সমালোচকদের জন্য করুণা ছাড়া কিছুই নেই: প্রধানমন্ত্রী

সমালোচকদের জন্য করুণা ছাড়া কিছুই নেই: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে প্রবাসীদের দেয়া সংবর্ধনায় ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ভিডিও থেকে নেয়া

সমালোচনাকারীদের ইঙ্গিত করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা যখন কাজ করে বাংলাদেশকে সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে এসেছি, আর এদের কাজ হচ্ছে বাংলাদেশকে কীভাবে খাটো করবে। আওয়ামী লীগ সরকারকে কেউ কেউ অবৈধ সরকার বলে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে অবৈধ সরকার যারা বলে, তারা এই যে কথাগুলো বলার সুযোগটা পাচ্ছে, এই সুযোগটা কোত্থেকে পাচ্ছে?’

বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার অবৈধ নয়, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার বলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, তার সরকারের সমালোচনাকারীদের জন্য করুণা ছাড়া কিছুই নেই, তাদের প্রতি জাতি একসময় ঘৃণা দেখাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে শুক্রবার প্রবাসীদের দেয়া এক সংবর্ধনায় ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেয়ার পর রাতে নিউ ইয়র্কের ম্যারিয়ট হোটেলে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ।

তাতে যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছে। আর সেই ভোটে আওয়ামী লীগ নির্বাচিত হয়েছে। বিএনপির যদি সেই শক্তি থাকত, তাহলে তো তারা ইলেকশন করত। তারা তো ইলেকশনের নামে মাঝপথে কাট মারে। মাঝ পথে যে তারা পিছু হটে চলে যায়, যখনই মনে করে যে জিতবে না, তখনই পেছনের দিকে পালায়। তারপর বলে এই ভোট হয়নি, এটা হয়নি, ওটা হয়নি।’

‘বিএনপি সরকারের আমলে যেসব ইলেকশন হয়েছে, তারা কী ভুলে গেছে?’-এ প্রশ্নও ছোঁড়েন প্রধানমন্ত্রী।

সমালোচকদের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা যখন কাজ করে বাংলাদেশকে সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে এসেছি, আর এদের কাজ হচ্ছে বাংলাদেশকে কীভাবে খাটো করবে। আওয়ামী লীগ সরকারকে কেউ কেউ অবৈধ সরকার বলে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে অবৈধ সরকার যারা বলে, তারা এই যে কথাগুলো বলার সুযোগটা পাচ্ছে, এই সুযোগটা কোত্থেকে পাচ্ছে?’

ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব হয়েছে বলেই সমালোচনাকারীরা এসব কথা বলার সুযোগ পাচ্ছে বলে মনে করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা বৈধ আর অবৈধ যা-ই হই, আজকে ডিজিটাল বাংলাদেশ করে দিয়েছি বলেই তো, সেই সুযোগটা পাচ্ছে। এতই যদি তাদের নীতি আদর্শ থাকে, আমাদের করা এই সমস্ত ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে কেন? এটা তো করা ঠিক না তাদের।’

এসব সমালোচনকারীরা বিএনপি, জামায়াত এবং ৭৫-এর খুনিচক্রের অর্থ দিয়েই চলে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘উচ্চ আদালতের রায় আছে, জিয়াউর রহমানের সরকার অবৈধ, এরশাদের সরকার অবৈধ। কারণ মার্শাল ল দিয়ে তারা সরকার গঠন করেছে। আর জিয়াউর রহমানের স্ত্রী এতিমের টাকা মেরে খেয়ে সাজাপ্রাপ্ত। আর তার ছেলে ১০ ট্রাক অস্ত্র পাচারের মামলায়, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় ধরা পড়েছে। এমনকি বিদেশেও, শুধু আমাদের দেশে না। আমেরিকার এফবিআইয়ের হাতে তাদের দুর্নীতি ধরা পড়েছে।’

বর্তমান সরকার নিয়ে কেন এই সমালোচনা, সে ব্যাখ্যাও উঠে আসে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে। বাংলাদেশের উন্নয়নে ঈর্ষান্বিত হয়েই একটি মহল সমালোচনায় মুখর বলেও মনে করেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের যে পরিবর্তন, যারা স্বাধীনতা চায়নি, যারা জাতির পিতাকে হত্যা করেছে, খুনি, যারা পাকিস্তানিদের দালালি করেছে, হানাদার বাহিনীর দালাল, তাদের বাংলাদেশের উন্নতিটা ভালো লাগে না। সেজন্যই তারা বদনামটা করে থাকে।

‘কাজেই তাদের করুণা করা ছাড়া আর কিছুই নেই। তাদের প্রতি জাতি একসময় ঘৃণা দেখাবে। আর আমরা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে, বাংলাদেশকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না।’

