× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
That letter from Colonel Beg
google_news print-icon

কর্নেল বেগের সেই চিঠি

কর্নেল-বেগের-সেই-চিঠি
মুক্তিযুদ্ধকালীন জিয়াউর রহমানের ভূমিকা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তার মূলে রয়েছে একটি চিঠি। পাকিস্তানি এক সেনা কর্মকর্তার সে সময় লেখা চিঠির প্রসঙ্গটি জাতীয় সংসদেও উঠেছে এবং এ নিয়ে কথা বলেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী।

‘তোমার কাজে আমরা সবাই খুশি। আমাদের অবশ্যই বলতে হবে, তুমি ভালো কাজ করছ। খুব তাড়াতাড়ি তুমি নতুন কাজ পাবে।’—বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানকে উদ্দেশ করে মুক্তিযুদ্ধের সময় এভাবেই চিঠি লিখেছিলেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ওই সময়ের কর্নেল আসলাম বেগ।

এ রকম একটি চিঠি সম্প্রতি নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। চিঠিটি মুক্তিযুদ্ধে ‘বীর উত্তম’ খেতাব পাওয়া সাবেক সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধকালীন ভূমিকাকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে। বলা হচ্ছে, মুক্তিযুদ্ধে ছদ্মবেশে পাকিস্তানি হানাদারদের পক্ষ নিয়েছিলেন তিনি। আর দেশের স্বাধীনতায় ঝাঁপিয়ে পড়া বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ঠেলে দিয়েছেন মৃত্যুর দিকে।

এ নিয়ে সংসদে কথা বলেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার সংসদের চতুর্দশ অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি তার বক্তব্যের পক্ষে সাক্ষ্যপ্রমাণ হিসেবে পাকিস্তানি সামরিক কর্মকর্তার লেখা একটি চিঠির কথা উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেদিন সংসদে দাঁড়িয়ে বলেন, ‘সে (জিয়াউর রহমান) কী করেছে, আমি বলি। কর্নেল আসলাম বেগ, সে তখন ঢাকায় কর্মরত ছিল, পরবর্তীতে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান হয়েছিল, সেই কর্নেল বেগ জিয়াকে একটা চিঠি দেয় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন, ’৭১ সালে। সেই চিঠিতে সে লিখেছিল, আপনি খুব ভালো কাজ করছেন। আমরা আপনার কাজে সন্তুষ্ট। আপনার স্ত্রী-পুত্রকে নিয়ে কোনো চিন্তা করবেন না। আপনাকে ভবিষ্যতে আরও কাজ দেয়া হবে।’

প্রধানমন্ত্রী সংসদকে বলেন, ওই চিঠি তার কাছে আছে। তিনি বলেন, ‘কথাটা উঠবে জানলে আমি চিঠিটা নিয়ে আসতাম। একসময় আমি নিয়ে আসব। এটা আমাদের প্রসিডিংসের পার্ট হয়ে থাকা উচিত।’

সেই চিঠির একটি অনুলিপি পেয়েছে নিউজবাংলা। ১৯৭১ সালের ২৯ মে মেজর জিয়াকে উদ্দেশ করে লিখেছিলেন কর্নেল বেগ।

যা লেখা ছিল মূল চিঠিতে

Dacca

Major Zia Ur Rahman, Pak Army

We all happy with your job. We must say, good job. You will get new job soon.

Don’t worry about your family. Your wife and kids are fine.

You have to be more careful about Major Jalil.

Col. Baig Pak Army

May 29. 1971

বাংলায় যা দাঁড়ায়:

ঢাকা

মেজর জিয়াউর রহমান, পাক আর্মি

তোমার কাজে আমরা সবাই খুশি। আমাদের অবশ্যই বলতে হবে, তুমি ভালো কাজ করছ। খুব তাড়াতাড়ি তুমি নতুন কাজ পাবে।

তোমার পরিবার নিয়ে চিন্তা কোরো না। তোমার স্ত্রী ও সন্তানরা ভালো আছে।

মেজর জলিল সম্পর্কে তোমাকে আরও বেশি সতর্ক থাকতে হবে।

কর্নেল বেগ, পাক আর্মি

মে ২৯, ১৯৭১

মুক্তিযুদ্ধের বীরত্ব দেখানোর স্বীকৃতি হিসেবে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানকে দেয়া হয় ‘বীর উত্তম’ খেতাব। বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধের সময় চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে ফেনী নদী পর্যন্ত বিস্তৃত সেক্টর-১ এর দায়িত্ব পালন করেছেন মেজর জিয়া। ১ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

