হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীর চাপ

হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীর চাপ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে বাড়ছে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। ছবি: নিউজবাংলা

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শিশু ওয়ার্ডে গত আট দিনে ১৬০ শিশু চিকিৎসা নিয়েছে। তাদের মধ্যে ডায়রিয়া আক্রান্ত ৫৫।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া দাবদাহে অতিষ্ঠ স্থানীয়রা। এমন পরিস্থিতিতে জেলার জেনারেল হাসপাতালে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ডায়রিয়া আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যাই বেশি।

কয়েক মাস আগে হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডকে করোনা রোগীর চিকিৎসায় বরাদ্দ দেয়া হয়। বর্তমানে হাসপাতালে আসা ডায়রিয়া রোগীদের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের মেডিসিন ওয়ার্ডে এবং শিশুদের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করানো হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শিশু ওয়ার্ডে গত আট দিনে ১৬০ শিশু চিকিৎসা নিয়েছে। তাদের মধ্যে ডায়রিয়া আক্রান্ত ৫৫।

শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই ওয়ার্ডে ৩২ শিশু চিকিৎসাধীন, তাদের মধ্যে ডায়রিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ১২।

আর হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে গত আট দিনে প্রাপ্তবয়স্ক ৫০ ডায়রিয়া রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ১০ জন।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত শিশু ও মেডিসিন ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, শয্যার থেকে বেশি রোগী থাকায় কয়েকজনকে মেঝেতে রাখতে হয়েছে।

রোগীদের স্বজনরা জানান, রোগীর চাপ বাড়লে সার্বক্ষণিক চিকিৎসক পাওয়া যায় না। তবে নার্সরা আন্তরিক। তারা নিজেদের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা করেন।

নার্সদের পাশাপাশি প্রতি ওয়ার্ডে সার্বক্ষণিক চিকিৎসক থাকলে চিকিৎসাসেবার মান আরও বাড়ত বলে জানান তারা।

কসবা উপজেলার কুটি চৌমুহনী এলাকার বাসিন্দা শাকিল মিয়া তার ডায়রিয়া আক্রান্ত চার মাসের শিশু হাসান মিয়াকে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

তিনি বলেন, ‘ছোট বাইচ্চাডারে দুই দিন ধইরা হাসপাতালে ভর্তি করছি। হেরে ওষুধ দিছে, কিন্তু এখনও হের ডায়রিয়া ভালো হইছে না।’

শিশু ওয়ার্ডের ইনচার্জ সিনিয়র স্টাফ নার্স ফেরদৌসী বেগম বলেন, ‘অপরিষ্কার পানি ও খাবার, মায়েদের অসাবধানতা, ময়লামিশ্রিত হাত মুখে দেয়ার কারণে শিশুরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে শিশুদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাসহ খাবারের বিষয়ে মায়েদের সাবধান থাকতে হবে।’

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. ওয়াহীদুজ্জামান বলেন, ‘হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসায় কোনো সমস্যা হচ্ছে না। চিকিৎসক ও নার্সরা রোগীদের সেবায় সব সময় নিয়োজিত।’

আরও পড়ুন:
নোয়াখালীতে এক সপ্তাহে ডায়রিয়ায় ১১ জনের মৃত্যু
গোপালগঞ্জে ডায়রিয়ার প্রকোপ, খোলা জায়গায় চিকিৎসা   
বরিশাল বিভাগে ডায়রিয়ায় মৃত্যু ১৯, আক্রান্ত অর্ধলাখ
স্যালাইন নিয়ে ডায়রিয়া রোগীদের পাশে এমপি
পানিতে মলের জীবাণু ই-কোলাই

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পুকুরে নয়, বাড়ি থেকে হনুমানের সেই গদা উদ্ধার

পুকুরে নয়, বাড়ি থেকে হনুমানের সেই গদা উদ্ধার

কুমিল্লায় পূজামণ্ডপের হনুমানের মূর্তির হাত থেকে নিয়ে যাওয়া গদা। ছবি: নিউজবাংলা