এসময় দেশের উন্নয়নের অংশীদার হতে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশিদের দেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘আমি একটা কথা বলব, আমাদের প্রবাসী যারা তারা কিন্তু বাংলাদেশে এখন বিনিয়োগ করতে পারেন।’

বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতে বাংলাদেশে তার সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপের কথা প্রবাসীদের কাছে তুলে ধরেন সরকারপ্রধান। আবারও জানালেন, সারা দেশে গড়ে তোলা হচ্ছে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের কথা।

তিনি বলেন, ‘শুধু আমেরিকাই করবে তা না, আমাদের প্রবাসী আমেরিকানরা যতদূর পারেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারেন।’

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে দেশের অর্থনীতি, মানুষের জীবন ও জীবিকার গতি সচল রাখতে সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপও প্রবাসীদের জানান শেখ হাসিনা।

বক্তব্যে দেশের গণমাধ্যম নিয়েও কথা বলেন শেখ হাসিনা। গণমাধ্যমের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা আশা করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘পত্রিকা শুধু নেতিবাচক কথা লিখবে, আর ভালো কথা লিখবে না, সেটা তো হয় না। পত্রিকা অপবাদ ছড়াবে শুধু, আর কনস্ট্রাকটিভ কথা বা যেটা দেশের উন্নতি বা দেশের জন্য ভালো হবে, সেগুলো বলবে না, এটা তো হতে পারে না। কাজেই দায়িত্বশীলতাটা সবদিক থেকে সমান থাকা দরকার।

‘মিথ্যা অপবাদ দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত যেন না করা না হয়, সেদিকটাও দেখতে হবে। সেই দায়িত্বশীল ভূমিকাটা পালন করতে হবে।’

৭৫ পরবর্তী দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতার চিত্রও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। শোনালেন, ৬ বছরের শরণার্থী জীবন ছেড়ে ঝুঁকি নিয়েও তার দেশে ফিরে আসার গল্প।

বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা বলেন, ‘ওই অবস্থার ভেতরেই কিন্তু আমি বাংলাদেশে ফিরে আসি। আমি জানতাম, আমি যখন ফিরব আমাকে যেকোনো সময় হয়তো আমার ভাগ্যে একইরকম ঘটনা ঘটতে পারে। যেকোনো সময় মৃত্যু হতে পারেনি। সেজন্য কিন্তু পিছিয়েও যায়নি, থেমেও থাকিনি। সেটা আমি চিন্তাও করি না।’

ন্যায় আর সত্যের কথা বললে, জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হবে বলেই মানেন শেখ হাসিনা। বলেন, ‘সেজন্য সত্য কথা বলব না, আর ন্যায়সঙ্গত কথা বলব না-এটা তো হয় না। কাজেই আমি বলে যাচ্ছি। বার বার গেরিলা হামলা, গুলির মুখোমুখি হতে হয়েছে, কারাগারে বন্দি হতে হয়েছে, সেগুলো জানি আমি। জেনেই আমার পথ চলা।’

বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে কেউ যেন কোনোদিন ছিনিমিনি খেলতে না পারে সেদিকেও সজাগ থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুন:
জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রীকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন বই
প্রত্যাবাসনে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান দেখছেন প্রধানমন্ত্রী
‘আফগানের উন্নয়নে কাজ করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ’
জলবায়ু পরিবর্তন: ক্ষতিপূরণ ও অভিযোজনে প্রযুক্তি চান প্রধানমন্ত্রী
জাতিসংঘে টিকা প্রযুক্তি চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সারা দেশে সাম্প্রদায়িক হামলা বিএনপির ইন্ধনে: কাদের

সারা দেশে সাম্প্রদায়িক হামলা বিএনপির ইন্ধনে: কাদের

শেখ রাসেলের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বনানী কবরস্থানে তার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগের নেতারা। ছবি: নিউজবাংলা

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির ইন্ধনে সারা দেশে সাম্প্রদায়িক হামলা হচ্ছে। গতকাল রাতে রংপুরের পীরগঞ্জে জেলেপল্লীতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা তার একটি উদাহরণ। দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করতে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে বিএনপি এমন চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে।’

দুর্গাপূজার উৎসবের মধ্যে এবং এর পরবর্তী সময়ে সারা দেশে যে সাম্প্রদায়িক সংঘাত ছড়িয়েছে তাতে বিএনপির ইন্ধন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রাজধানীর বনানী কবরস্থানে সোমবার সকালে শেখ রাসেলের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সাম্প্রদায়িক সংঘাতের ঘটনাগুলো নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খোঁজখবর নিচ্ছেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন কাদের।

