‘আমি কাগজে বলে মইরে গেছিগে’

জাতীয় পরিচয়পত্রে মৃত

মাদারগঞ্জ পৌরসভার বানীকুঞ্জ এলাকার মোছাম্মত শাপলা জীবিত হলেও জাতীয় পরিচয়পত্রে তাকে মৃত দেখানো হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

মোখলেছ বলেন, ‘গ্রামের লোক এখন আমারে দেখলে বলে মৃত মোখলেছ। মানে মানুষের কাছে আমি হাসির এডা খুরাগ হয়ে দাঁড়াইছি। আমার আইডিডা যাতে দ্রুত সংশোধন হয় আর যে এই কাজটা করছে তার কঠোর শাস্তি চাই আমি।’

জামালপুরের মাদারগঞ্জ পৌরসভার চরগাবের মো. মোখলেছ। তার জন্ম ১৯৮২ সালের ২ মার্চ। কৃষিকাজ আর মাঝে মাঝে রাজমিস্ত্রির কাজ করে দুই ছেলে, স্ত্রী ও মাকে নিয়ে দিব্যি চলছে জীবন।

তবে বাস্তব জীবনে জীবিত মোখলেছ সরকারের খাতায় মৃত। করোনাভাইরাসের টিকার নিবন্ধনের সময় বিষয়টি প্রথম জানতে পারেন। নিবন্ধনের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর কিছুতেই নেয় না কম্পিউটার সিস্টেম।

এরপর উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারেন, তার জাতীয় পরিচয়পত্রের স্ট্যাটাস মৃত দেয়া।

মোখলেছ নিউজবাংলাকে বলেন, “আমি করোনার টিকা নিতে যায়ে দেখি আমার আইডি শো করে না। নির্বাচন অফিসে গেলে বলে, ‘আপনে তো মৃত।’ আমি এখন আইডিডার জন্য ভ্যাকসিন নিতে পারতাছি না। আইডি দিয়ে আর যেগুলা কাজ সেগুলাও করা পাইতাছি না।”

মোখলেছের মৃত্যুর খবর জানতে পেরে অনেকেই তার বাড়িতে আসেন। তাদেরই একজন বলেন, ‘মোখলেছ মারা গেছে শুনে আইসে দেখি সে মরে নাই। কাজবাজ করতাছে। ভোটার কার্ডে ভুল করছে।’

মোখলেছ বলেন, ‘গ্রামের লোক এখন আমারে দেখলে বলে মৃত মোখলেছ। মানে মানুষের কাছে আমি হাসির এডা খুরাগ হয়ে দাঁড়াইছি। আমার আইডিডা যাতে দ্রুত সংশোধন হয় আর যে এই কাজটা করছে তার কঠোর শাস্তি চাই আমি।’

শুধু মোখলেছ নন, মাদারগঞ্জের নয়জন এমন বিড়ম্বনায় পড়েছেন বলে জানতে পেরেছে নিউজবাংলা। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তারা মৃত হওয়ায় বঞ্চিত হচ্ছেন বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে।

মাদারগঞ্জ পৌরসভার বীর গোপালপুরের ফকির আলী ঘোড়া লালন-পালন করে বিক্রি করেন। ২০১৮ সালের শুরুর দিক পর্যন্ত তিনি সরকারি ত্রাণ সহায়তা পেয়েছেন। সে বছর ভোটার তালিকা হালনাগাদের পর থেকে বন্ধ হয়ে যায় সব রকম সরকারি সুবিধা।

পরে জানতে পারেন, জাতীয় পরিচয়পত্রে তাকে মৃত দেখানো হয়েছে। নিজে যেমন বিভিন্ন সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, তেমনি ছেলের পাসপোর্ট করতেও তৈরি হয়েছে জটিলতা।

‘আমি কাগজে বলে মইরে গেছিগে’
মাদারগঞ্জ পৌরসভার বীর গোপালপুরের ফকির আলী

ফকির আলী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি আইডি কার্ড বেগরে (ছাড়া) বেটার পাসপোর্ট কইরতে পারছিনে। মৃত হয়ে আছি। সরকারের কোনো মালটাল পাইতাছিনে। নেতাগোরে কাছে গেলে কয় তোমার আইডি কার্ডের ঠিক নাই।

‘এই আইডি কার্ডের জন্য কত দৌড়াদৌড়ি পারতাছি। আমার কোনো কাম হয়তাছে না।’

