১৫ মাসে রেলে কক্সবাজার

১৫ মাসে রেলে কক্সবাজার

কক্সবাজার রেল স্টেশন ও নতুন রেল লাইন পরিদর্শন করেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। ছবি: নিউজবাংলা

রেলমন্ত্রী বলেন, ‘কক্সবাজার রেললাইন চালুর অপেক্ষায় রয়েছে সারা দেশের মানুষ। ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত এটির নির্ধারিত মেয়াদ ধরা আছে। করোনায় কাজ করতে সমস্যা এবং নির্দিষ্ট সময়ে সরকারি কিছু স্থাপনার জমি পেতে সমস্যার কারণে কাজ কিছুটা দেরি হয়। কাজেই ছয় মাস পিছিয়ে আগামী বছরের ডিসেম্বরে একটি উদ্বোধনের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।’

আগামী বছরের ডিসেম্বরেই রেলপথে কক্সবাজার যুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। তখন ঢাকা থেকে সরাসরি রেলে কক্সবাজার যাওয়া যাবে।

দোহাজারী-রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু থেকে গুনদুম সীমান্ত পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ ট্রাক নির্মাণ প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শন করে বুধবার সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

রেলমন্ত্রীর আশা, ২০২২ সালের ১৬ ডিসেম্বর দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন চালু হবে।

তিনি বলেন, ‘কক্সবাজার রেললাইন চালুর অপেক্ষায় রয়েছে সারা দেশের মানুষ। ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত এটির নির্ধারিত মেয়াদ ধরা আছে।

‘করোনায় কাজ করতে সমস্যা এবং নির্দিষ্ট সময়ে সরকারি কিছু স্থাপনার জমি পেতে সমস্যার কারণে কাজ কিছুটা দেরি হয়। কাজেই ছয় মাস পিছিয়ে আগামী বছরের ডিসেম্বরে একটি উদ্বোধনের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘কক্সবাজারের সঙ্গে রেললাইন চালু হলে পর্যটকরা আরও বেশি পরিমাণে এখানে আসতে পারবেন। এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে।’

এ সময় কক্সবাজারের আইকনিক রেল স্টেশনের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাও তুলে ধরেন রেলমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘এখানে যাত্রীরা এসে থাকতে পারবেন, এমন কি তাদের মালামাল রাখার জন্য ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

‘প্রকল্পটি নিয়ে কিছু মামলা রয়েছে যেগুলো পরিবারকেন্দ্রিক, তবে প্রকল্পের স্বার্থে ব্যক্তিগণ জমি স্বতঃস্ফূর্তভাবে দিয়ে দিয়েছেন। জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সব কিছু এখন নিষ্পত্তি হচ্ছে।’

ভবিষ্যতে এই রেললাইন ট্রান্স এশিয়ান রেললাইনের সঙ্গে যুক্ত হবে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে মিয়ানমার তাদের অংশ করলে গুনদুম পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণ করা হবে।

‘চকরিয়া থেকে মাতারবাড়ি পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটার নতুন রেললাইন নির্মিত হবে। কক্সবাজারে বহুমুখী উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান আছে এবং এখানকার অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন হচ্ছে।’

রেলমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত একটি আত্মনির্ভরশীল দেশ গড়ার লক্ষ্যে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কাজ করে যাচ্ছেন। সকল সেক্টরে উন্নয়ন হচ্ছে। ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সারা দেশে অনেক মেগা প্রকল্পের কাজ চলমান আছে।

‘দোহাজারী থেকে কক্সবাজার রেললাইন নির্মাণ দশটি মেগা প্রকল্পের মধ্যে একটি।’

পরে নির্মাণাধীন রেললাইন ধরে পরিদর্শন করেন রেলমন্ত্রী।

রেলপথ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এরইমধ্যে প্রায় ৬ কিলোমিটার পথে বসানো হয়েছে রেললাইন। এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে প্রথম পর্যায়ে দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার নতুন সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ রেললাইন নির্মিত হবে। প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতি ৬২ শতাংশ।

