সাত কলেজে ভর্তি পরীক্ষা: প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু

সাত কলেজে ভর্তি পরীক্ষা: প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু

বুধবার সকাল থেকে ছাড়া হয়েছে প্রবেশপত্র। আবেদনকারী শিক্ষার্থীরা ঢাবির ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র উত্তোলন করতে পারবেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষ ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র উত্তোলন শুরু হয়েছে।

বুধবার সকাল থেকে ছাড়া হয় প্রবেশপত্র। আবেদনকারী শিক্ষার্থীরা ঢাবির ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট https://bit.ly/3lqzGPo থেকে প্রবেশপত্র উত্তোলন করতে পারবেন।

কবে পরীক্ষা

আগামী ৩০ অক্টোবর কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হবে সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা। এরপর ৫ নভেম্বর বাণিজ্য ইউনিট ও ৬ নভেম্বর বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

যেভাবে মূল্যায়ন হবে

মোট ১২০ নম্বরের ভিত্তিতে প্রার্থীদের অর্জিত মেধা স্কোরের ক্রমানুসারে মেধাতালিকা তৈরি করা হবে। এ জন্য মাধ্যমিক/ও লেভেল বা সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত/হিসাবকৃত জিপিএকে ২ দিয়ে গুণ; উচ্চ মাধ্যমিক/এ লেভেল বা সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত/হিসাবকৃত জিপিএকে ২ দিয়ে গুণ করে এই দুইয়ের যোগফল ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ তে প্রাপ্ত নম্বরের সঙ্গে যোগ দিয়ে ১২০ নম্বরের মধ্যে মেধাস্কোর নির্ণয় করা হবে। সে অনুযায়ী তৈরি করা হবে মেধাতালিকা।

মেধাস্কোরের ভিত্তিতে নির্ণয় করা মেধাক্রম অনুযায়ী উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মেধাতালিকা ও ফলাফল ভর্তি পরীক্ষার পর সাত দিনের মধ্যে ঢাবির ভর্তি ওয়েবসাইটে (http://collegeadmission.eis.du.ac.bd) প্রকাশ করা হবে। প্রার্থী এসএমএসের মাধ্যমেও ফলাফল জানতে পারবেন।

মেধাতালিকা প্রকাশের পর নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে অনলাইনে কলেজ ও বিষয় পছন্দকরণ ফরম পূরণ করতে হবে। পরে শিক্ষার্থীর পছন্দ এবং ভর্তি পরীক্ষার মেধাক্রম ও ভর্তির যোগ্যতা অনুসারে বিভাগ বণ্টনের তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (https://collegeadmission.eis.du.ac.bd) প্রকাশ করা হবে।

চূড়ান্তভাবে ভর্তির জন্য মনোনীত প্রার্থীর ক্ষেত্রে এসএসসি এবং এইচএসসির মূল নম্বরপত্র সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা রাখা হবে।

সাত কলেজ হলো: ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ ও সরকারি বাঙলা কলেজ।

আরও পড়ুন:
সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা পেছাল
সাত কলেজে ভর্তি: সময় বাড়ল আবেদনের
সাত কলেজের চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরু ১ সেপ্টেম্বর
সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অক্টোবরে
সাত কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু জুলাই থেকে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ঢাবির কনসার্টে সহিংসতা প্রতিহতের ডাক

ঢাবির কনসার্টে সহিংসতা প্রতিহতের ডাক

বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যে ‘সহিংসতার বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ ব্যানারে কনসার্টের আয়োজন করা হয়। ছবি: সিমু নাসের

ব্যতিক্রমধর্মী এই আয়োজনের উদ্যোক্তা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ কল্যাণ ইনস্টিটিউটের সাবেক শিক্ষার্থী তুহিন কান্তি দাস বলেন, ‘এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য দেশব্যাপী চলমান সহিংসতার বিরুদ্ধে একাত্ম হয়ে সাংস্কৃতিকভাবে প্রতিবাদ জানানো। মিছিল, বক্তৃতা, সভা ও সেমিনারের চেয়ে শিল্প অনেক শক্তিশালী প্রতিবাদের মাধ্যম৷ তাই আমরা এই মাধ্যমকেই বেছে নিয়েছি।’

সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে কনসার্টের আয়োজন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতিমনা একদল শিক্ষার্থী।

বিকেল ৩টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যে কনসার্ট শুরু হয়। রাত ১০টায় শেষ হয় এ কনসার্ট। ‘সহিংসতার বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ ব্যানারে এ কনসার্টের আয়োজন করা হয়।

কনসার্টে শিরোনামহীন, মেঘদল ও সহজিয়াসহ ১২টি ব্যান্ড দল গান পরিবেশন করে। গানের পাশাপাশি হয়েছে মূকাভিনয়, একক গান, নৃত্য ও থিমেটিক পারফরম্যান্স।

গানের দলগুলোর মধ্যে রয়েছে শিরোনামহীন, মেঘদল, সহজিয়া, শহরতলী, বাংলা ফাইভ, গানপোকা, কৃষ্ণপক্ষ, কাল্, অবলিক, অসৃক, গানকবি ও বুনোফুল৷

এ ছাড়া একক সংগীত পরিবেশন করেছেন জয় শাহরিয়ার, তুহিন কান্তি দাস, সাহস মোস্তাফিজ, লালন মাহমুদ, নাঈম মাহমুদ, প্রিয়াংকা পাণ্ডে, যশ নমুদার, তাবিব মাহমুদ, রানা, উদয়, অপু, উপায় ও অনিন্দ্য৷

উম্মে হাবিবা ও আবু ইবনে রাফি নৃত্য পরিবেশন করেছেন। মূকাভিনয় পরিবেশন করেছে ঢাকা ইউনিভার্সিটি মাইম অ্যাকশন। এছাড়া কনসার্টে একটি সমবেত ‘থিমেটিক পারফরম্যান্স’ পরিবেশন করা হয়।

বিকেলের দিকে কনসার্ট শুরু হলেও সন্ধ্যার দিকে কনসার্ট জমজমাট হয়ে ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী এই কনসার্ট উপভোগ করেন।

ব্যতিক্রমধর্মী এই আয়োজনের উদ্যোক্তা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ কল্যাণ ইনস্টিটিউটের সাবেক শিক্ষার্থী তুহিন কান্তি দাস বলেন, ‘এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য দেশব্যাপী চলমান সহিংসতার বিরুদ্ধে একাত্ম হয়ে সাংস্কৃতিকভাবে প্রতিবাদ জানানো। মিছিল, বক্তৃতা, সভা ও সেমিনারের চেয়ে শিল্প অনেক শক্তিশালী প্রতিবাদের মাধ্যম৷ তাই আমরা এই মাধ্যমকেই বেছে নিয়েছি।’

তিনি বলেন, আমাদের প্রতিবাদের ভাষা গান, নৃত্য ও কবিতা। আমরা এই কনসার্টের মাধ্যমে দেশবাসীকে সহিংসতা প্রতিহতের বার্তা দেয়ার চেষ্টা করেছি, যাতে এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে। আমরা চাই এদেশের মানুষ হিন্দু-মুসলিম পরিচয়ের চেয়ে সবাই বাংলাদেশি পরিচয়ে পরিচিত হোক। এটাই আজকের আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।’

আরও পড়ুন:
সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা পেছাল
সাত কলেজে ভর্তি: সময় বাড়ল আবেদনের
সাত কলেজের চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরু ১ সেপ্টেম্বর
সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অক্টোবরে
সাত কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু জুলাই থেকে

শেয়ার করুন

ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষায় চট্টগ্রামে অনুপস্থিত ১১ শতাংশ

ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষায় চট্টগ্রামে অনুপস্থিত ১১ শতাংশ

শুক্রবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা। ছবি: নিউজবাংলা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর এসএম জিয়াউল ইসলাম জানান, পরীক্ষায় চট্টগ্রাম বিভাগের ৩ হাজার ৫৬৯ পরীক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ১৮০ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৩৭৯ জন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) গ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) কেন্দ্রে শিক্ষার্থী উপস্থিতির হার ছিল ৮৯ শতাংশ।

শুক্রবার বেলা ১১টায় শুরু হয়ে দেড় ঘণ্টার এই পরীক্ষা শেষ হয় দুপুর সাড়ে ১২টায়। এতে অনুপস্থিত ছিলেন ১১ শতাংশ পরীক্ষার্থী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর এসএম জিয়াউল ইসলাম জানান, পরীক্ষায় চট্টগ্রাম বিভাগের ৩ হাজার ৫৬৯ পরীক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ১৮০ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৩৭৯ জন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদে পরীক্ষা হয়।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক শিরীণ আখতার এবং উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) প্রফেসর বেনু কুমার দে ভর্তি পরীক্ষার হলগুলো পরিদর্শন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাবির ‘গ’ ইউনিট ভর্তি কমিটির চবি কো-অর্ডিনেটর বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক এস এম সালামত উল্যা ভূঁইয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গ’ ইউনিট চট্টগ্রাম অঞ্চলের কো-অর্ডিনেটর এবং ট্রেজারার অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদসহ অনেকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রবিউল হাসান ভুঁইয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি। পরীক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য সকাল ৮টা ও সাড়ে ৮টায় দুটি শাটল ট্রেন শহর থেকে ছেড়ে আসে।’

আরও পড়ুন:
সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা পেছাল
সাত কলেজে ভর্তি: সময় বাড়ল আবেদনের
সাত কলেজের চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরু ১ সেপ্টেম্বর
সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অক্টোবরে
সাত কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু জুলাই থেকে

শেয়ার করুন

পূর্বাচলে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপন শনিবার

পূর্বাচলে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপন শনিবার

রাজধানীর বীর উত্তম রফিকুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ে সিইউবির অস্থায়ী ক্যাম্পাস। ছবি: সংগৃহীত

পূর্বাচলের ৯ নম্বর সেক্টরে শনিবার বেলা ৩টায় স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপনের কথা রয়েছে। কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাতের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করার কথা রয়েছে।

রাজধানীর পূর্বাচলে নিজেদের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ করতে যাচ্ছে দেশের প্রথম সারির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ (সিইউবি)।

পূর্বাচলের ৯ নম্বর সেক্টরে শনিবার বেলা ৩টায় স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপনের কথা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়টির স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন ঢাকায় কানাডিয়ান হাইকমিশনার বেনোয়া প্রিফন্টেইন।

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাতের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করার কথা রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পূর্বাচলে ১২ বিঘা জমিতে গড়ে তোলা হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির সুবিশাল ক্যাম্পাস। সেখানে নির্মাণ করা হবে অ্যাকাডেমিক ভবন, প্রশাসনিক ভবন, ল্যাব বিল্ডিং, বিনোদন, অডিটরিয়াম, লাইব্রেরি এবং প্রার্থনাকক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য নকশাটি বিশ্বমানের স্থপতিদের দিয়ে প্রণয়ন করা হবে বলে আশা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সিনিয়র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. এইচ এম জহিরুল হকসহ অনুষ্ঠানে ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, ইউজিসি সদস্য, কূটনীতিক, সরকারি কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট এবং অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশে রয়েছে আধুনিক সময়ের উপযোগী বিভাগ। শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিতে রয়েছে বৃত্তির সুযোগ। ইনফরমেশন সিস্টেমস অডিট অ্যান্ড কন্ট্রোল অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা আছে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের।

এ ছাড়া কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত আছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুসারে সাজানো হয়েছে পাঠ্যক্রম।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা সর্বোত্তম মানের শিক্ষা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর। প্রতিষ্ঠানটি দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনে প্রায়োগিক জ্ঞানের ওপর জোর দিয়ে থাকে।

আরও পড়ুন:
সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা পেছাল
সাত কলেজে ভর্তি: সময় বাড়ল আবেদনের
সাত কলেজের চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরু ১ সেপ্টেম্বর
সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অক্টোবরে
সাত কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু জুলাই থেকে

শেয়ার করুন

ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষা শুরু, আসনপ্রতি ২২ জন

ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষা শুরু, আসনপ্রতি ২২ জন

ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ফাইল ছবি

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিস জানায়, ‘গ’ ইউনিটে ১ হাজার ২৫০ আসনের বিপরীতে ২৭ হাজার ৩৭৪ জন আবেদন করেছেন। এই হিসাবে ইউনিটটিতে আসনপ্রতি লড়বেন ২২ শিক্ষার্থী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সাত বিভাগের আরও সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে একযোগে শুরু হয় পরীক্ষা। চলবে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিস জানায়, ‘গ’ ইউনিটে ১ হাজার ২৫০ আসনের বিপরীতে ২৭ হাজার ৩৭৪ জন আবেদন করেছেন। এই হিসাবে ইউনিটটিতে আসনপ্রতি লড়বেন ২২ শিক্ষার্থী।

গত ১ অক্টোবর থেকে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়। ওই দিন বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হয়।

২ অক্টোবর (শনিবার) কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষা হয়। ৯ অক্টোবর (শনিবার) চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের বহু নির্বাচনি অংশের ভর্তি পরীক্ষা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ইউনিটে এবার মোট ১২০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা হবে। সেখানে মূল পরীক্ষায় (বহু নির্বাচনি ও লিখিত) ১০০ এবং এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলের ওপর ১০ করে ২০ নম্বর থাকবে।

‘ক’, ‘খ’, ‘গ’ ও ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৬০ নম্বরের বহু নির্বাচনি ও ৪০ নম্বরের লিখিত অংশ থাকবে। উভয় অংশের জন্য ৪৫ মিনিট করে সময় থাকবে।

তবে ‘চ’ ইউনিটের ৪০ নম্বরের বহু নির্বাচনি পরীক্ষার জন্য ৩০ মিনিট আর ৬০ নম্বরের অঙ্কন পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট সময় বরাদ্দ ছিল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে পাঁচটি ইউনিটে ৭ হাজার ১৪৮টি আসনের বিপরীতে এবার ৩ লাখ ২৪ হাজার ৩৪০ প্রার্থী অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তির আবেদন করেছেন। প্রতি আসনের বিপরীতে ৪৫ শিক্ষার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

বিভাগীয় শহরের যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির পরীক্ষা কেন্দ্র করা হয়েছে সেগুলো হলো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।

আরও পড়ুন:
সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা পেছাল
সাত কলেজে ভর্তি: সময় বাড়ল আবেদনের
সাত কলেজের চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরু ১ সেপ্টেম্বর
সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অক্টোবরে
সাত কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু জুলাই থেকে

শেয়ার করুন

স্বর্ণার স্মরণে জগন্নাথে মোমবাতি প্রজ্বলন

স্বর্ণার স্মরণে জগন্নাথে মোমবাতি প্রজ্বলন

শুক্রবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুজিব মঞ্চে জগন্নাথের শিক্ষার্থী সুমাইয়া মেহজাবিন স্বর্ণার স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বলন করেছেন শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা

স্বর্ণার বন্ধু আম্মান সিদ্দিকী বলেন, ‘স্বর্ণা অত্যন্ত মেধাবী একজন ছাত্রী ছিল। তার আত্মহত্যার ঘটনা মেনে নেওয়ার মতো না। তার মৃত্যুতে আমরা সবাই শোকাহত। তাকে স্মরণ করতে আজ আমরা মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করেছি।’ স্বর্ণার আত্মহত্যায় বিভাগের শিক্ষককে দায়ী করছেন তার বোন ও সহপাঠীরা।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইন বিভাগের শিক্ষার্থী সুমাইয়া মেহজাবিন স্বর্ণার স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বলন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার সন্ধ্যায় মুজিব মঞ্চে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা মোমবাতি প্রজ্বলনের আয়োজন করেন। এতে ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইন বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরাসহ অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীরাও অংশ নেন।

স্মৃতিচারণ করে স্বর্ণার বন্ধু আওলাদ হোসাইন সম্রাট বলেন, ‘সে অত্যন্ত মেধাবী একজন ছাত্রী ছিল। তার এক্সট্রা-কারিকুলাম এক্টিভিটিজ ছিল অসাধারণ। সে একজন মনোযোগী স্টুডেন্ট। শিক্ষকরা যা বলতো সে সবসময় নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে তা করার চেষ্টা করতো। তার অকালে বিদায় কখনও মেনে নেওয়ার মতো না। আমাদের ডিপার্টমেন্ট সবসময়ই মনে রাখবে যে স্বর্ণা নামে একজন ছাত্রী ছিল। তার অকাল মৃত্যু সবসময়ই আমাদের শোকাহত করবে।’

এসময় স্বর্ণার আরেক বন্ধু আম্মান সিদ্দিকী বলেন, ‘স্বর্ণা অত্যন্ত মেধাবী একজন ছাত্রী ছিল। তার আত্মহত্যার ঘটনা মেনে নেওয়ার মতো না। তার মৃত্যুতে আমরা সবাই শোকাহত। তাকে স্মরণ করতেই আজ আমরা মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করেছি।’

গত ২০ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ওই শিক্ষার্থী তার গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পলাশ পোল মধুমাল্লার ডাঙ্গী গ্রামে আত্মহত্যা করেন। স্বর্ণার আত্মহত্যায় বিভাগের শিক্ষককে দায়ী করছেন তার বোন ও সহপাঠীরা।

আরও পড়ুন:
সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা পেছাল
সাত কলেজে ভর্তি: সময় বাড়ল আবেদনের
সাত কলেজের চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরু ১ সেপ্টেম্বর
সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অক্টোবরে
সাত কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু জুলাই থেকে

শেয়ার করুন

ইউজিসি স্বর্ণপদকের আবেদন আহ্বান

ইউজিসি স্বর্ণপদকের আবেদন আহ্বান

ইউজিসির রিসার্চ সাপোর্ট অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের অফিস আদেশে জানানো হয়েছে, দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ণকালীন শিক্ষকরা ইউজিসি স্বর্ণপদকের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

‘ইউজিসি স্বর্ণপদক ২০২০’ এর জন্য আবেদন আহ্বান করেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। আবেদনপত্র পাঠাতে হবে আগামী ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে।

বৃহস্পতিবার ইউজিসির রিসার্চ সাপোর্ট অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের পরিচালক মো. কামাল হোসেনের সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে আবেদনের শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে-

১. দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ণকালীন শিক্ষকরা ইউজিসি স্বর্ণপদকের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

২. আবেদনকারীকে অবশ্যই বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে।

৩. প্রকাশিত প্রবন্ধ বা বই অবশ্যই ২০২০ সালে প্রকাশিত হতে হবে। কোনো পুনর্মুদ্রিত প্রবন্ধ বা পুস্তক গ্রহণযোগ্য হবে না।

৪. বর্ণনা ও জরিপমূলক, অনুবাদ বা সম্পাদনা কর্ম এবং রিভিউ আর্টিকেল এই স্বর্ণপদকের জন্য বিবেচিত হবে না।

৫. প্রবন্ধ যদি যৌথ প্রকাশনা হয় সে ক্ষেত্রে শুধু প্রধান লেখক বা সর্বশেষ লেখক অন্যান্য সহলেখকের সম্মতিপত্রসহ আবেদন করতে পারবেন।

৬. বইয়ের ক্ষেত্রে একাধিক লেখক হলে যৌথভাবে আবেদন করতে হবে।

৭. বাংলা ও ইংরেজিতে সর্বোচ্চ ২০০ শব্দের মধ্যে জীবনবৃত্তান্ত জমা দিতে হবে।

৮. প্রকাশিত প্রবন্ধের ক্ষেত্রে ছয় কপি এবং বইয়ের ক্ষেত্রে চার কপি জমা দিতে হবে।

৯. বাংলা ও ইংরেজিতে সর্বোচ্চ ২০০ শব্দের মধ্যে সারাংশ জমা দিতে হবে।

১০. প্রবন্ধের সফট কপি [email protected] ঠিকানায় অবশ্যই জমা দিতে হবে।

১৯৮০ সালে প্রবর্তিত হয় ‘ইউজিসি অ্যাওয়ার্ড’। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের উচ্চশিক্ষায় মৌলিক গবেষণা ও প্রকাশনায় উৎসাহ দিতে এই সম্মাননার নাম পরবর্তী সময়ে ‘ইউজিসি স্বর্ণপদক’ করা হয়।

আরও পড়ুন:
সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা পেছাল
সাত কলেজে ভর্তি: সময় বাড়ল আবেদনের
সাত কলেজের চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরু ১ সেপ্টেম্বর
সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অক্টোবরে
সাত কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু জুলাই থেকে

শেয়ার করুন

শিক্ষক সমিতির পদত্যাগ চায় জবি নীলদল

শিক্ষক সমিতির পদত্যাগ চায় জবি নীলদল

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই কমিটির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের আইনি এবং নৈতিক কোনো অধিকার নেই। মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষক সমিতিকে কোনো ধরনের স্বীকৃতি না দিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষক সমিতির মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটির পদত্যাগ দাবি করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নীলদলের একাংশ। একই সঙ্গে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষক সমিতিকে কোনো ধরনের স্বীকৃতি না দিতেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

বুধবার রাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নীলদলের সভাপতি ড. মো. আবুল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, শিক্ষক সমিতির ২০২০ সালের কমিটির নেতারা শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার বদলে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধিতে তৎপর। শিক্ষক সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে তাদের দায়িত্ব ছিল নির্বাচন কমিশন গঠন করা। কিন্তু এই সমিতি শিক্ষকদের প্রতি দায়বদ্ধতাকে পাশ কাটিয়ে এবং সমিতির গঠনতন্ত্রকে অবমাননা করে অবৈধভাবে দুই বছর পদ আঁকড়ে ধরে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধিতে ব্যস্ত। যথাসময়ে নির্বাচন কমিশন গঠন না করে তারা শিক্ষক সমিতির গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই কমিটির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের আইনি এবং নৈতিক কোনো অধিকার নেই। মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষক সমিতিকে কোনো ধরনের স্বীকৃতি না দিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নীল দলের সভাপতি ড. মো. আবুল হোসেন বলেন, ‘মেয়াদ শেষ হলেও সাধারণ শিক্ষকদের মতামত উপেক্ষা করে এ সমিতি প্রায় দুই বছর ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছে। এটি সমিতির গঠনতন্ত্রবিরোধী। সমিতির গঠনতন্ত্রকে ঠিক রেখে সাধারণ শিক্ষকদের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন রাখতে আমি পদত্যাগ করেছি।’

ড. মো. আবুল হোসেন জবি শিক্ষক সমিতির ২০২০ সালের কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি জবি নীলদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

শিক্ষক সমিতির পদত্যাগ চায় জবি নীলদল
মেয়াদ উত্তীর্ণ শিক্ষক সমিতির পদত্যাগ চেয়ে জবি নীলদলের বিজ্ঞপ্তি

বুধবার রাতে তিনি শিক্ষক সমিতি থেকে পদত্যাগের পরই নীলদলের পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়।

ড. মো. আবুল হোসেনের পদত্যাগ ও জবি নীলদলের পক্ষ থেকে শিক্ষক সমিতির পদত্যাগের দাবি জানানোর পরপরই শিক্ষক সমিতির নির্বাচন কমিশন গঠনের খবর আসে।

৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত কার্যনির্বাহী পরিষদের ২৩তম সভার সিদ্ধান্ত ও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন-২০২২ আয়োজনের লক্ষ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার মনোনীত করে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে।

৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচন ২৫ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করার বিষয়ে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এটি ১০ অক্টোবর শিক্ষক সমিতির প্যাডে প্রকাশ করা হয়।

ক্যাম্পাস খোলার পরই বর্তমান নেতারা শিক্ষক সমিতির ব্যানার ও পদ পরিচয়ে নিজেরা প্রোগ্রাম করেন ও অন্য প্রোগ্রামেও অংশ নেন। এ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে জবি নীল দল।

শিক্ষক সমিতির বর্তমান কমিটির সভাপতি নূ‌রে আলম আব্দুল্লাহ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সাধারণ সভার মাধ্যমে দায়িত্ব হস্তান্তর না করা পর্যন্ত শিক্ষক সমিতি বহাল থাকবে। তবে এসময় সমিতি সীমিত আকারে তাদের কার্যাবলি পরিচালনা করবে।

‘দায়িত্ব হস্তান্তর ছাড়া কোনো সাধারণ সভা করা যাবে না। ড. আবুল হোসেন যখন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, তখন শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচিত হওয়ার পরেও পিকনিকের আয়োজন করেছিলেন। গত শিক্ষক সমিতিও ইলেকশন কমিশন গঠনের পরে পিকনিকের আয়োজন করেছিল।’

এ বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. সুরঞ্জন কুমার দাস বলেন, ‘গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালিত হবে। তফসিল ঘোষণার কাজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হবে।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির গঠনতন্ত্রের ধারা ৫ এর ৩ উপধারায় কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদের বিষয়ে লেখা রয়েছে, ‘কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদ হবে বছরের ১ জানুয়ারী থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। তবে নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ দায়িত্ব নেয়ার আগে পর্যন্ত বর্তমান পরিষদ দায়িত্ব পালন করবে।’

এর আগে ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর শিক্ষক সমিতির বর্তমান কমিটির দ্বিতীয় সাধারণ সভার ৫ নম্বর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দেয়ার এক মাসের মধ্যে নির্বাচন কমিশন গঠনের মাধ্যমে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। এ সময় পর্যন্ত বর্তমান শিক্ষক সমিতি দায়িত্ব পালন করবে।

করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার পর একটি সাধারণ সভা আয়োজন করে সভার মতামতের পরিপ্রেক্ষিতে কার্যনির্বাহী পরিষদ দ্বারা নির্বাচন কমিশন গঠনের মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজনের ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত নেয় জবিশিস।

আরও পড়ুন:
সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা পেছাল
সাত কলেজে ভর্তি: সময় বাড়ল আবেদনের
সাত কলেজের চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরু ১ সেপ্টেম্বর
সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অক্টোবরে
সাত কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু জুলাই থেকে

শেয়ার করুন