× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
With proper treatment CML patients recover
google_news print-icon

সঠিক চিকিৎসায় সুস্থ হয় সিএমএল রোগীরা

সঠিক-চিকিৎসায়-সুস্থ-হয়-সিএমএল-রোগীরা
কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন বিএসএমএমইউ উপাচার্য। ছবি: নিউজবাংলা
বিএসএমএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, সিএমএল একধরনের দীর্ঘমেয়াদি রক্তের ক্যানসার। এ রোগ নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে এর সঠিক চিকিৎসা সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। সঠিক চিকিৎসায় এ রোগ সেরে রোগীর সুস্থ জীবনযাপন সম্ভব।

সঠিক চিকিৎসায় রক্তের ক্যানসার ক্রনিক মায়েলয়েড লিউকেমিয়া বা সিএমএল আক্রান্ত রোগীরা পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠে।

বুধবার বিশ্ব সিএমএল দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

এর আগে হেমাটোলজি বিভাগের উদ্যোগে হাসপাতালের ডি ব্লকের সামনে কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন। এ সময় ১৫ তলায় আধুনিক হেমাটোলজি ওয়ার্ডের উদ্বোধনও করেন তিনি।

শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, সিএমএল একধরনের দীর্ঘমেয়াদি রক্তের ক্যানসার। এ রোগ নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে এর সঠিক চিকিৎসা সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। কারণ সঠিক চিকিৎসায় এ রোগ সেরে রোগীর সুস্থ জীবনযাপন সম্ভব।

উপাচার্য বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বিএসএমএমইউর সার্বিক উন্নয়নের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। স্বল্প সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কোভিড ফিল্ড হাসপাতাল চালু করা হয়েছে। রোগীদের চিকিৎসায় অক্সিজেনের সরবরাহ নিশ্চিত করতে ২০ হাজার লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন অক্সিজেন ট্যাংক স্থাপন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ক্যানসারসহ বিভিন্ন জটিল রোগের ওষুধ বর্তমানে দেশেই তৈরি হচ্ছে। বিশ্বের ১৫১টি দেশে বাংলাদেশে ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে। এটি স্বাস্থ্য খাতে বিরাট অর্জন।

বাংলাদেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নেয়ায় ‘এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার’ অর্জনে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে তার নেতৃত্বে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

হেমাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. সালাহউদ্দিন শাহের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এতে উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ হোসেন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. এ কে এম মোশাররফ হোসেন, মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মাসুদা বেগমসহ অনেকেই বক্তব্য দেন।

সালাহউদ্দিন শাহ বলেন, সাধারণত পঞ্চাশ বা ষাটোর্ধ্বদের মধ্যে এ রোগ বেশি দেখা যায়। তবে ত্রিশ বা চল্লিশ বছর বয়সীরাও এতে আক্রান্ত হয়ে থাকে। তুলনামূলকভাবে পুরুষরাই এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়।

সিএমএল রোগের ক্ষেত্রে শরীর দুর্বল, শেষ রাতে ঘাম হওয়া, ওজন হ্রাস পাওয়াসহ বেশ কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। পাশাপাশি অনেকের পেটের বাম পাশে চাকা বা ভারী অনুভূত হতে পারে, যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পায়। ফলে অনেকেই খাবার খেতে না পারা বা অল্প খেলে পেট ভরে যাওয়ার সমস্যায় পড়ে।

অনেক সময় আবার লক্ষণ প্রকাশ পায় না, বরং রুটিন চেকআপ বা অন্য রোগের পরীক্ষা করতে গিয়ে এটি ধরা পড়ে।

অধ্যাপক সালাহউদ্দিন শাহ আরও বলেন, নিয়মিত ওষুধ খেলে ও যথাযথ পর্যবেক্ষণে থাকলে অধিকাংশ রোগীই স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে। কিছু কিছু রোগীর ক্ষেত্রে এলোজেনিক হেমাটোপয়েটিক স্টেম সেল বা বোনমেরো ট্রান্সপ্লান্টেশনের মাধ্যমে রোগ নিরাময় সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, সিএমএল যেহেতু দীর্ঘমেয়াদি রোগ, তাই অনেক ক্ষেত্রেই হতাশা, দুশ্চিন্তা দেখা দিতে পারে। তবে রোগীর আর্থিক সমস্যার কারণে এ বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন।

