রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যা, একজন আটক

রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যা, একজন আটক

রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ মুহিবুল্লাহ। ছবি: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল

এপিবিএন-১৪-এর অধিনায়ক পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নইমুল হক নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে কুতুপালংয়ের ৬ নম্বর ক্যাম্প থেকে এপিবিএন সদস্যরা তাকে আটক করে।

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালংয়ের লম্বাশিয়া ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা মোহাম্মদ মুহিবুল্লাহকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন একজনকে আটক করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।

এপিবিএন-১৪-এর অধিনায়ক পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নইমুল হক নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে কুতুপালংয়ের ৬ নম্বর ক্যাম্প থেকে এপিবিএন সদস্যরা তাকে আটক করেন।

আটক ব্যক্তির নাম-পরিচয় জানাতে পারেননি এসপি নইমুল। তিনি জানান, আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তথ্য পাওয়ার পর বিস্তারিত জানানো হবে।

বুধবার রাত পৌনে ৯টার দিকে উখিয়া কুতুপালং লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় ইস্ট-ওয়েস্ট ১ নম্বর ব্লকের অফিসে রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

এ ঘটনার পর থেকে ক্যাম্পজুড়ে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দায়িত্বরত এপিবিএন অধিনায়ক নাইমুল হক তখন জানিয়েছিলেন, অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জড়িতদের আটকে অভিযান চলছে।

বর্তমানে ক্যাম্প এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

নিহত ৫০ বছর বয়সী মুহিবুল্লাহর বাড়ি মিয়ানমারের রাখাইনের মংডু এলাকার লংডা ছড়া গ্রামে। তিনি রোহিঙ্গাদের নিয়ে কাজ করা আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের চেয়ারম্যান ছিলেন।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমার সেনাদের হাত থেকে প্রাণে বাঁচতে মংডু টাউনশিপের সিকদার পাড়া গ্রাম থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে উখিয়া কুতুপালং লম্বাশিয়া ক্যাম্পে আসেন।

মিয়ানমারে নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে কাজ করছিলেন তিনি। এটাই মুহিবুল্লাহর ‘অপরাধ’ বলে মনে করেন তার ছোট ভাই ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হাবিব উল্লাহ।

যারা মুহিবুল্লাহকে হত্যা করেছে তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সন্ত্রাসী গ্রুপ আরএসও-এর সদস্য বলে দাবি হাবিবের।

ভাই হত্যার ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে উখিয়া থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের নামে মামলা করেন। সেই মামলার ২৪ ঘণ্টা পেরোনোর আগেই সন্দেহভাজন একজনকে আটক করল পুলিশ।

হত্যার পেছনের কারণ

২০১৮ সালে রোহিঙ্গা আগমনের প্রথম বর্ষপূর্তিতে এই মুহিবুল্লাহর ডাকেই বালুখালির এক্সটেনশন মাঠে সমাবেত হয়েছিলেন প্রায় পাঁচ লাখ নারী-পুরুষ। মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে হওয়া ওই সমাবেশের খবর ফলাও করে প্রচার করেছিল বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।

সমাবেশে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ৫ দফা দাবি তুলে ধরেন মুহিবুল্লাহ। এর প্রথমেই ছিল মিয়ানমারের আরাকানের পিতৃভূমিতে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন। তবে শর্ত ছিল, এ জন্য অবশ্যই মিয়ানমার সরকারকে রোহিঙ্গাদের হারানো সম্মান, মর্যাদা ও নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দিতে হবে।

মুহিবুল্লাহর এই দাবি সাধারণ রোহিঙ্গাদেরও প্রাণের দাবি। এ কারণে মুহিবুল্লাহকে নেতা হিসেবে গ্রহণ করেন তারা।

এই সমাবেশ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ও মিয়ানমার সরকারের জন্য বিব্রতকর ঘটনা হয়ে দাঁড়ায়। একই সঙ্গে এটি মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগের নতুন রাস্তা খুলে দেয় পশ্চিমা বিশ্ব ও জাতিসংঘের কাছে।

