চিকিৎসককে কুপিয়ে জখম: গ্রেপ্তার ৪ আসামি

চিকিৎসককে কুপিয়ে জখম: গ্রেপ্তার ৪ আসামি

দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত গোপালঞ্জের কাশিয়ানী হাসপাতালের চিকিৎসক সুব্রত সাহা। ছবি: নিউজবাংলা

কাশিয়ানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুহাম্মদ ফিরোজ আলম বলেন, ‘আমরা এই মামলার অনেক দূর এগিয়েছি। তদন্তের স্বার্থে সবকিছু এখনই বলা যাচ্ছে না। আদালত রিমান্ডের আদেশ দিলে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।’

গোপালঞ্জের কাশিয়ানী হাসপাতালের চিকিৎসক সুব্রত সাহাকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তার চারজন হলেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার মালা গ্রামের মাইক্রোবাসচালক আব্দুর রহিম বিশ্বাস, কাশিয়ানী উপজেলার খায়েরহাট গ্রামের আরমান শিকদার ও রুবেল শিকদার এবং বাগঝাপা গ্রামের ইশানুর শেখ।

জেলা আদালতের মাধ্যমে শনিবার তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যায় অজ্ঞাতপরিচয় ৭-৮ জনের বিরুদ্ধে কাশিয়ানী থানায় মামলা করেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. তাপস বিশ্বাস।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আলমগীর কবির জানান, গ্রেপ্তার চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। রিমান্ডে পেলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার চারজন হামলায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলেও জানান তিনি।

কাশিয়ানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুহাম্মদ ফিরোজ আলম বলেন, ‘আমরা এই মামলার অনেক দূর এগিয়েছি। তদন্তের স্বার্থে সবকিছু এখনই বলা যাচ্ছে না। আদালত রিমান্ডের আদেশ দিলে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।’

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ডা. সুব্রত সাহা কাশিয়ানী বাসস্ট্যান্ড থেকে কাঁচাবাজার করে বাসায় ফিরছিলেন। উপজেলা পশুসম্পদ অফিসের সামনে পৌঁছালে মাইক্রোবাসে এসে একটি দল তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে মাইক্রোবাসে পালিয়ে যায় তারা।

আরও পড়ুন:
জাতীয় দলের খেলোয়াড় থেকে ‘মাদক জগতে’
পাচারকারীদের হাতে সর্বস্বান্ত যুবককে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ
বাবাকে কুপিয়ে হত্যায় ছেলে গ্রেপ্তার 
অস্ত্রসহ টিটু বাহিনীর সেকেন্ড-ইন কমান্ড গ্রেপ্তার
টাঙ্গাইলে হেরোইনসহ গ্রেপ্তার দম্পতি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

শুঁটকি আহরণে দুবলার পথে জেলেরা

শুঁটকি আহরণে দুবলার পথে জেলেরা

শুঁটকি আহরণে সুন্দরবনের দুবলার চরের উদ্দেশে উপকূল ছেড়েছেন জেলেরা। ছবি: নিউজবাংলা

পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, অন্যান্য বছর নভেম্বর থেকে শুরু হলেও এ বছর ইলিশের প্রজনন রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় আজ থেকে সুন্দরবনে শুটকি আহরণ মৌসুম শুরু হয়েছে। এবারের মৌসুমে দুবলার চরে জেলেদের জন্য ৯৮০টি ঘর ও ৬৬টি ডিপোর তৈরির অনুমোদন দেয়া হয়েছে

সুন্দরবনের দুবলার চরে শুরু হয়েছে শুঁটকি আহরণ মৌসুম, যা চলবে ৩১ মার্চ পর্যন্ত।

মৌসুম ঘিরে সুন্দরবনের দুবলার চরের উদ্দেশে উপকূল ছেড়েছেন জেলে-মহাজনরা। বন বিভাগ বলছে, শুধু বাগারহাট থেকেই দুবলার চরে যাবেন ৮ থেকে ১০ হাজার জেলে। সব মিলে উপকূলীয় এলাকা থেকে সেখানে সমাগম হবে ২০ হাজারের বেশি মানুষের।

বনবিভাগের কাছ থেকে অনুমতি পাওয়ার পর অনেক জেলে মঙ্গলবার সকালেই চরের উদ্দেশে রওনা দেন। কেউ কেউ আবার যাত্রা করেছেন রাত ১২টার দিকে।

