বেড়ার জালে আটকা ১০ ফুটের অজগর

বেড়ার জালে আটকা ১০ ফুটের অজগর

কক্সবাজারের পেকুয়া থেকে উদ্ধার করা অজগর। ছবি: নিউজবাংলা

বাড়ির মালিক জিয়াবুল করিম জানান, তার বাড়ির উঠানবাগানের চারিদিক জাল দিয়ে ঘেরা। সেই জালেই আটকা পড়ে সাপটি। পরে তিনি স্থানীয়দের মাধ্যমে বন বিভাগের লোকজনকে খবর দেন। 

কক্সবাজারের পেকুয়া বারবাকিয়া পূর্ব পাহাড়িয়াখালী এলাকা থেকে ১০ ফুটের একটি অজগর সাপ উদ্ধার করেছে বনবিভাগের সদস্যরা।

পূর্ব ভারুয়াখালীর শিক্ষক জিয়াবুল করিমের বাড়ি থেকে শনিবার দুপুরে অজগরটি উদ্ধার করা হয়। বনকর্মীদের সাপটি নিজেদের জিম্মায় নিয়েছেন।

বাড়ির মালিক জিয়াবুল করিম জানান, তার বাড়ির উঠানবাগানের চারিদিক জাল দিয়ে ঘেরা। সেই জালেই আটকা পড়ে সাপটি। পরে তিনি স্থানীয়দের মাধ্যমে বন বিভাগের লোকজনকে খবর দেন।

উপকূলীয় বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা জুয়েল চৌধুরী নিউজবাংলাকে জানান, জাল কেটে অক্ষত অবস্থায় সাপটি উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, খাবারের খোঁজে সাপটি লোকালয়ে চলে আসে। এটি ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক অথবা বন্য প্রাণী অভয়াশ্রমে অবমুক্ত করা হবে।

আরও পড়ুন:
সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু
সাপের কামড়ে প্রাণ গেল প্রতিবন্ধী শিশুর
চরে ছাড়া হলো রাসেলস ভাইপার, ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা
আলমারির কাপড়ের ভাঁজে বিষধর সাপ, প্রাণ গেল নারীর
চা বাগানে কালো চোখের ধূসর ফণীমনসা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘নিষেধাজ্ঞা শেষ অইলেই গাঙগো নাইমা যামু’

‘নিষেধাজ্ঞা শেষ অইলেই গাঙগো নাইমা যামু’

ইলিশ মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার একদিন আগে লক্ষ্মীপুরে জাল মেরামতে ব্যস্ত জেলেরা। ছবি: নিউজবাংলা

চাঁদপুরের হরিণা ফেরিঘাট এলাকার জেলে ইদ্রিস মিয়া বলেন, ‘সোমবার রাইতে শেষ অইব নিষেধাজ্ঞা। অহন আমরা জাল সিলাই কইরা ঠিক করতাছি। নিষেধাজ্ঞা শেষ অইলেই গাঙগো নাইমা যামু। যদি কিসমতে থাকে তয় মাছ পামু।’

দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের মাছঘাটগুলোতে জেলেরা এখন বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউ নতুন জাল বুনছেন, কেউ সারাই করছেন পুরোনো জাল, কেউ কেউ ব্যস্ত নৌকা মেরামতে।

ইলিশ মাছ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার বাকি আর এক দিন। আবার জেলেরা নৌকা নিয়ে সাগরে ভাসবেন মাছ ধরতে। তাই তারা সেরে নিচ্ছেন শেষ সময়ের প্রস্তুতি।

চাঁদপুরের হরিণা ফেরিঘাট এলাকার জেলে ইদ্রিস মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সোমবার রাইতে শেষ অইব নিষেধাজ্ঞা। অহন আমরা জাল সিলাই কইরা ঠিক করতাছি। নিষেধাজ্ঞা শেষ অইলেই গাঙগো নাইমা যামু। যদি কিসমতে থাকে তয় মাছ পামু।’

সাধারণত আশ্বিনের ভরা পূর্ণিমার আগে-পরে প্রায় ১৫ থেকে ১৭ দিনের মধ্যে ইলিশ মাছ ডিম ছাড়ে। এই সময়ে সাগরের নোনা জল ছেড়ে নদীমুখে ছুটে আসে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ।

