ছাদ থেকে পড়ে মেট্রোরেলের কর্মী নিহত

ছাদ থেকে পড়ে মেট্রোরেলের কর্মী নিহত

ঢাকা মেডিক্যালে শান্তর মৃতদেহ

মেট্রোরেলের শেওড়াপাড়া আট নম্বর স্টেশনে কাজ করতেন ২৩ বছর বয়সী শান্ত। আগারগাঁও তালতলার একটি বাসায় কয়েকজন মিলে থাকতেন।

রাজধানীর আগারগাঁও তালতলা এলাকার একটি ভবনের ছয় তলার ছাদ থেকে অসাবধানতায় পড়ে গিয়ে আরিফুল ইসলাম শান্ত নামে এক মেট্রোরেল কর্মচারীর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে রাত সাড়ে ৯টায় তার মৃত্যু হয়।

নিহতের চাচা আব্দুল হান্নান জানান, মেট্রোরেলের শেওড়াপাড়া আট নম্বর স্টেশনে কাজ করতেন ২৩ বছর বয়সী শান্ত। আগারগাঁও তালতলার একটি বাসায় কয়েকজন মিলে থাকেন। ওই বাসার ছয় তলার ছাদে মোবাইলে কথা বলতে বলতে অসাবধানবশত নিচে পড়ে যান শান্ত।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় শান্তর মৃত্যু হয়। হবিগঞ্জ সদর উপজেলার শংকরপাশা গ্রামের আবু সালেকের সন্তান তিনি।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী ইনচার্জ (এএসআই) আব্দুল খান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকেও জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মেট্রোরেলের মালামাল বিক্রি হচ্ছিল ভাঙারির দোকানে
মেট্রোরেলের নির্মাণসামগ্রী চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৫
মোংলা বন্দরে মেট্রোরেলের আরও ৪ বগি
মেট্রোরেল, পদ্মা সেতুর উন্নয়ন মানুষের কাজে আসবে না: মান্না
চাকা ঘুরল, মেট্রোরেলে যাত্রী চড়বে কবে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

রায়েরবাগ থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

রায়েরবাগ থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

নিহতের স্বামী বলেন, ‘আমার একটি মোবাইলের দোকান রয়েছে। আমি দোকান থেকে এসে দেখি বাসার রুমের দরজা বন্ধ। পরে দরজায় গিয়ে ডাকাডাকি করলে দরজা না খোলায় দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে দেখতে পাই ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা প্যাঁচিয়ে ঝুলে রয়েছে। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে এলে চিকিৎসক জানান আমার স্ত্রী আর নেই।’

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগ গোবিন্দপুর এলাকার একটি বাসার দ্বিতীয় তলা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরহেদ উদ্ধার করা হয়েছে।

খাদিজা আক্তার নামের ২১ বছর বয়সী ওই নারীর দুই মাসের একটি শিশুসন্তান রয়েছে।

শুক্রবার রাত ৮টার দিকে খাদিজার স্বামী মাসুক মিয়া জানান, বাসায় এসে দরজা বন্ধ দেখতে পান তিনি। পরে দরজা ভেঙে অচেতন অবস্থায় খাদিজাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু হয়েছে খাদিজার।

স্বামী মাসুক বলেন, ‘আমার একটি মোবাইলের দোকান রয়েছে। আমি দোকান থেকে এসে দেখি বাসার রুমের দরজা বন্ধ। পরে দরজায় গিয়ে ডাকাডাকি করলে দরজা না খোলায় দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে দেখতে পাই ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা প্যাঁচিয়ে ঝুলে রয়েছে। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে এলে চিকিৎসক জানান আমার স্ত্রী আর নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার দুই মাসের একটি সন্তান রয়েছে, কী কারণে সে গলায় ফাঁস দিল আমি বলতে পারছি না।’

মাসুক জানান, তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীগঞ্জে। আর তার স্ত্রীর বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগরে। পরিবার নিয়ে থাকতেন যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগের গোবিন্দপুরে।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় নিহতের স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মেট্রোরেলের মালামাল বিক্রি হচ্ছিল ভাঙারির দোকানে
মেট্রোরেলের নির্মাণসামগ্রী চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৫
মোংলা বন্দরে মেট্রোরেলের আরও ৪ বগি
মেট্রোরেল, পদ্মা সেতুর উন্নয়ন মানুষের কাজে আসবে না: মান্না
চাকা ঘুরল, মেট্রোরেলে যাত্রী চড়বে কবে

