‘শক্তি দেখালেন’ জাহাঙ্গীর, চক্রান্তকারীর মুখোশ খোলার ঘোষণা

‘শক্তি দেখালেন’ জাহাঙ্গীর, চক্রান্তকারীর মুখোশ খোলার ঘোষণা

আওয়ামী লীগের একাংশের বিক্ষোভের মধ্যে বোর্ডবাজারের সমাবেশে মেয়র জাহাঙ্গীর আসেন গাড়ির সানরুফ খুলে। ছবি: নিউজবাংলা

‘মিথ্যা মিথ্যাই থাকবে। ষড়যন্ত্রকারীরা যত বড় শক্তিশালীই হোক, তাদের মুখোশ একদিন খুলবে। যারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করছে, যত বড় ষড়যন্ত্রকারীই হোক, তাদের মুখোশ খুলে দেব।

বাংলাদেশ জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অগ্রগতি সম্মাননা পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানাতে গিয়ে আনন্দ সমাবেশে গাজীপুরের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম মূলত নিজের শক্তি দেখালেন।

মুক্তিযুদ্ধে শহিদের সংখ্যা ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্য দেয়ার অভিযোগ নিয়ে তার শাস্তি চেয়ে আওয়ামী লীগেরই নেতা-কর্মীদের টানা বিক্ষোভের মধ্যে তাদের কর্মসূচি স্থলের পাশে সমাবেশ করলেন মেয়র। বলছেন, তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, তার সবই ষড়যন্ত্র। তিনি সব চক্রান্তকারীর মুখোশ খুলে দেবেন।

শুক্রবার বিকেলে বোর্ডবাজার ইউটিসি চত্বর বালুর মাঠে এই সমাবেশটিকে ঘিরে এলাকায় ছিল উত্তেজনা। মেয়রের একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ১০০ গজ দূরেই তার শাস্তি চেয়ে আওয়ামী লীগের একটি অংশের নেতা-কর্মীরা জড়ো হয়। দুই পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেলও ছোড়াছুড়ি হয়। পরে পুলিশ বিরোধী পক্ষের এক নেতাকে সরিয়ে নিলে উত্তেজনার অবসান হয়।

দিন পাঁচেক আগে মেয়র যখন দেশের বাইরে, সে সময় ভিডিওটি ভাইরাল হয়। আর বুধবার থেকেই জাহাঙ্গীরকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার, মেয়র পদ থেকে অপসারণ ও আইনি ব্যবস্থা নেয়ার দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ চলতে থাকে।

মহানগর আওয়ামী লীগের বেশিরভাগ নেতাই গত দুই দিনের বিক্ষোভে সংহতি জানিয়েছেন, যাদের মধ্যে আছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লাহ খানও। এই কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর।

আজমত জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রে জানিয়েছেন আর শীর্ষ নেতারা বিষয়টি জেনে ক্ষুব্ধ হয়েছেন। কেন্দ্রের দিন নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন তারা।

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার সময় মেয়র ছিলেন ভারতে। তিনি ফিরেছেন বুধবার মধ্যরাতে। আর দুই দিন পর সমাবেশ ডেকে সমর্থকদের জড়ো করে মূলত দলে নিজের অবস্থানের জানান দিয়েছেন।

‘শক্তি দেখালেন’ জাহাঙ্গীর, চক্রান্তকারীর মুখোশ খোলার ঘোষণা
বোর্ডবাজারের সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম

নগরীর ছয়দানা এলাকার নিজ বাসা থেকে বিকেল ৪টার কিছু সময় পর বের হন মেয়র জাহাঙ্গীর। হাজারখানেক নেতা-কর্মী নিয়ে ঢাকঢোল পিটিয়ে সমাবেশস্থলের দিকে যান তিনি। বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে তিনি মঞ্চে ওঠেন। মঞ্চে ওঠার পরপর নেতা-কর্মীরা তাকে ঘিরে স্লোগান দিতে থাকেন।

সমাবেশে মেয়র বলেন, ‘মিথ্যা মিথ্যাই থাকবে। ষড়যন্ত্রকারীরা যত বড় শক্তিশালীই হোক, তাদের মুখোশ একদিন খুলবে। যারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করছে, যত বড় ষড়যন্ত্রকারীই হোক, তাদের মুখোশ খুলে দেব।

‘জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের মোকাবিলা করব। তারা অনেককেই ভুল বুঝিয়েছে, মিথ্যা আইডি দিয়ে ফেসবুক খুলে আমাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে, আওয়ামী লীগকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।’

‘শক্তি দেখালেন’ জাহাঙ্গীর, চক্রান্তকারীর মুখোশ খোলার ঘোষণা
বোর্ডবাজার ইউটিসি চত্বরে মেয়র অনুসারীদের সমাবেশের একাংশ

জনসভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রশীদ। সাবেক সংসদ সদস্য কাজী মোজাম্মেল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ নয়ন, গাজীপুর জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান এস এম মোকছেদুল আলম, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক এস এম আলতাব হোসেন, তিন সিটি কাউন্সিলর আজিজুর রহমান শিরিষ, আব্দুল কাদের মণ্ডল ও হাজী মনির, মহানগর শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক আব্দুল মজিদ, মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সেলিনা ইউনুসও এ সময় বক্তব্য রাখেন।