বাগেরহাট পূর্ব সুন্দরবন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিবছর শীত মৌসুমে সুন্দরবনের দুবলা, মেহের আলীর চর, আলোরকোল, অফিস কিল্লা, মাঝের কিল্লা, শেলার চর, নারিকেলবাড়িয়া, ছোট আমবাড়িয়া, বড় আমবাড়িয়া, মানিক খালী, কবরখালী, চাপড়াখালীর চর, কোকিলমনি ও হলদাখালীর চরে জেলে ও মহাজনরা জড়ো হন সমুদ্রে মাছ ধরতে। এ সব চরে অস্থায়ী ঘর নির্মাণ করেন জেলেরা। পরে সুন্দরবনের চরগুলোতে শুরু করেন শুঁটকি তৈরির কাজ। পর তা দেশের বিভিন্ন এলাকাসহ বিদেশেও পাঠানো হয়।

পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, অন্যান্য বছর নভেম্বর থেকে শুরু হলেও এ বছর ইলিশের প্রজনন রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় আজ থেকে সুন্দরবনে শুটকি আহরণ মৌসুম শুরু হয়েছে। এবারের মৌসুমে দুবলার চরে জেলেদের জন্য ৯৮০টি ঘর ও ৬৬টি ডিপোর তৈরির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। মৌসুম জুড়ে চরে প্রায় ১০ হাজার জেলের সমাগম থাকবে।

তিনি আরও বলেন, গত বছর শুটকি মৌসুম থেকে ৩ কোটি ২২ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছিল। এবার যেহেতু একটু আগে ভাগে মৌসুম শুরু হয়েছে তাই এবার ৪ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
জাতীয় দলের খেলোয়াড় থেকে ‘মাদক জগতে’
পাচারকারীদের হাতে সর্বস্বান্ত যুবককে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ
বাবাকে কুপিয়ে হত্যায় ছেলে গ্রেপ্তার 
অস্ত্রসহ টিটু বাহিনীর সেকেন্ড-ইন কমান্ড গ্রেপ্তার
টাঙ্গাইলে হেরোইনসহ গ্রেপ্তার দম্পতি

শেয়ার করুন

বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগে ছাত্রদল নেতাকে পিটুনি

বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগে ছাত্রদল নেতাকে পিটুনি

মারধরের শিকার মাসুদ রানা জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি ও বেড়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি রওশন আলী জানান, কিছুদিন ধরে রূপপুর ইউনিয়নের এক প্রবাসীর স্ত্রী সঙ্গে মাসুদ রানার বিয়েবহির্ভূত সম্পর্ক চলছিল। সোমবার দুপুরে ওই গৃহবধূর এক ভাইয়ের বাসা থেকে তাদের দুজনকে ‘আপত্তিকর অবস্থায়’ আটক করেন স্থানীয়রা। পরে মাসুদ উত্তেজিত লোকজনের পিটুনির শিকার হন।

বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ তুলে পাবনার আমিনপুরে ছাত্রদলের এক নেতাকে পিটুনি দিয়েছে এলাকাবাসী।

পুলিশ বলছে, উপজেলার রূপপুর ইউনিয়নের ভূয়াপাড়া এলাকায় সোমবার ঘটনাটি ঘটে।

মারধরের শিকার মাসুদ রানা জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি ও বেড়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।

এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, কিছুদিন ধরে রূপপুর ইউনিয়নের এক প্রবাসীর স্ত্রী সঙ্গে মাসুদ রানার বিয়েবহির্ভূত সম্পর্ক চলছিল। সোমবার দুপুরে ওই গৃহবধূর এক ভাইয়ের বাসা থেকে তাদের দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেন স্থানীয়রা।

পরে মাসুদ রানা উত্তেজিত লোকজনের পিটুনির শিকার হন। একপর্যায়ে ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালান মাসুদ।

পুলিশ ওই গৃহবধূকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আমিনপুর থানায় নিয়ে যায়।

