ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইনমন্ত্রী

জনগণের চাওয়া অনুযায়ী ভোটের পরিবেশ

জনগণের চাওয়া অনুযায়ী ভোটের পরিবেশ

আখাউড়া উপজেলা পরিষদ মাঠে বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের জনসভায় বক্তব্য দেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। ছবি: নিউজবাংলা

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। ভোট দিয়ে প্রমাণ করতে হবে, আপনারা গণতন্ত্র চান। ভোটের জন্য জনগণ যেভাবে চায় সেভাবে পরিবেশ করে দেয়া হবে।’

আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগণ যেভাবে চায় ভোটের পরিবেশ সেভাবে করে দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা পরিষদ মাঠে আওয়ামী লীগের জনসভায় তিনি এ আশ্বাস দেন।

উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন, সেতু ও সড়ক নির্মাণসহ ৩৮টি প্রকল্পের উদ্বোধন উপলক্ষে এ জনসভার আয়োজন করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। ভোট দিয়ে প্রমাণ করতে হবে, আপনারা গণতন্ত্র চান। ভোটের জন্য জনগণ যেভাবে চায় সেভাবে পরিবেশ করে দেয়া হবে।’

সমাবেশে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘ষড়যন্ত্রে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হারিয়েছি। আর ষড়যন্ত্র করতে দেয়া হবে না। সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা হবে।’

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে মানবিক কারণে বাসায় দেয়া হয়েছে। তিনি কোভিড আক্রান্ত হলে চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে যান। ডাক্তাররা ওনাকে (খালেদা জিয়া) ভালো করেছেন।

‘বিএনপি এখনও বলছে আমরা নাকি ভয় পাই। তাই খালেদা জিয়াকে বিদেশ যেতে দেই না। দেশের চিকিৎসায় যদি তিনি ভালো হন, তাহলে কেন বিদেশ যাবেন। আমরা যদি দেশেই মানুষকে সুস্থ করতে পারি, তাহলে বিদেশে যাওয়ার কি দরকার আছে, আপনারাই বলেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘লকডাউনে যারা ঘর থেকে বের হতে পারেননি, সবার জন্য প্রণোদনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সবার জন্য এক লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকার বেশি প্রণোদনা দেয়া হয়েছে।’

জনসভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ জয়নাল আবেদীন।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন আখাউড়া পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আক্তার, বীর মুক্তিযোদ্ধা জমসেদ শাহ্, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান পিয়ারা আক্তার পিওনা, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাব উদ্দিন বেগ শাপলু ও সাধারণ সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন নয়ন।

উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, মন্ত্রীর একান্ত সচিব নূর কুতুবুল আলম, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফিরোজুর রহমান, কসবা উপজেলা চেয়ারম্যান রাশেদুল কায়সার ভূঁইয়া জীবনসহ অনেকে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

শোবার ঘরে আগুন: ভাইয়ের পর বোনের মৃত্যু

শোবার ঘরে আগুন: ভাইয়ের পর বোনের মৃত্যু

অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত দুই ভাইবোন। ছবি: নিউজবাংলা

শ্রীনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কামরুল ইসলাম জানান, খাদিজা ও আয়েশাকে ঢাকায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। সেখানেই মঙ্গলবার রাতে চার বছর বয়সী আয়েশার মৃত্যু হয়। তার মা এখনও সেখানে চিকিৎসাধীন।

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে তিনতলা একটি ভবনে অগ্নিদগ্ধ হয়ে ভাইয়ের পর বোনেরও মৃত্যু হয়েছে।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে মারা যায় আয়েশা।

শ্রীনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কামরুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, শ্রীনগর উপজেলার কুকুটিয়া ইউনিয়নের পূর্ব মুন্সীয়া গ্রামে সোমবার রাত ৯টার দিকে তিনতলা একটি বাড়ির তৃতীয় তলায় শোবার ঘরে আগুন লাগে। ধোঁয়া দেখে ও চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ঘরের দরজা ভেঙে খাদিজা আক্তার মিম ও তার দুই সন্তানকে উদ্ধার করে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। চিকিৎসক এক বছর বয়সী আয়াতকে মৃত ঘোষণা করেন।

খাদিজা ও আয়েশাকে ঢাকায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। সেখানেই মঙ্গলবার রাতে চার বছর বয়সী আয়েশার মৃত্যু হয়। তার মা এখনও সেখানে চিকিৎসাধীন।

পরিদর্শক কামরুল ইসলাম জানান, মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত। এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি।

