রাজারবাগ পিরের সম্পদ তদন্তের আদেশ স্থগিত করেনি চেম্বার

রাজারবাগ পিরের সম্পদ তদন্তের আদেশ স্থগিত করেনি চেম্বার

পিরের মুরিদদের কোনো জঙ্গি সম্পৃক্ততা আছে কি না, সেটি তদন্ত করতে বলা হয়েছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটকে। পাশাপাশি রিটকারীদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো হয়রানিমূলক কি না, সেটিও তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

রাজারবাগ দরবার শরিফের সম্পদের বিষয়ে তদন্ত করতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) দেয়া হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেনি আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।

বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের চেম্বার আদালত এ বিষয়ে নো অর্ডার দেয়। ফলে এ-সংক্রান্ত হাইকোর্টের আদেশ বহাল থাকল বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।

রোববার রাজারবাগ দরবারের পিরের সম্পদের বিষয়ে তদন্ত করতে দুদককে নির্দেশ দেয় বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

একই সঙ্গে পিরের মুরিদদের কোনো জঙ্গি সম্পৃক্ততা আছে কি না, সেটি তদন্ত করতে বলা হয়েছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটকে। পাশাপাশি রিটকারীদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো হয়রানিমূলক কি না, সেটিও তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

আগামী ৬০ দিনের মধ্যে এসব তদন্তের প্রতিবেদন দিতে বলেছে আদালত। এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিলে আবেদন করেন পির।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম কে রহমান। অপর দিকে ছিলেন আইনজীবী শিশির মনির।

গায়েবি মামলা দিয়ে অযথা মানুষকে হয়রানির অভিযোগে রাজারবাগ দরবার শরিফের পির দিল্লুর রহমান ও তার মুরিদদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা চেয়ে ১৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন আট ভুক্তভোগী।

এর আগে অন্যের জায়গা-জমি দখলের জন্য রাজারবাগ দরবার শরিফের পিরের কাণ্ড নিয়ে বিস্ময় জানিয়েছিল হাইকোর্ট।

মুরিদদের দিয়ে নিরীহ এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৪৯টি মামলা দেয়ার ঘটনায় সিআইডির তদন্ত রিপোর্ট দেখে আদালত এ বিস্ময় জানায়।

আরও পড়ুন:
সেই কাঞ্চনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পিরের মুরিদ মায়ের

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ডেন্টালে ভর্তির নামে প্রতারণায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র

ডেন্টালে ভর্তির নামে প্রতারণায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র

ডেন্টালসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির নামে প্রতারণা করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার জবি ছাত্র মুসা।

গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরী কমিশনের দুটি ভুয়া পরিচয়পত্র, একাধিক ভুয়া এনআইডি কার্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্রের কপি জব্দ করা হয়।

ডেন্টালের ভর্তি পরীক্ষায় চান্স পাইয়ে দেয়ার আশ্বাসে প্রতারণার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা ওয়ারী বিভাগ।

গ্রেপ্তার যুবকের নাম আবু মুসা আসারী। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের ১৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তাকে রোববার রাত সাড়ে ৮টায় গেন্ডারিয়া নারিন্দা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরী কমিশনের দুটি ভুয়া পরিচয়পত্র, একাধিক ভুয়া এনআইডি কার্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্রের কপি জব্দ করা হয়।

গোয়েন্দা ওয়ারী বিভাগের উপ-কমিশনার আশরাফ হোসেন জানান, ভুক্তভোগীর মেয়ে ১০ অক্টোবর ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাতে ফল খারাপ হয়। ১২ অক্টোবর ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর গ্রেপ্তার মুসা আসারীর সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয়। মুসা আসারী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিয়ে, ভিকটিমের মেয়ের রোল নম্বর নিয়ে তাৎক্ষণিক চেক করে জানায় যে মেয়ের পরীক্ষার রেজাল্ট ভালই হয়েছে।

