বিশ্বনেতাদের প্রশংসা বিএনপির সহ্য হচ্ছে না: তথ্যমন্ত্রী

বিশ্বনেতাদের প্রশংসা বিএনপির সহ্য হচ্ছে না: তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘দেশের উন্নয়নে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রশংসা বিএনপির সহ্য হচ্ছে না। তাই তারা সমালোচনা করছে। প্রধানমন্ত্রীর যে বিশ্বময় ভূমিকা, বাংলাদেশকে যেভাবে তিনি নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন, এমনকি করোনার মধ্যেও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রেখে দেশকে যেভাবে বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধির স্থানে নিয়েছেন, এসকল গল্প বিশ্ব নেতৃবৃন্দ তার কাছে শুনতে চেয়েছেন।’

দেশের উন্নয়নে বিশ্বনেতাদের প্রশংসা বিএনপি নেতাদের সহ্য না হওয়ায় তারা সমালোচনা করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

রাজধানীতে সরকারি নিজ বাসভবন থেকে শনিবার সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

সরকারের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়নে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রশংসা বিএনপির সহ্য হচ্ছে না। তাই তারা সমালোচনা করছে। প্রধানমন্ত্রীর যে বিশ্বময় ভূমিকা, বাংলাদেশকে যেভাবে তিনি নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন, এমনকি করোনার মধ্যেও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রেখে দেশকে যেভাবে বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধির স্থানে নিয়েছেন, এসকল গল্প বিশ্ব নেতৃবৃন্দ তার কাছে শুনতে চেয়েছেন।’

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেয়ার সফরে সরকারি অর্থ খরচ করে প্রধানমন্ত্রী অনেক সফরসঙ্গী নিয়ে গিয়েছেন বলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর মন্তব্যেরও জবাব দিয়েছেন হাছান মাহমুদ।

আওয়ামী লীগের এই নেতা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জাতিসংঘ ও বিশ্ব নেতৃবৃন্দ বিশেষ আমন্ত্রণে জাতিসংঘে নিয়ে গেছেন।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর বেশির ভাগ সফরসঙ্গীই যে নিজ খরচে গেছেন, সেটা রিজভী আহমেদ সাহেবের জানা উচিত ছিল, অথবা তিনি জেনেও না জানার ভান করছেন।

‘যেভাবে তাদের একেকজন বক্তব্য দিচ্ছেন, তাতে বিএনপির সিরিজ বৈঠকের ফলাফল শূন্য বলে মনে হচ্ছে। জনবিচ্ছিন্ন বিএনপি সিরিজ বৈঠক করে কোনো দিশা-কূল-কিনারা পায়নি, কিন্তু তারা ষড়যন্ত্রের মধ্যেই লিপ্ত।’

আরও পড়ুন:
আরও ৬ বিভাগে বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র
সাংবাদিকরা হয়রানির শিকার হবেন না: তথ্যমন্ত্রী
সংগঠনের নামে ব্যাংক হিসাব চাওয়া নিয়ে তথ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন
ত্যাগীদের মনোনয়ন দেবে আওয়ামী লীগ
তত্ত্বাবধায়কের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই: তথ্যমন্ত্রী

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সংঘর্ষে জড়ানোয় ১২ ছাত্রলীগ কর্মীকে বহিষ্কার চবির

সংঘর্ষে জড়ানোয় ১২ ছাত্রলীগ কর্মীকে বহিষ্কার চবির

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে ক্যাম্পাসে মোতায়েন করা হয় পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, গত কয়েকদিনের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ ও গোয়েন্দা তথ্য যাছাই বাছাই করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অফ হেলথ, রেসিডেন্স, অ্যান্ড ডিসিপ্লিনারি কমিটির সভায় ১২ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এদের মধ্যে অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করার অভিযোগে দুই জনকে এক বছর ও বাকিদের ৬ মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রলীগের দুই পক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় গ্রুপের ১২ নেতাকর্মীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ, রেসিডেন্স অ্যান্ড ডিসিপ্লিনারি কমিটির সভায় রোববার রাতে এ সিদ্ধান্ত হয় বলে নিউজবাংলাকে জানান প্রক্টর রবিউল হাসান ভূঁইয়া।