তিনি বলেন, ‘বিএনপির ইন্ধনে সারা দেশে সাম্প্রদায়িক হামলা হচ্ছে। গতকাল রাতে রংপুরের পীরগঞ্জে জেলেপল্লীতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা তার একটি উদাহরণ। দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করতে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে বিএনপি এমন চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে।’

ফেসবুকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে রংপুরের পীরগঞ্জে রামনাথপুর ইউনিয়নের বাটের হাটে রোববার রাতে হিন্দু সম্প্রদায়ের বেশ কয়েকটি বাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয়।

হামলাকারীরা ১৫ থেকে ২০টি বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ ক্ষতিগ্রস্তদের। পরে পুলিশ এসে রাত পৌনে ১২টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

রংপুর জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এক হিন্দু যুবক ফেসবুকে ধর্মীয় অবমাননাকর পোস্ট দিয়েছেন- এমন অভিযোগের পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আমরা ওই যুবকের বাড়িটি প্রটেক্ট করতে পারলেও বেশ কিছু দূরে ১৫-২০টি বাড়িঘরে আগুন দেয় উত্তেজিতরা।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘৭৫ পরবর্তী সময়ের হত্যা, ষড়যন্ত্র ও সাম্প্রদায়িক রাজনীতির যে ধারা সেই ধারার উত্তরাধিকার হিসেবে এখনও বয়ে চলছে একটি রাজনৈতিক দল। সেই দলটিই হচ্ছে বিএনপি।’

ক্ষমতাসীন দলের এই নেতা বলেন, ‘হত্যা, ষড়যন্ত্র ও সাম্প্রদায়িক রাজনীতির কারণে বহু কষ্টে অর্জিত গণতন্ত্রের ওপর আঘাত এসেছে। কাজেই আজকের দিনে আমাদের শপথ হোক বাংলাদেশের অর্জন, উন্নয়নের বিরুদ্ধে যে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির ডাল পালার বিস্তার লাভ করেছে সেই বিষবৃক্ষ ও ডালপালা উপরে ফেলা।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘পৃথিবীর ইতিহাসে এত নৃশংসতম রাজনৈতিক হত্যা হয়নি। কিন্তু মানব সভ্যতার ইতিহাসে ৭৫ এর ১৫ আগস্ট নৃশংসতম হত্যাকাণ্ড হয়েছে। যে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে অবলা ও অন্তঃসত্ত্বা নারী এবং শেখ রাসেলের মতো অবুঝ শিশু।

‘পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো শিশু হত্যা কাণ্ডের টার্গেট হয়নি, কিন্তু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলকে টার্গেট করে হত্যা করা হয়েছে। অথচ রাসেল ছিলেন মেধাবী, বুদ্ধিদীপ্ত, বিনয়ী ও সম্ভবনাময়ী। তার মধ্যে ছিল ভবিষ্যত নেতৃত্বের ছাপ।’

এর আগে শেখ রাসেলের জন্মদিনে তার সমাধিতে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় আওয়ামী লীগ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, আব্দুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, দীপু মনি, আফম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, আহমেদ হোসেন, আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুস সবুর, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বডুয়া, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খানসহ আরও অনেকে।

শেখ রাসেলের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় আওয়ামী যুবলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো।

পরে কবরস্থান প্রাঙ্গণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে ৭৫ এর ১৫ আগস্ট নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।

আরও পড়ুন:
জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রীকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন বই
প্রত্যাবাসনে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান দেখছেন প্রধানমন্ত্রী
‘আফগানের উন্নয়নে কাজ করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ’
জলবায়ু পরিবর্তন: ক্ষতিপূরণ ও অভিযোজনে প্রযুক্তি চান প্রধানমন্ত্রী
জাতিসংঘে টিকা প্রযুক্তি চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন

সবাই স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করছে: মন্ত্রী তাজুল

সবাই স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করছে: মন্ত্রী তাজুল

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রোববার বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘পদ্মাসেতু, কর্ণফুলী ট্যানেল, রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র, মেট্রোরেলসহ অনেক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে যা বিশ্বদরবারে দেশের সুনাম ছড়িয়েছে। এসব উন্নয়ন তাদের সহ্য হয় না বলে নানা অপকৌশল অবলম্বন করছে। ধর্মীয় উগ্রবাদ সৃষ্টি করে দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত এবং বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার অপচেষ্টা চলছে।’

দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে নিজের ধর্ম পালন করছে, এমন মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রোববার বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান, মন্ত্রী, আমলা কৃষক-শ্রমিকসহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষ সবাই এদেশের সন্তান। সবাই মিলে সৌহার্দ্য সম্প্রীতি বজায় রেখে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণ করতে হবে।