শেয়ার করুন

ঢাবির কনসার্টে সহিংসতা প্রতিহতের ডাক

ঢাবির কনসার্টে সহিংসতা প্রতিহতের ডাক

বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যে ‘সহিংসতার বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ ব্যানারে কনসার্টের আয়োজন করা হয়। ছবি: সিমু নাসের

ব্যতিক্রমধর্মী এই আয়োজনের উদ্যোক্তা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ইনস্টিটিউটের সাবেক শিক্ষার্থী তুহিন কান্তি দাস বলেন, ‘এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য দেশব্যাপী চলমান সহিংসতার বিরুদ্ধে একাত্ম হয়ে সাংস্কৃতিকভাবে প্রতিবাদ জানানো। মিছিল, বক্তৃতা, সভা ও সেমিনারের চেয়ে শিল্প অনেক শক্তিশালী প্রতিবাদের মাধ্যম৷ তাই আমরা এই মাধ্যমকেই বেছে নিয়েছি।’

সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে কনসার্টের আয়োজন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতিমনা একদল শিক্ষার্থী।

বেলা ৩টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যে কনসার্ট শুরু হয়। রাত ১০টায় শেষ হয় এ কনসার্ট। ‘সহিংসতার বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ ব্যানারে এ কনসার্টের আয়োজন করা হয়।

কনসার্টে শিরোনামহীন, মেঘদল, সহজিয়াসহ ১২টি ব্যান্ড দল গান পরিবেশন করে। গানের পাশাপাশি হয়েছে মূকাভিনয়, একক গান, নৃত্য ও থিমেটিক পারফরম্যান্স।

গানের দলগুলোর মধ্যে রয়েছে শিরোনামহীন, মেঘদল, সহজিয়া, শহরতলী, বাংলা ফাইভ, গানপোকা, কৃষ্ণপক্ষ, কাল, অবলিক, অসৃক, গানকবি ও বুনোফুল৷

এ ছাড়া একক সংগীত পরিবেশন করেছেন জয় শাহরিয়ার, তুহিন কান্তি দাস, সাহস মোস্তাফিজ, লালন মাহমুদ, নাঈম মাহমুদ, প্রিয়াংকা পাণ্ডে, যশ নমুদার, তাবিব মাহমুদ, রানা, উদয়, অপু, উপায় ও অনিন্দ্য৷

উম্মে হাবিবা ও আবু ইবনে রাফি নৃত্য পরিবেশন করেছেন। মূকাভিনয় পরিবেশন করেছে ঢাকা ইউনিভার্সিটি মাইম অ্যাকশন। এ ছাড়া কনসার্টে একটি সমবেত ‘থিমেটিক পারফরম্যান্স’ পরিবেশন করা হয়।

বিকেলের দিকে কনসার্ট শুরু হলেও সন্ধ্যার দিকে কনসার্ট জমজমাট হয়ে ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী এই কনসার্ট উপভোগ করেন।

ব্যতিক্রমধর্মী এই আয়োজনের উদ্যোক্তা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ইনস্টিটিউটের সাবেক শিক্ষার্থী তুহিন কান্তি দাস বলেন, ‘এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য দেশব্যাপী চলমান সহিংসতার বিরুদ্ধে একাত্ম হয়ে সাংস্কৃতিকভাবে প্রতিবাদ জানানো। মিছিল, বক্তৃতা, সভা ও সেমিনারের চেয়ে শিল্প অনেক শক্তিশালী প্রতিবাদের মাধ্যম৷ তাই আমরা এই মাধ্যমকেই বেছে নিয়েছি।’

তিনি বলেন, আমাদের প্রতিবাদের ভাষা গান, নৃত্য ও কবিতা। আমরা এই কনসার্টের মাধ্যমে দেশবাসীকে সহিংসতা প্রতিহতের বার্তা দেয়ার চেষ্টা করেছি, যাতে এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে। আমরা চাই এ দেশের মানুষ হিন্দু-মুসলিম পরিচয়ের চেয়ে সবাই বাংলাদেশি পরিচয়ে পরিচিত হোক। এটাই আজকের আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।’

আরও পড়ুন:
মেট্রোরেলের মালামাল বিক্রি হচ্ছিল ভাঙারির দোকানে
মেট্রোরেলের নির্মাণসামগ্রী চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৫
মোংলা বন্দরে মেট্রোরেলের আরও ৪ বগি
মেট্রোরেল, পদ্মা সেতুর উন্নয়ন মানুষের কাজে আসবে না: মান্না
চাকা ঘুরল, মেট্রোরেলে যাত্রী চড়বে কবে