গদা উদ্ধারের পর পুলিশ কর্মকর্তা তানভীর ইকবালের বরাত দিয়ে জানান, ঘটনার রাতে গদাটি হনুমানের হাত থেকে নিয়ে ইকবাল দারোগাবাড়ী মাজারের কাছে আসে। তারপর সেটি মাজারের পুকুরে ফেলে দেয়। এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত গদাটি পানিতে না ডুবলে সেটি তুলে এনে পাশের চৌধুরী ভিলার প্রাচীরের ভেতরে ছুড়ে ফেলেন ইকবাল।

কুমিল্লায় পূজামণ্ডপের হনুমানের মূর্তির হাত থেকে নিয়ে যাওয়া গদাটি উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার রাত ১১টার দিকে জেলা পুলিশের একটি দল কুমিল্লা দারোগাবাড়ী মাজারের পাশের চৌধুরী ভিলার প্রাচীরের ভেতর থেকে গদাটি উদ্ধার করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) এম তানভীর আহমেদ।

এর আগে পুলিশ জানিয়েছিল, মণ্ডপের হনুমানের হাত থেকে গদাটি আনার পর কুমিল্লার ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত ইকবাল সেটি দারোগাবাড়ী মাজারের পুকুরে ফেলে দেন।

গদা উদ্ধারের পর ইকবালের বরাত দিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা তানভীর জানান, সেদিন রাতে গদাটি হনুমানের হাত থেকে নিয়ে ইকবাল দারোগাবাড়ী মাজারের কাছে আসে। তারপর সেটি মাজারের পুকুরে ফেলে দেয়। এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত গদাটি পানিতে না ডুবলে সেটি তুলে এনে পাশের চৌধুরী ভিলার প্রাচীরের ভেতরে ছুড়ে ফেলেন ইকবাল।

ইকবালকে নিয়ে অভিযানে রোববার রাতে ওই বাড়ির প্রাচীরের ভেতর থেকেই গদাটি উদ্ধার করা হয়।

পুকুরে নয়, বাড়ি থেকে হনুমানের সেই গদা উদ্ধার
গদা উদ্ধারে ইকবালকে নিয়ে অভিযানে যায় পুলিশ

পুলিশ জানিয়েছে, ২৭ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের গদাটি রঙিন কাগজ ও রশি দিয়ে মোড়ানো ছিল। পুকুরে নিক্ষেপ করায় রঙিন কাগজ ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে।

উদ্ধার অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সোহান সরকার, গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সত্যজিৎ বড়ুয়া, কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনওয়ারুল আজিমসহ কর্মকর্তারা।

দুর্গাপূজায় সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যে গত ১৩ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লার নানুয়ার দিঘির পাড়ের ওই মণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ পাওয়ার পর ছড়িয়ে পড়ে সহিংসতা।

ওই মণ্ডপের পাশাপাশি আক্রান্ত হয় নগরীর আরও বেশ কিছু পূজামণ্ডপ। পরে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে চাঁদপুর, নোয়াখালী, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায়।

যেখান থেকে সাম্প্রদায়িক এই সহিংসতার শুরু, সেই নানুয়ার দিঘির পাড়ের মণ্ডপে কীভাবে উত্তেজনার শুরু এবং মূল মণ্ডপের বাইরে পূজার থিম হিসেবে রাখা হনুমানের মূর্তির ওপর পবিত্র কোরআন শরিফ কী করে এলো, সে বিষয়ে মঙ্গলবার একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে নিউজবাংলা।

পূজার আয়োজক, এলাকাবাসী, তদন্তকারী কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঘটনার আগের রাত আড়াইটা পর্যন্ত মন্দিরে পূজাসংশ্লিষ্টদের উপস্থিতি ছিল। এরপর বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে দুজন নারীভক্ত মণ্ডপে এসে হনুমানের মূর্তিতে প্রথম কোরআন শরিফটি দেখতে পান।

