হাতকড়াসহ আসামি পলাতক

হাতকড়াসহ আসামি পলাতক

প্রতীকী ছবি

হাবিলদার খোরশেদ আলম জানান, চুরি যাওয়া ফিসপ্লেটসহ দুইজনকে আটক করা হয়। পরে তারা নিরাপত্তা কর্মী মানিক গাজীকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যান। নিরাপত্তা কর্মীরা তাদেরকে তাড়া করলে চলন্ত অটোবাইকের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে মনির আহত হন। সে সময় মোহন পালিয়ে যান।

চাঁদপুরে রেলওয়ে নিরাপত্তা কর্মীদের কাছ থেকে হাতকড়াসহ একজন পালিয়েছে। তাকে ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরাদ উল্ল্যাহ বাহার।

তিনি বলেন, বিশেষ অভিযান চালিয়ে রোববার শহরের কাঁচ্চা কলোনির মনির গাজী ও মোহন গাজীকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে মোহন পালিয়ে গেছেন।

মনির ও মোহনের বিরুদ্ধে রেলের মালামাল চুরির অভিযোগ রয়েছে।

লিখিত অভিযোগের বরাত দিয়ে হাবিলদার খোরশেদ আলম জানান, চুরি যাওয়া ফিসপ্লেটসহ দুইজনকে আটক করা হয়। পরে তারা নিরাপত্তা কর্মী মানিক গাজীকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যান।

নিরাপত্তা কর্মীরা তাদেরকে তাড়া করলে চলন্ত অটোবাইকের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে মনির আহত হন। সে সময় মোহন পালিয়ে যান।

চাঁদপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরাদ উল্ল্যাহ বাহার জানান, অভিযুক্ত এক চোরকে থানায় দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

হাবিদার খোরশেদ জানান, গত ১২ সেপ্টেম্বর ফজর নামাজের আগে রেলওয়ে ওয়াসফিট থেকে ১৬টি ফিসপ্লেট চুরি করে মনির ও মোহন। পরে তারা অটোরিকশায় নিয়ে শহরের মিশন রোডের জাহাঙ্গীর ও নতুন বাজার এলাকার পুরাতন লোহা ব্যবসায়ী মুকবুলের কাছে ৯ হাজার ৬০০ টাকায় সেগুলো বিক্রি করে দেয়।

আরও পড়ুন:
৯ মামলার আসামি আদালতে
২৯ বছর পালিয়ে থাকার পর র‍্যাবের জালে
ব্যবসায়ী হত্যার আসামি গ্রেপ্তার
হাতকড়াসহ পালানো সেই আসামি গ্রেপ্তার
হাতকড়াসহ পালিয়েছে আসামি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বেডে বেডে ভাসছে সবজি

বেডে বেডে ভাসছে সবজি

ঝালকাঠিতে ভাসমান পদ্ধতিতে চাষাবাদ দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা

উপকূলীয় হওয়ায় ঝালকাঠিতে কৃষকদের চাষাবাদ নিয়ে সমস্যা লেগেই থাকত। সেই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ দিয়েছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। ভাসমান বেডে নানান সবজি, মসলা রোপণ করছেন প্রান্তিক কৃষকরা।

ঝালকাঠিতে দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে ভাসমান বেডে সবজি ও মসলার চাষ। এতে ঘুচছে বেকারত্ব; কৃষকদের সংসারে ফিরছে স্বচ্ছলতা।

উপকূলীয় হওয়ায় এ অঞ্চলের কৃষকদের চাষাবাদ নিয়ে সমস্যা লেগেই থাকত। সেই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ দিয়েছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। ভাসমান বেডে নানান সবজি, মসলা রোপণ করছেন প্রান্তিক কৃষকরা।

বেড পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা কৃষকরা বলছেন, এক একটি বেডে বছরে ৭ থেকে ৮ বার সবজি চাষ করা যায়। সেই সঙ্গে বেডের জলে মাছ চাষও করা যায়।

কৃষি অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঝালকাঠি নিম্নাঞ্চল হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে পানিতে ডুবে নষ্ট হয়ে যেত কৃষকের তৈরি বীজতলা। কৃষি বিভাগ নিজেদের উদ্যোগে কৃষকদেরকে কলাগাছের ভেলা ও কচুরিপানা দিয়ে বেড তৈরি করে দিচ্ছে।