‘বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষ কোনো বাধাবিঘ্ন ছাড়াই স্বাধীনভাবে নিজের ধর্ম পালন করছে। অন্য ধর্মের প্রতি সম্মান ও মর্যাদা করার শিক্ষা ইসলামসহ সকল ধর্মেই রয়েছে। কিন্তু একটি গোষ্ঠী ধর্মকে ব্যবহার করে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।’

ধর্মীয় উগ্রবাদ ছড়িয়ে বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা চলছে বলেও জানান মন্ত্রী।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘পদ্মাসেতু, কর্ণফুলী ট্যানেল, রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র, মেট্রোরেলসহ অনেক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে যা বিশ্বদরবারে দেশের সুনাম ছড়িয়েছে ও চমক সৃষ্টি হয়েছে। এসব উন্নয়ন তাদের সহ্য হয় না বলে নানা অপকৌশল অবলম্বন করছে।

‘ধর্মীয় উগ্রবাদ সৃষ্টি করে দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত এবং বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার অপচেষ্টা চলছে,’ যোগ করেন তিনি।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পরই দেশের উন্নয়ন শুরু হয়। কিন্তু পরবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতায় না আসায় দেশে উন্নয়নের ধারা স্থবির হয়ে পড়ে। এরপর পুনরায় শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে দেশকে নতুন এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। এখন লক্ষ্যমাত্রা একটাই ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণ করা।

‘নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে দরকার সঠিক নেতৃত্ব। আর সে নেতৃত্ব দেয়ার সক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আছে। যার নজির তিনি ইতোমধ্যে রেখেছেন এবং রেখে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বে আজ উন্নয়নের রোল মডেল। দেশের উন্নয়ন দেখে সারা বিশ্ব আজ হতবাক।’

আরও পড়ুন:
জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রীকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন বই
প্রত্যাবাসনে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান দেখছেন প্রধানমন্ত্রী
‘আফগানের উন্নয়নে কাজ করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ’
জলবায়ু পরিবর্তন: ক্ষতিপূরণ ও অভিযোজনে প্রযুক্তি চান প্রধানমন্ত্রী
জাতিসংঘে টিকা প্রযুক্তি চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন

ছাত্রলীগ থেকে ‘সাম্প্রদায়িক’ ১০ নেতা বহিষ্কার

ছাত্রলীগ থেকে ‘সাম্প্রদায়িক’ ১০ নেতা বহিষ্কার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের মিছিল। ফাইল ছবি

বহিষ্কার হওয়ার পর এক নেতা বলেন, ‘ছাত্রলীগের সংগঠন থেকে আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে, আমি জেনেছি এবং এটা সত্য। কোরআন অবমাননা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছি। এটা যদি আমার অপরাধ হয়ে থাকে আর সেই অপরাধে দল থেকে বহিষ্কার করা হয় তাতে আমার কোনো দুঃখ নেই।’

কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ঘটনায় ফেসবুক পেজে সাম্প্রদায়িক মনোভাবের প্রমাণ পেয়ে ১০ জনকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করেছে ছাত্রলীগ।

বহিষ্কৃত হওয়ার পর এক নেতা বলেছেন, তার দুঃখ নেই। তিনি ফেসবুকে যা লিখেছেন, সেটিই তার বক্তব্য। তবে এক নেতা দুঃখ প্রকাশ করে আবার স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তবে ছাত্রলীগ তার সিদ্ধান্ত পাল্টায়নি।

সরকার সমর্থক ছাত্র সংগঠনটির কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ইন্দ্রনীল দেব শর্মা রনি বহিষ্কারের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

বহিষ্কার হওয়া নেতাদের মধ্যে পাঁচ জনের পরিচয় জানা গেছে। এরা হলেন, ঢাকা মহানগর উত্তরের নিউ মডেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক আশিক আহমেদ, কাফরুল থানা ছাত্রলীগের ৯৪ নং ওয়ার্ডের জিহাদ হাসান রাজ, শরীয়তপুর সদর উপজেলা শাখার ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম ঢালী, লক্ষ্মীপুর জেলার ১৪নং মান্দারি ইউনিয়ন শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সাইমুন এবং ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি মিরাজ মিঠু।

এদের মধ্যে ঢালীকে গত বৃহস্পতিবার আর বাকি চার জনকে শনিবার অব্যাহতি দেয়া হয়। বাকি পাঁচজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

শরীয়তপুর সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সই করা অন্য একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উসকানিমূলক পোস্ট দেয়ায় শহিদুল ইসলাম ঢালীকে বহিষ্কারের কথা জানানো হয়।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ঢালী বলেন, ‘ছাত্রলীগের সংগঠন থেকে আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে, আমি জেনেছি এবং এটা সত্য। কোরআন অবমাননা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছি। এটা যদি আমার অপরাধ হয়ে থাকে আর সেই অপরাধে দল থেকে বহিষ্কার করা হয় তাতে আমার কোনো দুঃখ নেই।’

