প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিতের আহ্বান ইউজিসির

প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিতের আহ্বান ইউজিসির

বৃহস্পতিবার অনলাইন ও ব্লেন্ডেড লার্নিং বিষয়ে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি শীর্ষক ভার্চুয়াল কর্মশালায় বক্তারা।

ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, ‘উন্নত দেশের মতো দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।’ ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহার করে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে না পারলে বৈশ্বিক শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতায় আমাদের গ্রাজুয়েটরা টিকে থাকতে পারবে না।

উন্নত দেশেগুলোর মতো দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ।

বৃহস্পতিবার অনলাইন ও ব্লেন্ডেড লার্নিং বিষয়ে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, বিশ্বের উন্নত দেশেগুলোর মতো দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। বৈশ্বিক এ বাস্তবতা অনুধাবন করতে না পারলে উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলো পিছিয়ে পড়বে।

তিনি আরও বলেন, করোনা পরবর্তী সময়েও অনলাইন শিক্ষা ও ব্লেন্ডেড লার্নিং কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। এ ব্যবস্থাকে টেকসই করতে ইউজিসি ব্লেন্ডেড লার্নিং পলিসির খসড়া চূড়ান্ত করেছে যা প্রশাসনিক অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহার করে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে না পারলে বৈশ্বিক শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতায় আমাদের গ্রাজুয়েটরা টিকে থাকতে পারবে না।

কর্মশালায় অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন, অনলাইন শিক্ষা ও ব্লেন্ডেড লার্নিং কার্যক্রম কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য দ্রুত এ সংক্রান্ত একটি পলিসি প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

ইউজিসি সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস জামান বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়ন করা না গেলে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে উঠবে না। তাই, শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল প্লাটফর্মের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

২০ দিনের এই কর্মশালায় দেশের ২০টি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের এক হাজার শিক্ষক অংশ নিচ্ছেন।

কর্মশালায় অনলাইন শিক্ষা, ব্লেন্ডেড লার্নিং এবং লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বিভিন্ন দিক নিয়ে সেশন পরিচালনা করেছেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) ট্রেজারার ও স্কুল অব বিজনেসের ডীন অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল আজাদ, সেমকা’র লার্নিং প্রোগ্রাম ফেসিলিটেটর পুরানদার সেনগুপ্ত এবং ন্যাশনাল ট্রেইনার ড. শৌনাক রায়।

আরও পড়ুন:
উচ্চশিক্ষা পাঠ্যক্রম ঢেলে সাজানোর পরামর্শ
এনআইডি ছাড়াই টিকা পাবেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ২টি গবেষণা গ্রন্থ প্রকাশ করবে ইউজিসি
এনডিএলআই-এর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করবে ইউজিসি
গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ১০০ কোটি টাকা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিট: চট্টগ্রাম ও বরিশালে অনুপস্থিত ৩১ শতাংশ

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিট: চট্টগ্রাম ও বরিশালে অনুপস্থিত ৩১ শতাংশ

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিট পরীক্ষায় চট্টগ্রাম ও বরিশালে অনুপস্থিত ৩১ শতাংশ শিক্ষার্থী। ছবি: নিউজবাংলা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ঢাবিসহ দেশের সাত বিভাগের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শনিবার বেলা ১১টায় একযোগে শুরু হয়। চলে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) কেন্দ্রে ৬৯ শতাংশ শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। অনুপস্থিত ছিলেন ৩১ শতাংশ শিক্ষার্থী।

অনুপস্থিতির একই চিত্র বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রেও।

শনিবার বেলা ১১টা থেকে শুরু হয়ে ভর্তি পরীক্ষা সাড়ে ১২টায় শেষ হয়।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর এসএম জিয়াউল ইসলাম জানান, ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম বিভাগের ৯ হাজার ৯০৩ জনের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৬ হাজার ৮৬৯ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৩৪ জন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান, ব্যবসায় প্রশাসন, কলা ও মানববিদ্যা, সমাজ বিজ্ঞান ও আইন অনুষদে পরীক্ষা হয়।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর বেনু কুমার দে ভর্তি পরীক্ষার হল পরিদর্শন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ‘ঘ’ ইউনিট ভর্তি কমিটির চবি কো-অর্ডিনেটর চবি সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুস্তাফিজুর রহমান ছিদ্দিকী, জয়েন্ট কো-অর্ডিনেটর চবি আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক এবিএম আবু নোমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘ-ইউনিট চট্টগ্রাম অঞ্চলের কো-অর্ডিনেটর ঢাবি ট্রেজারার প্রফেসর মমতাজ উদ্দিন আহমেদ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভুঁইয়া বলেন, ‘সন্তোষজনকভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। সব কিছু ভালোভাবে হয়েছে, কোন ধরনের সমস্যা হয়নি।’

এদিকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. খোরশেদ আলম জানান, ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষায় বরিশাল বিভাগে পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে নির্ধারিত ছিল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্র।

তিনি আরও জানান, ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় বরিশালে ৩ হাজার ১৩ জন অংশ নেয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে ২ হাজার ১০৪ জন অংশ নেন। অনুপস্থিত ছিলেন ৯০৯ জন।

সেই হিসেবে উপস্থিতির হার ছিল ৬৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

পরীক্ষা শুরুর আগে কেন্দ্রের বিভিন্ন হল পরিদর্শন করেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন।

কোন ধরণের সমস্যা ছাড়াই পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে তিনি জানান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ঢাবিসহ দেশের সাত বিভাগের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শনিবার বেলা ১১টায় একযোগে শুরু হয়। চলে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিস জানায়, ‘ঘ’ ইউনিটে ১ হাজার ৫৭০ আসনের বিপরীতে ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৮১ জন আবেদন করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬১ হাজার ৮৫০, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২ হাজার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯ হাজার ৮৯৮, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ হাজার ৭৯৮, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ হাজার ১২৪, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ হাজার ১৭৮, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ হাজার ১৩ এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১ হাজার ২০ জনের আসন পড়েছে।

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষার মাধ্যমে মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা ও বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা বিভাগ পরিবর্তন করতে পারবেন। এ ইউনিটে ১১টি অনুষদের অধীনে বিভাগ রয়েছে ৫৫টি।

গত ১ অক্টোবর থেকে ঢাবির ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়। ওই দিন বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হয়।

আরও পড়ুন:
উচ্চশিক্ষা পাঠ্যক্রম ঢেলে সাজানোর পরামর্শ
এনআইডি ছাড়াই টিকা পাবেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ২টি গবেষণা গ্রন্থ প্রকাশ করবে ইউজিসি
এনডিএলআই-এর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করবে ইউজিসি
গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ১০০ কোটি টাকা

শেয়ার করুন

পূর্বাচলে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপন

পূর্বাচলে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপন

পূর্বাচলে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের ভিত্তি স্থাপন অনুষ্ঠানে ঢাকায় কানাডার হাইকমিশনার বেনোয়া প্রিফন্টেইন (বামে) এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

অনুষ্ঠানে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘আমাদের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের কাজ আজ শুরু হলো। আমার বিশ্বাস, কাজ শেষ হলে ক্যাম্পাসটি ঢাকা শহর ও দেশের শিক্ষা খাতে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হবে।’

রাজধানীর পূর্বাচলে নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাসের নির্মাণকাজ শুরু করল দেশের প্রথম সারির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ (সিইউবি)।

পূর্বাচলের ৯ নম্বর সেক্টরে শনিবার বেলা ৩টায় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপন করেন ঢাকায় কানাডার হাইকমিশনার বেনোয়া প্রিফন্টেইন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কানাডিয়ান হাইকমিশনার বেনোয়া প্রিফন্টেইন বলেন, ‘আমি যখন প্রথম চৌধুরী নাফিজ সরাফাতের সঙ্গে দেখা করি, তখন তিনি আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নিয়ে পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন। কখনোই ভাবিনি, আমিই সেটির ভিত্তি উদ্বোধনে থাকব। ঢাকায় আমার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। আর এ জন্য সাড়ে চার বছর আগে তার সঙ্গে প্রথম দেখা করার পর আজ এখানে এই অনুষ্ঠানে এসে খুব ভালো অনুভব করছি।

