দুর্নীতিবাজদের শাস্তি নিশ্চিতে দুদকের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

দুর্নীতিবাজদের শাস্তি নিশ্চিতে দুদকের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

রোববার সন্ধ্যায় দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ এবং কমিশনার মো. জহুরুল হক বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাত করেন। ছবি: নিউজবাংলা

বাংলাদেশ উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, ‘উন্নয়নের এ ধারাকে টেকসই করতে দুর্নীতি প্রতিরোধ খুবই প্রয়োজন।’

দুর্নীতিবাজদের শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ এবং কমিশনার মো. জহুরুল হক রোববার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।

সাক্ষাতকালে দুদক চেয়ারম্যান কমিশনের সার্বিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

বাংলাদেশ উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, ‘উন্নয়নের এ ধারাকে টেকসই করতে দুর্নীতি প্রতিরোধ খুবই প্রয়োজন।’

তিনি বলেন, ‘তরুণ প্রজন্ম যাতে দুর্নীতি বিরোধী মনোভাব নিয়ে বেড়ে উঠতে পারে সে লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমাজ ও পরিবার থেকে উদ্যোগ নিতে হবে।’

প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি প্রতিরোধের পাশাপাশি অপ্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি প্রতিরোধেও দুদক কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে আশা রাষ্ট্রপতির।

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম এবং সচিব সংযুক্ত মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
৭ চিকিৎসকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট
চাকরির প্রশ্ন ‘বিক্রি করেন’ জীবন বীমার এমডি!
ঘুষের তথ্যে ওয়াসায় দুদকের অভিযান, প্রকৌশলী ওএসডি
৮৫০ কোটি টাকা ফাঁকি, রাজস্বের আট কর্মকর্তাকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বাউল রিতা দেওয়ানসহ ৩ জনের বিচার শুরু

বাউল রিতা দেওয়ানসহ ৩ জনের বিচার শুরু

রিতা দেওয়ানসহ তিনজনের বিচার শুরু হয়েছে সাইবার ট্রাইব্যুনালে। ফাইল ছবি

ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন সোমবার আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী বছরের ২৭ জানুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ঠিক করেন।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় বাউল রিতা দেওয়ানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দিয়েছে সাইবার ট্রাইব্যুনাল।

এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো আসামিদের বিচার।

ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন সোমবার আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী বছরের ২৭ জানুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ঠিক করেন।

বিচার শুরু হওয়া অপর দুই আসামি হলেন শাজাহান ও ইকবাল হোসেন।

সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর নজরুল ইসলাম শামীম অভিযোগ গঠনের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

আজ তিন আসামিই আদালতে হাজির হন। তাদের পক্ষে আইনজীবীরা অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন করা হয়।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের কাছে জানতে চান, তারা দোষী নাকি নির্দোষ। আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান। এরপর আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেয়।

গত বছরের ৩১ জানুয়ারি আইনজীবী ইমরুল হাসান রিতা দেওয়ানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি করেন ।

অভিযোগে বলা হয়, ইমরুল ফেসবুক ও ইউটউিবে দেখতে পান, রিতা দেওয়ান একটি পালা গানের আসরে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করতে গিয়ে ধর্মীয় বিষয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন।

অভিযোগটি তদন্তে পুলিশের বিশেষায়িত সংস্থা পিবিআইয়ের কাছে প্রতিবেদন চান বিচারক।

গত বছরের ২০ অক্টোবর পিবিআইয়ের পরিদর্শক শেখ মো. মিজানুর রহমান তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। সেই প্রতিবেদন আমলে নিয়ে গত বছরের ২ ডিসেম্বর আদালত রিতা দেওয়ানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। পরে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন রিতা।

১ ফেব্রুয়ারি ইউটিউবে ভাইরাল গানটির বিষয়ে ক্ষমা চেয়েছেন রিতা দেওয়ান।

‘গান রুপালি এইচডি’ নামক একটি ইউটিউব চ্যানেলে দুই মেয়েসহ করা একটি ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘এ কথাটা আমার ভুল হয়ে গেছে। মুসলিম ভাই-বোনদের কাছে আমি বলব, আমার ভুল হয়ে গেছে। আমাকে ক্ষমা করে দেবেন। আমি যেন আর কোনো দিনও ভুল না করি।’