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমি বঙ্গবন্ধুর জন্য, আওয়ামী লীগের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত। বঙ্গবন্ধু আমাদের এ জন্মভূমি উপহার দিয়েছেন। আমি তাঁর ছবি দেখে, কথা শুনে… বাবা-মা যখন আমাকে কথা বলতে শিখিয়েছেন তখন থেকেই বঙ্গবন্ধুকে ভালবাসতে শিখেছি। বঙ্গবন্ধুর ব্যাপারে আমি কোনো আপস করব না।

‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে কম বয়সে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে এনেছেন মানুষের সেবা করার জন্য। তিনি আমাদের গাজীপুর সিটি করপোরেশন উপহার দিয়েছেন, আমাকে নগরবাসীর সেবা করার সুযোগ দিয়েছেন, আমি নগরবাসীর সেবা করতে চাই।’

ভিডিরও পুরো বিষয়টিকে চক্রান্ত আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি সিটি করপোরেশনের উন্নতির জন্য ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নেয়ায় প্রতিপক্ষ ঈর্ষান্বিত হয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা মিথ্যা ষড়যন্ত্রমূলক কুৎসা রটনা করে যাচ্ছে।’

দিনভর যা হয়েছে

টানা তৃতীয় দিন বিক্ষোভের অংশ হিসেবে শুক্রবার বিকেলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বোর্ডবাজার বড় মসজিদের সামনে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের ব্যানারে মিছিল ও সমাবেশ ডাকা হয় মেয়র জাহাঙ্গীরের শাস্তি ও বহিষ্কারের দাবিতে।

পাশেই বিকেল সাড়ে তিনটায় বোর্ডবাজারের ইউটিসি চত্বরে আলোচনা সভা ও আনন্দ মিছিলের আয়োজন করেন মেয়র অনুসারীরা। এ সমাবেশে মেয়র জাহাঙ্গীর যে যোগ দেবেন, তা জানানো হয় আগেই।

দুই পক্ষের এই বিক্ষোভে উত্তেজনার মধ্যে এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুপুর থেকেই চার শতাধিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সেখানে মোতায়েন করা হয় জলকামানও। পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

বেলা তিনটার পর থেকে দুই পক্ষের নেতা-কর্মীরাই সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেন। ঝাড়ু হাতে মিছিল নিয়ে আসতে দেখা গেছে বিক্ষোভ সমাবেশের কর্মীদের।

‘শক্তি দেখালেন’ জাহাঙ্গীর, চক্রান্তকারীর মুখোশ খোলার ঘোষণা
এই সমাবেশকে ঘিরে মেয়র অনুসারী ও বিরোধীদের অবস্থানের কারণে মোতায়েন হয় পুলিশ, সাঁজোয়া গাড়ি

বিকেল ৪টার দিকে ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ব্যানারে নেতা-কর্মীরা আনন্দ মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেন।

জাহাঙ্গীরবিরোধী বিক্ষোভের আয়োজকরা ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মামুন মণ্ডলের কার্যালয়ের সামনে পৌঁছালে বিক্ষোভকারীদের মুখে পড়েন জাহাঙ্গীর অনুসারীরা।

এ সময় দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপে আবু সাঈদ নামে মেয়রের এক সমর্থক আহত হন। আবু সাঈদ জানান, হামলায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

‘শক্তি দেখালেন’ জাহাঙ্গীর, চক্রান্তকারীর মুখোশ খোলার ঘোষণা
জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার দাবিতে বোর্ডবাজার এলাকায় আওয়ামী লীগের একাংশের নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভ

এর মধ্যে কাউন্সিলর মামুন মণ্ডলকে সরিয়ে নেয় পুলিশ। পরে জাহাঙ্গীরবিরোধী বিক্ষোভকারীরাও একে একে চলে যান।

এরপর জাহাঙ্গীরের অনুসারীরা নির্বিঘ্নে সমাবেশ করেন।

আরও পড়ুন:
বাদী, বিবাদীই তো মিলাইতে পারতেছি না: মেয়র জাহাঙ্গীর
বিরোধীরা হটল, জাহাঙ্গীর সমর্থকদের ‘দখলে’ বোর্ডবাজার
জাহাঙ্গীরের পক্ষে-বিপক্ষে সমাবেশে পুলিশের ব্যাপক নিরাপত্তা
গাজীপুরে আওয়ামী লীগের পাল্টাপাল্টি সমাবেশের ডাক

শেয়ার করুন

মন্তব্য

স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান: ২৮ বছর পর ফিরলেন বাড়ি

স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান: ২৮ বছর পর ফিরলেন বাড়ি

সুন্দলী ইউনিয়ন পরিষদে বাচ্চু মণ্ডলকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা

বাচ্চু মণ্ডল বলেন, ‘স্ত্রী-সন্তান ও আত্মীয়-বন্ধুদের ফেলে দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে আমি সনাতন ধর্মের মানুষের সঙ্গে বসবাস করেছি। এ ইউনিয়নে ৯৯ শতাংশ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। তারা আমাকে তাদের ভাই হিসেবে সম্মান ও শ্রদ্ধা করেছে। থাকতে দিয়েছে, ভালো খেতে দিয়েছে, ভালো ব্যবহার করেছে। কখনও অন্য ধর্মের মানুষ হিসেবে আমাকে ঘৃণা করেনি। আমি সুন্দলী ইউনিয়নবাসীর কাছে ঋণী।’

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বাচ্চু মণ্ডল স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে বাড়ি ছেড়েছিলেন ২৮ বছর আগে।

