

আরও পড়ুন:
ব্যাংকের বিশেষ তহবিলে কেনা যাবে বেক্সিমকোর সুকুক বন্ড
আগস্টে বেক্সিমকোর ৭ কোটি শেয়ার কিনল প্রতিষ্ঠান
অনাগ্রহে বেক্সিমকো সুকুকের আইপিও বাতিলের আশঙ্কা
চমক দেখিয়েই চলছে বেক্সিমকো
যমুনা-বেক্সিমকো এলপিজি চুক্তির সুফল আপাতত পাবে না কেউ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বসুন্ধরায় রূপায়ণ লেক ক্যাসেলে কন্ডোমিনিয়াম লাইফস্টাইলের যাত্রা শুরু

বসুন্ধরায় রূপায়ণ লেক ক্যাসেলে কন্ডোমিনিয়াম লাইফস্টাইলের যাত্রা শুরু

রূপায়ণ লেক ক্যাসেলে কন্ডোমিনিয়াম লাইফস্টাইলের অগ্রযাত্রা অনুষ্ঠানে অতিথিরা

কন্ডোমিনিয়াম পাঁচটি আবাসিক ভবনে ২৮৩টি ইউনিট রয়েছে। এখানে রয়েছে জিমনেসিয়াম, কমিউনিটি ম্যানেজমেন্ট রুম, সুইমিং পুল, সুপার শপ, প্লে গ্রাউন্ডসহ আধুনিক আবাসনের সকল সুবিধা।

বসুন্ধরায় রূপায়ণ লেক ক্যাসেলে কন্ডোমিনিয়াম লাইফস্টাইলের যাত্রা শুরু হয়েছে।

রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেড বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ১০৭ কাঠা জমির ওপর নির্মিত সম্পূর্ণ কন্ডোমিনিয়াম রূপায়ণ লেক ক্যাসেলে বৃহস্পতিবার কন্ডোমিনিয়াম লাইফস্টাইলের যাত্রা শুরু হয়।

কর্তৃপক্ষের আশা, দ্রুত সময়ের মধ্যে এই লেক ক্যাসেল স্বপ্নের ঠিকানা হয়ে উঠবে স্বপ্নবাজ আবাসন গ্রাহকদের পদচারণায়। ওয়েলকাম টু দ্য ল্যান্ড অফ পিচ, সত্যিকার অর্থেই এক শান্তির ঠিকানা হয়ে উঠবে রূপায়ণ লেক ক্যাসেল।

রাজধানীর বুকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় শতাধিক কাঠার ওপর নতুন এক স্বপ্ন বুনেছে রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেড।

এই কন্ডোমিনিয়াম পাঁচটি আবাসিক ভবনে ২৮৩টি ইউনিট রয়েছে। এখানে রয়েছে জিমনেসিয়াম, কমিউনিটি ম্যানেজমেন্ট রুম, সুইমিং পুল, সুপার শপ, প্লে গ্রাউন্ডসহ আধুনিক আবাসনের সকল সুবিধা।

কন্ডোমিনিয়াম লাইফস্টাইলের অগ্রযাত্রা অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল ও ভাইস চেয়ারম্যান জনাব মাহীর আলী খাঁন রাতুল।

এ ছাড়া, উপস্থিত ছিলেন রূপায়ণ গ্রুপের ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার আসিফ খাঁন আযান, রূপায়ণ ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ব্রিগেডিয়ার আবুল কালাম আজাদ, রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মিজানুর রহমান দেওয়ান, রূপায়ণ সিটি উত্তরার ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব মাহবুবুর রহমান, রাতুল প্রপার্টিজ লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব আলী নুর, রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (সেলস) এহসানুর রহমান, কনস্ট্রাকশন ডিপার্টমেন্টের হেড আনোয়ার হোসেন, কাস্টমার সার্ভিস ডিপার্টমেন্ট হেড প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম, সেলস কো-অর্ডিনেশন ডিপার্টমেন্ট হেড আবদুর রহিম এবং মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টের ইনচার্জ তানভীর তন্ময়।

আরও পড়ুন:
ব্যাংকের বিশেষ তহবিলে কেনা যাবে বেক্সিমকোর সুকুক বন্ড
আগস্টে বেক্সিমকোর ৭ কোটি শেয়ার কিনল প্রতিষ্ঠান
অনাগ্রহে বেক্সিমকো সুকুকের আইপিও বাতিলের আশঙ্কা
চমক দেখিয়েই চলছে বেক্সিমকো
যমুনা-বেক্সিমকো এলপিজি চুক্তির সুফল আপাতত পাবে না কেউ