‘নাফিজ সরাফাত আমাকে তার কিছু স্বপ্নের কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এই ক্যাম্পাস ঢাকায় সব সময় কানাডার একটি ছোট অংশ হবে। আমি এখানে এসেও তাই দেখছি। চারপাশে সবুজ মাঠ। যখন এই ক্যাম্পাস তৈরি হয়ে যাবে, তখন এখানে প্রতিদিন হাজার হাজার শিক্ষার্থী থাকবে। পড়াশোনার পাশাপাশি তারা আরও অনেক কিছু করবে। সেসব অভিজ্ঞতা তারা এখানে অর্জন করবে, যা শুধু বিশ্ববিদ্যালয়েই পাওয়া যায়।’

পূর্বাচলে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপন
কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ঢাকায় কানাডার হাইকমিশনার বেনোয়া প্রিফন্টেইন। ছবি: নিউজবাংলা

তিনি বলেন, ‘আমি এখন থেকে ১৫ বছর পরের কথা ভাবছি, যখন নতুন নতুন কোম্পানি আসবে আর এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সেগুলো পরিচালনা করবে। এর মাধ্যমে তারা মেধা ও প্রযুক্তি দিয়ে এই শহর ও দেশকে উন্নত করবে।’

কানাডিয়ান হাইকমিশনার বলেন, ‘বাংলাদেশ ও কানাডার সম্পর্ক খুব ভালো। আমি স্বপ্ন দেখি যে এই ভালো সম্পর্ক আরও বহু দূর যাবে। আমি বিশ্বাস করি, কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে কাজ করবে। কানাডার শিক্ষার্থীরা এখানে আসবে। তারা এশিয়া সম্পর্কে জানবে। বাংলাদেশের শিক্ষার্থী ও অধ্যাপকরা কানাডা যাবেন।’

অনুষ্ঠানে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘আজকের দিনটি আমাদের জন্য এক বিশেষ মাইলফলক। কারণ আমরা কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপন করেছি। এটি এমন একটি প্রতিষ্ঠান যা শিক্ষার্থীদের তাদের নিজস্ব দিগন্তের বাইরে অন্বেষণ করতে, সহনশীল হতে ও সংস্কৃতি, জাতি, ধর্ম বা প্রেক্ষাপটের বিভেদকে অতিক্রম করে পারস্পরিক বন্ধন আবিষ্কারে অনুপ্রাণিত করে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের ফ্যাকাল্টি, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাইসহ সিইউবি-সংশ্লিষ্ট সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। শুরুর দিন থেকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে সাহায্য ও দিকনির্দেশনা দেয়ায় আমি আন্তরিকভাবে বেনোয়া প্রিফন্টেইন ও কানাডিয়ান হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানাই।

‘আমাদের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের কাজ আজ শুরু হলো। আমার বিশ্বাস, কাজ শেষ হলে ক্যাম্পাসটি ঢাকা শহর ও দেশের শিক্ষা খাতে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হবে।’

পূর্বাচলে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপন
স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

স্থায়ী ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দিক বর্ণনা করে ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় ভবন, দৃষ্টিনন্দন লেক এবং বিশাল খেলার মাঠ থাকছে আমাদের ক্যাম্পাসে। তার চেয়েও বড় কথা, এটি হতে যাচ্ছে সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব একটি ক্যাম্পাস।

‘সর্বাধুনিক ল্যাব, স্টুডিও, লাইব্রেরি, থিয়েটার, স্টাডি জোনের সঙ্গে থাকছে শিক্ষার্থী লাউঞ্জ, অবসর কাটানোর জায়গা, জিম, ফুড লাউঞ্জসহ বিভিন্ন সুবিধা। শিক্ষার্থীদের মনে রাখার মতো একটি অভিজ্ঞতা দিতেই ক্যাম্পাসটি গড়ে তোলা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সব সময় পর্বতশীর্ষের চাকচিক্য দেখে মুগ্ধ হই। কিন্তু আমার কাছে পর্বতের ভিত্তিপ্রস্তরটির গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। এ কারণেই আজকের দিনটি এতটা তাৎপর্যপূর্ণ।’

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সিনিয়র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এইচ এম জহিরুল হকসহ ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, ইউজিসির সদস্য, কূটনীতিক, সরকারি কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট এবং অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

