নির্যাতনের অভিযোগ আসামির, ওসির দাবি ‘হয়রানির শিকার’

নির্যাতনের অভিযোগ আসামির, ওসির দাবি ‘হয়রানির শিকার’

শফিকের অভিযোগ, ওসির বিরুদ্ধে তিনি সংবাদ সম্মেলন করার পর থেকে তার বাসায় প্রতিদিন পুলিশ পাঠানো হচ্ছে। তিনি ‍এখন ‍প্রাণনাশের ভয়ে ‍এলাকা ছাড়া। ‍‍তাকে মাদক ও ডাকাতি মামলায় ফাঁসানোর পায়তারা করছে ওসি। তবে ওসির দাবি, কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে শফিককে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে বিপাকে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন এক ব্যক্তি।

ওসির দাবি, অভিযোগকারীই তার পিছু লেগে আছেন। কেউ তাকে ব্যবহার করছে।

বরিশালের শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত প্রেসক্লাবে সোমবার বেলা ১১টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন শফিকুল ইসলাম।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘গত ২৪ আগস্ট শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত প্রেসক্লাবে ও ২৯ আগস্ট মঠবাড়িয়া প্রেসক্লাবে আমি ওসি নুরুল ইসলাম বাদলের বিরুদ্ধে হয়রানি ও এলাকার জেলেদের কাছ থেকে ঘুষ নেয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করি। প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরেও লিখিত অভিযোগ পাঠাই।

‘এরপর থেকে ‍আমার বাসায় প্রতিদিন পুলিশ পাঠানো হচ্ছে। আমি ‍এখন ‍প্রাণনাশের ভয়ে ‍এলাকা ছাড়া। ‍‍আমাকে মাদক ও ডাকাতি মামলায় ফাঁসানোর পাঁয়তারা করছে ওসি।’

শফিকুল আরও বলেন, ‘আমি ওই ওসির বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বাংলাদেশ পুলিশের ‍আইজপি, বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি, পিরোজপুরের পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। অভিযোগের পর পিরোজপুরের পুলিশ সুপার ‍আমাকে ডেকে পাঠালে ‍আমি তার কার্য‍ালয়ে যাই। সেখানে ‍আমার লিখিত জবানবন্দি রাখা হয়।

‘এরপর অনেক দিন পেরিয়ে গেলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজিও আশ্বাস দিয়েছিলেন। পরে কোনো ব্যবস্থা নেননি।’

তবে ওসি বাদল বলছেন কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে শফিককে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শফিক একটি মামলার নিয়মিত আসামি। তখন থেকে তাকে চিনি। তিনি মারামারি করে একজনের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিলেন। বাদীপক্ষ বিষয়টি মীমাংসা করতে রাজি না হয়ে মামলা করে। শফিক ওই মামলায় জামিনে আছেন।

‘এরপর থেকেই তিনি আমার পিছু লেগে আছেন। আমি এই থানার ওসি, এখানে অনেক রাজনৈতিক বিরোধ আছে। কেউ হয়তো তাকে আমার বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে।’

আরও পড়ুন:
প্রদীপকে আদালতে সতর্ক, ৪ পুলিশ প্রত্যাহার
করোনা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এককাট্টা ঢাকা-মাসকাট
রোজিনার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এখন রূপনগরের ওসি
ব্যবসায়ীকে থানায় ডেকে লাঞ্ছনার অভিযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ওসিকে বদলি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মায়ের সঙ্গে গোসলে নেমে মেঘনায় নিখোঁজ  

মায়ের সঙ্গে গোসলে নেমে মেঘনায় নিখোঁজ  

মেঘনায় নিখোঁজ শিশু ইমামকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের অভিযান। ছবি: নিউজবাংলা

স্থানীয়দের বরাতে ইউএনও তানভির জানান, দুপুরে মায়ের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নামে ইমাম। একপর্যায়ে তলিয়ে যায় সে। মায়ের চিৎকারে স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি করে ব্যর্থ হলে খবর দেয়া হয় ফায়ার সার্ভিসকে।

শরীয়তপুরে নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ শিশুর সন্ধান মেলেনি। রাত হয়ে যাওয়ায় উদ্ধার অভিযান বন্ধ রেখেছে ফায়ার সার্ভিস। শনিবার সকালে আবার অভিযান চলবে বলে জানিয়েছে তারা।

ভেদরগঞ্জ উপজেলায় মেঘনা নদীতে শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তলিয়ে যায় শিশুটি।

