ট্যাংকার বিস্ফোরণ: নিখোঁজ শ্রমিকের লাশ ‍উদ্ধার

ট্যাংকার বিস্ফোরণ: নিখোঁজ শ্রমিকের লাশ ‍উদ্ধার

প্রতীকী ছবি

বুধবার বিকেল ৫টার দিকে কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড়ে ‘ও সি ওশান’ জাহাজের ট্যাংকারে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। আত্মরক্ষার্থে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ হন শ্রমিক সাদ্দাম। শুক্রবার দুপুরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে একটি তেলের জাহাজে (ট্যাংকার) বিস্ফোরণে নিখোঁজ শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

কর্ণফুলী নদীর ব্রিজঘাট এলাকা থেকে শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে সদরঘাট নৌপুলিশ।

মৃত শ্রমিকের নাম নজরুল ইসলাম সাদ্দাম। তার বাড়ি পটিয়ার চরলক্ষ্যা এলাকায়।

ঘটনার দিন তিনি জাহাজে মেরামতের কাজ করছিলেন।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সদরঘাট নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘ব্রিজঘাট এলাকায় নদীতে মরদেহটি ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় আনা হয়।’

তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার বিকেল ৫টার দিকে কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড়ে চরপাথরঘাটার ২ নম্বর ওয়ার্ডে ‘ও সি ওশান’ জাহাজের ট্যাংকারে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় জাহাজের লস্কর মো. জিসান চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালে বুধবার রাত ৮টার দিকে মারা যান।

ওই বিস্ফোরণের ঘটনায় আত্মরক্ষার্থে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ হন নজরুল।

সদরঘাট নৌ-থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বুধবার বিকেলে মূল ট্যাংক থেকে গ্যাস সংযোগ নিয়ে জাহাজের কোনো একটি অংশে মেরামতের কাজ করছিলেন সাদ্দাম। এ সময় গ্যাস ট্যাংকটি বিস্ফোরিত হলে তিনি নদীতে লাফ দেন। পরে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। আজ (শুক্রবার) তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।’

এসআই আবুল কালাম বলেন, ‘ঘটনার পরপরই জাহাজটি ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেয় মালিকপক্ষ। তাই খবর পেতে একটু দেরি হয়েছে। তবে রাতে বিষয়টি জানার পর আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কিছুই পাইনি। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
ঘরের আড়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ
এক দিনে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ
স্কুলছাত্রীর হাত বাঁধা, গলায় ওড়না প্যাঁচানো মরদেহ উদ্ধার
কুশিয়ারায় ‘ভারতীয় নাগরিকের’ মরদেহ
হাতিরঝিলে গাড়ির ধাক্কা, মরদেহ হাসপাতালে রেখে পলাতক চালক

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কলেজছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা: ওসির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

কলেজছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা: ওসির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

চট্টগ্রাম আদালতের মূল ফটক।

ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ওই পুলিশ পরিদর্শকের বিরুদ্ধে মামলা করেন কলেজছাত্রীর বাবা। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হলেও কিছুদিন পর জামিন পান ওসি মিজানুর রহমান।

১০ বছর আগে চট্টগ্রামে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় এক পুলিশ পরিদর্শকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

রোববার বিকেলে চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭–এর বিচারক ফেরদৌস আরা এ আদেশ দেন।

অভিযুক্ত ওই পুলিশ পরিদর্শকের নাম মিজানুর রহমান। ঘটনার সময় তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানায় ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ১২ জুলাই চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি কলেজের ছাত্রী তার এক বন্ধুকে নিয়ে ফয়’স লেকে বেড়াতে যান। সেখান থেকে ওসি মিজানুর রহমান ওই ছাত্রীকে জোর করে গাড়িতে তুলে নগরের চকবাজার এলাকার একটি হোটেলে নিয়ে যান।

ঘটনার পরপরই কলেজছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ওই পুলিশ পরিদর্শকের বিরুদ্ধে মামলা করেন ছাত্রীর বাবা। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হলেও কিছুদিন পর জামিন পান ওসি মিজানুর রহমান।

ঘটনার সময় তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কর্মরত থাকলেও চট্টগ্রামে গিয়েছিলেন একটি মামলার সাক্ষ্য দিতে। পরে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়েরের পর মিজানুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারি কফিল উদ্দিন বলেন, রোববার মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। আসামি মিজানুর রহমান জামিনে থেকে আদালতে হাজির না হওয়ায় তার আইনজীবী আরও সময় আবেদন করেন। আদালত আবেদন নামঞ্জুর করে মিজানুর রহমানের জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