এই পৌরসভার বানীকুঞ্জ এলাকার মোছাম্মত শাপলা ২০১৬ সালে পৌরসভা নির্বাচনে ভোট দিতে গিয়ে জানতে পারেন তার জাতীয় পরিচয়পত্রের এই সমস্যার কথা। এরপর বেশ কয়েকবার আবেদনের পরও সংশোধন না হলে ২০২১ সালে আবার সব নিয়ম মেনে আবেদন করেন। জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য জমিজমাসংক্রান্ত জটিলতায় পড়েছেন শাপলা।

ষাটোর্ধ্ব এই নারী বলেন, ‘২০১৬ সালে ভোটার কার্ডে আমারে মৃত বানাই থুইছে। এই ভোটার কার্ডের জন্য আমি আবেদন করছি। জমির কাগজপাতি করবের পাইতাছিনে। এল্লা জমিন বেছমু, এল্লা জমিন কিনমু তাও পাইতাছিনে। এই জন্যে সমস্যা। আমি কাগজে বলে মইরে গেছিগে, বাস্তবে আমি বাঁইচে আছি।’

শাপলার ছেলে মো. শাহিন বলেন, ‘কাদম্বিনী মরে প্রমাণ করেছিলেন তিনি মরেন নাই। এখন আমার মারেও মরে প্রমাণ করতে হবে তিনি মরেন নাই। আমি চাই যত দ্রুত সম্ভব তার আইডি কার্ড ঠিক কইরে দিক।’

এই তিনজন ছাড়া জীবিত হয়েও মৃতদের তালিকায় আছেন মোছাম্মত কমেলা, নজির হোসেন মণ্ডল, শ্রীমতী মায়া রানী, ফটিক মণ্ডল, মোছাম্মত লাভলী ও আলী হোসাইন।

এমন ভুলের বিষয়ে মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জামান হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘ভোটার তালিকা হালনাগাদ করেন একজন শিক্ষক। একজন প্রধান শিক্ষক ও স্থানীয় কাউন্সিলরও সেই কমিটিতে থাকেন।

‘ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় একজন শিক্ষক যদি সংশ্লিষ্ট ভোটারের বা মৃত ভোটারের, তার ছেলে বা তার আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ভোটার আইডি কার্ডটা না নিয়ে অন্য কারো কথায় হালনাগাদ করে, তাহলে ভুল হবেই। এক ডিজিটের জায়গায় অন্য ডিজিট লেখায় সমস্যা হয়ে যায়।’

নির্বাচন কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘আমরা নয়টা আবেদন পেয়েছি। এগুলো যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি। শিগগিরই ঠিক হয়ে যাবে।’

জামালপুরের মানবাধিকারকর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, ‘কারও কারও অসচেতনতার কারণে এতগুলো মানুষ কষ্ট ভোগ করছে। যারা এমন ভুল করেছে তাদের খুঁজে বের করে শাস্তি দিতে হবে।’

আরও পড়ুন:
জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া মামলা হবে না

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পদ্মার ভাঙনে রাজবাড়ীতে ১০০ মিটার বিলীন

পদ্মার ভাঙনে রাজবাড়ীতে ১০০ মিটার বিলীন

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল আহাদ বলেন, ‘পদ্মায় পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে প্রচণ্ড ঢেউ সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে বেড ম্যাটেরিয়াল সরে গিয়ে ওপরের সিসি ব্লকগুলো দেবে ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙনকবলিত স্থানে বালুভর্তি ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।’

রাজবাড়ীতে পদ্মা নদীর ভাঙনে তীর রক্ষা বাঁধের প্রায় ১০০ মিটার বিলীন হয়ে গেছে।

পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে ভাঙন শুরু হয়। দুপুরের মধ্যে ১০০ মিটার ভেঙে যায়।

তীর রক্ষা বাঁধে ভাঙন শুরু হওয়ায় ঝুঁকিতে রয়েছে শহর রক্ষা বাঁধ। স্থানীয়রা অন্য জায়গায় সরে যাচ্ছেন।

৯ নম্বর ওয়ার্ডের মাকসুদা আক্তার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আগে নদী অনেক দূরে ছিল। ভাঙতে ভাঙতে এত কাছে চলে এসেছে যে আমাদের বসতভিটাও নদীতে চলে যাচ্ছে। আমাদের আর যাওয়ার কোনো জায়গা নেই।’

