বিসিক ওয়ানস্টপ সার্ভিসে পরিবেশ অধিদপ্তরের ২৪ সেবা

বিসিক ওয়ানস্টপ সার্ভিসে পরিবেশ অধিদপ্তরের ২৪ সেবা

এসব সেবার মধ্যে রয়েছে পরিবেশগত ছাড়পত্র, পরিবেশগত ছাড়পত্র নবায়ন, পরিবেশ অবস্থানগত ছাড়পত্র, পরিবেশগত মূল্যায়ন ছাড়পত্র, টার্মস অফ রেফারেন্স অনুমোদন ও জিরো ডিসচার্জ অনুমোদন।  

পরিবেশ অধিদপ্তরের ২৪টি সেবা ওয়ানস্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে দেবে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)।

সেবা দিতে বিসিক ও পরিবশে অধিদপ্তরের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে।

মঙ্গলবার বিসিক সম্মেলন কক্ষে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এমওইউতে সই করেন বিসিক চেয়ারম্যান মোশতাক হাসান, এনডিসি ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আশরাফ উদ্দিন।

এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ফলে শিল্প উদ্যোক্তারা বিসিক শিল্পনগরীগুলোতে শিল্প স্থাপনের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রধান ৬টি সেবা এবং সে সঙ্গে ১৮টি সেবাসহ ২৪টি সেবা বিসিক ওয়ানস্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে নিতে পারবেন।

এতে শিল্পায়নের গতি ত্বরান্বিত হবে ও উদ্যোক্তারা উৎসাহ পাবেন বলে জানানো হয়।

এসব সেবার মধ্যে রয়েছে পরিবেশগত ছাড়পত্র, পরিবেশগত ছাড়পত্র নবায়ন, পরিবেশ অবস্থানগত ছাড়পত্র, পরিবেশগত মূল্যায়ন ছাড়পত্র, টার্মস অফ রেফারেন্স অনুমোদন ও জিরো ডিসচার্জ অনুমোদন।

বিসিক চেয়ারম্যান বলেন, দেশে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নে কাজ করে যাচ্ছে বিসিক। শিল্প উদ্যোক্তাদের সবগুলো সেবা একই ছাতার নিচ থেকে প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে বিসিক চালু করেছে ওয়ানস্টপ সার্ভিস। পরিবেশ অধিদপ্তরের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ফলে দেশে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন গতিশীল হবে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, বিসিক ও পরিবেশ অধিদপ্তর সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ফলে দেশে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিক পরিচালক (অর্থ) স্বপন কুমার ঘোষ, পরিচালক (শিল্প উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ) নেপাল চন্দ্র কর্মকার, বিসিক সচিব মো. মফিদুল ইসলাম, পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মাসুদ ইকবাল মো. শামীম, পরিচালক (আইটি) ফরিদ আহমেদসহ বিসিক ও বিজনেস অটোমেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
পণ্য বিপণনে ৪৯৩ উপজেলায় ‘ডিজিটাল ডিসপ্লে সেন্টার’
বিসিক অনলাইন মার্কেট উদ্বোধন
বগুড়ায় বিসিকের অনলাইন পণ্য মেলা শুরু
বিসিকের ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু
সিএমএসএমই খাতে বিসিকের আরও ৫০ কোটি টাকা ঋণ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ই-কমার্স: এসক্রো পদ্ধতিতে টাকা ফেরতের ব্যবস্থা নেই!

ই-কমার্স: এসক্রো পদ্ধতিতে টাকা ফেরতের ব্যবস্থা নেই!

ই-কমার্স ব্যবসায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতে লেনদেনে চালু করা হয়েছে এসক্রো পদ্ধতি। প্রতীকী ছবি

জুলাই মাসের পর লেনদেন করা ২১৪ কোটি টাকা গেটওয়ে প্রতিষ্ঠানের কাছে আটকা আছে, কিন্তু সেই টাকা ফেরত দেবার বিষয়ে কোনো উপায় বের করা হয়নি। ফলে অর্থ দাবি করে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে গ্রাহক, উপায় বের করতে পারছে না বাংলাদেশ ব্যাংক, মন্ত্রণালয়।

ই-কমার্স ব্যবসায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জুলাই মাস থেকে চালু হয়েছে এসক্রো পদ্ধতি। অর্থাৎ পণ্য নিতে হলে গেটওয়ে প্রতিষ্ঠানে টাকা যাবে। গ্রাহক নিশ্চিত করলেই ছাড় হবে অর্থ, কিন্তু গ্রাহক যদি পণ্য না পেয়ে অর্থ ফেরত চায়, তার কোনো উপায় নেই।

ইভ্যালি, কিউকম, ই-অরেঞ্জসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অর্থ দিয়ে এখন বেকায়দায় পড়েছেন হাজার হাজার গ্রাহক। জুলাই মাসের পর লেনদেন করা ২১৪ কোটি টাকা গেটওয়ে প্রতিষ্ঠানের কাছে আটকা আছে। কিন্তু সেই টাকা ফেরত দেবার বিষয়ে কোনো উপায় বের করা হয়নি। ফলে অর্থ দাবি করে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন গ্রাহক, উপায় বের করতে পারছে না বাংলাদেশ ব্যাংক, মন্ত্রণালয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শত শত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ব্যবসা করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক যেসব পেমেন্ট গেটওয়ে প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দিয়েছে, তারা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা পরিপালন করতে বাধ্য। কিন্তু অন্য অনুমোদনহীন যেসব পেমেন্ট গেটওয়ে রয়েছে, তাদের নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।’

