লোকসানি প্রতিষ্ঠানকে লাভে ফেরানোর তাগিদ শিল্পমন্ত্রীর

লোকসানি প্রতিষ্ঠানকে লাভে ফেরানোর তাগিদ শিল্পমন্ত্রীর

মঙ্গলবার বিএসইসি আয়োজিত ‘ব্যবসা উন্নয়ন সম্মেলন’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন।

শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, ‘আমরা রাষ্ট্রীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে চাই না। এর সঙ্গে কর্মসংস্থানের বিষয় জড়িত। কাজেই নতুন বিনিয়োগ আনতে হবে ও প্রকল্প নিতে হবে। কর্মকতা ও কর্মচারীদের দক্ষতা বাড়াতে হবে। অদক্ষ ও অপ্রয়োজনীয় জনবল বাদ দিতে হবে।’

বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশনের (বিএসইসি) আওতায় থাকা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের লোকসান কমিয়ে লাভজনক করতে দরকারি ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন।

মঙ্গলবার বিএসইসি আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘ব্যবসা উন্নয়ন সম্মেলন’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

২১-২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ ব্যবসা উন্নয়ন সম্মেলনে বিএসইসির শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা অংশ নেবেন।

শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, ‘আমরা রাষ্ট্রীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে চাই না। এর সঙ্গে কর্মসংস্থানের বিষয় জড়িত। কাজেই নতুন নতুন বিনিয়োগ আনতে হবে ও প্রকল্প নিতে হবে। কর্মকতা ও কর্মচারীদের দক্ষতা বাড়াতে হবে। অদক্ষ ও অপ্রয়োজনীয় জনবল বাদ দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন (বিএসইসি) ৬২টি শিল্প প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত। কমতে কমতে এখন নয়টি প্রতিষ্ঠান টিকে আছে। মুক্তবাজার অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিএসইসির নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য উৎপাদিত পণ্যের আন্তর্জাতিক মান রেখে উৎপাদন বাড়াতে হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘এছাড়া প্রতিযোগিতামূলক বাজার বিবেচনায় পণ্যের দাম নির্ধারণ ও বিক্রি বাড়ানো এবং গ্রাহকের ও ক্রেতার চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পণ্য বহুমুখীকরণ করতে হবে। পণ্য উৎপাদনে আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন, মালমাল ক্রয় ও পণ্য বিক্রয় ব্যবস্থা যুগোপযোগী করতে হবে।’

সভাপতির বক্তব্যে বিএসইসির চেয়ারম্যান শহিদুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘শুধু ডিপিএম নির্ভর না থেকে আমাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করতে বহুমুখী উপায় নিতে হবে এবং প্রতিযোগিতায় নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
রমজানে খাদ্যপণ্য নকল-ভেজালে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি শিল্পমন্ত্রীর
জাহাজ নির্মাণ শিল্পে সৌদি বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ
খুচরা বিক্রেতাকে অব্যাহতি দিয়ে লবণে আয়োডিন নিশ্চিতে বিল
সার মজুদ করলে কঠোর ব্যবস্থা  

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ঢাকায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্মেলন ২৬ অক্টোবর থেকে

ঢাকায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্মেলন ২৬ অক্টোবর থেকে

বৈশ্বিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের আরও বেশি অংশগ্রহণ ও বিনিয়োগ আকর্ষণ করাই এ সম্মেলনের মূল লক্ষ্য। এ সম্মেলনের মাধ্যমে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের সক্ষমতা তুলে ধরা হবে, যার মাধ্যমে আরও বেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ সম্ভব হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) যৌথ উদ্যোগে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সপ্তাহব্যাপী আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্মেলন।

মুজিব শতবর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে। এটি শুরু হবে ২৬ অক্টোবর থেকে। চলবে ১ নভেম্বর পর্যন্ত।