শেয়ার করুন

‘মুজিবপিডিয়া’ প্রকাশে অর্থায়ন করছে সিটি ব্যাংক

‘মুজিবপিডিয়া’ প্রকাশে অর্থায়ন করছে সিটি ব্যাংক

সমঝোতা স্মারক সই করেন সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন এবং এইচসিসিবিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ‘মুজিবপিডিয়া’র সম্পাদক ফরিদ কবির।

এই গ্রন্থ প্রকাশের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বঙ্গবন্ধুর জীবনকথা শুধু তার নিজের জীবনকথা নয়, বাঙালির দীর্ঘকালের শোষণ ও তার স্বাধিকার অর্জনের বহুবর্ণিল কাহিনিও। স্বাধীনতার ৫০ বছর পার হলেও, বাঙালির মুক্তির মহানায়ককে নিয়ে হাজার গ্রন্থ লেখা হলেও তাকে নিয়ে সম্পূর্ণ একটি আকরগ্রন্থের অভাব রয়েই গেছে। সেই অভাবের জায়গাটি পূরণ করতেই সিটি ব্যাংকের সহায়তায় এইচসিসিবিএল-এর এ উদ্যোগ।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে জ্ঞানকোষ ‘মুজিবপিডিয়া’ প্রকাশে যুক্ত হলো সিটি ব্যাংক। গ্রন্থটি প্রকাশের ক্ষেত্রে অর্থায়নসহ সব ধরনের সহায়তা দেবে বেসরকারি খাতের এই ব্যাংকটি।

সিটি ব্যাংক শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ‘মুজিবপিডিয়া’ প্রকাশ করতে হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার সার্কেল বাংলাদেশ লিমিটেডের (এইচসিসিবিএল) সঙ্গে এই সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক সই করেছে তারা।

সিটি ব্যাংক সেন্টারে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন এবং এইচসিসিবিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ‘মুজিবপিডিয়া’র সম্পাদক ফরিদ কবির স্বাক্ষর করেন।

১০০০ পৃষ্ঠার এ মহাগ্রন্থটি প্রকাশিত হতে যাচ্ছে এ বছর ডিসেম্বরে, বিজয় দিবসের আগে। তা প্রকাশে অর্থায়নসহ নানা সহায়তা দেবে সিটি ব্যাংক।

গ্রন্থটির প্রধান সম্পাদক কবি ও গবেষক কামাল চৌধুরী, সম্পাদক কবি ও সাংবাদিক ফরিদ কবির এবং নির্বাহী সম্পাদক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন।

এই গ্রন্থ প্রকাশের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বঙ্গবন্ধুর জীবনকথা শুধু তার নিজের জীবনকথা নয়, বাঙালির দীর্ঘকালের শোষণ ও তার স্বাধিকার অর্জনের বহুবর্ণিল কাহিনিও। স্বাধীনতার ৫০ বছর পার হলেও, বাঙালির মুক্তির মহানায়ককে নিয়ে হাজার গ্রন্থ লেখা হলেও তাকে নিয়ে সম্পূর্ণ একটি আকরগ্রন্থের অভাব রয়েই গেছে। সেই অভাবের জায়গাটি পূরণ করতেই সিটি ব্যাংকের সহায়তায় এইচসিসিবিএল-এর এ উদ্যোগ।’

‘মুজিবপিডিয়া’য় এক মলাটে মিলবে বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবন, তার কর্ম ও আদর্শ, তার সুদীর্ঘ সংগ্রামের বিবরণ।

একইসঙ্গে মিলবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও বাঙালির মুক্তির ইতিহাস। সঙ্গে থাকছে ঐতিহাসিক আলোকচিত্র ও তথ্য। পাশাপাশি ‘কিউআর কোড’ দিয়ে এতে যুক্ত করা হচ্ছে নতুনভাবে নির্মিত প্রায় ১০০ ভিডিওচিত্র।

আরও পড়ুন:
ব্যাংকের বিশেষ তহবিলে কেনা যাবে বেক্সিমকোর সুকুক বন্ড
আগস্টে বেক্সিমকোর ৭ কোটি শেয়ার কিনল প্রতিষ্ঠান
অনাগ্রহে বেক্সিমকো সুকুকের আইপিও বাতিলের আশঙ্কা
চমক দেখিয়েই চলছে বেক্সিমকো
যমুনা-বেক্সিমকো এলপিজি চুক্তির সুফল আপাতত পাবে না কেউ