এরপর সেক্টরটির দায়িত্বভার বর্তায় ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলামের কাঁধে।

কর্নেল বেগের সেই চিঠি
জিয়াকে উদ্দেশ করে লেখা কর্নেল বেগের সেই কথিত চিঠি


তবে এ চিঠির বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর-১ এর কমান্ডার এবং সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম, বীর উত্তম।

তিনি বলেন, ‘এসব বিষয় নিয়ে সংসদের বক্তব্য শুনুন। আমি এসব নিয়ে এখন কোনো কথা বলব না।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদকে জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না।

বৃহস্পতিবার সংসদে শেখ হাসিনা বলেন, ‘খালেদ মোশাররফ যখন আহত হয়ে যান, তখন মেজর হায়দার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান সেক্টর কমান্ডার হয়নি।’

সেদিন বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশিদের কথার প্রসঙ্গ ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একজন সংসদ সদস্য বলেছেন, জিয়া যেখানে দায়িত্বে ছিল, সেখানে নাকি বেশি মানুষ মারা গেছে। ক্যাজুয়ালিটি সব থেকে বেশি। সে একটা সেন্টারে অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে। আর সেখানে ক্যাজুয়ালিটি বেশি হয়েছে।’

জিয়ার যুদ্ধক্ষেত্রে হতাহতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া থেকে মনে প্রশ্ন জেগেছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘তাহলে প্রশ্ন আসে: সে তাহলে যুদ্ধে কী কাজ করেছে? পাকিস্তানিদের পক্ষে, যাতে আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা মৃত্যুবরণ করে, ওই ব্যবস্থা করেছিল কি না সেটাই আমার প্রশ্ন। সে তো একটা সেক্টরের অধিনায়ক, সেক্টর কমান্ডার না।’

গত ৯ ফেব্রুয়ারি জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ৭২তম সভা থেকে জিয়াউর রহমানসহ বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি শরিফুল হক ডালিম, নূর চৌধুরী, রাশেদ চৌধুরী ও মোসলেহ উদ্দিনের রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিলের সুপারিশ আনা হয়।

এ বছরের ৬ জুন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যায় জড়িত এবং আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া চার আত্মস্বীকৃত খুনির বীর মুক্তিযোদ্ধা খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

যারা খেতাব হারিয়েছেন তারা হলেন: লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম গেজেট নং ২৫), লে. কর্নেল এস এইচ এম এইচ এম বি নুর চৌধুরী (বীর বিক্রম গেজেট নং ৯০), লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক গেজেট নং ২৬৭) ও নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক গেজেট নং ৩২৯)।

কর্নেল বেগের সেই চিঠি
আসলাম বেগ, যিনি পরবর্তীকালে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান হয়েছিলেন


তবে জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। সেটি প্রক্রিয়াধীন আছে।

কে এই বেগ?

খোঁজখবর করে জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীতে মির্জা আসলাম বেগ নামে একজন সেনা কর্মকর্তা ছিলেন, যিনি ’৭১-এ পাকিস্তানের একটি পদাতিক রেজিমেন্টের নেতৃত্ব দেন।

কিন্তু মির্জা আসলাম বেগ ইংরেজিতে নিজের নামের বানান লিখেছেন ‘Beg’। আর যিনি জিয়াউর রহমানকে চিঠি লিখেছেন, তার বানান ছিল ‘Baig’। এ দুজন একই ব্যক্তি কিনা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

১৯৭১ সালে আসলাম বেগ একটি পদাতিক রেজিমেন্টের নেতৃত্ব দিলেও পরে তাকে ন্যাশনাল ডিফেন্স ইউনিভার্সিটিতে পাঠানো হয়। যেখানে পাঠদান বিষয়েই বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি। ওই সময়টায় তিনি যুদ্ধবিদ্যায় এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৮৮ সালের ১৭ আগস্ট বিমান দুর্ঘটনায় প্রেসিডেন্ট জেনারেল জিয়াউল হক মারা গেলে পাকিস্তানের চিফ অফ আর্মি স্টাফের দায়িত্ব পান মির্জা আসলাম বেগ। ১৯৯১ সালে অবসর জীবনে যান বেগ। তার আগ পর্যন্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এই চার তারকা জেনারেল।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Power price hiked for Awami Syndicates profit Rizvi

আওয়ামী সিন্ডিকেটের মুনাফার জন্য বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে: রিজভী