যশোর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সালাউদ্দিন কবির পিয়াস ও সাধারণ সম্পাদক তানজীব নওশাদ পল্লব স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে মিরাজ মিঠুকে অব্যাহতির বিষয়টি জানানো হয়।

মেরাজ হোসেন মিঠু শুক্রবার রাতে উসকানিমূলক পোস্টটি দেন। এরপর পদ হারিয়ে শনিবার ফেসবুকে আরেকটি স্ট্যাটাসে ক্ষমা চান তিনি। না বুঝে পোস্টটি দিয়েছিলেন দাবি করে মিঠু লিখেছেন, ‘এমন ভুল আর কখনও হবে না। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান- আমরা সকলে ভাই।’

বহিষ্কার হওয়া বাকি নেতাদের বক্তব্য জানা যায়নি।

সংগঠনে সন্তোষ

এ ধরনের নেতাদের দল থেকে বহিষ্কার করায় সন্তোষ প্রকাশ করেন ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টরা।

অর্ক শাহা নামের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের এক কর্মী ফেসবুকে লেখেন, ‘ছাত্রলীগের ভেতরে থাকা মামুনুল-ছানাদের বিতাড়িত করবার জন্য ধন্যবাদ ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগ। এভাবেই একে একে সব ধর্মান্ধ জানোয়ারের দল ছাত্রলীগ থেকে বিতাড়িত হবে এটাই প্রত্যাশা।’

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ক্ষমতাসীন দলের পাশাপাশি ছাত্রলীগেও ব্যাপকভাবে অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে।

সাম্প্রদায়িক সহিংসতাসহ নানা বিতর্কিত ঘটনায় ফেসবুকে প্রায়শই সংগঠনের পদধারীদের এমন প্রতিক্রিয়া আসে, যা এই সংগঠনটির অতীত ঐতিহ্যের সঙ্গে বেমানান।

বহিষ্কারের সংখ্যা বাড়তে পারে

দপ্তর সেলের কর্মীরা জানান, এ ধরনের কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে দেশের বিভিন্ন ইউনিটের আরও অনেক নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ আসছে। যাচাই বাছাই করে তাদেরকেও দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।

ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক ইন্দ্রনীল দেব শর্মা রনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যাদেরকে বহিষ্কার বা অব্যাহতি দেয়া হয়েছে তাদের ছাড়াও আরও অনেকের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় দপ্তর সেলে অভিযোগ আসছে। কেউ যেন গ্রুপিংয়ের শিকার হয়ে অন্যায়ভাবে বাদ না পড়েন সেজন্য আমরা কেন্দ্রীয় ভাবেও এটির মনিটরিং করছি।’

তিনি বলেন, ‘ঢাকা মহানগর থেকে একটা অভিযোগ এসেছে। নোয়াখালী থেকে একটা, মানিকগঞ্জ থেকে, যশোরের একটা উপজেলার আহ্বায়কের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আছে। এছাড়া ঝিনাইদহ এবং সাতক্ষীরার কয়েকজনের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আসছে। এগুলো আমরা যাচাই বাছাই করছি।

‘সভাপতি সাধারণ সম্পাদক নির্দেশ দিয়েছেন, কাউকে আমরা ছাড় দেবো না।’

সার্বিক বিষয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তারা ফোন রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য জানা যায়নি।

দুর্গাপূজার ন্যাক্কারজনক ঘটনা

গত বুধবার কুমিল্লা নগরীর নানুয়ার দীঘির উত্তরপাড়ের অস্থায়ী পূজামণ্ডপে কোরআন শরিফ পাওয়ার অভিযোগ তোলার পর সকাল থেকে শহরে ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। ভাঙচুর করা হয় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ।

কুমিল্লার ঘটনার জের ধরে নোয়াখালীর চৌমুহনীতেও বিভিন্ন মণ্ডপে হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় যতন সাহা নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এর বাইরেও দেশের বিভিন্ন জায়গায় হিন্দুদের মন্দির, ঘরবাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে।

এসব ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট দিয়ে বিভিন্ন কলেজ-উপজেলা ছাত্রলীগ থেকে পদ হারিয়েছেন একাধিক ছাত্রলীগ নেতা।

আরও পড়ুন:
জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রীকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন বই
প্রত্যাবাসনে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান দেখছেন প্রধানমন্ত্রী
‘আফগানের উন্নয়নে কাজ করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ’
জলবায়ু পরিবর্তন: ক্ষতিপূরণ ও অভিযোজনে প্রযুক্তি চান প্রধানমন্ত্রী
জাতিসংঘে টিকা প্রযুক্তি চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন

স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন ফরম ছিনতাইয়ের অভিযোগ

স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন ফরম ছিনতাইয়ের অভিযোগ

স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মকসুদ আহমদ চৌধুরী।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ফারুক হোছাইন বলেন, ‘সকাল ৯টার দিকে অফিসে মনোনয়ন ফরম জমা দেয়ার সময় কয়েকজন যুবক স্বতন্ত্র প্রার্থী মকসুদ আহমদ চৌধুরীর মনোনয়ন ফরম নিয়ে যান। মনোনয়ন ফরম নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ওই প্রার্থীকে লিখিত অভিযোগ দেয়ার জন্য বলেছি। প্রার্থী এলে পুনরায় মনোনয়ন ফরম দেয়া হবে।’

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে মনোনয়ন ফরম ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় চত্বরে রোববার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মকসুদ আহমদ চৌধুরী। তিনি জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন থেকে একাধিকবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান।

মকসুদের প্রস্তাবকারী নুরুল হুদা বলেন, ‘রোববার সকালে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মকসুদ আহমদ চৌধুরীর মনোনয়ন ফরম জমা দিতে যান। ফাইল জমা নেয়ার সময় নৌকা সমর্থিত প্রার্থী রেজাউল করিমের বোনের ছেলে কামরুল ও শহীদের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক রিটার্নিং কর্মকর্তার টেবিল থেকে মনোনয়ন ফাইল ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন। বাধা দেয়া হলে তারা কিলঘুষি মেরে আমার কাছ থেকে মনোনয়ন ফরম নিয়ে যান।’

এই বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত কামরুলের নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ফারুক হোছাইন বলেন, ‘সকাল ৯টার দিকে অফিসে মনোনয়ন ফরম জমা দেয়ার সময় কয়েকজন যুবক স্বতন্ত্র প্রার্থী মকসুদ আহমদ চৌধুরীর মনোনয়ন ফরম নিয়ে যান। মনোনয়ন ফরম নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ওই প্রার্থীকে লিখিত অভিযোগ দেয়ার জন্য বলেছি। প্রার্থী এলে পুনরায় মনোনয়ন ফরম দেয়া হবে।’

সহকারী পুলিশ সুপার (মিরসরাই সার্কেল) লাবিব আবদুল্লাহ বলেন, ‘নির্বাচন উপলক্ষে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের বাইরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী মকসুদ আহমদ চৌধুরীর মনোনয়ন ফরম ছিনতাইয়ের বিষয়ে থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আগামী ১১ নভেম্বর উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন:
জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রীকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন বই
প্রত্যাবাসনে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান দেখছেন প্রধানমন্ত্রী
‘আফগানের উন্নয়নে কাজ করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ’
জলবায়ু পরিবর্তন: ক্ষতিপূরণ ও অভিযোজনে প্রযুক্তি চান প্রধানমন্ত্রী
জাতিসংঘে টিকা প্রযুক্তি চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন

৭২ এর সংবিধানে ফেরার দাবি সংসদে তুলবেন প্রতিমন্ত্রী মুরাদ

৭২ এর সংবিধানে ফেরার দাবি সংসদে তুলবেন প্রতিমন্ত্রী মুরাদ

রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৮ তম জন্মদিনের আলোচনায় বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান। ছবি: নিউজবাংলা

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু যে সংবিধান দিয়ে গেছেন, সেই সংবিধানে ফিরে যাওয়ার জন্য সংসদে কথা বলব আমরা। কেউ কথা না বললেও আমি মুরাদ সংসদে কথা বলব।’

বাহাত্তরের সংবিধানে ফিরে যাওয়ার দাবি তুলে তুমুল আলোচিত তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান জানিয়েছেন, এই দাবি এবার তিনি সংসদে তুলতে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, ‘যে কোনো মূল্যে আমাদের ৭২ এর সংবিধানে ফিরে যেতে হবে। বাংলাদেশ কোনো ধর্ম ব্যবসায়ী, মৌলবাদীদের আস্তানা হতে পারে না। আমাদের শরীরে মুক্তিযোদ্ধার রক্ত। যে কোনো মূল্যে আমাদের ৭২ এর সংবিধানে ফিরে যেতেই হবে।’

বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৮ তম জন্মদিনের আলোচনায় রোববার তিনি এ কথা বলেন। রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এর আয়োজন করে যুবলীগ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু যে সংবিধান দিয়ে গেছেন, সেই সংবিধানে ফিরে যাওয়ার জন্য সংসদে কথা বলব আমরা। কেউ কথা না বললেও আমি মুরাদ সংসদে কথা বলব।’

