উপস্থিতি নিয়ে শিক্ষার্থীকে চাপ দেয়া যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী

উপস্থিতি নিয়ে শিক্ষার্থীকে চাপ দেয়া যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী

১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয়েছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো

মন্ত্রী বলেন, ‘করোনা এমন একটি বিষয় যেকোনো জায়গায় যে কেউ আক্রান্ত হতে পারে। আমরা সার্বক্ষণিক মনিটরিংটা রাখছি।’

শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিয়ে চাপ না দিয়ে কেন সে উপস্থিত হয়নি, তা খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ডা. জোহরা কাজীর উদ্যোগে স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ অনুষ্ঠান শেষে তিনি এ আহ্বান জানান।

দীপু মনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিয়ে চাপ দেয়া যাবে না। দেখতে হবে সে কেন উপস্থিত হলো না। কোনোভাবেই জোর করা যাবে না। কারণ কোনো শিক্ষার্থী শ্রেণিকক্ষে পাঠ গ্রহণ না করতে পারলেও তার জন্য অনলাইন ও টিভিতে এখনো ক্লাস চালু আছে।’

করোনার উপসর্গ নিয়ে মানিকগঞ্জের স্কুলছাত্রীর মৃত্যুর বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়টি অবশ্যই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় দেখছে। আমরা মানিকগঞ্জের যে তথ্যটি পেয়েছিলাম, সেখানকার সব শিক্ষার্থীর করোনা টেস্ট করা হয়েছে এবং সবার ফল নেগেটিভ এসেছে।’

গত ২২ সেপ্টেম্বর করোনা উপসর্গ নিয়ে মানিকগঞ্জের সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুবর্ণা ইসলাম রোদেলা (১৪) ঢাকায় নেয়ার পথে মারা যায়।

এ ছাড়া গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ফেরধারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী তিনা খানম করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এ ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন স্কুলের ওই শ্রেণি ১৪ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে ওই শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘করোনা এমন একটি বিষয় যেকোনো জায়গায় যে কেউ আক্রান্ত হতে পারে। আমরা সার্বক্ষণিক মনিটরিংটা রাখছি।’

সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের বাড়িতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসার পথে করোনা সংক্রমণ হতে পারে। আমরা এ বিষয়ে সতর্ক আছি। কোথাও এমন কিছু ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে কন্ট্রাক্ট ট্রেসিং করা হবে। তবে আশার কথা, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখন পর্যন্ত এমন ঘটনা ঘটেনি।’

দীপু মনি বলেন, ‘আমাদের সবাইকে চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। আমরা অভিভাবকদেরও বলেছি। কোনো শিক্ষার্থীর বিন্দু পরিমাণ উপসর্গও যদি থাকে বা তার বাড়িতে কারও উপসর্গ থাকে, তাহলে শিক্ষার্থীকে স্কুলে পাঠানো যাবে না।’

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। দেড় বছর পর গত ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয়েছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

আরও পড়ুন:
শিক্ষামন্ত্রীর জন্য শিক্ষার্থীদের দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা
স্টোররুমকে শ্রেণিকক্ষ ভেবে অধ্যক্ষকে শোকজ
স্কুলে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী
‘শিক্ষায় অনেক ভাগ, এক জায়গায় নিয়ে আসার চেষ্টা করছি’
‘টিকা নিশ্চিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে চাই’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

টিকার অভাবে আগামী বছরও থাকবে করোনা

টিকার অভাবে আগামী বছরও থাকবে করোনা

টিকার বণ্টন সুষম না হওয়ায় আগামী বছরও করোনা থাকবে বলে জানায় ডব্লিউএইচও। ছবি: এএফপি

আরও টিকা মজুত করা থেকে বিরত থাকতে ধনী দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ডব্লিউএইচও কর্মকর্তা আইলওয়ার্ড। তার ভাষ্য, এতে করে সর্বনিম্ন আয়ের দেশগুলোকে টিকা দেয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিতে সক্ষম হবে ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো।

দরিদ্র দেশগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা না পাওয়ায় আগামী বছরেও ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব থাকবে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

ডব্লিউএইচওর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ড. ব্রুস আইলওয়ার্ডের বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, টিকার বণ্টন সুষম না হওয়ায় আরও এক বছর অর্থাৎ আগামী বছরও করোনা মহামারি থেকে মুক্তি মিলবে না মানুষের।

বিবিসি জানিয়েছে, আফ্রিকা মহাদেশের পাঁচ শতাংশেরও কম জনগোষ্ঠী টিকা পেয়েছে। আফ্রিকা ছাড়া অন্যান্য বেশির ভাগ মহাদেশের ৪০ শতাংশ মানুষ টিকার আওতায় এসেছে।

