শোক দিবসে প্রজ্ঞাপন: মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে তলব

শোক দিবসে প্রজ্ঞাপন: মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে তলব

জাতীয় শোক দিবসে প্রজ্ঞাপন জারি করায় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও বোর্ডের রেজিস্টারকে তলব করেছে হাইকোর্ট।

আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর তাদেরকে হাইকোর্টে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে রোববার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

আইনজীবী হুমায়ুন কবির পল্লব জানান, জাতীয় শোক দিবস ১৫ আগস্ট মাদ্রাসার এডহক কমিটি অনুমোদন দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করায় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও রেজিস্ট্রারকে তলব করেছে হাইকোর্ট।

আইনজীবী জানান, বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার গোহাইল শালিখা দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি মনোনয়নসহ চার সদস্যের এডহক কমিটির অনুমোদন দিয়ে সেদিন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের পক্ষে রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষরে ওই দিন কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়।

সে ঘটনার পর গোহাইল শালিখা দাখিল মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক ওমর ফারুক প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ঢাবির সুফিয়া কামাল হলের আগুন নিয়ন্ত্রণে

ঢাবির সুফিয়া কামাল হলের আগুন নিয়ন্ত্রণে

ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটের সদস্যরা ২০ মিনিটের চেষ্টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কবি সুফিয়া কামাল হলের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ছবি: নিউজবাংলা

ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আবদুল হালিম বলেন, ‘৮০৬ নম্বর রুমে গতকাল রাতে এক ছাত্রী ছিলেন। আজ সকালে উনার বাবা হার্ট অ্যাটাক করায় তিনি রুম থেকে দ্রুত বেরিয়ে যান। যাওয়ার সময় বৈদ্যুতিক ইস্ত্রির লাইন চালু রেখে যান। এখান থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কবি সুফিয়া কামাল হলের একটি কক্ষতে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটের সদস্যরা ২০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এর আগে ৯টা ১৫ মিনিটে হলটির প্রদীপ্ত ভবনের অষ্টম তলায় ৮০৬ নম্বর রুম থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানা গেছে।

ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আবদুল হালিম বলেন, ‘৮০৬ নম্বর রুমে গতকাল রাতে এক ছাত্রী ছিলেন। আজ সকালে উনার বাবা হার্ট অ্যাটাক করায় তিনি রুম থেকে দ্রুত বেরিয়ে যান। যাওয়ার সময় বৈদ্যুতিক ইস্ত্রির লাইন ভুলে চালু রেখে যান। এখান থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।’

ফায়ার ম্যান সবুর হোসেন বলেন, ‘ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়নি। একটি তোষক, একটি টেবিল আর কিছু বইপত্র পুড়েছে। রুমে কেউ ছিল না। রুমটা বন্ধই ছিল। আইরন মেশিন থেকে হয়ত আগুনের সুত্রপাত।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. গোলাম রাব্বানী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হলের একটি রুমে আগুন লেগেছে। ফায়ার সার্ভিসকে দ্রুত জানানোই তারা দ্রুত চলে আসে। বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে। তাদের ভাষ্য, কোন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস সেই রুমে অনেকক্ষণ কানেক্ট ছিল। কিন্তু রুমে কেউ ছিল না। তাই সেখান থেকে আগুনের সুত্রপাত।’

গোলাম রাব্বানী আরও বলেন, ‘হলে কিন্তু আগুন লাগেনি। হলের কোন ব্লকেও আগুন লাগেনি। শুধু একটি কক্ষে আগুন লেগেছে। সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে বিষয়টি খেয়াল রাখবেন।’

রাত দশটার দিকে ঘটনাস্থলে আসেন উপ উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সামাদ। এর আগে হলে প্রবেশ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর আবদুর রহীম এবং হল প্রভোস্ট অধ্যাপক শামিম বানু।

ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম থেকে জানানো হয়, ৮০৬ নম্বর রুমের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। কেউ হতাহত হয়নি।

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার দেওয়ান আজাদ বলেন, আগুনের খবর ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীরা হল থেকে নিচে নেমে আসেন। খবর পেয়ে আগুন নিভাতে ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট সুফিয়া কামাল হলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।