সভায় উভয় গ্রুপ থেকে দুই জনকে ১ বছর করে এবং ১০ জনকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়।

এদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপুর নেতৃত্বাধীন ‘সিক্সটি নাইন’ গ্রুপের ৬ জনকে এবং বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেলের নেতৃত্বাধীন ‘সিএফসি’ গ্রুপের ৬ জন কর্মী রয়েছেন।

’সিক্সটি নাইন’ গ্রুপের বহিষ্কৃতরা হলেন, ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মো. নাঈম, একই শিক্ষাবর্ষের বাংলা বিভাগের সাইফুল ইসলাম, রসায়ন বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের আশরাফুল আলম নায়েম, একই শিক্ষাবর্ষের পরিসংখ্যান বিভাগের আকিব জাভেদ, ইতিহাস বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের জুনায়েদ হোসেন জয় ও অর্থনীতি বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের ফরহাদ।

এদের মধ্যে আশরাফুল আলম নায়েমকে এক বছর ও বাকিদের ৬ মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

‘সিএফসি’ গ্রুপের বহিষ্কৃতরা হলেন, আইন বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের মির্জা খবির সাদাফ, একই বিভাগের ১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের খালেদ মাসুদ, লোক প্রশাসন বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের অহিদুজামান সরকার, সমাজতত্ত্ব বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের আরিফুল ইসলাম, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের তানজিল হোসেন ও আরবি বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের তৌহিদ ইসলাম।

তাদের মধ্যে সাদাফকে এক বছর ও বাকিদের ৬ মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, গত কয়েকদিনের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ ও গোয়েন্দা তথ্য যাছাই বাছাই করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অফ হেলথ, রেসিডেন্স, অ্যান্ড ডিসিপ্লিনারি কমিটির সভায় ১২ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এদের মধ্যে অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করার অভিযোগে দুই জনকে এক বছর ও বাকিদের ৬ মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বহিষ্কারের মেয়াদ রোববার থেকেই কার্যকর হবে৷ এ সময় বৃহষ্কৃতরা বিশ্ববিদ্যালয় ও হলে অবস্থান করতে পারবে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলা বিভাগের ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের শিহাব আরমান মানিক নামে ‘সিক্সটি নাইন’ গ্রুপের এক কর্মীকে মারধর করেন ‘সিএফসি’ গ্রুপের কর্মীরা। এ নিয়ে সেদিন রাতেই দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা ও ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি হয়। পরে প্রক্টরিয়াল টিম ও পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।

তারা জানান, মারধরের ওই ঘটনার জেরে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে সিএফসির কনিষ্ঠ কর্মীরা শাহ আমানত হলে ঢুকতে গেলে সিক্সটি নাইন গ্রুপের কর্মীরা তাদের ওপর হামলা করেন। পরে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় সিক্সটি নাইন গ্রুপের তিনজন এবং সিএফসি গ্রুপের একজন আহত হন।

ওই ঘটনার জেরেই রোববার বিকেলে ফের সংঘর্ষে জড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের এই দুই গ্রুপ। এতে দুইজন আহত হন।

আরও পড়ুন:
আরও ৬ বিভাগে বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র
সাংবাদিকরা হয়রানির শিকার হবেন না: তথ্যমন্ত্রী
সংগঠনের নামে ব্যাংক হিসাব চাওয়া নিয়ে তথ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন
ত্যাগীদের মনোনয়ন দেবে আওয়ামী লীগ
তত্ত্বাবধায়কের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই: তথ্যমন্ত্রী

শেয়ার করুন

বেডে বেডে ভাসছে সবজি

বেডে বেডে ভাসছে সবজি

ঝালকাঠিতে ভাসমান পদ্ধতিতে চাষাবাদ দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা

উপকূলীয় হওয়ায় ঝালকাঠিতে কৃষকদের চাষাবাদ নিয়ে সমস্যা লেগেই থাকত। সেই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ দিয়েছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। ভাসমান বেডে নানান সবজি, মসলা রোপণ করছেন প্রান্তিক কৃষকরা।

ঝালকাঠিতে দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে ভাসমান বেডে সবজি ও মসলার চাষ। এতে ঘুচছে বেকারত্ব; কৃষকদের সংসারে ফিরছে স্বচ্ছলতা।

উপকূলীয় হওয়ায় এ অঞ্চলের কৃষকদের চাষাবাদ নিয়ে সমস্যা লেগেই থাকত। সেই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ দিয়েছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। ভাসমান বেডে নানান সবজি, মসলা রোপণ করছেন প্রান্তিক কৃষকরা।

বেড পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা কৃষকরা বলছেন, এক একটি বেডে বছরে ৭ থেকে ৮ বার সবজি চাষ করা যায়। সেই সঙ্গে বেডের জলে মাছ চাষও করা যায়।

কৃষি অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঝালকাঠি নিম্নাঞ্চল হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে পানিতে ডুবে নষ্ট হয়ে যেত কৃষকের তৈরি বীজতলা। কৃষি বিভাগ নিজেদের উদ্যোগে কৃষকদেরকে কলাগাছের ভেলা ও কচুরিপানা দিয়ে বেড তৈরি করে দিচ্ছে।

জেলায় বর্তমানে প্রায় ৭ হেক্টর জমিতে ভাসমান বেড রয়েছে। ভাসমান এসব বেডে চাষ করা হচ্ছে লাল শাক, মুলা শাক, লাউ, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ঢেঁড়স, ধনিয়াসহ বিভিন্ন প্রকার সবজি ও মসলা।

বেড পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে লাভবান কৃষক সালেহ আহম্মেদ জানান, কৃষি অফিসের সহযোগিতায় গত দুবছর ধরে ভাসমান বেডে সবজি চাষ করছেন তিনি। লালশাক, মুলাশাক, ঢেঁড়সসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি ও মসলা চাষ করেছেন।

বেড পদ্ধতির চাষে তেমন কোনো খরচ না থাকায় লাভবান হয়েছেন বলেও জানান সালেহ।

বেড তৈরির কৌশল কী তা জানতে চাইলে কৃষক মোকসেদ আলী জানান, প্রথমে পানির উপরে কলাগাছ অথবা বাঁশ বিছিয়ে বেড বা মাচা তৈরি করতে হয়। তার উপর কচুরিপানা তুলে বেড প্রস্তুত করা হয়। আর কচুরিপানা পচিয়ে তার উপরেই বিভিন্ন সবজি চাষ করা হয়।

তিনি বলেন, বর্ষা বা বন্যার পানি যতই হোক বেডের উপরে রোপণ করা চারার কোনো ক্ষতি হয় না। বেড পদ্ধতির আরেকটি গুণ হচ্ছে এতে কোনো প্রকার সার-কীটনাশকও দিতে হয় না।

বেডে বেডে ভাসছে সবজি

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ফজলুল হক নিউজবাংলাকে জানান, ঝালকাঠি জেলায় চাষাবাদের জমি অন্য জমির তুলনায় বেশ নিচু হওয়ায় বর্ষার পানিতে ডুবে যায়। তাই বেড পদ্ধতির চাষাবাদে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা।

তিনি বলেন, ‘এতে কৃষিকাজে লাভের মুখ দেখবেন চাষিরা। জলাবদ্ধ ও বন্যাদুর্গত এলাকার কৃষকরা এ ধরনের ভাসমান বেডে সারা বছরই সবজি চাষ করতে পারেন। এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ লাভজনক হওয়ায় কৃষকদের মাঝে আগ্রহ বাড়ছে। বর্তমানে অনেকেই বেড পদ্ধতিতে চাষ করতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।’