প্রকল্পটির বাস্তবায়ন হলে কক্সবাজারকে রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় আনাসহ পর্যটকরা সাশ্রয়ী আরামদায়ক ও নিরাপদ ভ্রমণের সুযোগ পাবেন বলে আশা করছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।

পাশাপাশি সহজে ও কম খরচে মাছ, লবণ, রাবারের কাঁচামাল এবং বনজ ও কৃষিজ দ্রব্যাদি পরিবহন করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তরুণের মৃত্যু, তদন্তে মেট্রোরেলের মালামাল চুরির তথ্য
বন্ধের ২ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে উত্তর-দক্ষিণবঙ্গের রেল স্বাভাবিক
ছাদ থেকে পড়ে মেট্রোরেলের কর্মী নিহত
মেট্রোরেলের মালামাল বিক্রি হচ্ছিল ভাঙারির দোকানে
অ্যাশেজের আগে সেরে উঠতে চান পেইন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

১৩ রাজাকারের বিরুদ্ধে ১৬ অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন

১৩ রাজাকারের বিরুদ্ধে ১৬ অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ছবি- সংগৃহীত

১৯৭১ সালে কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর ও রাজারহাট থানায় লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, আটক, নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে ১৩ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে আটক রয়েছেন ১১ জন, পলাতক দুইজন।

একাত্তরে সংঘটিত গণহত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর ও রাজারহাট থানার ১৩ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির প্রধান সানাউল হক এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, শিগগিরই তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশন বরাবর দাখিল করা হবে। এটি ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার ৮০তম প্রতিবেদন।

তদন্ত প্রতিবেদনে জানানো হয়, ১৯৭১ সালে কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর ও রাজারহাট থানায় লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, আটক, নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে ১৩ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে আটক রয়েছেন ১১ জন, পলাতক দুইজন।

আটক আসামিরা হলেন- মো. নুরুল ইসলাম ওরফে নুর ইসলাম (৭১), এছাহাক আলী ওরফে এছাহাক কাজী (৭৩), মো. ইসমাইল হোসেন (৭০), মো. ওছমান আলী (৭০), মো. আব্দুর রহমান (৬৫), মো. আব্দুর রহিম ওরফে রহিম মওলানা (৬৫), মো. শেখ মফিজুল হক (৮১), মকবুল হোসেন ওরফে দেওয়ানী মকবুল (৭২), মো. ছাইয়েদুর রহমান মিয়া ওরফে মো. সাইদুর রহমান (৬৪), মো. শাহজাহান আলী (৬৪) ও আব্দুল কাদের (৬৭)।

আসামিদের বিরুদ্ধে ১৬টি অভিযোগের মধ্যে প্রথম অভিযোগের ঘটনাস্থল কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর থানাধীন পাঁচপীর রেলস্টেশন। ১৯৭১ সালের ৪ সেপ্টেম্বর আনুমানিক ১০টার দিকে এই স্টেশনের আর্মি ও রাজাকার ক্যাম্পের ইনচার্জ আ. হামিদ মওলানা ওরফে দাগ্গিল মওলানার (মৃত) নেতৃত্বে ১৫/১৬ জন সশস্ত্র রাজাকার পাকিস্তানি আর্মি নিয়ে মুক্তিযোদ্ধার পিতা ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল জব্বার আনছারী ওরফে আনছারী মাস্টার ও নিরীহ পনির উদ্দিন মুন্সিকে বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে যান। পরে স্টেশন ক্যাম্পে তাদের আটক রেখে রাতভর নির্যাতন করা হয়। পরদিন সন্ধ্যায় দুজনকেই গুলি করে হত্যার পর পাঁচপীর রেলওয়ে স্টেশনের পাশে মাটিচাপা দেয়া হয়।

অভিযোগ-২: ১৯৭১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ফজরের পর ডাগ্গিল মওলানার নেতৃত্বে রাজাকার নুর ইসলামসহ ১৫/১৬ জন দুর্গাপুর গ্রামে হামলা করে ১০ জনকে আটক করেন। এর মধ্যে মাকরু শেখকে গুলি করে হত্যা করে পাকিস্তানি আর্মি। বাকি সবাইকে রাজাকার বাহিনীতে যোগ দিতে তওবা করিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।

