ডিএমপিতে চার থানার ওসিসহ ছয় জন বদলি

ডিএমপিতে চার থানার ওসিসহ ছয় জন বদলি

ঢাকা মহানগর পুলিশের সদর দপ্তর। ফাইল ছবি

অফিস আদেশে লাইনওআর এর নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক উৎপল বড়ুয়াকে শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) করা হয়েছে। নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক এম এম মুর্শেদকে লজিস্টিকস বিভাগ থেকে লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা করা হয়েছে। মুগদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রলয় কুমার সাহাকে কদমতলী থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ও কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন মীরকে মুগদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) শেরেবাংলা নগর, লালবাগ, কদমতলী ও মুগদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) মোট ছয় কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।

রোববার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাদের বদলি করা হয়।

এ অফিস আদেশে লাইনওআর এর নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক উৎপল বড়ুয়াকে শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) করা হয়েছে। নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক এম এম মুর্শেদকে লজিস্টিকস বিভাগ থেকে লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা করা হয়েছে।

মুগদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রলয় কুমার সাহাকে কদমতলী থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ও কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন মীরকে মুগদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

এছাড়াও একই আদেশে শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানে আলম মুনশীকে ডিএমপির লজিস্টিকস বিভাগে ও লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এম আশরাফ উদ্দিনকে গোয়েন্দা-মিরপুর বিভাগে বদলি করা হয়েছে।

ঢাকায় কর্মরত নিরস্ত্র এ সব পুলিশ পরিদর্শকদের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত জনস্বার্থে তাদের নামের পাশে বর্ণিত স্থানে বদলি বা নিয়োগ উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ডিএমপিতে ১৮ পরিদর্শকের বদলি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

আঘাত দিয়ে বাংলাদেশকে দাবিয়ে রাখা যাবে না: খালিদ

আঘাত দিয়ে বাংলাদেশকে দাবিয়ে রাখা যাবে না: খালিদ

দুর্গাপূজায় কুমিল্লায় মণ্ডপে চালানো হয় প্রথম হামলা। ফাইল ছবি

‘তারা মাথা নিচু করে, কুকুরের মতো লেজ গুটিয়ে আজকে চোরাগোপ্তা হামলা করছে। এই চোরাগোপ্তা হামলাও বন্ধ হয়ে যাবে। কারণ, বাংলাদেশের জনগণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ।’

সাম্প্রদায়িক আঘাত করে বাংলাদেশকে দাবিয়ে রাখা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

রাজধানীর বিআইডব্লিউটিসিতে সোমবার শেখ রাসেল দিবসের আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক আঘাত দিয়ে বাংলাদেশকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। বাংলাদেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখনই এই সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী আবার নতুনভাবে আঘাত হানছে।

‘তারা মাথা নিচু করে, কুকুরের মতো লেজ গুটিয়ে আজকে চোরাগোপ্তা হামলা করছে। এই চোরাগোপ্তা হামলাও বন্ধ হয়ে যাবে। কারণ, বাংলাদেশের জনগণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ।’

খালিদ বলেন, ‘পঁচাত্তর থেকে আজকে ২০২১ পর্যন্ত দীর্ঘ ৪৬ বছর যাবত বাংলাদেশে একই গল্প শোনানো হয়েছে, সাম্প্রদায়িকতার গল্প। সংবিধানকে ক্ষত-বিক্ষত করা হয়েছে। সাম্প্রদায়িক বীজ ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে। পারে নাই।

‘আমরা যখন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। দারিদ্র্যকে দূর করে যখন একটা উন্নত দেশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, যখন এ বাংলাদেশ রাসেলের মতো শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ দেশে পরিণত হচ্ছে, তখন সাম্প্রদায়িকতা দিয়ে এই বাংলাদেশকে আবার পেছনে টেনে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে।’

সব ধর্মের মানুষই এ দেশের নাগরিক উল্লেখ করে খালিদ বলেন, ‘সম্মিলিতভাবে এখানে এই মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে। এই যে, সম্মিলিত রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। আমাদের অসাম্প্রদায়িক চেতনার ভিত্তিতে সংবিধান রচিত হয়েছিল।’

