এফআইসিসিআই-এর সঙ্গে বিবিডিএনের সমঝোতা স্মারক

এফআইসিসিআই-এর সঙ্গে বিবিডিএনের সমঝোতা স্মারক

বাঁ থেকে: এফআইসিসিআই-এর বোর্ড মেম্বার ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী মো. নাসের এজাজ, এফআইসিসিআই-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং সিঙ্গারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এইচ এম ফাইরুজ, এফআইসিসিআইয়ের নির্বাহী পরিচালক নুরুল কবীর, এফআইসিসিআই-এর প্রেসিডেন্ট এবং বার্জারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুপালী চৌধুরী, বিবিডিএন-এর প্রধান নির্বাহী মুর্তেজা রাফি খান, বিবিডিএন-এর চেয়ারম্যান সালাউদ্দীন কাসেম খান, বিবিডিএন-এর হেড অফ অপারেশনস আজিজা আহমেদ এবং এফআইসিসিআই-এর এক্সিকিউটিভ, কমিউনিকেশন অ্যান্ড পিআর রুসাফা খান।

এ সমঝোতা স্মারকে প্রতিবন্ধিতা সংক্রান্ত কয়েকটি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের ওপর জোর দেয়া হয়েছে, যেখানে অন্তর্ভুক্ত থাকবে এফআইসিসিআই, এফআইসিসিআই সদস্য, বিবিডিএন এবং সংশ্লিষ্ট আরও কিছু অংশিজন।

যেসব প্রতিষ্ঠান সক্রিয়ভাবে নিজেদের প্রতিবন্ধিতা অন্তর্ভুক্তিমূলক হিসেবে গড়ে তুলছে, এফআইসিসিআই-এ সেসব প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ বাড়ানোর অঙ্গীকার করে বাংলাদেশ বিজনেস অ্যান্ড ডিজ্যাবিলিটি নেটওয়ার্ক (বিবিডিএন) ও ফরেইন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফআইসিসিআই) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

এফআইসিসিআই-এর প্রেসিডেন্ট এবং বার্জারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুপালী চৌধুরী, বিবিডিএন-এর প্রধান নির্বাহী মুর্তেজা রাফি খান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

এ সমঝোতা স্মারকে প্রতিবন্ধিতা সংক্রান্ত কয়েকটি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের ওপর জোর দেয়া হয়েছে, যেখানে অন্তর্ভুক্ত থাকবে এফআইসিসিআই, এফআইসিসিআই সদস্য, বিবিডিএন এবং সংশ্লিষ্ট আরও কিছু অংশিজন।

এ উদ্দেশ্যে নীতি প্রণয়নে সহায়তা করতে বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের শীর্ষ জাতীয় সংগঠন এফআইসিসিআই তাদের সদস্য, বৃহত্তর ব্যবসায়ী সম্প্রদায় ও সরকারের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখবে। এর মধ্য দিয়ে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থানের একটি সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং তাদের কর্মপরিবেশের একটি মান তৈরি হবে। এই পারস্পরিক সহযোগিতার মধ্যে থাকবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক কর্মকাণ্ড অ্যাপ্রেন্টিসশিপ, ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে দক্ষ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়োগ দান। বিবিডিএন-এর চেয়ারম্যান সালাউদ্দীন কাসেম খান এ সহযোগিতার ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব প্রদর্শনের জন্য এফআইসিসিআইকে স্বাগতম জানান এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তির ব্যাপারে বহুজাতিক সদস্যদের সক্রিয় কর্মকাণ্ডের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যেও (এসডিজি) “কাউকে পেছনে ফেলে না রাখার’ মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে ।

রুপালী চৌধুরী শ্রমবাজারে বর্তমান পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আনতে বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে বিবিডিএনের সঙ্গে কার্যকর সহযোগিতা তৈরির ব্যাপারে এফআইসিসিআইয়ের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