ঢাকা চেম্বার বলেছে, বৈশ্বিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের আরও বেশি অংশগ্রহণ ও বিনিয়োগ আকর্ষণ করাই এ সম্মেলনের মূল লক্ষ্য। এ সম্মেলনের মাধ্যমে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের সক্ষমতা তুলে ধরা হবে, যার মাধ্যমে আরও বেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ সম্ভব হবে।

‘বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২১’ শীর্ষক এ ভার্চুয়াল আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বাংলাদেশসহ ৩৮টি দেশের ৫৫২টি কোম্পানি সপ্তাহব্যাপী এতে অংশগ্রহণ করবে।

সোমবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রহমান বলেন, এ মেলার মাধ্যমে বিনিয়োগ ও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

তিনি জানান, ভার্চুয়াল এ বাণিজ্য সম্মেলনের মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তাদের কাছে করোনা মহামারির সময়েও ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগে বাংলাদেশের প্রস্তুতি তুলে ধরা হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘এ বাণিজ্য সম্মেলন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তার মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনে সক্ষম হবে, যা আমাদের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।’

রিজওয়ান রহমান আরও বলেন, ‘আমাদের রপ্তানিখাত বেশি মাত্রায় তৈরি পোশাকনির্ভর। এখন সময় এসেছে অন্যান্য খাতগুলোকে নিয়ে কাজ করা এবং বাণিজ্য সম্মেলনে সম্ভাবনাময় খাতের উপর আলোকপাত করা।’

ঢাকা চেম্বার বলেছে, সম্মেলনে ছয়টি ওয়েবিনারের আয়োজন করা হবে। এতে সংশ্লিষ্ট খাতের দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা অংশ নেবেন।

এ ছাড়া বাণিজ্য সম্মেলনে জ্বালানি, তথ্য প্রযুক্তি, চামড়াজাত পণ্য, ফার্মাসিউটিক্যালস, অটোমোটিভ অ্যান্ড লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, প্লাস্টিক পণ্য, কৃষি প্রক্রিয়াকরণ, পাট ও বস্ত্র, খুচরা ব্যবসা প্রভৃতি খাতে বাংলাদেশের সম্ভাবনা ও করণীয় সম্পর্কে আলোকপাত করা হবে।

আরও পড়ুন:
রমজানে খাদ্যপণ্য নকল-ভেজালে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি শিল্পমন্ত্রীর
জাহাজ নির্মাণ শিল্পে সৌদি বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ
খুচরা বিক্রেতাকে অব্যাহতি দিয়ে লবণে আয়োডিন নিশ্চিতে বিল
সার মজুদ করলে কঠোর ব্যবস্থা  

শেয়ার করুন

মীরসরাইয়ে হচ্ছে শেখ রাসেলের নামে ইনস্টিটিউট

মীরসরাইয়ে হচ্ছে শেখ রাসেলের নামে ইনস্টিটিউট

শেখ রাসেল দিবসে আলোচনা সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। ছবি: নিউজবাংলা

টিপু মুনশি বলেন, ‘একজন শিশু কখনোই কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তির প্রতিপক্ষ হতে পারে না। শিশু হত্যা একটি জঘন্য ও ঘৃণীত কাজ; ঘাতকরা তা করেছে। ইতিহাসের পাতার খুনিরা ঘৃণীত ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। রাসেল হত্যার বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান চিরদিন থাকবে। আমাদের সজাগ থাকতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো শিশুকে হত্যা করা না হয়। শেখ রাসেল হত্যার বিচার হয়েছে। কোনো বাধাই এ বিচার ঠেকিয়ে রাখতে পারেনি।’

দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে রপ্তানি আয় বাড়াতে চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে শেখ রাসেল ইনস্টিটিউট অফ জেনারেল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি গড়ে তুলছে সরকার। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠপুত্র শেখ রাসেলের স্মৃতি ধরে রাখার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এটি নির্মাণ হচ্ছে।

সচিবালয়ে সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘শেখ রাসেল দিবস-২০২১’ আলোচনা সভায় এ তথ্য জানায় মন্ত্রণালয়।

