পারুল জানতেও পারেননি তিনি কেন খুন হলেন

পারুল জানতেও পারেননি তিনি কেন খুন হলেন

হত্যাকাণ্ডের শিকার পারুল বেগম। ফাইল ছবি

নিহতের পাশে পড়ে ছিল হত্যাকারীর পরিচয়পত্র। কিন্তু সেটি আসলে ফাঁদ। সাভারে ঘটে যাওয়া একটি ঘোরালো হত্যাকাণ্ডের কিনারা করেছে পিবিআই। তাতে উদঘাটন হয়েছে স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে শত্রুতা কতদূর যেতে পারে। সেই সঙ্গে ফুটে উঠেছে পারুল নামে এক অসহায় নারীর করুণ পরিণতি, যার সঙ্গে দেশের অপর প্রান্তে চলা এক স্থানীয় নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতার কোনো যোগ নেই। পারুল নিতান্ত দৈবচক্রে খুন হয়েছেন।

সাভারের বক্তারপুরে একটি ভাড়া বাসায় এক নারীর মরদেহ। ওড়নার ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে কেউ হত্যা করেছে। মরদেহের পাশে পড়ে আছে একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি। দৃশ্যত হত্যাকারী ভুলে সেটা ফেলে গেছে।

এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য ভেদ করা কোনো কঠিন কাজ হওয়ার কথা নয়, বিশেষ করে হত্যাকারী যখন নিজেই নিজের পরিচয় জানান দিয়ে গেছে।

সমস্যা হলো, যার পরিচয়পত্র, তিনি থাকেন ঘটনাস্থল থেকে বহু দূরে, বাগেরহাটের মোংলায়। আর পুলিশ তদন্তে নেমে নিশ্চিত হয়, ঘটনার দিন ওই পরিচয়পত্রধারী ব্যক্তি মোংলাতেই ছিলেন, সাভারে নয়। তাহলে?

পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী শাখা পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন) এই ভীষণ ঘোরালো হত্যারহস্যের কিনারা করেছে। তাতে উদঘাটন হয়েছে স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে শত্রুতা কতদূর যেতে পারে। সেই সঙ্গে ফুটে উঠেছে পারুল নামে সাভারের এক অসহায় নারীর করুণ পরিণতি, যার সঙ্গে দেশের অপর প্রান্তে চলা এক স্থানীয় নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতার কোনো যোগ নেই। পারুল নিতান্ত দৈবচক্রে খুন হয়েছেন। হত্যাকারীরা দৈবচয়নে তাকে বেছে নিয়েছিল। কারণ পারুল ছিলেন নিঃসঙ্গ।

সাভারে পারুলের মরদেহ

পারুল বেগম সাভারে বসবাস করলেও তার আদি নিবাস মেহেরপুর গাংনী উপজেলার সিন্দুরকোটা মটমোড়া গ্রামে। স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর সাভার এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন তিনি। ফেরি করে কাপড় বিক্রি করে দিন কাটত তার।

আগস্টের শেষ সপ্তাহে জামাল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে পারুলের পরিচয় হয়। জামালের মিষ্টি কথায় ভুলে তার প্রেমে পড়ে যান পারুল। ঘুণাক্ষরেও বুঝতে পারেন নি, জামাল আসলে প্রেমের ফাঁদ পেতেছে। পারুলকে হত্যা করাই তার উদ্দেশ্য।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পারুল বেগম অজ্ঞাতনামা এক পুরুষকে স্বামী পরিচয় দিয়ে গত ৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে সাভারের বক্তারপুরে (নামা বাজার) ভাড়া বাসায় ওঠেন।

ওই রাতেই পারুল বেগম খুন হন। অজ্ঞাতনামা এক দুষ্কৃতকারী গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস লাগিয়ে তাকে হত্যা করে।

মরদেহের পাশে হত্যাকারী একটি কাগজ ফেলে যায়: একটি এনআইডি কার্ডের ফটোকপি। এনআইডি কার্ডটি বিল্লাল সরদার নামের এক ব্যক্তির।

নিহতের ভাই মমিনুল হক বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় ৯ সেপ্টেম্বর মামলা করেন।

থানা পুলিশেরই মামলার তদন্ত করার কথা। তবে কৌতুহলী পিবিআই স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটির তদন্তভার নেয়। সাভার থানা পুলিশের ১১ দিনের তদন্ত শেষে ২০ সেপ্টেম্বর পিবিআই এটির দায়িত্ব নেয়।