পূর্বাচলে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপন
কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপন অনুষ্ঠানে ঢাকায় কানাডার হাইকমিশনার বেনোয়া প্রিফন্টেইন, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাতসহ অতিথিরা। ছবি: নিউজবাংলা

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পূর্বাচলে ১২ বিঘা জমিতে গড়ে তোলা হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির সুবিশাল ক্যাম্পাস। সেখানে নির্মাণ করা হবে অ্যাকাডেমিক ভবন, প্রশাসনিক ভবন, ল্যাব বিল্ডিং, বিনোদন, অডিটোরিয়াম, লাইব্রেরি ও প্রার্থনাকক্ষ।

বিশ্বমানের স্থাপত্য নকশায় গড়ে তোলা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টির নান্দনিক স্থায়ী ক্যাম্পাস।

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশে রয়েছে আধুনিক সময়ের উপযোগী বিভিন্ন বিভাগ। শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিতে রয়েছে বৃত্তির সুযোগ।

ইনফরমেশন সিস্টেমস অডিট অ্যান্ড কন্ট্রোল অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা আছে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের।

এ ছাড়া কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত আছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংগতি রেখে সাজানো হয়েছে পাঠ্যক্রম।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা সর্বোত্তম মানের শিক্ষা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর। দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনে প্রায়োগিক জ্ঞানের ওপর জোর দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুন:
উচ্চশিক্ষা পাঠ্যক্রম ঢেলে সাজানোর পরামর্শ
এনআইডি ছাড়াই টিকা পাবেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ২টি গবেষণা গ্রন্থ প্রকাশ করবে ইউজিসি
এনডিএলআই-এর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করবে ইউজিসি
গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ১০০ কোটি টাকা

শেয়ার করুন

যশোর শিক্ষা বোর্ডে আরও আড়াই কোটি টাকার জালিয়াতি

যশোর শিক্ষা বোর্ডে আরও আড়াই কোটি টাকার জালিয়াতি

নতুন জালিয়াতির বিষয়ে বলা হয়েছে, হিসাব সহকারী আবদুস সালাম শিক্ষা বোর্ডের বর্তমান চেয়ারম্যান মোল্লা আমীর হোসেন সচিব থাকার সময় এসব জালিয়াতি করেছেন। ২০১৭ সাল থেকে শিক্ষা বোর্ডের মোট পাঁচ কোটি টাকা চেক জালিয়াতি করে তুলে নেয়া হয়েছে।

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেক জালিয়াতি করে আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনার রেশ কাটতে না-কাটতে একই পরিমাণ অর্থের আরও জালিয়াতি ধরা পড়েছে।

৯টি প্রতিষ্ঠানের নামে আরও ২ কোটি ৪৩ লাখ ৭ হাজার ৮৭৮ টাকা তুলে নেয়ার প্রমাণ পেয়েছে শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে দুদকে নতুন অভিযোগও দিয়েছে শিক্ষা বোর্ড।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাধব চন্দ্র রুদ্র জালিয়াতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ৮ অক্টোবর চেকের মুড়ি বইয়ের (গ্রাহকের কাছে থাকা চেকের অংশ) সঙ্গে ব্যাংকের স্টেটমেন্ট মেলানোর সময় ১০ হাজার ৩৬ টাকার বিপরীতে মোট ৯টি চেকে জালিয়াতি করে ২ কোটি ৫০ লাখ ৪৪ হাজার ১০ টাকা তোলার ঘটনা ধরা পড়ে।

ওই ঘটনায় ১৮ অক্টোবর দুদক পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করে।

মামলার আসামিরা হলেন যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোল্লা আমীর হোসেন, সচিব অধ্যাপক এ এম এইচ আলী আর রেজা, হিসাব সহকারী আবদুস সালাম, যশোর রাজারহাটের ভেনাস প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের মালিক শরিফুল ইসলাম বাবু ও শেখহাটী জামরুলতলার শাহী লাল স্টোরের মালিক আশরাফুল আলম।