সম্প্রতি মুরাদ হাসান রাষ্ট্রধর্ম করার সমালোচনা করে যে বক্তব্য রেখেছেন, তা ভাইরাল হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘ইসলাম আমাদের রাষ্ট্রীয় ধর্ম না। এটা বিশ্বাস করি না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে সংবিধান লিখে গেছেন, সেই সংবিধানই থাকবে। এটার কোনো পরিবর্তন ওই এরশাদ, জিয়াউর রহমান, ওই সব মার্শাল ল অ্যাডমিনিস্ট্রেটর...এসব স্বৈরাচারের শাসনামল ইতিহাস থেকে মুছে দেওয়া হয়েছে আদালতের রায়ে। ওগুলো চলবে না। এই বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ। বাহাত্তরের সংবিধানেই আমরা ফিরে যাব।’

সেনা শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতায় আসার পর সংবিধান সংশোধন করে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম করার যে বিল পাস করে, সে সময় বিরোধী দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এমনকি জামায়াতে ইসলামীও এর সমালোচনা করে। এই বিলের প্রতিবাদে সে সময় হরতালও করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। তবে ক্ষমতায় আসার পর কোনো দল সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেয়নি।

বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে শেখ রাসেলকে হত্যার কথাও তুলে ধরেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী। এই হত্যার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিরা তার রক্তের উত্তরাধিকারকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে চেয়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, তাদের সেই অপচেষ্টা শতভাগ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে। শহীদ শেখ রাসেল আজ বাংলাদেশের শিশু-কিশোর, তরুণ, শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষদের কাছে ভালোবাসার নাম।

‘অবহেলিত, পশ্চাৎপদ, অধিকারবঞ্চিত শিশুদের আলোকিত জীবন গড়ার প্রতীক হয়ে গ্রাম-গঞ্জ-শহর তথা বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ জনপদ-লোকালয়ে শেখ রাসেল আজ এক মানবিক সত্তায় পরিণত হয়েছে। মানবিক চেতনাসম্পন্ন সব মানুষ শেখ রাসেলের মর্মান্তিক বিয়োগ বেদনাকে হৃদয়ে ধারণ করে বাংলার প্রতিটি শিশু-কিশোর তরুণের মুখে হাসি ফোটাতে আজ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরে আলম চৌধুরী লিটন বলেন, ‘আজ রাসেল বেঁচে থাকলে তিনি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে থাকতেন।

‘১৫ আগষ্ট নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে ঘাতকরা মনে করেছিল আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করে দেবে। বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই সেই দলকে সুসংগঠিত করে রাষ্ট্রক্ষমতায় এনেছেন।’

লিটন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতা যেমন সম্ভব ছিল না, তেমনি শেখ হাসিনা ছাড়াও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ সম্ভব ছিল না। শেখ হাসিনা মানবিকতার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। তিনি মানবিক না হলে ২১ আগস্টে হামলায় জড়িত ছিলেন খালেদা জিয়া এখন প্রধানমন্ত্রীর করুণায় বাসায় এখন ঘুমাতে পারতেন না।’

শেখ রাসেলের স্মৃতিচারণ করে যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, ‘শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে সৎ, নিষ্ঠাবান, মানবিক দেশ দরদী মানুষ হতেন। কারণ, তিনি তো বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতার সন্তান।’

আরও পড়ুন:
জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রীকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন বই
প্রত্যাবাসনে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান দেখছেন প্রধানমন্ত্রী
‘আফগানের উন্নয়নে কাজ করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ’
জলবায়ু পরিবর্তন: ক্ষতিপূরণ ও অভিযোজনে প্রযুক্তি চান প্রধানমন্ত্রী
জাতিসংঘে টিকা প্রযুক্তি চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন

৩ নেতার বিরুদ্ধে মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ এমপির

৩ নেতার বিরুদ্ধে মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ এমপির

কালিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে রোববার সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন এমপি কবিরুল হক মুক্তি। ছবি: নিউজবাংলা

এমপি কবিরুল বলেন, ‘নড়াইলের প্রতিটি ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রকৃত নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ তিনজন অর্থের বিনিময়ে বিএনপি-জামায়াতের লোকদের মনোনয়ন দিয়েছেন। কালিয়াতেও তারা টাকার বিনিময়ে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন।’

নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন খান নিলু, কালিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম হারুন অর রশিদ এবং সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণপদ ঘোষের বিরুদ্ধে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।

কালিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে রোববার বেলা ১১টায় সংবাদ সম্মেলনে নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) কবিরুল হক মুক্তি এ অভিযোগ করেন।

কবিরুল বলেন, ‘নড়াইলের প্রতিটি ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রকৃত নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে তারা অর্থের বিনিময়ে বিএনপি-জামায়াতের লোকদের মনোনয়ন দিয়েছেন। কালিয়াতেও তারা টাকার বিনিময়ে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন।’