২০১৮ সালের ওই সমাবেশের পর রোহিঙ্গা ইস্যুতে সব আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা, মানবাধিকার সংস্থা ও পশ্চিমা বিশ্বের আস্থার স্থল হয়ে ওঠেন মুহিবুল্লাহ।

মুহিবুল্লাহর মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া তখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রকাশিত হতে থাকে। অন্যদিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্প দেখতে আসা বিদেশি রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান, জাতিসংঘসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রধান ও প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠেন মুহিবুল্লাহ।

একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মিয়ানমার সরকারের জন্য এক চাপের নাম হয়ে উঠেছিলেন মুহিবুল্লাহ। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও রাষ্ট্রের কাছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও সরকারের চালান অমানবিক হত্যাকাণ্ড এবং নির্যাতনের বিবরণ তুলে ধরতেন তিনি।

এ ছাড়া, বিভিন্ন ফোরামেও রোহিঙ্গাদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরতেন মুহিবুল্লাহ।

একাধিক রোহিঙ্গা নেতা নিউজবাংলাকে জানান, মুহিবুল্লাহর স্বর ছিল মিয়ানমার সেনাবাহিনী, সরকার ও তাদের মিত্রদের জন্য বিব্রতকর। অন্যদিকে রোহিঙ্গাদের মধ্যে গড়ে ওঠা বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর জন্যও তিনি ছিলেন অস্বস্তির কারণ। বিশেষত, যেসব সংগঠন প্রত্যাবাসনবিরোধী ছিল। এদের মধ্যে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) বা আল ইয়াকিন অন্যতম।

রোহিঙ্গা নেতাদের বিশ্বাস, এই সন্ত্রাসী সংগঠনের কারণেই তাদের পিতৃভূমি ছাড়তে হয়েছে। এরা মিয়ানমার সরকারেরই পুতুল সংগঠন। মূলত কফি আনান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়ন ঠেকাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় এই ছায়া সংগঠন দাঁড় করায় মিয়ানমার। পরে তাদের মাধ্যমে সীমান্তচৌকিতে হামলার নাটক করে ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে মিয়ানমার ত্যাগে বাধ্য করে।

আরও পড়ুন:
মুহিবুল্লাহ হত্যা: অজ্ঞাতদের নামে মামলা
মুহিবুল্লাহ হত্যা সরকারের ব্যর্থতার কুনজির: ফখরুল
রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহকে হত্যা কেন?

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পীরগঞ্জে সহিংসতার ‘হোতা’ সৈকত ছাত্রলীগ নেতা

পীরগঞ্জে সহিংসতার ‘হোতা’ সৈকত ছাত্রলীগ নেতা

পীরগঞ্জে সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় অভিযুক্ত সৈকত মন্ডল রংপুর কারমাইকেল কলেজের ছাত্রলীগ নেতা। সহিংসতার পর তাকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা

সৈকত রংপুরের কারমাইকেল কলেজের দর্শন বিভাগের যে কমিটিতে ছিলেন সেটি ২০১৭ সালের ৮ আগস্ট অনুমোদন দেন কারমাইকেল কলেজ শাখার সভাপতি সাইদুজ্জামান সিজার ও সাধারণ সম্পাদক জাবেদ আহমেদ। এ সংক্রান্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পেয়েছে নিউজবাংলা। সাইদুজ্জামান সিজারও বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

রংপুরের পীরগঞ্জে হিন্দুপল্লিতে সহিংসতায় ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে র‍্যাব যাকে আটকের কথা জানিয়েছে সেই মো. সৈকত মণ্ডল ছাত্রলীগ নেতা বলে নিশ্চিত হয়েছে নিউজবাংলা।

তিনি রংপুরের কারমাইকেল কলেজে সংগঠনটির দর্শন বিভাগের কমিটির ১ নম্বর সহসভাপতি। তবে পীরগঞ্জ সহিংসতার পর তাকে অব্যহতি দেয়ার কথা জানায় কলেজ ছাত্রলীগ।