এবারের শেখ রাসেল দিবসের প্রতিপাদ্য ‘শেখ রাসেল দীপ্ত জয়োল্লাস, অদম্য আত্মবিশ্বাস।’

শুরুতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে ফুলের মালা দেয়া হয়।

বাণিজ্যসচিব তপন কান্তি ঘোষের সভাপতিত্বে আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ রাসেলের জন্মদিনে আমরা শেখ রাসেল দিবস উদযাপন করছি। তবে আমাদের সামনে বার বার ভেসে উঠছে তার মৃত্যুর স্মৃতি। শেখ রাসেল ছিল বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সবচেয়ে আদরের শিশু, সবার প্রিয়। তাকেও পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।’

টিপু মুনশি বলেন, ‘একজন শিশু কখনোই কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তির প্রতিপক্ষ হতে পারে না। শিশু হত্যা একটি জঘন্য ও ঘৃণীত কাজ; ঘাতকরা তা করেছে। ইতিহাসের পাতার খুনিরা ঘৃণীত ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

‘রাসেল হত্যার বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান চিরদিন থাকবে। আমাদের সজাগ থাকতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো শিশুকে হত্যা করা না হয়। শেখ রাসেল হত্যার বিচার হয়েছে। কোনো বাধাই এ বিচার ঠেকিয়ে রাখতে পারেনি।’

আলোচনায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় অধিভুক্ত বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন মফিজুল ইসলাম, বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মো. জাফর উদ্দীন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাবলু কুমার সাহা, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস-চেয়ারম্যান এএইচএম আহসান, আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তরের প্রধান নিয়ন্ত্রক শেখ রফিকুল ইসলাম, যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তরের রেজিস্ট্রার শেখ শোয়েবুল আলম, ট্রেডিং করপোরেশন অফ বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আরিফুল হাসান ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) মালেকা খায়রুন্নেসা অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
রমজানে খাদ্যপণ্য নকল-ভেজালে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি শিল্পমন্ত্রীর
জাহাজ নির্মাণ শিল্পে সৌদি বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ
খুচরা বিক্রেতাকে অব্যাহতি দিয়ে লবণে আয়োডিন নিশ্চিতে বিল
সার মজুদ করলে কঠোর ব্যবস্থা  

শেয়ার করুন

ই-কমার্স পরিচালনায় এক মাসের মধ্যে কর্মকৌশল

ই-কমার্স পরিচালনায় এক মাসের মধ্যে কর্মকৌশল

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক ই-কমার্সসংক্রান্ত কমিটির আহ্বায়ক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, ‘আগামী এক মাসের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে আমরা একটা প্রতিবেদন দেব। ওই প্রতিবেদনে থাকবে দেশের যেসব ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম রয়েছে তাদের সুষ্ঠু ও নিয়মতান্ত্রিক পরিচালনায় কীভাবে রেজিস্ট্রেশন করা হবে এবং লাইসেন্স প্রদানের যোগ্যতা ও প্রাপ্তির সক্ষমতা কী হবে সে বিষয়টিও। এ নিয়ে ইতিমধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে।’

ই-কমার্স খাতসংশ্লিষ্টদের কীভাবে নিয়মতান্ত্রিক পরিচালনা করা যায়, নিবন্ধন গ্রহণের প্রক্রিয়া কেমন হবে এবং তাদের লাইসেন্স প্রাপ্তির পদ্ধতি বা যোগ্যতা কী হবে তার কর্মকৌশল নির্ধারণ করা হবে আগামী এক মাসের মধ্যে। এই সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থ-সম্পদ উদ্ধার করে গ্রাহকদের ফেরত দেয়ার বিষয়েও সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা নেয়া হবে।

