৮ জেলার ভরসা ৩ ডুবুরি

৮ জেলার ভরসা ৩ ডুবুরি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব মনিরুজ্জামান মনির বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের মতো জেলা, সেখানে চারটি বড় নদী আছে, আছে অসংখ্য পুকুর-খাল, তারপরও সেখানে ডুবুরি দল না থাকা হতাশার। জেলা ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক ছাবের আলী প্রামাণিক জানান, সেখানে কোনো ডুবুরির পদই নেই।

ডুবুরিসংকটে ভুগছে রাজশাহী বিভাগের জেলাগুলো। বিভাগের আট জেলার মধ্যে শুধু রাজশাহী স্টেশনেই রয়েছে ডুবুরি দল। সেটাও আবার চাহিদার তুলনায় খুবই সামান্য।

বিভাগের বিভিন্ন জেলায় প্রায়ই ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে। অথচ মাত্র তিনজন ডুবুরি দিয়েই চলছে পুরো আট জেলার কাজ।

ফায়ার সার্ভিস বলছে, কখনো কখনো একটি অভিযান চালানোর সময় আরেক জায়গায় ডুবে যাওয়ার খবর পাওয়া যায়, তখন পরিস্থিতি সামলাতে খুবই বেকায়দায় পড়তে হয়। আবার ঘটনাস্থলে যেতেও অনেকটা সময় লেগে যায়।

ফায়ার সার্ভিস বিভাগের তথ্যমতে, রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় গত আট মাসে (জানুয়ারি থেকে আগস্ট) ১৭টি ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জীবিত অবস্থায় উদ্ধার হয় একজন।

ডুবে মারা যাওয়ার বেশির ভাগ ঘটনায় ঘটে বর্ষাকালে। অনেক ঘটনার তথ্য ফায়ার সার্ভিসের কাছে আসে না। ডুবে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় জীবিত বা লাশ উদ্ধার না হলেই মূলত ফায়ার সার্ভিসকে বলা হয়।

অনেক সময় পুকুরে ডুবে মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটে। আবার এসব লাশ ভেসেও ওঠে। তবে নদীতে কোনো ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটলে সে ক্ষেত্রে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের ওপরই ভরসা করতে হয়।

গত ২১ আগস্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার চরমোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের একটি খালে ডুবে মারা যায় রাশেদুল ইসলাম নামে এক কিশোর। মহানন্দা নদীর পানি বেড়ে ওই এলাকা প্লাবিত হয়। রাশেদুলসহ কয়েক কিশোর সেই পানিতেই গোসল করছিলেন।

রাশেদুলের ডুবে যাওয়ার বিষয়টি অন্য কিশোররা স্থানীয়দের জানালে তারা ঘণ্টাখানেক চেষ্টা করে উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে বেলা ১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন।

খবর পেয়ে ওই এলাকায় যান চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। এরপর তারা স্থানীয়দের কাছে ঘটনা শুনে রাজশাহীতে ডুবুরি দলকে জানায়। রাজশাহী থেকে ডুবুরি দল সেখানে পৌঁছতে বেজে যায় বিকেল ৪টা। তারা দেড় ঘণ্টা চেষ্টার পর রাশেদুলের মরদেহ উদ্ধার করে।

ওই দিনের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইব্রাহিম আলী আক্ষেপ করে বলেন, ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়ার পর আসতেই অনেক সময় লেগে গেল। এখানে আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কর্মীরা গিয়ে দেখে তারপর ডুবুরিদের খবর দেয়। এতেই অনেক সময় চলে যায়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব মনিরুজ্জামান মনির বলেন, জেলা শহরগুলোতে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল থাকা উচিত।