জেলায় বর্তমানে প্রায় ৭ হেক্টর জমিতে ভাসমান বেড রয়েছে। ভাসমান এসব বেডে চাষ করা হচ্ছে লাল শাক, মুলা শাক, লাউ, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ঢেঁড়স, ধনিয়াসহ বিভিন্ন প্রকার সবজি ও মসলা।

বেড পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে লাভবান কৃষক সালেহ আহম্মেদ জানান, কৃষি অফিসের সহযোগিতায় গত দুবছর ধরে ভাসমান বেডে সবজি চাষ করছেন তিনি। লালশাক, মুলাশাক, ঢেঁড়সসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি ও মসলা চাষ করেছেন।

বেড পদ্ধতির চাষে তেমন কোনো খরচ না থাকায় লাভবান হয়েছেন বলেও জানান সালেহ।

বেড তৈরির কৌশল কী তা জানতে চাইলে কৃষক মোকসেদ আলী জানান, প্রথমে পানির উপরে কলাগাছ অথবা বাঁশ বিছিয়ে বেড বা মাচা তৈরি করতে হয়। তার উপর কচুরিপানা তুলে বেড প্রস্তুত করা হয়। আর কচুরিপানা পচিয়ে তার উপরেই বিভিন্ন সবজি চাষ করা হয়।

তিনি বলেন, বর্ষা বা বন্যার পানি যতই হোক বেডের উপরে রোপণ করা চারার কোনো ক্ষতি হয় না। বেড পদ্ধতির আরেকটি গুণ হচ্ছে এতে কোনো প্রকার সার-কীটনাশকও দিতে হয় না।

বেডে বেডে ভাসছে সবজি

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ফজলুল হক নিউজবাংলাকে জানান, ঝালকাঠি জেলায় চাষাবাদের জমি অন্য জমির তুলনায় বেশ নিচু হওয়ায় বর্ষার পানিতে ডুবে যায়। তাই বেড পদ্ধতির চাষাবাদে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা।

তিনি বলেন, ‘এতে কৃষিকাজে লাভের মুখ দেখবেন চাষিরা। জলাবদ্ধ ও বন্যাদুর্গত এলাকার কৃষকরা এ ধরনের ভাসমান বেডে সারা বছরই সবজি চাষ করতে পারেন। এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ লাভজনক হওয়ায় কৃষকদের মাঝে আগ্রহ বাড়ছে। বর্তমানে অনেকেই বেড পদ্ধতিতে চাষ করতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।’

আরও পড়ুন:
৯ মামলার আসামি আদালতে
২৯ বছর পালিয়ে থাকার পর র‍্যাবের জালে
ব্যবসায়ী হত্যার আসামি গ্রেপ্তার
হাতকড়াসহ পালানো সেই আসামি গ্রেপ্তার
হাতকড়াসহ পালিয়েছে আসামি

শেয়ার করুন

টাকা নিয়ে দেয়া হলো আ.লীগের মনোনয়নপত্র

টাকা নিয়ে দেয়া হলো আ.লীগের মনোনয়নপত্র

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ১০ ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র নেয়ার জন্য টাকা দিয়ে হয়েছে প্রার্থীদের। ছবি: নিউজবাংলা

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জানান, ১০ হাজার টাকা দিয়ে তারা দলের মনোনয়নপত্র নিয়েছেন।

মানিকগঞ্জ সদরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রতি মনোনয়নপত্রের জন্য ১০ হাজার টাকা নিয়েছে উপজেলা কমিটি।

টাকা নেয়ার বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের কথা বললেও জেলা কমিটি জানিয়েছে, মনোনয়ন ফরমের জন্য টাকা নিতে কেন্দ্রীয় কোনো সিদ্ধান্ত নেই।

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ১০টি ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে রোববার ৫০ প্রার্থী আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা দেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগ জানায়, সকাল ১০টা থেকে শহরে দলীয় কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তা জমা দেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরা। যাচাই-বাছাই শেষে সোমবার রাতে মনোনয়নপত্রের চূড়ান্ত তালিকা কেন্দ্রে পাঠানো হবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জানান, ১০ হাজার টাকা দিয়ে তারা দলের মনোনয়নপত্র নিয়েছেন।