আরও পড়ুন:
আরও ৬ বিভাগে বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র
সাংবাদিকরা হয়রানির শিকার হবেন না: তথ্যমন্ত্রী
সংগঠনের নামে ব্যাংক হিসাব চাওয়া নিয়ে তথ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন
ত্যাগীদের মনোনয়ন দেবে আওয়ামী লীগ
তত্ত্বাবধায়কের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই: তথ্যমন্ত্রী

শেয়ার করুন

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে, তবে ‘সৈকতে ঘোরার সময় আসেনি’

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে, তবে ‘সৈকতে ঘোরার সময় আসেনি’

দীর্ঘদিন পর কক্সবাজারের পর্যটন স্পটগুলো খুলে দেয়ায় সৈকতে বাড়ছে পর্যটকদের ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা

আইইডিসিআরের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমগীর বলেন, ‘সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে যদি এখন থেকে পদক্ষেপ না নেই তাহলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও আবার সংক্রমণ বাড়বে। এজন্য টিকা নিলেও আমাদের মাস্ক পরতে হবে। সেই সঙ্গে জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে না যাওয়ায় ভালো। আমরা লক্ষ্য করছি অনেক মানুষ স্বাস্থ্যবিধি না মেনে সমুদ্র সৈকতে ভ্রমণ করছে। তবে সমুদ্র সৈকতে ভ্রমণের পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।’

দেশে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে এসেছে। দেশে সংক্রমণের হার টানা ২৬ দিন ৫ শতাংশে নিচে। চলতি বছরের জুলাইয়ে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু দেখছে দেশ। আগস্টের শুরু থেকে ধারাবাহিকভাবে সংক্রমণ ও মৃত্যু কমছে। সেপ্টেম্বরেও সেই ধারা অব্যাহত ছিল। চলতি মাসেও কমতির দিকে।

সর্বোপরি করোনা পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক। তবে সতর্ক থাকার বিকল্প নেই বলে মনে করেন রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমগীর।

সম্প্রতি করোনা পরিস্থিতি ও টিকাদান কর্মসূচির সার্বিক বিষয়ে নিউজবাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

দেশে সংক্রমণ তো কমে এসেছে। মানুষ তো অনেকটাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেছে। করোনার স্বাস্থ্যবিধি মানতে অনীহাও দেখা যাচ্ছে।

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এখন আমাদের চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এটা নিয়ন্ত্রণে রাখা। এজন্য সব ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি চলমান রাখতে হবে।

স্বাস্থ্যবিধি মানতে সারা দেশে যে ক্যাম্পেইন চলমান রয়েছে, এটি বাড়াতে হবে। সঙ্গে টিকাদান কর্মসূচি চলমান থাকবে।

ইতোমধ্যে ৫ কোটি মানুষকে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে। সংক্রমণ কমানোর জন্য এটি একটি বড় ভূমিকা পালন করবে।

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে যদি এখন থেকে পদক্ষেপ না নেই তাহলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও আবার সংক্রমণ বাড়বে। এজন্য টিকা নিলেও আমাদের মাস্ক পরতে হবে। সেই সঙ্গে জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে না যাওয়া ভালো।

আমরা লক্ষ্য করছি অনেক মানুষ স্বাস্থ্যবিধি না মেনে সমুদ্র সৈকতে ভ্রমণ করছে। তবে সমুদ্র সৈকতে ভ্রমণের পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে ব্যক্তিগত সচেতনতা বেশি ভূমিকা পালন করে। আমি যদি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি আমার পরিবার সুস্থ থাকবে। আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়েছি। এখন সব বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়া হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য সবাই আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। এখানে যেন আমরা অসর্তক না হই।

যদি স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলি, তাহলে বাচ্চারা করোনা আক্রান্ত হবে। তাদের মাধ্যমে বয়স্করা করোনা আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হবে।

এখন যেভাবে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের বসানো হচ্ছে আগামীতেও এটি অব্যাহত রাখতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার পর কোথাও কোথাও সংক্রমণ অনেক গুণ বেড়েছে। সেখানে হয়ত স্বাস্থ্যবিধি মানা হয়নি বা শিক্ষা কর্মকাণ্ডের সাথে সংশ্লিষ্টরা টিকা নেননি। এই কারণে বাচ্চাদের টিকা দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

বুস্টার ডোজ নিয়ে কী পরিকল্পনা?

