মেস থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া জাবি শিক্ষার্থী র‍্যাব হেফাজতে

মেস থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া জাবি শিক্ষার্থী র‍্যাব হেফাজতে

জাবি শিক্ষার্থী বনি আমিন ফকির। ছবি: নিউজবাংলা

জাবির ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। র‌্যাবের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পেরেছি, বনি আমিন এখন তাদের হেফাজতে আছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব। এর বেশি কিছু বলতে রাজি হননি তারা।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) সংলগ্ন এলাকার মেস থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া শিক্ষার্থী বনি আমিন ফকির এখন র‌্যাব হেফাজতে রয়েছেন।

বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৪-এর কমান্ডার মোজাম্মেল হক।

তিনি বলেন, ‘বনি আমিন র‌্যাবের হেফাজতে আছে। আমরা তার কাছ থেকে কিছু তথ্য নেয়ার জন্য নিয়ে এসেছি। তার বাবা আসতেছেন, তিনি আসলে আগামীকাল আমরা বিষয়টি ডিসপোজাল (নিষ্পত্তি) করতে পারি।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। র‌্যাবের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পেরেছি, বনি আমিন এখন তাদের হেফাজতে আছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব। এর বেশি কিছু বলতে রাজি হননি তারা।’

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী গেরুয়া এলাকার একটি মেস থেকে বনি আমিনকে র‌্যাব পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের এ শিক্ষার্থী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের আবাসিক ছাত্র। তার গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার বড়ভুনা গ্রামে। দীর্ঘ দিন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় ক্যাম্পাস সংলগ্ন গেরুয়া এলাকার ওই মেসে ভাড়া থাকতেন তিনি।

বনী আমিনের সহপাঠী তন্ময় জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে র‌্যাব-৪ পরিচয় দিয়ে কয়েকজন লোক মেসে ঢুকে তাদের আলাদা একটি কক্ষে আটকে ফেলেন। পরে তারা বনি আমিনের কক্ষে তল্লাশি চালান। পরে বনি আমিনকে তাকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, ‘ওই সময় বাধা দিয়ে পরিচয় জানতে চাই এবং প্রক্টর বা প্রভোস্টকে জানিয়ে বনিকে নিয়ে যেতে বলি। তবে তারা কারও সঙ্গে কথা না বলে আমাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।’

আরও পড়ুন:
হল খোলার আলটিমেটাম, মশাল মিছিল
বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে জাবির প্রস্তুতি
জাবি শিক্ষার্থীকে মারধরে সড়ক অবরোধ, ৪ আনসার প্রত্যাহার
স্মৃতিসৌধে ঢুকতে ‘টাকা না দেয়ায়’ জাবি শিক্ষার্থীকে মারধর
বিশ্ববিদ্যালয় খোলার দাবিতে প্রতীকী ক্লাস

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সন্তানকে খুনের কথা জানিয়ে জ্ঞান হারালেন মা

সন্তানকে খুনের কথা জানিয়ে জ্ঞান হারালেন মা

প্রতীকী ছবি।

শুক্রবার ৪ মাসের সন্তানকে নিয়ে ভাসুরের বাড়িতে বেড়াতে আসেন ফাতেমা আক্তার। সোমবার সকালে বাড়ির সবাইকে তিনি জানান, শ্বাসরোধ করে সন্তানকে হত্যা করেছেন। এরপরপর জ্ঞান হারান।

গাজীপুরের কাশিমপুরে এক নারীর বিরুদ্ধে সন্তান হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

পূর্ব এনায়েতপুর এলাকায় সোমবার সকাল ৬টায় এ ঘটনা ঘটে।

মৃত শিশুর নাম মোহাম্মদ আবিদুর রহমান। ৪ মাসের আবিদুরের বাড়ি পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া থানায়।

কাশিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবে খোদা এসব নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, চার মাসের আবিদুরকে নিয়ে গত শুক্রবার ভাসুরের বাড়িতে বেড়াতে আসেন মা ফাতেমা আক্তার।

সোমবার সকালে ঘুম থেকে উঠে বাড়ির সবাইকে তিনি জানান, আবিদুরকে শ্বাসরোধ করে করেছেন। এরপরপর অচেতন হয়ে পড়েন। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে গাজীপুর পপুলার হাসপাতালে ভর্তি করে।