শেয়ার করুন

তিন তলা টিনশেড থেকে পড়ে নিহত কাঠমিস্ত্রি

তিন তলা টিনশেড থেকে পড়ে নিহত কাঠমিস্ত্রি

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ। ফাইল ছবি

নিহতের স্ত্রী রহিমা খাতুন বলেন, ‘আমার স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে কড়াইল বস্তিতে থাকি। সকালে সে কড়াইল বস্তির কাজী অফিসের তিন তলা টিন শেডে কাজ করার সময় নিচে পড়ে যায়। তারপর তারে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে যাই।’

রাজধানীর মহাখালীর কড়াইল বস্তিতে তিন তলা একটি টিনশেড বাসায় কাজ করার সময় পড়ে গিয়ে মো. আয়নাল নামের এক কাঠমিস্ত্রি নিহত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক বিকেল সোয়া ৫টায় মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্ত্রী রহিমা খাতুন বলেন, ‘আমার স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে কড়াইল বস্তিতে থাকি। সকালে সে কড়াইল বস্তির কাজী অফিসের তিন তলা টিন শেডে কাজ করার সময় নিচে পড়ে যায়। তারপর তারে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে যাই।’

তিনি জানান, তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে। তার শ্বশুর বাড়ি রংপুরের গঙ্গাচড়া থানার পশ্চিম হিজলি গ্রামে।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘গুরুতর আহত আয়নালকে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি বনানী থানায় জানানো হয়েছে।’

শেয়ার করুন

সরকারকে নড়বড়ে দেখানোই উদ্দেশ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সরকারকে নড়বড়ে দেখানোই উদ্দেশ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে মঙ্গলবার শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ছবি: নিউজবাংলা

‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে সরকার পতনের চেষ্টা করছে ষড়যন্ত্রকারীরা। মন্দির ভাঙা প্রধান উদ্দেশ্য নয়। সরকারের অবস্থান নড়বড়ে করে দেয়াটাই প্রধান উদ্দেশ্য।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন মনে করেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় হিন্দুদের ওপর হামলার উদ্দেশ্য সরকারকে নড়বড়ে দেখানো। এটি সরকার পতনের ষড়যন্ত্রের একটি অংশ।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে মঙ্গলবার শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

দুর্গাপূজা চলাকালে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মণ্ডপে হামলা, এরপর রংপুরে হিন্দুপল্লিতে হামলার ঘটনা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে সরকার পতনের চেষ্টা করছে ষড়যন্ত্রকারীরা। মন্দির ভাঙা প্রধান উদ্দেশ্য নয়। সরকারের অবস্থান নড়বড়ে করে দেয়াটাই প্রধান উদ্দেশ্য।’

এই ষড়যন্ত্রে কারা জড়িত, সে বিষয়েও তার ভাবনা তুলে ধরেন জাহিদ মালেকঅ বলেন, ‘একাত্তরে যারা দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করেছে তারাই এখন দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে।’

দেশের স্বাস্থ্যসেবা, করোনা মোকাবেলায় সরকারের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন মন্ত্রী। বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। বাংলাদেশের কোনো মানুষ যেন স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। অন্যান্য দেশের তু্লনায় করোনা প্রতিরোধে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ।’

দেশের করোনার টিকা কার্যক্রমের প্রসার বেড়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে ৬ কোটি টিকা দেয়া হয়ে গেছে। অচিরেই পুরো জনগোষ্ঠীকে টিকার আওতায় আনা হচ্ছে। প্রতি মাসে ৩ কোটি করে টিকা আসছে।

‘শিশুদেরও পরীক্ষামূলক টিকা দেয়া হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদেরকেও টিকা কার্যক্রমের আওতায় আনার কাজ শুরু হবে।’

মন্ত্রী জানান, দেশে ৬০ লাখ ফাইজারের টিকা আসছে। এই টিকা স্কুল পড়ুয়া ৩০ লাখ শিশুকে দেয়া যাবে।