মা ইলিশ রক্ষায় ৪ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন সারা দেশে ইলিশ শিকার বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। এ সময় সারা দেশে ইলিশ আহরণ, বিপণন, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন, মজুত ও বিনিময়ও নিষিদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

নিষেধাজ্ঞা চলাকালে ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও বাগেরহাট- মোট ২০টি জেলার নদ-নদী, মোহনা ও সাগরে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, জামালপুর, রাজশাহী, নাটোর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, খুলনা, কুষ্টিয়া ও নড়াইল জেলার নদ-নদীতেও ইলিশ মাছ ধরা বন্ধ আছে।

নিষেধাজ্ঞার সময় সরকারি সহায়তা দেয়ার কথা জানানো হলেও জেলেরা বলছেন, এ সময়টা তাদের পার করতে হয়েছে বেশ কষ্টের মধ্যে দিয়ে।

‘নিষেধাজ্ঞা শেষ অইলেই গাঙগো নাইমা যামু’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চাঁদপুরের একজন জেলে বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞার সময় মাত্র ২০ কেজি কইরা চাউল দিবে কইছিল কিন্তু আমরা তাও পাইনি। ১৪ জনে ১৫ কেজি পাইছি। এই দিয়া কি সংসার চলে? সংসারের খরচ চালাইতে গিয়া বিভিন্ন এনজিও আর মহাজনের কাছ তনে ঋণ নিছি। জীবনের ঝুঁকি লইয়া গাঙ্গে গিয়া মাছ ধরছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘জেলেদের যদি আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা করত, তয় কেউ আর নিষেধাজ্ঞা ভাইঙ্গা গাঙ্গে যাইত না মাছ ধরতে। জরিমানাও দিতে হইত না, মা ইলিশও বাঁচত।’

একই কথা অন্য জেলেদেরও। বাধ্য হয়েই তারা নিষেধাজ্ঞা না মেনে মাছ ধরতে গেছেন।

চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম মেহেদী হাসান নিউজবাংলাকে জানান, নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন চাঁদপুরের নদীতে মাছ ধরার কাজে নিবন্ধিত ৪৪ হাজার ৩৫ জন জেলেকে ২০ কেজি করে চাল দেয়া হয়েছে। এরপরও মাছ ধরতে যাওয়া দুই শতাধিক জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে জেল-জরিমানা করাসহ প্রায় ১ কোটি মিটার কারেন্ট জাল ও এক টন ইলিশ জব্দ করেছে প্রশাসন।

এই কর্মকর্তার দাবি, মা ইলিশ রক্ষা অভিযান সফল হয়েছে। আগামীতেও ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধিতে এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

লক্ষ্মীপুর জেলায় প্রায় ৫২ হাজার জেলের মধ্যে ৪২ হাজারের নিবন্ধন রয়েছে। তারা সবাই মেঘনা নদীতে মাছ ধরে সংসার চালান।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন এ পর্যন্ত নদীতে ২৫৫টি অভিযান পরিচালনা করে ১৭ জন জেলেকে জেল-জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে তিন লাখ টন জাল।

আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযান সফল হওয়ায় গত বছরের চেয়ে পাঁচ হাজার টন ইলিশ উৎপাদন বেশি হবে। এবারের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৫ হাজার টন।’

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক আনোয়ার হোছাইন আকন্দ বলেন, ‘প্রশাসন, পুলিশ, কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগের যৌথ অভিযানে এবারের অভিযান সফল হয়েছে। আশা করছি এবার ইলিশের উৎপাদন বেশি হবে।’

আরও পড়ুন:
সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু
সাপের কামড়ে প্রাণ গেল প্রতিবন্ধী শিশুর
চরে ছাড়া হলো রাসেলস ভাইপার, ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা
আলমারির কাপড়ের ভাঁজে বিষধর সাপ, প্রাণ গেল নারীর
চা বাগানে কালো চোখের ধূসর ফণীমনসা

শেয়ার করুন

হালদায় ফের মৃত ডলফিন 

হালদায় ফের মৃত ডলফিন 

ফাইল ছবি

হালদা গবেষক অধ্যাপক মনজুরুল কিবরীয়া জানান, এ নিয়ে দুই বছরে হালদা থেকে ৩২টি মৃত ডলফিন উদ্ধার করা হলো।

দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হালদা নদীতে আবারও পাওয়া গেছে মৃত ডলফিন।