তার নাম ইমাম গাজী। ৮ বছরের ইমামের বাড়ি চরসেনসাস ইউনিয়নের বেড়াচাক্কি গ্রামে। স্থানীয় একটি মাদ্রাসার ছাত্র সে।

নিউজবাংলাকে এসব নিশ্চিত করেছেন ভেদরগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা তানভির আল নাফিস।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, দুপুরে মায়ের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নামে ইমাম। একপর্যায়ে তলিয়ে যায় সে। মায়ের চিৎকারে স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি করে ব্যর্থ হলে খবর দেয়া হয় ফায়ার সার্ভিসকে।

শরীয়তপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে একটি ইউনিট উদ্ধার অভিযান শুরু করে। কিছু সময়ের মধ্যে যোগ দেয় চাঁদপুর থেকে আসা আরেকটি ইউনিট। কিন্তু সন্ধ্যা পর্যন্ত শিশুর সন্ধান মেলেনি। শনিবার সকালে আবার অভিযান শুরু হবে।’

আরও পড়ুন:
প্রদীপকে আদালতে সতর্ক, ৪ পুলিশ প্রত্যাহার
করোনা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এককাট্টা ঢাকা-মাসকাট
রোজিনার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এখন রূপনগরের ওসি
ব্যবসায়ীকে থানায় ডেকে লাঞ্ছনার অভিযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ওসিকে বদলি

শেয়ার করুন

তিন বন্ধুর কৌশলে ধরা কুমিল্লার ইকবাল

তিন বন্ধুর কৌশলে ধরা কুমিল্লার ইকবাল

ইকবাল হোসেনকে ধরিয়ে দিতে কৌশলে তার সঙ্গে ছবি তোলেন তিন বন্ধু। ছবি: নিউজবাংলা

যাদের সহায়তায় ইকবাল ধরা পড়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে, তারা হলেন নোয়াখালীর চৌমুহনী সরকারি এসএ কলেজের ছাত্রলীগ কর্মী মেহেদী হাসান মিশু, একই সংগঠনের সাজ্জাদুর রহমান অনিক এবং সাবেক কর্মী সাইফুল ইসলাম সাইফ। তাদের মধ্যে মিশু ও অনিক ব্যবস্থাপনা বিভাগে স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে পড়ুয়া। আর সাইফ কর্মরত মৎস্য বিভাগে।

সমুদ্রসৈকতে আড্ডায় মেতেছিলেন তিন বন্ধু। হঠাৎ একজন গলা ছেড়ে গান ধরেন। তার সঙ্গে গাইতে থাকেন বাকিরাও।

পরিচিত সেই মহলে আগমন ঘটে এক আগন্তুকের। তিনিও সুর মেলাতে থাকেন। বাধা না দিয়ে আড্ডা শেষে হোটেলের রুমে ফেরেন বন্ধুরা। রাতে টেলিভিশনের পর্দায় ও ফেসবুকে ভেসে ওঠা এক ব্যক্তির ছবিতে আটকে যায় তাদের দৃষ্টি।

মনে সন্দেহ দানা বাঁধলে পরদিন তারা আবার যান সৈকতে। মনে মনে খুঁজতে থাকেন ওই ব্যক্তিকে। একপর্যায়ে লোকটিকে পেয়েও যান তারা। ফেসবুকে পাওয়া ছবির সঙ্গে তার চেহারার মিল দেখে গড়ে তোলেন সখ্য।

কথা বলার ফাঁকে জেনে নেন তার নাম। নাম জানার পর তারা টেনে আনেন কুমিল্লার প্রসঙ্গ। লোকটি তখন স্বীকার করেন, তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি দুর্গাপূজার সময় পবিত্র কোরআন রাখেন মণ্ডপে।

সব হিসাব মিলে গেলে তার সঙ্গে ছবি তোলেন বন্ধুরা। সেই ছবি পাঠানো হয় পুলিশ কাছে। এরপর পুলিশ এসে ধরে নিয়ে যায় সেই ব্যক্তিকে।

এভাবেই পুলিশের হাতে ধরা পড়েন ইকবাল হোসেন, যিনি কুমিল্লার ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিলেন।

যাদের সহায়তায় ইকবাল ধরা পড়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে, তারা হলেন নোয়াখালীর চৌমুহনী সরকারি এসএ কলেজের ছাত্রলীগ কর্মী মেহেদী হাসান মিশু, একই সংগঠনের সাজ্জাদুর রহমান অনিক এবং সাবেক কর্মী সাইফুল ইসলাম সাইফ। তাদের মধ্যে মিশু ও অনিক ব্যবস্থাপনা বিভাগে স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে পড়ুয়া। আর সাইফ কর্মরত মৎস্য বিভাগে।