মাসুদ রানার দলীয় পরিচয় নিশ্চিত করে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান প্রিন্স বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা কোনো অভিযোগ পাইনি। ফেসবুকে বিষয়টি জেনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে দলীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আমিনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রওশন আলী জানান, ওই নারীকে রোষাণল থেকে বাঁচাতে পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়। রাতে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
জাতীয় দলের খেলোয়াড় থেকে ‘মাদক জগতে’
পাচারকারীদের হাতে সর্বস্বান্ত যুবককে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ
বাবাকে কুপিয়ে হত্যায় ছেলে গ্রেপ্তার 
অস্ত্রসহ টিটু বাহিনীর সেকেন্ড-ইন কমান্ড গ্রেপ্তার
টাঙ্গাইলে হেরোইনসহ গ্রেপ্তার দম্পতি

শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ফ্লাইওভারে ফাটল: সিডিএকে দুষছেন সিটি মেয়র

চট্টগ্রামে ফ্লাইওভারে ফাটল: সিডিএকে দুষছেন সিটি মেয়র

চট্টগ্রামের এম এ মান্নান ফ্লাইওভারের আরাকান সড়কমুখী র‍্যাম্পের পিলারে ফাটলের কারণে সোমবার রাত ১০টা থেকে যান চলাচল বন্ধ। ছবি: নিউজবাংলা

চট্টগ্রাম সিটি মেয়র রেজাউল করিম বলেন, ‘যেসব ঠিকাদার এখানে কাজ করেছেন তাদের ত্রুটি আছে কি না, তা খুঁজে বের করবে সিডিএ। আমাদের পক্ষ থেকে তাদের সহযোগিতা করা হবে।’

চট্টগ্রামের এম এ মান্নান ফ্লাইওভারের আরাকান সড়কমুখী র‍্যাম্পের পিলারে ফাটলের ঘটনায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (সিডিএ) দুষছেন সিটি মেয়র রেজাউল করিম।

তিনি বলেন, ‘ফ্লাইওভারের মূল নকশায় র‍্যাম্পের অস্তিত্ব ছিল না। সিডিএ এটা যুক্ত করেছে। তাই তারা ত্রুটি বের করে ব্যবস্থা নেবে।’

ফ্লাইওভারের ফাটলস্থল পরিদর্শন করে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে সাংবাদিকদের এসব জানান রেজাউল করিম।

তিনি বলেন, ‘ফ্লাইওভারের নির্মাণকাজ করেছে সিডিএ। ফাটলের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে আজকেই তাদের চিঠি দেব। কারণ যেকোনো সময় এখানে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’

ফাটলের ঘটনা তদন্তে সিটি করপোরেশন সহযোগিতা করবে জানিয়ে মেয়র বলেন, ‘যেসব ঠিকাদার এখানে কাজ করেছেন তাদের ত্রুটি আছে কি না, তা খুঁজে বের করবে সিডিএ। আমাদের পক্ষ থেকে তাদের সহযোগিতা করা হবে।’

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস মুঠোফোনে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ফ্লাইওভারে র‌্যাম্পে ফাটলের বিষয়টি শুনেছি। ফ্লাইওভারটা আগের চেয়ারম্যানের সময় তৈরি করা হয়েছিল। তাই এ বিষয়ে কথা বলা যাচ্ছে না। ঘটনাস্থলে আমাদের লোক আছে। আমরা মন্ত্রণালয়ের একটি মিটিংয়ে যোগ দিতে ঢাকায় এসেছি। চট্টগ্রামে ফিরে পিলারগুলো পরীক্ষা করার পর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

ফাটলের কারণে চট্টগ্রামের এম এ মান্নান ফ্লাইওভারের আরাকান সড়কমুখী র‌্যাম্পে সোমবার রাত ১০টা থেকে যান চলাচল বন্ধ। মঙ্গলবার সকাল থেকে ফ্লাইওভারের দুই পাশের সড়কে দেখা গেছে যানবাহনের তীব্র চাপ।

চট্টগ্রামে ফ্লাইওভারে ফাটল: সিডিএকে দুষছেন সিটি মেয়র

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (ট্রাফিক-উত্তর) মমতাজ উদ্দিন বলেন, ‘আমরা প্রকল্প ম্যানেজারের কাছ থেকে খবর পেয়ে রাতেই ওই র‌্যাম্পে যান চলাচল বন্ধের ব্যবস্থা করি। এতে মুরাদপুরমুখী ও আরাকান সড়কমুখী গাড়িগুলো ফ্লাইওভারে উঠতে পারছে না।’