আরও পড়ুন:
ঘরের আড়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ
এক দিনে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ
স্কুলছাত্রীর হাত বাঁধা, গলায় ওড়না প্যাঁচানো মরদেহ উদ্ধার
কুশিয়ারায় ‘ভারতীয় নাগরিকের’ মরদেহ
হাতিরঝিলে গাড়ির ধাক্কা, মরদেহ হাসপাতালে রেখে পলাতক চালক

শেয়ার করুন

সীতাকুন্ডে শ্মশানের দানবাক্স ভাঙার চেষ্টা 

সীতাকুন্ডে শ্মশানের দানবাক্স ভাঙার চেষ্টা 

সীতাকুণ্ড উপজেলার কুমিরার মছজিদ্দা এলাকায় শ্মশানের দানবাক্স।

একটি শ্মশানের দানবাক্সের পাশে কিছু ভাঙা ইট পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে ওই ইট দিয়ে দানবাক্স ভাঙার চেষ্টা করেছে দুর্বৃত্তরা।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে একটি শ্মশানের দানবাক্স ভাঙার চেষ্টা করছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় শ্মশানের পাশে বট গাছের নিচে রাখা পূজা দেয়ার ঘট ভেঙে দেয়া হয়।

শনিবার রাতে উপজেলার কুমিরার মছজিদ্দা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘খবর পেয়ে সকালে ঘটনাস্থলে গেছি। একটি শ্মশানের দানবাক্সের পাশে কিছু ভাঙা ইট পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে ওই ইট দিয়ে দানবাক্স ভাঙার চেষ্টা করেছে দুর্বৃত্তরা। আর পাশের একটি বটগাছের নিচে রাখা একটি কলস ভাঙা দেখা গেছে। তবু আমরা বিষয়টি সিরিয়াসলি খতিয়ে দেখছি।’

আরও পড়ুন:
ঘরের আড়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ
এক দিনে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ
স্কুলছাত্রীর হাত বাঁধা, গলায় ওড়না প্যাঁচানো মরদেহ উদ্ধার
কুশিয়ারায় ‘ভারতীয় নাগরিকের’ মরদেহ
হাতিরঝিলে গাড়ির ধাক্কা, মরদেহ হাসপাতালে রেখে পলাতক চালক

শেয়ার করুন

মিতু হত্যা: ভোলার জামিন নাকচ

মিতু হত্যা: ভোলার জামিন নাকচ

মিতু হত্যা মামলার অন্যতম আসামি এহতেশামুল হক ভোলা। ছবি: নিউজবাংলা

ভোলার আইনজীবী জানান, মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার আসামি এহতেশামুল হক ভোলার জামিন আবেদন নাকচ করেছে আদালত। আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে।

চট্টগ্রামে সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আকতারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার আসামি এহতেশামুল হক ভোলার জামিন আবেদন নাকচ করেছে আদালত।

রোববার বিকেল ৪টার দিকে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মেহনাজ রহমানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেয়।

ভোলার আইনজীবী কেএম সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আদালত জামিন আবেদন নাকচ করেছে। আদেশের বিরুদ্ধে আমরা আপিল করব।’

শুক্রবার রাতে যশোরের বেনাপোল থেকে ভারতে পালানোর সময় ভোলাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম শফি উদ্দীনের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ভোলা।

পুলিশ জানায়, জবানবন্দিতে ভোলা সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আকতারের নির্দেশে সোর্স কামরুল শিকদার ওরফে মুছার নেতৃত্বে তার স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে হত্যা করা হয় বলে জানান। কামরুল শিকদার প্রথমে রাজি না হলে তাকে ক্রসফায়ারের হুমকি দিয়ে বাবুল আকতার হত্যা করান বলে জবানবন্দিতে বলেন ভোলা।

আইনজীবী কেএম সাইফুল জানান, এর আগে ভোলা হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়েছিলেন। অসুস্থ থাকার কারণে জামিনের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন করা হয়। আদালত তার আবেদন নাকচ করেছে।

২০১৬ সালের ৫ জুন ভোরে ছেলেকে স্কুলে পৌঁছে দিতে বের হওয়ার পর চট্টগ্রাম নগরের জিইসি মোড়ে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয় মিতুকে।

ঘটনার পর তৎকালীন এসপি বাবুল আকতার পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করেন, তার জঙ্গিবিরোধী কার্যক্রমের জন্য স্ত্রীকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

শুরুতে চট্টগ্রাম পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) মামলাটির তদন্ত করে। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে আদালত মামলার তদন্তভার পিবিআইকে দেয়।