ভিকটিমের মেয়ে সরকারিভাবে চান্স পেয়েছে, কিন্তু ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনিয়মের কারণে তাকে চান্স না দিয়ে অন্য কাউকে চান্স দেয়া হয়েছে। তিনি যদি মেয়েকে ডেন্টালে চান্স পাওয়াতে চান তাহলে এখন ১০ লাখ টাকা দিতে হবে। এতো টাকা নাই জানালে মুসা এখন দুই লাখ টাকা দিলে ভর্তির পর বাকিটা দিলেও কাজ হবে বলে জানায়।

ওই কর্মকর্তা বলেন, মুসার কথা বিশ্বাস না করে তখন ভিকটিমের ইমো আইডিতে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সহকারী সচিব নবিউল হাসান সামসুর পরিচয়পত্র পাঠিয়ে দেয়। সে সঙ্গে বিশ্বাসের জন্য মোবাইলে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে ফেইক চ্যাটিং স্ক্রিনশট পাঠায়। পরিচয়পত্র দেখে ভুক্তভোগী কিছুটা আশ্বস্ত হলে মুসার সঙ্গে দেখা করে দুই লাখ টাকা দেন।

তিনি জানান, টাকা দেয়ার পরের দিন মুসাকে ফোন দিয়ে রেজাল্টের বিষয়ে জানতে চাইলে জানান, আজকের মধ্যেই উপরের মহলে আরও এক লাখ টাকা দিতে হবে; না দিলে তার মেয়ের রেজাল্ট আগেরটাই থাকবে।

তখন মুসার কথাবার্তায় সন্দেহ হলে প্রতারণার শিকার হয়েছে বুঝতে পারেন। পরে গত শনিবার যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করে ভুক্তভোগীর পরিবার।

মামলাটি তদন্ত ভার দেয়া হয় গোয়েন্দা ওয়ারী বিভাগকে। তারা গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মুসাকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার মুসা এমন বেশ কিছু প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত ও লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায় মুসা।

আরও পড়ুন:
সেই কাঞ্চনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পিরের মুরিদ মায়ের

শেয়ার করুন

‘চোরাচালানের স্বর্ণ দিয়ে অস্ত্র ও মাদকের লেনদেন’

‘চোরাচালানের স্বর্ণ দিয়ে অস্ত্র ও মাদকের লেনদেন’

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ১২ কেজি ওজনের মোট ১০৪টি স্বর্ণের বার জব্দ করেছে বিমানবন্দরের কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। ছবি: নিউজবাংলা

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আব্দুর রউফ বলেন, ‘অবতরণের পর উড়োজাহাজের ভেতরে রামেজিং বা বিশেষ তল্লাশির জন্য প্রবেশ করেন শুল্ক গোয়েন্দারা। এসময় কার্গো হোল্ডের মাঝখানে তিনটি প্যাকেট খুলে ১০৪টি স্বর্ণবার পাওয়া যায়। দেশে চোরাই পথে যে স্বর্ণ আসে তার একটি বড় চালান পাশের দেশে চলে যায়। কারণ ওই দেশের মানুষের স্বর্ণের প্রতি আগ্রহ ও চাহিদা বেশি। এই স্বর্ণের বিনিময়ে অস্ত্র ও মাদকের লেনদেন হয়।’

দেশে চোরাই পথে যে স্বর্ণ আসে তার একটি বড় চালান পাশের দেশে চলে যায়। এই স্বর্ণের বিনিময়ে অস্ত্র ও মাদকের লেনদেন হয়। এ কারণে সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারায়।

সোমবার দুপুরে কাকরাইলের কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব বলেন বাহিনীটির মহাপরিচালক আব্দুর রউফ।

তিনি বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ১২ কেজি ওজনের মোট ১০৪টি স্বর্ণের বার জব্দ করেছে বিমানবন্দরের কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

রোববার রাত সোয়া ৯টায় দুবাই থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট নম্বর বিজি-৪১৪৮ থেকে এসব স্বর্ণের বার জব্দ করা হয়। তবে এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