ফ্লাইওভারের যে পিলারে ফাটল দেখা দিয়েছে তার কাছাকাছি ফুটপাতে জুতা সেলাইয়ের কাজ করেন নির্মল গুরাইয়া। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এই পিলারে ফাটল আসলে অনেক দিন ধরেই ছিল। তবে গতকাল ফাটলটা কিছুটা বেড়ে গেছে।’

ফুটপাতে মাস্ক বিক্রেতা মো. মাসুদ বলেন, ‘আমি ৩ মাস আগে থেকে এই পিলারে ফাটল দেখতেছি। তবে গতকাল ফাটলটা বেড়ে গেছে বলে মনে হচ্ছে।’

বহদ্দারহাটের চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার বাসিন্দা ছানোয়ার হোসেন বলেন, ‘প্রতিদিন প্রাইভেট কারে করে ফ্লাইওভার হয়ে কালামিয়া বাজারে কর্মস্থলে যাই। কিন্তু আজকে তো দেখতেই পাচ্ছেন, পুরা রোড জ্যাম।’

আরও পড়ুন:
জাতীয় দলের খেলোয়াড় থেকে ‘মাদক জগতে’
পাচারকারীদের হাতে সর্বস্বান্ত যুবককে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ
বাবাকে কুপিয়ে হত্যায় ছেলে গ্রেপ্তার 
অস্ত্রসহ টিটু বাহিনীর সেকেন্ড-ইন কমান্ড গ্রেপ্তার
টাঙ্গাইলে হেরোইনসহ গ্রেপ্তার দম্পতি

শেয়ার করুন

সাম্প্রদায়িক হামলার পরিকল্পনা লন্ডনে বসে: তথ্যমন্ত্রী

সাম্প্রদায়িক হামলার পরিকল্পনা লন্ডনে বসে: তথ্যমন্ত্রী

রাজশাহী সার্কিট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা

মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্য শুনলে মনে হয়, ঠাকুর ঘরে কে রে, আমি কলা খাইনি। কাজটা তারা করে, তারপর টেলিভিশনের সামনে গিয়ে বড় বড় কথা বলে।’

দুর্গাপূজার সময় কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা হয়েছে, তার পরিকল্পনা লন্ডনে বসে করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি সাম্প্রদায়িক হামলা দেশের শান্তি নষ্ট করার জন্যই ঘটানো হয়েছে। এর পরিকল্পনা হয়েছে লন্ডনে বসে। আপনারা দেখেছেন না, বিএনপি প্রায় এক মাস ধরে বৈঠক করছে? প্রকাশ্যে বৈঠক করেছে আর গোপনে ষড়যন্ত্র করেছে।

‘সেই ষড়যন্ত্রেরই অংশ হচ্ছে এই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে দুর্গাপূজার সময় পূজামণ্ডপে হামলা করা, আমাদের পবিত্র কোরআন শরিফ পূজামণ্ডপে রেখে আসা।’

রাজশাহী সার্কিট হাউসে মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

দুর্গাপূজায় সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যে গত ১৩ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লার একটি পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ পাওয়ার পর ছড়িয়ে পড়ে সহিংসতা।



নানুয়ার দিঘির পাড়ের ওই মণ্ডপে চলে ব্যাপক ভাঙচুর, আক্রান্ত হয় নগরীর আরও বেশকিছু পূজামণ্ডপ। পরে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে চাঁদপুর, নোয়াখালী, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায়।

মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্য শুনলে মনে হয়, ঠাকুর ঘরে কে রে, আমি কলা খাইনি। কাজটা তারা করে, তারপর টেলিভিশনের সামনে গিয়ে বড় বড় কথা বলে।’

সাম্প্রদায়িক সহিংসতার সঙ্গে জড়িত সবাইকে খুঁজে বের করা হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে রাজনীতি করে বিএনপি-জামায়াত, ধর্মান্ধ-উগ্রবাদীরা। দেশের কোনো সম্প্রদায়ের লোক একে অপরের ধর্মগ্রন্থ অবমাননা করার মানসিকতা পোষণ করে না।