রোববার সকাল ১০টার দিকে নদীর হাটহাজারীর গড়দুয়ারা এলাকা থেকে এনজিওর এক কর্মী ডলফিনটি উদ্ধার করে বন বিভাগে হস্তান্তর করেন।

হালদা গবেষক অধ্যাপক মনজুরুল কিবরীয়া জানান, এ নিয়ে দুই বছরে হালদা থেকে ৩২টি মৃত ডলফিন উদ্ধার করা হলো।

তিনি নিউজবাংলাকে জানান, ডলফিনটির শরীরে দুটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো জেলের জালে এটি আটকা পড়ার পর তারা আঘাত করে মেরে ফেলেছেন।

পাঁচ ফুট দৈর্ঘ্যের ডলফিনটির ওজন ৩০ কেজির বেশি হতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, মৃত ডলফিনটিকে মাটিচাপা দেয়া হয়েছে।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী ও হালদা নদীতে গাঙ্গেয় ডলফিনের বাস। একসময় কর্ণফুলীতে নিয়মিত ডলফিনের দেখা মিলত। তবে কর্ণফুলী নদীতে দূষণ-দখল বেড়ে যাওয়ায় ও বেশি সংখ্যায় নানা ধরনের নৌযানের চলাচলের কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ডলফিনের দেখা মেলে খুব কম।

প্রজনন সময়ে এই দুই নদীর বেশির ভাগ ডলফিন কর্ণফুলী-হালদা মোহনাসংলগ্ন হালদা নদীতে বিচরণ করে বলে নদীতীরের বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু
সাপের কামড়ে প্রাণ গেল প্রতিবন্ধী শিশুর
চরে ছাড়া হলো রাসেলস ভাইপার, ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা
আলমারির কাপড়ের ভাঁজে বিষধর সাপ, প্রাণ গেল নারীর
চা বাগানে কালো চোখের ধূসর ফণীমনসা

শেয়ার করুন

চালক হত্যার পর ইজিবাইক ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৭

চালক হত্যার পর ইজিবাইক ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৭

প্রতীকী ছবি

গত ১৫ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলার ভাসাভাসি গ্রাম এলাকায় (পূর্বাচল ২৬ নম্বর সেক্টর) সাইফুলকে গলাকেটে হত্যার পর ইজিবাইক নিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা। ওই ঘটনায় পরদিন কালীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন তার বড় শাহ আলম।

গাজীপুরের কালীগঞ্জে গলা কেটে চালককে হত্যার পর ইজিবাইক ছিনতাইয়ের ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

র‌্যাব-১-এর পুলিশ সুপার শামিমা আক্তার রোববার গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে অটোরিকশাচালক হত্যার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও ছিনতাই করা ইজিবাইকসহ অন্যান্য আলামত জব্দ করা হয়।

হত্যার শিকার ২৬ বছরের সাইফুল ইসলামের বাড়ি শেরপুরের শ্রীবর্দী থানায়। তিনি রাজধানীর উত্তরখান এলাকায় ভাড়া থেকে ইজিবাইক চালাতেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কালীগঞ্জের উলুখোলা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন জানান, গত ১৫ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলার ভাসাভাসি গ্রাম এলাকায় (পূর্বাচল ২৬ নম্বর সেক্টর) সাইফুলকে গলাকেটে হত্যার পর ইজিবাইক নিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা। ওই ঘটনায় পরদিন কালীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন তার বড় শাহ আলম।

আরও পড়ুন:
সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু
সাপের কামড়ে প্রাণ গেল প্রতিবন্ধী শিশুর
চরে ছাড়া হলো রাসেলস ভাইপার, ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা
আলমারির কাপড়ের ভাঁজে বিষধর সাপ, প্রাণ গেল নারীর
চা বাগানে কালো চোখের ধূসর ফণীমনসা

শেয়ার করুন

লরিচাপায় প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

লরিচাপায় প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

প্রতীকী ছবি

খোকসা থানার ওসি আশিকুর রহমান জানান, রাতুল খালা বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মহাসড়ক পার হতে গিয়ে খালাতো ভাই সাহেদসহ লরির নিচে চাপা পড়ে সে।

কুষ্টিয়ার খোকসায় রাস্তা পার হওয়ার সময় রড বোঝাই লরি চাপায় দুই কিশোর নিহত হয়েছে।

কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়কে হাশিমপুর এলাকায় রোববার বিকেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত দুই কিশোর হলো হাশিমপুরের সাহেদ ও কুমারখালী উপজেলার বরইচারা গ্রামের রাতুল। ১০ থেকে ১২ বছরের দুই কিশোর সম্পর্কে খালাতো ভাই।

খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুর রহমান জানান, রাতুল খালা বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মহাসড়ক পার হতে গিয়ে খালাতো ভাই সাহেদসহ লরির নিচে চাপা পড়ে সে। মাথায় আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।

ওসি আরও জানান, খোঁজখবর নিয়ে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আরও পড়ুন:
সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু
সাপের কামড়ে প্রাণ গেল প্রতিবন্ধী শিশুর
চরে ছাড়া হলো রাসেলস ভাইপার, ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা
আলমারির কাপড়ের ভাঁজে বিষধর সাপ, প্রাণ গেল নারীর
চা বাগানে কালো চোখের ধূসর ফণীমনসা

শেয়ার করুন

চৌমুহনীতে সাম্প্রদায়িক হামলা: আরও ৩ জনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

চৌমুহনীতে সাম্প্রদায়িক হামলা: আরও ৩ জনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) শহীদুল ইসলাম জানান, শনিবার বিকেলে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম নবনীতা গুহের আদালতে রিপন আহাম্মেদ মাহীর, আরাফাত হোসেন আবির ও ইব্রাহিম খলিল ওরফে রাজিব ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনীতে সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১৩ জনের মধ্যে আরও তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) শহীদুল ইসলাম রোববার দুপুরে নিউজবাংলাকে জানান, শনিবার বিকেলে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম নবনীতা গুহের আদালতে রিপন আহাম্মেদ মাহীর, আরাফাত হোসেন আবির ও ইব্রাহিম খলিল ওরফে রাজিব ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার আবদুর রহিম সুজন জবানবন্দি দিয়েছিলেন।

এসপি জানান, কুমিল্লার ঘটনার জেরে চৌমুহনী বাজারের পূজামণ্ডপ, মন্দির, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট, আগুন ও হত্যার ঘটনায় ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) ক্যামেরার ফুটেজ দেখে এখন পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

দুর্গাপূজায় সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যে গত ১৩ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লার নানুয়ার দিঘির পাড়ের একটি মণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ পাওয়ার পর ছড়িয়ে পড়ে সহিংসতা।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নে ১৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় এবং পরদিন দুপুরে একই উপজেলার চৌমুহনী পৌর এলাকায় ১১টি পূজামণ্ডপে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। লুটপাট করা হয় মন্দিরের আসবাব, স্বর্ণালংকার, ভাঙচুর করা হয় প্রতিমা।

হামলায় প্রাণ হারান প্রান্ত চন্দ্র দাশ নামে এক যুবক, আতঙ্কে হৃদরোগে যতন সাহা নামে আরেকজনের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে যতনের পরিবারের অভিযোগ, তিনিও হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন।

নোয়াখালীতে সহিংসতার ঘটনায় এখন পর্যন্ত সাতটি মামলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু
সাপের কামড়ে প্রাণ গেল প্রতিবন্ধী শিশুর
চরে ছাড়া হলো রাসেলস ভাইপার, ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা
আলমারির কাপড়ের ভাঁজে বিষধর সাপ, প্রাণ গেল নারীর
চা বাগানে কালো চোখের ধূসর ফণীমনসা

শেয়ার করুন

শিশু ধর্ষণ মামলায় কারাগারে প্রতিবেশী

শিশু ধর্ষণ মামলায় কারাগারে প্রতিবেশী

প্রতীকী ছবি

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান বলেন, ‘শিশুটির বাবা-মা স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। শনিবার সকালে শিশুটির বাবা-মা বাসা থেকে বের হন। সন্ধ্যায় তারা ফিরলে শিশুটি তাদের জানায়, বিকেলে ঘরের বাইরে খেলার সময় রিশাদুল কৌশলে তাকে নিজের ঘরে ডেকে নেন। সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন।’

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় শিশু ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার প্রতিবেশীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

নারায়ণগঞ্জের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক ফাহমিদা খাতুন রোববার বিকেলে এ আদেশ দেন।

এর আগে শনিবার মধ্যরাতে ওই ব্যক্তিকে উপজেলার একটি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কারাগারে পাঠানো ব্যক্তির নাম মো. রিশাদুল। তার বাড়ি রংপুরের হারাগাছ উপজেলার জুম্মাপাড়া এলাকায়। তিনি ফতুল্লার ওই এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন আদালত পুলিশের পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান।