শেয়ার করুন

গাঁজা-হেরোইনসহ গ্রেপ্তার ‘কারবারি’ কারাগারে

গাঁজা-হেরোইনসহ গ্রেপ্তার ‘কারবারি’ কারাগারে

গাঁজা ও হেরোইনসহ গ্রেপ্তার রতন মিয়া। ছবি: নিউজবাংলা

কোতোয়ালি থানাধীন ১ নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব রহমান জানান, রতন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারে জড়িত। নিজে সেবনের পাশাপাশি তিনি গাঁজা ও হেরোইন বিক্রি করেন।

ময়মনসিংহ সদরে মাদকসহ গ্রেপ্তার এক কারবারিকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

ময়মনসিংহ মূখ্য বিচারিক হাকিমের ১ নম্বর আমলি আদালতে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে তোলা হলে বিচারক আব্দুল হাই তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

যাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে তার নাম রতন মিয়া। ৫০ বছর বয়সী রতনের বাড়ি মালগুদাম রেলওয়ে কলোনি এলাকায়।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আদালত পরিদর্শক প্রসূন কান্তি দাস।

তিনি জানান, আদালতে পুলিশ পাঁচ দিনের রিমান্ড চাইলে, বিচারক আগামী বৃহস্পতিবার শুনানির দিন নির্ধারণ করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

কোতোয়ালি থানাধীন ১ নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব রহমান জানান, রতন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারে জড়িত। নিজে সেবনের পাশাপাশি তিনি গাঁজা ও হেরোইন বিক্রি করেন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাত ১টার দিকে রেলওয়ে কলোনি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে জব্দ হয় ১৪ কেজি গাঁজা ও ২০ গ্রাম হেরোইন। পরে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে তোলা হলে, বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

শেয়ার করুন

আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীর তালিকায় ‘বিএনপি নেতা’

আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীর তালিকায় ‘বিএনপি নেতা’

কুড়িগ্রামর নাগেশ্বরী উপজেলা কালীগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপি সদস্যের তালিকায় আফতারুজ্জামান বাবুলের নাম। ছবি: নিউজবাংলা

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা-কর্মীর অভিযোগ, আফতারুজ্জামান বাবুল ইউনিয়ন বিএনপির সক্রিয় সদস্য। তবে বাবুলের দাবি, সব অভিযোগ মিথ্যা। এ ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

কুড়িগ্রামর নাগেশ্বরী উপজেলায় তৃতীয় দফার ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীর তালিকায় স্থান পেয়েছেন বিএনপির এক সদস্য।

এটি বাতিলের জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগ বরাবর আবেদন করেছেন তালিকায় থাকা দ্বিতীয় ব্যক্তি।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা-কর্মীর অভিযোগ, আফতারুজ্জামান বাবুল ইউনিয়ন বিএনপির সক্রিয় সদস্য। তবে বাবুলের দাবি, সব অভিযোগ মিথ্যা।

নেতা-কর্মী জানান, গত ১৭ অক্টোবর উপজেলার কালীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী বাছাইয়ে সভা হয়।

এতে তৃণমূলের রায়ে ১৪ ভোট পেয়ে আফতারুজ্জামান বাবুল প্রথম হন। ১২ ভোট পেয়ে ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি জুলফিকার আলী সর্দার বাবু দ্বিতীয় ও ৭ ভোট পেয়ে তৃতীয় হন নুর ইসলাম মিয়া।

এ ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আজিজুর রহমান বলেন, ‘এর জন্য দায়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্তমান নেতৃত্ব। এটি কোনোভাবে মেনে নেয়ার মতো না।

‘ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পরোক্ষ ইশারায় বিএনপির সক্রিয় সদস্য আওয়ামী লীগের মনোনয়নে স্থান পেয়েছে। এতে আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। আমরা ওই তালিকা থেকে আফতারুজ্জামান বাবুলের নাম বাদ দেয়ার আবেদন জানাচ্ছি।’

ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সহসভাপতি জুলফিকার আলী সর্দার বাবু বলেন, ‘বাবুল কালীগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির ১৪ নম্বর সদস্য। বিষয়টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ভালো করেই জানে। তারা সেদিন বর্ধিত সভায় চুপ থেকে তাকে প্রার্থী বাছাইয়ে অংশ নায়ের সুযোগ করে দিয়েছে।