এনআইডির সূত্র ভুল

পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তা জানান, তদন্তকাজ দৃশ্যত সহজ ছিল। এনআইডির সূত্র ধরে পিবিআইর তদন্ত দল বিল্লাল সরদারকে খুঁজে বের করে। কিন্তু বিল্লালকে পাওয়ার পরই জট লেগে যায়। বিল্লাল জানান, ঘটনার সঙ্গে তার যে শুধু কোনো যোগ নেই। তাই নয়, তিনি ঘটনার সময় মোংলাতেই ছিলেন। নিহতকে তিনি চেনেন না, চেনার কারণও নেই।

ফোনকল রেকর্ডসহ আরও বিভিন্ন প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে ও অন্যান্য সাক্ষ্যপ্রমাণে পিবিআই নিশ্চিত হয়, বিল্লাল সত্যি কথাই বলছেন। হত্যার সঙ্গে তার কোনো যোগ নেই। তাহলে তার এনআইডি কার্ড সাভারে পারুল বেগমের মরদেহের পাশে পাওয়া গেল কেন?

পিবিআই তদন্তকারীর সন্দেহ হয়, বিল্লালকে কেউ ফাঁসানোর জন্যে এতো আয়োজন করে থাকতে পারে। ফাঁসানোর জন্যেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয়ে থাকতে পারে।

শুরু হয় বিল্লাল সরদারের প্রতিদ্বন্দ্বী বা প্রতিপক্ষ অনুসন্ধানের কাজ। ২০ সেপ্টেম্বের ওই এলাকায় (মোংলা থানার ৬ নং চিলা ইউনিয়নের) ইউপি নির্বাচন হয়ে গেছে। আর তাতে ৫ নং ওয়ার্ড থেকে সদস্যপদে দাঁড়িয়েছিলেন বিল্লাল সরদার। ওই আসনে তার প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন হালিম হাওলাদার। হালিম অবশ্য নির্বাচনে হেরে যান। বিল্লালও হেরেছেন। তবে বিল্লালকে হারাতে মরিয়া ছিলেন হালিম। ফলে বিল্লাল ও পিবিআই উভয়ের সন্দেহের তীর গিয়ে পড়ে হালিম হাওলাদারের ওপর।

অনুসন্ধান করে পিবিআই জানতে পারে, এ হত্যাকাণ্ডের আগে-পরে হালিম হাওলাদারের সঙ্গে ঢাকায় এক ব্যক্তির ফোনে সন্দেহজনক যোগাযোগ হয়েছিল। যার সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে, তার নাম জামাল হাওলাদার। এই জামালই সেই ব্যক্তি, পারুল যাকে নিয়ে ভাড়া বাসায় উঠেছিলেন।

পিবিআই জামাল হাওলাদারের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে তাকে ঢাকার লালবাগের শহীদনগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। এরপর জামালকে নিয়ে সাভারের বক্তারপুরের ওই ভাড়া বাসার কেয়ারটেকারের কাছে যায় পুলিশ, যে বাসায় খুন হয়েছিলেন পারুল বেগম। কেয়ারটেকার জামালকে শনাক্ত করে।

জামালকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি হত্যাকাণ্ডে তার জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন এবং এ পরিকল্পনায় জড়িত হালিম মেম্বারসহ অন্যান্য সহযোগী আসামির নাম বলে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

জামালের পাশাপাশি গ্রেপ্তার করা হয় তার সহযোগী দর্জি মাস্টার মশিউর রহমানকে। তিনিও আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তাদের দুজনের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হালিম হাওলাদারকে বাগেরহাট জেলার মোংলা থানার নিজ বাড়ি থেকে গত রোববার গ্রেপ্তার করা হয়।

জামাল হাওলাদার ওরফে সামাদুজজামাল পিরোজপুর থানার ধুপপয়সা গ্রামের অধিবাসী ও মশিউর রহমান মিলন বাগেরহাটের শরণখোলার থানার ২ নম্বর তাফলিবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা।

যেভাবে হত্যা পরিকল্পনা করা হয়েছিল

পথের কাঁটা নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বী বিল্লাল সরদারকে সরাতে তাকে কোনো হত্যা মামলায় ফাঁসানোর ফন্দি আঁটেন হালিম হাওলাদার নিজেই।