ছাত্রলীগ কর্মী মিশু জানান, সোমবার (১৮ অক্টোবর) নোয়াখালী থেকে কক্সবাজার বেড়াতে যান তিনি ও অনিক। সকালে তাদের সঙ্গে যোগ দেন সেখানে থাকা সাইফুল।

দুই দিন পর বিকেল ৪টার দিকে তারা সুগন্ধা বিচের দরিয়ানগরে ঘুরতে যান। সেখানে গান গাওয়ার সময় একজন অপরিচিত লোক তাদের সঙ্গে সুর মেলাতে থাকেন। রাতে তারা হোটেল রুমে যাওয়ার পর টেলিভিশন এবং ফেসবুকে ছবি দেখে লোকটিকে ইকবাল বলে তাদের সন্দেহ হয়।

মিশু বলেন, “বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তারা সুগন্ধা পয়েন্টে গেলে ইকবালের সঙ্গে তাদের আবার দেখা হয়। এরপর আমরা ইকবালের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলি। একপর্যায়ে ইকবাল পালিয়ে যেতে চাইলে তাকে নাশতা ও সিগারেট খাইয়ে কৌশলে আটকে রাখি।

“পূজামণ্ডপে কোরআন শরিফ রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে তখন ইকবাল বলেন, ‘আল্লাহ আমাকে দিয়ে এটা করায়েছেন, সবই তার ইচ্ছা’।”

মিশু বলেন, ‘ইকবালের ছবি তুলে মোবাইলে নোয়াখালীর এএসপি শাহ ইমরানের কাছে পাঠাই। তিনি আমাদের কুমিল্লার পুলিশ সুপারের মোবাইল নম্বর দেন। কুমিল্লার পুলিশ সুপারের কাছে ছবি পাঠালে তিনি কক্সবাজারের পুলিশ সুপারকে জানান। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ এসে তাকে (ইকবাল) আটক করে নিয়ে যায়।’

জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসনাত আদনান নিউজবাংলাকে জানান, মিশু, অনিক ও সাইফ তিনজনই ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তাদের মধ্যে সাইফুলের চাকরি হয়েছে মৎস্য অধিদপ্তরে। মিশু ও অনিক সংগঠনের প্রতিটি কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

দীর্ঘ ১০ বছর চৌমুহনী সরকারি এসএ কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি না থাকায় তারা নিজেদের সংগঠনের জ্যেষ্ঠ কর্মী হিসেবে দাবি করেন। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টায় মিশু ও অনিক কক্সবাজার থেকে চৌমুহনীতে এসে পৌঁছান।

বেগমগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ ইমরান বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মিশু ও অনিক যোগাযোগ করলে তাদের কুমিল্লা পুলিশ সুপার ও কক্সবাজার পুলিশ সুপারের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দিই। এর পরই ইকবালকে আটকের খবর পাই।’

আরও পড়ুন:
প্রদীপকে আদালতে সতর্ক, ৪ পুলিশ প্রত্যাহার
করোনা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এককাট্টা ঢাকা-মাসকাট
রোজিনার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এখন রূপনগরের ওসি
ব্যবসায়ীকে থানায় ডেকে লাঞ্ছনার অভিযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ওসিকে বদলি

শেয়ার করুন

জীবনানন্দের স্মৃতি সংরক্ষণের দাবি

জীবনানন্দের স্মৃতি সংরক্ষণের দাবি

বরিশাল শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত মঞ্চে শুক্রবার বিকেলে জীবনানন্দ স্মরণানুষ্ঠান হয়। ছবি: নিউজবাংলা

কবির জীবনের ওপর আলোচনা করেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনানন্দ রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মুহসিন উদ্দিন, সরকারি ব্রজমোহন কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক দেবাশীষ হালদার ও কবি হেনরী স্বপন।

বরিশালে নানা আয়োজনে কবি জীবনানন্দ দাশের ৬৭তম প্রয়ান দিবস পালিত হয়েছে।

শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নগরীর শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত মঞ্চে জীবনানন্দ স্মরণানুষ্ঠান হয় ।

আলোচনা, কবিতাপাঠসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে জীবনানন্দ দাশের স্মৃতি ধরে রাখতে তার বাড়ি ও সম্পদ রক্ষার দাবি জানান কবিরা।