একই এলাকার রাসেল শেখ বলেন, ‘আমরা আতঙ্কে আছি কখন শহর রক্ষা বাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। স্থায়ী কোনো কাজ না হওয়ায় এই অবস্থা।’

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল আহাদ বলেন, ‘পদ্মায় পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে প্রচণ্ড ঢেউ সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে বেড ম্যাটেরিয়াল সরে গিয়ে ওপরের সিসি ব্লকগুলো দেবে ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙনকবলিত স্থানে বালুভর্তি ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।’

পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮৫ সাল থেকে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত নদীতে বিলীন হয়েছে ৯ হাজার ৯৬০ হেক্টর জমি। এর মধ্যে আছে সদর উপজেলা থেকে গোয়ালন্দ উপজেলা পর্যন্ত ৮ হাজার হেক্টর, সদর থেকে কালুখালী পর্যন্ত ২৬০ হেক্টর, কালুখালী থেকে পাংশা উপজেলা পর্যন্ত ১ হাজার ৭ শ হেক্টর জমি।

২০০৮ সাল থেকে ২০১৮ পর্যন্ত স্থায়ীভাবে নদী ভাঙন রোধে তিনটি প্রকল্পে ৫৫০ কোটি ৬৩ লাখ টাকা বরাদ্দ এসেছে।

আরও পড়ুন:
জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া মামলা হবে না

শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ফ্লাইওভারে ফাটল গুজব: প্রকল্প পরিচালক

চট্টগ্রামে ফ্লাইওভারে ফাটল গুজব: প্রকল্প পরিচালক

চট্টগ্রামের এম এ মান্নান ফ্লাইওভারের আরাকান সড়কমুখী র‍্যাম্পের পিলারে ফাটলের কারণে সোমবার রাত ১০টা থেকে যান চলাচল বন্ধ। ছবি: নিউজবাংলা

চট্টগ্রামের ফ্লাইওভারে ফাটলের অভিযোগ নাকচ করছেন প্রকল্প পরিচালক মাহফুজুর রহমান। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এটা যদি ক্র‌্যাক হতো, কলাম-ই ভেঙে পড়ত, হেলে যেত। তবু একটা যেহেতু রিউমার উঠছে, এটা ভালো করে চেক করে তারপর চালু করা হবে।’

ফ্লাইওভারে দেখা যাওয়া ফাটলকে গুজব বলে দাবি করেছেন চট্টগ্রাম নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক মাহফুজুর রহমান।

নিউজবাংলাকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি বলেন, ‘যে ফাটলের কথা বলা হচ্ছে সেটি আসলে কোনো ফাটল না। যা দেখা যাচ্ছে তা আসলে ফলস কাস্টিং। কলাম যখন একটা লিফট থেকে আরেকটা লিফটে ঢালাই হয় তখন কিছু ফলস কাস্টিং বের হয়ে যায়। সাটারের ভেতর দিয়ে বা কোনো রকম গ্যাস-ট্যাস থেকে এরকম কিছু ফলস কাস্টিং বের হতে পারে। এটা ফলস কাস্টিংয়েরই একটা ক্র‌্যাক দেখা যাচ্ছে। এটা কলামের ক্র্যাক না।’

তাহলে এটাকে বিপজ্জনক বলা হচ্ছে কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা বিপজ্জনক না, কিছুই না। এটা কী ভেঙে পড়ছে? এটা তো ভেঙে পড়ে নাই। কোনো কিছু হেলে পড়ছে? কলামে কোনো ডিসমিস হয়েছে?’

ওই র‌্যাম্প দিয়ে যান চলাচল বন্ধের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তবু যেহেতু একটা কথা উঠছে, আমাদের এক্সপার্টরা আছেন, তারা দেখে মতামত দিলে তারপর ব্যবস্থা নেব।’

‘একটা ফ্লাইওভারে যদি ক্র‌্যাক দেখা দেয়, সেটাকে আনক্র‌্যাক বলতে পারবেন? আবার যদি আনক্র‌্যাক হয়, সেটাকে ক্র‌্যাক বলতে পারবেন? এটা সেন্সিটিভ ব্যাপার। এটা যদি ক্র‌্যাক হতো, কলাম-ই ভেঙে পড়ত, হেলে যেত। তবু একটা যেহেতু রিউমার উঠছে, এটা ভালো করে চেক করে তারপর চালু করা হবে।’