তিনি বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানতে পারে যে, রোববার দুবাই-চট্টগ্রাম ঢাকাগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট নম্বর বিজি-৪১৪৮ এর মাধ্যমে স্বর্ণ চোরাচালান আসতে পারে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের বিভিন্ন পয়েন্টে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সতর্কতামূলক অবস্থান নেন। পরবর্তীতে দুবাই থেকে আসা বিমানের ফ্লাইটটি আনুমানিক রাত সোয়া ৯টায় হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘অবতরণের পর উড়োজাহাজের ভেতরে রামেজিং বা বিশেষ তল্লাশির জন্য প্রবেশ করেন শুল্ক গোয়েন্দারা। এসময় কার্গো হোল্ডের মাঝখানের প্রবেশ মুখের বামদিকে ফ্লোরে তিনটি কাপড়ের বেল্টের ভেতরে লুকানো কালো স্কচ টেপে মোড়ানো তিনটি প্যাকেট খুলে ১০৪টি স্বর্ণবার পাওয়া যায়। যার মোট ওজন প্রায় ১২ কেজি এবং আনুমানিক বাজার মূল্য সাড়ে আট কোটি টাকা।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে আব্দুর রউফ বলেন, দেশে প্রতি বছর স্বর্ণের চাহিদা ১৬ থেকে ২৬ টন। দেশে চোরাই পথে যে স্বর্ণ আসে তার একটি বড় চালান পাশের দেশে চলে যায়। কারণ ওই দেশের মানুষের স্বর্ণের প্রতি আগ্রহ ও চাহিদা বেশি। এই স্বর্ণের বিনিময়ে অস্ত্র ও মাদকের লেনদেন হয়। এ কারণে সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারায়।

এ ঘটনায় একটি বিভাগীয় মামলা এবং একটি ফৌজদারী মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরে (২০২১-২০২২) কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এখন পর্যন্ত ৬৬ দশমিক ৯৬ কেজি স্বর্ণ আটক করেছে যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৪৭ কোটি টাকা। গত ২০২০-২০২১ অর্থবছরে ১৭৪ দশমিক ৪৯ কেজি এবং ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ১৮০ দশমিক ৩৫ কেজি স্বর্ণ কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর আটক করে।

আরও পড়ুন:
সেই কাঞ্চনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পিরের মুরিদ মায়ের

শেয়ার করুন

দ্বিতীয় দফায় রিমান্ড শেষে কারাগারে আরজে নিরব

দ্বিতীয় দফায় রিমান্ড শেষে কারাগারে আরজে নিরব

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান কিউকমের হেড অফ সেলস (কমিউনিকেশন অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) অফিসার হুমায়ুন কবির নিরব বা আরজে নিরব। ফাইল ছবি

ঢাকার মহানগর হাকিম মাসুদ-উর-রহমানের আদালত এবার রাজধানীর লালবাগ থানায় করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় শুনানি শেষে জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে আটকে রাখার আদেশ দেয়।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান কিউকমের হেড অফ সেলস (কমিউনিকেশন অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) অফিসার হুমায়ুন কবির নিরব ওরফে আরজে নিরবকে দ্বিতীয় দফায় রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ঢাকার মহানগর হাকিম মাসুদ-উর-রহমানের আদালত এবার রাজধানীর লালবাগ থানায় করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় শুনানি শেষে জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে আটকে রাখার আদেশ দেয়।

নিরবকে ১৮ অক্টোবর দ্বিতীয় দফায় রিমান্ড আদেশ দেয় আদালত। সোমবার রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হয় তাকে।

এ দিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশনসের উপ-পুলিশ পরিদর্শক শাখাওয়াত হোসেন আরজে নিরবকে কারাগারে আটকে রাখার আবেদন করেন।

নিরবের পক্ষে নূর-এ-আলম চৌধুরী জামিন চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়।

শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আরজে নিরবের আইনজীবী তাকে কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি নিউজবাংলাকে জানান।
এ মামলায় কিউকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রিপন মিয়া দুই দিনের রিমান্ডে রয়েছেন। ১৮ অক্টোবর তার রিমান্ড আদেশ দেয় আদালত।

৬ অক্টোবর লালবাগ থানায় রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ নামে এক গ্রাহক। মামলায় অভিযোগ করেন, লোভনীয় অফার দিয়ে তিনিসহ তার আরও তিন বন্ধু মিলে কিউকম থেকে ৬৫ লাখ ৭৩ হাজার ৫৩৩ টাকার পণ্য অর্ডার করেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি তাদের পণ্য সরবরাহ করেনি।