সৈকত দর্শন বিভাগের যে কমিটিতে ছিলেন সেটি ২০১৭ সালের ৮ আগস্ট অনুমোদন দেন কারমাইকেল কলেজ শাখার সভাপতি সাইদুজ্জামান সিজার ও সাধারণ সম্পাদক জাবেদ আহমেদ। এ সংক্রান্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পেয়েছে নিউজবাংলা।

সাইদুজ্জামান সিজারও বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সৈকত মন্ডল দর্শন বিভাগের কমিটিতে ছিলেন। ফেসবুকে কমেন্ট করার কারণে রোববার তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়।’

রাজধানীর কারওয়ান বাজার মিডিয়া সেন্টারে শনিবার দুপুরে পীরগঞ্জে হিন্দুপল্লিতে হামলার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার প্রধান কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। এ সময় তিনি বলেন, ‘সৈকত মন্ডলই এ ঘটনার হোতা। শুক্রবার রাতে টঙ্গী থেকে সৈকত ও তার সহযোগী রবিউল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।’

খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অরাজকতা তৈরি এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের লক্ষ্যে হামলা-অগ্নিসংযোগ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার এবং মাইকিং করে হামলাকারীদের জড়ো করেন বলে জানিয়েছেন। গ্রেপ্তার সৈকত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক, বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যাচারের মাধ্যমে স্থানীয় জনসাধারণকে উত্তেজিত করে তোলেন। এ ছাড়া, তিনি উক্ত হামলা ও অগ্নিসংযোগে অংশগ্রহণে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করেন।’

নিউজবাংলার অনুসন্ধানে জানা গেছে, সৈকতের বাবা রাশেদুল ইসলাম রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় না থাকলেও দাদা আবুল হোসেন মন্ডল রামনাথপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এবং তার চাচা রেজাউল করিম রামনাথপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৬ নম্বর ইউনিটের সভাপতি।

নিউজবাংলার প্রতিনিধি শনিবার বিকেলে সৈকত মন্ডলের বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় সৈকতকে নির্দোষ দাবি করেন তারা।

সৈকতের চাচা রেজাউল করিম বলেন, ‘আমার ভাতিজা সৈকত মন্ডল ঘটনার দিন দক্ষিণ পাড়ায় হিন্দুপল্লিতে অবস্থান করছিল। ওই সময় পুলিশ ও রামনাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাদেকুল ইসলাম ছিলেন।

‘পুলিশ যখন বলছিল পরিতোষকে (ফেসবুকে যার একটি কমেন্ট নিয়ে উত্তেজনার শুরু) গ্রেপ্তার করা হবে। তখন সৈকত প্রশ্ন করেছিল কতক্ষণের মধ্যে গ্রেপ্তার করা হবে। পুলিশ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলে সৈকত হাত উঁচিয়ে সবাইকে বাড়ি যেতে বলে এবং এ নিয়ে বাড়াবাড়ি না করতে অনুরোধ করে।’

রেজাউলি দাবি করেন, সৈকত যখন পীরগঞ্জের রামনাথপুর ইউনিয়নের বড় করিমপুর গ্রামের দক্ষিণ পাড়ায় পুলিশের সঙ্গে ছিলেন, তখন উত্তর পাড়ায় আগুন লাগে। তিনি নির্দোষ ও নিরাপরাধ। তার পুরো বংশ আওয়ামী লীগ করে।

সৈকতের মা আঞ্জুয়ারা বেগম বলেন, ‘চেয়ারম্যান সাদেকুল পরে আমাদের কইছে বাড়ি থাকি সরি যাও। আমি আমার স্বামী আর সৈকতকে নিয়ে পলাশবাড়ি যাই। সেখান থেকে তিন বাড়ি চেঞ্জ করি। তারপর বোনের বাড়িত থেকে অন্য বাড়িতে আসি। সেখানে র‍্যাব আমাদেরকে ধরে ফেলে। তখন সৈকতের ঠিকানা বলি। তারা সৈকতকে ধরে।’

