খাগড়াছড়িতে দুই ট্রাক্টরে ট্রাকের ধাক্কা, আহত ৭

খাগড়াছড়িতে দুই ট্রাক্টরে ট্রাকের ধাক্কা, আহত ৭

স্থানীয় লোকজন জানান, মাটিরাঙ্গা উপজেলা থেকে ইটবোঝাই দুটি ট্রাক্টর জেলা শহরে আসছিল। আলুটিলা পাহাড় থেকে নামার সময় শহরের প্রবেশমুখে একটি ট্রাক সামনে থাকা ট্রাক্টরকে ধাক্কা দেয়। ট্রাক্টরটি সড়কের বামে উল্টে যায়। এরপর এর সামনের ট্রাক্টরে ট্রাকের ধাক্কা লাগে।

খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় পাহাড় থেকে নামার সময় দুটি ট্রাক্টরে ট্রাকের ধাক্কায় সাতজন আহত হয়েছেন।

জেলা সদরের প্রবেশমুখে ২০ নম্বর জিরোমাইলসংলগ্ন আলুটিলা পাহাড়ের রাস্তায় রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন ট্রাক্টরচালক মইনুল হোসেন, ট্রাক্টরের শ্রমিক বাদশা মিয়া, রমজান আলী, মো. শাহাদাত, আবদুর রহিম, মো. করিম ও সুজন। বাদশা ও রমজানের অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর।

স্থানীয় লোকজন জানান, মাটিরাঙ্গা উপজেলা থেকে ইটবোঝাই দুটি ট্রাক্টর জেলা শহরে আসছিল। আলুটিলা পাহাড় থেকে নামার সময় শহরের প্রবেশমুখে একটি ট্রাক সামনে থাকা ট্রাক্টরকে ধাক্কা দেয়। ট্রাক্টরটি সড়কের বামে উল্টে যায়। এরপর এর সামনের ট্রাক্টরে ট্রাকের ধাক্কা লাগে।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রশিদ নিউজবাংলাকে জানান, ট্রাকটি জব্দ করে থানায় নেয়া হয়েছে। তবে চালককে আটক করা যায়নি। এ ঘটনায় এখনও কোনো মামলা হয়নি।

তিনি বলেন, ‘প্রবেশমুখের মোড়টি অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। প্রায় সময়ই এখানে দুর্ঘটনা হয়। ট্রাকটি বেপরোয়া গতিতে আসায় দুর্ঘটনা ঘটেছে।’

আরও পড়ুন:
অটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১
নষ্ট পিকআপে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ৩
ডুমুরিয়ায় ট্রাক-অটোরিকশা খাদে পড়ে নিহত ৫
বিয়ের আসরে শোকের হানা
মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

শেয়ার করুন

মন্তব্য

নিজ প্রতিষ্ঠানে মারধরের শিকার সাঈদীর মামলার সাক্ষী

নিজ প্রতিষ্ঠানে মারধরের শিকার সাঈদীর মামলার সাক্ষী

পিরোজপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাঈদীর মামলার স্বাক্ষী জলিল শেখ। ছবি: নিউজবাংলা

ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, ‘সাক্ষী জলিল শেখের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে এক ব্যক্তির সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত জাহিদুলকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।’

পিরোজপুরে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মারধরের শিকার হয়েছেন মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার সাক্ষী জলিল শেখ।

জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার পাড়েরহাট বন্দর বাজারে শুক্রবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় পুলিশ হামলাকারী জাহিদুল ইসলামকে আটক করেছে। আর আহত জলিল শেখকে উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ব্যবসায়িক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে জলিল শেখকে মারধর করেন জাহিদুল।

এ ঘটনায় আহত ৭২ বছরের জলিল শেখের বাড়ি পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিথলিয়া গ্রামে। আটক জাহিদুলের বাড়ি খুলনার রামনগর এলাকায়।

পিরোজপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জলিল শেখ জানান, পাড়েরহাট বন্দর বাজারে তার ইলেক্টনিক্স যন্ত্রাংশ মেরামতের দোকার রয়েছে। কয়েক দিন আগে স্থানীয় একজন তার কাছে একটি আইপিএস মেরামতের জন্য দেন।

শুক্রবার সেই ব্যক্তির পরিবর্তে জাহিদুল আইপিএসটি নিতে যান। অপরিচিত হওয়ায় তিনি আইপিএস দিতে না চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে জাহিদুল তার উপর হামলা চালায়।

পিরোজপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসক তন্ময় মজুমদার জানান, জলিল শেখের পিঠের দিকে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, ‘সাক্ষী জলিল শেখের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে এক ব্যক্তির সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত জাহিদুলকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।’

পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, যুদ্ধাপরাধী মামলার সাক্ষী জলিল শেখের নিরাপত্তার জন্য থাকা পুলিশই তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

আরও পড়ুন:
অটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১
নষ্ট পিকআপে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ৩
ডুমুরিয়ায় ট্রাক-অটোরিকশা খাদে পড়ে নিহত ৫
বিয়ের আসরে শোকের হানা
মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

শেয়ার করুন

পীরগঞ্জে সহিংসতার ‘হোতা’ সৈকত ছাত্রলীগ নেতা

পীরগঞ্জে সহিংসতার ‘হোতা’ সৈকত ছাত্রলীগ নেতা

পীরগঞ্জে সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় অভিযুক্ত সৈকত মণ্ডল রংপুর কারমাইকেল কলেজের ছাত্রলীগ নেতা। সহিংসতার পর তাকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা

সৈকত রংপুরের কারমাইকেল কলেজের দর্শন বিভাগের যে কমিটিতে ছিলেন, সেটি ২০১৭ সালের ৮ আগস্ট অনুমোদন দেন কারমাইকেল কলেজ শাখার সভাপতি সাইদুজ্জামান সিজার ও সাধারণ সম্পাদক জাবেদ আহমেদ। এ-সংক্রান্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পেয়েছে নিউজবাংলা। সাইদুজ্জামান সিজারও বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

রংপুরের পীরগঞ্জে হিন্দুপল্লিতে সহিংসতার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে র‍্যাব যাকে আটকের কথা জানিয়েছে, সেই মো. সৈকত মণ্ডল ছাত্রলীগ নেতা বলে নিশ্চিত হয়েছে নিউজবাংলা।

তিনি রংপুরের কারমাইকেল কলেজে সংগঠনটির দর্শন বিভাগের কমিটির ১ নম্বর সহসভাপতি। তবে পীরগঞ্জ সহিংসতার পর তাকে অব্যাহতি দেয়ার কথা জানায় কলেজ ছাত্রলীগ।

সৈকত দর্শন বিভাগের যে কমিটিতে ছিলেন, সেটি ২০১৭ সালের ৮ আগস্ট অনুমোদন দেন কারমাইকেল কলেজ শাখার সভাপতি সাইদুজ্জামান সিজার ও সাধারণ সম্পাদক জাবেদ আহমেদ। এ-সংক্রান্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পেয়েছে নিউজবাংলা।

সাইদুজ্জামান সিজারও বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সৈকত মণ্ডল দর্শন বিভাগের কমিটিতে ছিলেন। ফেসবুকে কমেন্ট করার কারণে রোববার তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়।’

পীরগঞ্জে সহিংসতার ‘হোতা’ সৈকত ছাত্রলীগ নেতা


রাজধানীর কারওয়ান বাজার মিডিয়া সেন্টারে শনিবার দুপুরে পীরগঞ্জে হিন্দুপল্লিতে হামলার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার প্রধান কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। এ সময় তিনি বলেন, ‘সৈকত মণ্ডলই এ ঘটনার হোতা। শুক্রবার রাতে টঙ্গী থেকে সৈকত ও তার সহযোগী রবিউল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।’

খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অরাজকতা তৈরি এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের লক্ষ্যে হামলা-অগ্নিসংযোগ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার এবং মাইকিং করে হামলাকারীদের জড়ো করেন বলে জানিয়েছেন। গ্রেপ্তার সৈকত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক, বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যাচারের মাধ্যমে স্থানীয় জনসাধারণকে উত্তেজিত করে তোলেন। এ ছাড়া তিনি ওই হামলা ও অগ্নিসংযোগে অংশগ্রহণে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করেন।’

নিউজবাংলার অনুসন্ধানে জানা গেছে, সৈকতের বাবা রাশেদুল ইসলাম রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় না থাকলেও দাদা আবুল হোসেন মণ্ডল রামনাথপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এবং তার চাচা রেজাউল করিম রামনাথপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৬ নম্বর ইউনিটের সভাপতি।

নিউজবাংলার প্রতিনিধি শনিবার বিকেলে সৈকত মণ্ডলের বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় সৈকতকে নির্দোষ দাবি করেন তারা।

সৈকতের চাচা রেজাউল করিম বলেন, ‘আমার ভাতিজা সৈকত মণ্ডল ঘটনার দিন দক্ষিণ পাড়ায় হিন্দুপল্লিতে অবস্থান করছিল। ওই সময় পুলিশ ও রামনাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাদেকুল ইসলাম ছিলেন।

‘পুলিশ যখন বলছিল পরিতোষকে (ফেসবুকে যার একটি কমেন্ট নিয়ে উত্তেজনার শুরু) গ্রেপ্তার করা হবে, তখন সৈকত প্রশ্ন করেছিল কতক্ষণের মধ্যে গ্রেপ্তার করা হবে। পুলিশ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলে সৈকত হাত উঁচিয়ে সবাইকে বাড়ি যেতে বলে এবং এ নিয়ে বাড়াবাড়ি না করতে অনুরোধ করে।’

পীরগঞ্জে সহিংসতার ‘হোতা’ সৈকত ছাত্রলীগ নেতা
রাজধানীর কারওয়ান বাজার মিডিয়া সেন্টারে সৈকত ও তার সহযোগী

রেজাউল দাবি করেন, সৈকত যখন পীরগঞ্জের রামনাথপুর ইউনিয়নের বড় করিমপুর গ্রামের দক্ষিণ পাড়ায় পুলিশের সঙ্গে ছিলেন, তখন উত্তর পাড়ায় আগুন লাগে। তিনি নির্দোষ ও নিরপরাধ। তার পুরো বংশ আওয়ামী লীগ করে।

সৈকতের মা আঞ্জুয়ারা বেগম বলেন, ‘চেয়ারম্যান সাদেকুল পরে আমাদের কইছে বাড়ি থাকি সরি যাও। আমি আমার স্বামী আর সৈকতকে নিয়ে পলাশবাড়ি যাই। সেখান থেকে তিন বাড়ি চেঞ্জ করি। তারপর বোনের বাড়ি থেকে অন্য বাড়িতে আসি। সেখানে র‍্যাব আমাদের ধরে ফেলে। তখন সৈকতের ঠিকানা বলি। তারা সৈকতকে ধরে।’

নির্দোষ হলে বাড়ি থেকে পালালেন কেন, জানতে চাইলে সৈকতের মা আঞ্জুয়ারা বলেন, ‘চেয়ারম্যান আমাদের সরতে কইছে। রেকর্ড করার ফোন থাকলে রেকর্ড করলেম হয়।’

সৈকত মণ্ডলের দাদা আবুল হোসেন মণ্ডল বলেন, ‘আমি বঙ্গবন্ধুর আমল থেকে আওয়মী লীগ করি। যখন এলাকায় কেউ আওয়ামী লীগ করার সাহস পায় নাই, তখন আমরাই আওয়ামী লীগ করেছি। আমরা কেমন করি জামায়াত শিবির হই।’