ওসি বলেন, ‘মৃতের গলায় আঙ্গুলের ছাপ রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।’

কাশিমপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রায়হান সন্ধ্যায় নিউজবাংলাকে বলেন, শিশুর মায়ের জ্ঞান ফিরেছে। চিকিৎসকের ছাড়পত্র পেলে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

আরও পড়ুন:
হল খোলার আলটিমেটাম, মশাল মিছিল
বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে জাবির প্রস্তুতি
জাবি শিক্ষার্থীকে মারধরে সড়ক অবরোধ, ৪ আনসার প্রত্যাহার
স্মৃতিসৌধে ঢুকতে ‘টাকা না দেয়ায়’ জাবি শিক্ষার্থীকে মারধর
বিশ্ববিদ্যালয় খোলার দাবিতে প্রতীকী ক্লাস

শেয়ার করুন

৫ বছর স্কুলে না গিয়ে বেতন, শিক্ষক রায়নার অব্যাহতির আবেদন

৫ বছর স্কুলে না গিয়ে বেতন, শিক্ষক রায়নার অব্যাহতির আবেদন

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার কাদিরজঙ্গল ইউনিয়নের চাঁনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মেহবুবা রায়না। ছবি: সংগৃহীত

গত ১৫ অক্টোবর ‘তিনি ক্লাস না করিয়ে বেতন তুলছেন পাঁচ বছর ধরে’ শিরোনামে চাঁনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মেহবুবা রায়নাকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে নিউজবাংলা।

কিশোরগঞ্জে পাঁচ বছর ধরে স্কুলে না পড়িয়েও বেতন ভাতা তোলা সেই বিতর্কিত শিক্ষিক মেহবুবা রায়নার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। পরদিনই ওই শিক্ষক চাকরি থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেছেন।

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুব্রত কুমার বণিক রোববার রায়নার বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত তার অধীনেই হবে।

তিনি জানান, স্কুলে না গিয়ে মেডিক্যাল ছুটি নিয়ে বছরের পর বছর স্কুলে অনুপস্থিত থাকার কারণে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সুব্রত জানান, সোমবার মেহবুবা রায়না উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে চাকরি থেকে অব্যাহতির জন্য চিঠি পাঠিয়েছেন।

করিমগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মফিজুল হক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আজ (সোমবার) দুপুরে ডাকযোগে মেহবুবা রায়নার চাকরি থেকে অব্যাহতির আবেদনপত্র পেয়েছি। তার আবেদন পত্রে নানা ভুল-ত্রুটি রয়েছে। সেখানে কোনো তারিখ উল্লেখ নেই। চাকরি থেকে কবে তিনি অব্যাহতি নিতে চান সে বিষয়েরও কোনো উল্লেখ নেই।’

এ কর্মকর্তা জানান, অব্যাহতির আবেদনের ক্ষেত্রে তার সামনে সাক্ষর করে আবেদন জমা দেয়ার নিয়ম থাকলেও করিমগঞ্জ উপজেলার কাদিরজঙ্গল ইউনিয়নের চাঁনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক রায়না ডাকযোগে আবেদন করেছেন।

তাছাড়া অব্যাহতির বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং উপজেলা প্রাথমিক সহকারী কর্মকর্তাকেও অবগত করেননি ওই শিক্ষক।

৫ বছর স্কুলে না গিয়ে বেতন, শিক্ষক রায়নার অব্যাহতির আবেদন

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, ‘এ বিষয়গুলো উল্লেখ করে রায়নাকে পুনরায় চিঠি পাঠানো হবে।’

গত ১৫ অক্টোবর ‘তিনি ক্লাস না করিয়ে বেতন তুলছেন পাঁচ বছর ধরে’ শিরোনামে চাঁনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মেহবুবা রায়নাকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে নিউজবাংলা।

এরপরপই ফেসবুকে কিশোরগঞ্জ জেলাভিত্তিক বিভিন্ন গ্রুপে শুরু হয় সমালোচনা। এই অনিয়মের জন্য জেলা এবং উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তাদের দায়ী করে মন্তব্য করেন অনেকে।

রায়না ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা সাহিত্যের ওপর স্নাতক শেষ করে এখন স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে পড়ছেন। তিনি ২০১৬ সালে চাঁনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগ দেন। আর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন ২০১৪-২০১৫ সেশনে।

চাঁনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক জানান, ২০১৬ সালে রায়না স্কুলে যোগ দিয়ে তিনমাস নিয়মিত ক্লাস নিয়েছেন। এরপর স্কুলে যাননি টানা তিন বছর। ২০২০ সালের মার্চে করোনা প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার আগে ছয় মাস মাঝেমধ্যে আসতেন। করোনা শুরু হলে অন্যান্য শিক্ষকরা স্কুলে এলেও তিনি আসেননি এক দিনের জন্যও।

স্কুলটির একজন সহকারী শিক্ষক বলেন, ‘আমরা সারা বছর পরিশ্রম করে যে বেতন পাই, রায়না তার কিছুই না করেও একই বেতন পাচ্ছেন।

‘রায়না সরকারি চাকরি করে কর্মস্থলে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার বিষয়টি গোপন করেছেন, আবার অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়েও চাকরির ব্যাপারটা গোপন করেছেন। তিনি একসঙ্গে দুটি অপরাধ করেছেন।’

রায়নার ফেসবুক প্রোফাইল চেক করে দেখা যায়, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার তথ্য সেখানে উল্লেখ করেছেন। তিনি ময়মনসিংহে বসবাস করছেন এবং সেখানে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ানোর ছবি নিয়মিত আপডেটও করেন।

চাঁনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী রায়নার নামও বলতে পারেনি। কারণ জানতে চাইলে সে বলে, ‘হেই ম্যাডাম পহেলা কয়েকদিন ইস্কুলে আইছে, পরে আর আইছে না। হের লাইগ্যে হেই ম্যাডামের নামটা মনে নাই।’

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘মেহবুবা রায়না বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার কারণে ২০১৮ সালের ২০ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তার ইনক্রিমেন্ট স্থগিত করা হয়। পরে তাকে বিদ্যালয়ে যোগদানের অনুমতি দেয়া হয়।’

তিনি জানান, রায়না চাকরিতে যোগ দেয়ার পর তিনি বিভিন্ন মেয়াদে শুধু মেডিক্যাল ছুটি কাটিয়েছেন ২১৩ দিন। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর স্কুল খোলার পর ১২ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকার কারণে ২৩ সেপ্টেম্বর তার কৈফিয়ত তলব করা হয়। দায়িত্বে অবহেলার কারণে কেন তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তিন কার্যদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব চাওয়া হয়।

এরপর উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম তালুকদার বিষয়টি তদন্ত করেন৷ তদন্ত প্রতিবেদনে তিনি জানান, রায়না ওয়ার্কশিট বিতরণ ও মূল্যায়ন এবং অভিভাকদের সঙ্গে যোগাযোগ সংক্রান্ত কোনো কাজেও অংশগ্রহণ করেননি৷ তাকে প্রধান শিক্ষক ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা জানালেও তিনি তাতে কর্ণপাত করেননি।

পরে রায়নার বেতন বন্ধ করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করেন মফিজুল ইসলাম। আর গত ২৩ সেপ্টেম্বর মেহবুবা রায়নাকে শোকজ করা হয়। ২৭ সেপ্টেম্বর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে এর জবাব দেন রায়না। কিন্তু জবাব সন্তোষজনক মনে না হওয়ায় রায়নার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে ফাইলটি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে কথা বলতে রায়নার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি। পরে মেসেজ দিয়েও তার সাড়া পাওয়া যায়নি।

তার হোয়াটস অ্যাপ এবং ফেসবুক মেসেঞ্জারে একাধিকবার বার্তা পাঠানোর পর তিনি নিউজবাংলার প্রতিবেদকে ব্লক করে দেন।

আরও পড়ুন:
হল খোলার আলটিমেটাম, মশাল মিছিল
বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে জাবির প্রস্তুতি
জাবি শিক্ষার্থীকে মারধরে সড়ক অবরোধ, ৪ আনসার প্রত্যাহার
স্মৃতিসৌধে ঢুকতে ‘টাকা না দেয়ায়’ জাবি শিক্ষার্থীকে মারধর
বিশ্ববিদ্যালয় খোলার দাবিতে প্রতীকী ক্লাস