এসব বাস্তবায়নে কর্মপরিকল্পনা প্রতিবেদন আকারে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে উপস্থাপন করা হবে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক এসংক্রান্ত কমিটির প্রথম বৈঠকে জানানো হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সোমবার এ বৈঠকে এনবিআর, বাংলাদেশ ব্যাংক, আইসিটি ডিভিশন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য, ই-ক্যাব সদস্যসহ ১৫টি মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর, বিভাগ, সংস্থার ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের বিস্তারিত ব্রিফিংয়ে তুলে ধরেন কমিটির আহ্বায়ক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও আমদানি) এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।

তিনি বলেন, ‘আগামী এক মাসের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে আমরা একটা প্রতিবেদন দেব। ওই প্রতিবেদনে থাকবে দেশের যেসব ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম রয়েছে তাদের সুষ্ঠু ও নিয়মতান্ত্রিক পরিচালনায় কীভাবে রেজিস্ট্রেশন করা হবে এবং লাইসেন্স প্রদানের যোগ্যতা ও প্রাপ্তির সক্ষমতা কী হবে, সে বিষয়টিও। এ নিয়ে ইতিমধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে। তবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক গঠিত কমিটিকেও বিষয়টি নিয়ে কাজ করার ম্যান্ডেট দেয়া হয়েছে।’

অতিরিক্ত সচিব সফিকুজ্জামান জানান, ই-কমার্সে আর্থিক লেনদেনের তথ্যাদি বিশেষ করে অভিযুক্ত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক লেনদেন অর্থাৎ গ্রাহকরা অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে যে পরিমাণ টাকা পায় তা কীভাবে উদ্ধার করা যায়, তারও একটি সুপারিশ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হবে।

ই-কমার্স লেনদেনে যেসব গ্রাহক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের পাওনা প্রাপ্তির পাশাপাশি লেনদেনে কীভাবে স্বার্থ সুরক্ষা দেয়া যায় তারও একটি করণীয় নির্ধারণ করে দেয়া হবে প্রতিবেদনে।

ভবিষ্যতে দেশে ই-কমার্স খাত কীভাবে পরিচালিত হবে তার একটি রূপরেখা ঠিক করবে মন্ত্রিপরিষদের গঠিত কমিটি। এর মাধ্যমে সব ই-কমার্সের আর্থিক লেনদেন একটি পদ্ধতিতে বা একটি গেটওয়ের মাধ্যমে সরবরাহ করা হবে।

সব ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানকে ভ্যাট-ট্যাক্সের আওতায় আনা হবে। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে কীভাবে এটি বাস্তবায়ন করা যায় তার একটি সুপারিশ থাকবে প্রতিবেদনে।

সফিকুজ্জামান বলেন, প্রতিবেদন দেয়ার পর সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ডিজিটাল ই-কমার্স নীতিমালা অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে একটি দিকনির্দেশনা দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
রমজানে খাদ্যপণ্য নকল-ভেজালে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি শিল্পমন্ত্রীর
জাহাজ নির্মাণ শিল্পে সৌদি বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ
খুচরা বিক্রেতাকে অব্যাহতি দিয়ে লবণে আয়োডিন নিশ্চিতে বিল
সার মজুদ করলে কঠোর ব্যবস্থা  

শেয়ার করুন

ইভ্যালি নিয়ে বিচারপতি মানিকের কী পরিকল্পনা

ইভ্যালি নিয়ে বিচারপতি মানিকের কী পরিকল্পনা

আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক। ছবি: সংগৃহীত

ইভ্যালির ভাগ্য নির্ধারণসংক্রান্ত কমিটির প্রধান আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, ‘আমার সঙ্গে আরও চারজন সদস্য আছেন। সবার সঙ্গে আলাপ করে ইভ্যালিকে ভায়াবেল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হবে। যারা এখানে পয়সা ঢেলেছেন তাদের পয়সা ফেরত দেয়ার চেষ্টা করা হবে।’