আওয়ামী সিন্ডিকেটের মুনাফার জন্য বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে: রিজভী বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ফাইল ছবি
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘যখনই সরকারের টাকায় টান পড়ছে তখনই গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির দাম বাড়িয়ে জনগণের পকেট কাটছে। লুটেরা ডামি সরকার আর্থিকভাবে দেউলিয়া হয়ে সাধারণ মানুষের পকেট শূন্য করার নীতি গ্রহণ করেছে।’

আওয়ামী সিন্ডিকেটের মুনাফার জন্য সরকার বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, ‘সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস অবস্থার কথা বিবেচনা না করে আওয়ামী ডামি সরকার আবার‌ও বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করেছে।’

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের ক্ষমতা খর্ব করে যখন ইচ্ছা বিদ্যুতের দাম বাড়াতে পারবে সরকার- এই স্বেচ্ছাচারী আইন অনুমোদন করিয়ে জনগণকে নিপীড়ন ও ফতুর করার নীতি নিয়েছে সিন্ডিকেট সরকার।

‘গণমানুষ, ভোক্তা অধিকার কিংবা ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর যুক্তি ও অনুরোধের তোয়াক্কা না করে যখনই লুটেরা সরকারের টাকায় টান পড়ছে তখনই গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির দাম বাড়িয়ে জনগণের পকেট কাটছে। লুটেরা ডামি সরকার আর্থিকভাবে দেউলিয়া হয়ে সাধারণ মানুষের পকেট শূন্য করার নীতি গ্রহণ করেছে।’

তিনি বলেন, ‘কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার বেগমপাড়ায় দামি বাড়ি-গাড়ির জন্য টাকা দরকার। এজন্যই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি। বেগমপাড়া হয়ে উঠেছে আওয়ামী ধনাঢ্য ব্যক্তিদের অবৈধ স্বর্গ বানানোর প্রতীক।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আওয়ামী আগ্রাসী সিন্ডিকেটের মুনাফার জন্য সরকার বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করেছে। গ্যাস সংকট জিইয়ে রেখে এলএনজি ব্যবসার দুয়ার খোলা হয়েছে। সরকার-ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ব্যবসার মাধ্যমে নিজেদের পকেট ভরছেন। এটা স্পষ্ট যে, বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতের লোকসান আসলে সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠান ও দায়িত্বশীলদের অব্যবস্থাপনা, অবহেলা আর দুর্নীতির ফল। আর এর দায় মেটাতে হচ্ছে জনগণকে।’

রুহুল কবির রিজভী বলেন, সংসদে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন যে মিথ্যা তথ্য ও মিথ্যা খবর দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি বন্ধে সংসদে আইন আনা হবে। তিনি আরও বলেছেন, অলরেডি একটি আইন আছে যেটা হচ্ছে সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট। আরও কিছু আইন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই সংসদে আসবে।

‘অর্থাৎ নাগরিকদের ওপর নজরদারি আরও তীব্র হবে। এটি পুরো জাতিকে পর্যবেক্ষণে রাখার এক নতুন কালো আইন প্রণয়নের আলামত। মূলত সরকারের দুঃশাসন, লুটপাট ও বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কেউ যাতে কোনো কথা বলতে না পারে সেজন্যই একের পর এক ড্রাকোনিয়ান আইন তৈরি করছে সরকার।’

আরও পড়ুন:
বিডিআর বিদ্রোহের পেছনে আওয়ামী লীগ সরকার: রিজভী
জনগণের ওপর প্রতিশোধ নিতে বিদ্যুৎ জ্বালানির দাম বাড়াচ্ছে সরকার: রিজভী
ক্ষমতা দখল করে জনগণকে ঔদ্ধত্য দেখাচ্ছে আ. লীগ সরকার: রিজভী
কারা হেফাজতে বিএনপি নেতাদের মৃত্যু পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড: রিজভী
বিএনপি ও আওয়ামী লীগের পার্থক্য কোথায়, জানালেন রিজভী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP favors genocide in Gaza Foreign Minister

গাজায় গণহত্যার পক্ষ নিয়েছে বিএনপি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

গাজায় গণহত্যার পক্ষ নিয়েছে বিএনপি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছবি: নিউজবাংলা
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে তো কিছু বলেইনি, বরং ইসরায়েলি বাহিনীর অনুকরণে তারা দেশে সহিংসতা ঘটিয়েছে; পুলিশের ওপর, হাসপাতালের ওপর হামলা করেছে। তারা ইসরায়েলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, ইসরায়েলের দোসরে পরিণত হয়েছে।’