এফআইসিসিআই-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং সিঙ্গারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এইচ এম ফাইরুজ, এফআইসিসিআই-এর বোর্ড মেম্বার ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী মো. নাসের এজাজ, এফআইসিসিআইয়ের নির্বাহী পরিচালক নুরুল কবীর, বিবিডিএন-এর হেড অফ অপারেশনস আজিজা আহমেদ এবং এফআইসিসিআই-এর এক্সিকিউটিভ, কমিউনিকেশন অ্যান্ড পিআর রুসাফা খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

করোনা: আরও আড়াই কোটি ডলার দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

করোনা: আরও আড়াই কোটি ডলার দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ভেন্টিলেটরসহ বিভিন্ন সুরক্ষা সামগ্রী দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি এখন পর্যন্ত ১২ কোটি ১০ লাখ ডলারের বেশি সহায়তা দিয়েছে। ফাইল ছবি

বাংলাদেশ যেন জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা ও অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারে এবং টিকা নিরাপদে সংরক্ষণ, পরিবহন ও ব্যবস্থাপনায় কোল্ড চেইন সরঞ্জাম কিনতে পারে, সে জন্য নতুন করে অর্থ সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশকে আরও ২৫ মিলিয়ন বা আড়াই কোটি ডলার অর্থ সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

দেশটির আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ইউএসএআইডির মাধ্যমে এ সহায়তা দেয়া হবে।

বাংলাদেশ যেন জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা ও অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারে এবং টিকা নিরাপদে সংরক্ষণ, পরিবহন ও ব্যবস্থাপনায় কোল্ড চেইন সরঞ্জাম কিনতে পারে, সে জন্য এ অর্থ দেয়া হচ্ছে।

ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের বুধবারের বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বাংলাদেশকে টিকা কার্যক্রম সম্প্রসারণে সহায়তা করার পাশাপাশি গুরুতর অসুস্থ রোগীদের আরও কার্যকরভাবে চিকিৎসা দেয়ায় স্বাস্থ্যসেবা দানকারীদের সক্ষম করে তুলবে। একই সঙ্গে এ অর্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে সেবার মান বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, মহামারির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র সরকার করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ১২ কোটি ১০ লাখ ডলারের বেশি অর্থ সহায়তা দিয়েছে। বাংলাদেশিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বাংলাদেশ সরকার ও অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার বলেন, নতুন আর্থিক সহায়তা বাংলাদেশকে এ বছরের শেষ নাগাদ ৪০ শতাংশ মানুষকে টিকাদানের লক্ষ্য পূরণে সহায়তা করবে।

শেয়ার করুন

ইভ্যালির মামলা তদন্ত করবে না দুদক

ইভ্যালির মামলা তদন্ত করবে না দুদক

দুদক চেয়ারম্যান মঈনউদ্দিন আব্দুল্লাহ বলেন, ‘ই-কমার্স বা ইভ্যালির দুর্নীতি দুদকের শিডিউলভুক্ত অপরাধ নয়। শুধু মানি লন্ডারিংয়ের বিষয়টি দেখে আমরা এটি আমলে নিয়েছিলাম।’

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির দুর্নীতির অনুসন্ধান থেকে সরে আসছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সংস্থাটির চেয়ারম্যান মঈনউদ্দিন আব্দুল্লাহ মঙ্গলবার অফিস ছাড়ার সময় সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘ই-কমার্স বা ইভ্যালির দুর্নীতি দুদকের শিডিউলভুক্ত অপরাধ নয়। শুধু মানি লন্ডারিংয়ের বিষয়টি দেখে আমরা এটি আমলে নিয়েছিলাম।’

গত জুলাইতে ইভ্যালির অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছিল সংস্থাটি।

ইভ্যালির বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে সময়মতো পণ্য সরবরাহ করতে না পারার অভিযোগ ছিল অনেক দিন ধরে। এসবের মধ্যেই গত ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাসেল ও তার স্ত্রী ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ফ্ল্যাট থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