এ বিষয়ে এখনও বিশ্বের কোনো দেশের পরিষ্কার কোনো ধারণা নেই। এ বিষয়ে অনেক গবেষণা হয়েছে। যদি কোম্পানির পৃষ্ঠপোষকতায় গবেষণা হয়, সেখানে দেখা গেছে টিকা বাণিজ্যের কারণে বুস্টার ডোজ দেয়ার সুপারিশ করা হয়। তবে স্বাধীনভাবে যে গবেষণা হয়েছে, তার কোথাও বুস্টার ডোজ দেয়ার সুপারিশ করা হয়নি।

যদি সারা পৃথিবীর মানুষের দুই টিকা দেয়া সম্ভব না হয়, তাহলে পৃথিবীর কোথাও না কোথাও সংক্রমণ ছড়াতে থাকবে। সো বুস্টার ডোজের পরিকল্পনা বাদ দিয়ে দ্বিতীয় ডোজ সবাইকে দেয়ার পরিকল্পনা নেয়া উচিত।

অনেক দেশ শুধুমাত্র একটি ডোজ দিয়ে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। দুই-তিনটা দেশে বুস্টার ডোজ দেয়া হচ্ছে। তবে এটি বাণিজ্যিক স্বার্থে করা হয়েছে।

মিক্স অ্যান্ড ম্যাচ ভ্যাসসিনেশনের, অর্থাৎ প্রথম ডোজ এক কোম্পানির এবং দ্বিতীয় ডোজ অন্য কোম্পানির দেয়ার বিষয়ে কী ভাবছে সরকার?

কোনো প্রতিষ্ঠানের তৈরি টিকার প্রথম ডোজ নেয়ার পর যদি একই কোম্পানির দ্বিতীয় ডোজের টিকা না পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে আরেকটি কোম্পানির টিকা বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না। আমরা বড় পরিসরে একটি গবেষণার প্রস্তুতি নিচ্ছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশজুড়ে গবেষণার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

করোনার নতুন কোনো ভ্যারিয়েন্ট আসার শঙ্কা করছেন কি?

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ধরনের ভ্যারিয়েন্ট দেখা দিয়েছে। প্রথমে করোনাভাইরাস উহান শহরে যে ভ্যারিয়েন্ট ধরা পরে সেটি ইতালিতে এসে রূপ পরিবর্তন করে। এই ভ্যারিয়েন্ট পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়িয়েছে।

এ কারণে ভারত কিংবা ইউকে ভ্যারিয়েন্ট আসতে হবে না। দেশীয় ভ্যারিয়েন্টে রূপ পরিবর্তন করে নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্ট তৈরি করতে পারে। যে দেশ অনেক বেশি জিনোম সিকোয়েন্সিং করবে তারা হয়ত বেশি নতুন ভ্যারিয়েন্ট আবিষ্কার করবে। তখন হয়ত তাদের দেশের নামে এটির নামকরণ করা হবে।

এখন আমরা অনেক বেশি জিনোম সিকোয়েন্সিং করছি। ভাইরাসের রূপ পরিবর্তন হলে আমরা জানতে পারব।

আরও পড়ুন:
আরও ৬ বিভাগে বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র
সাংবাদিকরা হয়রানির শিকার হবেন না: তথ্যমন্ত্রী
সংগঠনের নামে ব্যাংক হিসাব চাওয়া নিয়ে তথ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন
ত্যাগীদের মনোনয়ন দেবে আওয়ামী লীগ
তত্ত্বাবধায়কের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই: তথ্যমন্ত্রী