আরও পড়ুন:
ডিএমপিতে ১৮ পরিদর্শকের বদলি

শেয়ার করুন

সাম্প্রদায়িক সহিংসতা: বিএনপির দুই কমিটি

সাম্প্রদায়িক সহিংসতা: বিএনপির দুই কমিটি

ফাইল ছবি

প্রথম কমিটি উপদ্রুত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে সহমর্মিতা প্রকাশ করবে। দ্বিতীয় কমিটি ঘটনাগুলোর তদন্ত করে বিএনপির কেন্দ্রে প্রতিবেদন দেবে।

দেশের নানা প্রান্তে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার জন্য সরকার সমর্থকদেরকে দায়ী করার পর ঘটনা তদন্ত করতে দুইটি কমিটি গঠন করেছে বিএনপি।

সোমবার দুপুরে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

দুটি কমিটির একটির নেতৃত্বে আছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং একটির নেতৃত্বে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস কাজল।

প্রথম কমিটি উপদ্রুত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে সহমর্মিতা প্রকাশ করবে। দ্বিতীয় কমিটি ঘটনাগুলোর তদন্ত করে বিএনপির কেন্দ্রে প্রতিবেদন দেবে।

আগের রাতে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভায় এই কমিটি গঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্ত জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ক্ষমতাসীনরা তাদের অবৈধ ক্ষমতা দীর্ঘ স্থায়ী করার লক্ষ্যে বিভাজনের রাজনীতি করছে। রাজনৈতিক দূরভিসন্ধির কারণেই এই রক্তপাত, লুটতরাজ চলছে।’

গত বুধবার দুর্গাপূজা চলাকালে কুমিল্লার একটি মণ্ডপে পবিত্র কোরআন পাওয়াকে কেন্দ্র করে সেই মণ্ডপটি ভাঙচুর করা হয়। এরপর দেশের বিভিন্ন এলাকায় মন্দির, মণ্ডপে চলে হামলা। এর মধ্যে রংপুরে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে আগুনও দেয়া হয়েছে।

সাম্প্রদায়িক এসব হামলার প্রতিবাদও করছেন বহুজন। এমনকি ধর্মীয় অনেক নেতাও সোচ্চার হয়েছেন। তারা বলছেন, যে মুসলমানরা এ ধরনের হামলা করছেন তারাই ইসলামের অবমাননা করছেন।

সরকারও এসব ঘটনায় কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। কয়েক হাজার মানুষের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তারও হয়েছে দুই শতাধিক। তবে এর মধ্যেই গতরাতে রংপুরের পীরগঞ্জের ঘটনাটি নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

ফখরুল জানান, তার দলের স্থায়ী কমিটি মনে করে এসব হামলায় সরকার সমর্থকরা জড়িত। দেশে রাজনৈতিক সংকট আছে দাবি করে তিনি এও বলেন যে, তার দল মনে করে এই সংকট থেকে দৃষ্টি সরাতে সাম্প্রদায়িক সংকট তৈরি করছে।

ফখরুল বলেন, তাদের দলের স্থায়ী কমিটি সনাতন ধর্মের অনুসারীদের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানায় এবং সকল ধর্মে মানুষের জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করনে সরকারের ব্যর্থতার তীব্র সমালোচনা করা হয়।

অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসার দাবিও জানানো হয়।

কোনো তদন্ত ছাড়াই বিএনপি এর নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে তাদেরকে বাড়ি-ঘরে পুলিশি তল্লাশি চালানো হচ্ছে অভিযোগ করে এরও তীব্র নিন্দা জানান ফখরুল।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুন্ন রাখতে সব নাগরিককে সচেতন হওয়ার অনুরোধও করেছে বিএনপি।

আরও পড়ুন:
ডিএমপিতে ১৮ পরিদর্শকের বদলি

শেয়ার করুন

মণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে শাহবাগে অবরোধ

মণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে শাহবাগে অবরোধ

বিভিন্ন জেলার পূজামণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে শাহবাগ মোড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবরোধ। ছবি: নিউজবাংলা