এরপর গুলশান থানায় করা অর্থ আত্মসাতের মামলায় তাদের তিন দিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত। এই মামলায় রিমান্ড শেষে ধানমন্ডি থানায় করা অর্থ আত্মসাতের অপর এক মামলায় রাসেলকে ফের রিমান্ডে পাঠানো হয়। আসামি দুজনই বর্তমানে কারাগারে।

এ ছাড়া গত ১৬ অক্টোবর ইভ্যালির ওয়েবসাইট ও অ্যাপ বন্ধ করে দেয়া হয়। গঠন করা হয় একটি পরিচালনা পরিষদ। সরকারের সাবেক সচিব ও বর্তমানসহ চার কর্মকর্তাকে পরিষদে রাখা হয়েছে।

হাইকোর্টের গঠন করে দেয়া বিশেষ কমিটির প্রধানের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে।

শেয়ার করুন

লিটারে ৭ টাকা বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম

লিটারে ৭ টাকা বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম

নতুন দাম অনুযায়ী, এক লিটার খোলা সয়াবিন বাজারে বিক্রি হবে ১৩৬ টাকা। অনুরূপভাবে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন বিক্রি হবে ১৬০ টাকা এবং পাঁচ লিটারের দাম পড়বে ৭৬০ টাকা।  এ ছাড়া প্রতি লিটার পামওয়েল বিক্রি হবে ১১৮ টাকায়। 

খোলা ও বোতলজাত উভয় ধরনের সয়াবিনের দাম লিটারে ৭ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন এক বিজ্ঞপ্তিতে তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, এক লিটার খোলা সয়াবিন বাজারে বিক্রি হবে ১৩৬ টাকা। অনুরূপভাবে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন বিক্রি হবে ১৬০ টাকা এবং পাঁচ লিটারের দাম পড়বে ৭৬০ টাকা।

এ ছাড়া প্রতি লিটার পামওয়েল বিক্রি হবে ১১৮ টাকায়।

এর আগে রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ভোজ্যতেল ও চিনি ব্যবসায়ীদের এক বৈঠকে প্রাথমিকভাবে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব তৈরি করা হয়। তবে গত ১৪ অক্টোবর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক ১০ শতাংশ শুল্ক কমানোর ঘোষণায় চিনির দাম বাড়ানোর বিষয়ে বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।

গত ৬ সেপ্টেম্বর লিটারে তেলের দাম বাড়ানো হয় ৪ টাকা। ওই দাম বাজারে কার্যকর হওয়ার পর বর্তমানে বোতলজাত সয়াবিনের দাম নির্ধারিত ছিল লিটারপ্রতি ১৫৩ টাকা এবং পাঁচ লিটারের দাম ৭২৮ টাকা। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছিল ১২৯ টাকায়।

বৈঠকের পর দাম বাড়ানোর সুপারিশে সম্মতি দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

শেয়ার করুন

ডলারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, সরকারকে আইনি নোটিশ

ডলারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, সরকারকে আইনি নোটিশ

নোটিশে দাবি করা হয়, বাংলাদেশে মার্কিন ডলারের দাম অনৈতিক ও অন্যায়মূলকভাবে বাড়ানো হচ্ছে এবং বাংলাদেশের মুদ্রা টাকার মান অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে। বাংলাদেশি মুদ্রার অবমূল্যায়নের দরুণ বিদেশ থেকে প্রয়োজনীয় দ্রব্য আমদানিতে বেশি অর্থ খরচ হচ্ছে এবং আমদানিকৃত খাদ্য দ্রব্য ও জিনিসপত্রের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাচ্ছে।

মার্কিন ডলারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, টাকার অবমূল্যায়ন রোধ এবং অনলাইনে ডলার কেনা-বেচা নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্টদের আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