গত ৮ অক্টোবর আরজে নিরবকে রাজধানীর আদাবর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই দিনই তেজগাঁও থানার মামলায় নিরবের এক দিনের রিমান্ড আদেশ দেয় আদালত। রিমান্ড শেষে ১০ অক্টোবর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে লালবাগ থানার মামলায় তাকে আরও একদিন রিমান্ড দেয় আদালত।

আরও পড়ুন:
সেই কাঞ্চনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পিরের মুরিদ মায়ের

শেয়ার করুন

মিরপুরে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে শ্রমিক নিহত

মিরপুরে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে শ্রমিক নিহত

নিহতের সহকর্মী জাফর মিয়া বলেন, ‘সোমবার মোল্লা মার্কেটের পাশে একটি ১২তলা নির্মাণাধীন ভবনের ছয় তলায় আমরা কাজ করছিলাম। হঠাৎ কাজ করতে করতে অসাবধানবশত নিচে পড়ে যান মনিরুল। পরে আমরা তাকে উদ্ধার করে মিরপুর ইসলামিয়া হাসপাতাল নিয়ে যাই।’

রাজধানীর মিরপুর-১২ এলাকায় মোল্লা মার্কেটের পাশে একটি ১২তলা নির্মাণাধীন ভবনের ছয় তলা পড়ে এক নির্মাণ শ্রমিক নিহত হয়েছেন।

৬০ বছর বয়সী ওই শ্রমিকের নাম মনিরুল ইসলাম। তার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জে। পেশায় রাজমিস্ত্রী মনিরুল মিরপুর-১২ এর মোল্লার বস্তি এলাকায় থাকতেন।

সহকর্মীরা জানিয়েছেন, সোমবার সকালের দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে চিকিৎসক সকাল সোয়া ১১টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের সহকর্মী জাফর মিয়া বলেন, ‘সোমবার মোল্লা মার্কেটের পাশে একটি ১২তলা নির্মাণাধীন ভবনের ছয় তলায় আমরা কাজ করছিলাম। হঠাৎ কাজ করতে করতে অসাবধানবশত নিচে পড়ে যান মনিরুল।

‘পরে আমরা তাকে উদ্ধার করে মিরপুর ইসলামিয়া হাসপাতাল নিয়ে যাই। অবস্থার অবনতি হলে পঙ্গু হাসপাতাল নিয়ে যাই। সেখান থেকে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
সেই কাঞ্চনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পিরের মুরিদ মায়ের

শেয়ার করুন

লাইসেন্সধারী ইউনানী কারখানায় ফের নকল ওষুধ

লাইসেন্সধারী ইউনানী কারখানায় ফের নকল ওষুধ

নকল ওষুধসহ গ্রেপ্তারকৃত জহির।

ওই কারখানা থেকে ২ হাজার ৫৫০ পিস ক্যাপসুল, ২৫০টি খালি কৌটা, ৫০ হাজার পিস খালি ক্যাপসুলের সেল ও এক হাজার কাগজের লেভেল জব্দ করা হয়েছে।

ইউনানী ওষুধ উৎপাদনের লাইসেন্স নিয়ে কারখানায় বানানো হয় নকল ওষুধ। এবার এমন আরও একটি কারখানার সন্ধান পেয়েছে গোয়েন্দারা।

শনিবার রাতে খিলগাঁও পূর্বনন্দী পাড়ার নেওয়াজবাগ এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল ওষুধসহ কারখানার মালিককে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের লালবাগ বিভাগ।

রোববার গ্রেপ্তারকৃত ড্রাগ ফেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের মালিক মোহাম্মদ জহিরকে আদালতে পাঠানো হলে তাকে এক দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নকল ওষুধ বানানোর কথা স্বীকার করেছেন জহির। কীভাবে, কাদের মাধ্যমে এসব ওষুদ বাজারজাত করা হয়, এ ব্যাপারে তথ্য পেয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