হত্যাকাণ্ডের আনুমানিক ২০ দিন আগে হালিম মোংলায় দেখা করেন জামালের সঙ্গে। জামাল তার পূর্বপরিচিত। দুজন মিলে ঠিক করেন, দৈবচয়ন ভিত্তিতে সুবিধাজনক একজনকে খুন করা হবে। এই খুনের জন্য ৩০ হাজার টাকার চুক্তি হয় দুজনের মধ্যে। হালিম জামালকে অগ্রিম ৫ হাজার টাকা এবং বিল্লাল সরদারের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি দেন।

পারুল জানতেও পারেননি তিনি কেন খুন হলেন
হত্যার পরিকল্পনাকারী হালিম হাওলাদার (বামে), পরিকল্পনা সহযোগী মশিউর রহমান (মাঝে) এবং ঘাতক জামাল হাওলাদার।

জামাল বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন ঢাকায় দারুসসালাম এলাকায় তার বন্ধু দর্জি মাস্টার ওরফে মশিউর রহমান ওরফে মিলন কবিরাজের সঙ্গে। মিলনকে তিনি একটি সহজ টার্গেট খুঁজে দিতে অনুরোধ করেন, যাকে অনায়াসে হত্যা করা যাবে। তখন মশিউর রহমান তার পরিচিত পারুলকে টার্গেট হিসেবে বেছে নেয়ার পরামর্শ দেন। পারুল সাভারে একা থাকেন। ঝামেলা কম।

জামাল তখন পারুল বেগমের সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করেন। তাকে বিয়ে করার প্রলোভন দেখিয়ে সাভারের বক্তারপুরে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাসা ভাড়া নিতে প্রলুব্ধ করেন।

বক্তারপুরের ওই বাসায় তারা উঠেছিলেন ৭ সেপ্টেম্বর। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই রাতেই পারুল বেগমকে হত্যা করেন জামাল। নিহতের পাশে বিল্লাল সরদারের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ফেলে রেখে যান তিনি।

তাদের টার্গেট ছিল একাধিক খুন

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই-এর এসআই সালেহ ইমরান বলেন, ‘ওই নারীকে হত্যার পর জামাল ও হালিম বেশ কয়েকবার ফোনে কথা বলেছেন। জামাল ফোনে বলছিলেন, বিল্লাল যদি গ্রেপ্তার না হন, তাহলে তারা আরও দুটি হত্যাকাণ্ড ঘটাবেন।’

এসআই সালেহ ইমরান বলেন, ‘তারা মূলত একাধিক খুন করার চিন্তা করেছিলেন। ২০ সেপ্টেম্বরের নির্বাচনের আগে বিল্লাল গ্রেপ্তার না হওয়ার কারণে তারা এই খুনগুলি করার চিন্তা করেন। তবে আমরা তার আগেই তাদের গ্রেপ্তার করি। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আগে কোনো মামলার রেকর্ড নাই।’

সোমবার দুপুরে হালিম মেম্বারকে আদালতে তোলা হয়। আদালত তাকে তিন দিনের রিমান্ডে দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরানোর আশা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
মৃতদেহের গেঞ্জিতে ছিল হত্যাকাণ্ডের সূত্র
মোবাইল ফোন নিয়ে মারামারিতেই খুন হন ভাসমান যুবক
কে এই মোল্লা হাসান আখুন্দ
প্রেমিকার ‘আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারী’ সন্দেহে খুন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ড্রাগন স্যোয়েটারের আবার বোনাস লভ্যাংশ

ড্রাগন স্যোয়েটারের আবার বোনাস লভ্যাংশ

ড্রাগন স্যোয়েটারের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা। ছবি: কোম্পানির ওয়েবসাইট থেকে নেয়া

তালিকাভুক্তির বছর ২০১৬ ও তার পরের বছর ১৫ শতাংশ করে, ২০১৯ সালে ১০ শতাংশ এবং ২০২০ সালে দেয়া হয় ২০ শতাংশ বোনাস শেয়ার। মাঝে ২০১৮ সালে ২০ শতাংশ বোনাসের পাশাপাশি দেয়া হয় ৫ শতাংশ নগদ। অর্থাৎ সে বছর শেয়ার প্রতি ৫০ পয়সা লভ্যাংশ পান বিনিয়োগকারীরা।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি ড্রাগন স্যোয়েটার লভ্যাংশ হিসেবে আবার বোনাস শেয়ার ঘোষণা করেছে।