৮ জেলার ভরসা ৩ ডুবুরি


তিনি বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের মতো জেলা, সেখানে চারটি বড় নদী আছে, আছে অসংখ্য পুকুর-খাল, তার পরও সেখানে ডুবুরি দল না থাকা হতাশার।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক ছাবের আলী প্রামাণিক জানান, জেলার ফায়ার সার্ভিসে কোনো ডুবুরির পদই নেই। পদ সৃষ্টির জন্য তিনি এর আগে জানিয়েছিলেন।

অন্তত জেলা পর্যায়ের স্টেশনগুলোতে ডুবুরি দল থাকা উচিত বলেও মনে করেন এই কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ‘আগে প্রায় সবাই সাঁতার জানত, তখন ডুবে মৃত্যুর ঘটনা খুব বেশি ছিল না, তখন রাজশাহীতে একটা ডুবুরি দল ছিল, তারাই গোটা বিভাগে কাজ করতেন। এখন ছেলেমেয়েরা বেশিরভাগই সাঁতার জানে না, নদীতে ঘুরতে যায়, পানিতে নেমে ডুবে যায়। এ রকম ঘটনা প্রায়ই ঘটে, পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা বেড়ে গেছে। একটা ডুবুরি দল দিয়ে এখন উদ্ধারকাজ কঠিনই হয়ে পড়েছে।’

‘এখানকার ফায়ারম্যানদের কিছুটা প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে, যাতে তারাও কিছুটা উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করতে পারে। তবে অন্তত দুজন পূর্ণ ডুবুরি না থাকলে হয় না, পানির নিচে যিনি থাকেন তার কাছে সঠিক সংকেত পাঠাতে হয় রশির মাধ্যমে। একজন ডুবুরিই ডুবুরির সেই সংকেতের ভাষা বোঝেন ও বোঝাতে পারেন।’

রাজশাহী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক আব্দুর রশিদ বলেন, ‘আমাদের এখানে পুরো বিভাগের জন্য তিনজন ডুবুরি রয়েছেন। পদই তিনটি। তারায় পুরো বিভাগে কাজ করেন। মূলত একটি টিম হিসেবে তারা কাজ করে। এই টিমের জন্য একটি গাড়ি আছে। বিভাগের যেকোনো জেলায় ঘটনার খবর পেলে তারা সেখানে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন।

‘এ নিয়ে মাঝেমধ্যেই আমরা সংকটে পড়ি। কারণ একটি উদ্ধারকাজ চলাকালে আরেকটির খবর এলে দ্বিতীয় টিম দেয়ার সুযোগ নেই। তারা সেই অভিযান শেষ করে, তার পরে আরেকটিতে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে আমরা যেটি করি সেটি হলো, আমাদের এখানে তিনজন ডুবুরি পদোন্নতি পেয়ে এখন লিডার হয়েছেন। এটি তাদের কাজ না হলেও আমরা তাদের দিয়ে এই কাজটি করিয়ে থাকি; মূলত জরুরি মুহূর্তে তাদের মাঠে নামাতেই হয়।’

আব্দুর রশিদ জানান, সেখানেও সমস্যা হয়। একটি টিম অভিযানে গেলে দ্বিতীয় টিমের কাছে আর সরঞ্জাম থাকে না। দড়ি, অক্সিজেনসহ যেসব সরঞ্জাম লাগে, সেগুলো দ্বিতীয় টিমকে দেয়া যায় না। এ সময় কোনোমতে কাজ করার জন্য তারা মাঠে নামেন। প্রথম দল কাজ শেষ করে এলে দ্বিতীয় দলের কাছে গিয়ে পুরোদমে কাজ শুরু করে।

রশিদ বলেন, ‘যেহেতু পুরো বিভাগটা একেবারে ছোট না, এক জেলার অভিযান শেষ করতে গিয়েই অনেক সময় লেগে যায়। আবার রাজশাহী থেকে অন্য জেলাগুলোতে যেতেও অনেকটা সময় লেগে যায়। এ কারণে স্থানীয়রা কখনো কখনো নাখোশও হন।