এ বিষয়ে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আব্দুল মজিদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চেয়ারম্যান প্রার্থীদের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নেয়া হয়েছে। টাকা নেয়ার বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক জানেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘মনোনয়নপত্রের আবেদন ফরম, খাওয়াদাওয়া এবং যারা মনোনয়নপত্রের কাজে জড়িত তাদের জন্য এই টাকা ব্যয় করা হবে।’

তবে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইরাফিল হোসেন নিউজবাংলাকে জানান, টাকাটা মনোনয়নপত্রের জন্য নয়। দলীয় ফান্ডের জন্য নেয়া হয়েছে।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মহীউদ্দীন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘টাকা নেয়ার বিষয়ে আমি কিছু জানি না এবং টাকা নেয়ার বিষয়ে কেন্দ্রীয় কোনো সিদ্ধান্ত নেই। এ বিষয়ে উপজেলার নেতা-কর্মীরা ভালো বলতে পারবেন।

‘তবে মনে হয়, দলীয় কার্যালয় ও যারা মনোনয়নপত্রের কাজে জড়িত তাদের জন্য নিতে পারে। কারণ এখানে তো খরচ হয়।’

আরও পড়ুন:
৯ মামলার আসামি আদালতে
২৯ বছর পালিয়ে থাকার পর র‍্যাবের জালে
ব্যবসায়ী হত্যার আসামি গ্রেপ্তার
হাতকড়াসহ পালানো সেই আসামি গ্রেপ্তার
হাতকড়াসহ পালিয়েছে আসামি

শেয়ার করুন

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেপ্তার

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেপ্তার

এজাহারে বলা হয়, ওই গৃহবধূর স্বামী তাকে নানার বাড়িতে রেখে ঢাকায় কাজে যান। শুক্রবার রাতে নানার বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন তিনি। গভীর রাতে ৩-৪ জনের একদল যুবক দরজা কেটে ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করেন।

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় নানাবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে এক গৃহবধূ সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গৃহবধূর মামলায় এক যুবককে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার সত্য দাস প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল আলম।

এজাহারে বলা হয়, ওই গৃহবধূর স্বামী তাকে নানার বাড়িতে রেখে ঢাকায় কাজে যান। শুক্রবার রাতে নানার বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন তিনি। গভীর রাতে ৩-৪ জনের একদল যুবক দরজা কেটে ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করেন।

একপর্যায়ে তিনি চিৎকার দিলে পাশের ঘর থেকে বৃদ্ধ নানা বের হয়ে এলে তাকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যান যুবকরা।

হাতীবান্ধা থানার ওসি এরশাদুল আলম জানান, ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। সংঘবদ্ধ ধর্ষণে জড়িত একজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

আরও পড়ুন:
৯ মামলার আসামি আদালতে
২৯ বছর পালিয়ে থাকার পর র‍্যাবের জালে
ব্যবসায়ী হত্যার আসামি গ্রেপ্তার
হাতকড়াসহ পালানো সেই আসামি গ্রেপ্তার
হাতকড়াসহ পালিয়েছে আসামি

শেয়ার করুন

পীরগঞ্জে হামলায় পুড়ল ২০ বাড়িঘর

পীরগঞ্জে হামলায় পুড়ল ২০ বাড়িঘর

রংপুরের পীরগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুনের ঘটনায় এক নারীর আহাজারি। ছবি: সংগৃহীত

রংপুর জেলার সহকারী পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান জানান, হিন্দু সম্প্রদায়ের এক যুবক ফেসবুকে ধর্মীয় অবমাননাকর পোস্ট দিয়েছেন- এমন অভিযোগের পর রোববার এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ওই যুবকের বাড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারলেও দূরে ১৫-২০টি বাড়িঘরে আগুন দেয় উত্তেজিতরা।

ফেসবুকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে রংপুরের পীরগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের বেশ কয়েকটি বাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