গত ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদেরকে ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ শেয়ারধারীরা প্রতি ১০টি শেয়ারের বিপরীতে একটি পাবেন লভ্যাংশ হিসেবে।

রোববার কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় গত ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

২০১৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির পর থেকে কেবল এক বছর বোনাসের সঙ্গে কিছু নগদ লভ্যাংশ দেয়া হয়েছিল। বাকি প্রতি বছরই লভ্যাংশ হিসেবে দেয়া হয় বোনাস শেয়ার।

এর মধ্যে তালিকাভুক্তি ও তার পরের বছর ১৫ শতাংশ করে, ২০১৯ সালে ১০ শতাংশ এবং ২০২০ সালে দেয়া হয় ২০ শতাংশ বোনাস শেয়ার। মাঝে ২০১৮ সালে ২০ শতাংশ বোনাসের পাশাপাশি দেয়া হয় ৫ শতাংশ নগদ। অর্থাৎ সে বছর শেয়ার প্রতি ৫০ পয়সা লভ্যাংশ পান বিনিয়োগকারীরা।

করোনার বছরে কোম্পানিটির আয় আগের বছরের আয়ের প্রায় সমান। তবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য কমেছে।

২০২০ সালের জালাই থেকে গত জুন পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ২২ পয়সা। আগের বছর এই আয় ছিল ১ টাকা ২৩ পয়সা।

গত মার্চ পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৯২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে এই আয় ছিল ৭১ পয়সা।

তবে শেষ প্রান্তিকে এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত কোম্পানিটির আয় গত বছরের চেয়ে কম হয়েছে। এবার এই আয় হয়েছে ৩০ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৫২ পয়সা।

আগের বছর কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেয়ার কারণে কোম্পানিটির সম্পদমূল্য কমে গেছে। গত বছর শেয়ার প্রতি সম্পদ ছিল ১৮ টাকা ৯৮ পয়সা। সেটি কমে এবার দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৭২ পয়সা।

কোম্পানিটির লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৪ নভেম্বর। অর্থাৎ যারা লভ্যাংশ নিতে চান, তাদেরকে সেদিন শেয়ার ধরে রাখতে হবে। এই লভ্যাংশ অনুমোদনের জন্য বার্ষিক সাধারণ সভা ডাকা হয়েছে আগামী ৫ ডিসেম্বর।

প্রতি বছরই দেখা গেছে লভ্যাংশ ঘোষণার পর ড্রাগনের শেয়ারদর পড়ে যায়, পরে লভ্যাংশ ঘোষণার আগে আগে আবার বাড়ে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

গত এপ্রিলেও কোম্পানিটির শেয়ার ১০ টাকার নিচে লেনদেন হয়েছে। সেখান থেকে উত্থান হয়ে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে উঠে ২৪ টাকা ৮০ পয়সায়। তবে গত দুই সপ্তাহে কিছুটা সংশোধন হয়ে দাম দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ১০ পয়সা।

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরানোর আশা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
মৃতদেহের গেঞ্জিতে ছিল হত্যাকাণ্ডের সূত্র
মোবাইল ফোন নিয়ে মারামারিতেই খুন হন ভাসমান যুবক
কে এই মোল্লা হাসান আখুন্দ
প্রেমিকার ‘আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারী’ সন্দেহে খুন

শেয়ার করুন

ইয়াবার টাকা জোগাতে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের চক্র, খুন

ইয়াবার টাকা জোগাতে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের চক্র, খুন

গ্রেপ্তারকৃত ছিনতাই চক্রের সদস্যরা। ছবি: নিউজবাংলা

গাজীপুর, টঙ্গি, পূবাইল ও পূর্বাচল এলাকায় এ ধরনের ৮-১০টি ছিনতাই চক্র সক্রিয় আছে বলে জানান র‌্যাব অধিনায়ক লে. কর্ণেল আব্দুল্লাহ আল মোমেন। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

ছিনতাই চক্রের সবাই ইয়াবা আসক্ত। ইয়াবার টাকা জোগাড় করতেই নিয়মিত ছিনতাই করে তারা।

গত ১৫ অক্টোবর রাতে গাজীপুরের কালীগঞ্জ পূর্বাচলের ফাঁকা রাস্তায় চালক সাইফুল ইসলামকে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে তার অটোরিকশা ও মোবাইল নিয়ে পালিয়ে যায় এই চক্রের সদস্যরা। পরে স্থানীয়রা নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মারা যান সাইফুল।