‘সরকার দেশের বিভিন্ন জেলায় সাম্প্রদায়িক সংঘাতের ঘটনার পর ১০২টি মামলা করেছে, সাত শ’র মতো দুষ্কৃতিকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। কঠোর হস্তে সরকার এটি দমন করেছে। সরকারের এই ভূমিকা আন্তর্জাাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত হয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে টেলিভিশনের ক্লিনফিড নিয়েও কথা বলেন মন্ত্রী। হাছান মাহমুদ বলেন, ‘দেশে ১৭ বছর পর ক্লিনফিড কার্যকর হয়েছে। এটি সহজ কাজ ছিল না। আমাদের দেশের আকাশ অবশ্যই উন্মুক্ত। দেশের আইন মেনেই উন্মুক্ত আকাশের সুবিধা নিতে হবে। ক্লিনফিড কার্যকর করায় দেশের গণমাধ্যম উপকৃত হচ্ছে।

‘এর সুফল আপনারা কিছুদিন পরেই দেখতে পাবেন। এরই প্রেক্ষিতে প্রতি বছর এই খাতে দুই হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ হবে। দেশের স্বার্থে জনগণের স্বার্থে এটি করা হয়েছে। এখান থেকে সরকারও ভ্যাট হিসেবে ৫০০ কোটি টাকা পাবে।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিলসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা।

এর আগে সকালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের রাজশাহী উপকেন্দ্র পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। আগামী নির্বাচনের আগে এই কেন্দ্র চালু করা যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
জাতীয় দলের খেলোয়াড় থেকে ‘মাদক জগতে’
পাচারকারীদের হাতে সর্বস্বান্ত যুবককে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ
বাবাকে কুপিয়ে হত্যায় ছেলে গ্রেপ্তার 
অস্ত্রসহ টিটু বাহিনীর সেকেন্ড-ইন কমান্ড গ্রেপ্তার
টাঙ্গাইলে হেরোইনসহ গ্রেপ্তার দম্পতি

শেয়ার করুন

কাঠাঁলগাছ থেকে শিক্ষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কাঠাঁলগাছ থেকে শিক্ষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রতীকী ছবি

নীলফামারী থানার এসআই জহুরুল ইসলাম জানান, সোমবার রাত ৯টার দিকে খাওয়াদাওয়া শেষে বাড়ি থেকে মন্দিরে যাওয়ার কথা বলে বের হন সুধা রঞ্জন। মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পাশে কাঁঠালগাছের ডালে তাকে ঝুলন্ত দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।

নীলফামারী সদরে এক শিক্ষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়নের উত্তর ডাঙ্গাপাড়া এলাকার বাগান থেকে মঙ্গলবার দুপুরের দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত সুধা রঞ্জন রায়ের বাড়ি ওই এলাকাতেই।

লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ড সদস্য জগদীশ চন্দ্র রায় জানান, তিনি স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেনে শিক্ষকতা করতেন। পাশাপাশি কৃষিকাজ করে তার সংসার চালাতেন।

পরিবারের বরাত দিয়ে নীলফামারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জহুরুল ইসলাম জানান, সোমবার রাত ৯টার দিকে খাওয়াদাওয়া শেষে বাড়ি থেকে মন্দিরে যাওয়ার কথা বলে বের হন রঞ্জন।

মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পাশে কাঁঠালগাছের ডালে তাকে ঝুলন্ত দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেয়।

ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান এসআই।

আরও পড়ুন:
জাতীয় দলের খেলোয়াড় থেকে ‘মাদক জগতে’
পাচারকারীদের হাতে সর্বস্বান্ত যুবককে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ
বাবাকে কুপিয়ে হত্যায় ছেলে গ্রেপ্তার 
অস্ত্রসহ টিটু বাহিনীর সেকেন্ড-ইন কমান্ড গ্রেপ্তার
টাঙ্গাইলে হেরোইনসহ গ্রেপ্তার দম্পতি

শেয়ার করুন

উখিয়ায় ৬ রোহিঙ্গা হত্যা: গ্রেপ্তার আরও ৪

উখিয়ায় ৬ রোহিঙ্গা হত্যা: গ্রেপ্তার আরও ৪

উখিয়ার ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের দারুল উলুম নাদওয়াতুল ওলামা আল ইসলামিয়া মাদ্রাসা মসজিদ। ছবি: নিউজবাংলা