বাবুলের শ্বশুর সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন ও শাশুড়ি সাহেদা মোশাররফ এই হত্যার জন্য বাবুলকে দায়ী করে আসছিলেন।

বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে স্ত্রী মিতুকে হত্যার অভিযোগে বাবুলের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ১২ মে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করা হয়। মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেনের করা সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ওই দিনই বাবুলকে আদালতে তোলা হলে বিচারক পাঁচ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

রিমান্ড শেষ হওয়ার পর থেকে কারাগারে আছেন বাবুল।

আরও পড়ুন:
ঘরের আড়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ
এক দিনে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ
স্কুলছাত্রীর হাত বাঁধা, গলায় ওড়না প্যাঁচানো মরদেহ উদ্ধার
কুশিয়ারায় ‘ভারতীয় নাগরিকের’ মরদেহ
হাতিরঝিলে গাড়ির ধাক্কা, মরদেহ হাসপাতালে রেখে পলাতক চালক

শেয়ার করুন

পুকুরে নয়, বাড়ি থেকে হনুমানের সেই গদা উদ্ধার

পুকুরে নয়, বাড়ি থেকে হনুমানের সেই গদা উদ্ধার

কুমিল্লায় পূজামণ্ডপের হনুমানের মূর্তির হাত থেকে নিয়ে যাওয়া গদা। ছবি: নিউজবাংলা

গদা উদ্ধারের পর ইকবালের বরাত দিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা তানভীর জানান, ঘটনার রাতে গদাটি হনুমানের হাত থেকে নিয়ে ইকবাল দারোগাবাড়ী মাজারের কাছে আসে। তারপর সেটি মাজারের পুকুরে ফেলে দেয়। এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত গদাটি পানিতে না ডুবলে সেটি তুলে এনে পাশের চৌধুরী ভিলার প্রাচীরের ভেতরে ছুড়ে ফেলেন ইকবাল।

কুমিল্লায় পূজামণ্ডপের হনুমানের মূর্তির হাত থেকে নিয়ে যাওয়া গদাটি উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার রাত ১১টার দিকে জেলা পুলিশের একটি দল কুমিল্লা দারোগাবাড়ী মাজারের পাশের চৌধুরী ভিলার প্রাচীরের ভেতর থেকে গদাটি উদ্ধার করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) এম তানভীর আহমেদ।

এর আগে পুলিশ জানিয়েছিল, মণ্ডপের হনুমানের হাত থেকে গদাটি আনার পর কুমিল্লার ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত ইকবাল সেটি দারোগাবাড়ী মাজারের পুকুরে ফেলে দেন।

গদা উদ্ধারের পর ইকবালের বরাত দিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা তানভীর জানান, সেদিন রাতে গদাটি হনুমানের হাত থেকে নিয়ে ইকবাল দারোগাবাড়ী মাজারের কাছে আসে। তারপর সেটি মাজারের পুকুরে ফেলে দেয়। এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত গদাটি পানিতে না ডুবলে সেটি তুলে এনে পাশের চৌধুরী ভিলার প্রাচীরের ভেতরে ছুড়ে ফেলেন ইকবাল।

ইকবালকে নিয়ে অভিযানে রোববার রাতে ওই বাড়ির প্রাচীরের ভেতর থেকেই গদাটি উদ্ধার করা হয়।

পুকুরে নয়, বাড়ি থেকে হনুমানের সেই গদা উদ্ধার
গদা উদ্ধারে ইকবালকে নিয়ে অভিযানে যায় পুলিশ

পুলিশ জানিয়েছে, ২৭ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের গদাটি রঙিন কাগজ ও রশি দিয়ে মোড়ানো ছিল। পুকুরে নিক্ষেপ করায় রঙিন কাগজ ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে।

উদ্ধার অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সোহান সরকার, গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সত্যজিৎ বড়ুয়া, কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনওয়ারুল আজিমসহ কর্মকর্তারা।

দুর্গাপূজায় সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যে গত ১৩ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লার নানুয়ার দিঘির পাড়ের ওই মণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ পাওয়ার পর ছড়িয়ে পড়ে সহিংসতা।

ওই মণ্ডপের পাশাপাশি আক্রান্ত হয় নগরীর আরও বেশ কিছু পূজামণ্ডপ। পরে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে চাঁদপুর, নোয়াখালী, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায়।

যেখান থেকে সাম্প্রদায়িক এই সহিংসতার শুরু, সেই নানুয়ার দিঘির পাড়ের মণ্ডপে কীভাবে উত্তেজনার শুরু এবং মূল মণ্ডপের বাইরে পূজার থিম হিসেবে রাখা হনুমানের মূর্তির ওপর পবিত্র কোরআন শরিফ কী করে এলো, সে বিষয়ে মঙ্গলবার একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে নিউজবাংলা।