পরে বেশ কিছু সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, রাত ৩টার দিকে এক ব্যক্তি কোরআন শরিফটি রেখে যান মণ্ডপে। এ সময় হনুমানের হাতের গদাটি সরিয়ে নেন তিনি। গদা হাতে তার চলে যাওয়ার দৃশ্য ধরা পড়ে ওই এলাকারই কয়েকটি সিসিটিভি ক্যামেরায়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তে পরে বেরিয়ে আসে মণ্ডপে কোরআন শরিফ রাখা যুবকের নাম ইকবাল হোসেন। ৩০ বছর বয়সী ইকবাল কুমিল্লা নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের দ্বিতীয় মুরাদপুর-লস্করপুকুর এলাকার নূর আহম্মদ আলমের ছেলে। নূর আলম পেশায় মাছ ব্যবসায়ী।

আরও পড়ুন:
নোয়াখালীতে এক সপ্তাহে ডায়রিয়ায় ১১ জনের মৃত্যু
গোপালগঞ্জে ডায়রিয়ার প্রকোপ, খোলা জায়গায় চিকিৎসা   
বরিশাল বিভাগে ডায়রিয়ায় মৃত্যু ১৯, আক্রান্ত অর্ধলাখ
স্যালাইন নিয়ে ডায়রিয়া রোগীদের পাশে এমপি
পানিতে মলের জীবাণু ই-কোলাই

শেয়ার করুন

‘বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করছে’

‘বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করছে’

ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, ‘যুক্তরাজ্য সরকার সবসময় ধর্মীয় স্বাধীনতার পক্ষে। যুক্তরাজ্য বিশ্বাস করে বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করছে এবং ভবিষ্যতেও তা বজায় থাকবে।’

বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করছে এবং ভবিষ্যতেও তা বজায় থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন।

সাভারের কবিরপুর এলাকায় বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক এবং বেক্সিমকো পিপিই পার্ক পরিদর্শন শেষে রোববার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, ‘যুক্তরাজ্য সরকার সবসময় ধর্মীয় স্বাধীনতার পক্ষে। যুক্তরাজ্য বিশ্বাস করে বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করছে এবং ভবিষ্যতেও তা বজায় থাকবে।’

সম্প্রতি সারা দেশে মন্দির, মণ্ডপ ও হিন্দু ধর্মালম্বীদের বাড়িঘরে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থায় সন্তোষও প্রকাশ করেন রবার্ট চ্যাটারটন।

তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, এটি শুধু বাংলাদেশের নয় সবার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ ছাড়া বাংলাদেশের ১৯৭২ সালের সংবিধানে মানুষের স্বাধীনতার কথা, বিশ্বাসের স্বাধীনতার কথা, মানুষের অধিকারের কথা এবং সকল ধর্মের সমান অধিকারের কথা স্পষ্ট করা আছে।’

বাংলাদেশের শ্রমিকরা দক্ষ ও পরিশ্রমী উল্লেখ করে যুক্তরাজ্যের এ কূটনীতিক বলেন, ‘শ্রমিকদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দিলে তারা কাজের মান আরও ভালো করবে।’

সকালে রবার্ট চ্যাটার্সনের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক এবং বেক্সিমকো পিপিই পার্ক পরিদর্শন করেন। প্রতিনিধি দলে ছিলেন ব্রিটিশ হাই কমিশনারের স্ত্রী তেরেসা আলবর, হাই কমিশনের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রধান ডেরেক গ্রিফিথস, শাসন ও রাজনৈতিক দলের প্রধান টম বার্জ।

বেক্সিমকো গ্রুপের ডিরেক্টর এবং বেক্সিমকো টেক্সটাইল, অ্যাপারেলস ও পিপিই ডিভিশনের সিইও সৈয়দ নাভেদ হোসেন গ্রুপের চেয়ারম্যান ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানান।

আরও পড়ুন:
নোয়াখালীতে এক সপ্তাহে ডায়রিয়ায় ১১ জনের মৃত্যু
গোপালগঞ্জে ডায়রিয়ার প্রকোপ, খোলা জায়গায় চিকিৎসা   
বরিশাল বিভাগে ডায়রিয়ায় মৃত্যু ১৯, আক্রান্ত অর্ধলাখ
স্যালাইন নিয়ে ডায়রিয়া রোগীদের পাশে এমপি
পানিতে মলের জীবাণু ই-কোলাই