কক্সবাজার শহর থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে উখিয়ার থাইনখালীর ক্যাম্প-১৮-তে বৃহস্পতিবার ভোর সোয়া ৪টার দিকে দারুল উলুম নাদওয়াতুল ওলামা আল-ইসলামিয়া মাদ্রাসায় হামলা চালায় ৪০ থেকে ৫০ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী। তাদের গুলি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ৬ জন নিহত ও ১১ জন আহত হন।

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ব্রাশফায়ারের পর কুপিয়ে ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এবং উখিয়া থানা পুলিশ যৌথভাবে সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তারা করে।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন উখিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গাজী সালাহউদ্দিন।

তিনি জানান, উখিয়া বালুখালী ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাদ্রাসায় ছয় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে হত্যার ঘটনায় সোমবার রাতে ১০ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের হেড মাঝি শফিউল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গাজী সালাহউদ্দিন আরও জানান, মঙ্গলবার ভোরে ক্যাম্পের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে ফরিদ হোসেন, জাহেদ হোসেন ও মো. হাশিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ নিয়ে এই মামলায় ১৪ রোহিঙ্গাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম জানান, ছয় রোহিঙ্গা হত্যার ঘটনায় ২৫ জনের নামসহ অজ্ঞাতপরিচয়ের আরও ২৫০ জনকে আসামি করে শনিবার রাতে উখিয়া থানায় মামলা করা হয়।

মামলা করেন নিহত মাদ্রাসাছাত্র আজিজুল হকের বাবা নুরুল ইসলাম। তিনি ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ-ব্লকের বাসিন্দা।

মামলায় এরই মধ্যে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মুজিবর রহমান, ৮ নম্বর ক্যাম্পের দিলদার মাবুদ, মো. আয়ুব, ৯ নম্বর ক্যাম্পের মো. আমিন, আব্দুল মজিদ, ১৩ নম্বর ক্যাম্পের মো. আমিন, মো. ইউনুস, ১২ নম্বর ক্যাম্পের জাফর আলম, ১০ নম্বর ক্যাম্পের মো. জাহিদ ও মোহাম্মদ আমিন।

এদের মধ্যে আটজনকে ঘটনার পর এবং দুইজনকে ২১ অক্টোবর রাতে আটক করা হয়। পরে তাদের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহম্মদ সঞ্জুর মোরশেদ জানান, মামলায় আকিজ অলি নামের একজনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

কক্সবাজার ৮-এপিবিএনের কমান্ডিং অফিসার (পুলিশ সুপার) মোহাম্মদ শিহাব কায়সার খান জানান, হত্যায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

কক্সবাজার শহর থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে উখিয়ার থাইনখালীর ক্যাম্প-১৮-তে বৃহস্পতিবার ভোর সোয়া ৪টার দিকে দারুল উলুম নাদওয়াতুল ওলামা আল-ইসলামিয়া মাদ্রাসায় হামলা চালায় ৪০ থেকে ৫০ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী। তাদের গুলি ও ধারাল অস্ত্রের আঘাতে ৬ জন নিহত ও ১১ জন আহত হন।

গুলিতে নিহত নুর আলম হালিমের স্বজন ও ঘটনার এক প্রত্যক্ষদর্শী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রতি রাতে ওই মাদ্রাসায় শিক্ষক-ছাত্র ও স্থানীয় রোহিঙ্গারা মিলে তাহাজ্জুতের নামাজ আদায় করেন। আমিও নিয়মিত তাহাজ্জুতে শরিক হই। তবে বৃহস্পতিবার আমার ঘুম থেকে উঠতে দেরি হওয়ায় মসজিদে দেরিতে যাই।

‘কিন্তু আমি গিয়ে দেখি মাদ্রাসার ভেতরে সবাই ছোটাছুটি করছে। অনেকে প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি করছে। তাদের দেখে আমি দূরে সরে যাই। প্রায় আধা ঘণ্টা গোলাগুলি চলে। এরপর সন্ত্রাসীরা চলে যায়।’