অভিযোগ-৩: ১৯৭১ সালের ১ সেপ্টেম্বর ভোর ৫টায় দাগ্গিল মওলানার নেতৃত্বে মফিজসহ ১৫/১৬ জন সশস্ত্র রাজাকার ৫/৬ জন পাক আর্মি নিয়ে উলিপুর থানার ঢেকিয়ারাম গ্রামে স্বাধীনতার সপক্ষের মানুষদের ওপর হামলা চালান। পরে সেই গ্রামে মুক্তিযোদ্ধার পিতা রজব আলী সরকারকে হাত ও চোখ বেঁধে অপহরণ ও নির্যাতন করে হত্যা করা হয়। হত্যার পর তার মরদেহ পানিতে ফেলে দেয়া হয়।

অভিযোগ-৪: ১৯৭১ সালের ২০ সেপ্টেম্বর দাগ্গিল মওলানার ঘনিষ্ঠ সহযোগী কাজী এছাহাক দলবল সহ ৫/৬ জন পাক আর্মি নিয়ে আওয়ামী লীগ করার কারণে উলিপুর থানার গোড়াই পাঁচপীর গ্রামের নশির উদ্দিনকে আটক করেন। পরে তাকে নিয়ে স্বাধীনতার সপক্ষের এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আ. জলিল সরকারের বাড়িতে গিয়ে জলিলকে না পেয়ে তার ছোট ভাই আব্দুল মজিদকে আটক করেন। গুলি করে হত্যার আগে তাকে দিয়েই কবর খুঁড়িয়েছিল রাজাকার বাহিনী।

অভিযোগ-৫: ১৯৭১ সালের ১০ অক্টোবর দাগ্গিল মওলানার নেতৃত্বে ইসমাইলসহ ১৫/১৬ জন সশস্ত্র রাজাকার ও ১০/১২ জন পাক আর্মি আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত গোড়াই পাঁচপীর গ্রামে হামলা করে। পরে সেই গ্রামের আকবর আলী সরকার ও আজিজার রহমানকে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের নির্যাতনের পর গুলি করে হত্যা করা হয়।

অভিযোগ-৬: ১৯৭১ সালের ৯ অক্টোবর ওসমানসহ ১৫/১৬ জন রাজাকার পাক আর্মি নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা জহুর উদ্দিন ব্যাপারীর বাড়িতে গিয়ে তাকে অপহরণের পর নির্যাতন ও গুলি করে হত্যা করে।

অভিযোগ-৭: ১৯৭১ সালের ২৫ অক্টোবর রাজাকার আব্দুর রহমান পাকিস্তানি আর্মি নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ফুলজার হোসেনকে আটক করেন এবং ফুলজারের পিতা হুসেন আলী ও মাতা গোজন বেওয়াকে নির্যাতন করেন। এ ছাড়া মোখছেদ আলীসহ ফুলজার হোসেনের দুই ভাইকে ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করেন।

অভিযোগ-৮: ১৯৭১ সালের ১০ কার্তিক মুক্তিযোদ্ধা আ. গফুর ও আমির উদ্দিন বাবা-মাকে দেখতে উলিপুরের লঘরটারি গ্রামে যান। গোপন এই সংবাদ পেয়ে দাগ্গিল মওলানার নেতৃত্বে রাজাকার মো. আব্দুল বারী দলবলসহ ১০/১২ জন পাক আর্মিকে সঙ্গে নিয়ে লঘরটারী গ্রামে হামলা করেন। পরে মুক্তিযোদ্ধা আ. গফুর ও আজির উদ্দিনকে নির্যাতন করে হত্যা করেন এবং তাদের আশ্রয়দাতা পনির উদ্দিনকেও মারপিট করে মারাত্মক আহত করেন।