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে বিএনপি-জামায়াত আজ পর্যন্ত একটি শব্দও উচ্চারণ করেনি মন্তব্য করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘চুপ থেকে তারা এই গণহত্যার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে ফিলিস্তিনে নারী ও শিশুহত্যা বন্ধের দাবিতে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সমাবেশ ও মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘গাজায় প্রায় ত্রিশ হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, এর বেশিরভাগ নারী ও শিশু। সেখানে হাসপাতালে হামলা করা হচ্ছে, অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে, হাসপাতালের বিদ্যুৎ লাইন ধ্বংস করা হয়েছে, যেসব কারণে অনেক মানুষ নিহত হয়েছে। ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা মানুষের ওপর হামলা করা হয়েছে।

‘একবিংশ শতাব্দীতে এটি ভাবা যায় না। তবুও বিশ্ব মোড়লরা নির্বাক এবং আরব বিশ্বের যে ভূমিকা রাখার দরকার ছিল, তারা সেখানে সে ভূমিকা রাখেনি।’

দেশে রাজনীতির প্রসঙ্গ টেনে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে তো কিছু বলেইনি, বরং ইসরায়েলি বাহিনীর অনুকরণে তারা দেশে সহিংসতা ঘটিয়েছে; পুলিশের ওপর, হাসপাতালের ওপর হামলা করেছে। তারা ইসরায়েলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, ইসরায়েলের দোসরে পরিণত হয়েছে।

‘জামায়াত নাকি ইসলাম কায়েম করতে চায়। অথচ তারা ফিলিস্তিনে গণহত্যার বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত একটা শব্দ বলল না কেন? তারা চেহারা দেখায় কী করে? এরা একটা শব্দ না বলে ইসরায়েলের পক্ষে হাত বাড়িয়েছে।’

গাজায় গণহত্যার পক্ষ নিয়েছে বিএনপি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

তিনি বলেন, ‘তারা ভেবেছিল, নির্বাচনের পরে বিশ্ব শেখ হাসিনার সরকারকে স্বীকৃতি দেয় কি না! প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ৭৮টি দেশ ও জাতিসংঘসহ ৩২টি সংস্থা অভিনন্দন জানানোর পর এখন তাদের আর কোনো কথা নাই। এখন নিজেরা নিজেদের প্রশ্ন করে- ভাই কী হলো?

‘বিএনপি নেতারা এখন চ্যালেঞ্জের মুখে; তাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান চ্যালেঞ্জের মুখে। তাদের নেতাদের কর্মীরা জিজ্ঞেস করে বলে- আপনারা নেতৃত্ব দেয়ার অযোগ্য নেতা।’

বর্তমান শেখ হাসিনা সরকার বিগত যেকোনো সরকারের চেয়ে বেশি শক্তিশালী জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু দেশের উন্নয়নেই নয়, বঙ্গবন্ধুকন্যা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা পালন করছেন। ৪ ও ৫ মার্চ আমি ওআইসির সম্মেলনে যোগ দেব। প্রধানমন্ত্রী আমাকে ওআইসির সম্মেলনে গিয়ে ফিলিস্তিনের পক্ষে বক্তব্য তুলে ধরতে বলেছেন।

‘ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি নিজে যেচে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তাকেও প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ বন্ধ করতে বলেছেন। গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হত্যাকাণ্ড বন্ধের কথা বলেছেন।’

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সহ-সভাপতি ডা. অরূপ রতন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানার উপস্থাপনায় আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য বলরাম পোদ্দার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম মুরাদ, স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের একুশে পদকপ্রাপ্ত শিল্পী মনোরঞ্জন ঘোষাল, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের অপর সহ-সভাপতি রেদওয়ান খন্দকার, সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন হালদার, প্রচার সম্পাদক মিজানুর রহমান, ডিইউজের সহ-সভাপতি মানিক লাল ঘোষ সমাবেশ ও মানববন্ধনে বক্তৃতা দেন।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর পূর্বপুরুষ এ দেশে ইসলাম প্রচারে এসেছিলেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বিশৃঙ্খলা করতে ‘গণতন্ত্র মঞ্চ’ পুলিশের ওপর চড়াও হয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Prime Ministers ancestor came to this country to spread Islam Foreign Minister

প্রধানমন্ত্রীর পূর্বপুরুষ এ দেশে ইসলাম প্রচারে এসেছিলেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর পূর্বপুরুষ এ দেশে ইসলাম প্রচারে এসেছিলেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী মানববন্ধনে কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা
মন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পূর্বপুরুষ এখানে ইসলাম প্রচারের জন্য এসেছিলেন। তিনি ফিলিস্তিনের ওপর দমনপীড়নের বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার থেকেছেন। জাতিসংঘে গিয়ে ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলেছেন।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পূর্বপুরুষ এ দেশে ইসলাম ধর্ম প্রচারের জন্য এসেছিলেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফিলিস্তিনে নারী ও শিশু হত্যা বন্ধের দাবিতে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে এক সমাবেশ ও মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পূর্বপুরুষ এখানে ইসলাম প্রচারের জন্য এসেছিলেন। তিনি ফিলিস্তিনের ওপর দমনপীড়নের বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার থেকেছেন। জাতিসংঘে গিয়ে ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলেছেন।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী গত অক্টোবরে ব্রাসেলসে গিয়ে গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করার যে বক্তব্য দিয়েছিলেন, পুরো হল দাঁড়িয়ে করতালিতে মুখরিত করেছে। মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে তিনি বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বৈঠকে গাজার সহিংসতার বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। জেলেনস্কির সাথে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যুদ্ধ কারো মঙ্গল বয়ে আনছে না। তিনি যুদ্ধ বন্ধের উপায় খুঁজতে বলেছেন।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ফিলিস্তিনে এতদিন ধরে নির্মম গণহত্যা চলছে। আজ পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত ফিলিস্তিনে গণহত্যার বিরুদ্ধে একটি শব্দও উচ্চারণ করেনি। বরং ইসরায়েল বাহিনীর অনুকরণে তারা পুলিশ হাসপাতালে হামলা চালিয়েছে। চুপ থেকে তারা ইজরায়েলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত ভেবেছিল নির্বাচনের পরে পৃথিবী শেখ হাসিনাকে স্বীকৃতি দেয় কি না। এ পর্যন্ত ৭৮ দেশ শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে কাজ করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, ইউরোপীয় কমিশন, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, আইএমএফসহ ৩২ সংস্থা অভিনন্দন জানিয়ে কাজ করার অভিপ্রায় জানিয়েছে। এরপর আর কোনেো কথা নাই। এখন তারা নিজেরা নিজেদের প্রশ্ন করে ‘ভাই কী হইল!’

‘এখন তাদের কর্মীরা নেতাদের বলে, আপনারা নেতৃত্ব দেয়ার অযোগ্য। আপনাদের কথায় আন্দোলন করব না। তারা এখন চ্যালেঞ্জের মুখে, তাদের নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জের মুখে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ফিলিস্তিনে একটি হাসপাতালে হামলা করে পাঁচ শ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। হাসপাতাল ধ্বংস করা হচ্ছে। একবিংশ শতাব্দীতে এমন বর্বরতা অকল্পনীয়। বিশ্বমোড়লরা চুপ হয়ে বসে আছে। যুদ্ধ বিরতির কথা বললে কেউ কেউ ভেটো দেয়। ফিলিস্তিনিদের অধিকার নিয়ে কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’

আরও পড়ুন:
বিশৃঙ্খলা করতে ‘গণতন্ত্র মঞ্চ’ পুলিশের ওপর চড়াও হয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দেশের উন্নয়ন আরও কাছ থেকে দেখবেন বিদেশি কূটনীতিকরা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করতে চায়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
People fear when gangs of killers talk about public safety who

খুনিদের দল জননিরাপত্তা নিয়ে কথা বললে জনগণ ভীত হয়: কাদের

খুনিদের দল জননিরাপত্তা নিয়ে কথা বললে জনগণ ভীত হয়: কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
ওবায়দুল কাদের বলেন, সূচনালগ্ন থেকেই বিএনপি অত্যাচার-নির্যাতনের স্টিম রোলার চালিয়ে দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারের পথ রুদ্ধ করে রাজনীতি করে আসছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে গণতন্ত্র ও সুশাঃসনের কথা বেমানান।

বিএনপিকে ইঙ্গিত করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, খুনিদের দল জননিরাপত্তা নিয়ে কথা বললে জনগণ আরও ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়ার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, একুশে আগস্টের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় নির্বিচারে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের যারা হত্যা করেছিল; যাদের পৃষ্ঠপোষকতায় জঙ্গিগোষ্ঠী ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সারাদেশে সিরিজ বোমা হামলা চালিয়েছিল, যারা দশ ট্রাক অস্ত্র আমদানি করেছিল, যারা অগ্নিসন্ত্রাস সৃষ্টি করে শত শত নিরীহ মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে, সেই খুনিদের দল যখন জননিরাপত্তা নিয়ে কথা বলে তখন জনগণ আরো ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে।

তিনি বলেন, দেশ ধ্বংসের মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নে তৎপর বিএনপি। দেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচনের প্রতি তাদের কোনো আস্থা নেই। সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান অসাংবিধানিক ও অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে সেনা ছাউনিতে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিল।

মন্ত্রী বলেন, সূচনালগ্ন থেকেই বিএনপি অত্যাচার-নির্যাতনের স্টিম রোলার চালিয়ে দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারের পথ রুদ্ধ করে রাজনীতি করে আসছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে গণতন্ত্র ও সুশাঃসনের কথা বেমানান।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক নির্বিচারে কাউকে গ্রেপ্তার করে হয়রানির অভিযোগ ভিত্তিহীন। বিএনপির যে সব সন্ত্রাসী ও ক্যাডাররা অগ্নিসন্ত্রাস এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও জনগণের উপর হামলার সঙ্গে জড়িত তাদের গ্রেপ্তার করাটা কোনোভাবেই হয়রানিমূলক হতে পারে না। সন্ত্রাসীদের আইন ও বিচারের মুখোমুখি করা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
50 injured including Jonaid Saki who was baton charged by the police in the democracy stage procession

গণতন্ত্র মঞ্চের মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ, জোনায়েদ সাকিসহ আহত ৫০

গণতন্ত্র মঞ্চের মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ, জোনায়েদ সাকিসহ আহত ৫০ বুধবার গুলিস্তানে জিরো পয়েন্টের কাছে গণতন্ত্র মঞ্চের মিছিলে বাধা দেয় পুলিশ। এ সময় জোনায়েদ সাকি মারধরের শিকার হন। ছবি: সংগৃহীত
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দিয়েছে। আমাদের অন্তত ৫০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকিকে অনেক মেরেছে পুলিশ।’

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের অর্থ লোপাট ও অর্থপাচারের প্রতিবাদে সচিবালয় অভিমুখে গণতন্ত্র মঞ্চের বিক্ষোভ মিছিলে দু’দফা লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। এ সময় গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা জোনায়েদ সাকিসহ বেশকিছু নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করে গণতন্ত্র মঞ্চ। সমাবেশ শেষে সচিবালয় অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি গুলিস্তানের জিরো পয়েন্টে পৌঁছলে পুলিশের ব্যারিকেডের মুখে পড়ে। মঞ্চের নেতাকর্মীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়।

এ সময় দু’পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি এবং একপর্যায়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। মঞ্চের নেতা–কর্মীদের দাবি, পুলিশের লাঠিচার্জে সংগঠনের অন্তত ৫০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।

পুলিশের বাধা ও লাঠিচার্জের প্রতিবাদ জানিয়ে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করছিলাম। কিন্তু পুলিশ আমাদের বাধা দিয়েছে। আমাদের অন্তত ৫০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকিকে অনেক মেরেছে পুলিশ।’

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের এডিসি শাহ্ আলম মোহাম্মদ আক্তারুল ইসলাম বলেন, ‘ওনারা অনুমতি ছাড়াই এখানে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে এসেছেন। আমরা তাদের বার বার বলেছি যে তাদের এখানে অনুমতি নেই। কিন্তু তারা আমাদের কথা শোনেননি।

‘ওনারা আমাদের কথা দিয়েছিলেন যে সচিবালয়ের সামনে এসে শান্তিপূর্ণ মিছিল করে চলে যাবেন। কিন্তু আমাদের দেয়া ব্যারিকেড অতিক্রম করে সচিবালয়ে ঢোকার চেষ্টা করেছেন তারা। আমরা বার বার বোঝানোর চেষ্টা করলেও ওনারা ব্যারিকেড ভেঙে ভেতরে ঢুকতে চেয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘পুলিশ অতর্কিত হামলা করেনি। উল্টো তারাই (গণতন্ত্র মঞ্চ) পুলিশের ওপর হামলা করেছে। পুলিশ বাঁশি দিয়ে তাদের সরিয়ে দিয়েছে।’

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘ব্যারিকেডে যারা ধাক্কাধাক্কি করছিল তাদের দেখেই মনে হচ্ছিল এরা ব্যারিকেড ভাঙার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত লোক। আমাদের মনে হয়েছে এদের ভাড়া করে নিয়ে আসা হয়েছে।’

কতজনকে আটক করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যারা লাঠি হাতে নিয়ে পুলিশের ওপর আক্রমণ করার চেষ্টা করেছে আমরা তাদের মধ্য থেকে দু-একজনকে আটক করেছি। তবে কতজন এখন পর্যন্ত আটক হয়েছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’