এ ঘটনায় যারা জড়িত তদন্ত করে তাদের গ্রেপ্তার এবং সৈকতের মুক্তি দাবি করেন তিনি।

ফেসবুকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে গত রোববার রাতে পীরগঞ্জের রামনাথপুর ইউনিয়নের উত্তর পাড়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্তত ২৩টি বাড়িঘরে হামলা চালানো হয়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ৬০টি পরিবার।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে মঙ্গলবার সকালে দুটি মামলা করেন পীরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইসমাইল হোসেন। ৪১ জনের নামসহ অজ্ঞাতপরিচয় অনেককে আসামি করে হিন্দুদের বাড়িঘরে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটের ঘটনায় একটি মামলা করেন। আরেকটি মামলা করেছেন একজনকে আসামি করে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে।

এরপর বুধবার রাতে পীরগঞ্জ থানার আরেক এসআই সুপথ হালদার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দুজনকে আসামি করে তৃতীয় মামলাটি করেন।

পীরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুবুর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত তিন মামলায় ৫৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
অটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১
নষ্ট পিকআপে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ৩
ডুমুরিয়ায় ট্রাক-অটোরিকশা খাদে পড়ে নিহত ৫
বিয়ের আসরে শোকের হানা
মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

শেয়ার করুন

মিতু হত্যার ৫ বছর পর আসামি ভোলা গ্রেপ্তার 

মিতু হত্যার ৫ বছর পর আসামি ভোলা গ্রেপ্তার 

মিতু হত্যা মামলার অন্যতম আসামি এহতেশামুল হক ভোলা। ছবি: নিউজবাংলা

পিবিআই চট্টগ্রাম নগরীর পুলিশ সুপার নাইমা সুলতানা বলেন, ‘ভোলাকে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়েছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।’

চট্টগ্রামের সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আকতারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার অন্যতম আসামি এহতেশামুল হক ভোলাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

যশোরের বেনাপোল থেকে শুক্রবার ভোরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে বিষয়টি শনিবার নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন পিবিআই চট্টগ্রাম নগরীর পুলিশ সুপার নাইমা সুলতানা।

নাইমা বলেন, ‘ভোলাকে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়েছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।’

এই মামলায় হাইকোর্টে আগাম জামিন আবেদন করলে ১৫ সেপ্টেম্বর বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হাইকোর্ট বেঞ্চ ভোলাকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন দেয়।

জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে তাকে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়া হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফখরুদ্দিন চৌধুরী ১৪ অক্টোবর বলেন, ‘ভোলা আজ আত্মসমর্পণ না করে সময়ের আবেদন করেন। আমরা এর বিরোধিতা করি। ভোলা হাইকোর্টের নির্দেশনা পালন না করায় আদালত সময়ের আবেদন নাকচ করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।’

মিতু হত্যার ৫ বছর পর আসামি ভোলা গ্রেপ্তার
মাহমুদা খানম মিতু

বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে স্ত্রী মিতুকে হত্যার অভিযোগে বাবুলের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ১২ মে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করা হয়। মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেনের করা সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ওই দিনই বাবুলকে আদালতে তোলা হলে বিচারক পাঁচ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

রিমান্ড শেষ হওয়ার পর থেকে কারাগারে আছেন বাবুল।

২০১৬ সালের ৫ জুন ভোরে ছেলেকে স্কুলে পৌঁছে দিতে বের হওয়ার পর চট্টগ্রাম নগরের জিইসি মোড়ে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয় মিতুকে।

ঘটনার পর তৎকালীন এসপি বাবুল আকতার পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করেন, তার জঙ্গিবিরোধী কার্যক্রমের জন্য স্ত্রীকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

তবে বাবুলের শ্বশুর সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন ও শাশুড়ি সাহেদা মোশাররফ এই হত্যার জন্য বাবুলকে দায়ী করে আসছিলেন।

শুরুতে চট্টগ্রাম পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) মামলাটির তদন্ত করে। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে আদালত মামলার তদন্তভার পিবিআইকে দেয়।