শেয়ার করুন

৩৫তম ফোবানা সম্মেলন নভেম্বরে

৩৫তম ফোবানা সম্মেলন নভেম্বরে

জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি সম্মেলন কক্ষে ফোবানা সম্পর্কিত এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এবারের সম্মেলনের ভেন্যু করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে অবস্থিত ন্যাশনাল হারবারের বিখ্যাত গেলর্ড ন্যাশনাল রিসোর্ট অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারকে।

বাধাবিপত্তি আর করোনার ভয়াবহতাকে মোকাবিলা করে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ফেডারেশন অব বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশন ইন নর্থ আমেরিকা (ফোবানা) সম্মেলন।

নভেম্বরের ২৬ তারিখে শুরু হবে তিন দিনব্যাপী ৩৫তম এই সম্মেলন। এটির আয়োজক আমেরিকান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি (এবিএফএস)।

এবারের সম্মেলনের ভেন্যু করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে অবস্থিত ন্যাশনাল হারবারের বিখ্যাত গেলর্ড ন্যাশনাল রিসোর্ট অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারকে।

সম্মেলনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘অদম্য বাংলাদেশে অবাক বিশ্ব’।

রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি সম্মেলন কক্ষে এ সম্পর্কিত এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

ফোবানা সম্মেলনের সদস্যসচিব শিব্বীর আহমেদের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন এবারের ফোবানা সম্মেলনের কনভেনার জি আই রাসেল।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফোবানা চেয়ারম্যান জাকারিয়া চৌধুরী, স্বাগতিক কমিটির নিরাপত্তাবিষয়ক সাবকমিটির চেয়ারপারসন দেওয়ান জমিরসহ ফোবানার অন্য নেতারা।

বিশ্বে ফোবানা নামটি একটি ‘ব্র্যান্ড’ উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে সদস্যসচিব শিব্বীর আহমেদ বলেন, ‘৩৫ বছর ধরে এই সংগঠনটি উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন শহরে বাংলাদেশিদের মিলনমেলার আয়োজন করে আসছে। এবারও এর ব্যতিক্রম নয়।’

তিনি বলেন, ‘১৯৮৭ সালে ওয়াশিংটন ডিসিতে বিশ্বব্যাংকের একটি ছোট অডিটরিয়ামে অত্যন্ত ছোট পরিসরে যে ফোবানার জন্ম হয়েছিল, সেই ফোবানার ৩৫তম আসর আজ একই শহরের সবচেয়ে বড় বিলাসবহুল ও ব্যয়বহুল সেন্টারে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।’

সম্মেলনে দেশ ও প্রবাসের লেখক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, শিল্পীসহ গুণিজনরা অংশ নেবেন বলে জানান ফোবানার কনভেনার জি আই রাসেল।

তিনি বলেন, ‘৩৫তম ফোবানার অতিথি তালিকায় যেসব বিশিষ্ট ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, স্টেট মিনিস্টার শাহরিয়ার আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশন চেয়ারম্যান ড. শিবলী রুবায়েত উল ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শহিদুল ইসলাম, দুবাইয়ের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাহতাবুর রহমান, বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নইম নিজাম, ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, জাতীয় প্রেস ক্লাব সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, অনন্যা প্রকাশনীর মনিরুল হক, ডিবিসি নিউজের সিইও মনজুরুল ইসলাম, সময় টেলিভিশন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আহমেদ জোবায়ের, চ্যানেল আই প্রধান ফরিদুর রেজা সাগর প্রমুখ।

এ ছাড়াও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী, বাণিজ্যবিষয়ক মন্ত্রী, শিক্ষাবিষয়ক মন্ত্রীকে সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানোর প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