শেয়ার করুন

মোবাইল আর্থিক সেবায় সুস্থ প্রতিযোগিতা আনার আহ্বান

মোবাইল আর্থিক সেবায় সুস্থ প্রতিযোগিতা আনার আহ্বান

বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন বলছে, একটি কোম্পানিই তাদের মতো করে এমএফএস বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। বাজারে একচেটিয়া আধিপত্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নীতিমালা না থাকায় অন্য কোনো সেবা দাঁড়াতে পারছে না। এমএফএস সেবায়ও সুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি হচ্ছে না।

এক দশক আগে দেশে মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) চালু করলেও একটি মাত্র প্রতিষ্ঠান মোট বাজারের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ দখল করে রেখেছে। আর্থিক সেবা খাতে গ্রাহকরা একটি কোম্পানির হাতেই জিম্মি বলে অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন।

তারা বলছে, একটি কোম্পানিই তাদের মতো করে এমএফএস বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। বাজারে একচেটিয়া আধিপত্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নীতিমালা না থাকায় অন্য কোনো সেবা দাঁড়াতে পারছে না। এমএফএস সেবায়ও সুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি হচ্ছে না।

গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় মোবাইল ব্যাংকিংয়ে সার্ভিস চার্জ আরও কমিয়ে কীভাবে বাজারে প্রতিযোগিতা আনা যায় এবং ছোট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখা যায় সে ব্যাপারে প্রতিযোগিতা কমিশনকে ব্যবস্থা নিতে কমিশনের চেয়ারপারসনকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন।

অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, ‘এ পর্যন্ত অনেকগুলো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের অনুমতি নিলেও কার্যক্রম করে মাত্র ১৭-১৮টি। এমএফএস খাতে বাজার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকার কারণে দু-একটি ছাড়া বাকিরা টিকতে পারেনি। আর এর সুফল ভোগ করছে মাত্র দুই-একটি আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান।’

চিঠিতে আরও বলা হয়, “ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’ মাত্র আড়াই বছরেই স্বল্প মুনাফায় গ্রাহকদের সেবা দিচ্ছে। নগদে ক্যাশ আউট চার্জ সর্বনিম্ন ১১ টাকা ৪৯ পয়সা। তা ছাড়া, বিনা খরচে সেন্ড মানি, সম্পূর্ণ ফ্রিতে বিল পে, সেভিংস-এ সর্বোচ্চ মুনাফাসহ আরও অনেক সুবিধা দিচ্ছে এই সেবাটি।”

মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন বলছে, মোবাইল আর্থিক সেবা টিকিয়ে রাখতে একক আধিপাত্য বন্ধ করা জরুরি। যথাযথ নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা নিশ্চিতসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় যত দ্রুত সম্ভব মোবাইল আর্থিক সেবার নীতিমালা প্রণয়ন করা দরকার।

তারা বলছে, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ একক আধিপত্য মুক্ত করতে সিগনিফিক্যান্ট মার্কেট পাওয়ার (এসএমপি) নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। ফলে প্রতিযোগিতায় ছোট বা মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলো না হারিয়ে সমান তালে টিকে থাকতে পারছে। এসএমপি নীতিমালার উদ্দেশ্য বাজারে একক আধিপত্য বিস্তার করা কোম্পানিকে নিয়ম-নীতির মাধ্যমে কিছুটা নিয়ন্ত্ৰণ করা। যাতে করে, সম ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে বলা হয়, গত কয়েক বছর আগে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) টেলি সেক্টরে একক আধিপত্য নিযন্ত্রণে সিগনিফিকান্ট মার্কেট পাওয়ার নীতিমালা প্রণয়ন করে। ফলে টেলিকম সেক্টরে গ্রামীণ ফোনের একক আধিপাত্য কমেছে। মার্কেটে টিকে থাকার সুযোগ তৈরি হয়েছে দেশীয় টেলিকম কোম্পানি টেলিটকসহ অন্যান্য টেলিকম অপারেটরের। এজন্য মোবাইল আর্থিক সেবা নিয়ন্ত্রণে বাজার নিয়ন্ত্রণ পলিসি প্রয়োজন।

চিঠিতে তারা বলেন, মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানে বিকাশ প্রতি হাজারে ক্যাশ আউট চার্জ ১৮ টাকা ৫০ পয়সা। আর সেন্ড মানি বা এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে টাকা পাঠাতে গেলে প্রতি লেনদেনে নেয়া হয় ৫ থেকে ১০ টাকা।

ইউটিলিটি বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে বিকাশের চার্জ সবচেয়ে বেশি। এসব বিল দেয়ার ক্ষেত্রে বিকাশ চার্জ ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত। জমা টাকায় মুনাফা দেয় সাড়ে ৪ শতাংশ।