আরও পড়ুন:
৭ চিকিৎসকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট
চাকরির প্রশ্ন ‘বিক্রি করেন’ জীবন বীমার এমডি!
ঘুষের তথ্যে ওয়াসায় দুদকের অভিযান, প্রকৌশলী ওএসডি
৮৫০ কোটি টাকা ফাঁকি, রাজস্বের আট কর্মকর্তাকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

শেয়ার করুন

পাঁচ বছরের কন্যাকে মায়ের জিম্মায় দিতে রুল

পাঁচ বছরের কন্যাকে মায়ের জিম্মায় দিতে রুল

শিশুটির মায়ের পক্ষের আইনজীবী আব্দুল কাইয়ুম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আদালত আমাদের আবেদনের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছে। সেই সঙ্গে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শিশুটিকে বিদেশে নেয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।’

পাঁচ বছরের কন্যাকে দেশের বাইরে না নিতে বাবা মুসফেক আলমের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে ওই সন্তানকে মায়ের জিম্মায় দিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত।

এ সংক্রান্ত এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার বিচারপতি মাহমুদুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে মায়ের পক্ষে শুনানি করেন খুরশীদ আলম খান, জেড আই খান পান্না ও এম. আব্দুল কাইয়ুম।

পরে আব্দুল কাইয়ুম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আদালত আমাদের আবেদনের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছেন। সেই সঙ্গে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শিশুটিকে বিদেশে নেয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।’

তিনি বলেন, গত ১৭ মাস ধরে শিশু কন্যাকে মা দেখতে পাচ্ছেন না। সন্তানকে নিজের জিম্মায় চেয়ে মা নিম্ন আদালতে আবেদন করেছিলেন। নিম্ন আদালত শিশুটিকে ভার্চুয়ালি দেখার সুযোগ দিয়ে আবেদনটি খারিজ করে দেয়। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। আদালত শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেয়।

৫ বছরের কন্যা সন্তানকে নিজের জিম্মায় নিতে গত ২০ অক্টোবর হাইকোর্টে আবেদন করেন শিশুটির মা তাসনোভা ইকবাল। আবেদনে সন্তানকে দেড় বছর ধরে দেখতে না দেয়ার অভিযোগ আনা হয়। এ ছাড়া, শিশুকে বিদেশ না নিতে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়।

এতে বিবাদী করা হয় শিশুটির বাবা মুসফেক আলম সৈকত, দাদা পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম ও দাদী মোমতাজ আলমকে।

রাজধানী গুলশানের বাসিন্দা তাসনোভা ইকবালের বাবা ইকবাল কামাল ও মা নাজমা সুলতানা।

আরও পড়ুন:
৭ চিকিৎসকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট
চাকরির প্রশ্ন ‘বিক্রি করেন’ জীবন বীমার এমডি!
ঘুষের তথ্যে ওয়াসায় দুদকের অভিযান, প্রকৌশলী ওএসডি
৮৫০ কোটি টাকা ফাঁকি, রাজস্বের আট কর্মকর্তাকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধু হত্যার ‘কুশীলব’ খুঁজতে তদন্ত কমিশন চেয়ে রিট

বঙ্গবন্ধু হত্যার ‘কুশীলব’ খুঁজতে তদন্ত কমিশন চেয়ে রিট

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডিতে নিজ বাসভবনে কিছু বিপদগামী সেনার হাতে সপরিবারে হত্যার শিকার হন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

আইনজীবী সুবীর নন্দী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র এবং তার পরের পদক্ষেপ সম্পূর্ণ পর্যালোচনা ও নিরীক্ষার জন্য একটি স্বাধীন জাতীয় কমিশন চেয়ে রিট করেছি।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরীবারে হত্যার পেছনের ‘কুশীলবদের’ খুঁজে বের করতে তদন্ত কমিশন গঠনের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সুবীর নন্দী দাস হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট করেন।