শেয়ার করুন

আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্যের ৩ দিনের রিমান্ড

আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্যের ৩ দিনের রিমান্ড

নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা দলের সদস্য শামীম হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য শামীম হোসেনের তিন দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত। মানিকগঞ্জের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৬ নম্বর আদালতের বিচারক শাকিল আহমদ সোমবার বিকেল ৪টার দিকে এ রায় দেন।

নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য শামীম হোসেনের তিন দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত।

মানিকগঞ্জের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৬ নম্বর আদালতের বিচারক শাকিল আহমদ সোমবার বিকেল ৪টার দিকে এ রায় দেন।

এর আগে দুপুরে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠায় পুলিশের বিশেষ টিম এন্টি টেররিজম ইউনিট।

গ্রেপ্তার শামীম শিবালয় উপজেলার শিমুলিয়া পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

মানিকগঞ্জের কোর্ট ইন্সপেক্টর মনিরুল ইসলাম রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শামীম নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের একজন সক্রিয় সদস্য। ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারের মাধ্যমে যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক, মেসেঞ্জার, টেলিগ্রামে উগ্রবাদী কন্টেন্ট প্রচার ও উগ্রবাদী বই দেয়া-নেয়া করতেন।

গোপন তথ্যের মাধ্যমে এন্টি টেররিজম ইউনিট শিমুলিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে বেশ কিছু জিহাদি বই উদ্ধার করা হয়।

তার বিরুদ্ধে শিবালয় থানায় এন্টি টেররিজম ইউনিটের পক্ষ থেকে একটি মামলা করা হয়।

আরও পড়ুন:
হল খোলার আলটিমেটাম, মশাল মিছিল
বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে জাবির প্রস্তুতি
জাবি শিক্ষার্থীকে মারধরে সড়ক অবরোধ, ৪ আনসার প্রত্যাহার
স্মৃতিসৌধে ঢুকতে ‘টাকা না দেয়ায়’ জাবি শিক্ষার্থীকে মারধর
বিশ্ববিদ্যালয় খোলার দাবিতে প্রতীকী ক্লাস

শেয়ার করুন

কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

খাঁটিহাতা হাইওয়ে পুলিশ জানায়, রবিউল বিজয়নগর থেকে মোটরসাইকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাচ্ছিলেন। হাইওয়ে থানার সামনে সিলেটগামী একটি কাভার্ডভ্যান তার মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই রবিউলের মৃত্যু হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের এক আরোহী নিহত হয়েছেন।

সরাইল উপজেলার ইসলামাবাদ এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার সামনে সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ৩১ বছর বয়সী রবিউল ইসলামের বাড়ি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার পাঁচগাছি ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামে। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাজী পাম্প ও মোটরসের মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ ছিলেন। শহরেই বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে পুলিশ জানায়, রবিউল বিজয়নগর থেকে মোটরসাইকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাচ্ছিলেন। হাইওয়ে থানার সামনে সিলেটগামী একটি কাভার্ডভ্যান তার মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই রবিউলের মৃত্যু হয়।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাজালাল আলম নিউজবাংলাকে জানান, মরদেহ থানায় রাখা হয়েছে। কাভার্ডভ্যান নিয়ে পালিয়ে যাওয়ায় চালককে আটক করা যায়নি।

তিনি বলেন, ‘নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।’

আরও পড়ুন:
হল খোলার আলটিমেটাম, মশাল মিছিল
বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে জাবির প্রস্তুতি
জাবি শিক্ষার্থীকে মারধরে সড়ক অবরোধ, ৪ আনসার প্রত্যাহার
স্মৃতিসৌধে ঢুকতে ‘টাকা না দেয়ায়’ জাবি শিক্ষার্থীকে মারধর
বিশ্ববিদ্যালয় খোলার দাবিতে প্রতীকী ক্লাস

শেয়ার করুন

ছেলেকে তুলে নিয়ে তরুণীর বিয়ে

ছেলেকে তুলে নিয়ে তরুণীর বিয়ে

নাজমুলের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল নোমান জানান, আসামি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নাজমুলকে প্রেম ও বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। নাজমুল রাজি না হওয়ায় গত ২৭ সেপ্টেম্বর পটুয়াখালী লঞ্চঘাট এলাকা থেকে ৭-৮ জন অপরিচিত লোক তাকে তুলে নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান। সেখানে জোর করে তার কাছ থেকে একটি নীল কাগজে সই নেয়া হয়।

