সংরক্ষিত বনে প্রশিক্ষণ একাডেমি চায় না সংসদীয় কমিটি

সংরক্ষিত বনে প্রশিক্ষণ একাডেমি চায় না সংসদীয় কমিটি

কক্সবাজারের কলাতলীর শুকনাছড়ি এলাকায় এই বনভূমিতেই সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ একাডেমি করার জায়গা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

পরিবেশ মন্ত্রণালয়কে প্রশিক্ষণ একাডেমি নির্মাণের চূড়ান্ত ছাড়পত্র না দিয়ে বিষয়টি পর্যালোচনা করতে সুপারিশ করা হয়েছে। সংসদীয় কমিটি বলেছে, তারা প্রশিক্ষণ একাডেমি নির্মাণের বিপক্ষে নয়, কিন্তু সেটি সংরক্ষিত বনভূমির জায়গায় করা যাবে না।

কক্সবাজারে সংরক্ষিত বনভূমির ৭০০ একর জায়গায় জুড়ে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ একাডেমি নির্মাণের বিরোধিতা করেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি।

পরিবেশ মন্ত্রণালয়কে ওই প্রকল্পের চূড়ান্ত ছাড়পত্র না দিয়ে বিষয়টি পর্যালোচনা করার সুপারিশ করেছে তারা। সংসদীয় কমিটি বলেছে, তারা প্রশিক্ষণ একাডেমি নির্মাণের বিপক্ষে নয়, কিন্তু সেটি সংরক্ষিত বনভূমির জায়গায় করা যাবে না।

রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে একাদশ জাতীয় সংসদের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ২২তম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশ নেন পরিবেশন, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, নাজিম উদ্দিন আহমেদ, তানভীর শাকিল জয়, খোদেজা নাসরিন আক্তার হোসেন এবং মো. শাহীন চাকলাদার।

বৈঠকে ফিজিবিলিটি স্টাডি অফ ট্রান্সবাউন্ডারি ওয়াইল্ড লাইফ করিডোর ইন চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম হিল ট্র্যাক্ট অ্যান্ড কক্সবাজার উইথ মিয়ানমার অ্যান্ড ইন্ডিয়া শীর্ষক প্রকল্পের পরামর্শক নিয়োগ; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি; আসন্ন কপ-২৬ সম্মেলনের প্রস্তুতি এবং বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঝুঁকিভাতা দেয়ার প্রস্তাবনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

কমিটি পরিবেশ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে পরিবহনসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সুবিধা দিতেও সুপারিশ করে স্থায়ী কমিটি।

২০২১-২০২২ অর্থ-বছরে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়নের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতেও তাগিদ দেয়া হয়।

বনবিভাগে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ঝুঁকি ভাতা জাতীয় বেতন স্কেল, ২০০৯ অনুযায়ী না দিয়ে বেতন স্কেল, ২০১৫ অনুযায়ী দিতে সরকারের প্রতি সুপারিশ রাখে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

বৈঠকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষকসহ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
দুর্নীতির সংবাদ ফেসবুকে, বন্দরকর্মীর শাস্তির সুপারিশ
‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষাবিমা’ চার্জমুক্ত রাখার নির্দেশ
ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
বরিশালে ইমারত নির্মাণশ্রমিকদের মানববন্ধন
এবার বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করলেন শ্রাবন্তী

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মুক্তি পেল ৩০০ বক

মুক্তি পেল ৩০০ বক

নাটোরে বেশ কিছু বিলে অভিযান চালিয়ে শিকারিদের ফাঁদ থেকে প্রায় ৩০০ বক পাখি উদ্ধার করেছে প্রশাসন। ছবি: নিউজবাংলা

ইউএনও তমাল হোসেন জানান, বস্তাবন্দি ও খাঁচায় রাখা ৩০০ বক উদ্ধার করে আকাশে মুক্ত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে খেজুরপাতা, কলাপাতা ও বাঁশ দিয়ে তৈরি ১৫টি ফাঁদ উদ্ধার করে ধ্বংস করা হয়।

নাটোরে বেশ কিছু বিলে অভিযান চালিয়ে শিকারিদের ফাঁদ থেকে প্রায় ৩০০ বক পাখি উদ্ধার করেছে প্রশাসন।

গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজীপুর, বিলশা, হরদোমা, দিঘদারিয়া, যোগেন্দ্রনগর, বিলসহ প্রায় ১০টি বিলে মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তমাল হোসেন। তিনি জানান, পাখি শিকার করা হচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে পরিবেশকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বিলে অভিযান চালানো হয়। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে পাখি শিকারিরা পালিয়ে যায়।

এ সময় বস্তাবন্দি ও খাঁচায় রাখা ৩০০ বক উদ্ধার করে আকাশে মুক্ত করা হয়। সেই সঙ্গে খেজুরপাতা, কলাপাতা ও বাঁশ দিয়ে তৈরি ১৫টি ফাঁদ উদ্ধার করে ধ্বংস করা হয়।

ইউএনও আরও জানান, পাখি শিকার বন্ধে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত প্রচার চালানো হচ্ছে। জীববৈচিত্র্য রক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযানে পরিবেশকর্মী নাজমুল হাসান, মেহেদী হাসান তানিম, রাসেল আহমেদ, সাদেক হাসান ও মনির হোসেনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
দুর্নীতির সংবাদ ফেসবুকে, বন্দরকর্মীর শাস্তির সুপারিশ
‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষাবিমা’ চার্জমুক্ত রাখার নির্দেশ
ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
বরিশালে ইমারত নির্মাণশ্রমিকদের মানববন্ধন
এবার বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করলেন শ্রাবন্তী

শেয়ার করুন

অজগর ভেবে পুষছিলেন রাসেলস ভাইপার

অজগর ভেবে পুষছিলেন রাসেলস ভাইপার

রাসেল ভাইপারটিকে অজগর ভেবে পোষার জন্য বাড়িতে আনা হয়েছিল। ছবি: নিউজবাংলা

বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত নুর ইসলামের ছেলে ইনামুল সর্দার গত ২২ অক্টোবর গাতিপাড়া সীমান্তের ১৩ ঘর এলাকায় গাছ কাটতে গিয়েছিলেন। সেখানে সাপটিকে দেখতে পান তিনি। অজগর ভেবে এটিকে পোষার জন্য বাড়ি নিয়ে আসেন ইনামুল।

যশোরের শার্শার বেনাপোল সীমান্তের বারোপাতা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি রাসেলস ভাইপার সাপ।

বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম সর্দারের বাড়ি থেকে সোমবার বিকেলে সাপটিকে উদ্ধার করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পুটখালি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার লাভলু ইসলাম।

স্থানীয়রা জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত নুর ইসলামের ছেলে ইনামুল সর্দার গত ২২ অক্টোবর গাতিপাড়া সীমান্তের ১৩ ঘর এলাকায় গাছ কাটতে গিয়েছিলেন। সেখানে সাপটিকে দেখতে পান তিনি। অজগর ভেবে এটিকে পোষার জন্য বাড়ি নিয়ে আসেন ইনামুল।

ইনামুল সর্দার বলেন, ‘সাপটিকে বাড়িতে এনে ইঁদুর ও ব্যাঙ খেতে দিতাম। অনেকেই সাপটিকে কিনে নিতে চেয়েছিলেন। আমি রাজি হয়নি। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে ২১ ব্যাটালিয়নের বিজিবি সদস্যরা সোমবার বিকেলে সাপটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।’

২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পুটখালি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার লাভলু ইসলাম বলেন, ‘সাপটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। এটি অতি বিষাক্ত সাপ। সাপটিকে বনবিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তারাই এটিকে অবমুক্ত করবেন।’

রাসেল ভাইপার সম্পর্কে বাংলাদেশ বনবিভাগের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা জোহরা মিলা বলেন, ‘রাসেলস ভাইপার সাপটি ‘চন্দ্রবোড়া’ বা ‘উলুবোড়া’ নামেও পরিচিত। এটি ইঁদুর, ব্যাঙ ও টিকিটিকি খায়। বসতবাড়ির আশপাশে এসব বেশি থাকায় খাবারের খোঁজে রাসেল ভাইপার অনেক সময় লোকালয়ে চলে আসে। মানুষ দেখে আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে কখনও কখনও আক্রমণও করে বসে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাধারণত পদ্মার চরাঞ্চল, নদী অববাহিকা ও বরেন্দ্র এলাকায় এই সাপের দেখা বেশি মেলে। এরা ডিম দেয়ার বদলে সরাসরি ৬-৬৩টি বাচ্চা প্রসব করে। দেখতে মোটা, লম্বায় ২ থেকে ৩ ফুট দৈর্ঘ্যের এই সাপের গায়ে ছোপ ছোপ গোলাকার কালো দাগ থাকে। এটি সম্পর্কে যার ধারণা নেই তিনি অজগর ভেবেই ভুল করবেন।’

আইইউসিএনের ২০১৫ সালের লাল তালিকা অনুযায়ী রাসেলস ভাইপার বাংলাদেশে সংকটাপন্ন প্রাণীর তালিকায় রয়েছে।

আরও পড়ুন:
দুর্নীতির সংবাদ ফেসবুকে, বন্দরকর্মীর শাস্তির সুপারিশ
‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষাবিমা’ চার্জমুক্ত রাখার নির্দেশ
ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
বরিশালে ইমারত নির্মাণশ্রমিকদের মানববন্ধন
এবার বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করলেন শ্রাবন্তী

শেয়ার করুন

কারও সাড়া না পেয়ে নিজেরাই অবমুক্ত করল অজগর

কারও সাড়া না পেয়ে নিজেরাই অবমুক্ত করল অজগর

চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ লিংক রোডে থেকে উদ্ধার করা একটি অজগর পাশের পাহাড়ি বনে অবমুক্ত করেছে একদল যুবক। ছবি: সংগৃহীত

উদ্ধারকারী দলের নোবেল নামের একজন বলেন, ‘ সাপটি দেখে ভয়ও পাচ্ছিলাম। তবে আমাদের মধ্যে রাকিব সবচেয়ে বেশি সাহসী। তার কথায় সবাই মিলে সাপটিকে রাস্তা থেকে উদ্ধার করে পাশের পাহাড়ি বনে রেখে আসি। সাপটিকে ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি নিজের মতো ধীরে ধীরে পাহাড়ের দিকে চলে যায়।’

মোটরসাইকেলে করে রাতের চট্টগ্রাম নগরী দেখতে বের হয়েছিলেন নয় বন্ধু। পতেঙ্গা রিং আউটার রোড হয়ে বায়েজিদ লিংক রোড দিয়ে বাসায় ফেরার সময় রাস্তায় একটি অজগর দেখে থামেন তারা। তখন রোববার রাত ১টা।

ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল (ডব্লিউ সিসিইউ), ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ-কারো সহায়তা না পেয়ে নিজেরাই পাশের এক বনে অবমুক্ত করেন সাপটিকে।

নয় যুবকের একজন আজিজুর রহমান নোবেল।

নিউজবাংলাকে তিনি জানান, অজগরটি উদ্ধারে প্রথমে তারা ফোন দেন জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে। সেখান থেকে ডব্লিউ সিসিইউ'র নম্বর পেয়ে কল করলেও কেউ রিসিভ করেননি। নিরুপায় হয়ে পরের ফোনটি করা হয় ফায়ার সার্ভিসে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, অজগর উদ্ধার তাদের কাজ না। তাছাড়া সাপ উদ্ধারের সরঞ্জামও তাদের নেই।

নোবেল আরও জানান, রাস্তার পাশে দাঁড়ানো ছিল একটি পুলিশের গাড়ি। সাহায্য চাওয়া হয় তাদের কাছেও। কিন্তু পুলিশও ফিরিয়ে দেন তাদের।

এ সময়ে সড়ক বিভাজকের পাশে চলে যায় অজগরটি। উপায়ন্ত না দেখে এবার নিজেরাই সাপটিকে উদ্ধারের সিদ্ধান্ত নেন।

নোবেল বলেন, ‘সাপটি দেখে সবাইকে জানিয়েছি। কেউ উদ্ধার করতে রাজি হয়নি, কিন্তু অজগরটিকে রাস্তায় রেখে যেতে পারছিলাম না, মানে আমাদের মন সায় দিচ্ছিল না। সাপটি স্লোলি (ধীর গতিতে) মুভ (নড়াচড়া) করছিল। গাড়ি চাপা দিলে নির্ঘাত মৃত্যু হতো।

‘সাপটি দেখে ভয়ও পাচ্ছিলাম। তবে আমাদের মধ্যে রাকিব বেশ সাহসী। তার কথায় সবাই মিলে সাপটিকে রাস্তা থেকে উদ্ধার করে পাশের পাহাড়ি বনে রেখে আসি। সাপটিকে ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি নিজের মতো ধীরে ধীরে পাহাড়ের দিকে চলে যায়।’

এ বিষয়ে বনবিভাগের চট্টগ্রাম সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এটা নিঃসন্দেহে ভালো কাজ। খাবারের খোঁজে লোকালয়ে চলে আসে এরা। আমরা সাধারণত উদ্ধার করে বনেই অবমুক্ত করি।’

আরও পড়ুন:
দুর্নীতির সংবাদ ফেসবুকে, বন্দরকর্মীর শাস্তির সুপারিশ
‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষাবিমা’ চার্জমুক্ত রাখার নির্দেশ
ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
বরিশালে ইমারত নির্মাণশ্রমিকদের মানববন্ধন
এবার বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করলেন শ্রাবন্তী

শেয়ার করুন

জুড়ীতে সাফারি পার্কের সমীক্ষায় অনুমোদন, মহাপরিকল্পনা ডিসেম্বরে

জুড়ীতে সাফারি পার্কের সমীক্ষায় অনুমোদন, মহাপরিকল্পনা ডিসেম্বরে

মৌলভীবাজারের জুড়ীর জঙ্গলে লজ্জাবতী বানর। ছবি: সংগৃহীত

পরিবেশমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন বলেন, ‘সাফারি পার্কের প্রস্তাবিত এলাকায় অনেক জায়গা অবৈধ দখলে চলে গিয়েছে। এখানে সাফারি পার্ক নির্মিত হলে আর কেউ অবৈধ অনুপ্রবেশ করতে পারবে না, তখন এখানকার পাহাড় ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে। বর্তমানে প্রস্তাবিত লাঠিটিলার জড়িছড়া ও লালছড়া গ্রামের ২৭০ একর সাফারি পার্ক এলাকায় অবৈধভাবে বসবাসকারী ৩৭টি পরিবারকে স্থানান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।’

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রতিবেদন কিছু পর্যবেক্ষণসহ অনুমোদন করেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

সচিবালয়ে সোমবার বিকেলে পরিবেশ মন্ত্রী শাহাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে এক সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়।

এ সময় সাফারি পার্কের মহাপরিকল্পনা ও ডিপিপি প্রণয়নের কাজ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন পরিবেশমন্ত্রী।

সাফারি পার্কটি নির্মাণ করা হলে, এটি হবে বঙ্গবন্ধুর নামে দেশের তৃতীয় সাফারি পার্ক।

সভায় পরিবেশমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন বলেন, ‘সাফারি পার্কের প্রস্তাবিত এলাকায় অনেক জায়গা অবৈধ দখলে চলে গিয়েছে। এখানে সাফারি পার্ক নির্মিত হলে আর কেউ অবৈধ অনুপ্রবেশ করতে পারবে না, তখন এখানকার পাহাড় ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে।

‘বর্তমানে প্রস্তাবিত লাঠিটিলার জড়িছড়া ও লালছড়া গ্রামের ২৭০ একর সাফারি পার্ক এলাকায় অবৈধভাবে বসবাসকারী ৩৭টি পরিবারকে স্থানান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।’

দেশের প্রথম সাফারি পার্ক তৈরি করা হয় ১৯৯৯ সালে কক্সবাজারের চকরিয়ায়; নাম ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্ক।

দেশের দ্বিতীয় সাফারি পার্ক তৈরি করা হয় ২০১১ সালে, গাজীপুরের শ্রীপুরে। পার্কের নাম রাখা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্ক।

আরও পড়ুন:
দুর্নীতির সংবাদ ফেসবুকে, বন্দরকর্মীর শাস্তির সুপারিশ
‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষাবিমা’ চার্জমুক্ত রাখার নির্দেশ
ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
বরিশালে ইমারত নির্মাণশ্রমিকদের মানববন্ধন
এবার বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করলেন শ্রাবন্তী

শেয়ার করুন

২ শ পাখি পেল মুক্ত আকাশ

২ শ পাখি পেল মুক্ত আকাশ

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, পাখি শিকারীরা উপজেলার গাজনার বিল থেকে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে পাখি শিকার করে বিক্রি করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে ১০০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

পাবনা সুজানগরে শিকারীদের কাছ থেকে উদ্ধার প্রায় ২ শ দেশীয় প্রজাতির পাখি অবমুক্ত করা হয়েছে।

সুজানগর থানা চত্বর সোমবার দুপুরের পর পাখিগুলো অবমুক্ত করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান।

এর আগে চরদুলাই বাজারে অভিযান চালিয়ে পাখিসহ তিন শিকারীকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

আটক শিকারীরা হলেন গোবিন্দপুর গ্রামের আতোয়ার শেখ, ঘোড়াদহ গ্রামের আলাউদ্দিন, চলদুলাই গ্রামের মোজাহার আলী।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, পাখি শিকারীরা উপজেলার গাজনার বিল থেকে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে পাখি শিকার করে বিক্রি করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে ১০০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

পাখি অবমুক্ত করার সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের মুহা. আ. লতিফসহ আরও অনেকে।

আরও পড়ুন:
দুর্নীতির সংবাদ ফেসবুকে, বন্দরকর্মীর শাস্তির সুপারিশ
‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষাবিমা’ চার্জমুক্ত রাখার নির্দেশ
ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
বরিশালে ইমারত নির্মাণশ্রমিকদের মানববন্ধন
এবার বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করলেন শ্রাবন্তী

শেয়ার করুন

ডলফিন হত্যাকারীর তথ্য দিলে পুরস্কার

ডলফিন হত্যাকারীর তথ্য দিলে পুরস্কার

শুধু কুয়াকাটা সৈকতে চলতি বছর সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভেসে এসেছে ২১টি মৃত ডলফিন। ফাইল ছবি

পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, ‘ডলফিন সংরক্ষণে বর্তমান সরকার সচেষ্ট। এ কার্যক্রমকে সফল করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। অনেকে ডলফিনের তেল সংগ্রহসহ বিভিন্ন কারণে ইচ্ছাকৃত ডলফিন হত্যা করে। যারা বন অধিদপ্তরকে ডলফিন হত্যাকারীদের তথ্য দেবেন তাদের পুরস্কার দেয়া হবে।’

ডলফিন হত্যাকারীর তথ্য দিলে পুরস্কার দেয়ার ঘোষণা করেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়।

আন্তর্জাতিক মিঠাপানির ডলফিন দিবস উপলক্ষে রোববার বন অধিদপ্তরের এক আলোচনা সভায় এ ঘোষণা দেন পরিবেশ মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন।

পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, ‘ডলফিন সংরক্ষণে বর্তমান সরকার সচেষ্ট। এ কার্যক্রমকে সফল করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। অনেকে ডলফিনের তেল সংগ্রহসহ বিভিন্ন কারণে ইচ্ছাকৃত ডলফিন হত্যা করে।

‘যারা বন অধিদপ্তরকে ডলফিন হত্যাকারীদের তথ্য দেবেন তাদের পুরস্কার দেয়া হবে।’

বাংলাদেশে প্রধানত ১২ প্রজাতির ডলফিন দেখা যায়। এর মধ্যে দুটি মিঠা পানিতে পাওয়া যায়। এই দুই প্রজাতি হল গাঙ্গেয় এবং ইরাবতী।

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে ডলফিনের সংখ্যা প্রায় সাত হাজার, যা ছয় হাজারই রয়েছে সুন্দরবন এলাকায়।

প্রায়ই জেলেদের জালে আটকা পড়ে ডলফিন মারা যাওয়ার খবর পাওয়া যায়। এর বাইরেও অনেকেই গোপনে ডলফিন শিকার করেন।

এক সময় ঢাকার বুড়িগঙ্গা, পদ্মাসহ বড় নদীগুলোতেও সচরাচর দেখা মিলতো গাঙ্গেয় ডলফিন বা শুশুক। নদী দূষণের কারণে এর মধ্যে টিকে আছে হাতে গোনা কয়েকটি।

এ সময় ডলফিন সংরক্ষণে সরকারের নানা উদ্যোগ তুলে ধরেন বনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘সুন্দরবনের ডলফিন সংরক্ষণের জন্য সাতটি ডলফিন কনজারভেশন দল গঠন করা হয়েছে, অন্যান্য এলাকায় ও এ ধরনের টিম গঠন করা হবে। জেলেসহ সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।

‘ডলফিন সংরক্ষণের লক্ষ্যে এ যাবৎ সরকার দেশে নয়টি ডলফিন অভয়ারণ্য ঘোষণা করেছে, অন্যান্য এলাকাতেও এটি ঘোষণা করা হবে।’

বনমন্ত্রী বলেন, ‘ডলফিন অ্যাকশন প্ল্যান এবং ডলফিন এটলাস প্রস্তুত করা হয়েছে। হালদা নদীতে ডলফিনের সংখ্যা নির্ণয় এবং ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে ডলফিন হত্যার অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটালে ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৫ লাক্খ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান অন্তর্ভুক্ত করা রয়েছে।’

শাহাব উদ্দিন বলেন, ‘দেশের প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে নিবেদিত ব্যক্তিদের ডলফিন রক্ষায় নিজ নিজ স্থান থেকে একনিষ্ঠভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সকলের সমন্বিত প্রয়াসেই আমরা ডলফিন সংরক্ষণ কার্যক্রমে সফল হব।’

আরও পড়ুন:
দুর্নীতির সংবাদ ফেসবুকে, বন্দরকর্মীর শাস্তির সুপারিশ
‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষাবিমা’ চার্জমুক্ত রাখার নির্দেশ
ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
বরিশালে ইমারত নির্মাণশ্রমিকদের মানববন্ধন
এবার বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করলেন শ্রাবন্তী

শেয়ার করুন

জলবায়ু তহবিলে পর্যাপ্ত অর্থ দাবি দেশি গবেষকদের

জলবায়ু তহবিলে পর্যাপ্ত অর্থ দাবি দেশি গবেষকদের

‘কপ-২৬’ উপলক্ষ্যে ‘বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের প্রত্যাশা এবং প্রস্তাবনা’ শীর্ষক সভায় দেশি জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা।

করোনার কারণে ২০২০ সালে কপ সম্মেলন অনুষ্ঠিত না হওয়ার এবারের সম্মেলনটি গুরুত্বপূর্ণ। এই সম্মেলনে কার্বন নিঃসরণ কমাতে রাষ্ট্রগুলোকে একটি লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিবে হবে বলেও মনে করেন সিপিআরডি-এর প্রধান নির্বাহী মো. শামসুদ্দোহা।

জলবায়ুজনিত ক্ষতির প্রভাব কমিয়ে আনতে প্রতিশ্রুত অর্থ দিচ্ছে না শিল্পোন্নত দেশগুলো। এ জন্য আসন্ন কপ-২৬ সম্মেলনে জলবায়ু তহবিল বা গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডে পর্যাপ্ত অর্থ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন এ খাতের বিশেষজ্ঞরা।

শনিবার ডেইলি স্টার সেন্টারের আজিমুর রহমান কনফারেন্স হলে ‘সেন্টার ফর পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপম্যান্ট’ (সিপিআরডি) আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এই দাবি করেন।

ইউএনসিসিসি’র ২৬তম জলবায়ু সম্মেলন অর্থাৎ ‘কপ-২৬’ উপলক্ষ্যে ‘বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের প্রত্যাশা এবং প্রস্তাবনা’ শীর্ষক ওই সভায় কয়েকটি বেসরকারি উন্নয়ন সহযোগী সংগঠন অংশ নেয়।

সভায় অংশ নেয়া সংগঠনগুলোর মধ্যে সিপিআরডি-এর প্রধান নির্বাহী মো. শামসুদ্দোহা বলেন, ‘জলবায়ুর নেতিবাচক প্রভাবের জন্য শিল্পোন্নত দেশগুলো দায়ী হলেও এর ক্ষতির শিকার হচ্ছে অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো। এ ক্ষতি কমাতে শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডে প্রতিবছর ১০০ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন করার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা রাখছে না। আগামী কপ-২৬ সম্মেলনে এই তহবিলে ১০০ বিলিয়ন ডলারের প্রবাহ অব্যাহত প্রতিশ্রুতির বাস্তয়নে জোর দিতে হবে।’

ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হিসাবে বাংলাদেশকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘শিল্পোন্নত দেশগুলোতে ২০৩০ সালের মধ্যে এবং উন্নয়নশীল বিশ্বকে ২০৪০ সালের মধ্যে গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমণ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে হবে। কপ-২৬ সম্মেলনেই এ বিষয়ে প্রতিশ্রুতি নিতে হবে।’

শামসুদ্দোহা জানান, করোনার কারণে ২০২০ সালে কপ সম্মেলন অনুষ্ঠিত না হওয়ার এবারের সম্মেলনটি গুরুত্বপূর্ণ। এই সম্মেলনে কার্বন নিঃসরণ কমাতে রাষ্ট্রগুলোকে একটি লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিবে হবে বলেও মনে করেন তিনি।

জলবায়ু পরিবর্তন ও বন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ধরিত্রী সরকার বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় সরকার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে ১.৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার কথা থাকলেও উন্নত বিশ্ব তা প্রাক-শিল্প বিপ্লব সময়ের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার কথা বলছে। বিশ্ব সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে যথাযথ সঠিক এনডিসি ডকুমেন্টই পারে এই বৈশ্বিক তাপমাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে।’

জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকাতে সরকার, গবেষক, নীতি-নির্ধারক এবং নাগরিক সমাজকে যৌথভাবে কাজ করতে হবে বলেও মনে করেন তিনি।

কোস্ট ফাউন্ডেশনের পরিচালক সৈয়দ আমিনুল হক বলেন, ‘অসছে সম্মেলনে শিল্পোন্নত দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্তদের পাশ কাটিয়ে নিজেদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে পারে। এ জন্য ক্ষতিগ্রস্থ দেশের প্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজকে এই অপচেষ্টাকে মোকাবিলা করতে হবে।’

সিডিপির নির্বাহী পরিচালক জাহাঙ্গির হাসান মাসুম বলেন, ‘উন্নত বিশ্ব কার্বন নির্গমণ কমানোর বিষয়টিকে পাশ কাটিয়ে বিভিন্ন ইস্যুকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে সামনে নিয়ে আসে। ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলো যদি কার্বন নির্গমন কমানোর উপরই মূল চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রাখতো তাহলে এখন পরিস্থিতি ভিন্ন রকম থাকত।’

আরও পড়ুন:
দুর্নীতির সংবাদ ফেসবুকে, বন্দরকর্মীর শাস্তির সুপারিশ
‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষাবিমা’ চার্জমুক্ত রাখার নির্দেশ
ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
বরিশালে ইমারত নির্মাণশ্রমিকদের মানববন্ধন
এবার বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করলেন শ্রাবন্তী

শেয়ার করুন