রিটে মন্ত্রী পরিষদ সচিব, আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং অর্থ সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

আইনজীবী সুবীর নন্দী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র এবং তার পরের পদক্ষেপ সম্পূর্ণ পর্যালোচনা ও নিরীক্ষার জন্য একটি স্বাধীন জাতীয় কমিশন চেয়ে রিট করেছি।’

রিটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কদের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত কমিশন গঠনের নজির এবং সংশ্লিষ্ট আইনের আলোকে বিভিন্ন দেশের আদালতের রায়ের আলোকে যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে।

বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির জন্য আগামী সপ্তাহে উপস্থাপন করা হবে বলেও জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী।

আরও পড়ুন:
৭ চিকিৎসকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট
চাকরির প্রশ্ন ‘বিক্রি করেন’ জীবন বীমার এমডি!
ঘুষের তথ্যে ওয়াসায় দুদকের অভিযান, প্রকৌশলী ওএসডি
৮৫০ কোটি টাকা ফাঁকি, রাজস্বের আট কর্মকর্তাকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

শেয়ার করুন

সাতক্ষীরার চারজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত শেষ

সাতক্ষীরার চারজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত শেষ

ধানমন্ডির তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির প্রধান সানাউল হক। ছবি: নিউজবাংলা

সংস্থাটি জানায়, সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ ও দেবহাটা থানা এলাকার বাসিন্দা আকবর আলী শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করা হয়েছে। চার আসামির মধ্যে আকবর আলী ছাড়া অন্যরা পলাতক রয়েছে।

একাত্তরে সংঘটিত হত্যা, গণহত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠণসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

সোমবার ধানমন্ডির তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির প্রধান সানাউল হক এ তথ্য জানান। এটি তদন্ত সংস্থার ৭৯তম প্রতিবেদন।

সংস্থাটি জানায়, সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ ও দেবহাটা থানা এলাকার বাসিন্দা আকবর আলী শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করা হয়েছে। চার আসামির মধ্যে আকবর আলী ছাড়া অন্যরা পলাতক রয়েছে।

চার আসামির বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ এনে তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে।

অভিযোগ-১ এ বলা হয়েছে- ১৯৭১ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর আনুমানিক সময় ৪টার সময় রহমতুল্লা মোড়ল, তার ছেলে গোলাম মোস্তফা মোড়লকে সঙ্গে করে সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানাধীন নলতা হাটে বাজার করতে যান।

এ সময় মুক্তিযোদ্ধা আনছারুল মাহমুদ নলতা হাটে সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ সড়কের একটি বাসে পাকিস্তানি সেনা থাকার সন্দেহে গ্রেনেড ছুড়ে। কিন্তু তাতে কেউ হতাহত হয়নি। গ্রেনেড ছুড়ার প্রতিশোধ নিতে বিকেল ৫টার দিকে আসামিরা পাকিস্তানি আর্মির সঙ্গে ইন্দ্রনগর মাদ্রাসায় একত্র হয়ে নলতা হাটে আক্রমণ করে। এ সময় রাজাকাররা স্বরাব্দীপুর গ্রামের মাদার আলী গাজীকে গুলি করে হত্যা করে।

এ ঘটনায় রাজাকারদের গুলিতে ইন্দ্রনগর গ্রামের আব্দুল রহমান ওরফে মেদু মোড়ল ও রহমতুল্লাহ মোড়ল গুরুতর আহত হন। ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায় নিজ বাড়িতে রহমতুল্লাহ মোড়লের মৃত্যু হয়।

অভিযোগ- ২ এ বলা হয়, ১৯৭১ সালে ৬ মে আনুমানিক ১২টার সময় সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানার ইন্দ্রনগর মাদ্রাসার রাজাকার ক্যাম্প হতে আসামিরাসহ পাকিস্তানি সেনারা দেবহাটার হাদিপুর গ্রামের ঘোষবাড়িতে হামলা করে।