এ ঘটনায় শনিবার রাতে ছিনতাই চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১। এ সময় তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও ছিনতাইকৃত অটোরিকশা সহ অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- আজিজুল ইসলাম, মো. ইমন খান, মেহেদী হাসান হৃদয় প্রকাশ মাসুম, বিজয় আহম্মেদ, আলাউদ্দিন ও মো. আরজু মিয়া।

রোববার বিকেল পাঁচটায় কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-১-এর অধিনায়ক (সিও) লে. কর্ণেল আব্দুল্লাহ আল মোমেন।

তিনি বলেন, ‘গত ১৫ অক্টোবর রাতে গাজীপুর কালীগঞ্জ পূর্বাচলের ২৬ নং সেক্টরের ২০২ নং সড়কের ৫৮ নং ব্রিজ এলাকায় সাইফুল ইসলাম খুন হন। পরে নিহতের বড় ভাই শাহ আলম গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। মামলার ছায়া তদন্ত শুরু করে র‌্যাব-১। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার রাতে রাজধানীর উত্তরখান ও গাজীপুরের পূবাইল থেকে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানান, গত ১৫ অক্টোবর বিকেলে আজিজুল ইসলাম, ইমন ও পলাতক আসামী জুয়েল অটোরিকশা চালকের হাত-পা বেঁধে ও মুখে কচটেপ লাগিয়ে ইজিবাইক ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা সহযোগী বিজয় ও হৃদয় প্রকাশ মাসুমকে ফোন করে উত্তরখান ময়নারটেক এলাকায় আসতে বলেন। পরে একত্রিত হয়ে ময়নারটেক থেকে হরদি যাওয়ার জন্য সাইফুল ইসলামের অটোরিকশাটি দুইশ টাকায় ভাড়া করেন।

অটোরিকশাটি ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্রই জুয়েল ছুরি দিয়ে চালক সাইফুল ইসলামের গলায় পোচ দেন। পরে আজিজুল তার কাছে থাকা ছুরি দিয়ে এবং ইমন জুয়েলের ছুরি নিয়ে সাইফুলের শরীরের অন্যান্য স্থানেও আঘাত করেন। এসময় জুয়েল ভিকটিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নিয়ে নেন এবং তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় রাস্তায় ফেলে দেন। ইমন অটোরিকশা চালিয়ে গাজীপুরের পুবাইল মিরের বাজারে দিকে পালিয়ে যান।

জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃতরা একটি সংঘবদ্ধ অটোরিকশা ছিনতাই চক্রের সদস্য। এই চক্রের নেতা আলাউদ্দিন। অটোরিকশা চালক পরিচয়ের আড়ালে সংঘবদ্ধভাবে অটোরিকশা ছিনতাই করাই তার আসল কাজ। ১০-১২ জনের সংঘবদ্ধ দলটি রাজধানীর উত্তরখান, টঙ্গি ও গাজীপুর এলাকায় অটোরিকশা ছিনতাই করে আসছিল নিয়মিত।

চক্রের অন্যতম সদস্য আজিজুল ও আরজু ছিনতাইকৃত অটোরিকশা এবং অন্যান্য মালামাল বিক্রি করেন।

র‌্যাব-১ অধিনায়ক লে. কর্ণেল আব্দুল্লাহ আল মোমেন বলেন, ‘অল্প টাকায় চক্রের সদস্যরা ছিনতাইয়ে ভাড়ায় অংশ নেয়। এই ঘটনার আগেও তারা ৪-৫টি ছিনতাই করেছে। চক্রের সবাই মাদকসেবী। তারা ইয়াবার টাকা ও হাত খরচ জোগাতেই নিয়মিত ছিনতাই করে।’

মোমেন জানান, খুব অল্প দামে কয়েক হাত বদলে ছিনতাই করা অটোরিকশা বিক্রি করে চক্রটি। সর্বশেষ অটোরিকশাটি তারা ৬০ হাজার টাকার চুক্তিতে ছিনতাই করলেও এটি বিক্রি করেছিল মাত্র ২০ হাজার টাকায়।

তিনি বলেন, ‘যেহেতু অটোরিকশার কোনো রেজিস্ট্রেশন নম্বর নেই। তাই ছিনতাই হলেও এই বাহন খুঁজে বের করা খুব কঠিন। অটোরিকশার ব্যাটারির দাম বেশি। চক্রের নেতা আলাউদ্দিন এসব ব্যাটারি বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে দেয়।’

