ভারত থেকে টিকা আসার বাধা কাটল

ভারত থেকে টিকা আসার বাধা কাটল

গত ২৫ জানুয়ারি সিরাম থেকে টিকার প্রথম চালান আসার চার দিন আগে দেশটি উপহার হিসেবে পাঠায় ২০ লাখ টিকা।

বাংলাদেশ ভারতীয় কোম্পানি সিরাম থেকে মোট ৩ কোটি ৪০ লাখ টিকা কিনেছিল। এর মধ্যে গত ২৫ জানুয়ারি প্রথম চালানে ৫০ লাখ টিকা আসার পর জানানো হয়েছিল, প্রতি মাসেই আসবে সম পরিমাণ টিকা। কিন্তু ফেব্রুয়ারিতে দ্বিতীয় চলানে পাঠানো হয় ২০ লাখ টিকা। এরপর ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞায় তারা আর টিকা পাঠায়নি।

করোনার টিকা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে দিয়েছে ভারত। ফলে বাংলাদেশ দেশটির টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে যে টিকা কিনেছিল, তার চালান আসতে আর বাধা নেই। আগামী মাস থেকেই ভারত টিকা রপ্তানি শুরু করতে যাচ্ছে।

দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানসুক মান্দাভিয়া সোমবার ভারতীয় গণমাধ্যমকে এক ভিডিও বার্তায় এই কথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘চতুর্থ প্রান্তিকে অর্থাৎ অক্টোবরে ৩০ কোটির বেশি টিকা পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। এর মধ্যে উৎপাদন আরও বাড়বে। আরও কিছু উৎপাদন প্রতিষ্ঠান বাজারে আসছে। এসব বিবেচনায় নিয়ে বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে আমরা আমাদের টিকার চাহিদা পূরণ করেও এত বেশি উৎপাদন করতে পারব যে, সারা বিশ্বকেই আমরা সহায়তা করতে পারব। কোভ্যাক্সকেও টিকা দিতে পারব।’

মান্দাভিয়া বলেন, ‘টিকা দেয়ার ক্ষেত্রে বৈশ্বিক টিকা-শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্স এবং প্রতিবেশী দেশগুলোকে প্রাথমিক অগ্রাধিকার দেয়া হবে।’

তবে ভারত সরকারের এই ঘোষণার বিষয়ে কিছুই জানেন না স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার খুরশীদ আলম। যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা এই বিষয়টি এখনও জানি না।’

সিরামের টিকার লোকাল এজেন্ট বেক্সিমকো ফার্মার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো জবাব মেলেনি। কোম্পানিটির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা রাব্বুর রেজাকে ফোন করলে তিনি তা গ্রহণ করেননি। পরে এসএমএস পাঠালেও কিছু লেখেননি।

ভারত থেকে টিকা আসার বাধা কাটল
ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানসুক মান্দাভিয়া। ছবি: সংগৃহীত

তার এই ঘোষণা বাংলাদেশের জন্য খুবই স্বস্তিদায়ক এ কারণে যে সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে কেনা টিকার চালান ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞায় আসতে পারছিল না।

বাংলাদেশ ভারতীয় কোম্পানি সিরাম থেকে মোট ৩ কোটি ৪০ লাখ টিকা কিনেছিল। এর মধ্যে গত ২৫ জানুয়ারি প্রথম চালানে ৫০ লাখ টিকা আসার পর জানানো হয়েছিল, প্রতি মাসেই আসবে সম পরিমাণ টিকা। কিন্তু ফেব্রুয়ারিতে দ্বিতীয় চলানে পাঠানো হয় ২০ লাখ টিকা। এরপর আর টিকা তারা পাঠায়নি।

এর মধ্যে ভারতে করোনার ব্যাপক বিস্তারের কারণে দেশটি টিকার ক্ষেত্রে নিজের চাহিদাও মেটাতে পারছিল না। বিশ্বজুড়ে ন্যায্যতার ভিত্তিতে টিকা বিতরণে গড়ে উঠা আন্তর্জাতিক জোট কোভ্যাক্সকেও দেশটি টিকা দিতে পারেনি।