শেয়ার করুন

ভ্যানে বাসের ধাক্কা, নিহত শিশু

ভ্যানে বাসের ধাক্কা, নিহত শিশু

প্রতীকী ছবি

পুলিশ জানায়, রোববার দুপুরে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ভ্যানগাড়ি নিয়ে মহাসড়ক পার হচ্ছিল নিরব। এ সময় ঢাকা থেকে গাজীপুরগামী বলাকা পরিবহনের একটি বাস ভ্যানগাড়িতে ধাক্কা দেয়। এতে সড়কে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায় নিরব।

গাজীপুর শহরে বাসের ধাক্কায় এক ভ্যানচালক শিশু নিহত হয়েছে।

শহরের গাছা থানা এলাকায় রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মৃত শিশুর নাম নিরব। ৯ বছরের নিরব নেত্রকোণার কেন্দুয়া থানার চশী নয়াপাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) গাছা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাদিরুজ্জামান।

তিনি জানান, শিশু নিরব গাছা ডেগেরচালা এলাকায় পরিবারের সঙ্গে থাকত। সে এক ভ্যানচালকের সহযোগী হিসেবে কাজ করত।

পুলিশ জানায়, রোববার দুপুরে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ভ্যানগাড়ি নিয়ে মহাসড়ক পার হচ্ছিল নিরব। এ সময় ঢাকা থেকে গাজীপুরগামী বলাকা পরিবহনের একটি বাস ভ্যানগাড়িতে ধাক্কা দেয়। এতে সড়কে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায় নিরব।

এসআই নাদিরুজ্জামান জানান, ময়নাতদন্তের জন্য নিরবের মরদেহ শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয়রা বাসটি জব্দ করে এর চালক হৃদয় ও তার সহযোগী শামীমকে পুলিশে হস্তান্তর করেছেন। তারা পুলিশি হেফাজতে আছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
নোয়াখালীতে এক সপ্তাহে ডায়রিয়ায় ১১ জনের মৃত্যু
গোপালগঞ্জে ডায়রিয়ার প্রকোপ, খোলা জায়গায় চিকিৎসা   
বরিশাল বিভাগে ডায়রিয়ায় মৃত্যু ১৯, আক্রান্ত অর্ধলাখ
স্যালাইন নিয়ে ডায়রিয়া রোগীদের পাশে এমপি
পানিতে মলের জীবাণু ই-কোলাই

শেয়ার করুন

সেনবাগে বাস খালে, আহত ৩০

সেনবাগে বাস খালে, আহত ৩০

সেনবাগে রোববার বিকেলে বাঁধন পরিবহনের বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে যায়। ছবি: নিউজবাংলা

স্থানীয়রা জানান, বাঁধন পরিবহনের একটি বাস চট্টগ্রাম থেকে নোয়াখালী আসার পথে সেনবাগের ভূঁইয়ার দিঘি রাস্তার মাথায় এসে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে যায়। স্থানীয় লোকজন পানিতে নিমজ্জিত বাসের যাত্রীদের উদ্ধার করে সেবারহাটসহ সেনবাগের কয়েকটি হাসপাতালে নিয়ে যান।

নোয়াখালীর সেনবাগে বাঁধন পরিবহনের বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে ৩০ যাত্রী আহত হয়েছেন।

নোয়াখালী-ফেনী আঞ্চলিক মহাসড়কের ভূঁইয়ার দিঘি রাস্তার মাথায় সিএনজি স্টেশনের সামনে রোববার বিকেল ৫টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, বাঁধন পরিবহনের একটি বাস চট্টগ্রাম থেকে নোয়াখালী আসার পথে সেনবাগের ভূঁইয়ার দিঘি রাস্তার মাথায় এসে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে যায়। স্থানীয় লোকজন পানিতে নিমজ্জিত বাসের যাত্রীদের উদ্ধার করে সেবারহাটসহ সেনবাগের কয়েকটি হাসপাতালে নিয়ে যান।