আরও পড়ুন:
অটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১
নষ্ট পিকআপে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ৩
ডুমুরিয়ায় ট্রাক-অটোরিকশা খাদে পড়ে নিহত ৫
বিয়ের আসরে শোকের হানা
মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

শেয়ার করুন

মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে প্রাণ গেল ২ যুবকের

মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে প্রাণ গেল ২ যুবকের

পুলিশ জানিয়েছে, দুপুরে রাশেদুল ও শাহিন মোটরসাইকেলে পঞ্চগড় শহরে যাওয়ার সময় জগদল ঠুটাপাখুরী এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা রিফাত ও জনির মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই রাশেদুল ও রিফাতের মৃত্যু হয়।

পঞ্চগড় সদর উপজেলায় দুটি মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দুই যুবক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দুজন।

পঞ্চগড় সদর ইউনিয়নের পঞ্চগড়-তেঁতুলিয়া জাতীয় মহাসড়কের জগদল ঠুটাপাখুরী এলাকায় শনিবার দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনায় নিহত রাশেদুল ইসলামের বাড়ি পঞ্চগড় সদর উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নের বোদাপাড়ায়। আর রিফাদুজ্জামান বাবু তেঁতুলিয়া উপজেলার তিরনইহাট ইউনিয়নের গোয়াবাড়ি এলাকার বাসিন্দা।

আহত দুই যুবক হলেন পঞ্চগড় সদর উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নের বোদাপাড়ার শাহিন হোসেন ও তেঁতুলিয়ার তিরনইহাট ইউনিয়নের ইসলামবাগ এলাকার জনি।

পুলিশ জানিয়েছে, দুপুরে রাশেদুল ও শাহিন মোটরসাইকেলে পঞ্চগড় শহরে যাওয়ার সময় জগদল ঠুটাপাখুরী এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা রিফাত ও জনির মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই রাশেদুল ও রিফাতের মৃত্যু হয়।

এ ছাড়া গুরুতর আহত শাহিন ও জনিকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। শাহিনের অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ মিয়া জানান, এ ঘটনায় পঞ্চগড় সদর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
অটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১
নষ্ট পিকআপে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ৩
ডুমুরিয়ায় ট্রাক-অটোরিকশা খাদে পড়ে নিহত ৫
বিয়ের আসরে শোকের হানা
মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

শেয়ার করুন

নিখোঁজের ৫ দিন পর উদ্ধার দুই কিশোরী

নিখোঁজের ৫ দিন পর উদ্ধার দুই কিশোরী

কমলনগর থানার ওসি মো. মোসলেহ উদ্দিন জানান, শনিবার ভোররাতে চট্টগ্রামের ইপিজেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি বাসা থেকে দুই কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। দুপুরে পরিবারের কাছে তাদের হস্তান্তর করা হয়েছে।

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরমার্টন এলাকা থেকে নিখোঁজ হওয়ার পাঁচ দিন পর দুই কিশোরীকে উদ্ধার করছে পুলিশ।

শনিবার ভোররাতে চট্টগ্রামের ইপিজেট এলাকার একটি বাসা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। তবে দুই কিশোরী পুলিশকে জানিয়েছে, গার্মেন্টসে কাজ করার জন্য তারা বাড়ি থেকে চট্টগ্রামে যায়।

কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোসলেহ উদ্দিন জানান, শনিবার ভোররাতে চট্টগ্রামের ইপিজেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি বাসা থেকে দুই কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। দুপুরে পরিবারের কাছে তাদের হস্তান্তর করা হয়েছে।

ওসি আরও জানান, ১৮ অক্টোবর ভোরে নিজ বাড়ি থেকে ওই কিশোরীরা বের হয়ে আর ফেরেনি। পরদিন রাত ১১টার দিকে এক কিশোরীর ভাই কমলনগর থানায় নিখোঁজের একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

উদ্ধার দুই কিশোরী স্থানীয় একটি মাদ্রাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সম্পর্কে তারা চাচাতো বোন।