অভিযোগ-৯: ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন রমজান মাসে অসুস্থ মাকে দেখতে মুক্তিযোদ্ধা মহব্বত আলী বাড়ি গিয়েছিলেন। তবে রাজাকারদের ভয়ে রাতের বেলা সিদ্ধান্ত মালতি বাড়ি গ্রামে হিন্দুদের পরিত্যক্ত বাড়িতে লুকিয়েছিলেন। গোপন এই সংবাদ পেয়ে দাগ্গিল মওলানার নেতৃত্বে রাজাকার মফিজুল হক ও রহিম মাওলানা দলবলসহ ১০/১২ জন পাক আর্মি নিয়ে সিদ্ধান্ত মালতি বাড়ি গ্রামে হামলা করেন। পরে ওই গ্রামে রাজেন্দ্র চন্দ্র রায়ের বাড়ি থেকে মহব্বত আলীকে নিরস্ত্র অবস্থায় আটক করে পাঁচপীর রেলওয়ে স্টেশন আর্মি ও রাজাকার ক্যাম্পে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়।

অভিযোগ-১০: মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ নেয়ার কারণে ১৯৭১ সালের ১০ নভেম্বর দুপুরে রাজাকার মকবুল ১০/১২ জন পাক আর্মি নিয়ে মো. মফিজল হক ও তার চাচাতো ভাই নুরুল হোসেনের বাড়িঘর লুটপাট করে পুড়িয়ে দেন।

অভিযোগ-১১: ১৯৭১ সালের ১৩ নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা কুড়িগ্রাম জেলার সদর থানায় অর্জুনডারা পাকিস্তানি আর্মি ক্যাম্পে গোলা ছুড়লে উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়ে যায়। এই সময়ে পাক আর্মিরা ওসমান মিয়াকে গুলি করে হত্যা করে এবং হিন্দু পাড়ায় আগুন দেয়।

অভিযোগ-১২: ১৯৭১ সালে কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুরে রাজাকাররা পাকিস্তানি আর্মি নিয়ে বেশ কয়েটি গ্রামে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় মোছা. হাছিনা বেগমকে ধর্ষণ ছাড়াও বিপুলসংখ্যক মানুষকে হত্যা করা হয়।

অভিযোগ-১৩: ১৯৭১ সালের ১৩ নভেম্বর রাজাকার নুরুল ইসলাম, কাদের ও ইছাহাক কাজী ১০/১২ জন পাকিস্তানি আর্মি নিয়ে যমুনা গ্রামে হামলা চালান। পরে সেই গ্রামসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামে হামলা চালিয়ে ফরহাদ, আছর উদ্দিন ব্যাপারীসহ ২০/২৫ জনকে হত্যা করা হয়।

অভিযোগ-১৪: রাজাকাররা গোড়াই মিয়াজিপাড়া গ্রামে হামলা করে দছির উদ্দিনের বাড়িতে আগুন দেয় এবং নিরীহ তবির উদ্দিনকে হত্যা করে।

অভিযোগ-১৫: ১৯৭১ সালের ২৭ নভেম্বর কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুরে রাজাকার ইছা খলিফা দলবল নিয়ে মফিজ উদ্দিন সরকারকে গুলি করে হত্যা করেন।

অভিযোগ-১৬: দছির উদ্দিন ব্যাপারীকে পাঁচপীর রেলওয়ে স্টেশনে নিয়ে হত্যা করে লাশ মাটিচাপা দেয় রাজাকার বাহিনী।

আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তরুণের মৃত্যু, তদন্তে মেট্রোরেলের মালামাল চুরির তথ্য
বন্ধের ২ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে উত্তর-দক্ষিণবঙ্গের রেল স্বাভাবিক
ছাদ থেকে পড়ে মেট্রোরেলের কর্মী নিহত
মেট্রোরেলের মালামাল বিক্রি হচ্ছিল ভাঙারির দোকানে
অ্যাশেজের আগে সেরে উঠতে চান পেইন

শেয়ার করুন

ক্ষুধা মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ দক্ষিণ এশিয়া চান প্রধানমন্ত্রী

ক্ষুধা মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ দক্ষিণ এশিয়া চান প্রধানমন্ত্রী

গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন ঢাকায় নবনিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী। ছবি: নিউজবাংলা

পাকিস্তান বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে আগ্রহী বলে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জানিয়েছেন ঢাকায় নবনিযুক্ত দেশটির হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী। ১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে পাকিস্তান সফরের ছবির পেইন্টিং এবং ভিডিও ফুটেজ উপহার দেন প্রধানমন্ত্রীকে।