আর এই অবস্থায় টিকার চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ সরকার চীনের সঙ্গে চুক্তি করে। সেই সঙ্গে চুক্তির চেষ্টা করা হচ্ছে রাশিয়ার সঙ্গে।

কোভ্যাক্সও ভারতের কাছ থেকে টিকা না পেয়ে পরে মডার্না ও ফাইজারের টিকা পাঠাচ্ছে। এই বৈশ্বিক উদ্যোগ থেকে বাংলাদেশ সাড়ে ১০ কোটি টিকা কিনতে চাইছে।

তবে সিরামের টিকা বাংলাদেশের জন্য সুবিধাজনক এই কারণে যে, এখন পর্যন্ত যত টিকা এসেছে, তার মধ্যে সবচেয়ে কম দাম এই সিরামেরই।

চীন থেকে সরকার কত দামে টিকা পাচ্ছে, সেই বিষয়টি প্রকাশ করেনি। এর আগে গণমাধ্যমে দাম প্রকাশের পর টিকা কেনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সে দাম সিরামের দামের দ্বিগুণের চেয়ে বেশি ছিল।

সিরাম থেকে বাংলাদেশের টিকা কেনার ক্ষেত্রে চুক্তিটি অভিনব। ভারত সরকার যদি ৪ ডলারের কমে টিকা পায়, তাহলে বাংলাদেশ দাম দেবে ভারত সরকারের সমান। অন্যদিকে ভারত সরকার যদি ৪ ডলারের বেশি দামে টিকা কেনে, তাহলে বাংলাদেশ টিকা পাবে ৪ ডলারেই।

ভারত সরকার ডিসেম্বরের মধ্যে তার ৯৪ দশমিক ৪ কোটি প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের টিকা দিতে চায়। এখন পর্যন্ত এদের ৬১ শতাংশকে কমপক্ষে একটি ডোজ দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদির ওয়াশিংটন সফর শুরু হওয়ার আগে রপ্তানি আলোচনা আবার শুরু হয়েছে।

ওয়াশিংটনে চতুর্ভুজ (কোয়াড) দেশের শীর্ষ নেতাদের একটি বৈঠকে টিকা নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। কোয়াডের সদস্য দেশগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান এবং অস্ট্রেলিয়া।

এপ্রিল থেকে ভারতের মাসিক টিকা উৎপাদন দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। আগামী মাসে সেটি চারগুণ বেড়ে ৩০ কোটি ডোজে পৌঁছাবে।

ভারত রপ্তানি বন্ধ করার আগে প্রায় ১০০টি দেশে ৬ দশমিক ৬ কোটি ডোজ দান বা বিক্রি করেছিল বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন:
ভারতের কাছ থেকে অক্টোবরের মধ্যে টিকা চায় বাংলাদেশ
এবার নোভাভ্যাক্সের টিকা তৈরি করবে সিরাম
সিরামিক শিল্পে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি
ধৈর্য ধরুন, সিরামের টিকা দিয়েই দ্বিতীয় ডোজ
সিরামের টিকা আগস্টের আগে নয়

শেয়ার করুন

মন্তব্য

করোনায় আরও ৬ মৃত্যু, শনাক্ত ২৭৬

করোনায় আরও ৬ মৃত্যু, শনাক্ত ২৭৬

গত একদিনে দেশের ৮৩৩টি ল্যাবে করোনার ১৯ হাজার ১৮৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। দেশে এ নিয়ে টানা ৩৪ দিন করোনা শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে।

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে আরও ২৭৬ জনের শরীরে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে মঙ্গলবার বিকেলে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, দেশে এ নিয়ে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৫ লাখ ৬৮ হাজার ২৫৭ জনের দেহে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ৮৩৪ জনের।

গত একদিনে দেশের ৮৩৩টি ল্যাবে করোনার ১৯ হাজার ১৮৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। দেশে এ নিয়ে টানা ৩৪ দিন করোনা শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে।

গত একদিনে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৪৪৪ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ ১৫ লাখ ৩২ হাজার ১৮০ জন। সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৭০ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে পুরুষ ৫ জন, নারী ১ জন। এর মধ্যে চল্লিশোর্ধ্ব ২, পঞ্চাশোর্ধ্ব ২ ও ষাটোর্ধ্ব ২ জন।