মোবাইল ব্যাংকিং সেবা রকেটেও প্রতি হাজারে ক্যাশ আউটে খরচ গুণতে হয় ১৮ টাকা। সেন্ড মানি এবং ইউটিলিটি বিল দেবার ক্ষেত্রে কোনো খরচ করতে হয় না।

নতুন এসে সবচেয়ে কম খরচে সেবা দিচ্ছে ডাক বিভাগের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা নগদ। প্রতি হাজার টাকা ক্যাশ আউটে প্রতিষ্ঠানটি চার্জ নিচ্ছে ১১ টাকা ৪৯ পয়সা। নগদ-এ সেন্ড মানির ক্ষেত্রে কোনো টাকা গুণতে হয় না গ্রাহকদের। ইউটিলিটি বিলও নেয়া হচ্ছে না কোনো অর্থ। আর জমা টাকায় মুনাফা দেয়া হয় সাড়ে ৬ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
ব্যাংকের বিশেষ তহবিলে কেনা যাবে বেক্সিমকোর সুকুক বন্ড
আগস্টে বেক্সিমকোর ৭ কোটি শেয়ার কিনল প্রতিষ্ঠান
অনাগ্রহে বেক্সিমকো সুকুকের আইপিও বাতিলের আশঙ্কা
চমক দেখিয়েই চলছে বেক্সিমকো
যমুনা-বেক্সিমকো এলপিজি চুক্তির সুফল আপাতত পাবে না কেউ

শেয়ার করুন

কুমিল্লার মুন্সিরহাটে এসআইবিএলের ১৬৯তম শাখা

কুমিল্লার মুন্সিরহাটে এসআইবিএলের ১৬৯তম শাখা

কুমিল্লার মুন্সিরহাটে এসআইবিএলের ১৬৯তম শাখার উদ্বোধন হয় সম্প্রতি। ছবি: নিউজবাংলা

প্রধান কার্যালয় থেকে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কাজী ওসমান আলী প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে শাখাটির উদ্বোধন করেন।

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড (এসআইবিএল) সম্প্রতি কুমিল্লার মুন্সিরহাটে ব্যাংকের ১৬৯তম শাখার উদ্বোধন করেছে।

প্রধান কার্যালয় থেকে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কাজী ওসমান আলী প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে শাখাটির উদ্বোধন করেন।

ওই সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাজুল ইসলাম, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু নাসের চৌধুরী, সিরাজুল হক ও সামছুল হক, কোম্পানি সচিব আবদুল হান্নান খান, মার্কেটিং অ্যান্ড ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ডিভিশনের প্রধান মো. মনিরুজ্জামান এবং ব্রাঞ্চেস কন্ট্রোল অ্যান্ড জেনারেল ব্যাংকিং ডিভিশনের প্রধান সাইফ আল-আমীন।

অনুষ্ঠানে অংশ নেন মুন্সিরহাট শাখার ব্যবস্থাপক, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা।

আরও পড়ুন:
ব্যাংকের বিশেষ তহবিলে কেনা যাবে বেক্সিমকোর সুকুক বন্ড
আগস্টে বেক্সিমকোর ৭ কোটি শেয়ার কিনল প্রতিষ্ঠান
অনাগ্রহে বেক্সিমকো সুকুকের আইপিও বাতিলের আশঙ্কা
চমক দেখিয়েই চলছে বেক্সিমকো
যমুনা-বেক্সিমকো এলপিজি চুক্তির সুফল আপাতত পাবে না কেউ

শেয়ার করুন

টাকা ব্যয় করতে পারে না স্বাস্থ্য খাত

টাকা ব্যয় করতে পারে না স্বাস্থ্য খাত

স্বাস্থ্য খাতে এবার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১৩ হাজার কোটি টাকা। অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে খরচ হয়েছে মাত্র ৩০৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ শতকরা হারে মোট বরাদ্দের ২.৩৩ শতাংশ খরচ হয়েছে।

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে সরকার। সে অনুযায়ী অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের চেয়ে বরাদ্দও বাড়িয়েছে। কিন্তু স্বাস্থ্য খাত সে অনুযায়ী ব্যয় করতে পারছে না।

করোনার মধ্যে পর পর দুই বছর স্বাস্থ্য খাতের প্রকল্প বাস্তবায়নের এ চিত্র দেখা গেছে। ব্যয়ের দিক থেকে স্বাস্থ্য খাত দৈন্যদশা থেকে কিছুতেই বের হতে পারছে না।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন (আইএমইডি) বিভাগের সবশেষ পরিসংখ্যানে দেখা যায়, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের হার স্বাস্থ্যসেবা খাতে মাত্র ২.৩৩ শতাংশ এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগে ৬.১৮ শতাংশ।