এ ঘটনায় ৩০ যাত্রী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

চন্দ্রগঞ্জ হাইয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মৃদুল কান্তি মজুমদার জানান, পুলিশ বাসটি উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রদক্ষেপ নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
নোয়াখালীতে এক সপ্তাহে ডায়রিয়ায় ১১ জনের মৃত্যু
গোপালগঞ্জে ডায়রিয়ার প্রকোপ, খোলা জায়গায় চিকিৎসা   
বরিশাল বিভাগে ডায়রিয়ায় মৃত্যু ১৯, আক্রান্ত অর্ধলাখ
স্যালাইন নিয়ে ডায়রিয়া রোগীদের পাশে এমপি
পানিতে মলের জীবাণু ই-কোলাই

শেয়ার করুন

টাকার জন্য ভাড়াটে লোক দিয়ে বাবাকে কুপিয়ে জখম

টাকার জন্য ভাড়াটে লোক দিয়ে বাবাকে কুপিয়ে জখম

মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক এন এস আলম প্রধান জানান, রফিকুলের বাহু থেকে কবজি অনেকটাই বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সামান্য অংশ যুক্ত আছে। অবস্থা বিবেচনায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জে টাকা না দেয়ায় লোক ডেকে এনে বাবাকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে।

মুন্সীগঞ্জ শহরের মানিকপুর এলাকায় রোববার সন্ধ্যা ৬টার দিকে রফিকুল ইসলামকে কুপিয়ে জখম করা হয়।

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, কিছুদিন ধরে রফিকুলের প্রথম স্ত্রীর বড় ছেলে মো. ইমন দুই লাখ টাকার জন্য বাবাকে চাপ দিচ্ছিলেন। রফিকুল টাকা দিতে না চাইলে রোববার সন্ধ্যায় ইমন ছাত্রলীগ কর্মী নূর জামান বাঁধনসহ ১০ থেকে ১২ জনকে ডেকে আনেন। সে সময়ও তিনি টাকা দিতে না চাইলে বাঁধন রামদা দিয়ে রফিকুলের বাম হাতে কোপ দিয়ে পালিয়ে যায়।

স্বজনরা তাকে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে ঢাকায় পাঠান।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক এন এস আলম প্রধান নিউজবাংলাকে জানান, রফিকুলের বাহু থেকে কবজি অনেকটাই বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সামান্য অংশ যুক্ত আছে। অবস্থা বিবেচনায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

বাঁধনের বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ শহর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন সাগর বলেন, ‘বাঁধন ছাত্রলীগের কেউ না। তার কোনো পদও নেই। নেতাদের ছবি দিয়ে পোস্টার করলেই ছাত্রলীগ হওয়া যায় না। সে যে কর্মকাণ্ড করেছে তার দায়ভার ছাত্রলীগ নেবে না। আমরা এর সঠিক বিচার চাই। বাঁধন প্রকৃত অপরাধী হলে তার বিচার করা হোক।’

মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র সোহেল রানা বলেন, ‘বাঁধন মানিকপুর এলাকায় কিশোর গ্যাং তৈরি করেছে। এর আগেও তাকে ধরে থানায় দেয়া হয়েছিল। পরে ছাড়া পেয়ে যায়।’

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক জানান, মৌখিক অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। বাঁধনের নামে আগেও থানায় সাধারণ ডায়েরি করা আছে।

আরও পড়ুন:
নোয়াখালীতে এক সপ্তাহে ডায়রিয়ায় ১১ জনের মৃত্যু
গোপালগঞ্জে ডায়রিয়ার প্রকোপ, খোলা জায়গায় চিকিৎসা   
বরিশাল বিভাগে ডায়রিয়ায় মৃত্যু ১৯, আক্রান্ত অর্ধলাখ
স্যালাইন নিয়ে ডায়রিয়া রোগীদের পাশে এমপি
পানিতে মলের জীবাণু ই-কোলাই

শেয়ার করুন

‘নিষেধাজ্ঞা শেষ অইলেই গাঙ্গো নাইমা যামু’

‘নিষেধাজ্ঞা শেষ অইলেই গাঙ্গো নাইমা যামু’

ইলিশ মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার এক দিন আগে লক্ষ্মীপুরে জাল মেরামতে ব্যস্ত জেলেরা। ছবি: নিউজবাংলা