মিছিলের আগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘একটি মহল এই সরকারকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে মরিয়া হয়ে আছে। সরকার মেগা প্রকল্প করে মেগা লুটপাটের জন্য। এই লুটের টাকা সবাই ভাগবাটোয়ারা করে নিচ্ছে।

‘মাঠে না নামলে এই সরকারকে হটানো যাবে না। বিদেশিদের ওপর ভরসা করবেন না। তারা শুধু সুবিধা নেয়। জনগণের আন্দোলনের মধ্য দিয়েই এই সরকারকে বিদায় করে আমাদের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে।’

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘সরকার যতই হাবভাব দেখাক না কেন রোজায় পণ্যের দাম কমাতে পারবে না। বাংলাদেশ এখন যেভাবে চলছে এর থেকে খারাপভাবে একটা দেশ চলতে পারে না।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Democracy stage police attacked to create chaos Foreign Minister

বিশৃঙ্খলা করতে ‘গণতন্ত্র মঞ্চ’ পুলিশের ওপর চড়াও হয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বিশৃঙ্খলা করতে ‘গণতন্ত্র মঞ্চ’ পুলিশের ওপর চড়াও হয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বুধবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘গণতন্ত্র মঞ্চকে যে শর্তে অনুমতি দেয়া হয়েছিল, তারা তার বাইরে গিয়ে বেআইনিভাবে ব্যারিকেড অতিক্রমের সময় পুলিশ বারণ করে। তারা তা না মেনে পুলিশের এক সদস্যকে ধরে ফেলে। তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ বলপ্রয়োগ করতে বাধ্য হয়।’

দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরির উদ্দেশ্যেই ‘গণতন্ত্র মঞ্চ’ পুলিশের ওপর চড়াও হয় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকার ২০২৪-২৫ মেয়াদের নতুন নির্বাহী পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্টসহ পৃথিবীর ৭৮টি দেশের সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

‘জাতিসংঘ, কমনওয়েলথ, ওআইসিসহ পৃথিবীর ৩২টি আন্তর্জাতিক সংস্থা বর্তমান সরকারকে অভিনন্দন জানানো দেখে গণতন্ত্র মঞ্চ প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে বুধবার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়েছে।’

আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘গণতন্ত্র মঞ্চকে যে শর্তে অনুমতি দেয়া হয়েছিল, তারা তার বাইরে গিয়ে বেআইনিভাবে ব্যারিকেড অতিক্রমের সময় পুলিশ তাদের বারণ করে। তারা তা না মেনে পুলিশের এক সদস্যকে ধরে ফেলে। তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ বলপ্রয়োগ করতে বাধ্য হয়।’

বিএনপির নেতা-কর্মীদের ধরপাকড় করা হচ্ছে- দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর এমন বক্তব্য নাকচ করে দিয়ে মন্ত্রী হাছান বলেন, ‘বরং দেখা যাচ্ছে প্রতিদিন তাদের নেতা-কর্মীরা ছাড়া পাচ্ছে।’

বিশৃঙ্খলা করতে ‘গণতন্ত্র মঞ্চ’ পুলিশের ওপর চড়াও হয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকার নতুন নির্বাহী পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ছবি: নিউজবাংলা

এর আগে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সমিতি, ঢাকার নতুন কমিটিকে অভিনন্দন জানান চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, ১১২ বছরের পুরনো চট্টগ্রাম সমিতি, ঢাকা চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য ঢাকায় এজেন্ট এবং প্রেশার গ্রুপ হিসেবে কাজ করবে। এতো দীর্ঘ সময় ধরে রাজনীতিমুক্ত এই সংগঠন চট্টগ্রামবাসীর মিলনমেলা এবং সব উন্নয়নমূলক সংগঠনের জন্য এক উদাহরণ।’

তিনি বলেন, ‘দেশের সুষম উন্নয়নের জন্য প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ জরুরি। চট্টগ্রাম বিভাগের উন্নয়নে বৃহৎ কর্মপরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম শহরে ৮৫ লাখ মানুষ বসবাস করে। গত ১৫ বছরে চট্টগ্রাম বদলে গেছে। বহু বছর ধরে বলা হচ্ছিল বঙ্গবন্ধু টানেলের কথা। এটি যে বাস্তবায়ন হবে অনেকেই ভাবেনি। আজ সেটি দৃশ্যমান বাস্তবতা। বঙ্গবন্ধু-কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতায় চট্টগ্রামের অভাবনীয় উন্নয়ন হয়েছে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চট্টগ্রামে মেট্রো রেল করবো। এখন সমীক্ষা চলছে। মূল শহরে এটি পাতালে হবে। শহরের বাইরে সেটি এলিভেটেড এক্সপ্রেস আকারে হবে। চট্টগ্রামের বঙ্গবন্ধু শিল্প এলাকা হবে দেশের সর্ববৃহৎ শিল্প এলাকা। এখানে ১৫ লাখ মানুষ কাজ করবে। জড়িত থাকবে আরও ২০ লাখ মানুষ।’