চট্টগ্রামের এম এ মান্নান ফ্লাইওভারে আরাকান সড়কমুখী র‌্যাম্পের একটি পিলারে সোমবার ফাটল দেখা দেয়। এর পর থেকে আরাকান সড়কমুখী র‌্যাম্পে যান চলাচল বন্ধ করে দেয় পুলিশ।

ফ্লাইওভারের ফাটলস্থল পরিদর্শন করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম। এ সময় ফাটলের জন্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (সিডিএ) দোষারোপ করে বলেন, ‘ফ্লাইওভারের মূল নকশায় র‍্যাম্পের অস্তিত্ব ছিল না। সিডিএ এটা যুক্ত করেছে। তাই তারা ত্রুটি বের করে ব্যবস্থা নেবে।’

ফাটলের ঘটনা তদন্তে সিটি করপোরেশন সহযোগিতা করবে জানিয়ে মেয়র বলেন, ‘যেসব ঠিকাদার এখানে কাজ করেছেন তাদের ত্রুটি আছে কি না, তা খুঁজে বের করবে সিডিএ। আমাদের পক্ষ থেকে তাদের সহযোগিতা করা হবে।’

তবে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস নিউজবাংলাকে বলেছেন, ‘ফ্লাইওভারটা আগের চেয়ারম্যানের সময় তৈরি করা হয়েছিল। তাই এ বিষয়ে কথা বলা যাচ্ছে না। ঘটনাস্থলে আমাদের লোক আছে। আমরা মন্ত্রণালয়ের একটি মিটিংয়ে যোগ দিতে ঢাকায় এসেছি। চট্টগ্রামে ফিরে পিলারগুলো পরীক্ষা করার পর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া মামলা হবে না

শেয়ার করুন

শুঁটকি আহরণে দুবলার পথে জেলেরা

শুঁটকি আহরণে দুবলার পথে জেলেরা

শুঁটকি আহরণে সুন্দরবনের দুবলার চরের উদ্দেশে উপকূল ছেড়েছেন জেলেরা। ছবি: নিউজবাংলা

পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, অন্যান্য বছর নভেম্বর থেকে শুরু হলেও এ বছর ইলিশের প্রজনন রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় আজ থেকে সুন্দরবনে শুটকি আহরণ মৌসুম শুরু হয়েছে। এবারের মৌসুমে দুবলার চরে জেলেদের জন্য ৯৮০টি ঘর ও ৬৬টি ডিপোর তৈরির অনুমোদন দেয়া হয়েছে

সুন্দরবনের দুবলার চরে শুরু হয়েছে শুঁটকি আহরণ মৌসুম, যা চলবে ৩১ মার্চ পর্যন্ত।

মৌসুম ঘিরে সুন্দরবনের দুবলার চরের উদ্দেশে উপকূল ছেড়েছেন জেলে-মহাজনরা। বন বিভাগ বলছে, শুধু বাগারহাট থেকেই দুবলার চরে যাবেন ৮ থেকে ১০ হাজার জেলে। সব মিলে উপকূলীয় এলাকা থেকে সেখানে সমাগম হবে ২০ হাজারের বেশি মানুষের।

বনবিভাগের কাছ থেকে অনুমতি পাওয়ার পর অনেক জেলে মঙ্গলবার সকালেই চরের উদ্দেশে রওনা দেন। কেউ কেউ আবার যাত্রা করেছেন রাত ১২টার দিকে।

বাগেরহাট পূর্ব সুন্দরবন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিবছর শীত মৌসুমে সুন্দরবনের দুবলা, মেহের আলীর চর, আলোরকোল, অফিস কিল্লা, মাঝের কিল্লা, শেলার চর, নারিকেলবাড়িয়া, ছোট আমবাড়িয়া, বড় আমবাড়িয়া, মানিক খালী, কবরখালী, চাপড়াখালীর চর, কোকিলমনি ও হলদাখালীর চরে জেলে ও মহাজনরা জড়ো হন সমুদ্রে মাছ ধরতে। এ সব চরে অস্থায়ী ঘর নির্মাণ করেন জেলেরা। পরে সুন্দরবনের চরগুলোতে শুরু করেন শুঁটকি তৈরির কাজ। পর তা দেশের বিভিন্ন এলাকাসহ বিদেশেও পাঠানো হয়।

পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, অন্যান্য বছর নভেম্বর থেকে শুরু হলেও এ বছর ইলিশের প্রজনন রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় আজ থেকে সুন্দরবনে শুটকি আহরণ মৌসুম শুরু হয়েছে। এবারের মৌসুমে দুবলার চরে জেলেদের জন্য ৯৮০টি ঘর ও ৬৬টি ডিপোর তৈরির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। মৌসুম জুড়ে চরে প্রায় ১০ হাজার জেলের সমাগম থাকবে।

তিনি আরও বলেন, গত বছর শুটকি মৌসুম থেকে ৩ কোটি ২২ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছিল। এবার যেহেতু একটু আগে ভাগে মৌসুম শুরু হয়েছে তাই এবার ৪ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া মামলা হবে না

শেয়ার করুন

বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগে ছাত্রদল নেতাকে পিটুনি

বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগে ছাত্রদল নেতাকে পিটুনি

মারধরের শিকার মাসুদ রানা জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি ও বেড়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি রওশন আলী জানান, কিছুদিন ধরে রূপপুর ইউনিয়নের এক প্রবাসীর স্ত্রী সঙ্গে মাসুদ রানার বিয়েবহির্ভূত সম্পর্ক চলছিল। সোমবার দুপুরে ওই গৃহবধূর এক ভাইয়ের বাসা থেকে তাদের দুজনকে ‘আপত্তিকর অবস্থায়’ আটক করেন স্থানীয়রা। পরে মাসুদ উত্তেজিত লোকজনের পিটুনির শিকার হন।

বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ তুলে পাবনার আমিনপুরে ছাত্রদলের এক নেতাকে পিটুনি দিয়েছে এলাকাবাসী।

পুলিশ বলছে, উপজেলার রূপপুর ইউনিয়নের ভূয়াপাড়া এলাকায় সোমবার ঘটনাটি ঘটে।

মারধরের শিকার মাসুদ রানা জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি ও বেড়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।

এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, কিছুদিন ধরে রূপপুর ইউনিয়নের এক প্রবাসীর স্ত্রী সঙ্গে মাসুদ রানার বিয়েবহির্ভূত সম্পর্ক চলছিল। সোমবার দুপুরে ওই গৃহবধূর এক ভাইয়ের বাসা থেকে তাদের দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেন স্থানীয়রা।

পরে মাসুদ রানা উত্তেজিত লোকজনের পিটুনির শিকার হন। একপর্যায়ে ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালান মাসুদ।

পুলিশ ওই গৃহবধূকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আমিনপুর থানায় নিয়ে যায়।

মাসুদ রানার দলীয় পরিচয় নিশ্চিত করে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান প্রিন্স বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা কোনো অভিযোগ পাইনি। ফেসবুকে বিষয়টি জেনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে দলীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আমিনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রওশন আলী জানান, ওই নারীকে রোষাণল থেকে বাঁচাতে পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়। রাতে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া মামলা হবে না

শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ফ্লাইওভারে ফাটল: সিডিএকে দুষছেন সিটি মেয়র

চট্টগ্রামে ফ্লাইওভারে ফাটল: সিডিএকে দুষছেন সিটি মেয়র

চট্টগ্রামের এম এ মান্নান ফ্লাইওভারের আরাকান সড়কমুখী র‍্যাম্পের পিলারে ফাটলের কারণে সোমবার রাত ১০টা থেকে যান চলাচল বন্ধ। ছবি: নিউজবাংলা

চট্টগ্রাম সিটি মেয়র রেজাউল করিম বলেন, ‘যেসব ঠিকাদার এখানে কাজ করেছেন তাদের ত্রুটি আছে কি না, তা খুঁজে বের করবে সিডিএ। আমাদের পক্ষ থেকে তাদের সহযোগিতা করা হবে।’

চট্টগ্রামের এম এ মান্নান ফ্লাইওভারের আরাকান সড়কমুখী র‍্যাম্পের পিলারে ফাটলের ঘটনায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (সিডিএ) দুষছেন সিটি মেয়র রেজাউল করিম।

তিনি বলেন, ‘ফ্লাইওভারের মূল নকশায় র‍্যাম্পের অস্তিত্ব ছিল না। সিডিএ এটা যুক্ত করেছে। তাই তারা ত্রুটি বের করে ব্যবস্থা নেবে।’

ফ্লাইওভারের ফাটলস্থল পরিদর্শন করে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে সাংবাদিকদের এসব জানান রেজাউল করিম।