‘আমাদের ওপর সাধারণ মানুষ ভরসা করে থাকেন, আমাদের যে লোকবল আছে তা দিয়েই আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। আমাদের সীমাবদ্ধতা নিয়ে আমরা সদর দপ্তরে জানিয়েছি। এর মধ্যে সারা দেশের জন্য কিছু ডুবুরি নিয়োগ দেয়া হয়েছে, কিন্তু সেগুলো শূন্য পদের বিপরীতে। আমাদের এখানে যেহেতু পদ শূন্য নাই, সে কারণে আমরা পাইনি।’

আরও পড়ুন:
ডোবায় পড়ে শিশুর মৃত্যু
উজ্জ্বল ভবিষ্যতের সলিল সমাধি
আত্রাইয়ে নিখোঁজ দম্পতির মরদেহ উদ্ধার
পুনর্ভবায় ডুবল খালা-ভাগনে
বিলে ডুবে কলেজছাত্রের মৃত্যু

শেয়ার করুন

মন্তব্য

চৌমুহনীতে সাম্প্রদায়িক হামলা: আরও ৩ জনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

চৌমুহনীতে সাম্প্রদায়িক হামলা: আরও ৩ জনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) শহীদুল ইসলাম জানান, শনিবার বিকেলে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম নবনীতা গুহের আদালতে রিপন আহাম্মেদ মাহীর, আরাফাত হোসেন আবির ও ইব্রাহিম খলিল ওরফে রাজিব ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনীতে সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১৩ জনের মধ্যে আরও তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) শহীদুল ইসলাম রোববার দুপুরে নিউজবাংলাকে জানান, শনিবার বিকেলে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম নবনীতা গুহের আদালতে রিপন আহাম্মেদ মাহীর, আরাফাত হোসেন আবির ও ইব্রাহিম খলিল ওরফে রাজিব ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার আবদুর রহিম সুজন জবানবন্দি দিয়েছিলেন।

এসপি জানান, কুমিল্লার ঘটনার জেরে চৌমুহনী বাজারের পূজামণ্ডপ, মন্দির, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট, আগুন ও হত্যার ঘটনায় ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) ক্যামেরার ফুটেজ দেখে এখন পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

দুর্গাপূজায় সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যে গত ১৩ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লার নানুয়ার দিঘির পাড়ের একটি মণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ পাওয়ার পর ছড়িয়ে পড়ে সহিংসতা।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নে ১৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় এবং পরদিন দুপুরে একই উপজেলার চৌমুহনী পৌর এলাকায় ১১টি পূজামণ্ডপে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। লুটপাট করা হয় মন্দিরের আসবাব, স্বর্ণালংকার, ভাঙচুর করা হয় প্রতিমা।

হামলায় প্রাণ হারান প্রান্ত চন্দ্র দাশ নামে এক যুবক, আতঙ্কে হৃদরোগে যতন সাহা নামে আরেকজনের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে যতনের পরিবারের অভিযোগ, তিনিও হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন।

নোয়াখালীতে সহিংসতার ঘটনায় এখন পর্যন্ত সাতটি মামলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ডোবায় পড়ে শিশুর মৃত্যু
উজ্জ্বল ভবিষ্যতের সলিল সমাধি
আত্রাইয়ে নিখোঁজ দম্পতির মরদেহ উদ্ধার
পুনর্ভবায় ডুবল খালা-ভাগনে
বিলে ডুবে কলেজছাত্রের মৃত্যু

শেয়ার করুন

সোনালী জুট মিল ফের চালু

সোনালী জুট মিল ফের চালু

খুলনা নগরীর মিরেরডাঙ্গার সোনালী জুট মিল আবার চালু করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

মিল সূত্র জানায়, আর্থিক সংকট, পাটের দাম বৃদ্ধিসহ নানা জটিলতায় মালিকপক্ষ মিলটি বন্ধ করে দেয়। পরে বেসরকারি পাট, সুতা, বস্ত্রকল শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন, মিলের এডহক কমিটি এবং খুলনা বিভাগীয় শ্রম পরিচালক মিজানুর রহমান এটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেন।