পটুয়াখালীতে কলেজছাত্রকে তুলে নিয়ে গিয়ে জোর করে বিয়ে করার অভিযোগে এক তরুণীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

পটুয়াখালী জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে ৩ অক্টোবর অভিযোগ দেন ওই যুবক। আদালতের নির্দেশে রোববার রাতে মামলাটি নেয় পটুয়াখালী সদর থানা।

মামলার বাদী মো. নাজমুল আকন পটুয়াখালী সরকারি কলেজের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা সদরে। আসামি তরুণীর বাড়িও একই উপজেলায়।

নাজমুলের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল নোমান জানান, আসামি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নাজমুলকে প্রেম ও বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন।

নাজমুল রাজি না হওয়ায় গত ২৭ সেপ্টেম্বর পটুয়াখালী লঞ্চঘাট এলাকা থেকে ৭-৮ জন অপরিচিত লোক তাকে তুলে নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান। সেখানে জোর করে তার কাছ থেকে একটি নীল কাগজে সই নেয়া হয়। পরে ওই দিনই তাকে শহরে ছেড়ে দেয়া হয়।

নোমানের ধারণা, ওই কাগজ দিয়ে তারা একটি কাবিননামা তৈরি করবেন।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনার পর নাজমুল গত ৩ অক্টোবর পটুয়াখালী জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে মামলার আবেদন করেন। পরে বিচারক মামলাটি নথিভুক্ত করতে পটুয়াখালী সদর থানাকে নির্দেশ দেন।

মামলার কাগজপত্রের সঙ্গে বিয়ের একটি ভিডিও ক্লিপও আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে জানিয়েছেন নাজমুলের আইনজীবী।

ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, নাজমুল ও ওই তরুণী পাশাপাশি দুটি চেয়ারে বসে আছেন। নাজমুলের পেছনে দাঁড়ানো একজন তার ঘাড়ের দুই পাশ ধরে আছেন। অন্য পাশ থেকে একজন তরুণী ও নাজমুলের মুখে মিষ্টিজাতীয় কিছু তুলে দিচ্ছেন। সেখানে নাজমুলকে চুপচাপ দেখা গেলেও তরুণী ছিলেন চঞ্চল।

এ বিষয়ে তরুণী বা তার পরিবারের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, রোববার আদালতের নির্দেশের কপি পাওয়ার পরই মামলা নেয়া হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি কাজও শুরু করেছেন।

আরও পড়ুন:
হল খোলার আলটিমেটাম, মশাল মিছিল
বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে জাবির প্রস্তুতি
জাবি শিক্ষার্থীকে মারধরে সড়ক অবরোধ, ৪ আনসার প্রত্যাহার
স্মৃতিসৌধে ঢুকতে ‘টাকা না দেয়ায়’ জাবি শিক্ষার্থীকে মারধর
বিশ্ববিদ্যালয় খোলার দাবিতে প্রতীকী ক্লাস

শেয়ার করুন

কৃষক হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

কৃষক হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

কিশোরগঞ্জে কৃষক হত্যা মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। ছবি: নিউজবাংলা

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৮ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে স্থানীয় বাজারে ধান বিক্রি করতে যাচ্ছিলেন কৃষক বাচ্চু মিয়া। এ সময় রাস্তায় তার গতিরোধ করে তাকে কুপিয়ে হত্যা করেন জসিম উদ্দিন ও তার ভাইয়েরা। ওই দিন রাতেই বাচ্চুর বড় ভাই হারুনুর রশীদ ছয়জনকে আসামি করে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।

কিশোরগঞ্জে কৃষক হত্যা মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চারজনকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

আসামিদের উপস্থিতিতে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের হাকিম নার্গিস ইসলাম ১৮ অক্টোবর সোমবার সকালে এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া জসিম উদ্দিন সদর উপজেলার কর্শাকড়িয়াইল ইউনিয়নের মনাকর্ষা গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে জসিম উদ্দিনের লোকজনের সঙ্গে বিরোধ ছিল একই এলাকার বাচ্চু মিয়ার লোকজনের। আর এ ঘটনার জেরেই হত্যাকাণ্ড।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৮ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে স্থানীয় বাজারে ধান বিক্রি করতে যাচ্ছিলেন কৃষক বাচ্চু মিয়া। এ সময় রাস্তায় তার গতিরোধ করে তাকে কুপিয়ে হত্যা করেন জসিম উদ্দিন ও তার ভাইয়েরা।