আরও পড়ুন:
অটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১
নষ্ট পিকআপে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ৩
ডুমুরিয়ায় ট্রাক-অটোরিকশা খাদে পড়ে নিহত ৫
বিয়ের আসরে শোকের হানা
মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

শেয়ার করুন

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বাংলাদেশ ‘নাম্বার ওয়ান’: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বাংলাদেশ ‘নাম্বার ওয়ান’: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

শনিবার দুপুরে সিলেটে ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (ইমজা) কার্যালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। ছবি: নিউজবাংলা

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক হামলার ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের পদক্ষেপকে অত্যন্ত উত্তম বলে জানিয়েছে ভারত। ভারতের অনেক স্থানে বাংলাদেশের ঘটনার প্রতিবাদ করা হলেও তাদের অনেকেই বানোয়াট প্রচারণা করেছে। তবে তাদের সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের পদক্ষেপে সন্তুষ্টির কথা জানানো হয়েছে।’

বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নজির বিশ্বের অন্য কোনো দেশে পাওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

তিনি বলেছেন, “সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বাংলাদেশ বিশ্বের ‘নাম্বার ওয়ান’। কোথাও এমন সম্প্রীতি নেই। আমরা সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে চলি। কোনো ভেদাভেদ নেই।”

মন্ত্রী বলেন, ‘কেবল রাষ্ট্রীয় নীতি নয়, আমাদের সাধারণ মানুষের জীবনাচরণেও এই আন্তধর্মীয় সম্প্রীতি রয়েছে। এমন সম্প্রীতির নজির অন্য কোনো দেশে পাওয়া যাবে না।’

শনিবার দুপুরে সিলেটে ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (ইমজা) কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের কঠোর পদক্ষেপে ভারতও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে জানিয়ে এ কে মোমেন বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক হামলার ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের পদক্ষেপকে অত্যন্ত উত্তম বলে জানিয়েছে ভারত। ভারতের অনেক স্থানে বাংলাদেশের ঘটনার প্রতিবাদ করা হলেও তাদের অনেকেই বানোয়াট প্রচারণা করেছে। তবে তাদের সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের পদক্ষেপে সন্তুষ্টির কথা জানানো হয়েছে।’

এসব ঘটনা ফলাও করে প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এসব নিয়ে বাড়াবাড়ি করা ঠিক হবে না। আর সরকার তো ব্যবস্থা নিচ্ছেই।’

দুর্গাপূজা চলার সময়ে কুমিল্লার একটি ঘটনার জেরে দেশের বিভিন্ন স্থানে পূজামণ্ডপ, মন্দির ও হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার রাতেও হবিগঞ্জের লাখাইয়ে একটি মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়।

এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মধ্যেই এমন মন্তব্য করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোকে দুঃখজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দুই বছর পর দেশে নির্বাচন। একে সামনে রেখে একটি গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে। তারাই দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক হামলার মতো অপতৎপরতা চালাচ্ছে, যা খুবই দুঃখজনক।’

সরকার এসব তৎপরতা মোকাবিলায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘যারা এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে তাদের কঠোর শাস্তি হবে।’

দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ টেনে ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘বাংলাদেশে পূজা উপলক্ষে সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়। এমনকি ভারতেও পূজায় সরকার টাকা দেয় না। তবে আমরা দিই। বিভিন্ন ধর্মের অনুষ্ঠানেই দিই। এ দেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করছে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যেসব দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে, সেটি সরকার ইতোমধ্যে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে। দুর্বৃত্তদের কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হয়েছে।’

মন্ত্রীর পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, ইমজা সভাপতি বাপ্পা ঘোষ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আনিস রহমানসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
অটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১
নষ্ট পিকআপে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ৩
ডুমুরিয়ায় ট্রাক-অটোরিকশা খাদে পড়ে নিহত ৫
বিয়ের আসরে শোকের হানা
মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