অবরোধে যোগ দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিহির লাল শাহ বলেন, ‘আমরা রোহিঙ্গা নই, আমরা বাংলাদেশি। আমরা আমাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের অধিকার রাখি। আমাদের এই অধিকারে যারা হাত দিয়েছে, তাদের হাত আমরা ভেঙে দেব। আমরা এভাবে রাস্তা অবরোধ করতে চাইনি, কিন্তু আমাদের বাধ্য করা হয়েছে। যারা আমাদের কারণে যানজটে পড়ে আছে, তাদের কাছে আমরা ক্ষমা চাই।’

কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার পূজামণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তি নিশ্চিতের দাবিসহ ৭ দফা দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

রোববার সকাল ১০টা থেকে শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে শাহবাগ থেকে পল্টন, সায়েন্স ল্যাব, বাংলামোটর ও টিএসসি অভিমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলসহ বিভিন্ন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা টিএসসি এলাকায় জড়ো হন। সেখান থেকে তারা মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড়ে আসেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গতকাল রাতে রংপুরের ঘটনার প্রতিবাদে শাহবাগ মোড়ে জগন্নাথ হলের ছাত্ররা অবস্থান নিয়েছে। যান চলাচল বেশ কিছুক্ষণ ধরে বন্ধ আছে। হলের প্রভোস্ট স্যারও আছেন।’

অবরোধে যোগ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিহির লাল শাহ বলেন, ‘আমরা সবাই বাংলাদেশের মানুষ। সকলের শরীরে একই রক্ত প্রবাহিত হয়। তাহলে এ ধর্মীয় উন্মাদনা কেন? সরকারের প্রতি আমাদের দাবি, এই সাম্প্রদায়িক হামলা বন্ধ করতে হবে। দ্রুত হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হোক। আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।

‘আমরা রোহিঙ্গা নই, আমরা বাংলাদেশি। আমরা আমাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের অধিকার রাখি। আমাদের এই অধিকারে যারা হাত দিয়েছে, তাদের হাত আমরা ভেঙে দেব। আমরা এভাবে রাস্তা অবরোধ করতে চাইনি, কিন্তু আমাদের বাধ্য করা হয়েছে। যারা আমাদের কারণে যানজটে পড়ে আছে, তাদের কাছে আমরা ক্ষমা চাই।’

মোড়ে অবস্থান নেয়া শিক্ষার্থীরা ‘সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় করতে হবে’, ‘মন্দিরে হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেব না’সহ নানা স্লোগান দিচ্ছেন।

তাদের ৭ দফা হলো:

০১. হামলার শিকার মন্দিরগুলো প্রয়োজনীয় সংস্কার করা।

০২. বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাটের ক্ষতিপূরণ।

০৩. ধর্ষণ ও হত্যার শিকার পরিবারগুলোকে স্থায়ী ক্ষতিপূরণ।

০৪. দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করা।

০৫. জাতীয় সংসদে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে মন্দির ও সংখ্যালঘুদের বসতবাড়িতে সাম্প্রদায়িক হামলার দায়ে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা।

০৬. সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় ও সংখ্যালঘু কমিশন গঠন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট্রের আধুনিকায়ন করে ফাউন্ডেশনে উন্নীত করা।

০৭. জাতীয় বাজেটে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য জিডিপির ১৫% বরাদ্দ রাখা।

আন্দোলনকারীরা বলছেন, তাদের এসব দাবি মানার আশ্বাস না আসা পর্যন্ত তারা অবরোধ চালিয়ে যাবেন।

আরও পড়ুন:
ডিএমপিতে ১৮ পরিদর্শকের বদলি

শেয়ার করুন

বাসের ধাক্কায় বাইক আরোহী নিহত

বাসের ধাক্কায় বাইক আরোহী নিহত

ভাতিজা রুবেল বলেন, ‌আমরা দুজন তেজগাঁও থেকে মোটরসাইকেলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও যাচ্ছিলাম। মাতুয়াইলে একটি বাস ধাক্কা দিলে দুজন রাস্তায় পড়ে যাই। পরে বাসের চাকায় কাকা পিষ্ট হন।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী মাতুয়াইল এলাকায় দুর্ঘটনায় আবুল কাশেম নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় রুবেল নামে আরও একজন আহত হয়েছেন।