খুলনা নগরীর সোনালী জুট মিল আবার চালু করা হয়েছে। ১১ মাস বন্ধ থাকার পর শনিবার মিলটি আংশিক চালু করা হয়।

নগরীর মিরেরডাঙ্গা শিল্প এলাকায় ব্যক্তি মালিকানার মিলটি গেল বছরের ২৮ নভেম্বরে বন্ধ করা হয়েছিল।

মিল সূত্র জানায়, আর্থিক সংকট, পাটের দাম বৃদ্ধিসহ নানা জটিলতায় মালিকপক্ষ মিলটি বন্ধ করে দেয়। পরে বেসরকারি পাট, সুতা , বস্ত্রকল শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন, মিলের এডহক কমিটি এবং খুলনা বিভাগীয় শ্রম পরিচালক মিজানুর রহমান এটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেন।

মেসার্স জামান ট্রেডিং লিজ হিসেবে মিলটি চালানোর আগ্রহ প্রকাশ করলে শনিবার থেকে এটা পুনরায় চালু হয়।

রোববার সকাল ১০টার দিকে বেসরকারি পাট, সুতা, বস্ত্রকল শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন জরুরি মতবিনিময় সভা হয়। সোনালী জুট মিল ওয়াকার্স ইউনিয়ন ফেডারেশনের সভাপতি শেখ আমজাদ হোসেন এতে সভাপতিত্ব করেন। সংগঠনের প্রচার সম্পাদক সাইফুল্লাহ তারেকের পরিচালনায় সভা হয়।

বক্তব্য দেন বেসরকারি পাট, সুতা, বস্ত্রকল শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও মহসেন জুট মিল ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল খান, সংগঠনের সহসভাপতি ও আফিল জুট মিল মজদুর ইউনিয়নের নেতা কাবিল হোসেন ও নিজামউদ্দিন, মহসেন জুট মিলের শ্রমিক নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আসহাফ উদ্দীন ও মাহাতাব উদ্দীনসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
ডোবায় পড়ে শিশুর মৃত্যু
উজ্জ্বল ভবিষ্যতের সলিল সমাধি
আত্রাইয়ে নিখোঁজ দম্পতির মরদেহ উদ্ধার
পুনর্ভবায় ডুবল খালা-ভাগনে
বিলে ডুবে কলেজছাত্রের মৃত্যু

শেয়ার করুন

নোংরা পরিবেশে খাবার-মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ: ৬ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

নোংরা পরিবেশে খাবার-মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ: ৬ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

নোংরা পরিবেশে খাদ্য তৈরি এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে খুলনার ছয় প্রতিষ্ঠানকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর

অভিযানে ফুলতলার বেলতলার রবি চানাচুর, মিল্লাত বেকারি, সোনালী মেডিক্যাল হল, মেসার্স মিলন মেডিক্যাল, স্বর্ণা গিফট ও চম্পা চানাচুর ফ্যাক্টরির কাছ থেকে জরিমানার ৭০ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে।

নোংরা পরিবেশে খাদ্য তৈরি এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে খুলনার ছয় প্রতিষ্ঠানকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

রোববার দুপুরে ফুলতলা উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় উপপরিচালক ইব্রাহীম হোসেন এবং জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলম অভিযানে নেতৃত্ব দেন।

অভিযানে ফুলতলার বেলতলার রবি চানাচুর, মিল্লাত বেকারি, সোনালী মেডিক্যাল হল, মেসার্স মিলন মেডিক্যাল, স্বর্ণা গিফট ও চম্পা চানাচুর ফ্যাক্টরির কাছ থেকে জরিমানার ৭০ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ডোবায় পড়ে শিশুর মৃত্যু
উজ্জ্বল ভবিষ্যতের সলিল সমাধি
আত্রাইয়ে নিখোঁজ দম্পতির মরদেহ উদ্ধার
পুনর্ভবায় ডুবল খালা-ভাগনে
বিলে ডুবে কলেজছাত্রের মৃত্যু