শেয়ার করুন

বরিশাল-কুয়াকাটা রুটে ফেরির দিন শেষ কাল

বরিশাল-কুয়াকাটা রুটে ফেরির দিন শেষ কাল

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার পায়রা নদীর ওপর নির্মিত সেতু উদ্বোধন করবেন। ছবি: নিউজবাংলা

উদ্বোধনের পরপরই দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই সেতুটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে। সেতু উদ্বোধনের জন্য ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সাজ সাজ রব সেতুর উভয় পাড়ে। প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সড়ক যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হতে যাচ্ছে রোববার। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন পায়রা নদীর ওপর নির্মিত সেতু।

উদ্বোধনের পরপরই দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই সেতুটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে।

সেতুটি চালু হলে বরিশাল থেকে বাসে কুয়াকাটা যেতে সময় লাগবে মাত্র আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা। মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার বা মোটরসাইকেলে আরও দ্রুত যাওয়া যাবে এই পর্যটন স্পটে। ফলে ফেরিঘাটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভোগান্তি আর থাকবে না।

পায়রা সেতু প্রকল্পের পরিচালক আব্দুল হালিম জানান, সেতুটি উদ্বোধনের জন্য ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। সাজ সাজ রব সেতুর উভয় পাড়ে। প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

সেতুর দক্ষিণ প্রান্তে বিশাল প্যান্ডেল প্রস্তুত করা হয়েছে। সেখানে পটুয়াখালী জেলার পাঁচ সংসদ সদস্য ছাড়াও বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

পায়রা সেতু প্রকল্প অফিস সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালীর লেবুখালী নদীর ওপর পায়রা সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৪৪৭ কোটি টাকা, যার ৮২ ভাগ অর্থ বহন করেছে কুয়েত ফান্ড ফর আরব ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট এবং অ্যাপেক ফান্ড।

২০১৬ সালের ২৪ জুলাই শুরু হওয়া এই সেতুর এরই মধ্যে ৯৯ ভাগ কাজ সম্পন্ন। ১ হাজার ৪৭০ মিটার দীর্ঘ এবং ১৯ দশমিক ৭৬ মিটার প্রস্থের এ সেতুর উভয় পাড়ে প্রায় সাত কিলোমিটার অ্যাপ্রোচ সড়ক রয়েছে।

বরিশাল-কুয়াকাটা রুটে ফেরির দিন শেষ কাল

পায়রা সেতু প্রকল্পের পরিচালক আব্দুল হালিম জানান, এই সেতুতে হেলথ মনিটরিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে ভূমিকম্প, বজ্রপাতসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ অথবা অতিরিক্ত ওজনবাহী গাড়ির কারণে ক্ষতি এড়াতে পূর্বাভাস মিলবে মনিটরিং সিস্টেম থেকে। পায়রা সেতু নির্মাণে নদীর তলদেশে বসানো হয়েছে ১৩০ মিটার দীর্ঘ পাইল, যা দেশে সর্ববৃহৎ।

বরিশাল-কুয়াকাটা রুটে ফেরির দিন শেষ কাল

৩২টি স্প্যানের মূল সেতুটি বিভিন্ন মাপের ৫৫টি টেস্ট পাইলসহ ১০টি পিয়ার, পাইল ও পিয়ার ক্যাপের ওপর নির্মিত। এ ছাড়া ১৬৭টি বক্স গার্ডার সেগমেন্ট রয়েছে এটিতে, যার ফলে দূর থেকে সেতুটিকে ঝুলন্ত মনে হবে। জোয়ারের সময় নদী থেকে সেতুটি ১৮ দশমিক ৩০ মিটার উঁচুতে থাকবে।

আরও পড়ুন:
অটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১
নষ্ট পিকআপে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ৩
ডুমুরিয়ায় ট্রাক-অটোরিকশা খাদে পড়ে নিহত ৫
বিয়ের আসরে শোকের হানা
মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

শেয়ার করুন