পূজার আয়োজক, এলাকাবাসী, তদন্তকারী কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঘটনার আগের রাত আড়াইটা পর্যন্ত মন্দিরে পূজাসংশ্লিষ্টদের উপস্থিতি ছিল। এরপর বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে দুজন নারীভক্ত মণ্ডপে এসে হনুমানের মূর্তিতে প্রথম কোরআন শরিফটি দেখতে পান।

পরে বেশ কিছু সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, রাত ৩টার দিকে এক ব্যক্তি কোরআন শরিফটি রেখে যান মণ্ডপে। এ সময় হনুমানের হাতের গদাটি সরিয়ে নেন তিনি। গদা হাতে তার চলে যাওয়ার দৃশ্য ধরা পড়ে ওই এলাকারই কয়েকটি সিসিটিভি ক্যামেরায়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তে পরে বেরিয়ে আসে মণ্ডপে কোরআন শরিফ রাখা যুবকের নাম ইকবাল হোসেন। ৩০ বছর বয়সী ইকবাল কুমিল্লা নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের দ্বিতীয় মুরাদপুর-লস্করপুকুর এলাকার নূর আহম্মদ আলমের ছেলে। নূর আলম পেশায় মাছ ব্যবসায়ী।

আরও পড়ুন:
ঘরের আড়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ
এক দিনে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ
স্কুলছাত্রীর হাত বাঁধা, গলায় ওড়না প্যাঁচানো মরদেহ উদ্ধার
কুশিয়ারায় ‘ভারতীয় নাগরিকের’ মরদেহ
হাতিরঝিলে গাড়ির ধাক্কা, মরদেহ হাসপাতালে রেখে পলাতক চালক

শেয়ার করুন

‘বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করছে’

‘বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করছে’

ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, ‘যুক্তরাজ্য সরকার সবসময় ধর্মীয় স্বাধীনতার পক্ষে। যুক্তরাজ্য বিশ্বাস করে বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করছে এবং ভবিষ্যতেও তা বজায় থাকবে।’

বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করছে এবং ভবিষ্যতেও তা বজায় থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন।

সাভারের কবিরপুর এলাকায় বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক এবং বেক্সিমকো পিপিই পার্ক পরিদর্শন শেষে রোববার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, ‘যুক্তরাজ্য সরকার সবসময় ধর্মীয় স্বাধীনতার পক্ষে। যুক্তরাজ্য বিশ্বাস করে বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করছে এবং ভবিষ্যতেও তা বজায় থাকবে।’

সম্প্রতি সারা দেশে মন্দির, মণ্ডপ ও হিন্দু ধর্মালম্বীদের বাড়িঘরে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থায় সন্তোষও প্রকাশ করেন রবার্ট চ্যাটারটন।

তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, এটি শুধু বাংলাদেশের নয় সবার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ ছাড়া বাংলাদেশের ১৯৭২ সালের সংবিধানে মানুষের স্বাধীনতার কথা, বিশ্বাসের স্বাধীনতার কথা, মানুষের অধিকারের কথা এবং সকল ধর্মের সমান অধিকারের কথা স্পষ্ট করা আছে।’

বাংলাদেশের শ্রমিকরা দক্ষ ও পরিশ্রমী উল্লেখ করে যুক্তরাজ্যের এ কূটনীতিক বলেন, ‘শ্রমিকদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দিলে তারা কাজের মান আরও ভালো করবে।’

সকালে রবার্ট চ্যাটার্সনের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক এবং বেক্সিমকো পিপিই পার্ক পরিদর্শন করেন। প্রতিনিধি দলে ছিলেন ব্রিটিশ হাই কমিশনারের স্ত্রী তেরেসা আলবর, হাই কমিশনের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রধান ডেরেক গ্রিফিথস, শাসন ও রাজনৈতিক দলের প্রধান টম বার্জ।

বেক্সিমকো গ্রুপের ডিরেক্টর এবং বেক্সিমকো টেক্সটাইল, অ্যাপারেলস ও পিপিই ডিভিশনের সিইও সৈয়দ নাভেদ হোসেন গ্রুপের চেয়ারম্যান ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানান।

আরও পড়ুন:
ঘরের আড়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ
এক দিনে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ
স্কুলছাত্রীর হাত বাঁধা, গলায় ওড়না প্যাঁচানো মরদেহ উদ্ধার
কুশিয়ারায় ‘ভারতীয় নাগরিকের’ মরদেহ
হাতিরঝিলে গাড়ির ধাক্কা, মরদেহ হাসপাতালে রেখে পলাতক চালক