বিভাগ অনুযায়ী চট্টগ্রাম ও খুলনায় ২ জন করে মৃত্যু হয়েছে। একজন করে মৃত্যু হয়েছে রাজশাহী ও সিলেটে বিভাগে।

আরও পড়ুন:
ভারতের কাছ থেকে অক্টোবরের মধ্যে টিকা চায় বাংলাদেশ
এবার নোভাভ্যাক্সের টিকা তৈরি করবে সিরাম
সিরামিক শিল্পে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি
ধৈর্য ধরুন, সিরামের টিকা দিয়েই দ্বিতীয় ডোজ
সিরামের টিকা আগস্টের আগে নয়

শেয়ার করুন

সাধারণ সিগারেটের চেয়ে বেশি ক্ষতিকর মেন্থল সিগারেট

সাধারণ সিগারেটের চেয়ে বেশি ক্ষতিকর মেন্থল সিগারেট

এ ধরনের সিগারেটগুলো নানা ফ্লেভারের হয়ে থাকে। নিঃশ্বাসের সঙ্গে সুগন্ধ বের হয়। সে কারণে লম্বা লম্বা টান দেয়ার প্রবণতাও বাড়ে। এতে ফুসফুস বেশি মাত্রায় নিকোটিন গ্রহণ করায় দ্রুত রক্তচাপ বেড়ে যায়।

যেকোনো ধূমপানই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। সিগারেট, বিড়ি, হুক্কা বা এ ধরনের কোনো কিছু একবার গ্রহণ করলেও তা ফুসফুসসহ বিভিন্ন অঙ্গের অসুস্থতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে সাধারণ সিগারেটের চেয়ে মেন্থল সিগারেট বহুগুণ বেশি ক্ষতিকারক। সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন নামের একটি আমেরিকান সংস্থার এক গবেষণামতে, অন্যসব সাধারণ সিগারেট একজন মানুষের যে ক্ষতি করে, মেন্থল সিগারেট শরীরে এর চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতি করে।

মেন্থল সিগারেট কেন বেশি ক্ষতিকারক

মেন্থলজাতীয় সিগারেটের ফিল্টারে এক ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। ধোঁয়ার সঙ্গে মুখ, গলা এবং ফুসফুসের সংস্পর্শে এলে শীতল অনুভূত হয়। মূলত এটিই সমস্ত সমস্যার কারণ। দেখা যায়, এটি ভিন্নধর্মী বলে কম বয়সীরা সিগারেটে অধিক আগ্রহী হয়ে পড়ে। ফলে বাড়ে ধূমপায়ীর সংখ্যা।

এ ছাড়া এ ধরনের সিগারেটে থাকা মেন্থলের প্রভাবে ঠান্ডাভাব অনুভূত হয় বলে ধূমপায়ীদের মধ্যে ধোঁয়া ভিতরে ধরে রাখার প্রবণতা বাড়ে। কারণ এতে এক ধরনের আরাম পাওয়া যায়। ধোঁয়া বেশিক্ষণ ভিতরে ধরে রাখলে শরীর অধিক মাত্রায় নিকোটিন গ্রহণ করে। এতে মানুষ দ্রুত ধূমপানজনিত অসুখগুলোতে আক্রান্ত হয়।

এ ছাড়া দেখা যায়, এ ধরনের সিগারেটগুলো নানা ফ্লেভারের হয়ে থাকে। নিঃশ্বাসের সঙ্গে সুগন্ধ বের হয়। সে কারণে লম্বা লম্বা টান দেয়ার প্রবণতাও বাড়ে। এতে ফুসফুস বেশি মাত্রায় নিকোটিন গ্রহণ করায় দ্রুত রক্তচাপ বেড়ে যায়।

গবেষণা বলে, যারা যত লম্বা টান দেয়, তাদের সিগারেটে আসক্তিও সে হারে বৃদ্ধি পায়। ফলে ধূমপান ত্যাগ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

চিকিৎসকদের দাবি, মেন্থল সিগারেট সাধারণ সিগারেটের তুলনায় শুধু রক্তচাপ বা হৃদরোগের আশঙ্কাই বাড়ায় না, পাশাপাশি ফুসফুস এবং ব্লাড ক্যানসারের মতো অসুখেরও কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