পীরগঞ্জের রামনাথপুর ইউনিয়নের বাটের হাট নামক এলাকায় রোববার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

হামলাকারীরা ১৫ থেকে ২০টি বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

রংপুর জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (ডি) সার্কেল কামরুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এক হিন্দু যুবক ফেসবুকে ধর্মীয় অবমাননাকর পোস্ট দিয়েছেন- এমন অভিযোগের পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আমরা ওই যুবকের বাড়িটি প্রটেক্ট করতে পারলেও বেশ কিছু দূরে ১৫-২০টি বাড়িঘরে আগুন দেয় উত্তেজিতরা।’

পীরগঞ্জে হামলায় পুড়ল ২০ বাড়িঘর

তিনি রাত পৌনে ১২টার দিকে নিউজবাংলাকে জানান, এখন পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

স্থানীয় রানা নামের একজন বলেন, ‘পুলিশ অনেক চেষ্টা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। এই অগ্নিসংযোগের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের আমি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

আরও পড়ুন:
৯ মামলার আসামি আদালতে
২৯ বছর পালিয়ে থাকার পর র‍্যাবের জালে
ব্যবসায়ী হত্যার আসামি গ্রেপ্তার
হাতকড়াসহ পালানো সেই আসামি গ্রেপ্তার
হাতকড়াসহ পালিয়েছে আসামি

শেয়ার করুন

উসকানিমূলক কন্টেন্ট ছড়িয়ে আটক ৩

উসকানিমূলক কন্টেন্ট ছড়িয়ে আটক ৩

প্রতীকী ছবি

সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করার উদ্দেশে নাশকতার উস্কানি দিতে তারা বিভিন্ন কন্টেন্ট ছড়িয়ে আসছিল বলে অভিযোগ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন উসকানিমূলক ও অপব্যাখ্যামূলক কন্টেন্ট ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে ফেনী থেকে তিন জনকে আটক করেছে র‍্যাব।

আটককৃতরা হলেন- আহনাফ তৌসিফ মাহবুব লাবিব, আব্দুস সালাম জুনায়েদ ও ফয়সাল আহমেদ আল আমিন।

রোববার রাতে র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক আ ন ম ইমরান খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করার উদ্দেশে নাশকতার উসকানি দিতে তারা বিভিন্ন কন্টেন্ট ছড়িয়ে আসছিল।’

এর আগে গত শুক্রবার ফেনীতে হিন্দু-মুসলিম দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছিল। এ ঘটনায় সহকারী পুলিশ সুপার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ অন্তত ২৯ জন আহত হন। সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে সেদিন বিকেল ৫টার দিকে হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি সমাবেশ শুরুর পরপরই শুরু হয় সংঘর্ষ।

স্থানীয়রা জানান, শহরের ট্রাংক রোডে কেন্দ্রীয় কালীবাড়ির সামনে শনিবার বিকেলে বিক্ষোভ সমাবেশ করে হিন্দু সম্প্রদায়। এর পাশেই ফেনী বড় জামে মসজিদের অবস্থান। সেখানে আসরের নামাজের পর মুসল্লিদের একাংশের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয় বিক্ষোভকারীদের।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফাঁকা গুলি ও টিয়ারশেল ছোড়ে পুলিশ। এ সময় জেলার সহকারী পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম, মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের ক্যামেরাপারসন রিয়াদ মোল্লাসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।

এ সময়ে ট্রাংক রোডের এই অংশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বন্ধ হয়ে যায় দোকানপাট।

শহর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পারভেজুল ইসলাম হাজারী জানান, সন্ধ্যার পর থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত শহরের বড় বাজারে ২০টি দোকানে লুটপাট ও অর্ধশতাধিক দোকানে ভাঙচুর করা হয়েছে। এতে কারা জড়িত সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি পারভেজ।

ঘটনাস্থলে পুলিশ, র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়। ছাত্রলীগ, যুবলীগ নেতা-কর্মীরাও ঘটনাস্থলে অবস্থান নেন। ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার সময় ছাত্রলীগ-যুবলীগের পাঁচ নেতাও আহত হন।