নতুন জালিয়াতির বিষয়ে বলা হয়েছে, হিসাব সহকারী আবদুস সালাম শিক্ষা বোর্ডের বর্তমান চেয়ারম্যান মোল্লা আমীর হোসেন সচিব থাকার সময় এসব জালিয়াতি করেছেন। ২০১৭ সাল থেকে শিক্ষা বোর্ডের মোট পাঁচ কোটি টাকা চেক জালিয়াতি করে তুলে নেয়া হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালের ২১ আগস্ট বিজনেস আইটি নামে একটি প্রতিষ্ঠানের নামে আয়কর বাবদ ১২ হাজার ২৭৬ টাকা তুলে নেয়া হয়। একই সালের ৪ অক্টোবর শহরের জামে মসজিদ লেনের নূর এন্টারপ্রাইজের নামে ৫৯ হাজার ৩৫ টাকা তোলা হয়।

২০১৯ সালের ২৯ এপ্রিল মেসার্স খাজা প্রিন্টিং প্রেসের নামে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৫৩০ টাকা এবং নিহার প্রিন্টিং প্রেসের নামে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৫৩০ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এভাবে ৯টি প্রতিষ্ঠানের নামে আরও ২ কোটি ৪৩ লাখ ৭ হাজার ৮৭৮ টাকা তুলেছেন হিসাব সহকারী আবদুস সালাম।

এ ছাড়া সেকশন অফিসার আবুল কালাম আজাদের নামে ৯৪ হাজার ৩১৬ টাকা এবং আবদুস সালামের নিজ নামে ২৫ লাখ ৮০ হাজার ১০ টাকা তোলা হয়েছে।

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের হিসাব ও নিরীক্ষা বিভাগের উপপরিচালক এমদাদুল হক বলেন, ‘আমরা আরও প্রায় আড়াই কোটি টাকার চেক জালিয়াতির প্রমাণ পেয়েছি। দুদকে ২১ অক্টোবর আরও একটি অভিযোগ জমা দিয়েছি।

‘বর্তমান চেয়ারম্যান মোল্লা আমীর হোসেন বোর্ডের সচিব থাকাবস্থায় প্রথম জালিয়াতি হয়েছে। আবদুস সালাম তখন হিসাব শাখার দায়িত্বে ছিলেন। তার নেতৃত্বে ভেনাস প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের মালিক যশোরের শরিফুল ইসলাম বাবু এসব জালিয়াতি করেছেন বলে আমরা জেনেছি। দুদক বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।’

দুদকের যশোর কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. নাজমুচ্ছায়াদাত বলেন, ‘আরও প্রায় আড়াই কোটি টাকা জালিয়াতির অভিযোগ পেয়েছি। এ জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করা হবে।’

আরও পড়ুন:
উচ্চশিক্ষা পাঠ্যক্রম ঢেলে সাজানোর পরামর্শ
এনআইডি ছাড়াই টিকা পাবেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ২টি গবেষণা গ্রন্থ প্রকাশ করবে ইউজিসি
এনডিএলআই-এর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করবে ইউজিসি
গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ১০০ কোটি টাকা

শেয়ার করুন

জানুয়ারি থেকে বাড়বে ক্লাসের সংখ্যা: শিক্ষামন্ত্রী

জানুয়ারি থেকে বাড়বে ক্লাসের সংখ্যা: শিক্ষামন্ত্রী

করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে জানুয়ারি থেকে ক্লাসের সংখ্যা বাড়বে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ছবি: নিউজবাংলা

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শ্রেণিকক্ষে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য এত পরিমাণ জায়গা আমাদের নেই। তাই আগামী জানুয়ারিতে যদি করোনার পরিস্থিতি এমন থাকে তাহলেই আমরা চিন্তা করব শ্রেণিকক্ষে ক্লাসের সংখ্যা বৃদ্ধি করার।’

করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলে আগামী বছরের জানুয়ারিতে ক্লাসের সংখ্যা বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

চাঁদপুর শহরের বাবুরহাট এলাকায় শনিবার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নবনির্মিত কার্যালয় উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর জানুয়ারিতে যখন ক্লাস শুরু হবে, তখন ক্লাসের সংখ্যা বাড়ানো হবে।

‘এই মুহূর্তে ক্লাসের সংখ্যা বাড়ানোর আর কোনো সুযোগ নেই। স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে এবং সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করেই শিক্ষার্থীদের শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।’