কনভেনার রাসেল জানান, সম্মেলনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ। তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে ফ্যাশন শো, মিস ফোবানা, ম্যাগাজিন, বিজনেস লাঞ্চ, বইমেলা, মিউজিক আইডল, ড্যান্স আইডল, সেমিনার, ইয়ুথ ফোরাম, ইন্টারফেইথ ডায়ালগসহ নানা ইভেন্টের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নৃত্যশিল্পী সাদিয়া ইসলাম মৌ এবং ওয়ার্দা রিহ্যাব অংশগ্রহণ করবেন।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পর্বে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন, জেমস, তাহসান খান, হৃদয় খান, শফি মণ্ডল, লায়লাসহ জনপ্রিয় শিল্পীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া বৃহত্তর ওয়াশিংটন ও উত্তর আমেরিকার একঝাঁক শিল্পী ৩৫তম ফোবানা সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন বলেও জানান রাসেল।

এ ছাড়া ২৭ নভেম্বর বিজনেস নেটওয়ার্ক লাঞ্চ অনুষ্ঠিত হবে। এই লাঞ্চে দেশের ও প্রবাসের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতারা অংশগ্রহণ করবেন।

আরও পড়ুন:
আরও ৬ বিভাগে বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র
সাংবাদিকরা হয়রানির শিকার হবেন না: তথ্যমন্ত্রী
সংগঠনের নামে ব্যাংক হিসাব চাওয়া নিয়ে তথ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন
ত্যাগীদের মনোনয়ন দেবে আওয়ামী লীগ
তত্ত্বাবধায়কের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই: তথ্যমন্ত্রী

শেয়ার করুন

টাকা নিয়ে দেয়া হলো আ.লীগের মনোনয়নপত্র

টাকা নিয়ে দেয়া হলো আ.লীগের মনোনয়নপত্র

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ১০ ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র নেয়ার জন্য টাকা দিয়ে হয়েছে প্রার্থীদের। ছবি: নিউজবাংলা

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জানান, ১০ হাজার টাকা দিয়ে তারা দলের মনোনয়নপত্র নিয়েছেন।

মানিকগঞ্জ সদরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রতি মনোনয়নপত্রের জন্য ১০ হাজার টাকা নিয়েছে উপজেলা কমিটি।

টাকা নেয়ার বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের কথা বললেও জেলা কমিটি জানিয়েছে, মনোনয়ন ফরমের জন্য টাকা নিতে কেন্দ্রীয় কোনো সিদ্ধান্ত নেই।

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ১০টি ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে রোববার ৫০ প্রার্থী আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা দেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগ জানায়, সকাল ১০টা থেকে শহরে দলীয় কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তা জমা দেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরা। যাচাই-বাছাই শেষে সোমবার রাতে মনোনয়নপত্রের চূড়ান্ত তালিকা কেন্দ্রে পাঠানো হবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জানান, ১০ হাজার টাকা দিয়ে তারা দলের মনোনয়নপত্র নিয়েছেন।

এ বিষয়ে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আব্দুল মজিদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চেয়ারম্যান প্রার্থীদের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নেয়া হয়েছে। টাকা নেয়ার বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক জানেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘মনোনয়নপত্রের আবেদন ফরম, খাওয়াদাওয়া এবং যারা মনোনয়নপত্রের কাজে জড়িত তাদের জন্য এই টাকা ব্যয় করা হবে।’

তবে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইরাফিল হোসেন নিউজবাংলাকে জানান, টাকাটা মনোনয়নপত্রের জন্য নয়। দলীয় ফান্ডের জন্য নেয়া হয়েছে।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মহীউদ্দীন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘টাকা নেয়ার বিষয়ে আমি কিছু জানি না এবং টাকা নেয়ার বিষয়ে কেন্দ্রীয় কোনো সিদ্ধান্ত নেই। এ বিষয়ে উপজেলার নেতা-কর্মীরা ভালো বলতে পারবেন।

‘তবে মনে হয়, দলীয় কার্যালয় ও যারা মনোনয়নপত্রের কাজে জড়িত তাদের জন্য নিতে পারে। কারণ এখানে তো খরচ হয়।’

আরও পড়ুন:
আরও ৬ বিভাগে বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র
সাংবাদিকরা হয়রানির শিকার হবেন না: তথ্যমন্ত্রী
সংগঠনের নামে ব্যাংক হিসাব চাওয়া নিয়ে তথ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন
ত্যাগীদের মনোনয়ন দেবে আওয়ামী লীগ
তত্ত্বাবধায়কের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই: তথ্যমন্ত্রী