আরও পড়ুন:
৯ মামলার আসামি আদালতে
২৯ বছর পালিয়ে থাকার পর র‍্যাবের জালে
ব্যবসায়ী হত্যার আসামি গ্রেপ্তার
হাতকড়াসহ পালানো সেই আসামি গ্রেপ্তার
হাতকড়াসহ পালিয়েছে আসামি

শেয়ার করুন

প্রকল্পের ঘর নিয়ে প্রতারণা, একজনের কারাদণ্ড

প্রকল্পের ঘর নিয়ে প্রতারণা, একজনের কারাদণ্ড

বরিশালে প্রকল্পের ঘর দেয়ার কথা বলে অর্থ আত্মসাতের দায়ে খলিলুর রহমান নামের এক ব্যক্তিকে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ছবি: নিউজবাংলা

সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিশাত তামান্না জানান, খলিলুর রহমান একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত নন। তিনি এই প্রকল্পের নামে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন, তা প্রমাণ হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতে খলিলুর প্রতারণার ঘটনা স্বীকারও করেছেন।

বরিশালে ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের ঘর দেয়ার কথা বলে অর্থ আত্মসাতের দায়ে খলিলুর রহমান নামের একজনকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

খলিলুর বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের রায়পাশা গ্রামের বাসিন্দা।

রোববার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বরিশাল সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিশাত তামান্না।

প্রতারণার শিকার ব্যক্তিরা জানান, বরিশাল সদরের টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের বারইকান্দি ও পতাং গ্রামে গিয়ে একটি কমিটি গঠন করেন খলিলুর। এরপর ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের ঘর দেয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা নেন।

তারা জানান, খলিলুর ঘর না দিয়ে তাদেরকে ঘোরাতে থাকেন। ঘর না পাওয়ায় টাকা ফেরত চান তারা। এর মধ্যে একজনকে চেক দিলে সেই চেক ব্যাংকে নিয়ে গেলে তা প্রত্যাখ্যাত হয়। তখন প্রতারণার বিষয়টি তারা বুঝতে পারেন।

রোববার সকালে টাকা দেয়ার কথা বলে খলিলুরকে বরিশাল কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড নথুল্লাবাদে যেতে বলা হলে তিনি সেখানে যান। তাকে সেখান থেকে ধরে বরিশাল সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেন স্থানীয়রা।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিশাত তামান্না জানান, খলিলুর রহমান একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত নন। তিনি এই প্রকল্পের নামে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে বিভিন্ন পরিমাণে টাকা নিয়েছেন, তা প্রমাণ হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতে খলিলুর প্রতারণার ঘটনা স্বীকারও করেছেন। এই অপরাধে তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
৯ মামলার আসামি আদালতে
২৯ বছর পালিয়ে থাকার পর র‍্যাবের জালে
ব্যবসায়ী হত্যার আসামি গ্রেপ্তার
হাতকড়াসহ পালানো সেই আসামি গ্রেপ্তার
হাতকড়াসহ পালিয়েছে আসামি

শেয়ার করুন

প্রকল্প ছাড়াই তোলা ১৮ লাখ টাকা ফেরত দিলেন সেই চেয়ারম্যান

প্রকল্প ছাড়াই তোলা ১৮ লাখ টাকা ফেরত দিলেন সেই চেয়ারম্যান

অভিযুক্ত চেয়ারম্যান এজেডএম সাজেদুল ইসলাম স্বাধীন।

কারণ দর্শানোর নোটিশের পর ৩ অক্টোবর ভ্যাট ও আয়করের ২ লাখ ৪৯ হাজার ৯২৩ টাকা এবং ৬ অক্টোবর ভূমি হস্তান্তর কর বরাদ্দের তুলে নেওয়া সাড়ে ১৮ লাখ টাকা পরিষদের ব্যাংক হিসাবে জমা করা হয়।

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে প্রকল্প ছাড়াই ভূমি হস্তান্তর কর বরাদ্দের তুলে নেয়া সেই সাড়ে ১৮ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছেন ৩ নম্বর দামোদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম স্বাধীন।