অর্থ সচিব, বাণিজ্য সচিব ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বরাবর মঙ্গলবার নোটিশটি পাঠান সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্য মূলত মার্কিন মুদ্রা ডলার ব্যবস্থায় করা হয়। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশে ডলারের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। ২০০৬ সালে ১ ডলারের বিনিময় মূল্য ছিল ৭০ টাকা। অপরদিকে ২০২১ সালের অক্টোবরে ডলারের বিনিময় মূল্য ৮৫.৬০ টাকা এবং ক্ষেত্রবিশেষে ৮৮ টাকা দরে ডলার বিক্রি হচ্ছে।

নোটিশে দাবি করা হয়, বাংলাদেশে মার্কিন ডলারের দাম অনৈতিক ও অন্যায়মূলকভাবে বাড়ানো হচ্ছে এবং বাংলাদেশের মুদ্রা টাকার মান অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে। বাংলাদেশি মুদ্রার অবমূল্যায়নের দরুণ বিদেশ থেকে প্রয়োজনীয় দ্রব্য আমদানিতে বেশি অর্থ খরচ হচ্ছে এবং আমদানিকৃত খাদ্য দ্রব্য ও জিনিসপত্রের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাচ্ছে।

ফলে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ব্যাপক সমস্যায় পড়েছে; দরিদ্র শ্রমজীবী মানুষ তাদের প্রযোজনীয় খাদ্য দ্রব্য কিনতে পারছে না।

আইনি নোটিশে বলা হয়, মার্কিন ডলারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও টাকার অবমূল্যায়ন রোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যর্থতার জন্য দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অপরদিকে বাংলাদেশ ফরেন একচেঞ্জ রেগুলেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্স ব্যাতীত বৈদেশিক মুদ্রা কেনাবেচা করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এরপরও বাংলাদেশে অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে অধিক মূল্যে ডলার কেনাবেচা হচ্ছে।

নোটিশে নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে মার্কিন ডলারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, টাকার অবমূল্যায়ন রোধ এবং অনলাইনে ডলার কেনা-বেচা নিয়ন্ত্রণের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

নজরদারিতে আসছে ই-কমার্স

নজরদারিতে আসছে ই-কমার্স

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। ফাইল ছবি

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘ই-কমার্স তো বন্ধ করা যাবে না। সুতরাং তাদের সবাইকে রেজিস্ট্রেশন ও মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে। কীভাবে মনিটর করা যাবে, সে ব্যবস্থা আমরা করে ফেলেছি। আশা করি, দেড় বা দুয়েকের মধ্যে একটা ভালো কিছু হবে।’

সরকার ই-কমার্স বন্ধ করতে চায় না। তবে এ পদ্ধতিতে ব্যবসা করতে আগ্রহীদের নিবন্ধনের আওতায় আসতে হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

পাশাপাশি ই-কমার্সভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নজরদারির আওতায় আনার বিষয়টিও চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।

সচিবালয়ে মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বৈঠক পরবর্তী এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

খন্দকার আনোয়ারুল বলেন, ‘ই-কমার্স তো বন্ধ করা যাবে না। সুতরাং তাদের সবাইকে রেজিস্ট্রেশন ও মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে। কীভাবে মনিটর করা যাবে, সে ব্যবস্থা আমরা করে ফেলেছি। আশা করি, দেড় বা দুয়েকের মধ্যে একটা ভালো কিছু হবে।’

ই-কমার্স নিয়ে মন্ত্রিসভায় আলোচনা হয়েছে বলেও জানান সচিব। তিনি বলেন, ‘মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে গত কয়েকদিন আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এক সভায় পাঁচ সদস্যের কমিটি করে দেয়া হয়েছে।’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