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ভাগ্য নির্ধারণে হাইকোর্টের গঠন করে দেয়া বিশেষ কমিটির প্রধানের দায়িত্ব পাওয়া আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেছেন, প্রতিষ্ঠানটিকে ‘ভায়াবেল’ তথা কার্যকর করার চেষ্টা করবেন।

বিচারপতি খুরশীদ আলম হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার ইভ্যালিবিষয়ক পাঁচ সদস্যের একটি গঠন করে দেয়। এই কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সাবেক সচিব মো. রেজাউল আহসান, মাহবুবুল করিম, চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট ফখরুদ্দিন আহমেদ ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শামীম আজিজ।

ইভ্যালি নিয়ে পরিকল্পনা জানতে চাওয়া হয় শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের কাছে। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘আমি তো মাত্র দেখলাম খবরটা। এই মুহূর্তে পুরোপুরি মন্তব্য তো দেয়া সম্ভব হবে না। কাগজপত্র দেখতে হবে। তবে এ মুহূর্তে যেটা বলতে পারি তা হলো ইভ্যালিকে ভায়াবেল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা…।

‘আমার সঙ্গে আরও চারজন সদস্য আছেন। সবার সঙ্গে আলাপ করে ইভ্যালিকে ভায়াবেল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হবে। যারা এখানে পয়সা ঢেলেছেন তাদের পয়সা ফেরত দেয়ার চেষ্টা করা হবে।’

আরও পড়ুন:
রমজানে খাদ্যপণ্য নকল-ভেজালে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি শিল্পমন্ত্রীর
জাহাজ নির্মাণ শিল্পে সৌদি বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ
খুচরা বিক্রেতাকে অব্যাহতি দিয়ে লবণে আয়োডিন নিশ্চিতে বিল
সার মজুদ করলে কঠোর ব্যবস্থা  

শেয়ার করুন

ইভ্যালির ভাগ্য নির্ধারণে বিচারপতি মানিকের নেতৃত্বে কমিটি

ইভ্যালির ভাগ্য নির্ধারণে বিচারপতি মানিকের নেতৃত্বে কমিটি

ইভ্যালির অবসায়ন সংক্রান্ত বিশেষ একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছে হাইকোর্ট। ছবি: নিউজবাংলা

আইনজীবী সৈয়দ মাহসিব হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ইভ্যালির অবসায়ন চেয়ে গত ২২ সেপ্টেম্বর কোম্পানি আদালতে আবেদন করেছিলাম। সেখানে একটি আবেদন ছিল ইভ্যালি অবসায়নে যাতে একটি কমিটি গঠন করে দেয়। আজকে ওই আবেদনের শুনানির দিন ধার্য ছিল। শুনানি নিয়ে আদালত একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছেন। ইভ্যালি এখন এই কমিটি দ্বারা পরিচালিত হবে।’

আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ভাগ্য নির্ধারণে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করে দিয়েছে হাইকোর্ট। এই কমিটির প্রধান করা হয়েছে আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে।

বিচারপতি খুরশীদ আলম সরকারের হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেয়।

আইনজীবী সৈয়দ মাহসিব হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ইভ্যালির অবসায়ন চেয়ে গত ২২ সেপ্টেম্বর কোম্পানি আদালতে আবেদন করেছিলাম। সেখানে একটি আবেদন ছিল ইভ্যালি অবসায়নে যাতে একটি কমিটি গঠন করে দেয়। আজকে ওই আবেদনের শুনানির দিন ধার্য ছিল। শুনানি নিয়ে আদালত একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছেন। ইভ্যালি এখন এই কমিটি দ্বারা পরিচালিত হবে।’

তিনি জানান, এই কমিটির সদস্য থাকবে পাঁচ জন। যার মধ্যে প্রধান করা হয়েছে আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে। বাকি চার সদস্য হলেন সাবেক সচিব মো. রেজাউল আহসান, মাহবুবুল করিম, চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট ফখরুদ্দিন আহমেদ ও সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী শামীম আজিজ।