ডিবি লালবাগের কোতয়ালী জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার সাইফুর রহমান আজাদ জানান, গ্রেপ্তারের আগে জহির ওষুধ তৈরি ও বিক্রির জন্য ঔষধ প্রশাসনের কোনো কাগজ দেখাতে পারেননি।

বিপুল পরিমাণ নকল আয়ুর্বেদিক ওষুধ উদ্ধার সম্পর্কে ডিবি কর্মকর্তা বলেন, ‘তার কারখানা থেকে ২ হাজার ৫৫০ পিস ক্যাপসুল, ২৫০টি খালি কৌটা, ৫০ হাজার পিস খালি ক্যাপসুলের সেল ও এক হাজার কাগজের লেভেল জব্দ করা হয়েছে।’

এসব নকল ওষুধ ড্রাগ ফেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস (ইউনানী)-এর মোড়কে কার্ডোভিট মাল্টিভিটামিন অ্যান্ড মাল্টিমিনারেল নামে বাজারে সরবরাহ করা হয়। এগুলো তৈরির জন্য ঔষধ প্রশাসনের কোন অনুমোদন নেই।

ডিবি পুলিশের অভিযোগ, ইউনানি লাইসেন্সের আড়ালে নকল ওষুধ বানাচ্ছে একটি চক্র। জহিরও এই চক্রের সদস্য। এই বিপজ্জনক প্রতারণার সঙ্গে আরও যারা জড়িত তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
সেই কাঞ্চনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পিরের মুরিদ মায়ের

শেয়ার করুন

চোর চিনে ফেলায় প্রাণ হারান স্বামী-স্ত্রী

চোর চিনে ফেলায় প্রাণ হারান স্বামী-স্ত্রী

নুরুল আমিন ও তার স্ত্রী কামরুন নাহার। ছবি: সংগৃহীত

পিবিআইয়ের পরিদর্শক কবির আহমেদ জানান, চাঁদপুরের শাহরাস্তি নাওড়া এলাকায় গত ১ জুলাই সকাল ১০টার দিকে বাড়ির ছাদে পাওয়া যায় গৃহকর্তা নুরুল আমিনের মরদেহ। তার স্ত্রী কামরুন নাহারের রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায় ঘরের মেঝেতে।

বাড়ির গেট খোলা পেয়ে ভেতরে ঢুকেছিলেন পরিচিত চোর আবদুল মালেক। চিনে ফেলায় তিনি হত্যা করেন গৃহকর্তা নুরুল আমিন ও তার স্ত্রী কামরুন নাহারকে।

চাঁদপুরের শাহরাস্তির নাওড়া এলাকার জোড়া খুনের রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গ্রেপ্তার করা হয়েছে খুনে সরাসরি জড়িত আবদুল মালেক ও তার দুই সহযোগীকে।

পিবিআই জানায়, চাঁদপুরের নুরুল আমিন ও কামরুন নাহার দম্পতিকে হত্যার ঘটনায় আসামি আবদুল মালেককে শুক্রবার রাত ৮টায় লাকসাম রেলওয়ে জংশন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে মালেক জোড়া খুনের বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন।

মামলাটি তদন্ত করছেন চাঁদপুর জেলা পিবিআইয়ের পরিদর্শক কবির আহমেদ। তিনি জানান, গত ১ জুলাই সকাল ১০টার দিকে নিজ বাড়ির ছাদে পাওয়া যায় গৃহকর্তা নুরুল আমিনের মরদেহ। তার স্ত্রী কামরুন নাহারের রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায় ঘরের মেঝেতে।

খুনের ঘটনায় দম্পতির ছেলে জাকারিয়া আহমেদ বাদী হয়ে শাহরাস্তি থানায় মামলা করেন। আসামি করা হয় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের।

শাহরাস্তি থানার পুলিশ প্রায় এক মাস তদন্ত করে হত্যার উদ্দেশ্য ও খুনিদের ব্যাপারে ধারণা পায়নি। পরে বাদীর আবেদনে আদালত মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেয় পিবিআইকে।

চোর চিনে ফেলায় প্রাণ হারান স্বামী-স্ত্রী
চাঁদপুরে দম্পতি খুনের ঘটনায় পিবিআই গ্রেপ্তার করেছে আবদুল মালেক নামের আসামিকে। ছবি: সংগৃহীত