গেটওয়ে প্রতিষ্ঠানের বৈধতা নেই

ই-কমার্সে পেমেন্টের ক্ষেত্রে ক্রেতার অর্থের সুরক্ষা দিতে চালু হয়েছে গেটওয়ে পদ্ধতি। কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্ক উঠেছে। একাধিক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের অভিযোগ, গেটওয়েতে আটকে গেছে শত শত কোটি টাকা। অনুমোদন না নিয়ে ব্যবসা পরিচালনাসহ অর্থ পাচারের অভিযোগও উঠেছে দু-একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ই-পেমেন্ট গেটওয়ে বা ই-ওয়ালেট সেবা দিতে এখন পর্যন্ত ৯টি প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে পেমেন্ট সার্ভিস অপারেটর বা ই-পেমেন্ট গেটওয়ে সেবার জন্য লাইসেন্স পেয়েছে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান। আর চারটি প্রতিষ্ঠানকে পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার বা ই-ওয়ালেট সেবার জন্য লাইসেন্স দেয়া হয়েছে।

পাঁচ পেমেন্ট সিস্টেমস অপারেটর (পিএসও) হলো: আইটি কনসালট্যান্টস, এসএসএল কমার্জ, সূর্যমুখী লিমিটেড, প্রগতি সিস্টেম ও পর্টোনিক্স লিমিটেড।

অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে নথিপত্র জমা দিয়েছে আমার পে, ইজি পে ওয়ে, পে স্পেস, ওয়ালেট মিক্স ও ফস্টার পেমেন্ট গেটওয়ে।

এর বাইরে আরও সেবা দিচ্ছে বিডি স্মার্ট পে, বিটিটি পে, পোর্ট ওয়ালেট, টু চেক আউটসহ আরও কয়েকটি পিএসও।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, ২০১৬ সালে পেমেন্ট গেটওয়েসংক্রান্ত নীতিমালা হলেও দেশে পেমেন্ট গেটওয়ে অপারেট করছে ২০১১ সাল থেকে। কোনো কোনো পেমেন্ট গেটওয়ে তারও পুরোনো।

তবে নীতিমালার পর ওইসব প্রতিষ্ঠান ব্যবসা চালু রাখবে না বন্ধ করে দেবে, সে বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করে। বাংলাদেশ ব্যাংক তখন ওইসব প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করার নির্দেশনা দিলে প্রতিষ্ঠানগুলো পেমেন্ট গেটওয়ে হিসেবে লাইসেন্স পাওয়ার জন্য আবেদন করে। লাইসেন্সিংয়ের প্রক্রিয়ার মধ্যে থেকেই ব্যবসা পরিচালনা করছে এসব প্রতিষ্ঠান।

ফস্টার পেমেন্টের হেড অফ পিআর মুনতাসির আহমেদ বলেন, ‘২০১৬ সালে লাইসেন্স অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হয়। এটা চলমান প্রক্রিয়া। ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এনওসি (নো অবজেকশন লেটার) মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।’

অর্থ ফেরত দেবার উপায় নেই

ই-কমার্স ভোক্তাদের স্বার্থরক্ষায় ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা ২০২১ জারির পর জুলাই থেকে ভোক্তারা বিভিন্ন ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে ৪৯০ কোটি টাকার পণ্য অর্ডার করেছেন। এর মধ্যে ভোক্তারা পণ্য বুঝে পেয়েছেন ২৮০ কোটি টাকার।

অবশিষ্ট ২১০ কোটি টাকা বিভিন্ন পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি), পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটর ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) গেটওয়েতে আটকে আছে।

গ্রাহকের একটি অর্থও তছরুপ হয়নি বলে দাবি করেছে ফস্টার পেমেন্ট। প্রতিষ্ঠানের হেড অফ পিআর মুনতাসির আহমেদ বলেন, ‘ফস্টার পেমেন্টের মাধ্যমে লেনদেনের একটি টাকাও দেশের বাইরে যায়নি। সব টাকা বিভিন্ন ব্যাংকের চলতি হিসাবে রক্ষিত আছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট ব্যাংক ও মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে টাকা দেয়া হবে। এ বিষয়ে আমাদের চুক্তি করা আছে। চুক্তি অনুযায়ী টাকা গ্রাহক পেয়ে যাবে। ম্যানুয়াল পদ্ধতির কারণে দেরি হচ্ছে।’

পিএসপি এবং এমএফএস সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তারা জানান, ১ জুলাই থেকে শুরু করে তারা ভোক্তাদের করা পেমেন্টগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ট্রাস্ট-কাম-সেটেলমেন্ট অ্যাকাউন্টে (টিসিএসএ) রাখছে এবং ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে পণ্যের ডেলিভারি নিশ্চিত করার তথ্যের অপেক্ষায় আছে।