আরও পড়ুন:
রমজানে খাদ্যপণ্য নকল-ভেজালে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি শিল্পমন্ত্রীর
জাহাজ নির্মাণ শিল্পে সৌদি বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ
খুচরা বিক্রেতাকে অব্যাহতি দিয়ে লবণে আয়োডিন নিশ্চিতে বিল
সার মজুদ করলে কঠোর ব্যবস্থা  

শেয়ার করুন

হিন্দু ব্যবসায়ীদের প্রতিষ্ঠানে হামলার নিন্দা এফবিসিসিআই-এর

হিন্দু ব্যবসায়ীদের প্রতিষ্ঠানে হামলার নিন্দা এফবিসিসিআই-এর

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন হিসেবে এফবিসিসিআই সাম্প্রদায়িক হামলার নিন্দা জানিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সহ প্রশাসন ও আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে হিন্দু ব্যবসায়ীদের জানমাল রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানায়।

হিন্দু ব্যবসায়ীদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও হামলার নিন্দা জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রি (এফবিসিসিআই)।

রোববার এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই নিন্দা জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, কুমিল্লায় গত বুধবার সকালে পবিত্র কোরআন অবমাননার খবরের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ও সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনায় বেশ কয়েকটি জেলার হিন্দু ধর্মাবলম্বী ব্যবসায়ীরা তাদের দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার তথ্য জানিয়েছে এফবিসিসিআইকে।

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন হিসেবে এফবিসিসিআই এ হামলার নিন্দা জানিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সহ প্রশাসন ও আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে হিন্দু ব্যবসায়ীদের জানমাল রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জন্মলগ্ন থেকেই অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী বাংলাদেশ। এ দেশে সব সময়ই মুসলমান, হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধসহ সব ধর্মের মানুষের সহাবস্থান ও সুসম্পর্ক বিদ্যমান। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব ব্যবসায়ীদের সম্মিলিত উদ্যোগেই অর্থনৈতিক উন্নয়নের মহাসড়কে দুরন্ত গতিতে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ। এফবিসিসিআই দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় ভর করেই সব ধর্মের মানুষের যৌথ অবদানে অর্থনৈতিকভাবে আরও সুদৃঢ় অবস্থানে যাবে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন:
রমজানে খাদ্যপণ্য নকল-ভেজালে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি শিল্পমন্ত্রীর
জাহাজ নির্মাণ শিল্পে সৌদি বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ
খুচরা বিক্রেতাকে অব্যাহতি দিয়ে লবণে আয়োডিন নিশ্চিতে বিল
সার মজুদ করলে কঠোর ব্যবস্থা  

শেয়ার করুন

আবার বাড়ছে সয়াবিন তেলের দাম

আবার বাড়ছে সয়াবিন তেলের দাম

এক বছরেরও বেশি সময় ধরেই ভোজ্যতেলের বাজারে অস্থিরতা চলছে বিশ্বে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। ছবি: নিউজবাংলা

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ভোজ্যতেল ও চিনি ব্যবসায়ীদের এক বৈঠকে প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে, লিটারে বাড়বে ৭ টাকা। তবে বাণিজ্যমন্ত্রী পরে এই বিষয়টি চূড়ান্ত করবেন। তেলের পাশাপাশি চিনির দামও বাড়বে বলে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

করোনা নিয়ন্ত্রণে আসার পর বেড়ে চলা পণ্যমূল্যের কারণে বিপাকে পড়া মানুষকে আরও বেশি খরচ করতে হবে খাদ্য তৈরিতে। কারণ, খুচরা বাজারে ভোজ্যতেলের দাম আরেক দফা বাড়তে যাচ্ছে।