সব মিলিয়ে আলোচ্য অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে গড়ে বাস্তবায়নের হার দাঁড়িয়েছে ৪ শতাংশের সামান্য বেশি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিউজবাংলাকে বলেছেন, বর্ষা, দরপত্রে বিলম্বসহ নানা কারণে অর্থবছরের শুরুতে কাজের ধীরগতি থাকে। শীত মৌসুমে বাস্তবায়নে গতি আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্যের বেশির ভাগ প্রকল্প বৈদেশিক সহায়তাপুষ্ট। বিদেশি প্রকল্পে অর্থ ছাড়ে বিলম্ব হয়। ফলে অর্থ যথাসময়ে খরচ করা যায় না।’

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে স্বাস্থ্য খাতে এডিপিতে মোট ৬০টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। এর মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে ৪৬টি। বাকি ১৪টি স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের।

আইএমইডির পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এডিপিতে স্বাস্থ্যসেবা খাতে বরাদ্দ ১৩ হাজার কোটি টাকা। প্রথম তিন মাসে খরচ হয়েছে মাত্র ৩০৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ শতকরা হারে মোট বরাদ্দের ২.৩৩ শতাংশ খরচ হয়েছে।

অন্যদিকে বর্তমান অর্থবছরে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগে বরাদ্দ দেয়া হয় ২ হাজার ৫৫৮ কোটি টাকা। তিন মাসে তারা ব্যয় করেছে ৬.১৮ শতাংশ বা ১৫৮ কোটি টাকা।

ফলে সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪৬১ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে, যা শতকরা হারে ৪.২৫ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময়ে স্বাস্থ্য খাতে বাস্তবায়নের হার ছিল গড়ে সাড়ে ৪ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরে অনুন্নয়ন ও উন্নয়ন মিলিয়ে স্বাস্থ্য খাতে মোট বরাদ্দ ৩২ হাজার কোটি টাকা। এর বাইরে করোনার টিকা কেনায় বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকা।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, শুধু বরাদ্দ বাড়িয়ে স্বাস্থ্য খাতের নাজুক অবস্থার পরিবর্তন হবে না। ব্যয়ের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্য খাতের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থহীন ব্যয়ের অভিযোগগুলোরও সমাধান করতে হবে। এ খাতকে ঢেলে সাজাতে দীর্ঘ মেয়াদে একটি রোডম্যাপ বা পথ নকশা করার তাগিদ দিয়েছেন তারা।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘বাজেটে যে পরিমাণ বরাদ্দ দেয়া হয়, সেটাও পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয় না। আবার বরাদ্দের বেশির ভাগ টাকা চলে যায় ভৌত অবকাঠামো, বেতন-ভাতা ও প্রশাসনিক ব্যয়ে।

‘প্রকৃতপক্ষে রোগীর সেবার জন্য বরাদ্দ খুবই কম। তবে এটাও ঠিক শুধু বরাদ্দ বাড়ালে হবে না। সেই সঙ্গে এ খাতে দুর্নীতি-অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা দূর করতে হবে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় আমূল সংস্কার করতে হবে।’

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, এডিপিতে মোট বরাদ্দের ৮৪ শতাংশ অর্থ খরচ হয় সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ১৫টি মন্ত্রণালয়ে। যার মধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অন্যতম।

বাস্তবায়নের চিত্র

চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে মোট এডিপির আকার ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রথম তিন মাসে খরচ হয়েছে ১৯ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা, যা শতকরা হারে ৮.২৬ শতাংশ।

গত অর্থবছরের একই সময়ে বাস্তবায়নের হার ছিল ৮.০৬ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের শুধু সেপ্টেম্বরে টাকা খরচ হয়েছে ১০ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা, যা শতকরা হারে ৪.৪ শতাংশ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিআইডিএসের সাবেক ঊর্ধ্বতন গবেষণা পরিচালক, বর্তমানে অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত বলেন, ‘বাংলাদেশে এডিপি বাস্তবায়নের দুর্বল দিক হচ্ছে অর্থবছরে প্রথম দিকে খুব কমই টাকা ব্যয় হয়। শেষ দিকে ব্যয়ের চাপ বেশি থাকায় কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন থাকে। এই সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে।’

আরও পড়ুন:
ব্যাংকের বিশেষ তহবিলে কেনা যাবে বেক্সিমকোর সুকুক বন্ড
আগস্টে বেক্সিমকোর ৭ কোটি শেয়ার কিনল প্রতিষ্ঠান
অনাগ্রহে বেক্সিমকো সুকুকের আইপিও বাতিলের আশঙ্কা
চমক দেখিয়েই চলছে বেক্সিমকো
যমুনা-বেক্সিমকো এলপিজি চুক্তির সুফল আপাতত পাবে না কেউ