ডেলিভারি নিশ্চিত না হওয়ায় ১ জুলাই থেকে ভোক্তাদের অগ্রিম পেমেন্ট টিসিএসএতে রাখা হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী ১০ দিনের মধ্যে পণ্য ডেলিভারির সময়সীমা পার হলেও পিএসপি বা এমএফএস সেবাদাতারা ভোক্তাদের কোনো ধরনের রিফান্ড দিতে পারে না।

এ ক্ষেত্রে টাকা ফিরিয়ে দেয়ার নির্দেশটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে পিএসপি বা অন্যান্য পেমেন্ট গেটওয়ে অপারেটরদের কাছে যেতে হবে। এ ধরনের নির্দেশ না আসা পর্যন্ত পেমেন্ট সেবাদাতারা এই টাকা টিসিএসএতে আটকে রাখতে বাধ্য।

তবে ডেলিভারির ১০ দিনের নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে গেলে গ্রাহক যদি পণ্য না পায়, সে ক্ষেত্রে টাকা ফিরিয়ে দেয়ার কোনো নির্দেশনা তাদের দেয়া হয়নি।

পেমেন্ট গেটওয়ে অপারেটর বিকাশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, ‘পণ্য ডেলিভারি না হওয়া পর্যন্ত টাকা আমাদের গেটওয়েতে থাকবে। ভোক্তার সঙ্গে তাদের সরাসরি কোনো সংযোগ নেই। অন্য কোনো সিদ্ধান্ত হলে সেটা আমরা বাস্তবায়ন করব।’

এমএফএস অপারেটর নগদও জানিয়েছে, তারা ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের নির্দেশ ছাড়া টাকা রিফান্ড করতে পারে না।

ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদ-এর হেড অফ পাবলিক কমিউনিকেশন মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম সজল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো নির্দেশনা ছাড়া গ্রাহকদের টাকা ফিরিয়ে দিতে পারি না। ভোক্তার সঙ্গে আমাদের কোনো সরাসরি সংযোগ নেই। ভোক্তার টাকা ফিরিয়ে দেয়ার বিষয়টি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের ওপর নির্ভরশীল। পেমেন্ট গেটওয়েতে আটকে থাকা অর্থ ফিরে পেতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক যৌথভাবে একটি উপায় বের করার চেষ্টা করছে। তাদের নির্দেশমতো আমরা কাজ পরিচালনা করব।’

একাধিক ব্যাংকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জুলাইয়ের পরে কেউ ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে পণ্য কিনলে যে ব্যাংকের কার্ড, সেখানে পণ্য না পাওয়ার অভিযোগ জানাতে পারেন। তবে মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এখনও সরকার এ ধরনের প্রক্রিয়া চালু করেনি।

অর্থ ফেরত দিতে আদালতে রিট

পেমেন্ট গেটওয়েতে আটকে থাকা টাকা গ্রাহকদের ফেরত দিতে ২১ অক্টোবর হাইকোর্টে রিট দায়ের করা করেন ভোক্তা অধিকার সংস্থা ‘কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটির (সিসিএস) পক্ষে ব্যারিস্টার সাবরিনা জেরিন।

রিটে ই-কমার্সে পণ্য অর্ডার করে পাননি এমন গ্রাহকদের অর্থ কেন ফেরত দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে প্রতিকার চাওয়া হয়।

একই সঙ্গে ই-কমার্স পেমেন্টের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত নিয়ম (এসক্রো সিস্টেম) সংশোধন করে গ্রাহকের টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেরত পাওয়ার স্থায়ী পদ্ধতি কেন চালু করা হবে না, তা বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে জানতে চাওয়া হয়।

আগামী সপ্তাহের শুরুতে পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বক্তব্য

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, গেটওয়ে প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগই বাংলাদেশ ব্যাংকে থেকে অনুমোদ নেয়নি। তাদের কর্মকাণ্ড কীভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে? তিনি বলেন, এ জন্য জনগণকে সচেতন হতে হবে। লেনদেন করার আগে ভালোভাবে জেনে শুনে নিতে হবে। ছাড় দিলেই লুফে নিলে হবে না।

আরও পড়ুন:
পণ্য বিপণনে ৪৯৩ উপজেলায় ‘ডিজিটাল ডিসপ্লে সেন্টার’
বিসিক অনলাইন মার্কেট উদ্বোধন
বগুড়ায় বিসিকের অনলাইন পণ্য মেলা শুরু
বিসিকের ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু
সিএমএসএমই খাতে বিসিকের আরও ৫০ কোটি টাকা ঋণ

শেয়ার করুন

সুবিধাবঞ্চিতদের উন্নয়নে ব্র্যাক পাচ্ছে ৫ কোটি ডলার

সুবিধাবঞ্চিতদের উন্নয়নে ব্র্যাক পাচ্ছে ৫ কোটি ডলার

কোনো আন্তর্জাতিক অর্থায়ন প্রতিষ্ঠান থেকে বাংলাদেশের ক্ষুদ্র অর্থায়ন প্রতিষ্ঠানকে সরাসরি ঋণ দেয়ার এটিই প্রথম ঘটনা। এখন থেকে বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করবে ব্র্যাক ও এফএমও।