বরিশাল শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত মঞ্চকে তারা কবি জীবনানন্দ দাশ মঞ্চ নামকরণের দাবি জানান।

কবির জীবনের ওপর আলোচনা করেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনানন্দ রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মুহসিন উদ্দিন, সরকারি ব্রজমোহন কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক দেবাশীষ হালদার ও কবি হেনরী স্বপন।

এর আগে ব্রজমোহন কলেজ প্রশাসন ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে কবির প্রতিকৃতিতে ফুল দেয়া হয়।

সকালে কবি জীবনানন্দ দাশ মিলনায়তন ও পাঠাগারে জাতীয় কবিতা পরিষদের উদ্যোগে অনুষ্ঠান হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান হাবিব।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি নজমুল হোসেন আকাশ, জাতীয় কবিতা পরিষদ বরিশালের সভাপতি তপঙ্কর চক্রবর্তী, ব্রজমোহন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ স ম ইমামুল হাকিম, ছড়াকার দীপঙ্কর চক্রবর্তীসহ অনেকে।

বরিশাল নগরীর জীবনানন্দ দাশ সড়কে ‘ধানসিঁড়ি’ নামের কবির বাড়িটি বেদখল হয়ে আছে বলে জানান দেবাশীষ হালদার। বাড়িটি উদ্ধার করে সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন:
প্রদীপকে আদালতে সতর্ক, ৪ পুলিশ প্রত্যাহার
করোনা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এককাট্টা ঢাকা-মাসকাট
রোজিনার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এখন রূপনগরের ওসি
ব্যবসায়ীকে থানায় ডেকে লাঞ্ছনার অভিযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ওসিকে বদলি

শেয়ার করুন

নিখোঁজের ২ দিন পর কৃষকের মরদেহ উদ্ধার

নিখোঁজের ২ দিন পর কৃষকের মরদেহ উদ্ধার

প্রতীকী ছবি

গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, বুধবার রাতে বাড়ি থেকে বের হয়ে মধুমতী নদীর পাড়ে একটি চায়ের দোকানে যান মঞ্জু। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। শুক্রবার দুপুরে চর গোবরা এলাকার মধুমতী নদীতে মঞ্জুর মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তারা থানায় জানান।

গোপালগঞ্জ সদরে নিখোঁজের দুই দিন পর মধুমতী নদী থেকে এক কৃষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সদর উপজেলার চার গোবরা গ্রামের মধুমতী নদী থেকে শুক্রবার দুপুরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

মৃত ব্যক্তির নাম মঞ্জু গাজী। তার বাড়ি সদর উপজেলার করপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম করপাড়া গ্রামে। গত বুধবার থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম।

তিনি জানান, বুধবার রাতে বাড়ি থেকে বের হয়ে মধুমতি নদীর পাড়ে একটি চায়ের দোকানে যান মঞ্জু। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি।

শুক্রবার দুপুরে চর গোবরা এলাকার মধুমতী নদীতে মঞ্জুর মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তারা থানায় জানান।

ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
প্রদীপকে আদালতে সতর্ক, ৪ পুলিশ প্রত্যাহার
করোনা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এককাট্টা ঢাকা-মাসকাট
রোজিনার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এখন রূপনগরের ওসি
ব্যবসায়ীকে থানায় ডেকে লাঞ্ছনার অভিযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ওসিকে বদলি

শেয়ার করুন

অটোরিকশার ধাক্কার পর কাভার্ড ভ্যানচাপায় মৃত্যু

অটোরিকশার ধাক্কার পর কাভার্ড ভ্যানচাপায় মৃত্যু

দুর্ঘটনার পর এক ঘণ্টা শ্রীপুর-মাওনা আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে রাখেন স্থানীয়রা। ছবি: নিউজবাংলা

শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক নাজমুল হক জানান, শ্রীপুর-মাওনা সড়ক পার হওয়ার সময় একটি অটোরিকশা মোহাম্মদকে ধাক্কা দেয়। এতে সে সড়কে ছিটকে পড়ে। এ সময় দ্রুতগামী একটি কাভার্ড ভ্যান তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় মোহাম্মদের।

গাজীপুরে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় চার বছরের এক শিশু নিহত হয়েছে।

শ্রীপুর-মাওনা আঞ্চলিক সড়কের ব্যাপারী বাড়ি এলাকায় শুক্রবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশুর নাম মোহাম্মদ। শ্রীপুরের ব্যাপারী বাড়ি এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে থাকত সে।

শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হক এসব নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে তিনি জানান, শ্রীপুর-মাওনা সড়ক পার হওয়ার সময় একটি অটোরিকশা মোহাম্মদকে ধাক্কা দেয়। এতে সে সড়কে ছিটকে পড়ে। এ সময় দ্রুতগামী একটি কাভার্ড ভ্যান তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় মোহাম্মদের।

এ ঘটনায় স্থানীয়রা প্রায় এক ঘণ্টা শ্রীপুর-মাওনা আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে রাখেন। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এসআই নাজমুল বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আটক করা হয়েছে কাভার্ড ভ্যানচালক ও তার সহকারীকে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার প্রস্তুতি চলছে।’

আরও পড়ুন:
প্রদীপকে আদালতে সতর্ক, ৪ পুলিশ প্রত্যাহার
করোনা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এককাট্টা ঢাকা-মাসকাট
রোজিনার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এখন রূপনগরের ওসি
ব্যবসায়ীকে থানায় ডেকে লাঞ্ছনার অভিযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ওসিকে বদলি

শেয়ার করুন

মণ্ডপে হামলায় নুরের সংগঠনের ৭ সদস্য রিমান্ডে

মণ্ডপে হামলায় নুরের সংগঠনের ৭ সদস্য রিমান্ডে

চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে যুব অধিকার পরিষদের ১০ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি নেজাম উদ্দিন বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় যুব অধিকার পরিষদের ৯ নেতা-কর্মীসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছি। তারা ঘটনার পরিকল্পনায় ছিলেন। সাধারণ মানুষকে ব্যবহার করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে হামলার নেতৃত্বও দিয়েছেন।’

চট্টগ্রামের জেএমসেন হলের পূজামণ্ডপে হামলার ঘটনায় করা মামলায় যুব অধিকার পরিষদের সাত সদস্যের এক দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত।

যুব অধিকার পরিষদ ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরের নেতৃত্বাধীন সংগঠন।

চট্টগ্রামের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক শফি উদ্দিন শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে এ আদেশ দেন।

এর আগে দুপুরে যুব অধিকার পরিষদের গ্রেপ্তার ১০ জনের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ রিমান্ডে পেয়েছে যুব অধিকার পরিষদের চট্টগ্রাম মহানগর শাখার আহ্বায়ক মো. নাছির, সদস্য সচিব মিজানুর রহমান, বায়েজিদ থানার আহ্বায়ক মো. রাসেল, কর্মী ইয়াসিন আরাফাত, হাবিবুল্লাহ মিজান, ইমন ও ইমরান হোসেন।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বাবলু কুমার পাল।

তিনি জানান, গ্রেপ্তার বাকি তিনজনের বয়স ১৯ বছরের কম হওয়ায় তাদের রিমান্ডে চাওয়া হয়নি।

এসআই বাবলু নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতে গ্রেপ্তার ১০ জনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কিছু তথ্য পেয়েছি আমরা। ঘটনার পরিকল্পনায় এবং নেতৃত্বে যুব অধিকার পরিষদের এসব নেতারা ছিল বলে জানতে পেরেছি। আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত জনকে আদালতে হাজির করে তাদের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করি। আদালত আসামিদের এক দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়।’

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে পূজামণ্ডপের হামলা, ভাঙচুর ও ব্যানার ছেঁড়ার পরিকল্পনায় জড়িত হিসেবে যুব অধিকার পরিষদের ৯ নেতা-কর্মীসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নেজাম উদ্দিন বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় যুব অধিকার পরিষদের ৯ নেতা-কর্মীসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছি। তারা ঘটনার পরিকল্পনায় ছিলেন। সাধারণ মানুষকের ব্যবহার করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে হামলার নেতৃত্বও দিয়েছেন।’

‘আমরা কিছু ফোন কল রেকর্ডও সংগ্রহ করেছি। সেসবেও তাদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়। শুধু তা-ই নয়, এই ঘটনায় আরও যারা জড়িত ছিল, আমরা তাদেরও খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। আশা করি, দোষী সবাইকে দ্রুতই আইনের আওতায় নিয়ে আসা যাবে।’