শেয়ার করুন

সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় আইন ও কমিশন গঠনের দাবি

সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় আইন ও কমিশন গঠনের দাবি

ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় রাজধানীর শাহবাগে ২০টি সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাজন কুমার মিশ্র বলেন, ‘সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও কমিশন গঠন করতে হবে। এজন্য সরকারকে ২ সপ্তাহের সময় দিচ্ছি। এর মধ্যে সংখ্যালঘু আইন প্রণয়নের তৎপরতা না দেখলে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় বরাবর পদযাত্রা কর্মসূচি ঘোষণা করব।’

ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় আইন প্রণয়ন, কমিশন গঠন এবং সাম্প্রতিক ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূণের দাবি করেছে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

শুক্রবার বিকেল শাহবাগে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে তারা এসব দাবি জানায়।

একই সঙ্গে দাবি পূরণে সরকারকে ২ সপ্তাহের আল্টিমেটাম দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। এর মধ্যে দাবি পূরণ না করলে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করার কথা জানান।

বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের নেতৃত্বে সমমনা প্রায় ২০টি সংগঠন কর্মসূচিতে অংশ নেয়।

পরে সন্ধ্যায় শাহবাগ থেকে মশাল মিছিল নিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে গিয়ে তাদের কর্মসূচি শেষ হয়।

এদিন বিকেল ৪টা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা শাহবাগ মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন তারা।

বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাজন কুমার মিশ্র বলেন, ‘সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও কমিশন গঠন করতে হবে। এজন্য সরকারকে ২ সপ্তাহের সময় দিচ্ছি। এর মধ্যে সংখ্যালঘু আইন প্রণয়নের তৎপরতা না দেখলে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় বরাবর পদযাত্রা কর্মসূচি ঘোষণা করব।’

আইন ও কমিশন গঠন ছাড়াও অবরোধ কর্মসূচি থেকে ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক হামলার বিচার এবং ক্ষতিগ্রস্ত প্রতি পরিবারকে ৫০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণের দাবি জানানো হয়।

‘দেশব্যপী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন্দির, বাড়িঘর ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, নারী নির্যাতন ও পূঁজারি হত্যার প্রতিবাদে’ বিক্ষোভ সমাবেশে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র চাই, ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবারসহ বিভিন্ন স্লোগান দেয় অংশগ্রহণকারীরা।

বাংলাদেশ হিন্দু আইনজীবী পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুমন কুমার রায় বলেন, ‘রাষ্ট্র সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। সাম্প্রদায়িক হামলায় জড়িতরা বারবার পার পেয়ে যাচ্ছে। এর আগেও হামলায় সংখ্যালঘুরা বিচার পায়নি। হামলার নেপথ্যে যারা জড়িত, তাদেরও যেন বিচারের আওতায় আনতে হবে।’

আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন), বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাসংঘ, বাংলাদেশ সনাতন কল্যাণ জোট, শারদাঞ্জালি ফোরাম, বাংলাদেশ হিন্দু লয়ার্স অর্গানাইজেশন (বিএইচএলও), আর্য প্রতিনিধি সভা বাংলাদেশ, জাগো হিন্দু পরিষদ, ঢাকা ওয়ারী রবিদাস হিন্দু কল্যাণ সংঘ, ভক্ত সংঘ, হিন্দু সংরক্ষণ ও বাস্তবায়ন পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ফোরাম ও হিন্দু ছাত্র ফোরাম, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু সমাজ সংরক্ষণ সমিতি, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট সংহতি জানিয়ে কর্মসূচিতে অংশ নেয়।

১৩ অক্টোবর কুমিল্লায় একটি মণ্ডপে কোরআন শরিফ রাখাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে দুর্গাপূজার মণ্ডপে ও হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজনের প্রণহানিও ঘটে।

সবশেষ রংপুরের পীরগঞ্জে একটি হিন্দু গ্রামে হামলা চালিয়ে বেশ কয়েকটি বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুন:
মেট্রোরেলের মালামাল বিক্রি হচ্ছিল ভাঙারির দোকানে
মেট্রোরেলের নির্মাণসামগ্রী চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৫
মোংলা বন্দরে মেট্রোরেলের আরও ৪ বগি
মেট্রোরেল, পদ্মা সেতুর উন্নয়ন মানুষের কাজে আসবে না: মান্না
চাকা ঘুরল, মেট্রোরেলে যাত্রী চড়বে কবে