গাজীপুর, টঙ্গি, পূবাইল ও পূর্বাচল এলাকায় এ ধরনের ৮-১০টি ছিনতাই চক্র সক্রিয় আছে বলেও জানান র‌্যাব অধিনায়ক। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরানোর আশা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
মৃতদেহের গেঞ্জিতে ছিল হত্যাকাণ্ডের সূত্র
মোবাইল ফোন নিয়ে মারামারিতেই খুন হন ভাসমান যুবক
কে এই মোল্লা হাসান আখুন্দ
প্রেমিকার ‘আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারী’ সন্দেহে খুন

শেয়ার করুন

হালদায় ফের মৃত ডলফিন 

হালদায় ফের মৃত ডলফিন 

ফাইল ছবি

হালদা গবেষক অধ্যাপক মনজুরুল কিবরীয়া জানান, এ নিয়ে দুই বছরে হালদা থেকে ৩২টি মৃত ডলফিন উদ্ধার করা হলো।

দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হালদা নদীতে আবারও পাওয়া গেছে মৃত ডলফিন।

রোববার সকাল ১০টার দিকে নদীর হাটহাজারীর গড়দুয়ারা এলাকা থেকে এনজিওর এক কর্মী ডলফিনটি উদ্ধার করে বন বিভাগে হস্তান্তর করেন।

হালদা গবেষক অধ্যাপক মনজুরুল কিবরীয়া জানান, এ নিয়ে দুই বছরে হালদা থেকে ৩২টি মৃত ডলফিন উদ্ধার করা হলো।

তিনি নিউজবাংলাকে জানান, ডলফিনটির শরীরে দুটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো জেলের জালে এটি আটকা পড়ার পর তারা আঘাত করে মেরে ফেলেছেন।

পাঁচ ফুট দৈর্ঘ্যের ডলফিনটির ওজন ৩০ কেজির বেশি হতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, মৃত ডলফিনটিকে মাটিচাপা দেয়া হয়েছে।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী ও হালদা নদীতে গাঙ্গেয় ডলফিনের বাস। একসময় কর্ণফুলীতে নিয়মিত ডলফিনের দেখা মিলত। তবে কর্ণফুলী নদীতে দূষণ-দখল বেড়ে যাওয়ায় ও বেশি সংখ্যায় নানা ধরনের নৌযানের চলাচলের কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ডলফিনের দেখা মেলে খুব কম।

প্রজনন সময়ে এই দুই নদীর বেশির ভাগ ডলফিন কর্ণফুলী-হালদা মোহনাসংলগ্ন হালদা নদীতে বিচরণ করে বলে নদীতীরের বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরানোর আশা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
মৃতদেহের গেঞ্জিতে ছিল হত্যাকাণ্ডের সূত্র
মোবাইল ফোন নিয়ে মারামারিতেই খুন হন ভাসমান যুবক
কে এই মোল্লা হাসান আখুন্দ
প্রেমিকার ‘আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারী’ সন্দেহে খুন

শেয়ার করুন

কাশ্মীরে উন্নয়নের ঢেউ কেউ বন্ধ করতে পারবে না: অমিত শাহ

কাশ্মীরে উন্নয়নের ঢেউ কেউ বন্ধ করতে পারবে না: অমিত শাহ

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী একটি গ্রামে অমিত শাহ। ছবি: ফেসবুক

অমিত শাহ বলেন, ‘এই মাটি ঈশ্বরের মাটি। এখানে মাতা বৈষ্ণো দেবীর মন্দির রয়েছে। প্রেমনাথ দোগরার মন্দির রয়েছে। এই মাটিতে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মত্যাগের কথা রয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের শান্তি পরিস্থিতি যারা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছে, তাদের আমরা কখনও সফল হতে দেব না।’

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে যে উন্নয়ন প্রকল্প শুরু হয়েছে সেটি কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

তিনি বলেছেন, ‘জম্মু ও কাশ্মীরে যে উন্নয়নের ঢেউ শুরু হয়েছে, তা আর কেউ বন্ধ করতে পারবে না।’

শনিবার তিন দিনের সফরে কাশ্মীর উপত্যকায় পৌঁছানোর পর রোববার জম্মুতে এক জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