ক্ষুদ্র অর্থায়নের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিতদের উন্নয়নে নেদারল্যান্ডসের বেসরকারি খাতের উন্নয়ন ব্যাংক এফএমও থেকে ৫ কোটি ডলার অর্থ সহায়তা পাচ্ছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক।

কোনো আন্তর্জাতিক অর্থায়ন প্রতিষ্ঠান থেকে বাংলাদেশের ক্ষুদ্র অর্থায়ন প্রতিষ্ঠানকে সরাসরি ঋণ দেয়ার এটিই প্রথম ঘটনা। এখন থেকে বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করবে ব্র্যাক ও এফএমও।

মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে বুধবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে ঋণের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে ব্র্যাক।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত অ্যান ভ্যান লিউয়েন ও ফার্স্ট সেক্রেটারি বাস ব্লাউ, ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ, চিফ ফিন্যানশিয়াল অফিসার তুষার ভৌমিক, ব্র্যাকের কমিউনিকেশন বিভাগের পরিচালক মৌটুসী কবীর, মাইক্রোফাইন্যান্স প্রোগ্রামের চিফ অপারেটিং অফিসার সাহেদ শামস আজাদ, আরএসএ ক্যাপিটালের চেয়ারম্যান কে মাহমুদ সাত্তারসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এফএমও-এর পক্ষে ভার্চুয়ালি অংশ নেন চিফ ইনভেস্টমেন্ট অফিসার হুইব-জ্যান ডি রুইজটার, ফিন্যানশিয়াল ইনস্টিটিউশন্স বিভাগের পরিচালক মারনিক্স মন্সফোর্ট, সিনিয়র পোর্টফোলিও অ্যানালিস্ট অ্যাডিনা গিলার্দিয়া।

নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত অ্যান ভ্যান লিউয়েন বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫০ বছরে বাংলাদেশ উন্নয়নে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে কাজ করেছে এবং এই যাত্রায় ব্র্যাক দারিদ্র্য দূরীকরণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে চমৎকার অবদান রেখেছে। ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা সবচেয়ে দীর্ঘ। এই অংশীদারি ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করবে। লক্ষাধিক মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসবে।

আরও পড়ুন:
পণ্য বিপণনে ৪৯৩ উপজেলায় ‘ডিজিটাল ডিসপ্লে সেন্টার’
বিসিক অনলাইন মার্কেট উদ্বোধন
বগুড়ায় বিসিকের অনলাইন পণ্য মেলা শুরু
বিসিকের ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু
সিএমএসএমই খাতে বিসিকের আরও ৫০ কোটি টাকা ঋণ

শেয়ার করুন

সঠিক সিদ্ধান্তের ফলে মহামারিতে সচল অর্থনীতি

সঠিক সিদ্ধান্তের ফলে মহামারিতে সচল অর্থনীতি

ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনার রাজনৈতিক দর্শন অনুসরণ করলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সময় লাগবে না। তিনি দেশ ও জনগনের ভাগ্য উন্নয়নে রাজনীতি করেন। আর রাজনীতিকে যারা ব্যবসার হাতিয়ার হিসেবে নেয়, তারা ভয়াবহ। এতে রাজনীতি থাকে না, ব্যবসাও হয় না।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের সময় তৈরি পোশাক শিল্পের কারখানা খুলে দেয়ায় তুমুল সমালোচনার মুখে পড়ে সরকার। কিন্তু সে সিদ্ধান্তের সুফল পাচ্ছে দেশ। রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে তৈরী পোশাক খাত। সরকারের সঠিক সিদ্ধান্তে করোনাতে সচল ছিল অর্থনীতি। যার ফলে শিল্প বাণিজ্যসহ সার্বিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বাংলাদেশ।

রাজধানীর একটি হোটেলে বুধবার এক সভায় এসব বিষয় তুলে ধরেন আলোচকরা।

আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক উপ-কমিটি আয়োজন করেছিল ‘করোনাকালীন শিল্প ও বাণিজ্য উন্নয়নে জননেত্রী শেখ হাসিনার ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভা।

সঠিক সিদ্ধান্তের ফলে মহামারিতে সচল অর্থনীতি
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা

প্রধান অতিথি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘শেখ হাসিনার রাজনৈতিক দর্শন অনুসরণ করলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সময় লাগবে না। তিনি দেশ ও জনগনের ভাগ্য উন্নয়নে রাজনীতি করেন। আর রাজনীতিকে যারা ব্যবসার হাতিয়ার হিসেবে নেয়, তারা ভয়াবহ। এতে রাজনীতি থাকে না, ব্যবসাও হয় না।

‘করোনাকালে প্রধানমন্ত্রীর নেয়া পদক্ষেপ ও কর্মকাণ্ড বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হয়েছে। শুধু বর্তমান নিয়ে নয়, সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ায় কাজ করছেন তিনি।’