চাঁদপুরের হরিণা ফেরিঘাট এলাকার জেলে ইদ্রিস মিয়া বলেন, ‘সোমবার রাইতে শেষ অইব নিষেধাজ্ঞা। অহন আমরা জাল সিলাই কইরা ঠিক করতাছি। নিষেধাজ্ঞা শেষ অইলেই গাঙ্গো নাইমা যামু। যদি কিসমতে থাকে তয় মাছ পামু।’

দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের মাছঘাটগুলোতে জেলেরা এখন বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউ নতুন জাল বুনছেন, কেউ সারাই করছেন পুরোনো জাল, কেউ কেউ ব্যস্ত নৌকা মেরামতে।

ইলিশ মাছ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার বাকি আর এক দিন। আবার জেলেরা নৌকা নিয়ে সাগরে ভাসবেন মাছ ধরতে। তাই তারা সেরে নিচ্ছেন শেষ সময়ের প্রস্তুতি।

চাঁদপুরের হরিণা ফেরিঘাট এলাকার জেলে ইদ্রিস মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সোমবার রাইতে শেষ অইব নিষেধাজ্ঞা। অহন আমরা জাল সিলাই কইরা ঠিক করতাছি। নিষেধাজ্ঞা শেষ অইলেই গাঙ্গো নাইমা যামু। যদি কিসমতে থাকে তয় মাছ পামু।’

সাধারণত আশ্বিনের ভরা পূর্ণিমার আগে-পরে প্রায় ১৫ থেকে ১৭ দিনের মধ্যে ইলিশ মাছ ডিম ছাড়ে। এই সময়ে সাগরের নোনা জল ছেড়ে নদীমুখে ছুটে আসে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ।

মা ইলিশ রক্ষায় ৪ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন সারা দেশে ইলিশ শিকার বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। এ সময় সারা দেশে ইলিশ আহরণ, বিপণন, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন, মজুত ও বিনিময়ও নিষিদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

নিষেধাজ্ঞা চলাকালে ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও বাগেরহাট- মোট ২০টি জেলার নদ-নদী, মোহনা ও সাগরে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়।

এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, জামালপুর, রাজশাহী, নাটোর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, খুলনা, কুষ্টিয়া ও নড়াইল জেলার নদ-নদীতেও ইলিশ মাছ ধরা বন্ধ আছে।

নিষেধাজ্ঞার সময় সরকারি সহায়তা দেয়ার কথা জানানো হলেও জেলেরা বলছেন, এ সময়টা তাদের পার করতে হয়েছে বেশ কষ্টের মধ্য দিয়ে।

‘নিষেধাজ্ঞা শেষ অইলেই গাঙ্গো নাইমা যামু’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চাঁদপুরের একজন জেলে বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞার সময় মাত্র ২০ কেজি কইরা চাউল দিবে কইছিল কিন্তু আমরা তাও পাই নাই। ১৪ জনে ১৫ কেজি পাইছি। এই দিয়া কি সংসার চলে? সংসারের খরচ চালাইতে গিয়া বিভিন্ন এনজিও আর মহাজনের কাছ তনে ঋণ নিছি। জীবনের ঝুঁকি লইয়া গাঙ্গে গিয়া মাছ ধরছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘জেলেদের যদি আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা করত, তয় কেউ আর নিষেধাজ্ঞা ভাইঙ্গা গাঙ্গে যাইত না মাছ ধরতে। জরিমানাও দিতে হইত না, মা ইলিশও বাঁচত।’

একই কথা অন্য জেলেদেরও। বাধ্য হয়েই তারা নিষেধাজ্ঞা না মেনে মাছ ধরতে গেছেন।

চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম মেহেদী হাসান নিউজবাংলাকে জানান, নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন চাঁদপুরের নদীতে মাছ ধরার কাজে নিবন্ধিত ৪৪ হাজার ৩৫ জন জেলেকে ২০ কেজি করে চাল দেয়া হয়েছে। এরপরও মাছ ধরতে যাওয়া দুই শতাধিক জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে জেল-জরিমানা করাসহ প্রায় ১ কোটি মিটার কারেন্ট জাল ও এক টন ইলিশ জব্দ করেছে প্রশাসন।

এই কর্মকর্তার দাবি, মা ইলিশ রক্ষা অভিযান সফল হয়েছে। আগামীতেও ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধিতে এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