অমিত শাহ বলেন, ‘এই মাটি ঈশ্বরের মাটি। এখানে মাতা বৈষ্ণো দেবীর মন্দির রয়েছে। প্রেমনাথ দোগরার মন্দির রয়েছে। এই মাটিতে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মত্যাগের কথা রয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের শান্তি পরিস্থিতি যারা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছে, তাদের আমরা কখনও সফল হতে দেব না।’

জনসভায় জম্মু ও কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রীদেরও সমালোচনা করেন অমিত শাহ।

তিনি বলেন, ‘গত ৭০ বছর ধরে এই তিনটি পরিবার জম্মু ও কাশ্মীরের জন্য কী করেছে? এখন প্রতিটি গ্রামে একটি করে পঞ্চায়েত রয়েছে। এখন আর এখানে ওই তিন পরিবারের কোনো খবরদারি চলবে না।’

অমিত শাহ বলেন, ‘এই তিন পরিবার আমাদের নতুন শিল্পনীতিকে গুরুত্ব দিতে চায়নি। তবে বাস্তব চিত্র বলছে, ইতোমধ্যেই ১২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ এসেছে। ২০২২ সালের মধ্যে ৫১ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ চলে আসবে। এর ফলে প্রায় পাঁচ লাখ তরুণের কর্মসংস্থান হবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদি ৩৭০ ধারা এবং ৩৫ ধারা বাতিল করে দিয়েছেন। ফলে জম্মু-কাশ্মীরে লাখ লাখ মানুষ নিজেদের প্রাপ্য অধিকার পেয়েছে। এখন ভারতীয় সংবিধানের সকল অধিকার, সুযোগ সুবিধা এখানেও পাওয়া যাচ্ছে।’

অমিত শাহ বলেন, ‘আগে জম্মুতে শিখ, ক্ষত্রিয়, মহাজনদের জমি কেনার অধিকার ছিল না। এখন ভারতীয় সংবিধানে দেয়া সব অধিকার আমার এই ভাইরাও পাবেন।’

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরানোর আশা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
মৃতদেহের গেঞ্জিতে ছিল হত্যাকাণ্ডের সূত্র
মোবাইল ফোন নিয়ে মারামারিতেই খুন হন ভাসমান যুবক
কে এই মোল্লা হাসান আখুন্দ
প্রেমিকার ‘আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারী’ সন্দেহে খুন

শেয়ার করুন

চালক হত্যার পর ইজিবাইক ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৭

চালক হত্যার পর ইজিবাইক ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৭

প্রতীকী ছবি

গত ১৫ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলার ভাসাভাসি গ্রাম এলাকায় (পূর্বাচল ২৬ নম্বর সেক্টর) সাইফুলকে গলাকেটে হত্যার পর ইজিবাইক নিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা। ওই ঘটনায় পরদিন কালীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন তার বড় শাহ আলম।

গাজীপুরের কালীগঞ্জে গলা কেটে চালককে হত্যার পর ইজিবাইক ছিনতাইয়ের ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

র‌্যাব-১-এর পুলিশ সুপার শামিমা আক্তার রোববার গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে অটোরিকশাচালক হত্যার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও ছিনতাই করা ইজিবাইকসহ অন্যান্য আলামত জব্দ করা হয়।

হত্যার শিকার ২৬ বছরের সাইফুল ইসলামের বাড়ি শেরপুরের শ্রীবর্দী থানায়। তিনি রাজধানীর উত্তরখান এলাকায় ভাড়া থেকে ইজিবাইক চালাতেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কালীগঞ্জের উলুখোলা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন জানান, গত ১৫ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলার ভাসাভাসি গ্রাম এলাকায় (পূর্বাচল ২৬ নম্বর সেক্টর) সাইফুলকে গলাকেটে হত্যার পর ইজিবাইক নিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা। ওই ঘটনায় পরদিন কালীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন তার বড় শাহ আলম।

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরানোর আশা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
মৃতদেহের গেঞ্জিতে ছিল হত্যাকাণ্ডের সূত্র
মোবাইল ফোন নিয়ে মারামারিতেই খুন হন ভাসমান যুবক
কে এই মোল্লা হাসান আখুন্দ
প্রেমিকার ‘আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারী’ সন্দেহে খুন

শেয়ার করুন

সোনালী জুট মিলস ফের চালু

সোনালী জুট মিলস ফের চালু

খুলনা নগরীর মিরেরডাঙ্গার সোনালী জুট মিলস আবার চালু করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