১৯৯৩ সালে যেদিন বাড়ি ছাড়েন, সেই দিনই বাসে করে আসেন যশোরের অভয়নগর উপজেলার সুন্দলী ইউনিয়নে। সেখানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মিলেমিশে কাটিয়ে দিয়েছেন দীর্ঘ ২৮ বছর।

ইউনিয়নের কেউ বাচ্চু মণ্ডলের ঠিকানা না জানলেও ভালোবাসতেন সবাই। ডাকতেন বাচ্চু ভাই বলে। অবশেষে সন্ধান পেয়ে মান ভাঙিয়ে তাকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে গেছেন পরিবারের সদস্যরা।

সুন্দলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিকাশ রায় কপিলের মধ্যস্থতায় মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে বাচ্চু মণ্ডলকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বাচ্চু মণ্ডল জানান, স্ত্রী জাহেদা বেগমের উপর অভিমান করে ৩৬ বছর বয়সে তিনি বাড়ি ছাড়েন। বিভিন্ন যানবাহনে করে ওই দিনই যশোরের মণিহার সিনেমা হলের সামনে পৌঁছান। সেখান থেকে অভয়নগরের নওয়াপাড়া বাজার হয়ে সুন্দলী বাজারে পৌঁছালে রাত হয়ে যায়।

সেই রাতে ইউনিয়নের আড়পাড়া গ্রামের নগেন্দ্রনাথ রায় তাকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে খাওয়া-থাকার শর্তে নগেন্দ্রনাথের কৃষিজমি ও বাড়ির কাজ করতে শুরু করেন তিনি। তিন বছর পর একই ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের মুকুন্দ মল্লিক তাকে তার বাড়িতে থাকার অনুরোধ করেন। সেখানে দুই বছর থাকার পর একই গ্রামের চারু মল্লিকের বাড়িতে চলে যান।

তিনি আরও জানান, ২০০৬ সালে সুন্দলী ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান বিকাশ মল্লিক ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে তাকে একটি ভ্যান উপহার দেন। সেই ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ শুরু করেন তিনি।

পরে তাকে ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। ওই সময় ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ শেখর বিশ্বাস তাকে থাকতে দেন।

২০১০ সালে সুন্দলী ইউনিয়ন পরিষদের নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে বসবাসের সুযোগ দেন তৎকালীন চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা। সেই থেকে সুন্দলী ইউনিয়ন পরিষদই তার বাড়ি।

বাচ্চু মণ্ডল বলেন, ‘আমার মা-বাবা কেউ বেঁচে নেই। চার ভাইয়ের মধ্যে আমি সেজ। স্ত্রী-সন্তান ও আত্মীয়-বন্ধুদের ফেলে দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে আমি সনাতন ধর্মের মানুষের সঙ্গে বসবাস করেছি।

‘এ ইউনিয়নে ৯৯ শতাংশ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। তারা আমাকে তাদের ভাই হিসেবে সম্মান ও শ্রদ্ধা করেছে। থাকতে দিয়েছে, ভালো খেতে দিয়েছে, ভালো ব্যবহার করেছে। কখনও অন্য ধর্মের মানুষ হিসেবে আমাকে ঘৃণা করেনি। আমি সুন্দলী ইউনিয়নবাসীর কাছে ঋণী।’

বাড়ি ফিরলেও অভয়নগরের সুন্দলী ইউনিয়নে সপরিবারে বেড়াতে আসবেন বলে জানান বাচ্চু মণ্ডল।

বাচ্চু মণ্ডলের ভাইপো শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘চাচা নিখোঁজ হওয়ার পর আমরা অনেক খুঁজেছি। এক পর্যায়ে চাচার আশা ছেড়েই দিয়েছিলাম। সম্প্রতি আমাদের এলাকার গ্রাম পুলিশ অসিত বিশ্বাসের মাধ্যমে চাচার সন্ধান মেলে। রাতেই চাচাকে নিয়ে বাড়ির পথে রওয়ানা হয়েছি।’

তিনি জানান, স্ত্রী জাহেদা অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থা বাচ্চু মণ্ডল বাড়ি ছাড়েন। বর্তমানে জাহিদুল ইসলাম নামে তার ২৭ বছরের একটি ছেলে আছে।

অন্য ধর্মের হলেও তার চাচার সঙ্গে সুন্দলী ইউনিয়নের মানুষের আচরণ সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সুন্দলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিকাশ রায় কপিল বলেন, ‘বাচ্চু মণ্ডলের পরিবার আছে-এমন কথা তিনি কোনো দিন কাউকে বলেননি। দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে তিনি আমাদের ইউনিয়নে আছেন। ২০১০ সাল থেকে পরিষদের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে থাকতেন।

‘খুব ভালো মনের মানুষ তিনি। সবাই তাকে বাচ্চু ভাই বলে ডাকত। ২৮ বছর পর মানুষটিকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে পেরে আমরা তৃপ্ত।’

আরও পড়ুন:
বাদী, বিবাদীই তো মিলাইতে পারতেছি না: মেয়র জাহাঙ্গীর
বিরোধীরা হটল, জাহাঙ্গীর সমর্থকদের ‘দখলে’ বোর্ডবাজার
জাহাঙ্গীরের পক্ষে-বিপক্ষে সমাবেশে পুলিশের ব্যাপক নিরাপত্তা
গাজীপুরে আওয়ামী লীগের পাল্টাপাল্টি সমাবেশের ডাক