ক্ষুধা ও নিরক্ষরতার অভিশাপ মুক্ত হতে এবং এ অঞ্চলের জনগণের কল্যাণে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে একযোগে কাজ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ঢাকায় নবনিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সোমবার সরকারপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় পাকিস্তাতি দূত।

বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

পাকিস্তান বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে আগ্রহী বলে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী।

পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পাঠানো একটি বার্তার কপি শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করেন হাইকমিশনার।

১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে পাকিস্তান সফরের ছবির পেইন্টিং এবং ভিডিও ফুটেজও উপহার দেন প্রধানমন্ত্রীকে।

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্মৃতির স্মারক হস্তান্তর করার জন্য দেশটির হাইকমিশনারকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে পাকিস্তান বাংলায় একটি ক্যালিগ্রাফি বই প্রকাশ করায় প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এসময় অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তরুণের মৃত্যু, তদন্তে মেট্রোরেলের মালামাল চুরির তথ্য
বন্ধের ২ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে উত্তর-দক্ষিণবঙ্গের রেল স্বাভাবিক
ছাদ থেকে পড়ে মেট্রোরেলের কর্মী নিহত
মেট্রোরেলের মালামাল বিক্রি হচ্ছিল ভাঙারির দোকানে
অ্যাশেজের আগে সেরে উঠতে চান পেইন

শেয়ার করুন

আবাসিকে গ্যাস সংযোগ দিতে নির্দেশ কেন নয়: হাইকোর্ট

আবাসিকে গ্যাস সংযোগ দিতে নির্দেশ কেন নয়: হাইকোর্ট

একইসঙ্গে আবাসিকে গ্যাস সংযোগ দিতে সরকারের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না সেটিও জানতে চাওয়া হয়েছে।

আবাসিকে গ্যাস সংযোগ না দিয়ে টাকা ফেরত দেয়ার সিদ্ধান্ত কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে আবাসিকে গ্যাস সংযোগ দিতে সরকারের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না সেটিও জানতে চাওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি আবেদনকারীদের গ্যাস সংযোগ দিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না সে বিষয়টিও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

চার সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব (জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ), পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান, গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান তিতাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, কর্ণফুলীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাখরাবাদের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ওয়াজি উল্লাহ, সঙ্গে ছিলেন আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী ও আফরোজা সুলতানা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

গত ২৭ এপ্রিল বিদ্যুৎ, জালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মাসিক সমন্বয় সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ‘আবাসিকে গ্যাস সংযোগ আর চালুর সুযোগ না থাকায় ডিমান্ড নোটের প্রেক্ষিতে যারা টাকা জমা দিয়েছিল তাদেরকে ক্রস চেকের মাধ্যমে টাকা ফেরত দেয়ার কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।’

সরকারের এ সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে চট্টগ্রাম গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি গ্রাহক ঐক্যজোটের সভাপতি আলমগীর নূর ও মহাসচিব একেএম অলিউল্লাহ হক ও সাধারণ গ্রাহক মো. নুরুল আলম গত ৪ অক্টোবর হাইকোর্টে রিট করেন।

রিটকারীদের আইনজীবী ওয়াজি উল্লাহ বলেন, ‘আইনে বলা আছে, ডিমান্ড নোটের (চাহিদাপত্র) প্রেক্ষিতে গ্যাস সংযোগের জন্য টাকা জমা নেয়া হলে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের গ্যাস সংযোগ দিতে সরকার বাধ্য। কিন্তু টাকা জমা নেয়ার পর নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও তাদের গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়নি, বরং তাদের টাকা ফেরত দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, যা আইন সম্মত নয়। এ কারণে বিষয়টি নিয়ে আমরা আদালতে এসেছি। আদালত শুনানি শেষে রুল জারি করেছেন।’

আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তরুণের মৃত্যু, তদন্তে মেট্রোরেলের মালামাল চুরির তথ্য
বন্ধের ২ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে উত্তর-দক্ষিণবঙ্গের রেল স্বাভাবিক
ছাদ থেকে পড়ে মেট্রোরেলের কর্মী নিহত
মেট্রোরেলের মালামাল বিক্রি হচ্ছিল ভাঙারির দোকানে
অ্যাশেজের আগে সেরে উঠতে চান পেইন

শেয়ার করুন

বাউল রিতা দেওয়ানসহ ৩ জনের বিচার শুরু

বাউল রিতা দেওয়ানসহ ৩ জনের বিচার শুরু

রিতা দেওয়ানসহ তিনজনের বিচার শুরু হয়েছে সাইবার ট্রাইব্যুনালে। ফাইল ছবি

ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন সোমবার আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী বছরের ২৭ জানুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ঠিক করেন।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় বাউল রিতা দেওয়ানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দিয়েছে সাইবার ট্রাইব্যুনাল।

এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো আসামিদের বিচার।

ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন সোমবার আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী বছরের ২৭ জানুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ঠিক করেন।

বিচার শুরু হওয়া অপর দুই আসামি হলেন শাজাহান ও ইকবাল হোসেন।

সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর নজরুল ইসলাম শামীম অভিযোগ গঠনের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

আজ তিন আসামিই আদালতে হাজির হন। তাদের পক্ষে আইনজীবীরা অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন করা হয়।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের কাছে জানতে চান, তারা দোষী নাকি নির্দোষ। আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান। এরপর আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেয়।

গত বছরের ৩১ জানুয়ারি আইনজীবী ইমরুল হাসান রিতা দেওয়ানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি করেন ।

অভিযোগে বলা হয়, ইমরুল ফেসবুক ও ইউটউিবে দেখতে পান, রিতা দেওয়ান একটি পালা গানের আসরে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করতে গিয়ে ধর্মীয় বিষয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন।

অভিযোগটি তদন্তে পুলিশের বিশেষায়িত সংস্থা পিবিআইয়ের কাছে প্রতিবেদন চান বিচারক।

গত বছরের ২০ অক্টোবর পিবিআইয়ের পরিদর্শক শেখ মো. মিজানুর রহমান তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। সেই প্রতিবেদন আমলে নিয়ে গত বছরের ২ ডিসেম্বর আদালত রিতা দেওয়ানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। পরে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন রিতা।

১ ফেব্রুয়ারি ইউটিউবে ভাইরাল গানটির বিষয়ে ক্ষমা চেয়েছেন রিতা দেওয়ান।

‘গান রুপালি এইচডি’ নামক একটি ইউটিউব চ্যানেলে দুই মেয়েসহ করা একটি ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘এ কথাটা আমার ভুল হয়ে গেছে। মুসলিম ভাই-বোনদের কাছে আমি বলব, আমার ভুল হয়ে গেছে। আমাকে ক্ষমা করে দেবেন। আমি যেন আর কোনো দিনও ভুল না করি।’

আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তরুণের মৃত্যু, তদন্তে মেট্রোরেলের মালামাল চুরির তথ্য
বন্ধের ২ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে উত্তর-দক্ষিণবঙ্গের রেল স্বাভাবিক
ছাদ থেকে পড়ে মেট্রোরেলের কর্মী নিহত
মেট্রোরেলের মালামাল বিক্রি হচ্ছিল ভাঙারির দোকানে
অ্যাশেজের আগে সেরে উঠতে চান পেইন

শেয়ার করুন

পাঁচ বছরের কন্যাকে মায়ের জিম্মায় দিতে রুল

পাঁচ বছরের কন্যাকে মায়ের জিম্মায় দিতে রুল

শিশুটির মায়ের পক্ষের আইনজীবী আব্দুল কাইয়ুম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আদালত আমাদের আবেদনের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছে। সেই সঙ্গে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শিশুটিকে বিদেশে নেয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।’

পাঁচ বছরের কন্যাকে দেশের বাইরে না নিতে বাবা মুসফেক আলমের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে ওই সন্তানকে মায়ের জিম্মায় দিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত।

এ সংক্রান্ত এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার বিচারপতি মাহমুদুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে মায়ের পক্ষে শুনানি করেন খুরশীদ আলম খান, জেড আই খান পান্না ও এম. আব্দুল কাইয়ুম।