লক্ষ্মীপুর জেলায় প্রায় ৫২ হাজার জেলের মধ্যে ৪২ হাজারের নিবন্ধন রয়েছে। তারা সবাই মেঘনা নদীতে মাছ ধরে সংসার চালান।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন এ পর্যন্ত নদীতে ২৫৫টি অভিযান পরিচালনা করে ১৭ জন জেলেকে জেল-জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে তিন লাখ মিটার জাল।

আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযান সফল হওয়ায় গত বছরের চেয়ে পাঁচ হাজার টন ইলিশ উৎপাদন বেশি হবে। এবারের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৫ হাজার টন।’

লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক আনোয়ার হোছাইন আকন্দ বলেন, ‘প্রশাসন, পুলিশ, কোস্ট গার্ড ও মৎস্য বিভাগের যৌথ অভিযানে এবারের অভিযান সফল হয়েছে। আশা করছি, এবার ইলিশের উৎপাদন বেশি হবে।’

আরও পড়ুন:
নোয়াখালীতে এক সপ্তাহে ডায়রিয়ায় ১১ জনের মৃত্যু
গোপালগঞ্জে ডায়রিয়ার প্রকোপ, খোলা জায়গায় চিকিৎসা   
বরিশাল বিভাগে ডায়রিয়ায় মৃত্যু ১৯, আক্রান্ত অর্ধলাখ
স্যালাইন নিয়ে ডায়রিয়া রোগীদের পাশে এমপি
পানিতে মলের জীবাণু ই-কোলাই

শেয়ার করুন

হালদায় ফের মৃত ডলফিন 

হালদায় ফের মৃত ডলফিন 

ফাইল ছবি

হালদা গবেষক অধ্যাপক মনজুরুল কিবরীয়া জানান, এ নিয়ে দুই বছরে হালদা থেকে ৩২টি মৃত ডলফিন উদ্ধার করা হলো।

দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হালদা নদীতে আবারও পাওয়া গেছে মৃত ডলফিন।

রোববার সকাল ১০টার দিকে নদীর হাটহাজারীর গড়দুয়ারা এলাকা থেকে এনজিওর এক কর্মী ডলফিনটি উদ্ধার করে বন বিভাগে হস্তান্তর করেন।

হালদা গবেষক অধ্যাপক মনজুরুল কিবরীয়া জানান, এ নিয়ে দুই বছরে হালদা থেকে ৩২টি মৃত ডলফিন উদ্ধার করা হলো।

তিনি নিউজবাংলাকে জানান, ডলফিনটির শরীরে দুটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো জেলের জালে এটি আটকা পড়ার পর তারা আঘাত করে মেরে ফেলেছেন।

পাঁচ ফুট দৈর্ঘ্যের ডলফিনটির ওজন ৩০ কেজির বেশি হতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, মৃত ডলফিনটিকে মাটিচাপা দেয়া হয়েছে।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী ও হালদা নদীতে গাঙ্গেয় ডলফিনের বাস। একসময় কর্ণফুলীতে নিয়মিত ডলফিনের দেখা মিলত। তবে কর্ণফুলী নদীতে দূষণ-দখল বেড়ে যাওয়ায় ও বেশি সংখ্যায় নানা ধরনের নৌযানের চলাচলের কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ডলফিনের দেখা মেলে খুব কম।

প্রজনন সময়ে এই দুই নদীর বেশির ভাগ ডলফিন কর্ণফুলী-হালদা মোহনাসংলগ্ন হালদা নদীতে বিচরণ করে বলে নদীতীরের বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
নোয়াখালীতে এক সপ্তাহে ডায়রিয়ায় ১১ জনের মৃত্যু
গোপালগঞ্জে ডায়রিয়ার প্রকোপ, খোলা জায়গায় চিকিৎসা   
বরিশাল বিভাগে ডায়রিয়ায় মৃত্যু ১৯, আক্রান্ত অর্ধলাখ
স্যালাইন নিয়ে ডায়রিয়া রোগীদের পাশে এমপি
পানিতে মলের জীবাণু ই-কোলাই

শেয়ার করুন