এখন পর্যন্ত এক কোটির বেশি করোনা টিকা বিভিন্ন দেশকে পাঠিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। ১০ কোটি টিকা বিভিন্ন দেশে সরবরাহের অঙ্গীকার করেছিল দেশটি।

আরও টিকা মজুত করা থেকে বিরত থাকতে ধনী দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ডব্লিউএইচও কর্মকর্তা আইলওয়ার্ড। তার ভাষ্য, এতে করে সর্বনিম্ন আয়ের দেশগুলোকে টিকা দেয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিতে সক্ষম হবে ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো।

চলতি বছরে যুক্তরাজ্যের সেন্ট আইভস শহরে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে দরিদ্র দেশগুলোকে টিকাদানের অঙ্গীকার করেছিল বিশ্বের ধনী দেশগুলো।

জি-৭ ভুক্ত দেশগুলোর উদ্দেশে আইলওয়ার্ড বলেন, ‘দরিদ্র দেশগুলোতে আপনাদের টিকা সরবরাহের গতি আরও বাড়াতে হবে। নয়তো অহেতুক আগামী বছরেও করোনা মহামারি দেখবে বিশ্ব।’

দাতব্য সংস্থা পিপলস ভ্যাক্সিনের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বড় ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ও ধনী দেশগুলো এখন পর্যন্ত করোনার সাতটি ডোজের মধ্যে মাত্র একটি ডোজ দরিদ্র দেশগুলোতে পাঠিয়েছে।

করোনা টিকার বড় অংশই উচ্চ বা উচ্চ-মধ্য আয়ের দেশগুলো পেয়েছে।

অক্সফাম, ইউএনএআইডিসহ বিশ্বের অন্যান্য দাতব্য সংস্থা কানাডা ও যুক্তরাজ্যের সমালোচনা করে বলেছে, করোনার টিকা বণ্টনের বৈশ্বিক উদ্যোগ কোভ্যাক্সের মাধ্যমে ওই দুটি দেশ শুধু নিজেদের জনগোষ্ঠীর জন্যই পর্যাপ্ত পরিমাণে টিকা মজুত করেছে। বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর কথা তারা ভাবেনি।

বিভিন্ন পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের শুরুতে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে যুক্তরাজ্য ফাইজারের ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৩৭০ ডোজ পেয়েছে। অন্যদিকে কানাডা পেয়েছে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ১০ লাখ ডোজ।

ধনী-গরিব মিলে বিশ্বের সব দেশ যাতে করোনা টিকার সমান ভাগ পায় এবং টিকা পেতে কোনো ধরনের বৈষম্য যেন না হয়, সেই লক্ষ্যে জাতিসংঘের উদ্যোগে কোভ্যাক্স গঠন করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন:
শিক্ষামন্ত্রীর জন্য শিক্ষার্থীদের দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা
স্টোররুমকে শ্রেণিকক্ষ ভেবে অধ্যক্ষকে শোকজ
স্কুলে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী
‘শিক্ষায় অনেক ভাগ, এক জায়গায় নিয়ে আসার চেষ্টা করছি’
‘টিকা নিশ্চিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে চাই’

শেয়ার করুন

দেড় বছর পর করোনায় মৃত্যুশূন্য ঢাকা

দেড় বছর পর করোনায় মৃত্যুশূন্য ঢাকা

সংক্রমণের উদ্বেগজনক দিনগুলোতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে করোনা আক্রান্ত রোগীকে হাসপাতালের ভেতরে নিয়ে যাচ্ছেন স্বজনরা। ফাইল ছবি

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী, নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার টানা দুই সপ্তাহ ৫ শতাংশের নিচে থাকলে কোনো দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে ধরা হয়। সে হিসেবে বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে।

দেশে করোনাভাইরাস ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। এর ১০ দিন পর রাজধানী ঢাকায় প্রথম মৃত্যুর সংবাদ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, দেশে করোনা সংক্রমণে প্রথম মৃত্যুর অর্ধমাস পর ২০২০ সালের ৩ এপ্রিল মৃত্যুহীন ছিল দেশ। এরপর থেকে প্রতিদিনই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এসব মৃত্যুর বেশির ভাগই হয়েছে ঢাকায়।