পরে আব্দুল কাইয়ুম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আদালত আমাদের আবেদনের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছেন। সেই সঙ্গে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শিশুটিকে বিদেশে নেয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।’

তিনি বলেন, গত ১৭ মাস ধরে শিশু কন্যাকে মা দেখতে পাচ্ছেন না। সন্তানকে নিজের জিম্মায় চেয়ে মা নিম্ন আদালতে আবেদন করেছিলেন। নিম্ন আদালত শিশুটিকে ভার্চুয়ালি দেখার সুযোগ দিয়ে আবেদনটি খারিজ করে দেয়। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। আদালত শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেয়।

৫ বছরের কন্যা সন্তানকে নিজের জিম্মায় নিতে গত ২০ অক্টোবর হাইকোর্টে আবেদন করেন শিশুটির মা তাসনোভা ইকবাল। আবেদনে সন্তানকে দেড় বছর ধরে দেখতে না দেয়ার অভিযোগ আনা হয়। এ ছাড়া, শিশুকে বিদেশ না নিতে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়।

এতে বিবাদী করা হয় শিশুটির বাবা মুসফেক আলম সৈকত, দাদা পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম ও দাদী মোমতাজ আলমকে।

রাজধানী গুলশানের বাসিন্দা তাসনোভা ইকবালের বাবা ইকবাল কামাল ও মা নাজমা সুলতানা।

আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তরুণের মৃত্যু, তদন্তে মেট্রোরেলের মালামাল চুরির তথ্য
বন্ধের ২ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে উত্তর-দক্ষিণবঙ্গের রেল স্বাভাবিক
ছাদ থেকে পড়ে মেট্রোরেলের কর্মী নিহত
মেট্রোরেলের মালামাল বিক্রি হচ্ছিল ভাঙারির দোকানে
অ্যাশেজের আগে সেরে উঠতে চান পেইন

শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধু হত্যার ‘কুশীলব’ খুঁজতে তদন্ত কমিশন চেয়ে রিট

বঙ্গবন্ধু হত্যার ‘কুশীলব’ খুঁজতে তদন্ত কমিশন চেয়ে রিট

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডিতে নিজ বাসভবনে কিছু বিপদগামী সেনার হাতে সপরিবারে হত্যার শিকার হন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

আইনজীবী সুবীর নন্দী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র এবং তার পরের পদক্ষেপ সম্পূর্ণ পর্যালোচনা ও নিরীক্ষার জন্য একটি স্বাধীন জাতীয় কমিশন চেয়ে রিট করেছি।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরীবারে হত্যার পেছনের ‘কুশীলবদের’ খুঁজে বের করতে তদন্ত কমিশন গঠনের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সুবীর নন্দী দাস হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট করেন।

রিটে মন্ত্রী পরিষদ সচিব, আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং অর্থ সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

আইনজীবী সুবীর নন্দী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র এবং তার পরের পদক্ষেপ সম্পূর্ণ পর্যালোচনা ও নিরীক্ষার জন্য একটি স্বাধীন জাতীয় কমিশন চেয়ে রিট করেছি।’

রিটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কদের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত কমিশন গঠনের নজির এবং সংশ্লিষ্ট আইনের আলোকে বিভিন্ন দেশের আদালতের রায়ের আলোকে যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে।

বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির জন্য আগামী সপ্তাহে উপস্থাপন করা হবে বলেও জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী।

আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তরুণের মৃত্যু, তদন্তে মেট্রোরেলের মালামাল চুরির তথ্য
বন্ধের ২ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে উত্তর-দক্ষিণবঙ্গের রেল স্বাভাবিক
ছাদ থেকে পড়ে মেট্রোরেলের কর্মী নিহত
মেট্রোরেলের মালামাল বিক্রি হচ্ছিল ভাঙারির দোকানে
অ্যাশেজের আগে সেরে উঠতে চান পেইন

শেয়ার করুন

সাতক্ষীরার চারজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত শেষ

সাতক্ষীরার চারজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত শেষ

ধানমন্ডির তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির প্রধান সানাউল হক। ছবি: নিউজবাংলা