তিনি বলেন, ‘ফ্লাইওভারের নির্মাণকাজ করেছে সিডিএ। ফাটলের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে আজকেই তাদের চিঠি দেব। কারণ যেকোনো সময় এখানে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’

ফাটলের ঘটনা তদন্তে সিটি করপোরেশন সহযোগিতা করবে জানিয়ে মেয়র বলেন, ‘যেসব ঠিকাদার এখানে কাজ করেছেন তাদের ত্রুটি আছে কি না, তা খুঁজে বের করবে সিডিএ। আমাদের পক্ষ থেকে তাদের সহযোগিতা করা হবে।’

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস মুঠোফোনে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ফ্লাইওভারে র‌্যাম্পে ফাটলের বিষয়টি শুনেছি। ফ্লাইওভারটা আগের চেয়ারম্যানের সময় তৈরি করা হয়েছিল। তাই এ বিষয়ে কথা বলা যাচ্ছে না। ঘটনাস্থলে আমাদের লোক আছে। আমরা মন্ত্রণালয়ের একটি মিটিংয়ে যোগ দিতে ঢাকায় এসেছি। চট্টগ্রামে ফিরে পিলারগুলো পরীক্ষা করার পর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

ফাটলের কারণে চট্টগ্রামের এম এ মান্নান ফ্লাইওভারের আরাকান সড়কমুখী র‌্যাম্পে সোমবার রাত ১০টা থেকে যান চলাচল বন্ধ। মঙ্গলবার সকাল থেকে ফ্লাইওভারের দুই পাশের সড়কে দেখা গেছে যানবাহনের তীব্র চাপ।

চট্টগ্রামে ফ্লাইওভারে ফাটল: সিডিএকে দুষছেন সিটি মেয়র

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (ট্রাফিক-উত্তর) মমতাজ উদ্দিন বলেন, ‘আমরা প্রকল্প ম্যানেজারের কাছ থেকে খবর পেয়ে রাতেই ওই র‌্যাম্পে যান চলাচল বন্ধের ব্যবস্থা করি। এতে মুরাদপুরমুখী ও আরাকান সড়কমুখী গাড়িগুলো ফ্লাইওভারে উঠতে পারছে না।’

ফ্লাইওভারের যে পিলারে ফাটল দেখা দিয়েছে তার কাছাকাছি ফুটপাতে জুতা সেলাইয়ের কাজ করেন নির্মল গুরাইয়া। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এই পিলারে ফাটল আসলে অনেক দিন ধরেই ছিল। তবে গতকাল ফাটলটা কিছুটা বেড়ে গেছে।’

ফুটপাতে মাস্ক বিক্রেতা মো. মাসুদ বলেন, ‘আমি ৩ মাস আগে থেকে এই পিলারে ফাটল দেখতেছি। তবে গতকাল ফাটলটা বেড়ে গেছে বলে মনে হচ্ছে।’

বহদ্দারহাটের চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার বাসিন্দা ছানোয়ার হোসেন বলেন, ‘প্রতিদিন প্রাইভেট কারে করে ফ্লাইওভার হয়ে কালামিয়া বাজারে কর্মস্থলে যাই। কিন্তু আজকে তো দেখতেই পাচ্ছেন, পুরা রোড জ্যাম।’

আরও পড়ুন:
জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া মামলা হবে না

শেয়ার করুন

সাম্প্রদায়িক হামলার পরিকল্পনা লন্ডনে বসে: তথ্যমন্ত্রী

সাম্প্রদায়িক হামলার পরিকল্পনা লন্ডনে বসে: তথ্যমন্ত্রী

রাজশাহী সার্কিট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা

মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্য শুনলে মনে হয়, ঠাকুর ঘরে কে রে, আমি কলা খাইনি। কাজটা তারা করে, তারপর টেলিভিশনের সামনে গিয়ে বড় বড় কথা বলে।’

দুর্গাপূজার সময় কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা হয়েছে, তার পরিকল্পনা লন্ডনে বসে করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি সাম্প্রদায়িক হামলা দেশের শান্তি নষ্ট করার জন্যই ঘটানো হয়েছে। এর পরিকল্পনা হয়েছে লন্ডনে বসে। আপনারা দেখেছেন না, বিএনপি প্রায় এক মাস ধরে বৈঠক করছে? প্রকাশ্যে বৈঠক করেছে আর গোপনে ষড়যন্ত্র করেছে।