শেয়ার করুন

ভ্যানে বাসের ধাক্কা, নিহত শিশু

ভ্যানে বাসের ধাক্কা, নিহত শিশু

প্রতীকী ছবি

পুলিশ জানায়, রোববার দুপুরে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ভ্যানগাড়ি নিয়ে মহাসড়ক পার হচ্ছিল নিরব। এ সময় ঢাকা থেকে গাজীপুরগামী বলাকা পরিবহনের একটি বাস ভ্যানগাড়িতে ধাক্কা দেয়। এতে সড়কে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায় নিরব।

গাজীপুর শহরে বাসের ধাক্কায় এক ভ্যানচালক শিশু নিহত হয়েছে।

শহরের গাছা থানা এলাকায় রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মৃত শিশুর নাম নিরব। ৯ বছরের নিরব নেত্রকোণার কেন্দুয়া থানার চশী নয়াপাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) গাছা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাদিরুজ্জামান।

তিনি জানান, শিশু নিরব গাছা ডেগেরচালা এলাকায় পরিবারের সঙ্গে থাকত। সে এক ভ্যানচালকের সহযোগী হিসেবে কাজ করত।

পুলিশ জানায়, রোববার দুপুরে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ভ্যানগাড়ি নিয়ে মহাসড়ক পার হচ্ছিল নিরব। এ সময় ঢাকা থেকে গাজীপুরগামী বলাকা পরিবহনের একটি বাস ভ্যানগাড়িতে ধাক্কা দেয়। এতে সড়কে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায় নিরব।

এসআই নাদিরুজ্জামান জানান, ময়নাতদন্তের জন্য নিরবের মরদেহ শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয়রা বাসটি জব্দ করে এর চালক হৃদয় ও তার সহযোগী শামীমকে পুলিশে হস্তান্তর করেছেন। তারা পুলিশি হেফাজতে আছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
ঘরের আড়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ
এক দিনে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ
স্কুলছাত্রীর হাত বাঁধা, গলায় ওড়না প্যাঁচানো মরদেহ উদ্ধার
কুশিয়ারায় ‘ভারতীয় নাগরিকের’ মরদেহ
হাতিরঝিলে গাড়ির ধাক্কা, মরদেহ হাসপাতালে রেখে পলাতক চালক

শেয়ার করুন

সেনবাগে বাস খালে, আহত ৩০

সেনবাগে বাস খালে, আহত ৩০

সেনবাগে রোববার বিকেলে বাঁধন পরিবহনের বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে যায়। ছবি: নিউজবাংলা

স্থানীয়রা জানান, বাঁধন পরিবহনের একটি বাস চট্টগ্রাম থেকে নোয়াখালী আসার পথে সেনবাগের ভূঁইয়ার দিঘি রাস্তার মাথায় এসে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে যায়। স্থানীয় লোকজন পানিতে নিমজ্জিত বাসের যাত্রীদের উদ্ধার করে সেবারহাটসহ সেনবাগের কয়েকটি হাসপাতালে নিয়ে যান।

নোয়াখালীর সেনবাগে বাঁধন পরিবহনের বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে ৩০ যাত্রী আহত হয়েছেন।

নোয়াখালী-ফেনী আঞ্চলিক মহাসড়কের ভূঁইয়ার দিঘি রাস্তার মাথায় সিএনজি স্টেশনের সামনে রোববার বিকেল ৫টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, বাঁধন পরিবহনের একটি বাস চট্টগ্রাম থেকে নোয়াখালী আসার পথে সেনবাগের ভূঁইয়ার দিঘি রাস্তার মাথায় এসে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে যায়। স্থানীয় লোকজন পানিতে নিমজ্জিত বাসের যাত্রীদের উদ্ধার করে সেবারহাটসহ সেনবাগের কয়েকটি হাসপাতালে নিয়ে যান।

এ ঘটনায় ৩০ যাত্রী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

চন্দ্রগঞ্জ হাইয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মৃদুল কান্তি মজুমদার জানান, পুলিশ বাসটি উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রদক্ষেপ নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
ঘরের আড়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ
এক দিনে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ
স্কুলছাত্রীর হাত বাঁধা, গলায় ওড়না প্যাঁচানো মরদেহ উদ্ধার
কুশিয়ারায় ‘ভারতীয় নাগরিকের’ মরদেহ
হাতিরঝিলে গাড়ির ধাক্কা, মরদেহ হাসপাতালে রেখে পলাতক চালক

শেয়ার করুন