শেয়ার করুন

চুলের ‘সুন্নতি কাটিং’: নির্দেশনা প্রত্যাহার করলেন চেয়ারম্যান

চুলের ‘সুন্নতি কাটিং’: নির্দেশনা প্রত্যাহার করলেন চেয়ারম্যান

চুলের কাটিং নিয়ে নোটিশ জারি করা চরফ্যাশন উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন হাওলাদার। ছবি: নিউজবাংলা

চরফ্যাশন উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন হাওলাদার বলেন, ‘ইয়াং ছেলেদের চুলের স্টাইল ও কালার করার বিষয়ে স্থানীয় মুরব্বিরা আমার কাছে একাধিকবার অভিযোগ করেন। আমি তাদের কয়েকজনকে চুল কাটার বিষয়ে বুঝিয়েছি কিন্তু তারা না মানায় স্থানীয় মুসলিমদের সঙ্গে কথা বলে ২৫ অক্টোবর নোটিশ জারি করি।’

ভোলায় চুল কাটার নিয়ম বেঁধে দিয়ে সেলুনে সেলুনে নোটিশ টাঙিয়ে দেন এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান। সমালোচনার মুখে তা প্রত্যাহারও করেছেন।

ঘটনাটি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়নের। এই ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি সেলুনে ২৫ অক্টোবর টাঙানো হয় নোটিশ।

এতে লেখা, এতদ্বারা জানানো যাচ্ছে যে, ১৪ নং জাহানপুর ইউনিয়নের সকল সেলুন দোকান মালিক ও কারিগরদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যে, সুন্নতি কাটিং, ডিফেন্স/আর্মি কাটিং ব্যাতিত অন্য কোনো কাটিং দেওয়া হলে আইন আনুক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নোটিশের নিচে চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন হাওলাদারের সিল, সই ও মোবাইল নম্বর।

চুলের ‘সুন্নতি কাটিং’: নির্দেশনা প্রত্যাহার করলেন চেয়ারম্যান

এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে অনলাইনে, অফলাইনে শুরু হয় আলোচনা। এমন নিয়মের প্রতিবাদ করায় এক কিশোরকে মারধরেরও অভিযোগ ওঠে চেয়ারম্যানের ছেলে তুষারের বিরুদ্ধে।

এরপর বুধবার বিকেলে নিজের ভুল স্বীকার করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন নাজিম।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ইয়াং ছেলেদের চুলের স্টাইল ও কালার করার বিষয়ে স্থানীয় মুরব্বিরা আমার কাছে একাধিকবার অভিযোগ করেন। আমি তাদের কয়েকজনকে চুল কাটার বিষয়ে বুঝিয়েছি কিন্তু তারা না মানায় স্থানীয় মুসলিমদের সঙ্গে কথা বলে ২৫ অক্টোবর নোটিশ জারি করি।

‘তবে এটা যে আইন বহির্ভূত তা আমার জানা ছিল না। যখন জানলাম তখন ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদার দিয়ে প্রতিটা নোটিশ তুলে নিয়েছি। আমার ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করে ক্ষমাও চেয়েছি।’

চুলের ‘সুন্নতি কাটিং’: নির্দেশনা প্রত্যাহার করলেন চেয়ারম্যান

এক কিশোরকে মারধরের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমার ছেলের সঙ্গে স্থানীয় জসিমের ছেলের চুল কাটা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছে। আমি জানতে পেরে অভিভাবক ডেকে মিটমাট করে নিয়েছি।’

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নোমান রুহুল বলেন, ‘একজন ইউপি চেয়ারম্যান এরকম নোটিশ জারি করতে পারেন না। তিনি যেটা করেছেন তাতে আইন লঙ্ঘন হয়েছে। তিনি মানুষের ব্যক্তিস্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করেছেন।’

আরও পড়ুন:
বাদী, বিবাদীই তো মিলাইতে পারতেছি না: মেয়র জাহাঙ্গীর
বিরোধীরা হটল, জাহাঙ্গীর সমর্থকদের ‘দখলে’ বোর্ডবাজার
জাহাঙ্গীরের পক্ষে-বিপক্ষে সমাবেশে পুলিশের ব্যাপক নিরাপত্তা
গাজীপুরে আওয়ামী লীগের পাল্টাপাল্টি সমাবেশের ডাক

শেয়ার করুন

দুই ইউপি সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, পুলিশ আহত

দুই ইউপি সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, পুলিশ আহত

রূপগঞ্জের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবির হোসেন জানান, বুধবার প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে সন্ধ্যায় কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের এক প্রার্থী তার সমর্থকদের নিয়ে মিছিল করে যাচ্ছিলেন আরেক প্রার্থীর বাড়ির সামনে দিয়ে। ওই সময় দুই পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে উভয়পক্ষ ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে।

নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দুই ইউপি সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগও পাওয়া গেছে।

উপজেলার নাওড়া এলাকায় বুধবার রাত ৭টার দিকে সংঘর্ষ শুরু হয়। কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী জসিম উদ্দিন জসু ও মোশাররফ হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

রাত ৯টার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় এক পুলিশ সদস্য হন। তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

রূপগঞ্জের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবির হোসেন নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বুধবার প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে সন্ধ্যায় কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের এক প্রার্থী তার সমর্থকদের নিয়ে মিছিল করে যাচ্ছিলেন আরেক প্রার্থীর বাড়ির সামনে দিয়ে। ওই সময় দুই পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়।

এ নিয়ে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে উভয়পক্ষ ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। ওই সময় এক পক্ষ ককটেল ফাটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সেখানে রয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি এবং আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
বাদী, বিবাদীই তো মিলাইতে পারতেছি না: মেয়র জাহাঙ্গীর
বিরোধীরা হটল, জাহাঙ্গীর সমর্থকদের ‘দখলে’ বোর্ডবাজার
জাহাঙ্গীরের পক্ষে-বিপক্ষে সমাবেশে পুলিশের ব্যাপক নিরাপত্তা
গাজীপুরে আওয়ামী লীগের পাল্টাপাল্টি সমাবেশের ডাক

শেয়ার করুন

প্রার্থীদের অজান্তে এমপির নির্দেশে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার!