শেয়ার করুন

ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক কারাগারে

ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক কারাগারে

ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। ছবি: নিউজবাংলা

শুনানিতে আইনজীবী মাসুদ আহম্মেদ তালুকদার বলেন, ‘আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী নির্দোষ, নিরাপরাধ। ঘটনার সঙ্গে তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন, বরং যে ধারার অভিযোগ আনা হয়েছে সেই ধারার কোনো অপরাধ সংঘটন করেননি। বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে তিনি ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছেন।’

রাজধানীর পল্টন থানায় দ্রুত বিচার আইনে করা মামলায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর হাকিম মঈনুল ইসলামের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন আব্দুস সাত্তার। তার পক্ষে জামিন শুনানি করেন মাসুদ আহম্মেদ তালুকদার।

শুনানিতে তিনি বলেন, ‘আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী নির্দোষ, নিরাপরাধ। ঘটনার সঙ্গে তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন, বরং যে ধারার অভিযোগ আনা হয়েছে সেই ধারার কোনো অপরাধ সংঘটন করেননি। বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে তিনি ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছেন।

‘মামলা সম্পর্কে তিনি জানতেন না। জানার পর তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছেন। তিনি অসুস্থ। ভারতের চেন্নাইয়ের বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সদ্য করোনামুক্ত হয়েছেন তিনি। তার জামিন প্রার্থনা করছি।’

রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন না দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী বিপ্লব সরকার আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারীকে কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার শুরু থেকেই পলাতক ছিলেন আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী।

২০১৭ সালের ২ এপ্রিল কাজী মহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ী তৎকালীন ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহসান, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে ওই মামলা করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, কাজী মহিদুলের পল্টনে স্কাউট মার্কেটে পুরাতন গাড়ি কেনাবেচার দোকার রয়েছে। প্রতি দিনের তিনি ২ এপ্রিল সকালে নিজের মাইক্রোবাসে করে দোকানে যাওয়ার সময় পল্টন বিএনপি কার্যালয়ের সামনে আসামিরাসহ বিএনপি, ছাত্রদল ও অন্য সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে গাড়ি ভাঙচুর করেন। সেখান থেকে অহি আহম্মেদ, আল-আমিন, শহিদুল ইসলাম নয়নকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মামলাটি তদন্ত করে ১০ দিন পর ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পল্টন মডেল থানার এসআই (নিরস্ত্র) শামীম আকতার।

মামলায় অন্য আসামিরা হলেন, ছাত্রদলের তৎকালীন সিনিয়র সহসভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন, সহসভাপতি সাদিউল কবির নিরব, এজমল হোসেন পাইলট, যুগ্ম সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ ও ইকবাল।

মামলাটি বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।

শেয়ার করুন

‘অজ্ঞান পার্টি’ ঢাকা মেডিক্যালেই

‘অজ্ঞান পার্টি’ ঢাকা মেডিক্যালেই

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে ‘অজ্ঞান পার্টির’ দেয়া খাবার খেয়ে জ্ঞান হারিয়েছেন এরা। ছবি: নিউজবাংলা

হাসপাতালে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘এ রকম ঘটনা প্রায়ই ঘটে ঢাকা মেডিক্যালে। বেশির ভাগ রোগীর ঢাকার বাইরে থেকে আসে। অপরিচিত লোকদের ভালো মনে মিশে। তারা এর সুযোগ নেয়। রোগীর স্বজনদের সচেতন হতে হবে।’

কৌশলে মানুষকে অজ্ঞান করে সঙ্গে থাকা মূল্যবান জিনিসপত্র হাতিয়ে নেয়ার চক্র হানা দিল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে, যেখানে ভুক্তভোগীরা চিকিৎসা নিতে আসে।

হাসপাতালের গাইনি ২১২ নম্বর ওয়ার্ডে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে জিনিপত্র খোয়ালেন এক রোগী ও তার দুই স্বজন।

ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার প্রথম প্রহরে। রাত দেড়টার দিকে অচেতন অবস্থায় তিন জনকে পড়ে থাকতে দেখে ওয়ার্ডের কর্মীরা তাদেরকে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। সেখানে পাকস্থলি পরিষ্কার করার পর আবার গাইনি ওয়ার্ডে নিয়ে যায়।

অসুস্থ তিনজন হলেন মিতা, খুশী ও শাহিনুর।

খুশি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রাতে এক নারী আমাদের সঙ্গে এসে কথা বলে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর তিনি একটি পলিথিন ব্যাগ নিয়ে আসেন। তাতে দুটি জুস ও একটি কেক ছিল।

‘তখন একজন এসে বলে, তোমার মা পাঠিয়েছে, এটি খেয়ে নাও। তখন আমার মা বাইরে ছিল, এরপর আর কিছু বলতে পারব না।’

খুশি বলেন, ‘আমাদের স্টোমাক ওয়াশ দেয়ার পর খোঁজ নিয়ে দেখি আমার বোনের স্বর্ণের কানের দুল নেই, ভ্যানিটি ব্যাগে থাকা ১০ হাজার টাকাসহ অন্যান্য জিনিসও নিয়ে গেছে।’

মিতার মা সান্ত্বনা বেগম বলেন, ‘আমি শেষ হয়ে গেছি। আমার সব নিয়ে গেছে। মেয়ের চিকিৎসার জন্য ১০ হাজার টাকা ছিল সেটাও চোরের দল নিয়ে গেছে।’

২১২ নং গাইনি ওয়ার্ড এর নার্সিং ইনচার্জ রওশন আরা বেগম বলেন, ‘এটা খুবই দুঃখজনক। আমাদের ওয়ার্ডে তিন শিফট আনসার সদস্যরা ডিউটি করে। এটা তাদের উপরেই বর্তায়।’

ঘটনা এই প্রথম নয়

ওয়ার্ড মাস্টার আবু সাঈদ জানান, এমন ঘটনা হাসপাতালে এর আগেও ঘটেছে। দুই মাসের ভেতরে তিনটি ঘটনার কথা জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘এখানে রোগীর সঙ্গে তিন থেকে চার জন ভিজিটর আসে। অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা সুযোগ নিয়ে জুস, কেক বা অন্য কিছু খাইয়ে জিনিসপত্র নিয়ে যায়। আমরা রোগীদের সব সময় বলি, অন্যের দেয়া কিছু খাবেন না।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘এ রকম ঘটনা প্রায়ই ঘটে ঢাকা মেডিক্যালে। বেশির ভাগ রোগীর ঢাকার বাইরে থেকে আসে। অপরিচিত লোকদের ভালো মনে মিশে। তারা এর সুযোগ নেয়।’

তিনি বলেন, ‘রোগীর স্বজনদের সচেতন হতে হবে।’

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন

‘অপরাধী শনাক্তে এক ধাপ এগিয়ে র‍্যাব’

‘অপরাধী শনাক্তে এক ধাপ এগিয়ে র‍্যাব’

র‍্যাব সদর দপ্তরে ‘র‍্যাবের প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন’ শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্বরাষ্টমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। ছবি: নিউজবাংলা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তথ্য প্রযুক্তির সর্বোত্তম ও সার্বিক ব্যবহারে অপরাধীদের শনাক্ত করতে র‍্যাব আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। সুযোগ-সুবিধা ব্যবহারে র‍্যাব আরও কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।’ র‍্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘তথ্য দিতে সেই ভয় পায় যে অপরাধী। সাধারণ মানুষ কখনও তথ্য দিতে ভয় পায় না। অপরাধীরা যদি তথ্য দেয় তাহলে হয়তো ধরা পড়ে যাবে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর জালে আটকে যাবে। সেজন্য তথ্য দিতে ভয় পায়।’

ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) ‘ডাটা হাব’ ও ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্সের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে র‍্যাব। এছাড়া ডিজিটাল অফিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ও প্রাইভেট ক্লাউড তৈরি করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‍্যাব)। এর মাধ্যমে অপরাধী শনাক্ত ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র‍্যাবের সক্ষমতা বেড়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে র‍্যাব সদর দপ্তরে তথ্য প্রযুক্তির সর্বোত্তম ও সার্বিক ব্যবহারে র‍্যাব ফোর্সেসের সকল ব্যাটালিয়ন ও ক্যাম্প পর্যায়ে বিস্তৃত করার লক্ষে ‘র‍্যাবের প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন’ শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। স্বরাষ্টমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এর উদ্বোধন করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তথ্য প্রযুক্তির সর্বোত্তম ও সার্বিক ব্যবহারে র‍্যাব ফোর্সেসের সকল ব্যাটালিয়ন ও ক্যাম্প পর্যায়ে বিস্তৃত করার লক্ষে ‘র‍্যাবের প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন’ শীর্ষক কার্যক্রমের আজ উদ্ভোধন হলো। অপরাধীদের শনাক্ত করতে র‍্যাব আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলো। আমি প্রত্যাশা করবো সুযোগ-সুবিধা ব্যবহারে র‍্যাব আরও কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে। র‍্যাবের দাপ্তরিক কাজ, প্রাইভেট কাজ, গুরুত্বপূর্ণ নথি, তথ্য সংরক্ষণে সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে।’

কীভাবে এই প্রযুক্তি কাজ করবে সে প্রসঙ্গে র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনন্স) কর্নেল কে এম আজাদ বলেন, যে দেশ প্রযুক্তিতে যত উন্নত, অপরাধ দমনে সেই দেশ তত এগিয়েছে। র‍্যাব সদরদপ্তর ও ব্যাটেলিয়নে যুক্ত ‘অত্যাধুনিক প্রযুক্তি’র মাধ্যমে যেকোন ধরনের গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি অতীতের চেয়ে আরও সক্ষমতার সঙ্গে অপরাধী শনাক্ত ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং যেকোন বিষয়ে র‍্যাব অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।

কর্নেল আজাদ বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে র‍্যাবের উদ্ভাবিত ‘জেল ডাটাবেজ’, ‘ক্রিমিনাল ডাটাবেজ’... ইত্যাদি আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সফলভাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ অপরাধ দমন করা এবং অপরাধীকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে এসব প্রযুক্তির প্লাটফর্ম হচ্ছে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার বা এনটিএমসি। বর্তমানে বিশ্বে যতধরনের উন্নত প্রযুক্তি বা যন্ত্রপাতি আছে তার সবই এখানে আছে। এই এনটিএমসি থেকে বিভিন্ন অভিযানিক এবং অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অনেক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখন অতীতের চেয়ে অনেক সহজে অপরাধ দমন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হচ্ছে।’

কর্নেল আজাদ বলেন, র‍্যাব সদর দপ্তর এনটিএমসি থেকে ডাটা হাবসহ অনেক সহযোগিতা পাচ্ছে। এই সহযোগিতা শুধু সদর দপ্তর না, এখন থেকে র‍্যাবের ১৫টি ব্যাটেলিয়ন এই সুবিধা পাবে। এছাড়া দুর্গম এলাকায় থাকা ক্যাম্পগুলোও ব্যাটেলিয়ন থেকে সুবিধা পাবে। র‍্যাব অতীতের চেয়ে আরও ভালোভাবে সক্ষমতার সঙ্গে অপরাধী শনাক্ত ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং যেকোন বিষয়ে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।’

র‍্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) অতিরিক্ত আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘তথ্য দিতে সেই ভয় পায় যে অপরাধী। সাধারণ মানুষ কখনও তথ্য দিতে ভয় পায় না। অপরাধীরা যদি তথ্য দেয় তাহলে হয়তো ধরা পড়ে যাবে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর জালে আটকে যাবে। সেজন্য তথ্য দিতে ভয় পায়।’

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘আমরা প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বিস্তৃত করার উদ্যোগ নিয়েছি। এখন সার্চ দিলেই কোনো অপরাধ সম্পর্কে ও অপরাধী বা আসামী সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য মিলবে। প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে ঘোষণা দিয়েছিলেন তার সুফল এখন দেশের মানুষ ভোগ করছে। র‌্যাব এর উৎকর্ষতা অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে।