শেয়ার করুন

এসবিএসি ব্যাংকের আমজাদসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

এসবিএসি ব্যাংকের আমজাদসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কর্মাস ব্যাংক লিমিটেডের (এসবিএসি) সাবেক চেয়ারম্যান এস এম আমজাদ হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

দুদকের কর্মকর্তা গুলশান আনোয়ার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঋণ জালিয়াতির মামলাসহ আসামিদের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি অভিযোগ ও মামলার তদন্ত চলছে। অর্থ পাচারের ঘটনা এখন পর্যন্ত প্রমাণ হয়েছে।’

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কর্মাস ব্যাংক লিমিটেডের (এসবিএসি) সাবেক চেয়ারম্যান এস এম আমজাদ হোসেনসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদক বৃহস্পতিবার মামলা করে শুক্রবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, কমপক্ষে চারটি দেশে টাকা পাচার করেছেন এস এম আমজাদ হোসেন। ৪০০ কোটি টাকারও বেশি ঋণ জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত আমজাদের বিরুদ্ধে ২০ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতির প্রাথমিক প্রমাণ পেয়ে মামলা করেন তদন্ত কর্মকর্তা সংস্থার উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার।

ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ‘খুলনা বিল্ডার্স লিমিটেড’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে ঋণ অনুমোদন করে ব্যাংক থেকে পুরো টাকা তুলে আত্মসাৎ করেন আমজাদ। কাগুজে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত মালিক তিনি নিজেই।

এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে ‘রূপসা ফিশ কোম্পানি’ নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠানের ৩৭৪ কোটি টাকার ঋণপত্র লুটপাটের অভিযোগ থাকার কথা জানিয়েছে দুদক।

তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদন বলছে, আমজাদ হোসেন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, সিঙ্গাপুর ও কলকাতায় আত্মসাৎ করা অর্থের বড় একটি অংশ পাচার করেছেন।

গুলশান আনোয়ার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঋণ জালিয়াতির মামলাসহ আসামিদের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি অভিযোগ ও মামলার তদন্ত চলছে। অর্থ পাচারের ঘটনা এখন পর্যন্ত প্রমাণ হয়েছে।’

এস এম আমজাদ হোসেন ছাড়া মামলার অন্য আসামিরা হলেন, ব্যাংকটির ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহা. মঞ্জুরুল আলম, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক শাখা প্রধান এস এম ইকবাল মেহেদী, এক্সিকিউটিভ অফিসার ও ক্রেডিট ইনচার্জ নজরুল ইসলাম, ব্যাংকটির খুলনার শাখার সাবেক এমটিও ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার তপু কুমার সাহা, বিদ্যুৎ কুমার মন্ডল ও মারিয়া খাতুন।

দুদকের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১০ সালের ৮ আগস্ট রেজিস্টার অফ জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস থেকে খুলনা বিল্ডার্স লিমিটেড নামে প্রতিষ্ঠানটির নিবন্ধন নেয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটির ৫১ শতাংশ শেয়ার আমজাদ হোসেন এবং ৪৯ শতাংশের মালিকানা তার স্ত্রী সুফিয়া খাতুনের।

খুলনা বিল্ডার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান সুফিয়া আমজাদ হলেও মূলত ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমজাদ হোসেনের একক স্বাক্ষরে সবকিছু পরিচালনা হতো। ঋণের অর্থ তার স্বাক্ষরেই তোলা হয়।

ঋণ জালিয়াতির ওই ঘটনার শুরু ২০১৬ সালে। ওই বছরের ১ জুন জামানত ছাড়া খুলনা বিল্ডার্স লিমিটেডকে ১৯ কোটি টাকা এসওডি (জেনারেল) ঋণসীমা প্রদানের জন্য সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক লিমিটেডের খুলনা শাখায় আবেদন করেন আমজাদ হোসেন। ১২ শতাংশ সুদে আমজাদের নির্দেশে প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব যাচাই না করে, ভুয়া ভিজিট রিপোর্ট প্রস্তুত করে এবং গ্রাহকের প্রদেয় স্টক লটের বাস্তবতা যাচাই ছাড়াই আবেদনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ঋণ প্রপোজাল তৈরি করেন খুলনা শাখার কর্মকর্তা এমটিও তপু কুমার সাহা।

যেখানে ওই শাখার সিনিয়র অফিসার বিদ্যুৎ কুমার মন্ডল, এফএভিপি ও অপারেশন ম্যানেজার মোহা. মঞ্জুরুল আলম এবং ভিপি ও শাখাপ্রধান এস এম ইকবাল মেহেদী সুপারিশ করেন।