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুজ্জামান বলেন, ‘শিশুটির বাবা-মা স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। গ্রেপ্তার রিশাদুল প্রতিবেশী হওয়ায় তাকে চাচা বলে ডাকত শিশুটি।

‘শনিবার সকালে শিশুটির বাবা-মা বাসা থেকে বের হন। সন্ধ্যায় তারা ফিরলে শিশুটি তাদের জানায়, বিকেলে ঘরের বাইরে খেলার সময় রিশাদুল কৌশলে তাকে নিজের ঘরে ডেকে নেন। সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন।’

এ ঘটনায় শনিবার রাতেই থানায় মামলা করেন শিশুটির বাবা। মামলার পরপরই রিশাদুলকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান ওসি রকিবুজ্জামান।

ওসি বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে তদন্ত করছি। শারীরিক পরীক্ষার জন্য শিশুটিকে রোববার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু
সাপের কামড়ে প্রাণ গেল প্রতিবন্ধী শিশুর
চরে ছাড়া হলো রাসেলস ভাইপার, ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা
আলমারির কাপড়ের ভাঁজে বিষধর সাপ, প্রাণ গেল নারীর
চা বাগানে কালো চোখের ধূসর ফণীমনসা

শেয়ার করুন

সোনালী জুট মিলস ফের চালু

সোনালী জুট মিলস ফের চালু

খুলনা নগরীর মিরেরডাঙ্গার সোনালী জুট মিলস আবার চালু করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

মিল সূত্র জানায়, আর্থিক সংকট, পাটের দাম বৃদ্ধিসহ নানা জটিলতায় মালিকপক্ষ মিলটি বন্ধ করে দেয়। পরে বেসরকারি পাট, সুতা, বস্ত্রকল শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশন, মিলের অ্যাডহক কমিটি এবং খুলনা বিভাগীয় শ্রম পরিচালক মিজানুর রহমান এটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেন।

খুলনা নগরীর সোনালী জুট মিলস আবার চালু করা হয়েছে। ১১ মাস বন্ধ থাকার পর শনিবার মিলটি আংশিক চালু করা হয়।

নগরীর মিরেরডাঙ্গা শিল্প এলাকায় ব্যক্তিমালিকানার মিলটি গেল বছরের ২৮ নভেম্বর বন্ধ করা হয়েছিল।

মিল সূত্র জানায়, আর্থিক সংকট, পাটের দাম বৃদ্ধিসহ নানা জটিলতায় মালিকপক্ষ মিলটি বন্ধ করে দেয়। পরে বেসরকারি পাট, সুতা , বস্ত্রকল শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশন, মিলের অ্যাডহক কমিটি এবং খুলনা বিভাগীয় শ্রম পরিচালক মিজানুর রহমান এটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেন।

মেসার্স জামান ট্রেডিং লিজ হিসেবে মিলটি চালানোর আগ্রহ প্রকাশ করলে শনিবার থেকে এটা পুনরায় চালু হয়।

রোববার সকাল ১০টার দিকে বেসরকারি পাট, সুতা, বস্ত্রকল শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশন জরুরি মতবিনিময় সভা হয়। সোনালী জুট মিলস ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন ফেডারেশনের সভাপতি শেখ আমজাদ হোসেন এতে সভাপতিত্ব করেন। সংগঠনের প্রচার সম্পাদক সাইফুল্লাহ তারেকের পরিচালনায় সভা হয়।

বক্তব্য দেন বেসরকারি পাট, সুতা, বস্ত্রকল শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও মহসেন জুট মিলস ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল খান, সংগঠনের সহসভাপতি ও আফিল জুট মিলস মজদুর ইউনিয়নের নেতা কাবিল হোসেন ও নিজামউদ্দিন, মহসেন জুট মিলসের শ্রমিকনেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আসহাফ উদ্দীন, মাহাতাব উদ্দীনসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু
সাপের কামড়ে প্রাণ গেল প্রতিবন্ধী শিশুর
চরে ছাড়া হলো রাসেলস ভাইপার, ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা
আলমারির কাপড়ের ভাঁজে বিষধর সাপ, প্রাণ গেল নারীর
চা বাগানে কালো চোখের ধূসর ফণীমনসা

শেয়ার করুন