শেয়ার করুন

দুধের শিশু সঙ্গে নেয়ায় ক্লাস থেকে বহিষ্কার

দুধের শিশু সঙ্গে নেয়ায় ক্লাস থেকে বহিষ্কার

নাটোরের রাণী ভবানী সরকারি মহিলা কলেজ। ছবি: নিউজবাংলা

ওই ঘটনা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেয়া এক ছাত্রী অভিযোগ করেন, শিশুদের নিয়ে ওরিয়েন্টেশন ক্লাসে অংশ নেয়ায় অধ্যক্ষ মঞ্জুরা বেগম ও সহকারী অধ্যাপক তাসলিমা তিন ছাত্রীকে বের করে দেন। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করলেও তাদের আর অনুষ্ঠানে ঢুকতে দেয়া হয়নি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছাত্রীর সন্তানকে কোলে নিয়ে শিক্ষকের ক্লাস করার ছবি ভাইরাল হওয়ার পর প্রশংসা বাণীর মধ্যে উল্টো একটি ঘটনা ঘটল নাটোরে।

জেলার রাণী ভবানী সরকারি মহিলা কলেজের ওরিয়েন্টেশন ক্লাসে শিশু সন্তান নিয়ে যাওয়ায় তিন ছাত্রীকে বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে অধ্যক্ষ ও এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ, বৃহস্পতিবার কলেজের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক শ্রেণির ওরিয়েন্টেশন ক্লাসে নিজেদের সন্তান নিয়ে যান ওই তিন ছাত্রী। শিশু নিয়ে যাওয়ায় পরে অনুষ্ঠান থেকে তাদের বের করে দেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ও অধ্যক্ষ মঞ্জুরা বেগম এবং একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসলিমা খাতুন।

রোববার এ নিয়ে দুই ছাত্রী ফেসবুকে পোস্ট দিলে বিষয়টি জানাজানি হয়। দুই শিক্ষকের ছবিসহ ‘এমন শিক্ষকের হাত ধরে কীভাবে এগোবে নারী শিক্ষা’ শিরোনামে দেয়া ওই পোস্টের পর শুরু হয়েছে প্রতিবাদ ও নিন্দা। এ ছাড়া শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যেও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

নিজেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অবশ্য অস্বীকার করেছেন দুই শিক্ষক।

সহকারী অধ্যাপক তাসলিমার দাবি, শিশুরা কান্না করায় অনুষ্ঠানে বিঘ্ন হচ্ছিল। এ জন্য তিনি তাদের বাইরে ঘুরে আসতে বলেছেন। আর অধ্যক্ষ শুনিয়েছেন ষড়যন্ত্রতত্ত্বের কথা। তার দাবি, এমন কিছু তিনি করেননি। তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে।

দুধের শিশু সঙ্গে নেয়ায় ক্লাস থেকে বহিষ্কার

ওই ঘটনা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেয়া এক ছাত্রী অভিযোগ করেন, শিশুদের নিয়ে ওরিয়েন্টেশন ক্লাসে অংশ নেয়ায় অধ্যক্ষ মঞ্জুরা বেগম ও সহকারী অধ্যাপক তাসলিমা তিন ছাত্রীকে বের করে দেন। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করলেও তাদের আর অনুষ্ঠানে ঢুকতে দেয়া হয়নি।

এ বিষয়ে সহকারী অধ্যাপক তাসলিমা বলেন, ‘ওই অনুষ্ঠানে খুবই ছোট্ট বাচ্চারা কান্নাকাটি করায় অনুষ্ঠানে বিঘ্ন হচ্ছিল। তাই আমি তাদের সেখান থেকে বের হয়ে একটু ঘুরে আসতে বলেছি।