শেয়ার করুন

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেপ্তার

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেপ্তার

এজাহারে বলা হয়, ওই গৃহবধূর স্বামী তাকে নানার বাড়িতে রেখে ঢাকায় কাজে যান। শুক্রবার রাতে নানার বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন তিনি। গভীর রাতে ৩-৪ জনের একদল যুবক দরজা কেটে ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করেন।

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় নানাবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে এক গৃহবধূ সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গৃহবধূর মামলায় এক যুবককে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার সত্য দাস প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল আলম।

এজাহারে বলা হয়, ওই গৃহবধূর স্বামী তাকে নানার বাড়িতে রেখে ঢাকায় কাজে যান। শুক্রবার রাতে নানার বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন তিনি। গভীর রাতে ৩-৪ জনের একদল যুবক দরজা কেটে ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করেন।

একপর্যায়ে তিনি চিৎকার দিলে পাশের ঘর থেকে বৃদ্ধ নানা বের হয়ে এলে তাকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যান যুবকরা।

হাতীবান্ধা থানার ওসি এরশাদুল আলম জানান, ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। সংঘবদ্ধ ধর্ষণে জড়িত একজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

আরও পড়ুন:
আরও ৬ বিভাগে বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র
সাংবাদিকরা হয়রানির শিকার হবেন না: তথ্যমন্ত্রী
সংগঠনের নামে ব্যাংক হিসাব চাওয়া নিয়ে তথ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন
ত্যাগীদের মনোনয়ন দেবে আওয়ামী লীগ
তত্ত্বাবধায়কের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই: তথ্যমন্ত্রী

শেয়ার করুন

পীরগঞ্জে হামলায় পুড়ল ২০ বাড়িঘর

পীরগঞ্জে হামলায় পুড়ল ২০ বাড়িঘর

রংপুরের পীরগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুনের ঘটনায় এক নারীর আহাজারি। ছবি: সংগৃহীত

রংপুর জেলার সহকারী পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান জানান, হিন্দু সম্প্রদায়ের এক যুবক ফেসবুকে ধর্মীয় অবমাননাকর পোস্ট দিয়েছেন- এমন অভিযোগের পর রোববার এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ওই যুবকের বাড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারলেও দূরে ১৫-২০টি বাড়িঘরে আগুন দেয় উত্তেজিতরা।

ফেসবুকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে রংপুরের পীরগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের বেশ কয়েকটি বাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

পীরগঞ্জের রামনাথপুর ইউনিয়নের বাটের হাট নামক এলাকায় রোববার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

হামলাকারীরা ১৫ থেকে ২০টি বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

রংপুর জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (ডি) সার্কেল কামরুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এক হিন্দু যুবক ফেসবুকে ধর্মীয় অবমাননাকর পোস্ট দিয়েছেন- এমন অভিযোগের পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আমরা ওই যুবকের বাড়িটি প্রটেক্ট করতে পারলেও বেশ কিছু দূরে ১৫-২০টি বাড়িঘরে আগুন দেয় উত্তেজিতরা।’

পীরগঞ্জে হামলায় পুড়ল ২০ বাড়িঘর

তিনি রাত পৌনে ১২টার দিকে নিউজবাংলাকে জানান, এখন পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

স্থানীয় রানা নামের একজন বলেন, ‘পুলিশ অনেক চেষ্টা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। এই অগ্নিসংযোগের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের আমি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

আরও পড়ুন:
আরও ৬ বিভাগে বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র
সাংবাদিকরা হয়রানির শিকার হবেন না: তথ্যমন্ত্রী
সংগঠনের নামে ব্যাংক হিসাব চাওয়া নিয়ে তথ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন
ত্যাগীদের মনোনয়ন দেবে আওয়ামী লীগ
তত্ত্বাবধায়কের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই: তথ্যমন্ত্রী

শেয়ার করুন