সোমবার বেলা তিনটায় কাশেমকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রুবেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

মোটরসাইকেলটি চালাচ্ছিলেন রুবেল। তিনি বলেন, ‘কাশেম কাকাকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁওয়ের বাড়িতে যাচ্ছিলাম। মাতুয়াইল পৌঁছার পর হঠাৎ একটা বাস ধাক্কা দিলে দুজনেই রাস্তায় পড়ে যাই। এরপর কাকাকে চাপা দিয়ে গাড়িটি পালিয়ে যায়। নিজে ছিটকে পড়ার কারণে কোন বাস চাপা দিয়েছে তা দেখতে পাইনি।’

নিহত কাশেম তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় একটি কোম্পানিতে সিকিউরিটি গার্ডের চাকরি করতেন।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘মাতুয়াইল এলাকায় বাসচাপায় আহত একজনকে জরুরি বিভাগে আনা হয়েছিল। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ডিএমপিতে ১৮ পরিদর্শকের বদলি

শেয়ার করুন

গাজীপুরে বিষপানে দম্পতির আত্মহত্যা

গাজীপুরে বিষপানে দম্পতির আত্মহত্যা

বিষপান করে এ দম্পতি আত্মহত্যা করেন। ছবি: নিউজবাংলা

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া দুজনের মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত করে জানান, কী কারণে তারা বিষ খেয়েছেন সেই বিষয়টি জানার চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে বিস্তারিত জানা যাবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।

গাজীপুরের শ্রীপুরে বিষপান করে এক দম্পতি আত্মহত্যা করেছেন।

হাজী মার্কেট পুকুরপাড় জাহিদ কলোনি এলাকায় রবিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন মো. ফিরোজ ও লিজা আক্তার। ২৫ বছর বয়সী ফিরোজের বাড়ি নওগাঁ জেলায় ও ২২ বছর বয়সী লিজার বাড়ি নীলফামারীতে। তারা দুজনই পোশাক কারখানায় কাজ করতেন।

মধ্যরাতে অচেতন অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক ভোর ৫টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রতিবেশী রিন্টু মিয়া ওই দম্পতিকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তিনি জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে ওই দুজন একসঙ্গে বিষপান করেন। আমরা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত ঢামেক হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পাশের ঘরের বাসিন্দা এই দুজনের মধ্যে অনেক ভালো সম্পর্ক ছিল। তবে মাঝেমধ্যে বিবাদও হতো। কিন্তু আত্মহত্যা করার মতো ঝগড়া চোখে পড়েনি।’

রিন্টু জানান, ‘১ মাস আগে লিজা চাকরি থেকে রিজাইন দেয়। তবে কী কারণে তারা বিষ খেয়েছেন, এ বিষয়ে আমরা কিছু জানি না।’

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া দুজনের মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত করে জানান, কী কারণে তারা বিষ খেয়েছেন সেই বিষয়টি জানার চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে বিস্তারিত জানা যাবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ডিএমপিতে ১৮ পরিদর্শকের বদলি

শেয়ার করুন

আইস সিন্ডিকেটের খোকন-রফিক রিমান্ডে

আইস সিন্ডিকেটের খোকন-রফিক রিমান্ডে

গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারি মোহাম্মদ হোসেন ওরফে খোকন ও তার সহযোগী মোহাম্মদ রফিক। ছবি: নিউজবাংলা

পুলিশের দাবি, টেকনাফকেন্দ্রিক মাদক কারবারে জড়িত সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা খোকন ও রফিক। তারা নৌপথে মিয়ানমার থেকে মেথামফেটিন-জাতীয় মাদকদ্রব্য আইস আনেন। কক্সবাজার সীমান্ত হয়ে বড় বড় চালান তারা ছড়িয়ে দেয় ঢাকাসহ সারা দেশে।

মাদক চোরাচালানে আইস (ক্রিস্টালমেথ) সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা মোহাম্মদ হোসেন ওরফে খোকন ও তার সহযোগী মোহাম্মদ রফিককে ৯ দিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।