২০১৬ সালের ২ জুন ৪৮তম পরিচালনা পর্ষদের সভায় খুলনা বিল্ডার্সের অনুকূলে ১৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকার এসওডি ঋণ অনুমোদন হয়। ঋণপ্রস্তাব অনুমোদনের পর ওই বছরের ২ জুলাই খুলনা শাখা থেকে ১৫ কোটি টাকা তোলা হয়।

২০১৭ সালের ৫ আগস্ট ঋণের সীমা ১৫ দশমিক ৫৩ কোটি থেকে বাড়িয়ে করা হয় ২২ দশমিক ৪২ কোটি টাকা। এবারও কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কোনো প্রকার ক্রেডিট মিটিং ছাড়াই ৬৬তম সভায় (৮ আগস্ট) ঋণসীমা ২০ কোটি ৬০ লাখ টাকা করে নেন তিনি।

খুলনা বিল্ডার্স লিমিটেডের ঠিকানায় দুদক একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অস্তিত্ব পায়। এর পাশের প্লটে হোটেল ওয়েস্টার্ন ইন ইন্টারন্যাশনাল অবস্থিত।

দুদকের সার্বিক পর্যালোচনায় ‘খুলনা বিল্ডার্স’ নামসর্বস্ব ও কাগুজে প্রতিষ্ঠান হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

ভুয়া ওই প্রতিষ্ঠানের নামে ২০ কোটি ৬০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়। যার হোতা হিসেবে আমজাদ হোসেনকে দেখা হয় প্রতিবেদনে।

অর্থ আত্মসাতের পাশাপাশ ঋণের সব অর্থ আড়াল করে গতিপথ পাল্টানোর চেষ্টা করেছেন বলেও প্রতিবেদনে উঠে আসে।

গত ২১ সেপ্টেম্বর অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদ ছাড়েন আমজাদ হোসেন।

তার আগে ৫ জানুয়ারি ঋণ জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে আমজাদ হোসেনের নামে থাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শেয়ার হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে চিঠি দেয় দুদক।

চিঠিতে বলা হয়, আমজাদ হোসেন সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের শেয়ারসহ অন্য প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বিক্রির চেষ্টা করছেন। এসব অর্থ অবৈধ প্রক্রিয়ায় দেশের বাইরে পাচারের চেষ্টা করছেন, যা মানি লন্ডারিংয়ের অপরাধ।

২০২০ সালের জানুয়ারিতে এস এম আমজাদ হোসেন, স্ত্রী সুফিয়া আমজাদ ও মেয়ে তাজরিরের বিদেশে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় দুদক।

সে সঙ্গে দেশে-বিদেশে বিভিন্ন কোম্পানি খুলে ‘বিপুল পরিমাণ অর্থ’ আত্মসাতের অভিযোগে আমজাদ হোসেনের বিষয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। তার বিরুদ্ধে আগেও অনেক অভিযোগ দুদকে জমা পড়ে বলে জানায় সংস্থাটি।

এসব অভিযোগ অনুসন্ধানে ২০১৭ সালের ২৩ জুলাই আমজাদ হোসেন, ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি রফিকুল ইসলাম ও সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। যদিও জিজ্ঞাসাবাদে অধিকাংশ অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।

বিভিন্ন সময়ে দুদকে আসা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, আমজাদ হোসেন ক্ষমতার অপব্যবহার করে নামে-বেনামে দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন কোম্পানি খুলে সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের খুলনা সদর ও কাটাখালী শাখা ব্যবহার করে আমদানি-রপ্তানি ও ঋণের আড়ালে নানাবিধ দুর্নীতি, অনিয়ম, জালিয়াতির মাধ্যমে আমানতকারীদের বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

খুলনা অঞ্চলের অন্যতম শিল্প প্রতিষ্ঠান লকপুর গ্রুপের মালিকও আমজাদ হোসেন। তার মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- লকপুর ফিশ প্রসেস কোম্পানি লিমিটেড, বাগেরহাট সিফুড ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড, শম্পা আইস অ্যান্ড কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেড, রূপসা ফিশ অ্যান্ড অ্যালাইড ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড, মুন স্টার ফিশ লিমিটেড।

এ ছাড়া খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেড, খুলনা এগ্রো এক্সপোর্ট প্রাইভেট লিমিটেড, ইস্টার্ন পলিমার লিমিটেড, মেট্রা অটো ব্রিকস লিমিটেড, খুলনা বিল্ডার্স লিমিটেডসহ বেশকিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে এ শিল্প গ্রুপে।