আরও পড়ুন:
জাতীয় দলের খেলোয়াড় থেকে ‘মাদক জগতে’
পাচারকারীদের হাতে সর্বস্বান্ত যুবককে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ
বাবাকে কুপিয়ে হত্যায় ছেলে গ্রেপ্তার 
অস্ত্রসহ টিটু বাহিনীর সেকেন্ড-ইন কমান্ড গ্রেপ্তার
টাঙ্গাইলে হেরোইনসহ গ্রেপ্তার দম্পতি

শেয়ার করুন

ইউপি নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাহার নিয়ে সংঘর্ষ

ইউপি নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাহার নিয়ে সংঘর্ষ

সংঘর্ষে আহত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদউল্লাহর সমর্থক কাইয়ূম মিয়া ও ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দীপুর সমর্থক শাহ আলম।

পুলিশ জানায়, আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া দীপুকে সমর্থন জানিয়ে দলীয় চাপে মঙ্গলবার দুপুর ৩টার দিকে আসাদউল্লাহ তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। মনোনয়ন প্রত্যাহারে দীপুর সমর্থকরা আনন্দ মিছিল বের করলে আসাদউল্লাহর সমর্থকদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ও গুলি ছোড়ে। এতে দুই পক্ষেরই পাঁচজন গুলিবিদ্ধসহ ১০ জন আহত হয়।

নরসিংদীতে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে পাঁচজন গুলিবিদ্ধসহ ১০ জন আহত হয়েছে।

সদর উপজেলার আলোকবালিতে মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে সংঘর্ষ শুরু হয় বলে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাওগাতুল ইসলাম।

আহতদের মধ্যে দুজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

তারা হলেন আলোকবালি ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দীপুর সমর্থক শাহ আলম ও দলের বিদ্রোহী প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদউল্লাহর সমর্থক কাইয়ূম মিয়া। চিকিৎসা নিয়ে তারা বাড়ি চলে গেছেন।

পুলিশ জানায়, বর্তমান চেয়ারম্যান দীপু ও আসাদউল্লাহ দুজনই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তবে মনোনয়ন দেয়া হয় দীপুকে। এ নিয়ে তাদের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। তবে দলীয় চাপে দীপুকে সমর্থন জানিয়ে মঙ্গলবার দুপুর ৩টার দিকে আসাদউল্লাহ তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।

তার মনোনয়ন প্রত্যাহারে দীপুর সমর্থকরা আনন্দ মিছিল বের করলে আসাদউল্লাহর সমর্থকদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ও গুলি ছোড়ে। এতে দুই পক্ষেরই পাঁচজন গুলিবিদ্ধসহ ১০ জন আহত হয়।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠায়।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য দীপু ও আসাদউল্লাহকে ফোন দেয়া হলে তারা কেউ ধরেননি।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সাহেব আলী পাঠান বলেন, ‘ইউপি নির্বাচন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে গন্ডগোল হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।’

এর আগে সোমবার বিকেলে নরসিংদীর রায়পুরার দুর্গম চরাঞ্চল বাঁশগাড়ী ইউনিয়নের নতুন বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও ইউপি নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে পাঁচজন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ২০ জন আহতের খবর পাওয়া যায়।

যদিও পুলিশ জানায়, তারা গুলিবিদ্ধ হওয়ার কোনো খবর পায়নি। দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে হট্টগোল হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, রায়পুরা উপজেলার বাঁশগাড়ী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। ইউপি নির্বাচন নিয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান আশরাফুল হক ও বাঁশগাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাসান মিয়ার ছেলে জাকির গ্রুপের মধ্যে সেই বিরোধ চাঙা হয়।

দুই পক্ষ সোমবার বিকেলে মুখোমুখি অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের নেতাকর্মীর মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় পাঁচজন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান বলেন, এলাকার আধিপত্য ও সামনে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এ নিয়ে একটু হট্টগোল হয়েছে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
জাতীয় দলের খেলোয়াড় থেকে ‘মাদক জগতে’
পাচারকারীদের হাতে সর্বস্বান্ত যুবককে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ
বাবাকে কুপিয়ে হত্যায় ছেলে গ্রেপ্তার 
অস্ত্রসহ টিটু বাহিনীর সেকেন্ড-ইন কমান্ড গ্রেপ্তার
টাঙ্গাইলে হেরোইনসহ গ্রেপ্তার দম্পতি

শেয়ার করুন