ঢাকার মহানগর হাকিম শাহিনুর রহমানের আদালত রোববার আসামিদের মাদক মামলায় পাঁচ দিন করে রিমান্ড দেয়। অস্ত্র মামলায় মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়ার আদালত তাদের চার দিনের রিমান্ড আদেশ দেন।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে শনিবার এক অভিযানে খোকন ও রফিককে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। তাদের কাছে পাওয়া যায় প্রায় পাঁচ কেজি আইস ও বিদেশি অস্ত্র। জব্দ করা আইসের আনুমানিক বাজারমূল্য সাড়ে ১২ কোটি টাকা।

র‌্যাব-১৫-এর নায়েব সুবেদার ফিরোজ আহমেদ অস্ত্র ও মাদক আইনে যাত্রাবাড়ী থানায় তাদের বিরুদ্ধে আলাদা দুটি মামলা করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার এসআই শরীফুল ইসলাম রোববার দুই আসামিকে আদালতে হাজির করেন। তিনি দুই মামলায় তাদের ২০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, আসামিরা মাদকচক্রের সক্রিয় সদস্য। বিশেষ এ সিন্ডিকেট মেথামফেটিন জাতীয় মাদকদ্রব্য আইস সংগ্রহ করে মিয়ানমার থেকে। এরপর কক্সবাজার সীমান্ত থেকে বড় বড় চালান নিয়ে ছড়িয়ে দেয় ঢাকাসহ সারা দেশে। তারা যুবকশ্রেণিসহ অনেক মানুষকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। মাদক কারবারে তারা আগ্নেয়াস্ত্রও ব্যবহার করেন।

আদালতে আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। শুনানি শেষে আদালত আসামিদের রিমান্ডের আদেশ দেন।

র‍্যাব জানায়, টেকনাফকেন্দ্রিক মাদক কারবারে জড়িত সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা খোকন। তিনি নৌপথে নিয়মিত মিয়ানমার যেতেন। পাঁচ বছর ধরে ইয়াবা কারবারে জড়িত। কয়েক মাস ধরে তারা ভয়ংকর মাদক আইস নিয়ে আসছে। এই সিন্ডিকেটে ২০ থেকে ২৫ জন রয়েছে।

আরও পড়ুন:
ডিএমপিতে ১৮ পরিদর্শকের বদলি

শেয়ার করুন

মুসার ‘সঙ্গী’ কাদের কারাগারে

মুসার ‘সঙ্গী’ কাদের কারাগারে

কথিত অতিরিক্ত সচিব কাদেরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতায় ডিবিতে জিজ্ঞাসাবাদের পর বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন মুসা বিন শমসের।

রোববার আব্দুল কাদেরকে রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের গুলশান জোনাল টিমের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) নূরে আলম সিদ্দিকী।

রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় করা প্রতারণার মামলায় জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পরিচয় দেয়া আব্দুল কাদেরকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

ভূয়া সরকারি কর্মকর্তার পরিচয় দেয়া কাদেরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আলোচিত অস্ত্র ব্যবসায়ী মুসা বিন শমসেরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি।

রোববার আব্দুল কাদেরকে রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের গুলশান জোনাল টিমের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) নূরে আলম সিদ্দিকী।

পরে ঢাকার মহানগর হাকিম আবু সাঈদ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট থানার আদালতের সাধারণ শাখার নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক মনিরুজ্জামান নিউজবাংলাকে কাদেরকে কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

১৩ অক্টোবর আব্দুল কাদেরের তিন দিনের রিমান্ড আদেশ দেয় আদালত।

৭ অক্টোবর ঠিকাদার কনস্ট্রাকশনের মালামাল সরবরাহকারী শেখ আলী আকবর প্রতারণা করে ২৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন আব্দুল কাদেরের স্ত্রী সততা প্রোপার্টিস লিমিটেডের চেয়ারম্যান ছোঁয়া ও ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম।

আরও পড়ুন:
ডিএমপিতে ১৮ পরিদর্শকের বদলি

শেয়ার করুন