বিশ্বের কিছু দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ লক্ষ্য করা যাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। শ্রেণিকক্ষে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য এত পরিমাণ জায়গা আমাদের নেই।

‘তাই আগামী জানুয়ারিতে যদি করোনা পরিস্থিতি এমন থাকে, তাহলেই আমরা চিন্তা করব শ্রেণিকক্ষে ক্লাসের সংখ্যা বৃদ্ধি করার।’

দেশে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিষয়েও কথা বলেন আওয়ামী লীগের এ নেতা। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার জন্য, দেশকে উন্নত করার জন্য নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

‘সেখানে নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি জামায়াত ও তাদের দোসররা এই সরকারের বিরুদ্ধে, বাংলাদেশের উন্নয়নের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে বিভিন্ন অপকর্ম করছে। আজকে তা বিভিন্নভাবে প্রমাণিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘অশুভ শক্তি যতই সংঘবদ্ধ হোক না কেন, আমরা শুভশক্তির মানুষ সবাই যদি একজোট হই, তাহলে অশুভ কোনো শক্তি কিছুই করতে পারবে না। যেমন একাত্তরেও পারেনি। তাই আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সবাইকে চোখ কান খোলা রাখতে হবে।’

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ, পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ, চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম দেব কুমার, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাহাজ্জল হোসেন এসডু পাটওয়ারী ও মজিবুর রহমান ভূঁইয়া।

আরও পড়ুন:
উচ্চশিক্ষা পাঠ্যক্রম ঢেলে সাজানোর পরামর্শ
এনআইডি ছাড়াই টিকা পাবেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ২টি গবেষণা গ্রন্থ প্রকাশ করবে ইউজিসি
এনডিএলআই-এর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করবে ইউজিসি
গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ১০০ কোটি টাকা

শেয়ার করুন

শিশুদের হোমওয়ার্কের চাপ কমাতে চীনে আইন

শিশুদের হোমওয়ার্কের চাপ কমাতে চীনে আইন

শিশুদের ওপর পড়াশোনার চাপ কমাতে নতুন আইন পাস করে চীন। ছবি: এএফপি

চীনের বার্তা সংস্থা শিনহুয়া জানায়, নতুন আইনটিতে স্কুলশিক্ষার্থীদের ওপর হোমওয়ার্ক ও প্রাইভেটে পড়ার চাপ কমাতে স্থানীয় সরকারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শিশুরা যাতে পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও শরীরচর্চা করতে পারে, সে জন্য নতুন ওই আইনে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। এতে শিশুদের মানসিক চাপ কমার পাশাপাশি তাদের ইন্টারনেট আসক্তিও হ্রাস পাবে।

স্কুলের শিশুদের হোমওয়ার্ক ও প্রাইভেটে পড়ার চাপ কমাতে নতুন একটি আইন এনেছে চীন।

দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা শিনহুয়া শনিবার তাদের প্রতিবেদনে জানায়, নতুন আইনটির পুরোটা প্রকাশ করা হয়নি। আইনটিতে স্কুলশিক্ষার্থীদের ওপর হোমওয়ার্ক ও প্রাইভেটে পড়ার চাপ কমাতে স্থানীয় সরকারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে শিশুরা যাতে পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও শরীরচর্চা করতে পারে, সে জন্য নতুন ওই আইনে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। এতে শিশুদের মানসিক চাপ কমার পাশাপাশি তাদের ইন্টারনেট আসক্তিও হ্রাস পাবে।

নতুন এই আইন ছাড়াও চলতি বছরে শিশু-কিশোরদের বিষয়ে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে চীন। কিশোরদের অনলাইন গেমসের নেশা কাটাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া থেকে শুরু করে ইন্টারনেট সেলিব্রিটিদের প্রতি ভক্তি কমানো ছিল উল্লেখযোগ্য।

সোমবার চীনের পার্লামেন্ট জানায়, কিশোররা খুব খারাপ ব্যবহার করলে বা কোনো অপরাধে জড়িয়ে পড়লে তাদের অভিভাবকদের শাস্তি দেয়ার আইন প্রণয়নের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি চীনের শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিশুদের অনলাইন গেমসের সময় কমিয়ে দেয়। শুধু শুক্র, শনি ও রোববার এক ঘণ্টা করে তারা অনলাইনে গেমস খেলতে পারবে।