কুমিল্লায় পবিত্র কোরআন অবমাননার অভিযোগের জেরে ১৫ অক্টোবর জুমার নামাজের পর এক প্রতিবাদ মিছিল থেকে নগরীর আন্দরকিল্লা এলাকায় জেএমসেন হলের পূজামণ্ডপে হামলার চেষ্টা করা হয়। এ সময় মণ্ডপের প্রবেশ পথ ও তোরণ ভাঙচুর এবং ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন হামলাকারী।

এই ঘটনায় পরদিন ৮৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪০০-৫০০ জনকে আসামি করে উপপরিদর্শক (এসআই) আকাশ মাহমুদ ফরিদ বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় ৮৩ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

আরও পড়ুন:
প্রদীপকে আদালতে সতর্ক, ৪ পুলিশ প্রত্যাহার
করোনা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এককাট্টা ঢাকা-মাসকাট
রোজিনার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এখন রূপনগরের ওসি
ব্যবসায়ীকে থানায় ডেকে লাঞ্ছনার অভিযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ওসিকে বদলি

শেয়ার করুন

মানবতাবিরোধী অপরাধ: ময়মনসিংহে গ্রেপ্তার ৭ জন কারাগারে

মানবতাবিরোধী অপরাধ: ময়মনসিংহে 
গ্রেপ্তার ৭ জন কারাগারে

ময়মনসিংহে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার দুজন। ছবি: নিউজবাংলা

গ্রেপ্তার সাতজন হলেন ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার আঠারবাড়ি ইউনিয়নের ইটাউলিয়া গ্রামের তারা মিয়া ও হাবিবুর রহমান মেনু মিয়া, কালিয়ান গ্রামের রুস্তম আলী, সোহাগী বাজার এলাকার সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান, ফানুর গ্রামের আব্দুল মান্নান, সোহাগী চরপাড়া এলাকার আব্দুল হান্নান এবং পৌরসভার কাকনহাটি এলাকার শহীদুল্লাহ ফকির।

একাত্তরে গণহত্যা, অপহরণ, নির্যাতন, লুণ্ঠনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ময়মনসিংহের সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ছয় আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। আরেক আসামিকে ২৩ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

এর আগে বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহের ১২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এরপরই অভিযানে নামে কোতোয়ালি মডেল থানা ও ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ।

আসামিদের বিরুদ্ধে একাত্তরে হত্যা, গণহত্যা, অপহরণ, নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। তারা সবাই ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।

গ্রেপ্তার সাতজন হলেন উপজেলার আঠারবাড়ি ইউনিয়নের ইটাউলিয়া গ্রামের তারা মিয়া ও হাবিবুর রহমান মেনু মিয়া, কালিয়ান গ্রামের রুস্তম আলী, সোহাগী বাজার এলাকার সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান, ফানুর গ্রামের আব্দুল মান্নান, সোহাগী চরপাড়া এলাকার আব্দুল হান্নান এবং পৌরসভার কাকনহাটি এলাকার শহীদুল্লাহ ফকির।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল কাদের মিয়া জানান, যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে বৃহস্পতিবার রাত ১০টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে পাঁচ আসামিকে নিজ নিজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে ২৩ সেপ্টেম্বর শহীদুল্লাহ ফকিরকে তার গ্রামের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

আরেক আসামি সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে ময়মনসিংহ নগরীর এ বি গুহ রোড থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ময়মনসিংহ আদালতের পরিদর্শক প্রসূন কান্তি দাস নিউজবাংলাকে জানান, শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে হাবিবুর রহমান মেনু মিয়া, আব্দুল মান্নান ও আব্দুল হান্নানকে ময়মনসিংহ মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে পাঠায় ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ। পরে ৪ নম্বর আমলি আদালতের মুখ্য বিচারিক হাকিম দেওয়ান মনিরুজ্জামান তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে তারা মিয়া, মো. রুস্তম আলী ও সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমানকে আদালতে তোলা হয়। তখন মুখ্য বিচারিক হাকিম আব্দুল হাইয়ের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

আর ২৩ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার শহিদুল্লাহকে আগেই বিচারকের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দৃষ্টি আকর্ষণ: গলায় ফিতা পরা লোকটি গ্রেপ্তার শহিদুল্লাহ। বাকি ছয়জন গতকাল রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়েছেন।

আরও পড়ুন:
প্রদীপকে আদালতে সতর্ক, ৪ পুলিশ প্রত্যাহার
করোনা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এককাট্টা ঢাকা-মাসকাট
রোজিনার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এখন রূপনগরের ওসি
ব্যবসায়ীকে থানায় ডেকে লাঞ্ছনার অভিযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ওসিকে বদলি

শেয়ার করুন