‘তাদের সাথে ছবিও উঠেছি। বের করে দেয়া ঠিক না। আমি তাদের অনুরোধ করেছি মাত্র। তবে এখনও পোস্টটি দেখিনি, তাই এই বিষয়ে কিছু বলতে পারছি না।’

অধ্যক্ষ মঞ্জুরা বেগম বলেন, ‘এমন কোনোই ঘটনা ঘটেনি। আমি অল্প দিন হলো কলেজটিতে যোগদান করেছি। একটি মহল আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে।

‘আপনি নাম ঠিকানা দেন। তাদের সাথে কথা বলি। তারা যে ভাষায় ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছে তা কোনো শিক্ষার্থীর ভাষা হতে পারে না। কারো ইন্ধনে ওই কজন শিক্ষার্থী ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। আপনারা ষড়যন্ত্রের কারণ খুঁজে বের করেন।’

নাটোরের জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ জানান, বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জেনেছেন। তিন শিক্ষার্থীকে যোগাযোগ করতে বলেছেন। তাদের কাছ থেকে ঘটনা শুনে বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন।

আরও পড়ুন: বাল্যবিয়ের শিকার ছাত্রীর সন্তান কোলে শিক্ষকের পাঠদান

চলতি মাসেই ৩ তারিখ শিশুসহ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এক শিক্ষকের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

ছবিটিতে দেখা যায়, দুই থেকে তিন মাস বয়সী শিশুকে নিয়ে ক্লাস নিচ্ছেন এক শিক্ষক। দেখে মনে হচ্ছে নিজ সন্তানকে এমন পরম যত্নে আগলে পাঠদান করছেন তিনি।

তবে মেয়ে শিশুটি তার নিজের নয় বরং করোনার মধ্যে বাল্যবিয়ের শিকার এক ছাত্রীর। জেলার চিনাইর আঞ্জুমান আরা উচ্চ বিদ্যালয়ের পঙ্কজ মধু নামের ওই শিক্ষক তাকে কোলে নিয়েই ক্লাস নিচ্ছিলেন।

ওই ছবি ভাইরাল হওয়ার পর অনেকেই শিক্ষক পঙ্কজের প্রশংসা করেন। নাটোরের ঘটনায়ও উঠে এসেছে তার নাম।

এ ঘটনায় দেয়া পোস্টে শিক্ষক পঙ্কজের ছবি দিয়ে অনেকেই পার্থক্যের বিষয়টি নির্দেশ করেছেন।

আরও পড়ুন:
ডোবায় পড়ে শিশুর মৃত্যু
উজ্জ্বল ভবিষ্যতের সলিল সমাধি
আত্রাইয়ে নিখোঁজ দম্পতির মরদেহ উদ্ধার
পুনর্ভবায় ডুবল খালা-ভাগনে
বিলে ডুবে কলেজছাত্রের মৃত্যু

শেয়ার করুন

ডাব পাড়তে গিয়ে মৃত্যু

ডাব পাড়তে গিয়ে মৃত্যু

ডাব পাড়তে গিয়ে মারা গেছেন ব্যবসায়ী শরিফুল আলম বাচ্চু। ছবি: সংগৃহীত

রোববার দুপুরে নিজ বাড়ির দোতলার ছাদের পাশে একটি নারকেলগাছ থেকে হাত বাড়িয়ে ডাব পাড়তে যান ওই ব্যবসায়ী। এ সময় পা-পিছলে পড়ে যান তিনি। জেলা সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে ডাব পাড়তে গিয়ে বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।

শহরের দক্ষিণ পৈরতলা মাজার গেট এলাকায় রোববার বেলা ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত ব্যক্তির নাম শরিফুল আলম বাচ্চু। ৫৫ বছর বয়সী বাচ্চু পৈরতলা মাজার গেট এলাকার সাবেক মেম্বর আজগর আলীর ছেলে ও সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানের ছোট ভাই।

পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বাচ্চু দীর্ঘদিন সৌদি আরবে ছিলেন। কয়েক বছর আগে তিনি দেশে ফিরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার যন্ত্রপাতির ব্যবসা শুরু করেন।

রোববার দুপুরে বাড়ির দোতলার ছাদের পাশে একটি নারকেলগাছ থেকে হাত বাড়িয়ে ডাব পাড়তে যান বাচ্চু। এ সময় পা-পিছলে পড়ে যান তিনি।

পুলিশ আরও জানায়, আহত অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা বাচ্চুকে জেলা সদর হাসপাতালে আনেন। পরে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ফাইজুর রহমান ফয়েজ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমরানুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হাসপাতালে ও ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। খোঁজ নিয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত জানানো হবে।’

আরও পড়ুন:
ডোবায় পড়ে শিশুর মৃত্যু
উজ্জ্বল ভবিষ্যতের সলিল সমাধি
আত্রাইয়ে নিখোঁজ দম্পতির মরদেহ উদ্ধার
পুনর্ভবায় ডুবল খালা-ভাগনে
বিলে ডুবে কলেজছাত্রের মৃত্যু

শেয়ার করুন

প্রাইভেট কারচালক হত্যার ৯ বছর পর ছয়জনের যাবজ্জীবন

প্রাইভেট কারচালক হত্যার ৯ বছর পর ছয়জনের যাবজ্জীবন

প্রাইভেট কারচালক হত্যা মামলায় দণ্ডিত দুই আসামি। ছবি: নিউজবাংলা

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১২ সালের ১৪ জুলাই রাত ১০টার দিকে রাজধানীর মিরপুরের বাসা থেকে প্রাইভেট কার চালিয়ে সাভারের হেমায়েতপুরে রওনা দেন খোকা। রাত ১১টার দিকে খোকার স্ত্রী তাকে ফোন দিলে অপরিচিত একজন ধরে জানান, খোকা তার মোবাইল ফোন চার্জে দিয়ে রেখে চারজন যাত্রী নিয়ে সিলেটের জাফলং চলে গেছেন। দুই দিন পর পুলিশ মানিকগঞ্জ সদর থানার অরঙ্গবাদ এলাকার হাকিম আলীর মৎস্য খামারের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

মানিকগঞ্জে প্রাইভেট কারচালক হত্যার ৯ বছর পর ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক উৎপল ভট্টাচার্য রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ রায় দেন।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নিরঞ্জন বসাক।

দণ্ডিতরা হলেন ঢাকার সাভারের জোরলপুর কান্দার চর এলাকার দুই ভাই হাসান মিয়া ও ইজু মিয়া, একই এলাকার আব্দুর রহিম মাহমুদ, হেমায়েতপুরের জয়নাবাড়ী এলাকার মনির হোসেন, দারোগ আলী এবং বাগেরহাটের শরণখোলার দক্ষিণ রাজাপুর এলাকার আব্দুর রহিম।

রায় ঘোষণার সময় দারোগ আলী ও আব্দুর রহিম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকিরা পলাতক।

আনোয়ার হোসেন খোকা হত্যা মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১২ সালের ১৪ জুলাই রাত ১০টার দিকে রাজধানীর মিরপুরের বাসা থেকে প্রাইভেট কার চালিয়ে সাভারের হেমায়েতপুরে রওনা দেন খোকা। রাত ১১টার দিকে খোকার স্ত্রী পাপিয়া আক্তার তাকে ফোন দিলে অপরিচিত একজন ধরেন। তিনি জানান, খোকা তার মোবাইল ফোন চার্জে দিয়ে রেখে চারজন যাত্রী নিয়ে সিলেটের জাফলং চলে গেছেন।