কাদের বলেন, ‘দেশে উন্নয়নকাজ চলছে, তাতে মানুষের সাময়িক সমস্যা হলেও ফলাফল হবে জনবান্ধব। আগামী বর্ষার আগেই জনদুর্ভোগ শেষ হবে। সীমান্তসহ দেশব্যাপী যোগাযোগ খাতের যুগান্তকারী উন্নয়ন হচ্ছে।’

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য এবং শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান কাজী আকরাম উদ্দীন আহমদের সভাপত্বিতে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্পমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন ও বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। এছাড়াও এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসীম উদ্দিন, সাবেক সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম আলোচনায় অংশ নেন।

আলোচকরা বলেন, ‘করোনার মধ্যে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যেন স্থবির না হয়, সে জন্য ঘোষণা করা হয় প্রণোদনা প্যাকেজ। খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা চালু রাখতে সরকারি প্রণোদনা অব্যাহত রাখা হয়েছে।

‘সব শিল্পমালিক, ব্যবসায়ী ও ব্যক্তিপর্যায়ে নিজ নিজ শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, শ্রমিকদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নিজেদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে উৎপাদন অব্যাহত রাখতে সবসময় সহায়তা করেছেন প্রধানমন্ত্রী।’

টিপু মুনশি বলেন, ‘করোনায় শত সমালোচনার পরেও পোশাক শিল্পের পাশে ছিলেন শেখ হাসিনা। যার ফলে এই শিল্প আজ রের্কড গড়তে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর সাহসী পদক্ষেপের কারণে এ শিল্পে মহামারির ক্ষতি কাটিয়ে উঠা সম্ভব হচ্ছে। কারণ, একবার বাজার হারালে সেটা ফিরে পাওয়া কঠিন ছিল।’

নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, ‘করোনায় সব দেশে যখন হিমশিম অবস্থা, তখন আমাদের প্রধানমন্ত্রী জীবন-জীবিকা টিকিয়ে রাখতে দূরদর্শী মতামত দিয়েছেন। অল্প সময়ে জনগণের আস্থা ফেরাতে সক্ষম হয়েছেন। ব্যবসা খাতে বিভিন্ন সমস্যা তৈরি হলেও প্রণোদনা প্যাকেজের কারণে নতুন জীবনীশক্তি তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ী, মালিক, শ্রমিক সবার পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ফলে জীবন-জীবিকার চাকা আবার ঘুরতে শুরু করেছে।’

শেখ ফজলে ফাহিম বলেন, ‘মানুষের জীবন-জীবিকায় অনিশ্চয়তা দেখা দেয়আয় প্রধানমন্ত্রী তিন বছর মেয়াদি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনির আওতা বাড়ানো, বাজারে ব্যাপক টাকার সরবরাহ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং কৃষিতে গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন গবেষণায় তিনি বিনিয়োগ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর এমন দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে আমরা সহজেই মহামারি মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছি।’

মো. জসিম উদ্দিন বলেন,‘ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ায় করোনাতে কোনো কার্যক্রম থেমে থাকেনি। ইন্টারনেটের মাধ্যমে জুম মিটিং করে সমস্যা সমাধান করা গেছে। আমাদের এগিয়ে যেতে এখন বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর বিকল্প নেই। ১০০ অর্থনৈতিক জোনে বিনিয়োগ পলিসি করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
পণ্য বিপণনে ৪৯৩ উপজেলায় ‘ডিজিটাল ডিসপ্লে সেন্টার’
বিসিক অনলাইন মার্কেট উদ্বোধন
বগুড়ায় বিসিকের অনলাইন পণ্য মেলা শুরু
বিসিকের ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু
সিএমএসএমই খাতে বিসিকের আরও ৫০ কোটি টাকা ঋণ

শেয়ার করুন

ইউরোপের বাণিজ্য সুবিধায় সমস্যা হবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

ইউরোপের বাণিজ্য সুবিধায় সমস্যা হবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

টিপু মুনশি

টিপু মুনশি বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সব বিধি-বিধান মেনেই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অব্যাহত রেখেছে এবং সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।’

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ তথা এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পরও ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বাণিজ্যসুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

বুধবার বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট-২০২১-এর ‘ইকোনমিক টাই অফ বাংলাদেশ অ্যান্ড ইউরোপ: নিউ রেগুলেটরি রিজুম’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য দেন।

বাংলাদেশ ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। বর্তমানে দেশের ৯৭ ভাগ রপ্তানি পণ্যের ওপর ইউরোপিয়ন ইউনিয়ন ‘এভরিথিং বাট আর্মস স্কিম’ (ইবিএ)-এর আওতায় জিএসপি সুবিধা দিচ্ছে। কিন্তু উত্তরণের পর বাণিজ্য ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে বাংলাদেশকে। সে ক্ষেত্রে ইইউয়ের দেয়া বাণিজ্যসুবিধা বহাল রাখার বিষয়ে জোর সংশয় তৈরি হয়েছে।

তবে বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট-২০২১-এর ভার্চুয়াল সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘ইইউ থেকে বাণিজ্যসুবিধা পেতে কোনো সমস্যা হবে না। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা অব্যাহত রেখেছে সরকার, যাতে বাণিজ্যসুবিধা অব্যাহত রাখতে কোনো ধরনের সমস্যায় পড়তে না হয়।’