সূত্র: মিড এন্ডারসন সেন্টার

আরও পড়ুন:
ভারতের কাছ থেকে অক্টোবরের মধ্যে টিকা চায় বাংলাদেশ
এবার নোভাভ্যাক্সের টিকা তৈরি করবে সিরাম
সিরামিক শিল্পে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি
ধৈর্য ধরুন, সিরামের টিকা দিয়েই দ্বিতীয় ডোজ
সিরামের টিকা আগস্টের আগে নয়

শেয়ার করুন

আইসিইউ থেকে কেবিনে খালেদা জিয়া

আইসিইউ থেকে কেবিনে খালেদা জিয়া

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে বায়োপসি হয়েছে খালেদা জিয়ার। ফাইল ছবি

খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘এটা তো আসলে অপারেশন ঠিক না। এটা একটা ডায়াগনস্টিক পার্ট। যেকোনো ছোটোখাটো কিছুর পরই আইসিইউতে রাখা হয়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে কয়েক ঘণ্টা আইসিউতে রেখে রাতেই তাকে কেবিনে শিফট করা হয়েছে।’

বায়োপসির পর কয়েক ঘণ্টা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রেখে কেবিনে নেয়া হয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে।

সোমবার রাতেই বেগম জিয়াকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয় বলে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

তিনি বলেন, ‘এটা তো আসলে অপারেশন ঠিক না। এটা একটা ডায়াগনস্টিক পার্ট। যেকোনো ছোটোখাটো কিছুর পরই আইসিইউতে রাখা হয়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে কয়েক ঘণ্টা আইসিইউতে রেখে রাতেই তাকে কেবিনে শিফট করা হয়েছে।’

এর আগে সোমবার দুপুরে খালেদা জিয়ার বায়োপসি হয়। এরপর খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য বিষয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে আসে বিএনপি।

সংবাদ সম্মেলনে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসনের ছোট্ট একটি অপারেশন হয়েছে। শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর চিকিৎসকরা দেখলেন, উনার একটা বায়োপসি করা দরকার। ছোট একটা লাম্প (পিণ্ড) আছে এক জায়গায়। যেহেতু লাম্প আছে, তার নেচার অফ ভিউ জানার জন্য লাম্পে বায়োপসি করা হয়েছে।’

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ১২ অক্টোবর খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেই থেকেই হাসপাতালটিতে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

গত ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার করোনার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। শুরুতে গুলশানের বাসভবন ফিরোজার দ্বিতীয় তলায় একটি রুমে চিকিৎসা চলছিল বিএনপি নেত্রীর।

১৫ এপ্রিল এভারকেয়ার হাসপাতালে সিটি স্ক্যান করানো হয় খালেদা জিয়ার। এরপর ফিরিয়ে আনা হয় গুলশানের বাসভবনে। অবস্থার অবনতি হলে ২৭ এপ্রিল একই হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বিএনপির প্রধানকে।

৩ মে শ্বাসকষ্ট অনুভব করলে খালেদা জিয়াকে কেবিন থেকে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। বিএনপি থেকে খালেদা জিয়ার করোনা মুক্তির খবর দেয়া হয় ৯ মে।

তবে সিসিইউতে থাকা অবস্থায় হঠাৎ জ্বরে আক্রান্ত হন খালেদা জিয়া। ৩ জুন চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে কেবিনে ফিরিয়ে আনা হয়। এর ১৬ দিন পর বাসায় ফেরেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

হাসপাতালে নেয়ার কিছুদিন পর খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশ নিয়ে যেতে সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার পরিবার ও দল। বিষয়টি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা হয় বিএনপি ও খালেদার পরিবারের।

নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদনও করেন খালেদা জিয়া, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে বিদেশ যেতে অনুমতি দেয়নি সরকার। জানানো হয়, বিএনপি নেত্রী একাধিক দণ্ডিত মামলার আসামি হওয়ায় আইন অনুযায়ী তাকে বিদেশ যেতে অনুমতি দেয়ার সুযোগ নেই।

এর মধ্যে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন খালেদা জিয়া। মহাখালীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ১৯ জুলাই প্রথম ডোজ টিকা নেয়ার পর একই হাসপাতালে দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেন ১৮ আগস্ট।

খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল আছে বলে দল থেকে জানানো হয়েছে। আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, হাঁটুর জটিলতা ছাড়াও নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা রয়েছে তার। ২০১৭ সালে যুক্তরাজ্যে খালেদা জিয়ার চোখেও অপারেশন করা হয়।

এর মধ্যে খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়িয়েছে সরকার।

আরও পড়ুন:
ভারতের কাছ থেকে অক্টোবরের মধ্যে টিকা চায় বাংলাদেশ
এবার নোভাভ্যাক্সের টিকা তৈরি করবে সিরাম
সিরামিক শিল্পে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি
ধৈর্য ধরুন, সিরামের টিকা দিয়েই দ্বিতীয় ডোজ
সিরামের টিকা আগস্টের আগে নয়

শেয়ার করুন

ভেজাল ওষুধ উৎপাদন, ২ কারখানা মালিকের জরিমানা

ভেজাল ওষুধ উৎপাদন, ২ কারখানা মালিকের জরিমানা

রংপুরে ভেজাল ওষুধ কারখানায় অভিযান চালিয়েছে ভ্রম্যমাণ আদালত। ছবি: নিউজবাংলা

রংপুর নগরীর ‘দি মৌভাষা ইসলামিয়া ঔষধ ফ্যাক্টরি’ এবং কাউনিয়া উপজেলার ‘বি সান্ত ল্যাবরেটরিজ’ ইউনানী ফ্যাক্টরিতে অভিযান চালায় পুলিশ। মালিকদের জরিমানা করে দুই কারখানা বন্ধ করে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রংপুর মহানগরী ও কাউনিয়ার হারাগাছ এলাকায় দুটি ওষুধ কারখানায় অভিযান চালিয়ে ভেজাল ওষুধ জব্দ করেছে পুলিশ।

ভ্রাম্যমাণ আদালত মালিকদের জরিমানা করে ওই দুই কারখানা বন্ধ করে দিয়েছে।

সোমবার দুপুরে নগরীর ‘দি মৌভাষা ইসলামিয়া ঔষধ ফ্যাক্টরি’ এবং কাউনিয়া উপজেলার ‘বি সান্ত ল্যাবরেটরিজ’ ইউনানী ফ্যাক্টরিতে অভিযান চালানো হয়।

রংপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি অ্যান্ড মিডিয়া) সাজ্জাদ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছের বাহার কাছনা এলাকায় ‘বি সান্ত ল্যাবরেটরিজ' ইউনানী ফ্যাক্টরিতে অভিযান চালানো হয়। ফ্যাক্টরিতে কেমিস্ট না থাকা, অনুমোদন ছাড়া ওষুধ তৈরিসহ নানা অনিয়ম ধরা পড়ে। সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত ফ্যাক্টরির মালিক রাশেদুল আনাম প্রামানিককে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে।

ত্রুটি সংশোধন না করা পর্যন্ত ফ্যাক্টরির সব কার্যক্রম ও উৎপাদন বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অন্যদিকে, নগরীর নিউ শালবন এলাকায় ‘দি মৌভাষা ইসলামিয়া ঔষধ ফ্যাক্টরি’তে অভিযান চালানো হয়।

সেখানেও অনুমোদন ছাড়া ওষুধ উৎপাদন, কেমিস্ট না থাকা, ওষুধ উৎপাদনের কাঁচামালের গায়ে মেয়াদ ও ব্যবহার বিধি না থাকা এবং বোতলের গায়ে লাগানো লেভেল ও টোকেন সঠিক না থাকাসহ নানাবিধ অনিয়ম পাওয়া যায়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ফ্যাক্টরির মালিক এমদাদুল ইসলামকে সাত হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন।

সব অনিয়ম দূর না করা পর্যন্ত কারখানার কার্যক্রম ও উৎপাদন বন্ধ রাখার আদেশ দেয়া হয়েছে।

দুই ওষুধ কারখানা থেকে ১৫ লাখ টাকার ভেজাল ওষুধ জব্দ করেছে পুলিশ।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন রংপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাশপিয়া তাসরিন।

অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর রংপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক তৌহিদুল ইসলাম।

রংপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি অ্যান্ড মিডিয়া) সাজ্জাদ হোসেন জানান, রংপুর মহানগরীতে সব ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, নকল ও অননুমোদিত ওষুধ নির্মূলে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন:
ভারতের কাছ থেকে অক্টোবরের মধ্যে টিকা চায় বাংলাদেশ
এবার নোভাভ্যাক্সের টিকা তৈরি করবে সিরাম
সিরামিক শিল্পে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি
ধৈর্য ধরুন, সিরামের টিকা দিয়েই দ্বিতীয় ডোজ
সিরামের টিকা আগস্টের আগে নয়

শেয়ার করুন

করোনায় আরও ৫ মৃত্যু, শনাক্ত ২৮৯

করোনায় আরও ৫ মৃত্যু, শনাক্ত ২৮৯

ফাইল ছবি

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ৮৩৩টি ল্যাবে করোনার ২০ হাজার ৭৭৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার এক দশমিক ৩৯ শতাংশ। দেশে এ নিয়ে টানা ৩৩ দিন করোনা শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে আরও ২৮৯ জনের শরীরে।

সোমবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, দেশে এ নিয়ে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৫ লাখ ৬৭ হাজার ৯৮১ জনের শরীরে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ৮২৮ জনের।

২৪ ঘণ্টায় দেশের ৮৩৩টি ল্যাবে করোনার ২০ হাজার ৭৭৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার এক দশমিক ৩৯ শতাংশ। দেশে এ নিয়ে টানা ৩৩ দিন করোনা শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে।

গত এক দিনে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছে ৪১৩ জন। এ পর্যন্ত হয়েছে সুস্থ ১৫ লাখ ৩১ হাজার ৭৪০ জন। সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে পুরুষ ২ জন ও ৩ জন নারী। এর মধ্যে পঞ্চাশোর্ধ্ব ২, ষাটোর্ধ্ব ৩ জন।

বিভাগ অনুযায়ী ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ২ জন করে মারা গেছে। এছাড়া খুলনা বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

গত বছরের মার্চে ছড়ানো করোনা বছরের শেষে নিয়ন্ত্রণে আসার পর চলতি বছর এপ্রিলের আগে থেকে আবার বাড়তে থাকে। এর মধ্যে প্রাণঘাতী ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার পর এপ্রিলের শুরুতে লকডাউন এবং ১ জুলাই থেকে শাটডাউন দেয় সরকার।

সংক্রমণ কমে আসার পর আগস্টের মাঝামাঝি থেকে ধীরে ধীরে সব বিধিনিষেধ তুলে নেয়া শুরু হয়। এর অংশ হিসেবে ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

আরও পড়ুন:
ভারতের কাছ থেকে অক্টোবরের মধ্যে টিকা চায় বাংলাদেশ
এবার নোভাভ্যাক্সের টিকা তৈরি করবে সিরাম
সিরামিক শিল্পে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি
ধৈর্য ধরুন, সিরামের টিকা দিয়েই দ্বিতীয় ডোজ
সিরামের টিকা আগস্টের আগে নয়

শেয়ার করুন

হার্ট অ্যাটাকের কারণ

হার্ট অ্যাটাকের কারণ

কাওয়াসাকি রোগ থেকে থ্রম্বোসিসের সমস্যা হলে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সীরাও ঝুঁকিতে থাকেন। 

আজকাল বহু মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হচ্ছে হার্ট অ্যাটাক। বিশেষ করে ৪০ বছরের ওপর যারা আছেন তাদের ক্ষেত্রে এ ঝুঁকি যেন সবচেয়ে বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে হার্ট অ্যাটাকের কিছু বিশেষ কারণ রয়েছে। চলুন জেনে নেয়া যাক কারণগুলো।

১. অনেকেরই জন্মগতভাবে শরীরের বিভিন্ন শিরা বা ধমনির মাপ ছোট হয়ে থাকে। সেসব মানুষ যখন অতিরিক্ত শারীরিক কসরত করে, তখন তাদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

২. কাওয়াসাকি রোগ থেকে থ্রম্বোসিসের সমস্যা হলে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সীরাও ঝুঁকিতে থাকেন।