চলতি বছর ভারতীয় ধরন শনাক্ত হওয়ার পর সীমান্ত এলাকায় মৃত্যুর সংখ্যা বাড়লেও ধীরে ধীরে আবারও সর্বোচ্চ মৃত্যুর স্থানে পরিণত হয় রাজধানী।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে করোনায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। এ সময়ে সর্বোচ্চ ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ ছাড়া রাজশাহীতে ২ জন ও খুলনায় ১ আরও একজনের মৃত্যু হয়। তাদের সবাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দেড় বছর পর এদিন মৃত্যুশূন্য ছিল ঢাকা।

দেশে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে গত বছরের ৮ মার্চ। ধীরে ধীরে সংক্রমণ বাড়তে থাকে। করোনার প্রথম ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে। পরে মার্চে আঘাত করে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। এই ঢেউয়ে ভারতীয় ডেল্টা ধরন ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এ ধরন দেশজুড়ে শঙ্কা ও চিকিৎসাসংকট তৈরি করে।

দ্বিতীয় ঢেউয়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয় গত জুলাইয়ে। এ মাসে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৩৩ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। করোনায় আক্রান্ত হয়ে কোনো কোনো দিন আড়াই শর বেশি মানুষেরও মৃত্যু হয়েছে।

তবে গত দেড় মাস ধরে করোনা পরিস্থিতি ক্রমেই উন্নতির দিকে। কমছে মৃত্যু ও শনাক্তের সংখ্যা। সেই সঙ্গে কমছে শনাক্তের হারও। টানা ২৯ দিন সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নিচে। জনজীবন স্বাভাবিক হওয়ায় খুলে দেয়া হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশে এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৫ লাখ ৬৬ হাজার ৬৬৪ জনের শরীরে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ৭৯১ জনের। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ১৫ লাখ ২৯ হাজার ৫৪৯ জন। সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার টানা দুই সপ্তাহ ৫ শতাংশের নিচে হলে কোনো দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে ধরা হয়। সে হিসেবে বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। তবে শূন্যের কোঠায় না আসা পর্যন্ত মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি।

আরও পড়ুন:
শিক্ষামন্ত্রীর জন্য শিক্ষার্থীদের দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা
স্টোররুমকে শ্রেণিকক্ষ ভেবে অধ্যক্ষকে শোকজ
স্কুলে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী
‘শিক্ষায় অনেক ভাগ, এক জায়গায় নিয়ে আসার চেষ্টা করছি’
‘টিকা নিশ্চিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে চাই’

শেয়ার করুন

ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১১২ রোগী

ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১১২ রোগী

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে এক শিশু। ফাইল ছবি

কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ২১ হাজার ৮৩৭ জনের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছে ২০ হাজার ৯৪৬ জন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি ৭৬৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১১২ জন। তবে এ সময়ের মধ্যে কোনো ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়নি।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৯ জন। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৩ জন।

কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৮৩৭ জন। এর মধ্যে শুরুর ছয় মাস ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ছিল ২৭০ জন। এ বছরের জুলাইয়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে থাকে। ওই মাসে রোগী শনাক্ত হয়েছিল ২ হাজার ২৮৬ জন এবং মারা যায় ১২ জন।

আগস্টে ডেঙ্গু রোগী ছিল ৭ হাজার ৬৯৮ জন। আর মারা যায় ৩৪ জন। সেপ্টেম্বরে রোগীর সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ৮৪১ জন, মৃত্যু হয় ২৩ জনের। চলতি মাসে ৩ হাজার ৬৪০ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে মারা গেছে ১৪ জন।

কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ২১ হাজার ৮৩৭ জনের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছে ২০ হাজার ৯৪৬ জন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি ৭৬৮ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৪৬টি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে ৫৬৩ রোগী।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, ডেঙ্গু উপসর্গ নিয়ে চলতি বছর ৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন:
শিক্ষামন্ত্রীর জন্য শিক্ষার্থীদের দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা
স্টোররুমকে শ্রেণিকক্ষ ভেবে অধ্যক্ষকে শোকজ
স্কুলে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী
‘শিক্ষায় অনেক ভাগ, এক জায়গায় নিয়ে আসার চেষ্টা করছি’
‘টিকা নিশ্চিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে চাই’

শেয়ার করুন

করোনায় ৬ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৬৮

করোনায় ৬ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৬৮

দেশে এ নিয়ে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৫ লাখ ৬৬ হাজার ৬৬৪ জনের দেহে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ৭৯১ জনের।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে আরও ৩৬৮ জনের শরীরে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বুধবার বিকেলে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, দেশে এ নিয়ে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৫ লাখ ৬৬ হাজার ৬৬৪ জনের দেহে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ৭৯১ জনের।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ নিয়ে টানা ২৯ দিন সারা দেশে করোনা শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় দেশের ৮৩২টি ল্যাবে করোনার ২০ হাজার ৩৯১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