এ ছাড়া হোমওয়ার্কের পরিমাণ কমানোর পাশাপাশি সাপ্তাহিক ছুটিসহ অন্যান্য ছুটির দিনে স্কুল শেষে প্রধান বিষয়ে প্রাইভেটে পড়া নিষিদ্ধ করেছে চীনের শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

স্কুলের শিশুদের ওপর অতিরিক্ত পড়াশোনার চাপ কমাতে এসব সিদ্ধান্ত নেয় চীনা সরকার।

একই সঙ্গে ‘মেয়েলিপনা’ কমিয়ে আরও ‘পুরুষালি’ হতে দেশের কিশোরদের প্রতি আহ্বান জানায় চীন।

এ লক্ষ্যে গত বছরের ডিসেম্বরে ক্যাম্পাসে ফুটবলসহ অন্যান্য খেলা প্রচারে স্কুল কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন:
উচ্চশিক্ষা পাঠ্যক্রম ঢেলে সাজানোর পরামর্শ
এনআইডি ছাড়াই টিকা পাবেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ২টি গবেষণা গ্রন্থ প্রকাশ করবে ইউজিসি
এনডিএলআই-এর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করবে ইউজিসি
গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ১০০ কোটি টাকা

শেয়ার করুন

ঢাবিতে ভর্তি পরীক্ষার আগে কেন্দ্রে আগুন

ঢাবিতে ভর্তি পরীক্ষার আগে কেন্দ্রে আগুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রাব্বানী নিউজবাংলাকে বলেন, ঢাবির ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের কেন্দ্রের ৫০৬ নম্বর কক্ষে আগুন লাগে। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই তা নিয়ন্ত্রণে আসে। এতে তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বা পরীক্ষায়ও বিঘ্ন ঘটেনি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ কেন্দ্রের পঞ্চম তলার ৫০৬ নম্বর কক্ষে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। তবে অল্প সময়ের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। পরীক্ষাও বিঘ্নিত হয়নি।

আগুন লাগার ঘটনাটি ঘটে শনিবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে। পরে পলাশী ফায়ার সার্ভিস এসে ১৫ মিনিটের মধ্যে তা নিয়ন্ত্রণে আনে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রাব্বানী নিউজবাংলাকে বলেন, ঢাবির ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের কেন্দ্রের ৫০৬ নম্বর কক্ষে আগুন লাগে। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই তা নিয়ন্ত্রণে আসে। এতে তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বা পরীক্ষায়ও বিঘ্ন ঘটেনি।’

কীভাবে আগুনের সূত্রপাত- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে পলাশী ফায়ার স্টেশনের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এসির শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে তদন্ত করে বিস্তারিত জানানো হবে।

ঢাবিসহ দেশের সাতটি বিভাগের আরও সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শনিবার বেলা ১১টা থেকে একযোগে শুরু হয় ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা। চলবে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিস জানায়, ‘ঘ’ ইউনিটে ১ হাজার ৫৭০ আসনের বিপরীতে ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৮১ জন আবেদন করেছেন। এই হিসাবে ইউনিটটিতে আসনপ্রতি লড়বেন ৭৪ পরীক্ষার্থী।

এই ইউনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬১ হাজার ৮৫০, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২ হাজার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯ হাজার ৮৯৮, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ হাজার ৭৯৮, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ হাজার ১২৪, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ হাজার ১৭৮, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ হাজার ১৩ এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১ হাজার ২০ জনের আসন পড়েছে।

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষার মাধ্যমে মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা ও বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা বিভাগ পরিবর্তন করতে পারবেন। এ ইউনিটে ১১টি অনুষদের অধীনে বিভাগ রয়েছে ৫৫টি।

গত ১ অক্টোবর থেকে ঢাবির ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়। ওই দিন বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হয়।

২ অক্টোবর কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষা হয়। ৯ অক্টোবর চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের বহু নির্বাচনি অংশের ভর্তি পরীক্ষা হয়। ২২ অক্টোবর বিজনেস স্টাডিজ অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষা হয়।