‘সেদিন হাউসের অনেককে ম্যানেজ করে বিতর্কিত ওই ব্যক্তি তৃণমূলর রায় তার পক্ষ নেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এর প্রতিবাদে আমি ওই তালিকা থেকে বাবুলর নাম কেটে পরীক্ষিত আওয়ামী লীগ সমর্থকদের নাম দেয়ার জন্য ১৮ অক্টোবর উপজেলা আওয়ামী লীগ বরাবর লিখিত আবেদন করেছি।’

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আফজালুল হক খোকা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘বাবুল বিএনপির সদস্য হয়ে থাকলে তার নাম আওয়ামী লীগে কীভাবে এসেছে, সেটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আগের সভাপতি ও সম্পাদক ভালো জানেন।

‘আমরা এর জন্য দায়ী নই। বর্তমানে তার নাম ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগে আছে। আর এ কারণেই তিনি দলীয় প্রার্থী হতে চেষ্টা চালিয়েছেন।’

আফতারুজ্জামান বাবুল বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আমি জীবনে কোনো দিন বিএনপি করিনি। বিএনপির তালিকায় কীভাবে নাম গেল, সেটা আমার জানা নেই। ছাত্রলীগের মাধ্যমে আমার রাজনৈতিক জীবন শুরু। ২০১৭ সালে আমি আওয়ামী লীগের গ্রাম কমিটির সদস্য হই। ২০১৮ সালে আমি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগে অন্তর্ভুক্ত হই।’

কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য আছলাম হোসেন সওদাগর বলেন, ‘আফতারুজ্জামান বাবুলকে আমি আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবেই চিনি। তিনি ছাত্রলীগ করেছে। ২০০২ সালে তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর ছিল।’

শেয়ার করুন

‘তুলে নিয়ে বিয়ে’, তরুণীর যন্ত্রণায় বাড়িছাড়া গোটা পরিবার

‘তুলে নিয়ে বিয়ে’, তরুণীর যন্ত্রণায় বাড়িছাড়া গোটা পরিবার

নাজমুল বলেন, ‘বর্তমানে আমি পালিয়ে বেড়াচ্ছি। বাড়িতেও যেতে পারছি না। ইশরাত গত কয়েক দিন ধরে আমার বাড়িতে অবস্থান করে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করায় আমার মা-বাবাও সেখানে থাকতে পারছেন না। সামাজিকভাবে আমি হেয় হচ্ছি। সামনে আমার পরীক্ষা, ঠিকভাবে পড়াশোনাও করতে পারছি না। ক্রমশই আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছি।’

পটুয়াখালীতে ‘জোর করে তুলে নিয়ে’ বিয়ে করার ঘটনায় পাত্রী ইশরাত জাহান পাখির বিরুদ্ধে বেপরোয়া আচরণের অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী নাজমুল আকন। তার অভিযোগ, মেয়েটি এখন তার বাসায় গিয়ে অবস্থান করছেন। এ কারণে তার বাবা-মা বাসায় থাকতে পারছেন না।

স্ত্রীর ‘স্বীকৃতির দাবিতে’ তিন দিন ধরে পাত্রের বাড়িতে অবস্থান করছেন পাখি। কিন্তু নাজমুল এতে কোনোভাবেই রাজি নন। তিনিও বাবা-মায়ের মতোই বাসায় থাকছেন না।

এ ঘটনায় অপহরণ ও জোর করে বিয়ে করার অভিযোগে নাজমুলের করা মামলাটির তদন্ত করছে সদর থানার পুলিশ।

তবে মেয়েটির দাবি, তিনি তুলে নিয়ে বিয়ে করেননি। বিয়ে হয়েছে দুজনের সম্মতিতে। ঝামেলা হয়েছে দেনমোহরের টাকা নিয়ে। এখন নাজমুল উল্টো কথা বলছেন।

নাজমুল পটুয়াখালী সরকারি কলেজের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী। আর ইশরাত জাহান পাখি একই উপজেলার গাজীপুর গ্রামের বাসিন্দা।

নাজমুল যা বলছেন

এই তরুণ জানান, কয়েক মাস ধরে তাকে মেসেঞ্জারে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন পাখি। কিন্তু রাজি হননি তিনি। একপর্যায়ে তাকে বিয়ের প্রস্তাবও দেয়া হয়। তাতেও রাজি ছিলেন না নাজমুল।

একপর্যায়ে গত ২৭ সেপ্টেম্বর সাত থেকে আটজন পুরুষ শহরের লঞ্চঘাট এলাকা থেকে নাজমুলকে তুলে নিয়ে যান। অজ্ঞাত এক স্থানে নিয়ে জোর করে কাবিননামায় সই রেখে দেন।