চট্টগ্রামে শিগগির একটি প্রাইভেট টেলিভিশন চ্যানেল চালু হবে উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশ টেলিভিশনের চট্টগ্রাম শাখা ২৪ ঘণ্টা সম্প্রচার হচ্ছে। এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান। তিনি আমাকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছিলেন বলেই আমি কাছ থেকে বিষয়টি দেখভাল করতে পেরেছিলাম।’

‘পলিটিক্যাল ডিনাইয়াল বা সবকিছুতে না বলার অপসংস্কৃতি এবং অপরাজনীতি না থাকলে দেশের আরও উন্নতি হতো।

চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকার নতুন নির্বাহী পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠানে ৪১ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কার্যনির্বাহী কমিটিতে সাবেক কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী সভাপতি এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার উজ্জ্বল মল্লিক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক অভিষেক কমিটির সদস্য সচিব মো. শাহাদাত হোসেন হিরোর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সমিতির নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও সাবেক সচিব মমিনুর রশিদ আমিন, উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব আবদুল করিম ও সাবেক তথ্য সচিব দিদারুল আনোয়ার।

আরও পড়ুন:
দেশের উন্নয়ন আরও কাছ থেকে দেখবেন বিদেশি কূটনীতিকরা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করতে চায়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাজারে কারসাজির বিরুদ্ধে ইশতেহার অনুযায়ী ব্যবস্থা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আশা করব মিয়ানমার সীমান্তে আগের পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে না
বিএনপি রোজা রমজান ঈদ কোনোটাই মানে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A League MP Kamal Mazumder wants the trial of the former education minister

সাবেক শিক্ষামন্ত্রীর বিচার চান আ.লীগের এমপি কামাল মজুমদার

সাবেক শিক্ষামন্ত্রীর বিচার চান আ.লীগের এমপি কামাল মজুমদার বুধবার সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ দলীয় সদস্য কামাল আহমেদ মজুমদার। ছবি: সংগৃহীত
সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে ঢাকা-১৫ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘জানি না কী কারণে স্কুলটির প্রতি সাবেক শিক্ষামন্ত্রীর কুনজর পড়েছে। আমি তার বিচার চাই।’

রাজধানীর মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজকে রক্ষা করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার। একই সঙ্গে সাবেক শিক্ষামন্ত্রীর বিচার চেয়েছেন তিনি। বলেছেন, ‘জানি না কী কারণে স্কুলটির প্রতি সাবেক শিক্ষামন্ত্রীর কুনজর পড়েছে। আমি তারও বিচার চাই।

বুধবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন ঢাকা-১৫ আসনের এই সংসদ সদস্য।

আওয়ামী লীগের মনোনয়নে নির্বাচিত সাংসদ কামাল আহমেদ মজুমদার সংসদে তার বক্তব্যে সাবেক শিক্ষামন্ত্রীর নাম উল্লেখ করেননি। আওয়ামী লীগ সরকারের গত মেয়াদে শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন বর্তমান সমাজকল্যাণমন্ত্রী দীপু মনি। আর শিল্প প্রতিমন্ত্রী ছিলেন কামাল আহমেদ মজুমদার।

সংসদে দেয়া বক্তব্যে কামাল আহমেদ মজুমদার অভিযোগ করেন, মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এখন ধ্বংসের মুখে। প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় বিদ্যালয়টি পরিচালিত হয়ে আসছিল। হঠাৎ করে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও ঢাকার জেলা প্রশাসকের কারসাজিতে জামায়াতকে তার গড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির ক্ষমতায় বসানো হয়। গত শিক্ষাবর্ষে এখানে ফল বিপর্যয় হয়েছে।

আরও পড়ুন:
শপথ নিলেন সংরক্ষিত ৫০ নারী আসনের এমপি
চাঁদাবাজি সমাজে সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে
সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা
ডেঙ্গুতে দেশে এক বছরে ১৭২১ জনের মৃত্যু হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

p
উপরে