জাতীয় পর্যায়ে সিএমএল রোগীদের তালিকাবদ্ধ করার মাধ্যমে তাদের সঠিক সংখ্যা নির্ণয় করা এবং সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিতকরণে রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন অত্যন্ত জরুরি।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Bangladesh thanked Egypt for delivering humanitarian aid to Gaza

গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেয়ার মিশরকে ধন্যবাদ জানাল বাংলাদেশ

গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেয়ার মিশরকে ধন্যবাদ জানাল বাংলাদেশ
বাংলাদেশে নিযুক্ত মিশরের রাষ্ট্রদূত ওমর মোহি এলদিন আহমেদ ফাহমি ঢাকায় বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে ঢাকার পক্ষ থেকে এ কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।

গাজার দুস্থ ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাঠানো মানবিক সহায়তার তিনটি চালান সরবরাহের সুবিধার্থে সময়োপযোগী সহায়তা দেয়ার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ মিশর সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত মিশরের রাষ্ট্রদূত ওমর মোহি এলদিন আহমেদ ফাহমি ঢাকায় বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে ঢাকার পক্ষ থেকে এ কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। খরব বাসসের

বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গাজায় বেসামরিক নাগরিক বিশেষ করে নারী ও শিশুদের আরও হতাহতের ঘটনা এড়াতে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে ওআইসি ও আরব লীগের সদস্য হিসেবে মিশরকে জোরালো আওয়াজ তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রদূত এ সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করায় মাহমুদকে অভিনন্দন জানান।

বৈঠকে তারা বাংলাদেশ ও মিশরের মধ্যকার সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য দুদেশের মধ্যে আরও সম্পৃক্ততার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
তারা দুই দেশের মধ্যে পাট খাতসহ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়েও আলোচনা করেন।

মন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূত উভয়ই উভয় পক্ষের উচ্চ পর্যায়ের সফর ও যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কায়রোতে অনুষ্ঠেয় পররাষ্ট্র দপ্তরের ২য় রাউন্ডের পরামর্শ সভা আয়োজনের ওপর জোর দেন।

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নিহত বেড়ে ২৯ হাজার ৪১০
বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করাই আমাদের স্বপ্ন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইসরায়েলের দখলের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ শীর্ষ আদালতে শুনানি শুরু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The Prime Minister urged to ensure the proper use of the sea border

সমুদ্রসীমার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

সমুদ্রসীমার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার ‘টেরিটোরিয়াল ওয়াটারস অ্যান্ড মেরিটাইম জোনস অ্যাক্ট, ১৯৭৪ (অ্যাক্ট নং ২৬, ১৯৭৪)’ প্রণয়নের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বিশাল সমুদ্রসীমা আছে, যা দেশের অর্থনীতিতে অনেক অবদান রাখতে পারবে। সে জন্য এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।’

বাংলাদেশের বিশাল সমুদ্রসীমার কথা উল্লেখ করে এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতের তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার ‘টেরিটোরিয়াল ওয়াটারস অ্যান্ড মেরিটাইম জোনস অ্যাক্ট, ১৯৭৪ (অ্যাক্ট নং ২৬, ১৯৭৪)’ প্রণয়নের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ তাগিদ দেন।

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমাদের বিশাল সমুদ্রসীমা আছে, যা দেশের অর্থনীতিতে অনেক অবদান রাখতে পারবে। সে জন্য এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।’

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী সমুদ্রসীমার সম্পদ আহরণ করে দেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের আছে তরুণ সমাজ। এরা অত্যন্ত মেধাবী। তাদের পথ দেখালেই বীরদর্পে সামনে এগিয়ে যাবে। আমরা সেটাই চাই।’

সামুদ্রিক সম্পদ উত্তোলনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খনিজ সম্পদসহ সমুদ্রের সব সম্পদ আমাদের উত্তোলন করতে হবে; কাজে লাগাতে হবে। এ জন্য যথাযথ বিনিয়োগও প্রয়োজন। এ জন্য আলাপ-আলোচনা করছি। ‘আন্তর্জাতিক টেন্ডারও দিয়েছি। আমরা বিশাল সমুদ্রসীমার যথাযথ ব্যবহার করে দেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজে লাগাতে চাই।’

সমুদ্রে সম্পদ উত্তোলনের ক্ষেত্রে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আপনারা আসুন। বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুন। আমাদের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই বিনিয়োগ করে আপনারাও লাভবান হবেন।’

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা যেখানে রেখে গেছেন, বাংলাদেশ সেখানে থমকে গিয়েছিল। আমরা আবার সেখান থেকে শুরু করে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করেছি। আমরা চাই, ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে উন্নত, সমৃদ্ধ, স্মার্ট বাংলাদেশ। আধুনিক প্রযুক্তি ও জ্ঞানসম্পন্ন নাগরিক গড়ে তুলতে চাই।

‘আমরা বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে দাঁড়াব; মর্যাদা নিয়ে চলব। সব পরিকল্পনা ও কর্মসূচি নিয়ে রেখেছি। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সময়োপযোগী করে আমাদের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।’

বিভিন্ন দেশের যুদ্ধের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘শান্তি প্রগতি ও উন্নতির পথ দেখায়; জাতিকে অগ্রগরমান করে উন্নত জীবন দেয়। আমরা সে জন্য শান্তি চাই; যুদ্ধ চাই না। বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় সেটি আছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কারও সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হব না, তবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার সামর্থ্য থাকতে হবে। ফোর্সেস গোল তৈরি করেছি। সে অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি।’

সমুদ্র এলাকার উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বিশাল সমুদ্র এলাকায় ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ চলছে। মাতারবাড়ীতে ডিপ সি পোর্ট করেছি। পায়রা সি পোর্ট করছি। এটা থেকে সমুদ্র বেশি দূরে না। এটার একটা ভবিষ্যৎ আছে। আমরা ধীরে ধীরে উন্নতি করছি; তাড়াহুড়া করছি না।

‘ব্লু ইকোনমি (সমুদ্রের সম্পদনির্ভর অর্থনীতি) বাস্তবায়নে বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমাদের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে নৌবাহিনী কতটা গুরুত্বপূর্ণ আমাদের জাতির পিতা অনুভব করেছেন। আমি এই নৌবাহিনীকে ত্রিমাত্রিক নৌবাহিনীতে রূপান্তর করেছি। অনেকে বলে, এটা কী দরকার ছিল; আমরা ছোট দেশ। আমরা কিন্তু জনসংখ্যার দিক থেকে অনেক বড়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পঁচাত্তর সালের পরের সরকার আর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বিশাল সমুদ্রসীমায় আমাদের অধিকার নিয়ে কেউ কোনো কথা বলেনি; কোনো রকম উদ্যোগ নেয়নি। আমাদের স্থলসীমানা চুক্তিও জাতির পিতা করে দিয়ে যান। সংবিধান সংশোধন করে সে চুক্তি বাস্তবায়ন করে দিয়ে যান। পরে সেটি আর কার্যকর হয়নি।

‘২১ বছর পর আমরা ক্ষমতায় আসি এবং এ নিয়ে কাজ শুরু করি। এটি করতে হয় গোপনীয়ভাবে। সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়—এই নীতি মেনে চলেছি। পাশাপাশি আমাদের অধিকারটা আদায়েও সচেতন হই; উদ্যোগ নিই।’

আরও পড়ুন:
মাতৃভাষা আমাদের শিক্ষার মাধ্যম হওয়া উচিত: প্রধানমন্ত্রী
প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে আসছেন শুক্রবার
ভাষা আন্দোলনের পথ ধরেই স্বাধিকার ও স্বাধীনতা: প্রধানমন্ত্রী
বিজয়ীদের হাতে একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rain with thunder may occur in eight categories

বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে আট বিভাগে

বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে আট বিভাগে দেশজুড়ে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ফাইল ছবি
বৃষ্টিপাতের বিষয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গা এবং খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

দেশের সব বিভাগে দমকা হাওয়াসহ অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমন বার্তা দিয়েছে।

পূর্বাভাসে সিনপটিক অবস্থা নিয়ে বলা হয়, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

বৃষ্টিপাতের বিষয়ে বলা হয়, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গা এবং খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

কুয়াশা নিয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়, ভোরের দিকে সারা দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

তাপমাত্রার বিষয়ে বলা হয়, চট্টগ্রাম বিভাগের রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্য জায়গায় তা সামান্য কমতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

আরও পড়ুন:
আট বিভাগে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির আভাস
ঢাকায় বৃষ্টি হতে পারে
ফের ১০ ডিগ্রির ঘরে পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা 
সামান্য বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা
দেশজুড়ে কমতে পারে রাতের তাপমাত্রা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The nation paid respect to language martyrs with humble respect

ভাষা শহীদদের প্রতি জাতির বিনম্র শ্রদ্ধা

ভাষা শহীদদের প্রতি জাতির বিনম্র শ্রদ্ধা ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার ফুলে ঢেকে গেছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদি। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস
ফুল হাতে হাজারো মানুষ খালি পায়ে শোকের প্রতীক কালো ব্যাজ ধারণ করে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ গানে কণ্ঠ মিলিয়ে এগিয়ে যান কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের দিকে। একইসঙ্গে সর্বস্তরে বাংলা প্রচলন এবং অন্যান্য জাতিসত্তার ভাষা ও বর্ণমালা সংরক্ষণের দাবি জানান তারা।

অমর একুশ। মহান শহীদ দিবস। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। বায়ান্ন’র এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষা করতে গিয়ে বুকের রক্ত ঢেলে দেয়া ভাষা শহীদদের কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করলো পুরো জাতি। একুশের প্রথম প্রহর থেকে সবারই ছিলো নত শীর, হাতে ফুল আর কন্ঠে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/আমি কি ভুলিতে পারি’।

বুধবার দিনটি উপলক্ষে একুশের প্রথম প্রহর রাত ১২ট ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারা ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

ভাষা শহীদদের প্রতি জাতির বিনম্র শ্রদ্ধা

এর আগে ঘড়ির কাঁটায় ১১টা ৫০ মিনিটে শহীদ মিনারে আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাকে স্বাগত জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।

পরে রাত ১১ টা ৫৩ মিনিটে রাষ্ট্রপতি সেখানে পৌঁছলে তাকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী ও উপাচার্য।

মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা, সংসদ সদস্য, তিন বাহিনী প্রধান, বিভিন্ন দূতাবাসের কূটনীতিক, আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাসহ বিভিন্ন উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মধ্যরাতে ঘড়ির কাঁটা ১২টা ছোঁয়ার আগেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের অগণিত মানুষ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার এলাকায় উপস্থিত হন।

ভাষা শহীদদের প্রতি জাতির বিনম্র শ্রদ্ধা

হাজারো মানুষ খালি পায়ে বুকে শোকের প্রতীক কালো ব্যাজ ধারণ করে হাতে ফুলের তোড়া নিয়ে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ গানে কণ্ঠ মিলিয়ে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের দিকে এগিয়ে যান। একইসঙ্গে তারা সর্বস্তরে বাংলা প্রচলন এবং অন্যান্য জাতিসত্তার ভাষা ও বর্ণমালা সংরক্ষণের দাবি জানান।

শহীদ মিনার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হওয়ার পর একে একে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ও সিনেট, সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলো, জাসদ, বাসদ, গণফোরাম, বাংলা একাডেমি, জাতীয় প্রেস ক্লাব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, শিল্পকলা একাডেমী, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী, কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর, ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রফ্রন্ট, ছাত্র ফেডারেশন, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়।

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শহিদ মিনারে আসতে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনগুলো।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সকাল সাড়ে ১০টায় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

ভাষা শহীদদের প্রতি জাতির বিনম্র শ্রদ্ধা

এছাড়াও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে অনেক বিদেশি নাগরিককে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদিতে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দেখা গেছে।

শুধু রাজধানী নয়, শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সারাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রভাতফেরি সহকারে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জেলা-উপজেলা সদরসহ পাড়া-মহল্লায়ও ছিল নানা আয়োজন। অস্থায়ী শহীদ মিনার তৈরি করে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অনেকে। এসব আয়োজনে শিশুদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। এই শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় বেঁচে থাকবে আমাদের প্রিয় মাতৃভাষা- এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন বেসরকারি রেডিও ও টিভি চ্যানেল বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করছে।

মাতৃভাষার জন্য প্রাণ উৎসর্গের এই দিনটিকে জাতিসংঘ স্বীকৃতি দেয় ১৯৯৯ সালে। তাই অমর একুশে আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। একুশের চেতনার প্রতীক ‘শহীদ মিনার’ এখন এশিয়া, ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ সব মহাদেশের বহুভাষিক চেতনার স্মারক। প্রবাসী বাঙালিসহ বিদেশিরাও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সেসব দেশে থাকা শহীদ মিনারে।

আরও পড়ুন:
প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
বেচি দই কিনি বই, অতঃপর একুশে পদক
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহসহ একুশে পদক পাচ্ছেন ২১ জন
শহীদ মিনারে ইসলামী ব্যাংকের শ্রদ্ধা নিবেদন
নো-ম্যান্স ল্যান্ডে ভাষাপ্রেমীদের মিলন মেলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
We have shown the way with blood to protect mother tongue PM

মাতৃভাষা আমাদের শিক্ষার মাধ্যম হওয়া উচিত: প্রধানমন্ত্রী

মাতৃভাষা আমাদের শিক্ষার মাধ্যম হওয়া উচিত: প্রধানমন্ত্রী বুধবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ফোকাস বাংলা
শেখ হাসিনা বলেন, ‘কিছু কিছু পরিবার হঠাৎ টাকার মালিক হয়ে গেছে। তারা মনে করে ইংরেজি ভাষায় কথা বললেই স্মার্ট। অনেকে দেশি ভাষা পরিত্যাগ করার মতো অবস্থায় চলে যায়। শুদ্ধভাবে বাংলা বলতে অসুবিধা কী?’

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ও বাংলা একাডেমীকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিন। তিনি বলেছেন, ‘মাতৃভাষা ও সাহিত্যের প্রশ্নে আমাদের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ও বাংলা একাডেমিকে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে হবে।’

বুধবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস- ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সরকার প্রধান এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভাষার ওপর পড়াশোনা করলে অনেক মানুষ ও জাতি সম্পর্কে জানা যায়। যেহেতু আমরা মাতৃভাষা রক্ষায় রক্ত দিয়ে পথ দেখিয়েছি, তাই সারাবিশ্বের মাতৃভাষা সংরক্ষণ এবং গবেষণায়ও জোর দিতে হবে।’

বিভিন্ন দেশের সাহিত্য ও ইতিহাস অনুবাদ করে আমাদের ছেলে-মেয়েদের হাতে তুলে দেয়া দরকার বলেও মত ব্যক্ত করেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ডিজিটাল ডিভাইসে দেখি অনুবাদ করে। এই অনুবাদ করতে গিয়ে এমন উদ্ভট কিছু লেখে, ভাষার বিকৃতি ঘটে যায়। এটিতে নজর দেয়া উচিত। অনুবাদ ডিভাইসে হয়ে যায় ঠিক, কিন্তু সেটা ঠিকমতো হলো কি না তা দেখে ভুল হলে সংশোধন করে বাজারজাত করা উচিত।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘মাতৃভাষার ধ্বনি সারাবিশ্বে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। অনেকে এ নিয়ে লজ্জা পেয়ে যান, ভুল হলো কি না। আমি সেটা মনে করি না। লজ্জা পাই না। ভুল নিয়ে আমি চিন্তা করি না।

‘আমি মনে করি, আমি নিজের মতো করে আমার কথাটা বুঝাতে পারলাম কি না। ভুল হলো কি না- এই চিন্তায় আমরা অনেক সময় কথাই বলতে পারি না। এটা কিন্তু ঠিক না। আমি নিজেও শুধু বাংলাটাই ভালোভাবে পারি। আমি বাংলা সাহিত্যে পড়েছি। ইংরেজি ভালো করে পারতাম না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মাতৃভাষা জানার ফলে নিজের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি জানা যায়। আমি মনে করি, আমাদের মাতৃভাষা শিক্ষার মাধ্যম থাকবে। তবে অন্যান্য ভাষা শেখারও সুযোগ থাকতে হবে। কিছু কিছু পরিবার হঠাৎ টাকার মালিক হয়ে গেছে। তারা মনে করে ইংরেজি ভাষায় কথা বললেই স্মার্ট। অনেকে দেশি ভাষা পরিত্যাগ করার মতো অবস্থায় চলে যায়। শুদ্ধভাবে বাংলা বলতে অসুবিধা কী?’

তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্য, আমাদের ইতিহাস বিকৃত করা হয়। ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি করেছিল। শুধু ইতিহাস নয়, ভাষারও বিকৃতি শুরু হয়েছিল। আরবি ভাষায় বাংলা লিখতে হবে, পরে আবার ল্যাটিন ভাষায় বাংলা লিখতে হবে, এমন সিদ্ধান্ত এসেছিল। আমাদের ছেলে-মেয়েরা সেটারও প্রতিবাদ করেছিল।

‘সেদিন আর নেই। এখন মানুষ সঠিক ইতিহাস জানতে পারছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর থেকে বাঙালি জাতির ভাষা ও সংস্কৃতি সরিয়ে ভিন্ন ধারা পরিচালনার চেষ্টা হয়। আমরা সেটা থেকে বের করে নিয়ে আসার চেষ্টা করেছিলাম।