খোলা ও বোতলজাত উভয় ধরনের সয়াবিনের দাম লিটার প্রতি ৭ টাকা বাড়ানোর একটি প্রস্তাব চূড়ান্ত হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কত বাড়বে, তার চাবি বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির হাতে।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করে মন্ত্রণালয় যে প্রস্তাব তৈরি করেছে, তাতে এক লিটার খোলা সয়াবিন বাজারে বিক্রি হবে ১৩৬ টাকা। অনুরূপভাবে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন বিক্রি হবে ১৬০ টাকা এবং পাঁচ লিটারের দাম পড়বে ৭৬০ টাকা।

রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ভোজ্যতেল ও চিনি ব্যবসায়ীদের এক বৈঠকে প্রাথমিকভাবে প্রস্তাব তৈরি করা হয়। তবে গত ১৪ অক্টোর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক ১০ শতাংশ শুল্ক কমানোর ঘোষণায় চিনির দাম বাড়ানোর বিষয়ে বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি।

চিনির ওপর আরোপিত শুল্ক ১০ শতাংশ কমানোয় কেজিপ্রতি দাম কমবে সাড়ে তিন টাকা। কিন্তু শুল্ক প্রত্যহারের সুবিধা বাজারে সহসাই পড়বে না। কারণ শুল্ক সুবিধায় যে চিনি আমদানি হবে সে চিনি বাংলাদেশে প্রবেশ করতে সময় লাগে আরও দেড় থেকে দুই মাস।

অন্যদিকে বিশ্ববাজারে পণ্যটির কাঁচামালের অব্যাহত দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যে দেশে যে চিনি বিক্রি হচ্ছে তার ক্রয়মূল্যও বেশি। ফলে নতুন করে দাম পুনঃনির্ধারণ করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সাড়ে তিন টাকা শুল্ক কমানোর বিষয়টি বিবেচনায় নেয়া সত্ত্বেও নতুনভাবে চিনির দাম পুনঃনির্ধারণের ক্ষেত্রে সেটি ৮০ টাকার কম হবে না।

এর আগে গত ৬ সেপ্টেম্বর লিটারে তেলে দাম বাড়ানো হয় ৪ টাকা। ওই দাম বাজারে কার্যকর হওয়ার পর বর্তমানে বোতলজাত সয়াবিনের দাম নির্ধারিত আছে লিটারপ্রতি ১৫৩ টাকা এবং পাঁচ লিটারের দাম ৭২৮ টাকা। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছিল ১২৯ টাকা।

মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও আমদানি) এএইচএম সফিকুজ্জামান বৈঠকে সভাপত্বি করেন। এতে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন ছাড়াও মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন এর সদস্য প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন এর উত্থাপিত দাম বাড়ানোর প্রস্তাবে প্রাথমিক সম্মতি দেয়া হয়েছে। তবে দাম বাড়ানোর প্রস্তাবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

মন্ত্রী বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দাম বাড়ানোয় সম্মতিও দিতে পারেন কিংবা সুপারিশকৃত বর্ধিত দাম আরও কিছু সংশোধন করতে পারেন অথবা সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে আরও কিছু দিন বর্তমান নির্ধারিত দামেই সয়াবিন তেল বিক্রি করতে ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করতে পারেন।

তবে সেটি কতটা ফলপ্রসূ হবে সেটি নিয়ে যেমন সংশয় রয়েছে। একইভাবে ভোজ্যতেলে শুল্ক না কমালে এবং আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতির অবনতি না হলে দাম বাড়ানো ছাড়াও বিকল্প কোনো পথ খোলা থাকবে না। সব কিছু কাল সোমবার পরিষ্কার হতে পারে।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রাথমিক বৈঠকের পর মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এখন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সঙ্গে অভ্যন্তরীণ বৈঠকে বসেছেন।

আরও পড়ুন:
রমজানে খাদ্যপণ্য নকল-ভেজালে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি শিল্পমন্ত্রীর
জাহাজ নির্মাণ শিল্পে সৌদি বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ
খুচরা বিক্রেতাকে অব্যাহতি দিয়ে লবণে আয়োডিন নিশ্চিতে বিল
সার মজুদ করলে কঠোর ব্যবস্থা  

শেয়ার করুন