প্রার্থীদের অজান্তে এমপির নির্দেশে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার!

শরীয়তপুরে ইউপি চেয়ারম্যান পদে ভোট না হলেও সদস্য পদে ভোট হওয়ার কথা ছিল। বুধবার নির্বাচন অফিসে প্রতীক নিতে গিয়ে ইউপি সদস্য প্রার্থীরা জানতে পারেন, তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার হয়েছে। তারা জানান, কোনো কাগজে সই করেননি, তবে কীভাবে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার হলো তারা জানেন না।

শরীয়তপুর সদরের চিতলীয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে প্রতি ওয়ার্ডে একজন ছাড়া সব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র তাদের অজান্তে প্রত্যাহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ইউপির ৯ ওয়ার্ডে সদস্য পদে মনোনয়নপত্র তোলা ৪৮ প্রার্থীর মধ্যে প্রত্যাহার হয়েছে ৩৯ জনের। আর সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১২ প্রার্থীর মধ্যে ৯ জনের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার হয়েছে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপুর নির্দেশ পেয়ে নির্বাচন কার্যালয় থেকে এটি করা হয়েছে। প্রার্থীদের সঙ্গে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কথোপকথনের একটি ভিডিও নিউজবাংলার হাতে এসেছে।

ওই ভিডিওতে নিজ কার্যালয়ে নির্বাচন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন প্রার্থীদের বলেন, ‘এমপি স্যার বলেছেন, চিতলীয়া ইউনিয়নে কোনো নির্বাচন হবে না। সিলেকশন হবে।’

নিউজবাংলার প্রতিবেদকের কাছে অবশ্য বিষয়টি অস্বীকার করেছেন নির্বাচন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন। কোন প্রেক্ষাপটে এমন মন্তব্য করেছেন, তা নিশ্চিত নন বলে দাবি করেন তিনি।

প্রার্থীদের অজান্তে এমপির নির্দেশে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার!
শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন

সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপুও বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এমন কোনো কিছু আমি বলতে পারি না। এ বিষয়ে আমার কারও সঙ্গে কোনো কথা হয়নি।’

চিতলীয়া ইউনিয়নে ভোট হওয়ার কথা ছিল ১১ নভেম্বর। মঙ্গলবার স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুস সালাম হাওলাদার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করায় এখানে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হচ্ছেন হারুন-অর-রশিদ।

চেয়ারম্যান পদে ভোট না হলেও সদস্য পদে ভোট হওয়ার কথা ছিল। তবে বুধবার নির্বাচন অফিসে প্রতীক নিতে গিয়ে ইউপি সদস্য প্রার্থীরা জানতে পারেন তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার হয়েছে।

তারা জানান, কোনো কাগজে সই করেননি, তবে কীভাবে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার হলো তারা জানেন না। নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে প্রতীক চাইতে গেলে তিনি তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানান।

এ বিষয়ে তার কিছু করণীয় নেই বলেও জানান নির্বাচন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন।

বঞ্চিত প্রার্থীদের দাবি, তারা কেউই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেননি। তাদের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে।

চিতলীয়া ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন বলেন, ‘আনন্দ নিয়া উপজেলায় আইছি। প্রতীক পাইমু। নির্বাচন হইব। কিন্তু রিটার্নিং অফিসার কয় নির্বাচন অইব না। আপনারা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করছেন। সব সেলেকশনে নির্বাচিত হইছে।

‘আমি আকাশ থিক্কা পড়লাম। কিছুই জানি না, আর নির্বাচন শ্যাষ। প্রত্যাহার তো দূরের কথা, ত্যাজ পাতায়ও সই করি নাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘তয় ক্যামনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার অইল। এর উত্তর চাই। নির্বাচনের চাই। নির্বাচনে যার হাইর জিত হয় মাইন্যা নিমু।’

ওই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি, কিন্তু প্রত্যাহার করিনি। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে প্রতীক নিতে আসি। রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন আমি নাকি প্রত্যাহার করছি। আমি কাগজপত্র দেখতে চাইলাম তিনি আমাকে কিছুই দ্যাখাননি।

‘এই দ্যাশটা কি মগের মুল্লুক? যে যার যা ইচ্ছা তাই করবে। নির্বাচন না দিলে আমরা আইনের ব্যবস্থা নেব। আদালতে যাব।’

প্রার্থীদের সঙ্গে কথোপকথনের ভিডিও সম্পর্কে রিটার্নিং কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনি বিধিমালায় নেই কারো নির্দেশে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার। এমন কথা কোন প্রেক্ষিতে আমি বলেছি, তা এখন বলতে পারছি না।’