সচিব বলেন, ‘এক মাস সময় দেয়া হয়েছিল। আমার মনে হয় আগামী ২০ দিনের মধ্যে তারা প্রতিবেদন জমা দেবেন। বাণিজ্যমন্ত্রী ও সচিব দুজনই বলেছেন তারা অনেকদূর এগিয়েছেন। আমরা এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। গত দু্ই থেকে আড়াইমাস ধরে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে আছে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ই-কমার্সের প্রলোভনে না পড়তে জনগণকেও এগিয়ে আসতে হবে। জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপরও মন্ত্রিসভায় জোর দেয়া হয়েছে।

খন্দকার আনোয়ারুল বলেন, ‘জনগনকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে যে, তিনি কী জাতীয় প্রস্তাবে সাড়া দিচ্ছেন। প্রতিষ্ঠানগুলো পাঁচ লাখ টাকার মোটরবাইক আড়াই লাখ টাকায় দেয়া হবে বলছে। সেটি শুনেই ঝাঁপিয়ে না পড়ে নিজেরও বিচার বিবেচনা থাকা দরকার।’

শেয়ার করুন

কার্ডে আন্তব্যাংক লেনদেনে চার্জ নির্ধারণ

কার্ডে আন্তব্যাংক লেনদেনে চার্জ নির্ধারণ

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক নির্দেশনায় বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচের আওতায় একটি ব্যাংকের গ্রাহক ভিন্ন ব্যাংকের এটিএম ব্যবহার করে টাকা উত্তোলন করলে বর্তমানের মতোই গ্রাহক থেকে সর্বোচ্চ ১৫ টাকা নেয়া যাবে। আর ৫ টাকা দেবে ব্যাংক কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংক। এ ছাড়া, স্থিতি অনুসন্ধান ও খুদে বিবরণীর জন্য বর্তমানের মতোই গ্রাহক থেকে ৫ টাকা ফি নেয়া যাবে।

ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচের (এনপিএসবি) আওতায় এক ব্যাংকের গ্রাহক অন্য ব্যাংকের অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম) ব্যবহার করে টাকা উত্তোলন করলে দিতে হবে ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ। এর মধ্যে গ্রাহক দেবেন ১৫ টাকা। বাকি ৫ টাকা কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংক দেবে।

তবে এক ব্যাংকের গ্রাহক অন্য ব্যাংকের এটিএম বুথ ব্যবহার করে টাকা জমা দিলে ২০ টাকা খরচ হবে, যার পুরোটাই কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংককে দিতে হবে।

এটিএম, পয়েন্ট অফ সেল বা পস এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে ফান্ড ট্রান্সফারের জন্য ফি ও চার্জ নতুন করে নির্ধারণ করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ বাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট সোমবার এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে।

দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস প্রোভাইডার, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার এবং পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটরদের নতুন নির্দেশনাটি পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ ও ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট স্কিমের আওতায় লেনদেনের ক্ষেত্রে নতুন এ নির্দেশনা কার্যকর হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচের আওতায় একটি ব্যাংকের গ্রাহক ভিন্ন ব্যাংকের এটিএম ব্যবহার করে টাকা উত্তোলনে বর্তমানের মতোই গ্রাহক থেকে সর্বোচ্চ ১৫ টাকা নেয়া যাবে। আর ৫ টাকা দেবে ব্যাংক কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংক। এ ছাড়া, স্থিতি অনুসন্ধান ও খুদে বিবরণীর জন্য বর্তমানের মতোই গ্রাহক থেকে ৫ টাকা ফি নেয়া যাবে।

পাশপাশি এটিএম থেকে তহবিল স্থানান্তরে কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংক থেকে সর্বোচ্চ ১০ টাকা এবং অন্য ব্যাংকের এটিএমে জমার জন্য ২০ টাকা ফি নেয়া যাবে।

দেশের ভেতরে পস ব্যবহার করে নগদ অর্থ উত্তোলনে প্রতি লেনদেনে গ্রাহক থেকে সর্বোচ্চ ২০ টাকা চার্জ নেয়া যাবে।