সেখান থেকে নরেন্দ্রনাথ ঘোষকে আটক করে বাড়ির পেছনে নিয়ে গুলি হত্যা করে লাশ পুকুরে ফেলে দেয়। এরপর তারা শরৎচন্দ্র ঘোষ, গোপিনাথ ঘোষ, হেমনাথ ঘোষ এবং ওয়াজেদ আলী বিশ্বাসকে আটক করে বাড়ির দক্ষিণ দিকে ডোবায় নিয়ে সারিবদ্ধভাবে হত্যা করে লাশ পানিতে ফেলে রাখে। সেখানে নরেন্দ্রনাথ ঘোষের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বাধা দিতে গেলে আসামিরা তাকে আটক করে নির্যাতন করে। ঘোষ বাড়ির মালামাল লুট করে এবং অগ্নিসংযোগ করে।

মামলার তদন্ত করেন শাহজাহান কবীর। এ মামলায় ১৯ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
৭ চিকিৎসকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট
চাকরির প্রশ্ন ‘বিক্রি করেন’ জীবন বীমার এমডি!
ঘুষের তথ্যে ওয়াসায় দুদকের অভিযান, প্রকৌশলী ওএসডি
৮৫০ কোটি টাকা ফাঁকি, রাজস্বের আট কর্মকর্তাকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

শেয়ার করুন

প্রযোজক রাজের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ

প্রযোজক রাজের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ

প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ। ছবি: সংগৃহীত

মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেন বিচারক। সোমবার শুনানির সময় আসামিদের আদালতে আনা হয়। শুনানি শেষে আবার তাদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

রাজধানীর বনানী থানায় করা মাদক মামলায় প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ ও তার সহযোগী সবুজ আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছে আদালত।

সোমবার ঢাকার মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদারের আদালত এ অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।

মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেন বিচারক। শুনানির সময় আসামিদের আদালতে আনা হয়। শুনানি শেষে আবার তাদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে চার্জশিট দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক গিয়াস উদ্দিন।

৪ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর বনানীতে নজরুল ইসলাম রাজের বাসা ও অফিসে অভিযান চালায় র‍্যাব। রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজকে তার বাসা থেকে বের করা হয়। পরে তার বাসা থেকে মাদক জব্দ করা হয়।

পরদিন আদালত মাদক মামলায় রাজ ও তার সহযোগীকে চার দিনের রিমান্ড দেন।

১০ আগস্ট রাজ ও সবুজ আলীর মাদক মামলায় আরও দুই দিন এবং পর্নোগ্রাফি মামলায় চার দিনের রিমান্ড অনুমোদন করে আদালত।

১৮ আগস্ট রিমান্ড শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।

২৯ আগস্ট রাজের আবার রিমান্ড আবেদন করে সিআইডি। আদালত রিমান্ড আবেদন নাকচ করে আদেশ দেয়।

আরও পড়ুন:
৭ চিকিৎসকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট
চাকরির প্রশ্ন ‘বিক্রি করেন’ জীবন বীমার এমডি!
ঘুষের তথ্যে ওয়াসায় দুদকের অভিযান, প্রকৌশলী ওএসডি
৮৫০ কোটি টাকা ফাঁকি, রাজস্বের আট কর্মকর্তাকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

শেয়ার করুন

৮৩ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

৮৩ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি। ফাইল ছবি

ঢাকার মহানগর হাকিম শহিদুল ইসলামের আদালতে সোমবার এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য তারিখ ঠিক করা ছিল। কিন্তু বরাবরের মতো এদিনও মামলাটির তদন্তের দায়িত্বে থাকা র‍্যাব প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হয়।

আরও একবার পেছাল সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন। আলোচিত মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন এই নিয়ে ৮৩ বার পেছাল।

ঢাকার মহানগর হাকিম শহিদুল ইসলামের আদালতে সোমবার এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য তারিখ ঠিক করা ছিল। কিন্তু বরাবরের মতো এদিনও মামলাটির তদন্তের দায়িত্বে থাকা র‌্যাব প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হয়।