আরও পড়ুন:
ব্যাংকের বিশেষ তহবিলে কেনা যাবে বেক্সিমকোর সুকুক বন্ড
আগস্টে বেক্সিমকোর ৭ কোটি শেয়ার কিনল প্রতিষ্ঠান
অনাগ্রহে বেক্সিমকো সুকুকের আইপিও বাতিলের আশঙ্কা
চমক দেখিয়েই চলছে বেক্সিমকো
যমুনা-বেক্সিমকো এলপিজি চুক্তির সুফল আপাতত পাবে না কেউ

শেয়ার করুন

আইফোন ১৩ নিয়ে এলো গ্রামীণফোন

আইফোন ১৩ নিয়ে এলো গ্রামীণফোন

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রাহকদের জন্য আইফোন সর্বশ্রেষ্ঠ লাইনআপ নিয়ে এসেছে গ্রামীণফোন, যার মধ্যে রয়েছে সৃজনী ও রুচির প্রশ্নে অনন্য আইফোন ১৩ প্রো, আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স, আইফোন ১৩ এবং আইফোন ১৩ মিনি।

বাংলাদেশি গ্রাহকদের জন্য আইফোন ১৩ নিয়ে এসেছে দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন।

অপারেটরটির শুক্রবারের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রাহকদের জন্য আইফোন সর্বশ্রেষ্ঠ লাইনআপ নিয়ে এসেছে গ্রামীণফোন, যার মধ্যে রয়েছে সৃজনী ও রুচির প্রশ্নে অনন্য আইফোন ১৩ প্রো, আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স, আইফোন ১৩ এবং আইফোন ১৩ মিনি।

এতে উল্লেখ করা হয়, আগাগোড়া নতুন আঙ্গিকে সাজানো আইফোন ১৩ প্রো এবং আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স ব্যবহারকারীদের দিচ্ছে আইফোনের সর্বকালের সেরা প্রোক্যামেরা সিস্টেম, প্রো-মোশন সমৃদ্ধ সুপার রেটিনা এক্সডিআর ডিসপ্লে, উন্নত ব্যাটারি লাইফ এবং অ্যাপলের ডিজাইনকৃত ফাইভ-কোর জিপিইউ সংবলিত এ১৫ বায়োনিক চিপ। মসৃণ ও টেকসই ডিজাইনের আইফোন ১৩ ও আইফোন ১৩ মিনিতে ব্যবহারকারীরা পাচ্ছেন আইফোনের সর্বকালের সেরা ডুয়াল ক্যামেরা সিস্টেম এবং শক্তিশালী এ১৫ বায়োনিক চিপ।

গ্ৰামীণফোনে আইফোন ১৩ সিরিজের হ্যান্ডসেটে প্রি-অর্ডার থাকছে ৩৬ মাস পর্যন্ত। নির্দিষ্ট ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে শূন্য শতাংশ সুদে ইএমআইতে ক্রয়ের সুবিধা থাকছে। এ ছাড়াও থাকছে ফ্রি ১৪ জিবি ফোরজি ইন্টারনেটসহ (মেয়াদ ১৪ দিন) বিভিন্ন জিপি গিফট আইটেম, জিপি স্টার প্লাটিনাম প্লাস স্ট্যাটাস এবং বিভিন্ন জিপি স্টার পার্টনারের ডিসকাউন্ট কুপন।

ডিভাইস ইন্স্যুরেন্স সাবস্ক্রিপশনে ২০ শতাংশ ডিসকাউন্ট এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডে ইএমআই ক্যাশব্যাক অফারও থাকছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২২ অক্টোবর থেকে গ্রাহকরা আইফোন ১৩ সিরিজের হ্যান্ডসেট প্রি-অর্ডার করতে পারবেন, যা তাদের হাতে পৌঁছে দেয়া হবে ২৯ অক্টোবর থেকে। প্রি-অর্ডার, মূল্যতালিকা ও প্রাপ্যতাসহ বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে ওয়েবসাইটে

আরও পড়ুন:
ব্যাংকের বিশেষ তহবিলে কেনা যাবে বেক্সিমকোর সুকুক বন্ড
আগস্টে বেক্সিমকোর ৭ কোটি শেয়ার কিনল প্রতিষ্ঠান
অনাগ্রহে বেক্সিমকো সুকুকের আইপিও বাতিলের আশঙ্কা
চমক দেখিয়েই চলছে বেক্সিমকো
যমুনা-বেক্সিমকো এলপিজি চুক্তির সুফল আপাতত পাবে না কেউ

শেয়ার করুন