কারণ দর্শানোর নোটিশ পাওয়ার পর উন্নয়ন প্রকল্পে ইউনিয়ন পরিষদের ভূমি হস্তান্তর কর (১ শতাংশ) বরাদ্দের ব‌্যাংক হিসাব নম্বরে এই টাকা জমা করেন চেয়ারম্যান। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ভ্যাট ও আয়কর হিসেবে ২ লাখ ৪৯ হাজার টাকাও জমা করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে।

এ ছাড়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাবে ক্ষমতাসীন দলের এই চেয়ারম‌্যান ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইউপি সচিব নুরজামান মিয়া।

রোববার বিকেলে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. রোকসানা বেগম।

নিউজবাংলাকে ইউএনও বলেন, ‘শোকজের লিখিত জবাব গত বৃহস্পতিবার আমার দপ্তরে জমা পড়েছে। শোকজের জবাব গাইবান্ধা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রোখছানা বেগমের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া উত্তোলন করা সাড়ে ১৮ লাখ টাকা ও আয়কর বাবদ আড়াই লাখ টাকা জমার কথা জানিয়েছেন তিনি।’

এর আগে ‘প্রকল্পের নেই খোঁজ, চেয়ারম্যানের ১৮ লাখ টাকা উত্তোলন’-শিরোনামে ১০ অক্টোবর নিউজবাংলাসহ বিভিন্ন গণমাধ‌্যমে খবর প্রকাশের পর জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। সরকারি বরাদ্দের টাকা গোপনে তুলে নেয়ার ওই ঘটনায় পরিষদের মেম্বারসহ সংশ্লিষ্টদের মাঝেও ক্ষোভ দেখা দেয়।

প্রকল্প ছাড়াই টাকা তোলার ঘটনাটি ধরা পড়ে গত ১৪ সেপ্টেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে নথিপত্র যাচাইয়ে। এতে প্রকল্প ছাড়াই সাড়ে ১৮ লাখ টাকা উত্তোলন এবং ২০১৭-১৮ অর্থবছরের ভ্যাট ও আয়কর হিসেবে ২ লাখ ৪৯ হাজার টাকা জমা না দেয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে।

ওই ঘটনার পর চেয়ারম‌্যান সাজেদুলকে ২৯ সেপ্টেম্বর কারণ দর্শানোর নোটিশে (শোকজ) এক সপ্তাহের মধ‌্যে লিখিত জবাব দেয়ার নির্দেশ দেন গাইবান্ধা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রোখছানা বেগম।

সেই নোটিশের পর ৩ অক্টোবর ভ‌্যাট ও আয়করের ২ লাখ ৪৯ হাজার ৯২৩ টাকা এবং ৬ অক্টোবর ভূমি হস্তান্তর কর বরাদ্দের তুলে নেওয়া সাড়ে ১৮ লাখ টাকা পরিষদের ব‌্যাংক হিসাবে জমা করা হয়।

ইউপি সচিব মো. নুরজামান মিয়া বলেন, ‘সোনালী ব‌্যাংক সাদুল্লাপুর শাখার হিসাব নম্বরে এসব টাকা জমার রশিদ এবং ট্রেজারি চালানের কপি ইউএনওসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।’

তার দাবি, ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় টিউবওয়েল, স্প্রে মেশিন বিতরণ ও কালভার্টসহ উন্নয়ন প্রকল্পের চলমান কাজগুলোও হচ্ছে ভূমি হস্তান্তর কর বরাদ্দের টাকায়। এ কারণে জমা দেয়ার পর ওই টাকা ফের তুলে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

গাইবান্ধা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রোখছানা বেগম জানান, চেয়ারম‌্যান স্বাধীনের লিখিত জবাব ইউএনওর মাধ‌্যমে পাঠানো হয়েছে। তার জবাব পর্যালোচনা করাসহ সরেজমিনে অভিযোগগুলো তদন্ত করেই পরবর্তী ব‌্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
৯ মামলার আসামি আদালতে
২৯ বছর পালিয়ে থাকার পর র‍্যাবের জালে
ব্যবসায়ী হত্যার আসামি গ্রেপ্তার
হাতকড়াসহ পালানো সেই আসামি গ্রেপ্তার
হাতকড়াসহ পালিয়েছে আসামি

শেয়ার করুন