টিপু মুনশি বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সব বিধি-বিধান মেনেই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অব্যাহত রেখেছে এবং সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। ইইউসহ দাতা দেশগুলোর চাওয়া অনুযায়ী, বাংলাদেশ শ্রম আইন সংশোধন করে সময়োপযোগী করেছে। শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করেছে। কর্মবান্ধব পরিবেশও সৃষ্টি হয়েছে। শ্রমিকরা এখন গ্রিন ফ্যাক্টরিতে কাজ করছে। বিশ্বের সেরা ও সর্বোচ্চ গ্রিন ফ্যাক্টরির তালিকায়ও রয়েছে বাংলাদেশের নাম। এতে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি অনেক উজ্জ্বল হয়েছে। এ প্রচেষ্টা প্রতিনিয়ত অব্যাহত রয়েছে, যা বাংলাদেশকে ইইউসহ অন্যান্য দেশ থেকে বাণিজ্য সুবিধা পেতে সহায়তা করবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘বাাংলাদেশ রপ্তানি বাণিজ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। ইইউ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার। বাংলাদেশ ২০২৬ সালে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন করে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। এই গ্র্যাজুয়েশনের পরও তিন বছর অর্থাৎ ২০২৯ সাল পর্যন্ত ডিউটি ফ্রি বাণিজ্যসুবিধা অব্যাহত রাখতে ইতিমধ্যে সম্মত হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যা বাংলাদেশের উত্তরণ-পরবর্তী বাণিজ্যকে মসৃণ করবে।’

টিপু মুনশি দাবি করেন, অনেক অর্জন হলেও দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে অসত্য তথ্য সরবরাহ ও অপপ্রচারের চেষ্টা করা হয়।

আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। তবে এ ক্ষেত্রে বেসরকারি ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ।’

দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল এবং বাণিজ্যের প্রকৃত চিত্র দেশ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান, রপ্তানিকারক, ব্যবসায়ী সংগঠন এবং চেম্বারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেন ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি রিজওয়ান রাহমান। ওই বিষয়ের ওপর বক্তব্য দেন বেলজিয়ামে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাহবুব হাসান সালেহ, বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি ও মোহাম্মদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. রুবানা হক, গ্রামীণফোন লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী ইয়াসিন আজমান, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাছের ইজাজ বিজয়, ইউনিলিভার বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাভেদ আখতার এবং ইয়ন গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈন ইউডি দৌলা।

আরও পড়ুন:
পণ্য বিপণনে ৪৯৩ উপজেলায় ‘ডিজিটাল ডিসপ্লে সেন্টার’
বিসিক অনলাইন মার্কেট উদ্বোধন
বগুড়ায় বিসিকের অনলাইন পণ্য মেলা শুরু
বিসিকের ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু
সিএমএসএমই খাতে বিসিকের আরও ৫০ কোটি টাকা ঋণ

শেয়ার করুন

শিক্ষার খরচ আরও ৬ মাস পাঠানো যাবে অনলাইনে

শিক্ষার খরচ আরও ৬ মাস পাঠানো যাবে অনলাইনে

আগামী বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত ব্যাংকের মাধ্যমে অনলাইনে বিদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ালেখার টিউশন ফি পাঠাতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।

অনলাইনে বিদেশে উচ্চশিক্ষার খরচ পরিশোধের সময় আরও ছয় মাস বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আগামী বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত ব্যাংকের মাধ্যমে অনলাইনে বিদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ালেখার টিউশন ফি পাঠাতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।

বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো সার্কুলারে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের কারণে এখনো অনেক দেশের সরকার ভ্রমণ বন্ধ রাখায় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের অনেকেই অনলাইনে পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা চালিয়ে নেওয়ার জন্য আরও দুই সেমিস্টার বা সেশনের ফি বিদেশে পাঠানোর সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এ লক্ষ্যে ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে বিদেশি মুদ্রায় অনলাইনে বিদেশে পড়ালেখার ফি পরিশোধের সময় ২০২২ সালের মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হলো।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অনেক অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের আমাদের অবহিত করেছিলেন যে, বিদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া অনেক ছাত্র করোনার কারণে বিদেশে যেতে পারছেন না। ফলে তারা দেশে থেকে অনলাইনের মাধ্যমে পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে আরও দুটি সেমিস্টার বা সেশনের ব্যয়নির্বাহের সুবিধা প্রদান পাঠ-কার্যক্রমকে অব্যাহত রাখতে সাহায্য করবে বিবেচনা করে-এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।’

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের পর গত বছরের আগস্ট মাসে দুটি সেমিস্টার বা সেশনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ পাঠানোর অনুমতি দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক, যা চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বলবৎ ছিল। এরপর আরও দুটি সেমিস্টার বা সেশনের জন্য প্রয়োজনীয় ফি বাবদ অর্থ গত ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পাঠানোর সুযোগ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