নাজমুল বলেন, ‘আমাকে জোর করে মিষ্টি খাওয়ানোর চেষ্টা করা হয়। পরে সেখান থেকে ছেড়ে দেয়া হয়। কিছুদিন পরে মিষ্টি খাওয়ানো আর সই নেয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেড়ে দেয়া হয়। এতে আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি। একপর্যায়ে আইনের আশ্রায় গ্রহণ করি।’

গত ৩ অক্টোবর পটুয়াখালীর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে পাখির বিরুদ্ধে অপহরণ ও জোর করে সই রাখার অভিযোগ এনে মামলা করেন এই তরুণ। মামলায় ইশরাতসহ আরও ৬ থেকে ৭ জনকে আসামি করা হয়।

নাজমুল বলেন, ‘বর্তমানে আমি পালিয়ে বেড়াচ্ছি। বাড়িতেও যেতে পারছি না। ইশরাত গত কয়েক দিন ধরে আমার বাড়িতে অবস্থান করে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করায় আমার মা-বাবাও সেখানে থাকতে পারছেন না।

‘সামাজিকভাবে আমি হেয় হচ্ছি। সামনে আমার পরীক্ষা, ঠিকভাবে পড়াশোনাও করতে পারছি না। ক্রমশই আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছি।’

পাখির দাবি অভিযোগ মিথ্যা

নাজমুল যে অভিযোগ করেছেন, তা পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন পাখি। তার দাবি, নাজমুলের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক। তার ইচ্ছাতেই বিয়ে হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘যতটুকু ঝামেলা হয়েছে তা শুধু কাবিননামার টাকা নিয়ে। আমিসহ আমার বড় ভাইদের দাবি ছিল কাবিন ৫ লাখ টাকা হবে। আর নাজমুল চেয়েছে, কাবিন ৫০ হাজার টাকা হবে। এ বিষয়টি নিয়ে সামান্য একটি ঝামেলা হয়েছে, যেটা ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে।’

ইশরাত বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে মামলা করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। কারণ গত ২৭ তারিখ আমাদের বিয়ে হয়েছে ঢাকাতে বসে। আর ২৭ তারিখ আমি নাকি ওকে (নাজমুল) পটুয়াখালী শহর থেকে অপহরণ করেছি। এক দিনে আমি দুই জায়গায় থাকি কীভাবে?’

নাজমুলের বাসায় থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তিন দিন ধরে আমি আমার স্বামীর বাড়ি (পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার গাজীপুর গ্রামে) বাড়িতে অবস্থান করছি। আমিই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’

কেন নিরাপত্তাহীনতা- এই প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। বিয়ের পর জানতে পারি নাজমুলের সঙ্গে একাধিক মেয়ের সম্পর্ক রয়েছে। সে আমার জীবনটাকে তছনছ করে ফেলেছে।’

নাজমুল অবশ্য পাখির সব বক্তব্য অস্বীকার করে তার আগের অভিযোগেই অটল থাকেন। তিনি আশা করছেন, পুলিশের প্রতিবেদন ও আদালতের মাধ্যমে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

আইনজীবী যা বলছেন

নাজমুলের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘আশা করি পুলিশের তদন্ত রিপোর্টের পর আমরা সঠিক ও ন্যায়বিচার পাব।’

তিনি বলেন, ‘নাজমুল আর ইশরাতের মধ্যে যদি প্রেমের সম্পর্ক থেকেই থাকে, তবে সেটা পারিবারিকভাবে সমাধান করা উচিত ছিল। এভাবে ভিডিও করে সেটা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেড়ে দিয়ে তাদের উভয়ের ভবিষ্যতের জন্য হুমকি বয়ে এনেছে।’

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, মামলা গ্রহণ করে একজন কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। গত দুই দিন ধরে তিনি তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছেন। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা কবে।

শেয়ার করুন

মন্দিরে হামলা: ফেনীতে আরেক মামলা, গ্রেপ্তার আরও ৬

মন্দিরে হামলা: ফেনীতে আরেক মামলা, গ্রেপ্তার আরও ৬

ট্রাংক রোডের জয়কালি মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার দাস ফেনী মডেল থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ২৫০ জনের বিরুদ্ধে সোমবার রাতে মামলা করেন।

ফেনী শহরের কালীপাল গাজীগঞ্জ মহাপ্রভুর আশ্রম, ট্রাংক রোড ও বড় বাজারের কালী মন্দিরে হামলা-ভাংচুরের ঘটনায় মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে।