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন খান নিলুর আয়ের উৎস নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সংসদ সদস্য কবিরুল।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোল্যা এমদাদুল ইসলাম, কালিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র এমদাদুল হক টুলু, কালিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র একরামুল হক টুকু, সাবেক মেয়র ফকির মুশফিকুর রহমান লিটন, কালিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ইব্রাহীম শেখ, কালিয়া উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক খান রবিউল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক আশিষ কুমার ভট্টাচার্যসহ অনেকে।

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার ১২ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হবে ২৮ নভেম্বর।

আরও পড়ুন:
জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রীকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন বই
প্রত্যাবাসনে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান দেখছেন প্রধানমন্ত্রী
‘আফগানের উন্নয়নে কাজ করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ’
জলবায়ু পরিবর্তন: ক্ষতিপূরণ ও অভিযোজনে প্রযুক্তি চান প্রধানমন্ত্রী
জাতিসংঘে টিকা প্রযুক্তি চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন

হিন্দুরা কখনও এভাবে কোরআন অবমাননা করবে না: জাপা

হিন্দুরা কখনও এভাবে কোরআন অবমাননা করবে না: জাপা

কুমিল্লা নগরীর সেই মণ্ডপ পরিদর্শনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। ছবি: নিউজবাংলা

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেন, ‘সরকারি সহায়তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পাহারার মাঝে কেমন করে পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা হলো তা তদন্ত করতে হবে। কেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ব্যর্থ হলো, এটা বের করতে হবে।’

কুমিল্লায় একটি পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন পাওয়ার ঘটনায় দেশজুড়ে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, তা চক্রান্তের অংশ হিসেবে মনে করেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

তিনি বলেন, ‘হিন্দু সম্প্রদায় কখনোই তাদের উৎসবমুখর পূজা বানচাল করতে কোরআনকে অবমাননা করবে না।’

সামান্যতম ঈমান থাকলে কোনো মুসলিম কোরআনকে অবমাননা করতে ষড়যন্ত্র করতে পারে না-এমন কথাও বলেন তিনি।

জাপা নেতা বলেন, ‘কোরআন অবমাননার খবর সারা দেশে ছড়িয়ে দিয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা ছড়িয়ে দিতে অপচেষ্টা করেছে একটি চক্র। পরিকল্পিতভাবে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে।’

রোববার দুপুরে রাজধানীর বনানীতে দলীয় কার্যালয় মিলনায়তনে জাতীয় পার্টি খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা ও নতুন মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুকে শুভেচ্ছা জানানোর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন জি এম কাদের।

তিনি বলেন, ‘সরকারি সহায়তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পাহারার মাঝে কেমন করে পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা হলো তা তদন্ত করতে হবে। কেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ব্যর্থ হলো, এটা বের করতে হবে।’

রাষ্ট্রধর্মের সমালোচনা করে তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান যে বক্তব্য রেখেছেন, তারও সমালোচনা করেন জি এম কাদের। বলেন, ‘রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম মানি না বলে যে উসকানিমূলক বক্তব্য ভাইরাল করেছেন, তার সঙ্গে এই ষড়যন্ত্রের যোগসূত্র আছে কি না তাও খতিয়ে দেখতে হবে সরকারকে। ’

দেশে কোনোভাবেই সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে দেবেন না মন্তব্য করে জাপা নেতা বলেন, ‘এ দেশে একই চত্বরে মসজিদ ও মন্দিরে উপাসনা চলছে শত শত বছর ধরে। আমাদের পূর্ব পুরুষরাও একই সঙ্গে ধর্মীয় আচার-আচরণ পালন করেছেন। কখনও কোনো সমস্যা হয়নি, এখন কেন হচ্ছে তা খতিয়ে দেখতে হবে। সাম্প্রদায়িক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশে যেকোনো ষড়যন্ত্রই ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ।’

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘যার ধর্মীয় বিশ্বাস আছে এবং যিনি দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন, তিনি কখনোই অন্য ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলা করতে পারেন না।

‘দেশে এত গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে, তার মাঝেও কুমিল্লার মন্দিরে কে বা কারা কোরআন শরিফ রেখেছে তা বের করতে হবে।’

দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও অতিরিক্ত মহাসচিব (খুলনা বিভাগ) সাহিদুর রহমান টেপার সভাপতিত্বে আয়োজনে দলের সভাপতি প্রেসিডিয়াম সদস্য মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়াসহ কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন স্তরের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন:
জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রীকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন বই
প্রত্যাবাসনে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান দেখছেন প্রধানমন্ত্রী
‘আফগানের উন্নয়নে কাজ করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ’
জলবায়ু পরিবর্তন: ক্ষতিপূরণ ও অভিযোজনে প্রযুক্তি চান প্রধানমন্ত্রী
জাতিসংঘে টিকা প্রযুক্তি চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন