বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে সম্প্রচার বিঘ্ন ৮ দিন

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে সম্প্রচার বিঘ্ন ৮ দিন

গাজীপুরে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের গ্রাউন্ড স্টেশন। ছবি: বিএসসিএল

বিএসসিএল-এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত সম্প্রচার কার্যক্রমে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে। সকাল ৯টা ২৮ মিনিট থেকে ৯টা ৪৩ মিনিটের মধ্যে এ সমস্যা হতে পারে।’

সৌর ব্যতিচার বা সান আউটেজের কারণে সেপ্টেম্বরের শেষ ও অক্টোবরের শুরুতে ৮ দিন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট থেকে সম্প্রচার সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে।

ওই সময়গুলোতে প্রতিদিন সকালে ৫ থেকে ১৫ মিনিটের জন্য সম্প্রচার সমস্যা হতে পারে বলে মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড- বিএসসিএল।

বিএসসিএল-এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত সম্প্রচার কার্যক্রমে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে। সকাল ৯টা ২৮ মিনিট থেকে ৯টা ৪৩ মিনিটের মধ্যে এ সমস্যা হতে পারে।’

এর মধ্যে ২৯ সেপ্টেম্বর ৫ মিনিট, ৩০ সেপ্টেম্বর ১০ মিনিট, ১ অক্টোবর ১৪ মিনিট, ২ অক্টোবর ১৫ মিনিট, ৩ অক্টোবর ১৫ মিনিট, ৪ অক্টোবর ১৪ মিনিট, ৫ অক্টোবর ১২ মিনিট ও ৬ অক্টোবর ১০ মিনিটের জন্য এই সমস্যা হতে পারে।

প্রাকৃতিক কারণে সাময়িক এমন অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পান লিমিটেড।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

আইফোন ১৩ নিয়ে এলো গ্রামীণফোন

আইফোন ১৩ নিয়ে এলো গ্রামীণফোন

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রাহকদের জন্য আইফোন সর্বশ্রেষ্ঠ লাইনআপ নিয়ে এসেছে গ্রামীণফোন, যার মধ্যে রয়েছে সৃজনী ও রুচির প্রশ্নে অনন্য আইফোন ১৩ প্রো, আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স, আইফোন ১৩ এবং আইফোন ১৩ মিনি।

বাংলাদেশি গ্রাহকদের জন্য আইফোন ১৩ নিয়ে এসেছে দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন।

অপারেটরটির শুক্রবারের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রাহকদের জন্য আইফোন সর্বশ্রেষ্ঠ লাইনআপ নিয়ে এসেছে গ্রামীণফোন, যার মধ্যে রয়েছে সৃজনী ও রুচির প্রশ্নে অনন্য আইফোন ১৩ প্রো, আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স, আইফোন ১৩ এবং আইফোন ১৩ মিনি।

এতে উল্লেখ করা হয়, আগাগোড়া নতুন আঙ্গিকে সাজানো আইফোন ১৩ প্রো এবং আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স ব্যবহারকারীদের দিচ্ছে আইফোনের সর্বকালের সেরা প্রোক্যামেরা সিস্টেম, প্রো-মোশন সমৃদ্ধ সুপার রেটিনা এক্সডিআর ডিসপ্লে, উন্নত ব্যাটারি লাইফ এবং অ্যাপলের ডিজাইনকৃত ফাইভ-কোর জিপিইউ সংবলিত এ১৫ বায়োনিক চিপ। মসৃণ ও টেকসই ডিজাইনের আইফোন ১৩ ও আইফোন ১৩ মিনিতে ব্যবহারকারীরা পাচ্ছেন আইফোনের সর্বকালের সেরা ডুয়াল ক্যামেরা সিস্টেম এবং শক্তিশালী এ১৫ বায়োনিক চিপ।

গ্ৰামীণফোনে আইফোন ১৩ সিরিজের হ্যান্ডসেটে প্রি-অর্ডার থাকছে ৩৬ মাস পর্যন্ত। নির্দিষ্ট ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে শূন্য শতাংশ সুদে ইএমআইতে ক্রয়ের সুবিধা থাকছে। এ ছাড়াও থাকছে ফ্রি ১৪ জিবি ফোরজি ইন্টারনেটসহ (মেয়াদ ১৪ দিন) বিভিন্ন জিপি গিফট আইটেম, জিপি স্টার প্লাটিনাম প্লাস স্ট্যাটাস এবং বিভিন্ন জিপি স্টার পার্টনারের ডিসকাউন্ট কুপন।

ডিভাইস ইন্স্যুরেন্স সাবস্ক্রিপশনে ২০ শতাংশ ডিসকাউন্ট এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডে ইএমআই ক্যাশব্যাক অফারও থাকছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২২ অক্টোবর থেকে গ্রাহকরা আইফোন ১৩ সিরিজের হ্যান্ডসেট প্রি-অর্ডার করতে পারবেন, যা তাদের হাতে পৌঁছে দেয়া হবে ২৯ অক্টোবর থেকে। প্রি-অর্ডার, মূল্যতালিকা ও প্রাপ্যতাসহ বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে ওয়েবসাইটে

শেয়ার করুন

দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি পালন করল ‘ডিজিটাল স্কলার’

দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি পালন করল ‘ডিজিটাল স্কলার’

দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে কেক কাটে ডিজিটাল স্কলার পরিবার।

দেশের তরুণ সমাজের বেকারত্ব দূরীকরণের লক্ষ্যে আইটি সেক্টরে বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ নিয়ে কাজ করছে ‘ডিজিটাল স্কলার’।

আইটি পেশা এবং ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ‘ডিজিটাল স্কলার’ সম্প্রতি ২ বছর পূর্তি উদযাপন করেছে।

কোভিড-১৯ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে ‘ডিজিটাল স্কলার’-এর শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ বিশিষ্ট আইটি ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন।

‘ডিজিটাল স্কলার’ থেকে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে ৬২ হাজার মার্কিন ডলারেরও বেশি অর্থ উপার্জন করেছেন। ফলে ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে অনেক তরুণ ও তাদের পরিবারের।

‘ডিজিটাল স্কলার’-এ এখন পর্যন্ত ২৮টি ব্যাচে প্রায় ১২ শতাধিক শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এদের মধ্যে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে সফলভাবে ক্যারিয়ার গড়েছেন প্রায় ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী।

দেশের তরুণ সমাজের বেকারত্ব দূরীকরণের লক্ষ্যে আইটি সেক্টরে বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ নিয়ে কাজ করছে ‘ডিজিটাল স্কলার’। সম্প্রতি তাদের স্মার্ট ক্যাম্পাস যাত্রা শুরু করেছে মিরপুর-১০ নম্বর গোল চত্বরের শাহ আলী প্লাজা, লেভেল ১১-তে।

ক্যাম্পাসটিতে রয়েছে ডিজিটাল ক্লাসরুম, স্টুডেন্ট সাপোর্ট সেন্টার, অনলাইন লাইভ ক্লাস রুম, মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম ইত্যাদি।

প্রতিষ্ঠানটির চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার এন আলম মুন্না বলেন, ‘একটি আইটি প্রশিক্ষণ সেন্টারের সবচেয়ে বড় সফলতা হল এখানে আসা শিক্ষার্থীদের স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করা। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আমরা আমাদের দক্ষ মেন্টর দ্বারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের পরিপূর্ণ সাপোর্ট দিয়ে তাদের স্কিল ডেভেলপ করে যাচ্ছি। ক্রমবর্ধমান এই ধারাবাহিকতার মাধ্যমেই ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ডিজিটাল স্কলার তার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে।’

শেয়ার করুন

শাহজালালে বসবে নতুন রাডার, বাড়বে নজরদারি-রাজস্ব

শাহজালালে বসবে নতুন রাডার, বাড়বে নজরদারি-রাজস্ব

প্রতীকী ছবি

পুরনো রাডারে নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকায় দেশের আকাশসীমায় কোনো আকাশযান চলাচল করলে তা থেকে রাজস্বও আদায় করতে পারছে না সরকার। এসব এলাকায় রাডার কাভারেজ দিয়ে আয় করছে ভারত ও মিয়ানমার।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৩০ বছরের পুরনো রাডার সরিয়ে বসানো হবে নতুন রাডার। এই রাডার স্থাপনের জন্য ইতোমধ্যেই ফ্রান্সের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান থ্যালাস এলএএস-এর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে চুক্তিটি অনুষ্ঠিত হয়।

বেবিচক চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান ও থ্যালাসের ভাইস চেয়ারম্যান নিকোলাস নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী ও ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যাঁ ম্যাঁরি।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বর্তমানে যে রাডার রয়েছে, এটি কার্যক্ষমতা হারিয়েছে অনেক আগে। প্রায় ৩০ বছর আগে স্থাপন করা এই রাডার দিয়ে আকাশপথে নজরদারি চালাতে হিমশিম খেতে হয় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলকে। তার ওপর সুন্দরবন ও পার্বত্য চট্টগ্রামের কিছু অঞ্চল এবং বঙ্গোপসাগরে নতুন নিয়ন্ত্রণে আসা বিস্তীর্ণ এলাকা এর আওতার বাইরে থেকে যায়। ফলে ওইসব এলাকা দিয়ে কোনো আকাশযান উড়ে গেলে তা জানতে পারছে না বাংলাদেশ। এতে আকাশপথের সার্বভৌমত্ব ঝুঁকির মুখে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এ ছাড়া নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকায় দেশের আকাশসীমায় কোনো আকাশযান চলাচল করলে তা থেকে রাজস্বও আদায় করতে পারছে না সরকার। এসব এলাকায় রাডার কাভারেজ দিয়ে আয় করছে ভারত ও মিয়ানমার।

শাহজালালে বসবে নতুন রাডার, বাড়বে নজরদারি-রাজস্ব
বেবিচক চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান ও থ্যালাসের ভাইস চেয়ারম্যান নিকোলাস চুক্তিতে সই করেন

এয়ারলাইন্সগুলো বলছে, পুরনো রাডার দিয়ে সব ক্ষেত্রে সেবা নিশ্চিত করতে পারছে না বেবিচক। নতুন রাডার বসানোর প্রকল্পটি গত বছরের ৮ জুন সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন পায়। বেবিচক আশা করছে, ২০২৪ সাল নাগাদ এই রাডার বসানোর কাজ সম্পন্ন হবে।

অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, ‘নতুন এ অত্যাধুনিক রাডার স্থাপনের ফলে দেশের সমগ্র আকাশসীমা নজরদারির আওতায় আসবে। এর ফলে বাংলাদেশের আকাশ ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক রুটে যাতায়াত করা সকল বিদেশি উড়োজাহাজ শনাক্ত করা সম্ভব হবে এবং এদের থেকে ফ্লাইং ওভার চার্জ আদায় করা যাবে।’

তিনি বলেন, ‘আজ আমরা এভিয়েশন খাতের উন্নয়নের একটি বড় পদক্ষেপের সাক্ষী হয়ে থাকছি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাডার, এটিসি টাওয়ার স্থাপন ছাড়াও কমিনিউকেশন, নেভিগেশন, নজরদারি ও এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে।’

এর আগেও একবার রাডার প্রতিস্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিল বেবিচক। ২০১২ সালে সরকারি-বেসরকারি মালিকানার ভিত্তিতে রাডার প্রকল্প বাস্তবায়নের অনুমতি দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। অনুমোদনের পর ২০১৫ সালে দরপত্রও চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় বাতিল হয়ে যায় সেই উদ্যোগ।

শেয়ার করুন

ফেসবুক-টুইটারের বিকল্প ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ আনছেন ট্রাম্প

ফেসবুক-টুইটারের বিকল্প ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ আনছেন ট্রাম্প

২০২২ সালের প্রথমার্ধ্বে পূর্ণাঙ্গরূপে চালু হবে ডনাল্ড ট্রাম্পের মালিকানাধীন ট্রুথ সোশ্যাল। ছবি: এএফপি

৭ জানুয়ারি থেকে দুই বছরের জন্য ট্রাম্পকে নিষিদ্ধ করেছে ফেসবুক। ‘তিনি আরও সহিংসতা উসকে দিতে পারেন’-এমন শঙ্কায় টুইটারও ট্রাম্পের অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দেয়; অ্যাকাউন্টটিতে তার অনুসারীর সংখ্যা সে সময় ছিল প্রায় নয় কোটি। এমন পরিস্থিতিতে গত কয়েক মাস ধরেই ট্রাম্প নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম চালু করবেন বলে শোনা যাচ্ছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নিজস্ব একটি অ্যাপ চালু করতে যাচ্ছেন। ফেসবুক-টুইটারের বিকল্প হিসেবে আগামী মাসেই পরীক্ষামূলক যাত্রা শুরু করবে ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ অ্যাপ।

বিশ্বের জনপ্রিয়তম ও বহুল ব্যবহৃত সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক-টুইটারে নিষিদ্ধ ট্রাম্প জানান, ‘বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবেন’ তিনি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রুথ সোশ্যাল তৈরিতে কাজ করবে একটি নতুন প্রতিষ্ঠান। সাবেক আমেরিকান রাষ্ট্রপ্রধান ও ধনকুবের ডনাল্ড ট্রাম্পের মালিকানাধীন ট্রাম্প মিডিয়া অ্যান্ড টেকনোলজি গ্রুপ (টিএমটিজি) ও একটি বিশেষ অধিগ্রহণ সংস্থা ডিজিটিল ওয়ার্ল্ড অ্যাকুইজিশন করপোরেশন (ডিডব্লিউএসি) একীভূত হয়ে প্রতিষ্ঠানটি গঠন করবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দুটি কোম্পানিই। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটিতে ট্রাম্প একটি লিখিত বক্তব্যও দিয়েছেন।

তিনি লিখেছেন, ‘আমরা এমন এক বিশ্বে বাস করি, যেখানে টুইটারের মতো প্ল্যাটফর্মে তালেবানের মতো কট্টরপন্থিদের বিচরণ দিন দিন বাড়ছে। তাও আপনাদের জনপ্রিয় আমেরিকান প্রেসিডেন্ট নিশ্চুপ। এটা অগ্রহণযোগ্য।

‘টিএমটিজি সব মানুষকে কথা বলার সুযোগ দেয়ার মহৎ লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল… ট্রুথ সোশ্যালে আমার সত্যটা আমি প্রকাশ করব খুব শিগগিরই। নিজের চিন্তাভাবনা আপনাদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেব এবং বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করব।’

চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে পার্লামেন্ট ভবন ক্যাপিটল হিলে দাঙ্গার ঘটনায় টুইটার-ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম ট্রাম্পের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। ট্রাম্প সমর্থকদের চালানো ওই সহিংসতার ঘটনায় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তার উসকানিতেই ঘটেছে নজিরবিহীন ওই ঘটনা।

৭ জানুয়ারি থেকে দুই বছরের জন্য ট্রাম্পকে নিষিদ্ধ করেছে ফেসবুক। ‘তিনি আরও সহিংসতা উসকে দিতে পারেন’-এমন শঙ্কায় টুইটারও ট্রাম্পের অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দেয়; অ্যাকাউন্টটিতে তার অনুসারীর সংখ্যা সে সময় ছিল প্রায় নয় কোটি।

এমন পরিস্থিতিতে গত কয়েক মাস ধরেই ট্রাম্প নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম চালু করবেন বলে শোনা যাচ্ছিল।

নির্ধারিত তিন ধাপের কর্মপরিকল্পনার প্রথম ধাপ অনুযায়ী, সব ঠিক থাকলে আগামী মাসের কোনো এক সময় যাত্রা শুরু করবে নতুন সামাজিক মাধ্যমটি। ২০২২ সালের প্রথমার্ধ্বেই পূর্ণাঙ্গরূপে চালু হবে ট্রুথ সোশ্যাল।

দ্বিতীয় ধাপে টিএমটিজি প্লাস নামের একটি সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক ভিডিও সেবা চালু হবে। এতে থাকবে বিনোদন ও সংবাদমূলক কনটেন্ট আর পডকাস্ট।

নিজেদের ওয়েবসাইটে টিএমটিজি আভাস দিয়েছে, অ্যামাজন ডটকমের এডব্লিউএস ক্লাউড আর গুগল ক্লাউডকে টেক্কা দেয়া লক্ষ্য তাদের।

বিবৃতিতে টিএমটিজি জানিয়েছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য ডিডব্লিউএসির সঙ্গে একীভূত হবে প্রতিষ্ঠানটি। ডিডব্লিউএসি একটি ‘ব্ল্যাংক চেক কোম্পানি’, অর্থাৎ কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যবসায়িক পরিকল্পনা বা লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নেই তাদের। বরং অন্য কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হওয়াই লক্ষ্য ডিডব্লিউএসির।

২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজয়ের পর ২০২৪-এ পরবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্প প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে এর মধ্যে নির্বাচনী প্রচারধর্মী বেশ কিছু জনসমাবেশে অংশ নিয়েছেন রিপাবলিকান এ নেতা।

শেয়ার করুন

‘ডিজিটাল স্কলার’ এর দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন

‘ডিজিটাল স্কলার’ এর দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন

প্রতিষ্ঠানটির চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার এন আলম মুন্না বলেন, ‘একটি আইটি প্রশিক্ষণ সেন্টারের সবচেয়ে বড় সফলতা হলো এখানে আসা শিক্ষার্থীদের স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করা। এই লক্ষ্য সামনে রেখে আমরা আমাদের দক্ষ মেন্টর দ্বারা শিক্ষার্থীদের পরিপূর্ণ সাপোর্ট দিয়ে তাদের স্কিল ডেভেলপ করে যাচ্ছি।’

আইটি পেশা এবং ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ‘ডিজিটাল স্কলার’ সম্প্রতি ২ বছর পূর্তি উদযাপন করেছে। কোভিড-১৯ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ‘ডিজিটাল স্কলার’ এর শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ বিশিষ্ট আইটি ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন।

ডিজিটাল স্কলার থেকে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রায় ৬২ হাজার মার্কিন ডলারেরও বেশি অর্থ উপার্জন করেছেন। ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে অনেক তরুণ ও তাদের পরিবারের।

ডিজিটাল স্কলারে এ পর্যন্ত ২৮টি ব্যাচে প্রায় ১২ শতাধিক শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এদের মধ্যে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে সফলভাবে ক্যারিয়ার গড়েছেন প্রায় ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী।

দেশের তরুণ সমাজের বেকারত্ব দূরীকরণের লক্ষ্যে আইটি সেক্টরে বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ নিয়ে কাজ করছে ‘ডিজিটাল স্কলার’।

ফ্রিল্যান্সিং খাতে কর্মসংস্থানের নতুন উদ্যোগ হিসেবে ডিজিটাল স্কলার ‘স্মার্ট ক্যাম্পাস’ শুরু করেছে মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বরের শাহ আলী প্লাজার লেভেল ১১ তে। ক্যাম্পাসটিতে রয়েছে ডিজিটাল ক্লাসরুম, স্টুডেন্ট সাপোর্ট সেন্টার, অনলাইন লাইভ ক্লাস রুম, মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম ইত্যাদি।

প্রতিষ্ঠানটির চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার এন আলম মুন্না বলেন, ‘একটি আইটি প্রশিক্ষণ সেন্টারের সবচেয়ে বড় সফলতা হল এখানে আসা শিক্ষার্থীদের স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করা। এই লক্ষ্যই সামনে রেখে আমরা আমাদের দক্ষ মেন্টর দ্বারা শিক্ষার্থীদের পরিপূর্ণ সাপোর্ট দিয়ে তাদের স্কিল ডেভেলপ করে যাচ্ছি। ক্রমবর্ধমান এই ধারাবাহিকতার মাধ্যমেই ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ডিজিটাল স্কলার তার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে।’

শেয়ার করুন

দেশে স্মার্টফোন উৎপাদন শুরু শাওমির

দেশে স্মার্টফোন উৎপাদন শুরু শাওমির

শাওমির ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডের মোবাইল উৎপাদন কারখানাটি গাজীপুরে। সেমি নকডাউন (এসকেডি) বা হ্যান্ডসেটের যন্ত্রাংশ এনে সংযোজন করে স্মার্টফোন করবে চীনভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি। উৎপাদিত মোবাইল ফোন দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানিও করা হবে।

বিশ্বের অন্যতম সেরা কয়েকটি ব্র্যান্ডের পর এবার বাংলাদেশে মোবাইল উৎপাদন শুরু করেছে শাওমি। গাজীপুরের চীনভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটির কারখানায় উৎপাদিত মোবাইল ফোন দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানিও করা হবে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বৃহস্পতিবার তার দপ্তর থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে শাওমির ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডের মোবাইল উৎপাদন আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

এ উপলক্ষে বনানীর শেরাটন হোটেলে শাওমির বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর জিয়াউদ্দিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

দেশে সেমি নকডাউন (এসকেডি) বা হ্যান্ডসেটের যন্ত্রাংশ এনে সংযোজন করে স্মার্টফোন তৈরি করবে শাওমি।

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, আমদানিকারক দেশ থেকে রপ্তানিকারী দেশে রূপান্তরে ২০১৫ সালে ডিজিটাল ডিভাইসবিষয়ক টাস্কফোর্স মিটিংয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনা দেন। তার দৃঢ় অঙ্গীকার এবং তার বিনিয়োগ সহায়ক কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের ফলে দেশে ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদনের যাত্রা শুরু হয়েছে।

মোস্তাফা জব্বার জানান, শাওমির বাংলাদেশ কারখানার উৎপাদিত মোবাইল সেট কেবল দেশেই নয় দেশের বাইরেও রপ্তানি হবে। দেশে এখন ১৪টি মোবাইল কারখানা থেকে উৎপাদিত মোবাইল সেট দেশের মোট চাহিদার শতকরা ৬৫ ভাগের বেশি পূরণ করছে। কারখানাগুলোর ৯৯ ভাগ কর্মীই এদেশের।

তিনি বলেন, ‘তারা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে মোবাইল উৎপাদন কারখানায় কাজ করছে। বাংলাদেশের কারখানা থেকে উৎপাদিত ফাইভজি মোবাইল সেট আমেরিকায় যাচ্ছে। সৌদি আরবে আইওটি ডিভাইস রপ্তানি করছি। বিশ্বের ৮০টি দেশে বাংলাদেশ থেকে সফটওয়্যার রপ্তানি হচ্ছে। সৌদি আরব ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ রপ্তানি করছি। অথচ এক সময় কাপড় কাঁচার সাবান থেকে প্রায় প্রতিটি পণ্য বিদেশ থেকে আমাদের আমদানি করতে হয়েছে।’

সরকারের গৃহীত বিনিয়োগ উপযোগী পরিবেশের পাশাপাশি মেধাবী জনসম্পদের কারণে বিশ্ব সেরা ব্র্যান্ডের মোবাইল উৎপাদন প্রতিষ্ঠানও বাংলাদেশে কারখানা স্থাপনে আকৃষ্ট হচ্ছে বলে জানান টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী। বাংলাদেশে কারখানা স্থাপনের জন্য শাওমি কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান তিনি। আশ্বাস দেন সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার।

মোস্তফা জব্বার বলেন, ‘২০২১ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ দৃশ্যমান দেখেছি, সাবমেরিন ক্যাবল ও মহাকাশে স্যাটেলাইটসহ দেশের প্রতিটি ইউনিয়নসহ, দুর্গম চরাঞ্চল, হাওর ও দ্বীপ এবং পার্বত্য অঞ্চলে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ এবং ফোরজি সার্ভিস পৌঁছে দেয়ায় দেশে শক্তিশালী ডিজিটাল অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। গত দুই বছর করোনাকালে মানুষের জীবন যাত্রা-শিল্প-বাণিজ্য সচল রাখা হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্পখাত ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, ‘তরুণ নেতৃত্ব ও শাওমির মতো তরুণ কোম্পানির ওপর আমাদের যথেষ্ট বিশ্বাস রয়েছে। এমন নতুন প্রজন্মের সব কোম্পানি ও উদ্যোক্তাই হচ্ছে বাংলাদেশের একেকটা সফলতা। ডিজিটাল বাংলাদেশ উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে শাওমির প্রথম উৎপাদন ইউনিট স্থাপনের মাধ্যমে দেশের তরুণদের জন্য আরও সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং বৈশ্বিক মানের ইলেক্ট্রনিক্স ম্যানুফ্যাকচারিং ইকোসিস্টেম প্রতিষ্ঠা হবে।’

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘স্থানীয়ভাবে স্মার্টফোন উৎপাদন কারখানা চালুর জন্য শাওমিকে অভিনন্দন। এটি ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। এর মাধ্যমে মেড ইন বাংলাদেশ উদ্যোগ আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। এখন থেকে দেশের মানুষ একটি প্রতিযোগিতামূলক দামে বিশ্বমানের শাওমির সবশেষ সব উদ্ভাবনী পণ্য উপভোগ করবে।’

বাংলাদেশে স্যামসাং, ভিভো, অপো, রিয়েলমি, নোকিয়া, ওয়ালটন, সিম্ফনি, আইটেল-ট্র্যানসান, ফাইভস্টার, লাভা, ওকে মোবাইল, উইনস্টারসহ বিভিন্ন কোম্পানি মোবাইল উৎপাদন করছে। দেশে মটোরোলাসহ আরও কয়েকটি ব্র্যান্ড মোবাইল ফোনের কারখানা করতে আগ্রহ জানিয়েছে।

শেয়ার করুন

নতুন নামে আসছে ফেসবুক

নতুন নামে আসছে ফেসবুক

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় মেনলো পার্কে ফেসবুকের প্রধান কার্যালয়। ছবি: এএফপি

আগামী ২৮ অক্টোবর ফেসবুকের বার্ষিক সম্মেলনে কানেক্টে প্রতিষ্ঠানটির নাম বদলের ঘোষণা দেয়ার পরিকল্পনা করছেন ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ। তবে এর আগে বা পরেও ঘোষণাটি আসার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।

বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক নাম পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে। আগামী সপ্তাহেই নতুন নামে আবির্ভূত হওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে পারে অনলাইন প্ল্যাটফর্মটি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যবসায়িক চর্চার ধরন নিয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও আইনপ্রণেতাদের তোপের মুখে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফেসবুক।

বিষয়টির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্তি একটি সূত্রের বরাত দিয়ে প্রথম এ খবর প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রযুক্তিবিষয়ক ব্লগ দ্য ভার্জ।

ভার্জের তথ্য অনুযায়ী, এ পদক্ষেপের ফলে ফেসবুক ও ফেসবুকের মালিকানাধীন অন্যান্য ব্র্যান্ড, যেমন ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ, একটি সাধারণ প্রতিষ্ঠানের আওতাভুক্ত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এর আগে এমনই একটি কাঠামো গ্রহণ করেছিল গুগল। ইন্টারনেটভিত্তিক পণ্য উৎপাদন-বিক্রয় ও সেবাদানকারী বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি ২০১৫ সালে অ্যালফাবেট নামের একটি হোল্ডিং কোম্পানির অধীনে পুনর্গঠিত হয়।

রয়টার্স জানিয়েছে, এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ‘গুজব বা জল্পনাকল্পনা’ নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া নেই বলে জানিয়েছে ফেসবুক।

কিন্তু ভার্জ বলছে, আগামী ২৮ অক্টোবর ফেসবুকের বার্ষিক সম্মেলনে কানেক্টে প্রতিষ্ঠানটির নাম বদলের ঘোষণা দেয়ার পরিকল্পনা করছেন ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ। তবে এর আগে বা পরেও ঘোষণাটি আসার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।

জাকারবার্গের হাতে বর্তমানে আছে ‘মেটাভার্স’-এর মতো উচ্চাভিলাষী প্রকল্প। মেটাভার্সকে বলা হচ্ছে এমন এক ডিজিটাল বিশ্ব, যেখানে মানুষের পক্ষে বিভিন্ন ডিভাইসের মাধ্যমে স্থান পরিবর্তন করা সম্ভব হবে এবং তারা এক ধরনের ভার্চুয়াল পরিবেশে যোগাযোগ করতে পারবে।

চলতি বছরের জুলাই থেকে ভার্চুয়াল বাস্তবতা (ভিআর) ও অগমেন্টেড বাস্তবতার (এআর) ওপর বিপুল বিনিয়োগ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

বাস্তব জগতের মতো কিংবা সম্পূর্ণ ভিন্ন কৃত্রিম অভিজ্ঞতা হলো ভার্চুয়াল বাস্তবতা।

অন্যদিকে, অগমেন্টেড বাস্তবতা বলতে বোঝানো হয় বাস্তব শারীরিক বিশ্বের একটি সম্প্রসারিত সংস্করণকে। প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটাল ভিজুয়াল উপকরণ, শব্দ ও অন্যান্য সংবেদনশীল উদ্দীপনা ব্যবহারের মাধ্যমে অগমেন্টেড বাস্তবতা অর্জন করা সম্ভব। মোবাইল কম্পিউটিং ও ব্যবসায়িক অ্যাপ্লিকেশনসের সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠানগুলোতে অগমেন্টেড বাস্তবতার ধারণা দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে।

ভার্চুয়াল ও অগমেন্টেড বাস্তবতাকে দৈনন্দিন জীবনে পরিচিত করতে অকুলাস ভিআর হেডসেট, এআর চশমা, প্রযুক্তি যুক্ত রিস্টব্যান্ডসহ নানা পণ্য তৈরিতে গবেষণা করছে ফেসবুক।

শেয়ার করুন