আরও পড়ুন:
পণ্য বিপণনে ৪৯৩ উপজেলায় ‘ডিজিটাল ডিসপ্লে সেন্টার’
বিসিক অনলাইন মার্কেট উদ্বোধন
বগুড়ায় বিসিকের অনলাইন পণ্য মেলা শুরু
বিসিকের ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু
সিএমএসএমই খাতে বিসিকের আরও ৫০ কোটি টাকা ঋণ

শেয়ার করুন

কর্মসংস্থান বাড়াতে বিশ্বব্যাংক দিচ্ছে ১৭০০ কোটি টাকা

কর্মসংস্থান বাড়াতে বিশ্বব্যাংক দিচ্ছে ১৭০০ কোটি টাকা

বিশ্বব্যাংক বলেছে, এই প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ ৭৫ হাজার ক্ষুদ্র যুব উদ্যোক্তাকে সহায়তা দেয়া হবে। কর্মসংস্থান ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এদের কাউন্সেলিং ও প্রশিক্ষণ দেয়া হবে, যাতে সবাই আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারেন। এসব সেবা দিতে ৩২ জেলায় কল্যাণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। পাঁচ বছর গ্রেস সময়সীমাসহ ৩০ বছরে বাংলাদেশ সরকারকে এ ঋণ পরিশোধ করতে হবে।

করোনা মহামারির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত স্বল্প আয়ের শহরের যুব উদ্যোক্তা ও বিদেশফেরত শ্রমিকদের সহায়তায় ২০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে ওয়াশিংটনভিত্তিক বহুজাতিক ঋণদাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংক। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।

বিশ্বব্যাংকের বোর্ডসভায় গত মার্চে এই ঋণ প্রস্তাব অনুমোদনের পর বুধবার ঢাকায় চুক্তি সই হয়েছে।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে সংশ্লিষ্ট সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন ও বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি মার্সি টেম্বন ঋণচুক্তিতে সই করেন।

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মাধ্যমে সহজ শর্তে এই ঋণ পাবে মূলত করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত যুবসমাজ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও বিদেশফেরত ব্যক্তিরা।

বিশ্বব্যাংকের এ ঋণ আসবে ‘রিকভারি অ্যান্ড অ্যাডভান্সডমেন্ট অফ ইনফরমাল সেক্টর ইম্পলয়মেন্ট’ প্রকল্পের আওতায়। করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত নিম্ন আয়ের যুব সম্প্রদায় এবং বিদেশফেরত অভিবাসী শ্রমিকদের অর্থনৈতিক সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ প্রকল্প নেয়া হয়েছে।

বিশ্বব্যাংক বলছে, করোনা সংকটে দেশের অর্থনীতি পিছিয়ে পড়ে। যা কর্মসংস্থানেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। একই সঙ্গে চাকরি হারিয়ে বিদেশ থেকেও অনেকে দেশে ফিরে আসেন। সেই অবস্থা এখনো পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারেনি বাংলাদেশ। তাই কর্মসংস্থান তৈরিতে এ ঋণ দেয়া হচ্ছে।

ঋণের ২০ কোটি ডলারের মধ্যে ১৫ কোটি ডলার বিতরণ করবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের আওতাধীন পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন। ৫ কোটি ডলার খরচ করবে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড।

পিকেএসএফের ঋণ সহায়তা পাবে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত শহরাঞ্চলের নিম্ন আয়ের স্বল্পশিক্ষিত যুব সম্প্রদায় ও তরুণ উদ্যোক্তারা। সফলভাবে শ্রমবাজারে ঢুকতে পিকেএসএফ তাদের সঠিক তথ্য ও প্রশিক্ষণ দেবে। যুবকরা অনানুষ্ঠানিক শিক্ষানবিশ হিসেবে ‘অন দ্য জব ট্রেইনিং’-এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা অর্জন, ব্যবসা ব্যবস্থাপনা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্রঋণের সুযোগ পাবে।

ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড বিদেশফেরত শ্রমিকদের নিয়ে দুই ধরনের কাজ করবে। একদিকে অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি জন্য তাদের ভেতর থেকে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরি এবং বিভিন্ন সংস্থা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ ঘটিয়ে স্থানীয় শ্রমবাজারে ঢুকতে সহায়তা করবে। আবার নির্দিষ্ট দক্ষতা বাড়িয়ে বিদেশের শ্রমবাজারে ফের অন্তর্ভুক্তিতে সহায়তা করা হবে।

পাঁচ বছর গ্রেস সময়সীমাসহ ৩০ বছরে বাংলাদেশ সরকারকে এ ঋণ পরিশোধ করতে হবে। এর মধ্যে পাঁচ বছর শুধু ঋণের মূল টাকা পরিশোধ করতে হবে। তারপর থেকে সুদ ও আসল দিতে হবে।