‘ক’, ‘খ’, ‘গ’ ও ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৬০ নম্বরের বহু নির্বাচনি এবং ৪০ নম্বরের লিখিত অংশ আছে। উভয় অংশের জন্য ৪৫ মিনিট করে সময় থাকে।

তবে ‘চ’ ইউনিটের ৪০ নম্বরের বহু নির্বাচনি পরীক্ষার জন্য ৩০ মিনিট আর ৬০ নম্বরের অঙ্কন পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট সময় বরাদ্দ ছিল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে পাঁচটি ইউনিটে ৭ হাজার ১৪৮টি আসনের বিপরীতে এবার ৩ লাখ ২৪ হাজার ৩৪০ প্রার্থী অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তির আবেদন করেছেন। প্রতি আসনের বিপরীতে গড়ে ৪৫ শিক্ষার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আরও পড়ুন:
উচ্চশিক্ষা পাঠ্যক্রম ঢেলে সাজানোর পরামর্শ
এনআইডি ছাড়াই টিকা পাবেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ২টি গবেষণা গ্রন্থ প্রকাশ করবে ইউজিসি
এনডিএলআই-এর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করবে ইউজিসি
গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ১০০ কোটি টাকা

শেয়ার করুন

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা শুরু, আসনপ্রতি ৭৪ পরীক্ষার্থী

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা শুরু, আসনপ্রতি ৭৪ পরীক্ষার্থী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার একটি কেন্দ্র। ফাইল ছবি

ঢাবিসহ দেশের সাত বিভাগের আরও সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শনিবার বেলা ১১টা থেকে একযোগে শুরু হয় পরীক্ষা। চলবে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

ঢাবিসহ দেশের সাত বিভাগের আরও সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শনিবার বেলা ১১টা থেকে একযোগে শুরু হয় পরীক্ষা। চলবে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিস জানায়, ‘ঘ’ ইউনিটে ১ হাজার ৫৭০ আসনের বিপরীতে ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৮১ জন আবেদন করেছেন। এই হিসাবে ইউনিটটিতে আসনপ্রতি লড়বেন ৭৪ পরীক্ষার্থী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬১ হাজার ৮৫০, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২ হাজার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯ হাজার ৮৯৮, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ হাজার ৭৯৮, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ হাজার ১২৪, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ হাজার ১৭৮, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ হাজার ১৩ এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১ হাজার ২০ জনের আসন পড়েছে।

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষার মাধ্যমে মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা ও বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা বিভাগ পরিবর্তন করতে পারবেন। এ ইউনিটে ১১টি অনুষদের অধীনে বিভাগ রয়েছে ৫৫টি।

গত ১ অক্টোবর থেকে ঢাবির ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়। ওই দিন বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হয়।

২ অক্টোবর কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষা হয়। ৯ অক্টোবর চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের বহু নির্বাচনি অংশের ভর্তি পরীক্ষা হয়। ২২ অক্টোবর বিজনেস স্টাডিজ অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষা হয়।

‘ক’, ‘খ’, ‘গ’ ও ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৬০ নম্বরের বহু নির্বাচনি ও ৪০ নম্বরের লিখিত অংশ আছে। উভয় অংশের জন্য ৪৫ মিনিট করে সময় থাকে।

তবে ‘চ’ ইউনিটের ৪০ নম্বরের বহু নির্বাচনি পরীক্ষার জন্য ৩০ মিনিট আর ৬০ নম্বরের অঙ্কন পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট সময় বরাদ্দ ছিল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে পাঁচটি ইউনিটে ৭ হাজার ১৪৮টি আসনের বিপরীতে এবার ৩ লাখ ২৪ হাজার ৩৪০ প্রার্থী অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তির আবেদন করেছেন। প্রতি আসনের বিপরীতে গড়ে ৪৫ শিক্ষার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আরও পড়ুন:
উচ্চশিক্ষা পাঠ্যক্রম ঢেলে সাজানোর পরামর্শ
এনআইডি ছাড়াই টিকা পাবেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ২টি গবেষণা গ্রন্থ প্রকাশ করবে ইউজিসি
এনডিএলআই-এর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করবে ইউজিসি
গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ১০০ কোটি টাকা

শেয়ার করুন