শেয়ার করুন

শফিকুল ডিএমপি কমিশনার থাকছেন আরও এক বছর

শফিকুল ডিএমপি কমিশনার থাকছেন আরও এক বছর

ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। ফাইল ছবি

পুলিশ সদর দপ্তর ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিয়োগের সারসংক্ষেপে অনুমোদন দিয়েছেন। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ জার্মানি থেকে ফেরার পর তিনি সই করলেই আদেশ জারি করা হবে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে মোহা. শফিকুল ইসলামকে আরও এক বছর রাখতে যাচ্ছে সরকার। অবসরোত্তর ছুটিতে না গিয়ে এ দায়িত্বে বাড়তি এক বছর তিনি থাকবেন।

আগামী ২৯ অক্টোবর শফিকুলের বয়স ৫৯ বছর পূর্ণ হবে। এর পরদিন থেকে অবসরোত্তর ছুটিতে যাওয়ার কথা তার। কিন্তু এই অবসরোত্তর ছুটি বাতিল করে আবার ডিএমপি কমিশনার হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তর ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিয়োগের সারসংক্ষেপে অনুমোদন দিয়েছেন। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ জার্মানি থেকে ফেরার পর তিনি সই করলেই আদেশ জারি করা হবে।

ডিএমপির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘ফাইলটি এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আছে। মহামান্য রাষ্ট্রপতি দেশে ফেরার পর আগামী রবি বা সোমবার নিয়োগের প্রজ্ঞাপন আসতে পারে।’

গত বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, বর্তমান ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম অবসরে যাচ্ছেন। সরকারি বিধি অনুযায়ী বয়স ৫৯ বছর পূর্ণ হতে যাওয়ায় তাকে অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর ৫৯ বছর পূর্ণ হবে শফিকুলের।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, চলতি বছরের ৩০ অক্টোবর থেকে ২০২২ সালের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত শফিকুলকে এক বছরের অবসর ও অবসরোত্তর ছুটি দেয়া হয়েছে। নতুন প্রজ্ঞাপনে ওই ছুটি বাতিল হবে।

ডিএমপি কমিশনার হওয়ার আগে শফিকুল ইসলাম সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। তিনি ১৯৮৯ সালে অষ্টম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে পুলিশে যোগ দেন।

চাকরিজীবনে শফিকুল পুলিশ সুপার হিসেবে নারায়ণগঞ্জ, পটুয়াখালী, সুনামগঞ্জ ও কুমিল্লা জেলায় দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি, অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের প্রধান (অতিরিক্ত আইজিপি), পুলিশ সদর প্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (এইচআরএম) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

পেশাদারত্ব ও দক্ষতার জন্য তিনি একাধিকবার বিপিএম পদক পান।

শফিকুল ইসলামের জন্ম চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায়। ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি (সম্মান) পাস করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
মেট্রোরেলের মালামাল বিক্রি হচ্ছিল ভাঙারির দোকানে
মেট্রোরেলের নির্মাণসামগ্রী চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৫
মোংলা বন্দরে মেট্রোরেলের আরও ৪ বগি
মেট্রোরেল, পদ্মা সেতুর উন্নয়ন মানুষের কাজে আসবে না: মান্না
চাকা ঘুরল, মেট্রোরেলে যাত্রী চড়বে কবে

শেয়ার করুন

প্রেস ক্লাবের প্রশংসায় তথ্যমন্ত্রী

প্রেস ক্লাবের প্রশংসায় তথ্যমন্ত্রী

জাতীয় প্রেস ক্লাবের ৬৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর তোপখানা রোডে ক্লাবে আয়োজিত কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ৷ ছবি: নিউজবাংলা

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের পূর্বসুরীরা যে স্বপ্নে আপন প্রাণের মায়া ত্যাগ করে এদেশ স্বাধীন করে গেছেন, সবাই মিলে দেশকে সেই স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছে দেবার মধ্যেই আমাদের কর্মের সার্থকতা নিহিত।’ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন বিস্তারিতভাবে ক্লাবের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও পথনকশা তুলে ধরেন।

ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় জাতীয় প্রেস ক্লাব আগামী দিনগুলোতেও দেশপ্রেম, গণতন্ত্র ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্দীপ্ত থেকে বহুমাত্রিক সমাজ বিনির্মাণে ভূমিকা অব্যাহত রাখবে। এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ৷

জাতীয় প্রেস ক্লাবের ৬৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর তোপখানা রোডে ক্লাব প্রাঙ্গণে আয়োজিত কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী প্রেস ক্লাবের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান এবং তাদের উজ্জ্বল কর্মময় জীবন কামনা করেন।

ড. হাছান বলেন, ‘আমাদের পূর্বসুরীরা যে স্বপ্নে আপন প্রাণের মায়া ত্যাগ করে এদেশ স্বাধীন করে গেছেন, সবাই মিলে দেশকে সেই স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছে দেবার মধ্যেই আমাদের কর্মের সার্থকতা নিহিত।’