নির্দোষ হলে বাড়ি থেকে পালালেন কেন জানতে চাইলে সৈকতের মা আঞ্জুয়ারা জানান, ‘চেয়ারম্যান আমাদের সরতে কইছে। রেকর্ড করার ফোন থাকলে রেকর্ড করলেম হয়।’

সৈকত মন্ডলের দাদা আবুল হোসেন মন্ডল বলেন, ‘আমি বঙ্গবন্ধুর আমল থেকে আওয়মী লীগ করি। যখন এলাকায় কেউ আওয়ামী লীগ করার সাহস পায় না, তখন আমরাই আওয়ামী লীগ করেছি। আমরা কেমন করি জামায়াত শিবির হই।’

এ ঘটনায় যারা জড়িত তদন্ত করে তাদের গ্রেপ্তার এবং সৈকতের মুক্তি দাবি করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
মুহিবুল্লাহ হত্যা: অজ্ঞাতদের নামে মামলা
মুহিবুল্লাহ হত্যা সরকারের ব্যর্থতার কুনজির: ফখরুল
রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহকে হত্যা কেন?

শেয়ার করুন

মিতু হত্যার ৫ বছর পর আসামি ভোলা গ্রেপ্তার 

মিতু হত্যার ৫ বছর পর আসামি ভোলা গ্রেপ্তার 

মিতু হত্যা মামলার অন্যতম আসামি এহতেশামুল হক ভোলা। ছবি: নিউজবাংলা

পিবিআই চট্টগ্রাম নগরীর পুলিশ সুপার নাইমা সুলতানা বলেন, ‘ভোলাকে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়েছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।’

চট্টগ্রামের সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আকতারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার অন্যতম আসামি এহতেশামুল হক ভোলাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

যশোরের বেনাপোল থেকে শুক্রবার ভোরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে বিষয়টি শনিবার নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন পিবিআই চট্টগ্রাম নগরীর পুলিশ সুপার নাইমা সুলতানা।

নাইমা বলেন, ‘ভোলাকে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়েছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।’

এর আগে এই মামলায় হাইকোর্টে আগাম জামিন আবেদন করেন ভোলা।

১৫ সেপ্টেম্বর বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হাইকোর্ট বেঞ্চ ভোলাকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন দেয়।

জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে তাকে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়া হয়।

আরও আসছে...

আরও পড়ুন:
মুহিবুল্লাহ হত্যা: অজ্ঞাতদের নামে মামলা
মুহিবুল্লাহ হত্যা সরকারের ব্যর্থতার কুনজির: ফখরুল
রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহকে হত্যা কেন?

শেয়ার করুন

মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে প্রাণ গেল ২ যুবকের

মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে প্রাণ গেল ২ যুবকের

পুলিশ জানিয়েছে, দুপুরে রাশেদুল ও শাহিন মোটরসাইকেলে পঞ্চগড় শহরে যাওয়ার সময় জগদল ঠুটাপাখুরী এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা রিফাত ও জনির মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই রাশেদুল ও রিফাতের মৃত্যু হয়।

পঞ্চগড় সদর উপজেলায় দুটি মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দুই যুবক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দুজন।

পঞ্চগড় সদর ইউনিয়নের পঞ্চগড়-তেঁতুলিয়া জাতীয় মহাসড়কের জগদল ঠুটাপাখুরী এলাকায় শনিবার দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনায় নিহত রাশেদুল ইসলামের বাড়ি পঞ্চগড় সদর উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নের বোদাপাড়ায়। আর রিফাদুজ্জামান বাবু তেঁতুলিয়া উপজেলার তিরনইহাট ইউনিয়নের গোয়াবাড়ি এলাকার বাসিন্দা।

আহত দুই যুবক হলেন পঞ্চগড় সদর উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নের বোদাপাড়ার শাহিন হোসেন ও তেঁতুলিয়ার তিরনইহাট ইউনিয়নের ইসলামবাগ এলাকার জনি।