‘সেই ষড়যন্ত্রেরই অংশ হচ্ছে এই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে দুর্গাপূজার সময় পূজামণ্ডপে হামলা করা, আমাদের পবিত্র কোরআন শরিফ পূজামণ্ডপে রেখে আসা।’

রাজশাহী সার্কিট হাউসে মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

দুর্গাপূজায় সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যে গত ১৩ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লার একটি পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ পাওয়ার পর ছড়িয়ে পড়ে সহিংসতা।



নানুয়ার দিঘির পাড়ের ওই মণ্ডপে চলে ব্যাপক ভাঙচুর, আক্রান্ত হয় নগরীর আরও বেশকিছু পূজামণ্ডপ। পরে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে চাঁদপুর, নোয়াখালী, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায়।

মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্য শুনলে মনে হয়, ঠাকুর ঘরে কে রে, আমি কলা খাইনি। কাজটা তারা করে, তারপর টেলিভিশনের সামনে গিয়ে বড় বড় কথা বলে।’

সাম্প্রদায়িক সহিংসতার সঙ্গে জড়িত সবাইকে খুঁজে বের করা হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে রাজনীতি করে বিএনপি-জামায়াত, ধর্মান্ধ-উগ্রবাদীরা। দেশের কোনো সম্প্রদায়ের লোক একে অপরের ধর্মগ্রন্থ অবমাননা করার মানসিকতা পোষণ করে না।

‘সরকার দেশের বিভিন্ন জেলায় সাম্প্রদায়িক সংঘাতের ঘটনার পর ১০২টি মামলা করেছে, সাত শ’র মতো দুষ্কৃতিকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। কঠোর হস্তে সরকার এটি দমন করেছে। সরকারের এই ভূমিকা আন্তর্জাাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত হয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে টেলিভিশনের ক্লিনফিড নিয়েও কথা বলেন মন্ত্রী। হাছান মাহমুদ বলেন, ‘দেশে ১৭ বছর পর ক্লিনফিড কার্যকর হয়েছে। এটি সহজ কাজ ছিল না। আমাদের দেশের আকাশ অবশ্যই উন্মুক্ত। দেশের আইন মেনেই উন্মুক্ত আকাশের সুবিধা নিতে হবে। ক্লিনফিড কার্যকর করায় দেশের গণমাধ্যম উপকৃত হচ্ছে।

‘এর সুফল আপনারা কিছুদিন পরেই দেখতে পাবেন। এরই প্রেক্ষিতে প্রতি বছর এই খাতে দুই হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ হবে। দেশের স্বার্থে জনগণের স্বার্থে এটি করা হয়েছে। এখান থেকে সরকারও ভ্যাট হিসেবে ৫০০ কোটি টাকা পাবে।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিলসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা।

এর আগে সকালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের রাজশাহী উপকেন্দ্র পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। আগামী নির্বাচনের আগে এই কেন্দ্র চালু করা যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া মামলা হবে না

শেয়ার করুন

কাঠাঁলগাছ থেকে শিক্ষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কাঠাঁলগাছ থেকে শিক্ষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রতীকী ছবি

নীলফামারী থানার এসআই জহুরুল ইসলাম জানান, সোমবার রাত ৯টার দিকে খাওয়াদাওয়া শেষে বাড়ি থেকে মন্দিরে যাওয়ার কথা বলে বের হন সুধা রঞ্জন। মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পাশে কাঁঠালগাছের ডালে তাকে ঝুলন্ত দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।

নীলফামারী সদরে এক শিক্ষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়নের উত্তর ডাঙ্গাপাড়া এলাকার বাগান থেকে মঙ্গলবার দুপুরের দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত সুধা রঞ্জন রায়ের বাড়ি ওই এলাকাতেই।

লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ড সদস্য জগদীশ চন্দ্র রায় জানান, তিনি স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেনে শিক্ষকতা করতেন। পাশাপাশি কৃষিকাজ করে তার সংসার চালাতেন।

পরিবারের বরাত দিয়ে নীলফামারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জহুরুল ইসলাম জানান, সোমবার রাত ৯টার দিকে খাওয়াদাওয়া শেষে বাড়ি থেকে মন্দিরে যাওয়ার কথা বলে বের হন রঞ্জন।

মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পাশে কাঁঠালগাছের ডালে তাকে ঝুলন্ত দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেয়।

ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান এসআই।

আরও পড়ুন:
জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া মামলা হবে না

শেয়ার করুন