দুই দিন পর পুলিশ মানিকগঞ্জ সদর থানার অরঙ্গবাদ এলাকার হাকিম আলীর মৎস্য খামারের পাশ থেকে খোকার মরদেহ উদ্ধার করে। পরিবারের সদস্যরা তাকে শনাক্ত করেন।

এরপর খোকার বড় ভাই আতিকুল ইসলাম মানিকগঞ্জ সদর থানায় অজ্ঞাতপরিচয়দের আসামি করে মামলা করেন। এ ঘটনায় দারোগ আলী ও আব্দুর রহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আইনজীবী নিরঞ্জন বসাক জানান, ২০১৩ সালের ৬ মার্চ আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় পুলিশ। এরপর ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেয়। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দেয়া হয়েছে।

আসামিপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম, লুৎফর রহমান ও শেখ মো. নজরুল ইসলাম জানান, তারা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন।

আরও পড়ুন:
ডোবায় পড়ে শিশুর মৃত্যু
উজ্জ্বল ভবিষ্যতের সলিল সমাধি
আত্রাইয়ে নিখোঁজ দম্পতির মরদেহ উদ্ধার
পুনর্ভবায় ডুবল খালা-ভাগনে
বিলে ডুবে কলেজছাত্রের মৃত্যু

শেয়ার করুন

সরকারি অফিস-হাসপাতালে দালালি, কারাগারে ১৬

সরকারি অফিস-হাসপাতালে দালালি, কারাগারে ১৬

মানিকগঞ্জে সরকারি অফিস ও হাসপাতালে দালালির অভিযোগে রোববার ১৬ জনকে আটক করে র‌্যাব। ছবি: নিউজবাংলা

দণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা হলেন রাশেদুল ইসলাম, রায়হান মিয়া, আরিফ হোসেন, মো. শাওন, মেহেদী হাসান, রাসেল মিয়া, মো. শাহজাহান, মো. সম্রাট, ইলিয়াস হোসেন, আয়নাল মিয়া, নাসির হোসেন, নরেশ চন্দ্র শীল, রায়হান উদ্দিন, মনির হোসেন, জবেদা বেগম, রাশেদা বেগম। তাদের বাড়ি মানিকগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায়।

মানিকগঞ্জে সরকারি অফিস ও হাসপাতালে দালালির অভিযোগে দালাল চক্রের ১৬ সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বোরবার বেলা আড়াইটার দিকে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ মো. জুবায়ের তাদের কারাদণ্ড দেন।

দণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা হলেন রাশেদুল ইসলাম, রায়হান মিয়া, আরিফ হোসেন, মো. শাওন, মেহেদী হাসান, রাসেল মিয়া, মো. শাহজাহান, মো. সম্রাট, ইলিয়াস হোসেন, আয়নাল মিয়া, নাসির হোসেন, নরেশ চন্দ্র শীল, রায়হান উদ্দিন, মনির হোসেন, জবেদা বেগম, রাশেদা বেগম। তাদের বাড়ি মানিকগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায়।

মানিকগঞ্জ অঞ্চলের র‌্যাব-৪-এর কোম্পানি কমান্ডার আরিফ হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সকাল থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত মানিকগঞ্জের আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস এবং সদর হাসপাতালে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে দালালসহ ২৩ জনকে আটক করা হয়। এর মধ্যে ১৬ নারী ও পুরুষ তাদের অপরাধ স্বীকার করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত সাতজনকে ১০ দিন এবং নয়জনকে সাত দিন করে কারাদণ্ড দেয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে ।

সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো দালালমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

আরও পড়ুন:
ডোবায় পড়ে শিশুর মৃত্যু
উজ্জ্বল ভবিষ্যতের সলিল সমাধি
আত্রাইয়ে নিখোঁজ দম্পতির মরদেহ উদ্ধার
পুনর্ভবায় ডুবল খালা-ভাগনে
বিলে ডুবে কলেজছাত্রের মৃত্যু

শেয়ার করুন