পুলিশ জানিয়েছে, দুপুরে রাশেদুল ও শাহিন মোটরসাইকেলে পঞ্চগড় শহরে যাওয়ার সময় জগদল ঠুটাপাখুরী এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা রিফাত ও জনির মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই রাশেদুল ও রিফাতের মৃত্যু হয়।

এ ছাড়া গুরুতর আহত শাহিন ও জনিকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। শাহিনের অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ মিয়া জানান, এ ঘটনায় পঞ্চগড় সদর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মুহিবুল্লাহ হত্যা: অজ্ঞাতদের নামে মামলা
মুহিবুল্লাহ হত্যা সরকারের ব্যর্থতার কুনজির: ফখরুল
রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহকে হত্যা কেন?

শেয়ার করুন

নিখোঁজের ৫ দিন পর উদ্ধার দুই কিশোরী

নিখোঁজের ৫ দিন পর উদ্ধার দুই কিশোরী

কমলনগর থানার ওসি মো. মোসলেহ উদ্দিন জানান, শনিবার ভোররাতে চট্টগ্রামের ইপিজেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি বাসা থেকে দুই কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। দুপুরে পরিবারের কাছে তাদের হস্তান্তর করা হয়েছে।

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরমার্টন এলাকা থেকে নিখোঁজ হওয়ার পাঁচ দিন পর দুই কিশোরীকে উদ্ধার করছে পুলিশ।

শনিবার ভোররাতে চট্টগ্রামের ইপিজেট এলাকার একটি বাসা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। তবে দুই কিশোরী পুলিশকে জানিয়েছে, গার্মেন্টসে কাজ করার জন্য তারা বাড়ি থেকে চট্টগ্রামে যায়।

কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোসলেহ উদ্দিন জানান, শনিবার ভোররাতে চট্টগ্রামের ইপিজেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি বাসা থেকে দুই কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। দুপুরে পরিবারের কাছে তাদের হস্তান্তর করা হয়েছে।

ওসি আরও জানান, ১৮ অক্টোবর ভোরে নিজ বাড়ি থেকে ওই কিশোরীরা বের হয়ে আর ফেরেনি। পরদিন রাত ১১টার দিকে এক কিশোরীর ভাই কমলনগর থানায় নিখোঁজের একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

উদ্ধার দুই কিশোরী স্থানীয় একটি মাদ্রাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সম্পর্কে তারা চাচাতো বোন।

আরও পড়ুন:
মুহিবুল্লাহ হত্যা: অজ্ঞাতদের নামে মামলা
মুহিবুল্লাহ হত্যা সরকারের ব্যর্থতার কুনজির: ফখরুল
রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহকে হত্যা কেন?

শেয়ার করুন

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বাংলাদেশ ‘নাম্বার ওয়ান’: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বাংলাদেশ ‘নাম্বার ওয়ান’: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

শনিবার দুপুরে সিলেটে ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (ইমজা) কার্যালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। ছবি: নিউজবাংলা

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক হামলার ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের পদক্ষেপকে অত্যন্ত উত্তম বলে জানিয়েছে ভারত। ভারতের অনেক স্থানে বাংলাদেশের ঘটনার প্রতিবাদ করা হলেও তাদের অনেকেই বানোয়াট প্রচারণা করেছে। তবে তাদের সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের পদক্ষেপে সন্তুষ্টির কথা জানানো হয়েছে।’

বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নজির বিশ্বের অন্য কোনো দেশে পাওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

তিনি বলেছেন, “সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বাংলাদেশ বিশ্বের ‘নাম্বার ওয়ান’। কোথাও এমন সম্প্রীতি নেই। আমরা সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে চলি। কোনো ভেদাভেদ নেই।”

মন্ত্রী বলেন, ‘কেবল রাষ্ট্রীয় নীতি নয়, আমাদের সাধারণ মানুষের জীবনাচরণেও এই আন্তধর্মীয় সম্প্রীতি রয়েছে। এমন সম্প্রীতির নজির অন্য কোনো দেশে পাওয়া যাবে না।’

শনিবার দুপুরে সিলেটে ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (ইমজা) কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের কঠোর পদক্ষেপে ভারতও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে জানিয়ে এ কে মোমেন বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক হামলার ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের পদক্ষেপকে অত্যন্ত উত্তম বলে জানিয়েছে ভারত। ভারতের অনেক স্থানে বাংলাদেশের ঘটনার প্রতিবাদ করা হলেও তাদের অনেকেই বানোয়াট প্রচারণা করেছে। তবে তাদের সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের পদক্ষেপে সন্তুষ্টির কথা জানানো হয়েছে।’

এসব ঘটনা ফলাও করে প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এসব নিয়ে বাড়াবাড়ি করা ঠিক হবে না। আর সরকার তো ব্যবস্থা নিচ্ছেই।’

দুর্গাপূজা চলার সময়ে কুমিল্লার একটি ঘটনার জেরে দেশের বিভিন্ন স্থানে পূজামণ্ডপ, মন্দির ও হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার রাতেও হবিগঞ্জের লাখাইয়ে একটি মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়।

এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মধ্যেই এমন মন্তব্য করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোকে দুঃখজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দুই বছর পর দেশে নির্বাচন। একে সামনে রেখে একটি গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে। তারাই দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক হামলার মতো অপতৎপরতা চালাচ্ছে, যা খুবই দুঃখজনক।’

সরকার এসব তৎপরতা মোকাবিলায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘যারা এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে তাদের কঠোর শাস্তি হবে।’

দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ টেনে ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘বাংলাদেশে পূজা উপলক্ষে সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়। এমনকি ভারতেও পূজায় সরকার টাকা দেয় না। তবে আমরা দিই। বিভিন্ন ধর্মের অনুষ্ঠানেই দিই। এ দেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করছে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যেসব দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে, সেটি সরকার ইতোমধ্যে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে। দুর্বৃত্তদের কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হয়েছে।’

মন্ত্রীর পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, ইমজা সভাপতি বাপ্পা ঘোষ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আনিস রহমানসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
মুহিবুল্লাহ হত্যা: অজ্ঞাতদের নামে মামলা
মুহিবুল্লাহ হত্যা সরকারের ব্যর্থতার কুনজির: ফখরুল
রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহকে হত্যা কেন?

শেয়ার করুন

বরিশাল-কুয়াকাটা রুটে ফেরির দিন শেষ কাল

বরিশাল-কুয়াকাটা রুটে ফেরির দিন শেষ কাল

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার পায়রা নদীর ওপর নির্মিত সেতু উদ্বোধন করবেন। ছবি: নিউজবাংলা

উদ্বোধনের পরপরই দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই সেতুটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে। সেতু উদ্বোধনের জন্য ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সাজ সাজ রব সেতুর উভয় পাড়ে। প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সড়ক যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হতে যাচ্ছে রোববার। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন পায়রা নদীর ওপর নির্মিত সেতু।

উদ্বোধনের পরপরই দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই সেতুটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে।

সেতুটি চালু হলে বরিশাল থেকে বাসে কুয়াকাটা যেতে সময় লাগবে মাত্র আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা। মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার বা মোটরসাইকেলে আরও দ্রুত যাওয়া যাবে এই পর্যটন স্পটে। ফলে ফেরিঘাটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভোগান্তি আর থাকবে না।

পায়রা সেতু প্রকল্পের পরিচালক আব্দুল হালিম জানান, সেতুটি উদ্বোধনের জন্য ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। সাজ সাজ রব সেতুর উভয় পাড়ে। প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

সেতুর দক্ষিণ প্রান্তে বিশাল প্যান্ডেল প্রস্তুত করা হয়েছে। সেখানে পটুয়াখালী জেলার পাঁচ সংসদ সদস্য ছাড়াও বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