পরে আদালত প্রতিবেদন জমার নতুন তারিখ রাখে ২৪ নভেম্বর।

মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আসামি আটজন। অন্য আসামিরা হলেন বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুন, পলাশ রুদ্র পাল, তানভীর ও আবু সাঈদ।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রুনি নিজ ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন:
৭ চিকিৎসকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট
চাকরির প্রশ্ন ‘বিক্রি করেন’ জীবন বীমার এমডি!
ঘুষের তথ্যে ওয়াসায় দুদকের অভিযান, প্রকৌশলী ওএসডি
৮৫০ কোটি টাকা ফাঁকি, রাজস্বের আট কর্মকর্তাকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

শেয়ার করুন

অর্থ পাচার মামলায় সাহেদের জামিন কেন নয়: হাইকোর্ট

অর্থ পাচার মামলায় সাহেদের জামিন কেন নয়: হাইকোর্ট

রিজেন্ট হাসপাতালের সাবেক চেয়ারম্যান সাহেদ করিম। ফাইল ছবি

আইনজীবী সগীর হোসেন লিয়ন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অর্থ পাচার মামলায় সাহেদের জামিন চেয়ে আবেদন করেছিলাম। আদালত আবেদনের শুনানি নিয়ে জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেছে।’

অর্থ পাচার মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের সাবেক চেয়ারম্যান সাহেদ করিমকে কেন জামিন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেয়।

আদালতে সাহেদের পক্ষে শুনানি করেন সগীর হোসেন লিওন। দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান।

আইনজীবী সগীর হোসেন লিয়ন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অর্থ পাচার মামলায় সাহেদের জামিন চেয়ে আবেদন করেছিলাম। আদালত আবেদনের শুনানি নিয়ে জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেছেন।’

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত বছরের ২৫ আগস্ট সাহেদ ও পারভেজের বিরুদ্ধে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলা করেন সিআইডির পরিদর্শক ইব্রাহীম হোসেন। মামলায় সাহেদ ও পারভেজের বিরুদ্ধে ১১ কোটি ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৯৭ টাকা অর্থ পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।

সিআইডি জানায়, সাহেদ ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ৪৩টি ব্যাংক হিসাবে জমা ছিল ৯১ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এর মধ্যে তিনি তুলে নেন ৯০ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। ঋণের ৮০ লাখ টাকাসহ তার ব্যাংক হিসাবগুলোতে জমা ছিল ২ কোটি ৪ লাখ টাকার মতো।

জালিয়াতি করে উপার্জিত টাকা লেনদেনের সুবিধার জন্যই সাহেদ রিজেন্ট হাসপাতাল, রিজেন্ট কেসিএস লিমিটেড ও অন্যান্য অস্তিত্ববিহীন ১২টি প্রতিষ্ঠানের নামে ৪৩টি ব্যাংক হিসাব পরিচালনা করছিলেন। ব্যাংক হিসাবগুলো খোলার সময় তিনি কেওয়াইসিতে (গ্রাহকের তথ্যসংবলিত ফরম) প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়ারম্যান বা স্বত্বাধিকারী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।

সিআইডি আরও জানায়, করোনাভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করলে ভুয়া পরীক্ষা এবং জাল সনদ দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ৩ কোটি ১১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। সাহেদ তার অপরাধকর্মের প্রধান সহযোগী মাসুদ পারভেজের সহযোগিতায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের শাহ মখদুম অ্যাভিনিউ শাখায় রিজেন্ট ডিসকভারি ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস লিমিটেড নামের নতুন হিসাব খোলেন। হিসাবটি পরিচালনা করতেন সাহেদের বাবা সিরাজুল করিম ও মাসুদ পারভেজ।

আরও পড়ুন:
৭ চিকিৎসকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট
চাকরির প্রশ্ন ‘বিক্রি করেন’ জীবন বীমার এমডি!
ঘুষের তথ্যে ওয়াসায় দুদকের অভিযান, প্রকৌশলী ওএসডি
৮৫০ কোটি টাকা ফাঁকি, রাজস্বের আট কর্মকর্তাকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

শেয়ার করুন