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ইউপি সদস্য হচ্ছেন যারা

উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় থেকে জানা যায়, বাকি প্রার্থীদের মনোনয়ন এভাবে প্রত্যাহার হওয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ইউপি সদস্য হতে যাচ্ছেন ১ নম্বর ওয়ার্ডে আব্দুল হাই মৃধা, ২ নম্বর ওয়ার্ডে ছলেমান হাওলাদার, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে নান্নু মাল, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ফারুক মুন্সি, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে তরিকুল ইসলাম, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ধীরেন হালদার, ৭ নম্বর ওয়ার্ডে সালাম তালুকদার, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে অলিলুর রহমান সরদার ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে এস আজিজুল হক।

এ ছাড়া সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১, ২, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে মনোয়ার বেগম, ৪, ৫, ৬ নম্বরে রাজিয়া বেগম ও ৭, ৮, ৯ নম্বরে নীলফার ইয়াসমিন নির্বাচিত হচ্ছেন।

আরও পড়ুন:
বাদী, বিবাদীই তো মিলাইতে পারতেছি না: মেয়র জাহাঙ্গীর
বিরোধীরা হটল, জাহাঙ্গীর সমর্থকদের ‘দখলে’ বোর্ডবাজার
জাহাঙ্গীরের পক্ষে-বিপক্ষে সমাবেশে পুলিশের ব্যাপক নিরাপত্তা
গাজীপুরে আওয়ামী লীগের পাল্টাপাল্টি সমাবেশের ডাক

শেয়ার করুন

এক দিনের ব্যবধানে বরিশালে ইলিশ কম কেন?

এক দিনের ব্যবধানে বরিশালে ইলিশ কম কেন?

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নিষেধাজ্ঞার সময় গোপনে অবৈধভাবে শিকার করা ইলিশ নিষেধাজ্ঞা শেষে তোলা হয় বাজারে। যে কারণে নিষেধাজ্ঞা শেষের পরের দিন প্রচুর ইলিশ ছিল এই বাজারে।

৪ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মা ইলিশ রক্ষায় ইলিশ শিকার বন্ধ ছিল নদ-নদীতে। নিষেধাজ্ঞা শেষে ২৬ অক্টোবর মঙ্গলবার বরিশালের পোর্ট রোড মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে বিপুল পরিমাণে ইলিশ আমদানি হলেও এক দিনের ব্যবধানে সেই ইলিশের সংখ্যা তলানিতে এসে ঠেকেছে।

মঙ্গলবার ৪ হাজার মণ ইলিশ এসেছিল মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে। অথচ বুধবার ইলিশের দেখাই মিলছে না। আড়তদাররা মঙ্গলবার জানিয়েছিলেন, পর্যাপ্ত ইলিশ রয়েছে নদীতে। বুধবার বলছেন, নদীতে ইলিশ নেই।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নিষেধাজ্ঞার সময় গোপনে অবৈধভাবে শিকার করা ইলিশ নিষেধাজ্ঞা শেষে তোলা হয় বাজারে। যে কারণে নিষেধাজ্ঞা শেষের পরের দিন প্রচুর ইলিশ ছিল এই বাজারে।

বুধবার সকালে গিয়ে প্রায় ইলিশশূন্য দেখা গেছে পোর্ট রোড মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র। ঘাটে যে নৌকাগুলো ছিল, তাতেও ইলিশের পরিমাণ খুবই কম। মঙ্গলবারে আসা ইলিশের তুলনায় এটি অস্বাভাবিক।

এক দিনের ব্যবধানে বরিশালে ইলিশ কম কেন?

সিরাজুল ইসলাম নামের এক জেলে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সবাই মনে করছে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞায় ইলিশ ধরা বন্ধ ছিল। ডাহা মিথ্যা কথা। যারা জেনুইন জেলে, হেরা বাদে নদীর পাড়ের দোহানদাররাও ইলিশ ধরছে। দিনে দোহানদারি করত, নাইলে অন্য কাম করত, আর রাইতে নামত জাল লইয়া। এরা কোনো জেলে না, এরা হইছে সুযোগ ব্যবহার করছে। এই সব লোকজন যে ইলিশগুলা ধরছে, হেয়া তো আর সব বেঁচতে পারে নাই। ওই মাছগুলা বরফ দিয়া রাখছিল এতদিন, নিষেধাজ্ঞা শেষ হইছে আর মাছগুলা পোর্ট রোডে লইয়া আইছে। এইর জন্য আপনেরা কাইলগো এত ইলিশ দেখছেন। মেইন কথা হইছে এহন ইলিশ তেমন নাই নদীতে, যাও ধরা পরে হেয়ার পেটে ডিম পাওয়া যায়।’

পোর্ট রোডের পাইকারি এক ইলিশের আড়তদার নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, ‘বরিশাল বেল্টের শায়েস্তাবাদ, লামছড়ি, চন্দ্রমোহন, বানারীপাড়া, স্বরূপকাঠি, মেহেন্দীগঞ্জ, হিজলার মেঘনা নদীর বিভিন্ন শাখা নদীতে টানা ইলিশ শিকার চলছে।

‘যারা ইলিশ ধরত, তারা বিভিন্ন স্পটে লোক দাঁড় করাইয়া রাখত। পুলিশ বা কোস্ট গার্ড গেলেই যেন খবর দেয়। আর সেই মোতাবেক কাম চালাইছে।