পায়রা সেতু প্রকল্প অফিস সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালীর লেবুখালী নদীর ওপর পায়রা সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৪৪৭ কোটি টাকা, যার ৮২ ভাগ অর্থ বহন করেছে কুয়েত ফান্ড ফর আরব ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট এবং অ্যাপেক ফান্ড।

২০১৬ সালের ২৪ জুলাই শুরু হওয়া এই সেতুর এরই মধ্যে ৯৯ ভাগ কাজ সম্পন্ন। ১ হাজার ৪৭০ মিটার দীর্ঘ এবং ১৯ দশমিক ৭৬ মিটার প্রস্থের এ সেতুর উভয় পাড়ে প্রায় সাত কিলোমিটার অ্যাপ্রোচ সড়ক রয়েছে।

বরিশাল-কুয়াকাটা রুটে ফেরির দিন শেষ কাল

পায়রা সেতু প্রকল্পের পরিচালক আব্দুল হালিম জানান, এই সেতুতে হেলথ মনিটরিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে ভূমিকম্প, বজ্রপাতসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ অথবা অতিরিক্ত ওজনবাহী গাড়ির কারণে ক্ষতি এড়াতে পূর্বাভাস মিলবে মনিটরিং সিস্টেম থেকে। পায়রা সেতু নির্মাণে নদীর তলদেশে বসানো হয়েছে ১৩০ মিটার দীর্ঘ পাইল, যা দেশে সর্ববৃহৎ।

বরিশাল-কুয়াকাটা রুটে ফেরির দিন শেষ কাল

৩২টি স্প্যানের মূল সেতুটি বিভিন্ন মাপের ৫৫টি টেস্ট পাইলসহ ১০টি পিয়ার, পাইল ও পিয়ার ক্যাপের ওপর নির্মিত। এ ছাড়া ১৬৭টি বক্স গার্ডার সেগমেন্ট রয়েছে এটিতে, যার ফলে দূর থেকে সেতুটিকে ঝুলন্ত মনে হবে। জোয়ারের সময় নদী থেকে সেতুটি ১৮ দশমিক ৩০ মিটার উঁচুতে থাকবে।

আরও পড়ুন:
মুহিবুল্লাহ হত্যা: অজ্ঞাতদের নামে মামলা
মুহিবুল্লাহ হত্যা সরকারের ব্যর্থতার কুনজির: ফখরুল
রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহকে হত্যা কেন?

শেয়ার করুন

সম্বন্ধীর ছুরিকাঘাতে ভগ্নিপতি খুন

সম্বন্ধীর ছুরিকাঘাতে ভগ্নিপতি খুন

পাবনায় পারিবারিক বিরোধের জেরে ভগ্নিপতিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ছবি: নিউজবাংলা

সদর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, নিহত বিশালের সম্বন্ধীর নামও বিশাল। পেশায় তারা দুজনই সুইপার। পারিবারিক বিরোধের জেরে শনিবার সকালে তাদের দুজনের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ভগ্নিপতিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে পালিয়ে যান বিশাল।

পাবনায় পারিবারিক বিরোধের জেরে সম্বন্ধীর বিরুদ্ধে ভগ্নিপতিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শহরের অনন্ত বাজার এলাকার হরিজন কলোনিতে শনিবার সকাল ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ২২ বছর বয়সী বিশাল রায়ের বাড়ি পৌর শহরের অনন্ত বাজারের দক্ষিণ রামপুর মহল্লায়।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, নিহত বিশালের সম্বন্ধীর নামও বিশাল। পেশায় তারা দুজনই সুইপার। পারিবারিক বিরোধের জেরে শনিবার সকালে তাদের দুজনের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ভগ্নিপতিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে পালিয়ে যান বিশাল।

এ সময় গুরুতর আহত ভগ্নিপতিকে স্থানীয় লোকজন পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি আরও বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হবে। অভিযুক্ত বিশালকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
মুহিবুল্লাহ হত্যা: অজ্ঞাতদের নামে মামলা
মুহিবুল্লাহ হত্যা সরকারের ব্যর্থতার কুনজির: ফখরুল
রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহকে হত্যা কেন?

শেয়ার করুন