মন্দিরে হামলা-ভাংচুরের মামলায় আরও ছয় জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত ৬ জনকে মঙ্গলবার ফেনীর আদালতে নিলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

ট্রাংক রোডের জয়কালি মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার দাস ফেনী মডেল থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ২৫০ জনের বিরুদ্ধে সোমবার রাতে এ মামলা করেন।

পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে আসামি আবদুল্লাহ আল মিয়াজীকে গ্রেপ্তার করে। তিনি ফেনী পৌরসভার শাহীন একাডেমি রোডের মনু ভিলায় থাকেন। ২১ বছর বয়সী আবদুল্লাহ নোয়াখালীর সেনবাগের লদুয়া কানকির হাট এলাকার বাসিন্দা।

গ্রেপ্তার অপর ৫ জনের মধ্যে ফেনী থানা পুলিশের করা দুই মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন ৪ জন। তারা হলেন লক্ষ্মীপুর সদরের মাওলানা পাড়ার মো. সোহেল, বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জের কাকড়াতলীর মো. রোমান শেখ, ফেনী সদরের পাঁচগাছিয়া কটুমিয়া ভূঁঞা বাড়ির মোয়াজ্জেম হোসেন ও সাইফুল ইসলাম।

একই ঘটনায় র‌্যাবের মামলার আসামি ফেনী সদরের লেমুয়ার মেহেদী হাসান মুন্নাকে জেলা ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

শনিবার রাতে ফেনীতে মন্দির, আশ্রম ও দোকানপাটে হামলা-ভাংচুরের ঘটনায় ৪ মামলায় এ নিয়ে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান ফেনী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনির হোসেন।

তিনি জানান, গত সোমবার ফেনীর বিচারিক হাকিম আদালতে নেয়া ৬ জনকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। তাদের রিমান্ড শুনানি আগামী সোমবার হবে।

অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা মনির।

শনিবার বিকালে আসর নামাজ শেষে ফেনী বড় জামে মসজিদের সামনে অবস্থান করছিলেন মুসল্লিরা। একই সময়ে কালী বাড়ি মন্দিরের সামনে প্রতিবাদ সভা ও শহীদ মিনারে মানববন্ধনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা। একপর্যায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।

দফায় দফায় সংঘর্ষে পুলিশ কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী, যুবলীগ-ছাত্রলীগকর্মীসহ সাধারণ পথচারী, সিএনজি অটোরিকশা চালকসহ অন্তত ২৯ জন আহত হন। তখন ফেনীর কেন্দ্রীয় জয়কালী মন্দির, রাজকালী মন্দির ও গাজীগঞ্জে মহাপ্রভুর আশ্রমে ব্যাপক ভাঙচুর করা। এছাড়া ফেনী শহরের ১৫টি দোকানও লুটপাট করে হামলাকারীরা।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনে ভারতীয় সহকারী কমিশনার

ফেনীতে মন্দির, দোকানপাটে হামলা-ভাংচুরের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ভারতীয় সহকারী কমিশনার অনিন্দ্য ব্যানার্জী।

মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে তিনি শহরের কেন্দ্রীয় জয়কালী মন্দির, বড় বাজারের রাজকালী মন্দির, জগন্নাথ মন্দির ও হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত দোকানপাটে পরিদর্শন করেন অনিন্দ্য ব্যানার্জী।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। তা এখনও আছে, ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে। ভারত সবসময় বাংলাদেশের মঙ্গল কামনা করে।

হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় কোনো বক্তব্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থোয়াই অংপ্রু মারমা, জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি শুকদেব নাথ তপন, সাধারণ সম্পাদক লিটন সাহা, পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অনিল নাথসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা।

আওয়ামী লীগের শান্তি-সম্প্রীতি সমাবেশ

সাম্প্রদায়িক সংঘাতের প্রতিবাদে ফেনীতে শান্তি ও সম্প্রীতি সমাবেশ করেছে জেলা আওয়ামী লীগ।

মঙ্গলবার দুপুরে ফেনী পৌর মিলনায়তন থেকে শোভাযাত্রা বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে। পরে শহরের ট্রাংক রোডে শহীদ মিনার মিলনায়তনে সমাবেশ হয়।

জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাফেজ আহম্মদের সভাপতিত্বে ও দপ্তর সম্পাদক শহীদ খোন্দকারের সঞ্চালনায় সমাবেশ হয়।

বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুল বাসার তপন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শুসেন চন্দ্র শীল, দাগনভূঞা উপজেলা চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতন, ফেনী পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ফিরোজ আহমদসহ অনেকে।

জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুল বলেন, ‘একটি পক্ষ দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তাদের অশুভ এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না। প্রশাসন দুষ্কৃতিকারীদের চিহ্নিত করছে। সবাকে আইনের আওতায় আনা হবে।’

শেয়ার করুন

দেশকে অকার্যকর করতেই সাম্প্রদায়িক নৈরাজ্য: মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী

দেশকে অকার্যকর করতেই সাম্প্রদায়িক নৈরাজ্য: মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। ছবি:নিউজবাংলা

মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তিরা এমন কাজ করছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।’  

দেশকে পাকিস্তানের মতো অকার্যকর করতেই সাম্প্রদায়িক নৈরাজ্য সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

গাজীপুরে সার্কিট হাউজে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কালেক্টরেট হাই স্কুলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে এ মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘দেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তিরা এমন কাজ করছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।’

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল ও জেলা প্রশাসক এস এম তরিকুল ইসলাম।

শেয়ার করুন

বরিশালে ৯৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত

বরিশালে ৯৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত

ব‌রিশা‌লে টানা বৃষ্টিপাতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

ব‌রিশা‌লে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অ‌ফিস। বৃষ্টির কারণে কা‌জের উ‌দ্দে‌শে বের হওয়া মানুষ‌কে ভোগা‌ন্তি‌তে পড়‌তে হয়। জলাবদ্ধতার শিকার হ‌য়ে ক্ষোভ প্রকাশ ক‌রে‌ছেন নগরবাসী।

উপকূলীয় এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের প্রভাবে বরিশালে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। টানা বৃ‌ষ্টিতে নগরীর বে‌শির ভাগ সড়‌কেই জলাবদ্ধতার সৃ‌ষ্টি হ‌য়ে‌ছে। এ‌তে ভোগা‌ন্তি‌তে প‌ড়ে‌ছেন সাধারণ মানুষ।

ব‌রিশা‌লে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অ‌ফিস।

এদি‌কে নগরীর বগুড়া রোড, আগরপুর রোড, সদর রোড, পলাশপুর, ক‌লেজ অ্যাভি‌নিউ, বটতলা, ভা‌টিখানাসহ বি‌ভিন্ন এলাকার মূল সড়ক ও গ‌লি‌তে জলাবদ্ধতার সৃ‌ষ্টি হ‌য়ে‌ছে।

কা‌জের উ‌দ্দে‌শে বের হওয়া মানুষ‌কে ভোগা‌ন্তি‌তে পড়‌তে হয়। জলাবদ্ধতার শিকার হ‌য়ে ক্ষোভ প্রকাশ ক‌রে‌ছেন নগরবাসী। টানা বৃ‌ষ্টিতে রাস্তাঘাটও ছিল ফাঁকা। ড্রেনগু‌লো পরিষ্কার রাখার দাবি জানান নগরবাসী।

গোরস্থান রোড এলাকার বা‌সিন্দা শা‌কিল আহ‌ম্মেদ ব‌লেন, ‘সকাল থে‌কে মুষলধা‌রে বৃ‌ষ্টি‌তে ঘর থে‌কে বের হতে পা‌রি‌নি। ব‌্যাং‌কে কাজ ছি‌ল। ঘর থে‌কে বের হওয়ার সময় দে‌খি রাস্তায় হাঁটুপা‌নি।’

ক‌লেজ অ্যাভি‌নিউ এলাকার বা‌সিন্দা রা‌সেল হো‌সেন ব‌লেন, ‘রাস্তায় পা‌নি ছি‌ল প্রচুর। অ‌ফি‌সে যে‌তে পা‌রি‌নি। মোটরসাই‌কে‌লের সাই‌লেন্সা‌রে পা‌নি ঢু‌কে যাওয়ায় কা‌জে যাওয়া সম্ভব হয়‌নি। ড্রেনগু‌লো ঠিকমতো প‌রিষ্কার রাখ‌লে এমন সমস‌্যা হ‌তো না।’

বরিশাল আবহাওয়া অফিসের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক মাসুদ রানা রুবেল জানান, বরিশালে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। বাতা‌সের গতি‌বেগ স্বাভাবিক র‌য়ে‌ছে। সমুদ্রবন্দ‌রে ৩ নম্বর ও নদীবন্দ‌রে ১ নম্বর সং‌কেত র‌য়ে‌ছে।

বৃ‌ষ্টিপাত আরও কিছু‌দিন থাক‌তে পা‌রে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন