ইটের মান ঠিক না হলে ভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

ইটের মান ঠিক না হলে ভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

ইটভাটার প্রতীকী ছবি

মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘এলজিইডির সব রাস্তা, ব্রিজ এবং অন্যান্য অবকাঠামো টেকসই করার জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। ২০২৪ সালের মধ্যে রাস্তা ও ভবন নির্মাণে পরিবেশবান্ধব ইটের ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। যেসব ইটভাটার মালিকরা সহযোগিতা করবেন, তাদের বিভিন্নভাবে সুযোগ-সুবিধা দেয়া হবে। যারা নির্দেশনা মানবেন না, তারা শাস্তির মুখে পড়বেন।'

গুণগত মান ও আকার ঠিক না রেখে ইট উৎপাদন করা হলে ভাটার মালিকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে রোববার সকালে এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।

দেশের সব রাস্তা ও ভবন নির্মাণে গুণগত মানসম্পন্ন ও স্ট্যান্ডার্ড সাইজের ইট সরবরাহ নিশ্চিত করতে মন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

তাজুল ইসলাম বলেন, ‘যেসব রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ভবন নির্মাণ করা হবে, এসব যদি গুণগত মানসম্পন্ন অর্থাৎ টেকসই করা সম্ভব না হয়, সেটা হবে আমাদের জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের। প্রয়োজনীয় নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করার পরও গুণগত মানের সামান্য ত্রুটির কারণে ভবন বা যেকোনো কনস্ট্রাকশন টেকসই হয় না।

‘আমরা যদি মানসম্পন্ন ও স্ট্যান্ডার্ড সাইজের ইটসহ অন্যান্য উপাদান নিশ্চিত করতে পারি, তাহলে কাজগুলো টেকসই হবে। গুণগত মান নিশ্চিত করে ইটসহ নির্মাণসামগ্রী উৎপাদন করা হচ্ছে কি না, তা তদারকি ও নিয়মিত পরিদর্শন করার জন্য জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের সক্রিয় হতে হবে। গুণগত মান ও আকার ঠিক না করে ইট উৎপাদন করা হলে ভাটার মালিকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ইটের মান ঠিক না হলে ভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
দেশের সব রাস্তা ও ভবন নির্মাণে মানসম্পন্ন ইট সরবরাহ নিশ্চিতে সভা করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

মন্ত্রী বলেন, ‘বিটুমিন, ইট, বালুসহ নির্মাণে প্রয়োজনীয় উপাদান ঠিক আছে কি না, সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য প্রতিটি উপজেলায় এলজিইডির টেস্টিং ল্যাব আছে। এ ছাড়া অন স্পটে নির্মাণসামগ্রী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে মোবাইল ল্যাবরেটরিও আছে। এগুলোকে আরও অধিক কার্যকর করতে হবে।’

পরিবেশবান্ধব ইট উৎপাদনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের মধ্যে রাস্তা ও ভবন নির্মাণে পরিবেশবান্ধব ইটের ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। যেসব ইটভাটার মালিকরা সহযোগিতা করবেন, তাদের বিভিন্নভাবে সুযোগ-সুবিধা দেয়া হবে। যারা নির্দেশনা মানবেন না, তারা শাস্তির মুখে পড়বেন।

‘এলজিইডির সব রাস্তা, ব্রিজ এবং অন্যান্য অবকাঠামো টেকসই করার জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে ডিজাইনে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি ব্যয়ের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। দেশের সব পৌরসভা এবং সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত রাস্তাগুলোকে আইডিভুক্ত করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
কৃষি জমির মাটি জোর করে কেটে নিচ্ছে ইটভাটায়
আ. লীগ নেতার ভেঙে দেয়া ইটভাটা ১৫ দিন পর আবার চালু

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ট্রেনে ট্রাকের ধাক্কা, সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর সচল রেললাইন

ট্রেনে ট্রাকের ধাক্কা, সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর সচল রেললাইন

পাবনা-রাজশাহী রেলরুটে সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) শাহীদুল ইসলাম বলেন, ‘দুর্ঘটনার পরই বিকল্প ইঞ্জিন লাগিয়ে ট্রেনটি চালানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক রয়েছে।’

পাবনায় ট্রেনে চলন্ত ট্রাকের ধাক্কায় পাবনা-রাজশাহী রেলরুটে সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

জেলার মহেন্দ্রপুর রেলক্রসিং মোড়ে বৃহস্পতিবার ভোর ৬টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢালারচর এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঘটনাস্থল থেকে ছেড়ে যায়।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা (ডিটিও) আনোয়ার হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার সকালে পাবনার ঈশ্বরদী রেলওয়ে স্টেশন থেকে ঢালারচরের উদ্দেশে ছেড়ে যায় আন্তনগর ঢালারচর এক্সপ্রেস। ট্রেনটি পাবনা স্টেশন পার হয়ে মহেন্দ্রপুর রেলক্রসিং মোড়ে পৌঁছালে একটি ট্রাক ট্রেনটিকে ধাক্কা দেয়।

খবর পেয়ে পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ট্রেন ও ট্রাকের সংঘর্ষ হওয়ায় রাস্তার দুই পাশে যানজট তৈরি হলেও ট্রেনটি ছেড়ে যাওয়ার পর এখন আর যানজট নেই। দুর্ঘটনায় দুমড়েমুচড়ে যাওয়া ট্রাকটি ঘটনাস্থলে রয়েছে।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) শাহীদুল ইসলাম বলেন, ‘দুর্ঘটনার পরই বিকল্প ইঞ্জিন লাগিয়ে ট্রেনটি চালানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
কৃষি জমির মাটি জোর করে কেটে নিচ্ছে ইটভাটায়
আ. লীগ নেতার ভেঙে দেয়া ইটভাটা ১৫ দিন পর আবার চালু

শেয়ার করুন

মাকে পিটিয়ে হত্যা করায় মৃত্যুদণ্ড

মাকে পিটিয়ে হত্যা করায় মৃত্যুদণ্ড

মাকে হত্যা করায় আসামি জিয়াউল হককে মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত। ছবি: নিউজবাংলা

২০১৮ সালের ১৩ জুন জিয়াউল হক তার ছোট ভাই জুবায়ের খন্দকারের কাছে কিছু টাকা চায়। টাকা না দেয়ায় জুবায়েরকে ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে মারতে তেড়ে আসেন জিয়াউল। এ সময় তাদের মা জহুরা বেগম ছোট ছেলেকে বাঁচাতে গেলে জিয়াউল তার মাথায় ব্যাট দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকেন।

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় বৃদ্ধা মাকে পিটিয়ে হত্যার দায়ে জিয়াউল হককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আসামির উপস্থিতিতে এ রায় দেন।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) ফারুক আহমেদ প্রিন্স বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জিয়াউল হক সদর উপজেলার শিবপুর গ্রামের ছেলে।

২০১৮ সালের ১৩ জুন জিয়াউল হক তার ছোট ভাই জুবায়ের খন্দকারের কাছে কিছু টাকা চায়। টাকা না দেয়ায় জুবায়েরকে ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে মারতে তেড়ে আসেন জিয়াউল।

এ সময় তাদের মা জহুরা বেগম ছোট ছেলেকে বাঁচাতে গেলে জিয়াউল তার মাথায় ব্যাট দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকেন। আশপাশের লোকজন আহত জহুরাকে সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনার পরদিন জহুরার স্বামী নুরুল ইসলাম জিয়াউল হককে একমাত্র আসামি করে থানায় মামলা করেন। পরে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

আরও পড়ুন:
কৃষি জমির মাটি জোর করে কেটে নিচ্ছে ইটভাটায়
আ. লীগ নেতার ভেঙে দেয়া ইটভাটা ১৫ দিন পর আবার চালু

শেয়ার করুন

‘অপশক্তিকে আর ছোবল মারার সুযোগ দেয়া হবে না’

‘অপশক্তিকে আর ছোবল মারার সুযোগ দেয়া হবে না’

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান কুমিল্লা নানুয়ার দিঘির পাড় এলাকা পরিদর্শন করেন। ছবি: নিউজবাংলা

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শান্তিশৃঙ্খলার সঙ্গে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখনই সুযোগ পেয়ে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি আবার দেশকে ছোবল মেরেছে। এটাই শেষ। তাদের আর ছাড় দেয়া হবে না।’

দেশকে ছোবল মারা স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তিকে ছাড় দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান।

কুমিল্লার নানুয়ার দিঘির পাড় এলাকা পরিদর্শন শেষে বৃহস্পতিবার সকালে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

এই এলাকার অস্থায়ী পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ পাওয়ার পর কুমিল্লা শহরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শান্তিশৃঙ্খলার সঙ্গে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখনই সুযোগ পেয়ে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি আবার দেশকে ছোবল মেরেছে। এটাই শেষ। তাদের আর ছাড় দেয়া হবে না।’

এই এলাকা পরিদর্শনের পর প্রতিমন্ত্রী নগরীর চকবাজার এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনা ও সরকারি সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা বাহাউদ্দীন বাহার, কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদসহ জেলা এবং পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
কৃষি জমির মাটি জোর করে কেটে নিচ্ছে ইটভাটায়
আ. লীগ নেতার ভেঙে দেয়া ইটভাটা ১৫ দিন পর আবার চালু

শেয়ার করুন

স্কুলছাত্রীকে হত্যার পর আটক কিশোরের মৃত্যু

স্কুলছাত্রীকে হত্যার পর আটক কিশোরের মৃত্যু

টাঙ্গাইলের কালিহাতীর একটি নির্মাণাধীন ভবনের সিঁড়ি থেকে সুমাইয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। ছবি: নিউজবাংলা

র‍্যাব কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, স্কুলছাত্রীর মরদেহের পাশেই রক্তাক্ত অবস্থায় মনিরের পড়ে থাকাটা তদন্তের মোড় অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেয়। আহত মনিরকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে র‍্যাব হেফাজতে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। সুস্থ হলে তাকে আদালতে তোলা হতো।

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর ‘আত্মহত্যার’ চেষ্টা করা কিশোর মনির মারা গেছে।

র‌্যাব-১২ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট আব্দুল্লাহ আল মামুন বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মনিরকে আহত অবস্থায় উদ্ধারের পর প্রথমে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ও পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানেই সকালে সে মারা যায়।

তিনি আরও জানান, এর আগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জিজ্ঞাসাবাদে মনির ওই স্কুলছাত্রীকে হত্যা করে আত্মহত্যার চেষ্টার কথা জানায়।

হত্যার শিকার কিশোরীর নাম সুমাইয়া আক্তার। তার বাড়ি উপজেলার পালিমা এলাকায়। সে এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে পড়ত।

মনির মিয়ার বাড়ি উপজেলার ভাবলা গ্রামে। তবে সে মশাজান গ্রামে থেকে কালিহাতীতে পরিবহন শ্রমিক হিসেবে কাজ করত।

কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘স্কুলছাত্রী সুমাইয়ার মরদেহের পাশেই রক্তাক্ত অবস্থায় মনিরের পড়ে থাকাটা তদন্তের মোড় অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেয়। আহত মনিরকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে র‌্যাব হেফাজতে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। সুস্থ হলে তাকে আদালতে তোলা হতো।

‘সুমাইয়ার সঙ্গে মনিরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। দুই মাস আগে সুমাইয়া অন্য আরেকজনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি মনির সহ্য করতে না পেরে সুমাইয়াকে মারধর করে।

‘বুধবার কোচিংয়ে যাওয়ার সময় একপর্যায়ে মনির সুমাইয়াকে একটি ভবনের নিচ তলার নিয়ে ছুরি দিয়ে হত্যার পর নিজেই আত্মহত্যার চেষ্টা করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে যে ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে সেটি মনিরের দুইটি টিকটক ভিডিওতে দেখা গেছে। মঙ্গলবার মনির তার বন্ধুদের সঙ্গে একটি বৈঠকে বসে অস্ত্রের কথাও বলেছে। পরে মনির ওই স্কুলছাত্রীকে হত্যা করে নিজেই আত্মহত্যার চেষ্টা করে।’

উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার শামসুল হক কলেজের সামনের একটি ভবনের সিঁড়ি থেকে বুধবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে সুমাইয়ার গলাকাটা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সেখানেই রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় মনিরকে।

তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে জরুরি বিভাগে চিকিৎসক রাজিব পাল চৌধুরী জানিয়েছিলেন, মনিরের গলায়, ঘাড়ে ও শরীরের বিভিন্নস্থানে গভীর ক্ষত ছিল।

আরও পড়ুন:
কৃষি জমির মাটি জোর করে কেটে নিচ্ছে ইটভাটায়
আ. লীগ নেতার ভেঙে দেয়া ইটভাটা ১৫ দিন পর আবার চালু

শেয়ার করুন

আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ছবি: নিউজবাংলা

নিহতের ছেলে ইমরান বলেন, ‘আমার অসুস্থ কাকার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাওয়ার কথা ছিল। তার চিকিৎসার আড়াই লাখ টাকা বাবার সঙ্গে ছিল। ওই টাকাও সন্ত্রাসীরা লুটে নেয়।’

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা আবু ছায়েদ ভূঞা রিপনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। লুট করা হয়েছে তার সঙ্গে থাকা আড়াই লাখ টাকা।

উপজেলার মিরওয়ারিশপুর ইউনিয়নের বাদি গাছতলা এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে বাড়ি থেকে ১০০ গজ দূরে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কমকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি।

নিহত আবু ছায়েদ উপজেলার মিরওয়ারিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

ওসি জানান, বুধবার রাত ২টা থেকে ৩টার মধ্যে কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা ছায়েদকে কুপিয়ে হত্যা করে মরদেহ বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে আরেকটি বাড়ির সামনে ফেলে যায়।

নিহতের ছেলে ইমরান হোসেন জানান, লাল সবুজ বাস পরিবহনের বেগমগঞ্জ চৌরাস্তা বাস কাউন্টারের ম্যানেজার ছিলেন তার বাবা। বুধবার রাতে কাউন্টার থেকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন ছায়েদ। তার সঙ্গে আড়াই লাখ টাকা ছিল।

ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা হত্যা করে। মরদেহ বারিয়া হাট বাজার সংলগ্ন মোসলে উদ্দিন মাওলানার বাড়ির দরজায় ফেলে রাখা হয়।

ইমরান বলেন, ‘আমার অসুস্থ কাকার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাওয়ার কথা ছিল। তার চিকিৎসার আড়াই লাখ টাকা বাবার সঙ্গে ছিল। ওই টাকাও সন্ত্রাসীরা লুটে নেয়।’

ওসি মীর জাহেদুল জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
কৃষি জমির মাটি জোর করে কেটে নিচ্ছে ইটভাটায়
আ. লীগ নেতার ভেঙে দেয়া ইটভাটা ১৫ দিন পর আবার চালু

শেয়ার করুন

নরসিংদীতে নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত ২

নরসিংদীতে নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত ২

নরসিংদীর রায়পুরায় ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে দুইজন নিহত হয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি আজিজুর রহমান জানান, নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার পাড়াতলী ইউনিয়নের কাচারিকান্দি গ্রামে শাহ আলম মেম্বার ও একই গ্রামের ছোট শাহ আলমের সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছিল। সামনে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই দুই গ্রুপের মধ্যে বৃহস্পতিবার সকালে সংঘর্ষ হলে ছোট শাহ আলম গ্রুপের দুজন নিহত হন।

নরসিংদীর রায়পুরায় আধিপত্য বিস্তার ও ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে দুজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় ৩০ জন।

উপজেলার পাড়াতলী ইউনিয়নের কাচারিকান্দি গ্রামে বৃহস্পতিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন উপজেলার কাচারিকান্দি গ্রামের সাদির মিয়া ও একই গ্রামের মো. হিরণ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুর রহমান।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার পাড়াতলী ইউনিয়নের কাচারিকান্দি গ্রামে শাহ আলম মেম্বার ও একই গ্রামের ছোট শাহ আলমের সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলেছিল। সেই জেরে ৬ মাস আগে এই দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

ওই সংঘর্ষে ছোট শাহ আলম গ্রুপের ইয়াসিন ও শাহিন নামে দুজন নিহত হন। এ ঘটনায় বড় শাহ আলম গ্রুপের সদস্যরা গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায়।

ওসি আরও জানান, ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলে নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য শাহ আলম মেম্বারের লোকজন আবার গ্রামে ঢোকার চেষ্টা চালায়। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার ভোরে মেম্বার গ্রুপের সদস্যরা টেঁটা, বল্লম ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে গ্রামে ঢুকে ছোট শাহ আলমের বাড়িতে হামলা চালায়।

এ সময় ছোট আলমের সমর্থকরা বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে এবারও ছোট শাহ আলম গ্রুপের সাদির ও হিরণ নামের দুজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

গুলি ও টেঁটাবিদ্ধ হয়ে আহতদের উদ্ধার করে রায়পুরাসহ নরসিংদীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা সবাই ছোট শাহ আলমের সমর্থক। তাদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় জজ মিয়াকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ রায়পুরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে মামলার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলেও জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
কৃষি জমির মাটি জোর করে কেটে নিচ্ছে ইটভাটায়
আ. লীগ নেতার ভেঙে দেয়া ইটভাটা ১৫ দিন পর আবার চালু

শেয়ার করুন

প্রতীক বরাদ্দের প্রথম দিনই ধামরাইয়ে উত্তেজনা

প্রতীক বরাদ্দের প্রথম দিনই ধামরাইয়ে উত্তেজনা

স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছেন, তাদের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। তবে অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন নৌকার প্রার্থীরা।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দের প্রথম দিনই উত্তেজনা ছড়িয়েছে ঢাকার ধামরাইয়ের চার ইউনিয়নে।

উপজেলার রোয়াইল, সোমভাগ, বালিয়া ও গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নে বুধবার বিকেলে ও সন্ধ্যার বিভিন্ন সময় সহিংসতাসহ উত্তেজনার নানা ঘটনা ঘটে।

এসব ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছেন, তাদের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। তবে অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন নৌকার প্রার্থীরা।

রোয়াইল ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কালাম সামসুদ্দিন মিন্টু নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিকেলে নৌকার লোকজন মোটরসাইকেল নিয়া আমার অফিসের সামনে হামলা করছে। এক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুইড়া আতঙ্ক ছড়ায়ে আধাঘণ্টা পর চইলা গেছে।

‘খড়ারচর মাঠে ১০০-১৫০ মোটরসাইকেলে ২-৩ জন কইরা আসছে। প্রত্যেক মোটরসাইকেলে ওদের হাতে একটা কইরা লাঠি আর নৌকার প্রতীক লাগানো। ওরা মূলত চাইছিল আমরা প্রতিবাদ করি। আর প্রতিবাদ করলেই বড় ধরনের সংঘর্ষ হইত। তো আমরা অফিসের ভেতরেই বসা ছিলাম। আমি ওসি সাহেব ও রিটার্নিং অফিসারকে জানাইছি। ওনারা বলছে, লিখিত অভিযোগ দিতে। আমি অভিযোগ দেব।’

এ বিষয়ে রোয়াইল ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজিম উদ্দিন খান বলেন, ‘না, বিষয়টি আমি জানিও না। আমার বিশ্বাস, আমার যারা সমর্থক তারা এই ধরনের কাজ করবে না। আমার শতভাগ আস্থা আছে নিজের মানুষের প্রতি। ওই প্রার্থী আগেও একবার বলছে, একটা মিছিল গিয়ে তার বাড়ির গেট, দেয়াল ভাঙছে। পরে আমি সেই বাড়ির ছবি তুলে এমপি মহোদয়কে দেখাই, সেখানে কিছু হয়নি। সে এমন মিথ্যা অভিযোগ করতেই থাকে।’

সোমভাগ ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী আওলাদ হোসেনের কর্মী-সমর্থকরা অভিযোগ করেন, বানেশ্বর পশ্চিমপাড়া এলাকায় স্থানীয় একটি মসজিদে মাগরিবের নামাজ আদায়ে যান আওলাদ। সে সময় ওই এলাকায় মিছিল বের করেন নৌকার প্রার্থী আজাহার চেয়ারম্যানের সমর্থকরা। আওলাদ মসজিদ থেকে বের হতেই মিছিলের লোকজন তাকে গালমন্দ করতে থাকেন।

এ ঘটনার ভিডিও করতে গেলে আওলাদের এক সমর্থকের ফোন ছিনিয়ে নেয়া হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে আওলাদ হোসেন, তার ছোট ভাই বাবু, সাইফুল, সুরুজসহ তিন-চারজনকে মারধর করা হয়। পরে তারা ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।

তবে নৌকার প্রার্থী আজাহার আলী পাল্টা অভিযোগ করেন, ‘একটা মারামারির ঘটনা ঘটছে। আবার আমার নির্বাচনি অফিস ভাঙচুর করেছে আওলাদ হোসেনের লোকজন। সেই বিষয়ে আমি নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিতে উপজেলা পরিষদে গিয়েছি।’

বালিয়া ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী নূরে আলম নান্নুর কর্মীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মুজিবুর রহমানের সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

নূরে আলম সিদ্দিকী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিকেলে একটি ভ্যানে মাইক নিয়ে আমার চার কর্মী প্রচার চালিয়ে বালিয়া ইউনিয়নের কামারপাড়ার দিকে যাচ্ছিল। পথে সামনে থেকে আসা প্রায় ৪০-৫০টি মোটরসাইকেলের লোকজন তাদের ওপর হামলা চালায়। তারা সবাই নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুজিবুর রহমানের রাজীব ও সজীবের লোক।

‘রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে আমার চারজন কর্মীকেই বেধড়ক মারধর করতে থাকে। এ সময় স্থানীয় লোকজন ছুটে এলে তারা চলে যায়। পরে চারজনকেই মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে একজনের মাথায় রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।’

নূরে আলম আরও বলেন, ‘এলাকার নিরীহ মানুষ এমনিতেই আতঙ্কে আছেন। তার ওপর এ ধরনের ঘটনায় তাদের আতঙ্ক আরও বেড়ে গেছে। আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাচন অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি। এভাবে চললে আমার নিজের নিরাপত্তা নিয়েই শঙ্কিত আমি। আমরা চাই সুষ্ঠু পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হোক। তাই প্রশাসনের প্রতি কঠোর ভূমিকা পালনের অনুরোধ করছি।’

অভিযোগের বিষয়ে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুজিবুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাটি আমার জানা নেই। শুনেছি পোলাপান মারামারি করছে। আমি জানি না। অভিযোগের বিষয়টি আপনার কাছেই শুনলাম।’

গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের গান্ধুলিয়া গ্রামে পোস্টার লাগাতে গিয়ে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর কর্মীদের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রহমান বলেন, ‘সন্ধ্যার দিকে আমার কর্মী জাকির হোসেন গান্ধুলিয়া গ্রামে পোস্টার লাগাতে গিয়েছিল। এ সময় আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল কাদের মোল্লার ভাতিজা আবুল কাশেম কাশি তাকে বাধা দেয়। সে প্রতিবাদ জানালে কাশি তাকে চড়-থাপ্পড় দেয়। এ ঘটনায় আমি থানায় লিখিত অভিযোগ দেব।’

ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাওয়া ধামরাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আরাফাত উদ্দিন বলেন, ’পোস্টার ছেঁড়ার ঘটনা শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক তদন্তে আশপাশের লোকজনের কাছ থেকে সত্যতা পেয়েছি। তবে অভিযুক্ত কাউকে ঘটনাস্থলে পাইনি। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল কাদের মোল্লাকে অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে ব্যস্ততার অজুহাতে তিনি ফোন রেখে দেন।

ঢাকা জেলা জ্যেষ্ঠ রিটার্নিং অফিসার মুনীর হোসেন খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি। এসব বিষয় উপজেলা রিটার্নিং অফিসাররা আছেন, তারাই ব্যবস্থা নিবেন। নির্বাচনের দায়িত্বই তাদের। রিটার্নিং বরাবর আবেদন করলে তারা ব্যবস্থা নেবেন।’

ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ হাই জকী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ফাঁকা গুলির ঘটনা আপনার কাছেই শুনলাম। আর সোমভাগ ও বালিয়া ইউনিয়নে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হইছে। কয়েকজন আহত হইছে। তবে এখনও আমার কাছে কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। তবে তারা মৌখিক অভিযোগ করেছেন। আমি প্রশাসনকে বলেছি। তারা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে।’

আরও পড়ুন:
কৃষি জমির মাটি জোর করে কেটে নিচ্ছে ইটভাটায়
আ. লীগ নেতার ভেঙে দেয়া ইটভাটা ১৫ দিন পর আবার চালু

শেয়ার করুন