গত বছরের মার্চে ছড়ানো করোনা বছরের শেষে নিয়ন্ত্রণে আসার পর চলতি বছর এপ্রিলের আগে থেকে আবার বাড়তে থাকে। এর মধ্যে প্রাণঘাতী ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার পর এপ্রিলের শুরুতে লকডাউন এবং ১ জুলাই থেকে শাটডাউন দেয় দরকার।

তবে সংক্রমণ কমে আসার পর আগস্টের মাঝামাঝি থেকে ধীরে ধীরে সব বিধিনিষেধ তুলে নেয়া হতে থাকে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে থাকায় ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে পুরুষ ৪, নারী ২ জন। এর মধ্যে ত্রিশোর্ধ্ব ২, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১ ষাটোর্ধ্ব ৩ জন।

বিভাগ অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ ছাড়া রাজশাহীতে ২ জন ও খুলনাতে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এদের সবাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৪৮১ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ২৯ হাজার ৫৪৯ জন। সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
শিক্ষামন্ত্রীর জন্য শিক্ষার্থীদের দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা
স্টোররুমকে শ্রেণিকক্ষ ভেবে অধ্যক্ষকে শোকজ
স্কুলে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী
‘শিক্ষায় অনেক ভাগ, এক জায়গায় নিয়ে আসার চেষ্টা করছি’
‘টিকা নিশ্চিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে চাই’

শেয়ার করুন

স্বাস্থ্য খাতে দ্রুতই পৌনে ৫ লাখ নিয়োগ

স্বাস্থ্য খাতে দ্রুতই পৌনে ৫ লাখ নিয়োগ

দ্রুতই স্বাস্থ্য খাতে লোকবল আরও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে একটি জনবলকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। সেটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। এটি অনুমোদন দিলে শিগগিরই পৌনে ৫ লাখ নিয়োগ দেয়া হবে স্বাস্থ্য খাতে। এই নিয়োগ কমপ্লিট হলে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে।

স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে একটি জনবলকাঠামো তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। বলেছেন, এ জন্য শিগগিরই এ খাতে পৌনে ৫ লাখ কর্মী নিয়োগ দেয়া হবে। এ ব্যাপারে একটি প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।

রাজধানীর একটি হোটেলে বুধবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের (ইউএইচএফপিও) প্রথম সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে একটি জনবলকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। সেটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। এটি অনুমোদন দিলে শিগগিরই পৌনে ৫ লাখ নিয়োগ দেয়া হবে স্বাস্থ্য খাতে। এই নিয়োগ কমপ্লিট হলে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে।

‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনায় নাটকীয় পরিবর্তন হয়েছে। এই পরিবর্তন আমাদের ধরে রাখতে হবে। হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার মান উন্নতি করতে হবে। হাসাপাতাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।’

দেশে যাতে করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ না আসে, সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘কয়েক দিনে ধরে আবার সংক্রমণ বাড়ছে, আমাদের দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ আবার আসুক, এটা আমরা কেউ চাই না। এ জন্য এখন থেকে সবাইকে সচেতন হতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।’

করোনা প্রতিরোধী টিকা কার্যক্রম নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, করোনা প্রতিরোধে ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রতি মাসে ৩ কোটি এবং তার থেকে বেশি ভ্যাকসিন দেয়ার পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। এটা চলমান থাকলে ডিসেম্বরের মধ্যে ৫০ শতাংশ মানুষকে টিকা কর্মসূচির আওতায় আনা সম্ভব হবে।

উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশ করে জাহিদ মালেক বলেন, ‘আপনাদের মাধ্যমে সরকারের অর্জন এবং সরকারের দুর্নাম হয়। আপনাদের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করে। আপনাদের কাজের ওপর সরকারের ইমেজ নির্ভর করে। তাই গ্রামের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে আপনাদের আরও সচেতন হতে হবে।’

অনুষ্ঠান স্বাস্থ্যসচিব লোকমান হোসেন মিয়া, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার খুরশীদ আলমসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
শিক্ষামন্ত্রীর জন্য শিক্ষার্থীদের দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা
স্টোররুমকে শ্রেণিকক্ষ ভেবে অধ্যক্ষকে শোকজ
স্কুলে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী
‘শিক্ষায় অনেক ভাগ, এক জায়গায় নিয়ে আসার চেষ্টা করছি’
‘টিকা নিশ্চিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে চাই’