৩. অতিরিক্ত ধূমপান সিগারেট, গাঁজা বা হুক্কার নেশা করলে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ার মতো সমস্যা তৈরি হয়। এর ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি বেড়ে যায়।

৪. লিপিড মেটাবলিজমের সমস্যা থাকলে কম বয়সেই হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারে। এটি হৃদরোগের অন্যতম কারণ বলে বিবেচিত।

৫. কোনো কারণে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলেও হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।

৬. অতিরিক্ত ফাস্টফুড, তৈলাক্ত বা দুগ্ধজাত খাবার খেলে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা বাড়ে।

৭. অ্যালকোহলে আসক্ত এবং ডায়বেটিস আক্রান্ত মানুষেরও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি।

এ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, কম বয়সে আচমকা বুকে সামান্য ব্যথা অনুভব করলে, তা এড়িয়ে না গিয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসার সুযোগ আগে থেকেই পাওয়া যায়। ক্রান্তীয় পরিবেশে যেহেতু কোলেস্টেরল আর ডায়াবেটিসের প্রবণতা বেশি, সে ক্ষেত্রে আগাম সতর্কতা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন:
ভারতের কাছ থেকে অক্টোবরের মধ্যে টিকা চায় বাংলাদেশ
এবার নোভাভ্যাক্সের টিকা তৈরি করবে সিরাম
সিরামিক শিল্পে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি
ধৈর্য ধরুন, সিরামের টিকা দিয়েই দ্বিতীয় ডোজ
সিরামের টিকা আগস্টের আগে নয়

শেয়ার করুন

অপারেশন থিয়েটারে খালেদা জিয়া

অপারেশন থিয়েটারে খালেদা জিয়া

দুপুরে অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয় খালেদা জিয়াকে। ফাইল ছবি

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, খালেদা জিয়া অনেক বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, দাঁত ও চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাকে এন্টিবায়োটিক দেয়া হচ্ছে। নতুন করে খালেদা জিয়ার কিডনি সমস্যা বেড়েছে; রক্তে হিমোগ্লোবিনের ঘাটতিও রয়েছে। এর মধ্যে আবার থেমে থেমে জ্বর আসায় একাধিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়।

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয়েছে।

বিএনপি চেয়ারপারসন কার্যালয়ের প্রেস উইং সূত্র জানিয়েছে, সোমবার দুপুরে খালেদা জিয়াকে অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয়।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, খালেদা জিয়া অনেক বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, দাঁত ও চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাকে এন্টিবায়োটিক দেয়া হচ্ছে।

তারা জানান, নতুন করে খালেদার কিডনি সমস্যা বেড়েছে; রক্তে হিমোগ্লোবিনের ঘাটতিও রয়েছে। এর মধ্যে আবার থেমে থেমে জ্বর আসায় একাধিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়।

গত ১২ অক্টোবর জ্বর আসায় খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। বর্তমানে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এর আগে করোনাভাইরাসসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে টানা ৫৪ দিন একই হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি।

‘পুত্রবধূর সঙ্গে সাক্ষাৎ’

এদিকে বিএনপির একটি সূত্র জানায়, গত রোববার লন্ডন থেকে ঢাকায় এসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে খালেদা জিয়াকে দেখে যান আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শর্মিলা রহমান সিঁথি।

ওই সূত্র জানায়, রাত সোয়া ৯টার দিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে প্রবেশ করেন সিঁথি। এরপর বের হন রাত ১১টার দিকে। বর্তমানে তিনি খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় আছেন।

এ বিষয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন কার্যালয়ের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দেখা করার বিষয়ে আমি আসলে জানি না, তবে ম্যাডামের চিকিৎসার বিষয়ে আজ বিকেল ৪টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।’

আরও পড়ুন:
ভারতের কাছ থেকে অক্টোবরের মধ্যে টিকা চায় বাংলাদেশ
এবার নোভাভ্যাক্সের টিকা তৈরি করবে সিরাম
সিরামিক শিল্পে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি
ধৈর্য ধরুন, সিরামের টিকা দিয়েই দ্বিতীয় ডোজ
সিরামের টিকা আগস্টের আগে নয়

শেয়ার করুন