‘নিষেধাজ্ঞার মধ্যে নিজেগো ধারে ইলিশ মজুত কইরা রাখছিল, নিষেধাজ্ঞা শেষ এহন বাজারে আনছে। তয় এসব লোকজন ধরা খাইছে মোগো মতো আড়তদারগো লগে। কেননা রাত ১২টায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হইছে, ৬ ঘণ্টার মধ্যে মাছ ধইরা আনছে, তাও আবার পাইছি পচা। ৬ ঘণ্টার মধ্যে মাছ ধরলে সেগুলা তো পচার কথা না। তার মানে ইলিশগুলা আগেই ধরা ছিল।

এক দিনের ব্যবধানে বরিশালে ইলিশ কম কেন?
বরিশালের পোর্ট রোড মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র

‘আর বড় বিষয় হইছে, ছয় ঘণ্টায় হাজার হাজার মণ ইলিশ আইছে পোর্ট রোডে, আর সারা দিন ইলিশ ধরার পরও বাজারে খালি দেশি মাছ কেন? ফাও কথা কইয়া তো লাভ নাই, ইলিশের নিষেধাজ্ঞার সময় বাস্তবায়ন হইত, যদি আমাগো মতো আড়তদাররা ভালো হইত। আমরাই তো পাইলা-পুইষা রাখি অবৈধ ইলিশ শিকার যারা করে তাদের।’

শায়েস্তাবাদের আড়িয়াল খাঁ নদের জেলে মোহাম্মদ কাওছার বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞার সময় মূল চান্সটা লয় স্থানীয় লোকজন। হেরা পোলাপান ফিট কইরা নদীতে নামাইয়া দেয় রাইতের বেলা। হারা রাইত মাছ ধরা শেষে যদি কিছু বেচতে পারে তয় তো ভালো, নাইলে নদীর পাড়েই মাটি গর্ত কইরা হোগলা বিছাইয়া হেইয়ার উপর বরফ দিয়া মাছ রাইখা দেয়। ওরহম মাছ রাখলে কিছু হয় না। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর মাছগুলা বেইচ্চা হালাইছে কাইলগো। নিষেধাজ্ঞার সময় ইলিশ ধরার পিছনে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা হইতে শুরু কইরা কিছু দুর্নীতিবাজ পুলিশ সদস্যও জড়িত আছে।’

পোর্ট রোডের ইলিশ আড়তদার সায়েম হোসেন বলেন, ‘মঙ্গলবার ৩ থেকে ৪ হাজার মণ ইলিশ এসেছে এই পাইকারি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে। কিন্তু আজকে ৪০০ মণ হয় কি না সন্দেহ। জেলেদের সাথে কথা বলছি, তারা বলছে, নদীতে মাছ নেই। যা ইলিশ পাচ্ছে তার মধ্যে ডিম পাওয়া যাচ্ছে। সরকারের ইলিশ নিয়ে গবেষণা বাড়ানো দরকার। নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা পরিবর্তন দরকার।’

এক দিনের ব্যবধানে বরিশালে ইলিশ কম কেন?
বরিশালের পোর্ট রোড মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র

তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার যে দামে ইলিশ বিক্রি হয়েছে, আজ সেই দাম প্রায় দ্বিগুণ। ইলিশই তো নেই বলা যায় আজ। মঙ্গলবারে এই বাজারে ১২০০ থেকে ১৪০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজি প্রতি ১ হাজার টাকা, ১৪০০ থেকে ১৮০০ গ্রাম প্রতি কেজি ১১০০ টাকা, এক কেজির বেশি ওজনের মাছে ৯০০ টাকা, ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছে ৭০০ টাকা কেজি, দুটিতে এক কেজি ওজনের মাছ কেজি প্রতি ৬০০ টাকা, তিনটিতে এক কেজি ওজনের মাছ ৫০০ টাকা এবং আট থেকে নয়টিতে কেজি মাছের দাম ২৫০ টাকা দ‌রে বি‌ক্রি হ‌চ্ছে। তবে আজ এই বাজারে এই ইলিশের দাম কেজি প্রতি ২০০ থেকে ৪০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। যাতে অনেক ক্রেতাই সকালবেলা এসে ফিরে গেছে দাম না মিলাতে না পেরে। পোর্ট রোডে যে ইলিশ আজকে উঠেছে, তার থেকে কয়েক গুণ বেশি ইলিশ নগরীর খুচরা বাজারগুলোতে প্রতিদিন থাকে।’

বরিশালের মৎস্য কর্মকর্তা (ইলিশ) বিমল চন্দ্র দাস বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা শেষে সব জেলে একসঙ্গে নেমেছে ইলিশ শিকারে। নদীতে প্রচুর ইলিশ রয়েছে। আমরা ধারাবাহিকভাবে অভিযান পরিচালনা করেছি। নৌপুলিশ, কোস্ট গার্ড থেকে শুরু করে মৎস্য অধিদপ্তর কাউকে ছাড় দেয়নি।’

আরও পড়ুন:
বাদী, বিবাদীই তো মিলাইতে পারতেছি না: মেয়র জাহাঙ্গীর
বিরোধীরা হটল, জাহাঙ্গীর সমর্থকদের ‘দখলে’ বোর্ডবাজার
জাহাঙ্গীরের পক্ষে-বিপক্ষে সমাবেশে পুলিশের ব্যাপক নিরাপত্তা
গাজীপুরে আওয়ামী লীগের পাল্টাপাল্টি সমাবেশের ডাক

শেয়ার করুন

নারী নির্যাতন মামলায় ট্রাফিক সার্জেন্টের বিরুদ্ধে পরোয়ানা

নারী নির্যাতন মামলায় ট্রাফিক সার্জেন্টের বিরুদ্ধে পরোয়ানা

চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বেঞ্চ সহকারী কফিল উদ্দিন জানান, বাদীর আইনজীবী আল জাবেদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত আসামি ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করেছে।

চট্টগ্রামে নারী নির্যাতন মামলায় এক ট্রাফিক সার্জেন্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক বেগম ফেরদৌস আরা বুধবার দুপুর ১২টার দিকে এ আদেশ দেন।

পরোয়ানা পাওয়া আসামির নাম ইকবাল হোসেন। তিনি খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশে ট্রাফিক সার্জেন্ট হিসেবে কর্মরত।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বেঞ্চ সহকারী কফিল উদ্দিন।

তিনি জানান, বাদীর আইনজীবী আল জাবেদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত আসামি ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করেছে।

গত ২৬ আগস্ট চট্টগ্রাম আদালতে ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে মামলা করেন এক নারী। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ থানার পুলিশকে অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেয়।

মামলার বাদী সোনিয়া সামাদ নিজেকে অভিযুক্ত ইকবাল হোসেনের স্ত্রী দাবি করেছেন। তিনি চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জে একটি ক্লিনিকে কর্মরত।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২১ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ইকবালের সঙ্গে সোনিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সোনিয়াকে যৌতুকের জন্য চাপ দিতে থাকেন ইকবাল। সোনিয়ার মা-বাবা ইতালিপ্রবাসী।

অভিযুক্তের মানসিক নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে গত ৬ এপ্রিল যৌতুকের এক লাখ টাকা অভিযুক্ত ইকবালকে বুঝিয়ে দেন সোনিয়া। এরপর ঢাকার সাভারে থাকা পাঁচতলা বাড়ি, একটি প্রাইভেট কার তার নামে লিখে দিতে সোনিয়াকে চাপ দিতে থাকেন ইকবাল।

গত ২৫ জুলাই সোনিয়ার জোরারগঞ্জের বাসায় এসে অভিযুক্ত ইকবাল হোসেন যৌতুকের জন্য তাকে নির্যাতন করেন।

এ বিষয়ে আসামি সার্জেন্ট ইকবাল হোসেন বলেন, ‘সোনিয়াকে আমি তালাক দিয়েছি।’ এরপর তিনি কল কেটে দেন। পরে আর কল রিসিভ করেননি। খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
বাদী, বিবাদীই তো মিলাইতে পারতেছি না: মেয়র জাহাঙ্গীর
বিরোধীরা হটল, জাহাঙ্গীর সমর্থকদের ‘দখলে’ বোর্ডবাজার
জাহাঙ্গীরের পক্ষে-বিপক্ষে সমাবেশে পুলিশের ব্যাপক নিরাপত্তা
গাজীপুরে আওয়ামী লীগের পাল্টাপাল্টি সমাবেশের ডাক

শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ভোট স্থগিত সীমানা জটিলতায়

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ভোট স্থগিত সীমানা জটিলতায়

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোতাওক্কিল রহমান জানান, আদালতে রিটটি নিষ্পত্তি হলে, যেখান থেকে নির্বাচন কার্যক্রম বন্ধ হয়েছে, সেখান থেকেই শুরু হবে। ফের তফসিল হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

সীমানা জটিলতা নিয়ে উচ্চ আদালতে রিট থাকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ভোট স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচন কমিশনের মৌখিক নির্দেশনা পেয়ে মঙ্গলবার রাতেই চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোতাওক্কিল রহমান ভোট স্থগিতের কথা জানিয়েছিলেন। তবে কী কারণে ভোট স্থগিত সেটা তখন জানাতে পারেননি তিনি।

বুধবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ে আসে।

নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার সীমানা নিয়ে উচ্চ আদালতে একটি রিট পিটিশন (নম্বর ৫৫২৯/২০২১) রয়েছে। রিট পিটিশনে উল্লেখিত এলাকার ভোটারদের পৌরসভার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হওয়া না হওয়া বিষয়টি জড়িত। হাইকোর্ট বিভাগের আদেশ মোতাবেক আবেদনটি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচন স্থগিত করছে নির্বাচন কমিশন।

পৌরবাসী জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার পার্শ্ববর্তী বেশ কয়েকটি এলাকার বাসিন্দারা পৌরসভায় অন্তর্ভুক্তির দাবি জানিয়ে আসছিল। এ নিয়ে উচ্চ আদালতে রিট করা হয় বছর খানেক আগে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোতাওক্কিল রহমান জানান, আদালতে বিষয়টি নিষ্পত্তি হলে, যেখান থেকে নির্বাচন কার্যক্রম বন্ধ হয়েছে, সেখান থেকেই শুরু হবে। ফের তফসিল হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

আরও পড়ুন:
বাদী, বিবাদীই তো মিলাইতে পারতেছি না: মেয়র জাহাঙ্গীর
বিরোধীরা হটল, জাহাঙ্গীর সমর্থকদের ‘দখলে’ বোর্ডবাজার
জাহাঙ্গীরের পক্ষে-বিপক্ষে সমাবেশে পুলিশের ব্যাপক নিরাপত্তা
গাজীপুরে আওয়ামী লীগের পাল্টাপাল্টি সমাবেশের ডাক

শেয়ার করুন