শেয়ার করুন

বয়স ১৮ হলেই টিকা

বয়স ১৮ হলেই টিকা

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়, টিকা পেতে সাধারণ নাগরিকের জন্য বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি করা হয়েছে। সুরক্ষা অ্যাপে মঙ্গলবারই অপশনটি চালু হয়েছে।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা কার্যক্রমের আওতা আরও বাড়াল সরকার। এখন থেকে যাদের বয়স ১৮, তারাও টিকা নিতে পারবেন।

টিকার জন্য ১৮ বছর বয়সীরা এখন থেকে ‘সুরক্ষা’ অ্যাপে গিয়ে নিবন্ধন করতে পারছেন। অ্যাপে মঙ্গলবার রাত থেকে এই সুযোগ করে দেয়া হলেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানানো হয় বুধবার।

সুরক্ষা অ্যাপে ‘পরিচয় যাচাই’ অপশনে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য নতুন একটি অপশন খোলা হয়েছে।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সেন্টারের (এমআইএস) পরিচালক এবং এইচআইএস অ্যান্ড ই-হেলথের লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক মিজানুর রহমান।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘গতকালই এই অপশনটি চালু হয়ে গেছে। টিকা পেতে সাধারণ নাগরিকের জন্য বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি করা হয়েছে। তারা সুরক্ষা অ্যাপ্লিকেশনে গিয়ে নিবন্ধনের ফরম পূরণ করতে পারবেন।’

এর আগে ২৫ বছর বা তার বেশি বয়সী সব নাগরিক করোনাভাইরাসের টিকার জন্য নিবন্ধন করতে পারতেন।

আরও পড়ুন:
শিক্ষামন্ত্রীর জন্য শিক্ষার্থীদের দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা
স্টোররুমকে শ্রেণিকক্ষ ভেবে অধ্যক্ষকে শোকজ
স্কুলে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী
‘শিক্ষায় অনেক ভাগ, এক জায়গায় নিয়ে আসার চেষ্টা করছি’
‘টিকা নিশ্চিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে চাই’

শেয়ার করুন

করোনা: আরও আড়াই কোটি ডলার দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

করোনা: আরও আড়াই কোটি ডলার দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ভেন্টিলেটরসহ বিভিন্ন সুরক্ষা সামগ্রী দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি এখন পর্যন্ত ১২ কোটি ১০ লাখ ডলারের বেশি সহায়তা দিয়েছে। ফাইল ছবি

বাংলাদেশ যেন জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা ও অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারে এবং টিকা নিরাপদে সংরক্ষণ, পরিবহন ও ব্যবস্থাপনায় কোল্ড চেইন সরঞ্জাম কিনতে পারে, সে জন্য নতুন করে অর্থ সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশকে আরও ২৫ মিলিয়ন বা আড়াই কোটি ডলার অর্থ সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

দেশটির আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ইউএসএআইডির মাধ্যমে এ সহায়তা দেয়া হবে।

বাংলাদেশ যেন জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা ও অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারে এবং টিকা নিরাপদে সংরক্ষণ, পরিবহন ও ব্যবস্থাপনায় কোল্ড চেইন সরঞ্জাম কিনতে পারে, সে জন্য এ অর্থ দেয়া হচ্ছে।

ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের বুধবারের বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বাংলাদেশকে টিকা কার্যক্রম সম্প্রসারণে সহায়তা করার পাশাপাশি গুরুতর অসুস্থ রোগীদের আরও কার্যকরভাবে চিকিৎসা দেয়ায় স্বাস্থ্যসেবা দানকারীদের সক্ষম করে তুলবে। একই সঙ্গে এ অর্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে সেবার মান বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, মহামারির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র সরকার করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ১২ কোটি ১০ লাখ ডলারের বেশি অর্থ সহায়তা দিয়েছে। বাংলাদেশিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বাংলাদেশ সরকার ও অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার বলেন, নতুন আর্থিক সহায়তা বাংলাদেশকে এ বছরের শেষ নাগাদ ৪০ শতাংশ মানুষকে টিকাদানের লক্ষ্য পূরণে সহায়তা করবে।

আরও পড়ুন:
শিক্ষামন্ত্রীর জন্য শিক্ষার্থীদের দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা
স্টোররুমকে শ্রেণিকক্ষ ভেবে অধ্যক্ষকে শোকজ
স্কুলে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী
‘শিক্ষায় অনেক ভাগ, এক জায়গায় নিয়ে আসার চেষ্টা করছি’
‘টিকা নিশ্চিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে চাই’

শেয়ার করুন