র‌্যাবের ডিজি বলেন, আমরা আজকে যে প্রযুক্তিগত সক্ষমতার কথা বলছি এ প্রযুক্তির মাধ্যমে সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা যে তথ্য এক জায়গাতে সংরক্ষণ করবো। আমরা এই তথ্যের সহায়তা কিন্তু এনটিএমসি থেকে আগেও পেয়েছি। আমাদের প্রযুক্তিগত সুবিধায় অপরাধ ও অপরাধীদের তথ্য সংরক্ষণ করতে পারবো। যে তথ্যের জন্য র‌্যাব হেড কোয়ার্টারে বা কোন ব্যাটালিয়নে যোগাযোগ করার প্রয়োজন নেই। অথবা এমটিএমসি’তে যোগাযোগ করার প্রয়োজন নেই। সার্চ দিলেই তথ্য পেয়ে যাবে র‌্যাবের প্রত্যন্ত অঞ্চলের কোম্পানি (সিপিসি) কর্মকর্তারাও। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা আমাদের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও অপারেশনাল কার্যক্রম দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে পারব। এর জন্য আমরা আমাদের নিজস্ব একটি তথ্যভাণ্ডার গড়ে তুলছি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তথ্য প্রযুক্তির সর্বোত্তম ও সার্বিক ব্যবহারে র‍্যাব ফোর্সেসের সকল ব্যাটালিয়ন ও ক্যাম্প পর্যায়ে বিস্তৃত করার লক্ষে ‘র‍্যাবের প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন’ শীর্ষক কার্যক্রমের আজ উদ্ভোধন হলো। অপরাধীদের শনাক্ত করতে র‌্যাব আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলো। আমি প্রত্যাশা করবো সুযোগ-সুবিধা ব্যবহারে র‌্যাব আরও কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে। র‌্যাব দাপ্তরিক কাজ, প্রাইভেট কাজ, গুরুত্বপূর্ণ নথি, তথ্য সংরক্ষণে সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

র‍্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) অতিরিক্ত আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন, বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (প্রশাসন) ড. মো. মইনুর রহমান চৌধুরী, এনটিএমসি’র পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জিয়াউল আহসান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি অপারেশন্স) কর্নেল একে আজাদ।

শেয়ার করুন

শাহজালালে ব্যক্তির পাকস্থলীতে ২ হাজার পিস ইয়াবা

শাহজালালে ব্যক্তির পাকস্থলীতে ২ হাজার পিস ইয়াবা

প্রায় দুই হাজার পিস ইয়াবাসহ স্বপনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, ‘রাত ৮ টার দিকে অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের সামনে ঘোরাফেরা করতে দেখে সন্দেহজনকভাবে তাকে এপিবিএন সদস্যেরা আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি পাকস্থলীতে ইয়াবা বহন করছেন বলে স্বীকার করেন। পরে তার পেট থেকে ৪০ টি ক্যাপসুল বের করা হয়। ক্যাপসুলের ভেতর থেকে মোট ১৯৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।’

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রায় দুই হাজার পিস ইয়াবাসহ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বিমানবন্দরের সামনে সোমবার রাতে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে পুলিশ তাকে আটক করে। এ সময় তার পাকস্থলী থেকে ইয়াবা ভর্তি ৪০টি ক্যাপসুল পাওয়া যায়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম স্বপন মিয়া। তার বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বারে।

বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হক এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, রাত ৮ টার দিকে অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের সামনে ঘোরাফেরা করতে দেখে সন্দেহজনকভাবে তাকে এপিবিএন সদস্যেরা আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি পাকস্থলীতে ইয়াবা বহন করছেন বলে স্বীকার করেন। পরে নিকটস্থ হাসপাতালে এক্সরে করলে পাকস্থলীতে ইয়াবার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয় পুলিশ।

পরবর্তীতে একে একে ৪০ টি ক্যাপসুল বের করা হয় পেট থেকে। ক্যাপসুলের ভেতর থেকে মোট ১৯৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বিমানবন্দর থানায় মামলা করে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ।

শেয়ার করুন