মিল সূত্র জানায়, আর্থিক সংকট, পাটের দাম বৃদ্ধিসহ নানা জটিলতায় মালিকপক্ষ মিলটি বন্ধ করে দেয়। পরে বেসরকারি পাট, সুতা, বস্ত্রকল শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশন, মিলের অ্যাডহক কমিটি এবং খুলনা বিভাগীয় শ্রম পরিচালক মিজানুর রহমান এটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেন।

খুলনা নগরীর সোনালী জুট মিলস আবার চালু করা হয়েছে। ১১ মাস বন্ধ থাকার পর শনিবার মিলটি আংশিক চালু করা হয়।

নগরীর মিরেরডাঙ্গা শিল্প এলাকায় ব্যক্তিমালিকানার মিলটি গেল বছরের ২৮ নভেম্বর বন্ধ করা হয়েছিল।

মিল সূত্র জানায়, আর্থিক সংকট, পাটের দাম বৃদ্ধিসহ নানা জটিলতায় মালিকপক্ষ মিলটি বন্ধ করে দেয়। পরে বেসরকারি পাট, সুতা , বস্ত্রকল শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশন, মিলের অ্যাডহক কমিটি এবং খুলনা বিভাগীয় শ্রম পরিচালক মিজানুর রহমান এটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেন।

মেসার্স জামান ট্রেডিং লিজ হিসেবে মিলটি চালানোর আগ্রহ প্রকাশ করলে শনিবার থেকে এটা পুনরায় চালু হয়।

রোববার সকাল ১০টার দিকে বেসরকারি পাট, সুতা, বস্ত্রকল শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশন জরুরি মতবিনিময় সভা হয়। সোনালী জুট মিলস ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন ফেডারেশনের সভাপতি শেখ আমজাদ হোসেন এতে সভাপতিত্ব করেন। সংগঠনের প্রচার সম্পাদক সাইফুল্লাহ তারেকের পরিচালনায় সভা হয়।

বক্তব্য দেন বেসরকারি পাট, সুতা, বস্ত্রকল শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও মহসেন জুট মিলস ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল খান, সংগঠনের সহসভাপতি ও আফিল জুট মিলস মজদুর ইউনিয়নের নেতা কাবিল হোসেন ও নিজামউদ্দিন, মহসেন জুট মিলসের শ্রমিকনেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আসহাফ উদ্দীন, মাহাতাব উদ্দীনসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরানোর আশা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
মৃতদেহের গেঞ্জিতে ছিল হত্যাকাণ্ডের সূত্র
মোবাইল ফোন নিয়ে মারামারিতেই খুন হন ভাসমান যুবক
কে এই মোল্লা হাসান আখুন্দ
প্রেমিকার ‘আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারী’ সন্দেহে খুন

শেয়ার করুন

লরিচাপায় প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

লরিচাপায় প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

প্রতীকী ছবি

খোকসা থানার ওসি আশিকুর রহমান জানান, রাতুল খালা বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মহাসড়ক পার হতে গিয়ে খালাতো ভাই সাহেদসহ লরির নিচে চাপা পড়ে সে।

কুষ্টিয়ার খোকসায় রাস্তা পার হওয়ার সময় রড বোঝাই লরি চাপায় দুই কিশোর নিহত হয়েছে।

কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়কে হাশিমপুর এলাকায় রোববার বিকেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত দুই কিশোর হলো হাশিমপুরের সাহেদ ও কুমারখালী উপজেলার বরইচারা গ্রামের রাতুল। ১০ থেকে ১২ বছরের দুই কিশোর সম্পর্কে খালাতো ভাই।

খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুর রহমান জানান, রাতুল খালা বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মহাসড়ক পার হতে গিয়ে খালাতো ভাই সাহেদসহ লরির নিচে চাপা পড়ে সে। মাথায় আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।

ওসি আরও জানান, খোঁজখবর নিয়ে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরানোর আশা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
মৃতদেহের গেঞ্জিতে ছিল হত্যাকাণ্ডের সূত্র
মোবাইল ফোন নিয়ে মারামারিতেই খুন হন ভাসমান যুবক
কে এই মোল্লা হাসান আখুন্দ
প্রেমিকার ‘আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারী’ সন্দেহে খুন

শেয়ার করুন