‘২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি পেয়েছে। সারা পৃথিবীর মাতৃভাষা যাতে হারিয়ে না যায়, সেজন্য আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট গড়ে তুলেছি। এটি ইউনেসকো কর্তৃক ক্যাটাগরি টু-তে উন্নীত হয়েছে।’

সারাবিশ্বের যুদ্ধ বন্ধ হোক- এই প্রত্যাশা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শান্তি থাকলেই প্রগতি ও উন্নতি আসে। বাঙালি শান্তিতে বিশ্বাস করে। আমরা যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই। সারাবিশ্বে যুদ্ধ বন্ধ হোক। বন্ধ হোক অস্ত্র প্রতিযোগিতা। অস্ত্রের টাকা দিয়ে নারী ও শিশুর বিকাশ, পরিবেশের উন্নয়নসহ বিশ্বের উন্নয়নে নানা কাজে ব্যয় হোক।’

শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. হাকিম আরিফ।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
মিউনিখ থেকে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী
গাজায় গণহত্যা বন্ধে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
নিজস্ব মুদ্রায় ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে আগ্রহ প্রধানমন্ত্রীর
জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করলেন শেখ হাসিনা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Our dream is to make Bengali an official language of the United Nations Foreign Minister

বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করাই আমাদের স্বপ্ন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করাই আমাদের স্বপ্ন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বুধবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত স্মরণসভায় বক্তব্য দেন হাছান মাহমুদ। ছবি: সংগৃহীত
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য রয়েছে বাংলাদেশের। জানি এখানে অনেক প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। তবে এটাই আজ আমাদের স্বপ্ন।’

বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করাটাই বাংলাদেশের স্বপ্ন বলে উল্লেখ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, ‘জানি এখানে অনেক প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। তবে এটাই আজ আমাদের স্বপ্ন।’

বুধবার সকালে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য রয়েছে বাংলাদেশের।’

বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করাই আমাদের স্বপ্ন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে স্মরণসভায় উপস্থিত অতিথিবৃন্দ। ছবি: নিউজবাংলা

তিনি বলেন, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কারাগারে ছিলেন।

‘অনেকেই জানেন না, তাকে যখন চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (কারাগার থেকে) নেয়া হয়, তখন তিনি একটি সভার আয়োজন করেছিলেন। সেই সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করা হবে। বঙ্গবন্ধু তার কারান্তরীণ সদস্যদের নিয়ে এই সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন।’

অনুষ্ঠানে ঢাকায় বিভিন্ন বিদেশি মিশনের পাশাপাশি পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনও অংশ নেন। ফরেন সার্ভিস একাডেমির রেক্টর মাশফি বিনতে শামস, কূটনীতিক, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

তরুণ নেতা হিসেবে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান হাছান মাহমুদ।

বাংলাদেশকে উন্নয়নের নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন ড. হাছান মাহমুদ। এসময় তিনি তিনি মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২৪-এ তার নেতৃত্বের জন্য প্রাপ্ত প্রশংসারও উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন:
একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জনগণ অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চায়: বিএনপি
একুশের অন্যতম চেতনা অন্যায়ের প্রতিবাদ ও দুর্বলের ওপর আধিপত্যের অবসান
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ
প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chance of rain with gusty winds in eight divisions

আট বিভাগে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির আভাস

আট বিভাগে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির আভাস দেশজুড়ে বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ফাইল ছবি
বৃষ্টিপাতের বিষয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়, ‘ঢাকা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুই-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে।’

দেশের সব বিভাগে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির আভাস দিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, বিক্ষিপ্তভাবে হতে পারে শিলা বৃষ্টি।

রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমন বার্তা দিয়েছে।

পূর্বাভাসে সিনপটিক অবস্থা নিয়ে বলা হয়, ‘পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।’

বৃষ্টিপাতের বিষয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়, ‘ঢাকা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুই-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে।’

কুয়াশা নিয়ে বলা হয়, ভোরের দিকে সারা দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

তাপমাত্রার বিষয়ে অধিদপ্তর জানায়, সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আরও পড়ুন:
বৃষ্টি হতে পারে, কমবে রাতের ঠান্ডা
বসন্তের প্রথম দিনে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস, বের হলেই আছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
দেশের তিন বিভাগে ঝরতে পারে বৃষ্টি
দেশে শীত কি বিদায়লগ্নে
দিন রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে দেশজুড়ে

মন্তব্য

p
উপরে