সংস্থাটি জানায়, সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ ও দেবহাটা থানা এলাকার বাসিন্দা আকবর আলী শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করা হয়েছে। চার আসামির মধ্যে আকবর আলী ছাড়া অন্যরা পলাতক রয়েছে।

একাত্তরে সংঘটিত হত্যা, গণহত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠণসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

সোমবার ধানমন্ডির তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির প্রধান সানাউল হক এ তথ্য জানান। এটি তদন্ত সংস্থার ৭৯তম প্রতিবেদন।

সংস্থাটি জানায়, সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ ও দেবহাটা থানা এলাকার বাসিন্দা আকবর আলী শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করা হয়েছে। চার আসামির মধ্যে আকবর আলী ছাড়া অন্যরা পলাতক রয়েছে।

চার আসামির বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ এনে তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে।

অভিযোগ-১ এ বলা হয়েছে- ১৯৭১ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর আনুমানিক সময় ৪টার সময় রহমতুল্লা মোড়ল, তার ছেলে গোলাম মোস্তফা মোড়লকে সঙ্গে করে সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানাধীন নলতা হাটে বাজার করতে যান।

এ সময় মুক্তিযোদ্ধা আনছারুল মাহমুদ নলতা হাটে সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ সড়কের একটি বাসে পাকিস্তানি সেনা থাকার সন্দেহে গ্রেনেড ছুড়ে। কিন্তু তাতে কেউ হতাহত হয়নি। গ্রেনেড ছুড়ার প্রতিশোধ নিতে বিকেল ৫টার দিকে আসামিরা পাকিস্তানি আর্মির সঙ্গে ইন্দ্রনগর মাদ্রাসায় একত্র হয়ে নলতা হাটে আক্রমণ করে। এ সময় রাজাকাররা স্বরাব্দীপুর গ্রামের মাদার আলী গাজীকে গুলি করে হত্যা করে।

এ ঘটনায় রাজাকারদের গুলিতে ইন্দ্রনগর গ্রামের আব্দুল রহমান ওরফে মেদু মোড়ল ও রহমতুল্লাহ মোড়ল গুরুতর আহত হন। ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায় নিজ বাড়িতে রহমতুল্লাহ মোড়লের মৃত্যু হয়।

অভিযোগ- ২ এ বলা হয়, ১৯৭১ সালে ৬ মে আনুমানিক ১২টার সময় সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানার ইন্দ্রনগর মাদ্রাসার রাজাকার ক্যাম্প হতে আসামিরাসহ পাকিস্তানি সেনারা দেবহাটার হাদিপুর গ্রামের ঘোষবাড়িতে হামলা করে।

সেখান থেকে নরেন্দ্রনাথ ঘোষকে আটক করে বাড়ির পেছনে নিয়ে গুলি হত্যা করে লাশ পুকুরে ফেলে দেয়। এরপর তারা শরৎচন্দ্র ঘোষ, গোপিনাথ ঘোষ, হেমনাথ ঘোষ এবং ওয়াজেদ আলী বিশ্বাসকে আটক করে বাড়ির দক্ষিণ দিকে ডোবায় নিয়ে সারিবদ্ধভাবে হত্যা করে লাশ পানিতে ফেলে রাখে। সেখানে নরেন্দ্রনাথ ঘোষের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বাধা দিতে গেলে আসামিরা তাকে আটক করে নির্যাতন করে। ঘোষ বাড়ির মালামাল লুট করে এবং অগ্নিসংযোগ করে।

মামলার তদন্ত করেন শাহজাহান কবীর। এ মামলায় ১৯ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তরুণের মৃত্যু, তদন্তে মেট্রোরেলের মালামাল চুরির তথ্য
বন্ধের ২ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে উত্তর-দক্ষিণবঙ্গের রেল স্বাভাবিক
ছাদ থেকে পড়ে মেট্রোরেলের কর্মী নিহত
মেট্রোরেলের মালামাল বিক্রি হচ্ছিল ভাঙারির দোকানে
অ্যাশেজের আগে সেরে উঠতে চান পেইন

শেয়ার করুন