বিশ্বব্যাংক বলেছে, এই প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ ৭৫ হাজার ক্ষুদ্র যুব উদ্যোক্তাকে সহায়তা দেয়া হবে। কর্মসংস্থান ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এদের কাউন্সেলিং ও প্রশিক্ষণ দেয়া হবে, যাতে সবাই আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারেন। এসব সেবা দিতে ৩২ জেলায় কল্যাণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের মতে, করোনার প্রাদুর্ভাবে বিভিন্ন দেশে কর্মরত প্রায় ২ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক কাজ হারিয়ে দেশে ফিরে এসেছেন। এই প্রকল্পের আওতায় তাদেরও সহায়তা দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
পণ্য বিপণনে ৪৯৩ উপজেলায় ‘ডিজিটাল ডিসপ্লে সেন্টার’
বিসিক অনলাইন মার্কেট উদ্বোধন
বগুড়ায় বিসিকের অনলাইন পণ্য মেলা শুরু
বিসিকের ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু
সিএমএসএমই খাতে বিসিকের আরও ৫০ কোটি টাকা ঋণ

শেয়ার করুন

ধনকুবেরদের জন্য পৃথক করনীতির পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

ধনকুবেরদের জন্য পৃথক করনীতির পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সাম্প্রতিক ছবি

পরিকল্পনা গৃহীত হলে ২০২২ অর্থবছরে কার্যকর হতে পারে নতুন এ করনীতি। এটি প্রভাব ফেলবে ১০০ কোটি ডলারের বেশি সম্পত্তির অধিকারী প্রায় ৭০০ করদাতার ওপর। টানা তিন বছর বার্ষিক আয় ১০ কোটি ডলার যাদের, তাদের ওপরেও প্রযোজ্য হবে এ নীতি। বাইডেন প্রশাসের এ পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়েছেন বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক।

নিজেদের সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত অপ্রত্যাশিত বেশি লাভের জন্য আলাদাভাবে কর দিতে হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের ধনকুবেরদের। দেশটির পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেটে এমনই একই করনীতি প্রকাশ করা হয়েছে।

এ কর নীতিমালার আওতায় প্রাপ্ত অর্থ সমাজকল্যাণ, জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলোতে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে খরচ করা হবে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, সিনেটে করনীতিবিষয়ক শীর্ষ ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা ও সিনেট ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান রন ওয়াইডেন বুধবার এ প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন।

পরিকল্পনাধীন নীতিটিকে আমেরিকানরা বলছে ‘বিলিয়নিয়ার্স ট্যাক্স’। এতে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে লাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ন্যূনতম করপোরেট ট্যাক্স ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এ পরিকল্পনায় সমর্থন জানিয়েছে হোয়াইট হাউজ।

গৃহীত হলে ২০২২ অর্থবছরে কার্যকর হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এ করনীতি। এটি প্রভাব ফেলবে ১০০ কোটি ডলারের বেশি সম্পত্তির অধিকারী প্রায় ৭০০ করদাতার ওপর। টানা তিন বছর বার্ষিক আয় ১০ কোটি ডলার যাদের, তাদের ওপরেও প্রযোজ্য হবে এ নীতি।

ওয়াইডেন ও ডেমোক্রেটিক সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেনসহ অন্য আইনপ্রণেতারা বলছেন, এ নীতিমালা কার্যকর হলে বড় ও ধনী প্রতিষ্ঠানগুলোর করফাঁকি দেয়ার সুযোগ কমবে। একই সঙ্গে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনাকে বাস্তব রূপ দেয়ার জন্য পর্যাপ্ত অর্থের সংস্থানও হবে।

বাইডেনের ‘বিল্ড ব্যাক বেটার’ পরিকল্পনার খরচ দেড় থেকে দুই ট্রিলিয়ন ডলার।

সম্প্রতি ন্যূনতম করপোরেট ট্যাক্স নির্ধারণের নীতি গ্রহণে সম্মত হয়েছে ১৩৬টি দেশ। আন্তর্জাতিক করনীতির ফাঁকফোকর খুঁজে বের করে যেসব বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান কম বা একেবারেই কর দেয় না, তাদের সুনির্দিষ্ট নীতিমালার আনতে নেয়া হয় এ সিদ্ধান্ত।

বাইডেন প্রশাসের এ পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়েছেন বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক। পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ও বিদ্যুৎচালিত গাড়িনির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার প্রধান নির্বাহী তিনি। চলতি মাসে মাস্কের সম্পত্তির মূল্য ২৩ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়েছে।

বাইডেন সরকারকে ব্যাঙ্গ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে মাস্ক লিখেছেন, ‘অন্যদের পয়সা ফুরিয়ে ফেলবে তারা। তারপর আপনার পেছনে দৌড়াতে শুরু করবে।’

তবে সব ধনকুবের এ পরিকল্পনার বিরোধিতা করছেন না। সমর্থন জানিয়েছেন বিনিয়োগকারী ও উদারপন্থি কর্মী জর্জ সরোস।

আরও পড়ুন:
পণ্য বিপণনে ৪৯৩ উপজেলায় ‘ডিজিটাল ডিসপ্লে সেন্টার’
বিসিক অনলাইন মার্কেট উদ্বোধন
বগুড়ায় বিসিকের অনলাইন পণ্য মেলা শুরু
বিসিকের ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু
সিএমএসএমই খাতে বিসিকের আরও ৫০ কোটি টাকা ঋণ

শেয়ার করুন