আসামি মালেককে জিজ্ঞাসাবাদের পর পিবিআই জানায়, ঘটনার রাতে নুরুল আমিনের বাড়ির গেট খোলা পেয়ে মালেক চুরি করতে ভেতরে ঢোকেন। সিঁড়ি দিয়ে উঠে ছাদে অবস্থান নেন।

রাত সাড়ে ৯টার দিকে নুরুল ছাদে উঠলে তাকে পেছন থেকে রড দিয়ে আঘাত করেন আবদুল মালেক। মাথায় আঘাত পেয়ে পড়ে যান নুরুল। তখন তার গলায় মোজা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।

এরপর মালেক ছাদ থেকে নেমে ঘরের মালামাল লুটের চেষ্টা করেন। তখন একটি ফাইল কেবিনেটের ড্রয়ার টানাটানি করলে জেগে যান কামরুন নাহার। তিনি ঘরের বাল্ব জ্বালাতেই সামনে দেখতে পান আবদুল মালেককে। মূলত চিনে ফেলার কারণে লোহার রড দিয়ে তার মাথায় আঘাত করা হয়।

কামরুন নাহার রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে গেলে আবদুল মালেক তার কানের দুল ও নুরুল আমিনের মোবাইল ফোন নিয়ে আবার ছাদে যান। হত্যায় ব্যবহার করা লোহার রড ছাদ থেকে উত্তর দিকে ছুড়ে ফেলে দেন তিনি। এরপর কাঁঠাল গাছ বেয়ে নিচে নেমে পালিয়ে যান।

পিবিআই জানায়, চুরি করা সে মোবাইল ফোনটি আবদুল মালেক বিক্রি করেছিলেন ইলিয়াছ হোসেন নামের একজনের কাছে। তাকে সহযোগিতা করেছিলেন বশির নামের আরেকজন। মালেকের সঙ্গে এ দুজনকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশের তদন্ত ব্যুরোটি আরও জানায়, জোড়া খুনের ঘটনায় আবদুল মালেকের সঙ্গে আর কারা ছিল তা জানতে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

আরও পড়ুন:
সেই কাঞ্চনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পিরের মুরিদ মায়ের

শেয়ার করুন

চালককে খুন করে ইয়াবাসেবীদের অটোরিকশা ছিনতাই

চালককে খুন করে ইয়াবাসেবীদের অটোরিকশা ছিনতাই

গ্রেপ্তারকৃত ছিনতাই চক্রের সদস্যরা। ছবি: নিউজবাংলা

গাজীপুর, টঙ্গি, পূবাইল ও পূর্বাচল এলাকায় এ ধরনের ৮-১০টি ছিনতাই চক্র সক্রিয় আছে বলে জানান র‌্যাব অধিনায়ক লে. কর্ণেল আব্দুল্লাহ আল মোমেন। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

ছিনতাই চক্রের সবাই ইয়াবা আসক্ত। ইয়াবার টাকা জোগাড় করতেই নিয়মিত ছিনতাই করে তারা।

গত ১৫ অক্টোবর রাতে গাজীপুরের কালীগঞ্জ পূর্বাচলের ফাঁকা রাস্তায় চালক সাইফুল ইসলামকে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে তার অটোরিকশা ও মোবাইল নিয়ে পালিয়ে যায় এই চক্রের সদস্যরা। পরে স্থানীয়রা নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মারা যান সাইফুল।

এ ঘটনায় শনিবার রাতে ছিনতাই চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১। এ সময় তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও ছিনতাইকৃত অটোরিকশা সহ অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- আজিজুল ইসলাম, মো. ইমন খান, মেহেদী হাসান হৃদয় প্রকাশ মাসুম, বিজয় আহম্মেদ, আলাউদ্দিন ও মো. আরজু মিয়া।

রোববার বিকেল পাঁচটায় কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-১-এর অধিনায়ক (সিও) লে. কর্ণেল আব্দুল্লাহ আল মোমেন।

তিনি বলেন, ‘গত ১৫ অক্টোবর রাতে গাজীপুর কালীগঞ্জ পূর্বাচলের ২৬ নং সেক্টরের ২০২ নং সড়কের ৫৮ নং ব্রিজ এলাকায় সাইফুল ইসলাম খুন হন। পরে নিহতের বড় ভাই শাহ আলম গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। মামলার ছায়া তদন্ত শুরু করে র‌্যাব-১। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার রাতে রাজধানীর উত্তরখান ও গাজীপুরের পূবাইল থেকে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানান, গত ১৫ অক্টোবর বিকেলে আজিজুল ইসলাম, ইমন ও পলাতক আসামী জুয়েল অটোরিকশা চালকের হাত-পা বেঁধে ও মুখে কচটেপ লাগিয়ে ইজিবাইক ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা সহযোগী বিজয় ও হৃদয় প্রকাশ মাসুমকে ফোন করে উত্তরখান ময়নারটেক এলাকায় আসতে বলেন। পরে একত্রিত হয়ে ময়নারটেক থেকে হরদি যাওয়ার জন্য সাইফুল ইসলামের অটোরিকশাটি দুইশ টাকায় ভাড়া করেন।

অটোরিকশাটি ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্রই জুয়েল ছুরি দিয়ে চালক সাইফুল ইসলামের গলায় পোচ দেন। পরে আজিজুল তার কাছে থাকা ছুরি দিয়ে এবং ইমন জুয়েলের ছুরি নিয়ে সাইফুলের শরীরের অন্যান্য স্থানেও আঘাত করেন। এসময় জুয়েল ভিকটিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নিয়ে নেন এবং তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় রাস্তায় ফেলে দেন। ইমন অটোরিকশা চালিয়ে গাজীপুরের পুবাইল মিরের বাজারে দিকে পালিয়ে যান।

জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃতরা একটি সংঘবদ্ধ অটোরিকশা ছিনতাই চক্রের সদস্য। এই চক্রের নেতা আলাউদ্দিন। অটোরিকশা চালক পরিচয়ের আড়ালে সংঘবদ্ধভাবে অটোরিকশা ছিনতাই করাই তার আসল কাজ। ১০-১২ জনের সংঘবদ্ধ দলটি রাজধানীর উত্তরখান, টঙ্গি ও গাজীপুর এলাকায় অটোরিকশা ছিনতাই করে আসছিল নিয়মিত।

চক্রের অন্যতম সদস্য আজিজুল ও আরজু ছিনতাইকৃত অটোরিকশা এবং অন্যান্য মালামাল বিক্রি করেন।

র‌্যাব-১ অধিনায়ক লে. কর্ণেল আব্দুল্লাহ আল মোমেন বলেন, ‘অল্প টাকায় চক্রের সদস্যরা ছিনতাইয়ে ভাড়ায় অংশ নেয়। এই ঘটনার আগেও তারা ৪-৫টি ছিনতাই করেছে। চক্রের সবাই মাদকসেবী। তারা ইয়াবার টাকা ও হাত খরচ জোগাতেই নিয়মিত ছিনতাই করে।’

মোমেন জানান, খুব অল্প দামে কয়েক হাত বদলে ছিনতাই করা অটোরিকশা বিক্রি করে চক্রটি। সর্বশেষ অটোরিকশাটি তারা ৬০ হাজার টাকার চুক্তিতে ছিনতাই করলেও এটি বিক্রি করেছিল মাত্র ২০ হাজার টাকায়।

তিনি বলেন, ‘যেহেতু অটোরিকশার কোনো রেজিস্ট্রেশন নম্বর নেই। তাই ছিনতাই হলেও এই বাহন খুঁজে বের করা খুব কঠিন। অটোরিকশার ব্যাটারির দাম বেশি। চক্রের নেতা আলাউদ্দিন এসব ব্যাটারি বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে দেয়।’

গাজীপুর, টঙ্গি, পূবাইল ও পূর্বাচল এলাকায় এ ধরনের ৮-১০টি ছিনতাই চক্র সক্রিয় আছে বলেও জানান র‌্যাব অধিনায়ক। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

আরও পড়ুন:
সেই কাঞ্চনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পিরের মুরিদ মায়ের

শেয়ার করুন