এক ব্যাংকের গ্রাহক অন্য ব্যাংকের পস ব্যবহার করে মার্চেন্ট পেমেন্টের ক্ষেত্রে মার্চেন্ট থেকে মোট লেনদেনের ন্যূনতম ১ দশমিক ৬০ শতাংশ ডিসকাউন্ট বাবদ আদায় করবে। এর ১ দশমিক ১ শতাংশ বিনিময় ফি হিসেবে কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংক দেবে।

এক ব্যাংক থেকে আরেক ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং তহবিল স্থানান্তরে লেনদেন প্রতি গ্রাহক থেকে সর্বোচ্চ ১০ টাকা এবং বাংলা কিউআরে মার্চেন্ট থেকে মোট লেনদেনের শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ চার্জ কাটা যাবে। এর মধ্যে শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ বিনিময় চার্জ বাবদ কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংককে দিতে হবে।

কার্ডের মাধ্যমে সরকারি পরিষেবার মূল্য পরিশোধের কর পরিশোধে বাংলাদেশে ইস্যুকৃত কার্ডের জন্য ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত পরিশোধে গ্রাহক থেকে লেনদেন প্রতি সর্বোচ্চ ২০ টাকা আদায় করবে। এর মধ্যে ২৫ হাজার টাকার বেশি লেনদেনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো প্রচলিত ফি দেবে।

শেয়ার করুন

আইএফসির কাছে সহজ শর্তে ঋণ চাইলেন অর্থমন্ত্রী

আইএফসির কাছে সহজ শর্তে ঋণ চাইলেন অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ফাইল ছবি

আইএফসির এমডিকে উদ্দেশ্য করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের লক্ষ্য হলো ২০৩১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়া। এ জন্য অনেক বেশি বিনিয়োগ দরকার। তাই পিপিপির মাধ্যমে বেসরকারি খাতে অধিক বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশকে সহযোগিতার আহ্বান জানাচ্ছি।’  

বেসরকারি খাতের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সহযোগী সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশনকে (আইএফসি) সহজ শর্তে ঋণ দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

আইএফসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ম্যাকথার ডিউপের সঙ্গে সোমবার এক বৈঠকে তিনি এ অনুরোধ করেন।

বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর বার্ষিক সভার সাইড লাইনে বাংলাদেশ ও আইএফসির মধ্যে একটি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী। আইএফসির পক্ষে ছিলেন সংস্থার এমডি ম্যাকথার ডিউপ।

বাংলাদেশের পক্ষে সভায় বিশ্বব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল আলম, অর্থ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় অর্থমন্ত্রী ২০১৯ সালে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ ‘বাংলা বন্ড’ ইস্যু করার জন্য আইএফসির প্রশংসা করেন এবং করোনা মহামারির সময় বেসরকারি খাতে বিশেষ করে ব্যাংক, বিভিন্ন উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠান ও নতুন উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ সহযোগিতা অব্যাহত রাখায় আইএফসিকে ধন্যবাদ জানান।

সভায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে ‘টাকা বন্ড’ ইস্যুসহ সামগ্রিক আর্থিক খাতের সংস্কার, আইএফসির কান্ট্রি স্ট্র্যাটেজি এবং পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি)-এর মাধ্যেমে বিনিয়োগের বিষয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় বাংলাদেশে বেসরকারি খাতের উন্নয়নে পিপিপিসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের জন্য আইএফসিকে অনুরোধ করেন অর্থমন্ত্রী।

আইএফসির এমডিকে উদ্দেশ্য করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের লক্ষ্য হলো ২০৩১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়া। এ জন্য অনেক বেশি বিনিয়োগ দরকার।

তাই পিপিপির মাধ্যমে বেসরকারি খাতে অধিক বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশকে সহযোগিতার আহ্বান জানান অর্থমন্ত্রী।

এ ছাড়া আইএফসির সঙ্গে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পার্টনারশিপ আরও সংহত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন মুস্তফা কামাল।

শেয়ার করুন