ওই দিন রাতেই বাচ্চুর বড় ভাই হারুনুর রশীদ ছয়জনকে আসামি করে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ দেয় পুলিশ। দীর্ঘ ১৩ বছর পর সোমবার এ রায় দেন বিচারক।

রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন রাখাল চন্দ দেবনাথ ও আসামিপক্ষের আইনজীবী মিজানুর রহমান।

বাদীপক্ষের রাখাল চন্দ্র দেবনাথ জানান, এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ ন্যায়বিচার পেয়েছে। এতে বাদীপক্ষ অত্যন্ত খুশি। তবে এই রায়ের দ্রুত বাস্তবায়ন চান তারা।

আসামি উচ্চ আদালতে গেলে ন্যায়বিচার পাবেন বলে মনে করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মিজানুর রহমান।

আরও পড়ুন:
হল খোলার আলটিমেটাম, মশাল মিছিল
বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে জাবির প্রস্তুতি
জাবি শিক্ষার্থীকে মারধরে সড়ক অবরোধ, ৪ আনসার প্রত্যাহার
স্মৃতিসৌধে ঢুকতে ‘টাকা না দেয়ায়’ জাবি শিক্ষার্থীকে মারধর
বিশ্ববিদ্যালয় খোলার দাবিতে প্রতীকী ক্লাস

শেয়ার করুন

‘সাম্প্রদায়িকতা ছড়িয়ে ক্ষমতার স্বপ্ন দেখছে বিএনপি’

‘সাম্প্রদায়িকতা ছড়িয়ে ক্ষমতার স্বপ্ন দেখছে বিএনপি’

বরিশাল নগরীর একটি হোটেলে সোমবার সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা

বরিশালে সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগ নেতা আফজাল বলেন, তারেক জিয়ার নেতৃত্বে নানা অপকর্ম হয়েছে। মানুষটির মগজ থেকে ২১ আগস্টের মত ঘটনা তৈরি হয়েছে। তার দল বিএনপি সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার দিবা স্বপ্ন দেখছে।

বিএনপি সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন।

সোমবার বিকালে বরিশাল নগরীর একটি হোটেলে দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক সংঘাত নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, বিএনপি একটি সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল। তারা মুখে মুক্তিযুদ্ধের কথা বলেও ধর্মান্ধ ও উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে প্রশ্রয় দেয়। বিভিন্ন সময়ে নির্বাচন ঠেকানোর নামে দলটি সাম্প্রদায়িক উসকানি দিয়েছিল।

ফেসবুকে যারা গুজব ছড়াবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন আওয়ামী লীগের এই নেতা।

সংবাদ সম্মেলনে আফজাল আরও বলেন, তারেক জিয়ার নেতৃত্বে নানা অপকর্ম হয়েছে। মানুষটির মগজ থেকে ২১ আগস্টের মত ঘটনা তৈরি হয়েছে। তার দল বিএনপি সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার দিবা স্বপ্ন দেখছে।

তিনি বলেন, যেসব স্থানে হামলা, ভাংচুর হয়েছে সেখানে স্থানীয়ভাবে সংকট থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক শক্তি সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে আফজাল বলেন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের জন্য আওয়ামী লীগ একাট্টা। সাম্প্রদায়িক উসকানি সৃষ্টি করে যারা হত্যা, সন্ত্রাস করে তাদের বিচার হবে না, তা হতে পারে না।

তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক হামলা ঠেকাতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার বিকল্প নেই।

দক্ষিণাঞ্চলের দলীয় সব পর্যায়ের নেতাকর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তালুকদার মো: ইউনুস, ঝালকাঠী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খান সাইফুল্লাহ পনিরসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
হল খোলার আলটিমেটাম, মশাল মিছিল
বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে জাবির প্রস্তুতি
জাবি শিক্ষার্থীকে মারধরে সড়ক অবরোধ, ৪ আনসার প্রত্যাহার
স্মৃতিসৌধে ঢুকতে ‘টাকা না দেয়ায়’ জাবি শিক্ষার্থীকে মারধর
বিশ্ববিদ্যালয় খোলার দাবিতে প্রতীকী ক্লাস

শেয়ার করুন