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন বিস্তারিতভাবে ক্লাবের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও পথনকশা তুলে ধরেন। সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, সহসভাপতি হাসান হাফিজ ও রেজওয়ানুল হক রাজা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাইনুল আলম ও মো. আশরাফ আলী, কোষাধ্যক্ষ শাহেদ চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা কমিটি ও উপকমিটিগুলোর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আমন্ত্রিত সাংবাদিক ও অতিথিদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরী, শওকত মাহমুদ, মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, বিএফইউজে সভাপতি মোল্লা জালাল, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আবদুল মজিদ, ডিইউজে সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ, সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

১৯৫৪ সালের ২০ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান প্রেস ক্লাব নামে প্রতিষ্ঠা করা হয়। যা স্বাধীনতার পর নাম ধারণ করে জাতীয় প্রেস ক্লাব। নীতিমালা অনুযায়ী নির্বাচিত কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত এ ক্লাবের প্রথম আজীবন সদস্য হলেন এন এম খান এবং ক্লাবের প্রথম সভাপতি ছিলেন মুজীবুর রহমান খাঁ।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনীর অপারেশন সার্চলাইটের সময় পুরো ক্লাব ভবনটি বিধ্বস্ত হয়ে যায়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ৫ মার্চ তৎকালীন সভাপতি আবদুল আউয়াল খানের সভাপতিত্বে আনুষ্ঠানিক ক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় ক্লাবের নাম জাতীয় প্রেস ক্লাব হয়।

আরও পড়ুন:
মেট্রোরেলের মালামাল বিক্রি হচ্ছিল ভাঙারির দোকানে
মেট্রোরেলের নির্মাণসামগ্রী চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৫
মোংলা বন্দরে মেট্রোরেলের আরও ৪ বগি
মেট্রোরেল, পদ্মা সেতুর উন্নয়ন মানুষের কাজে আসবে না: মান্না
চাকা ঘুরল, মেট্রোরেলে যাত্রী চড়বে কবে

শেয়ার করুন

পেঁয়াজে ফিরেছে স্বস্তি, বাড়ছে তেলের দাম

পেঁয়াজে ফিরেছে স্বস্তি, বাড়ছে তেলের দাম

সরকারি বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বলছে, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কমেছে। আগের সপ্তাহে পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হয়েছে ৬০-৭০ টাকায়। এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকায়।

শুক্রবার সরকারি ছুটির দিন। পরিবার নিয়ে নিজ ঘরে বা বাইরে গিয়ে সবার সঙ্গে মিলেমিশে হইহুল্লোড়। দুপুর গড়ালেই পেটের চিৎকার-চেঁচামেচি। খাবার তো খেতেই হয়, ঘরে থাকুন আর বাইরে।

কিন্তু এই খাবারের তালিকায় কী রাখবেন আর কী রাখবেন না, তা নির্ভর করছে কতটা খরচের ভার নিতে পারবেন।

এমন বক্তব্যে আতঙ্কেরও কিছু নেই। বাজারের সবকিছুর দাম যে আকাশচুম্বী তা কিন্তু নয়।

গত দুই সপ্তাহ আগে বাজারে হইচই ফেলে দেয়া পেঁয়াজের দাম আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। ৭০-৭৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হওয়া পেঁয়াজের দাম এখন ৬০-৬৫ টাকা।

চাইলে আরও কমে পাওয়া যাবে, তবে সে ক্ষেত্রে নিজের পছন্দ করে বেছে নেয়া বা মান যে খুব ভালো হবে তার নিশ্চয়তা নেই। এমন ধরনের পেঁয়াজও বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৫৮ টাকা কেজিতে।

সরকারি বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বলছে, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কমেছে। আগের সপ্তাহে পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হয়েছে ৬০-৭০ টাকায়। এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকায়।

এর মধ্যে আবার আমদানি করা পেঁয়াজের দাম দেশি পেঁয়াজের তুলনায় কিছুটা কম। এই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়।

পেঁয়াজের পর তেলের দাম বেড়ে যাওয়া নিয়ে এখন নতুন আলোচনা।

আগের সপ্তাহে লিটারপ্রতি তেলের দাম নির্ধারণ করায় এর প্রভাব পড়েছে বাজারে। টিসিবির হিসাবে গত এক মাসে খোলা সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে ৪.৯১ শতাংশ। তবে সপ্তাহের ব্যবধানেও বেড়েছে দর। সয়াবিনের লিটারপ্রতি দর ১৩৫ টাকা থেকে বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ১৪২ টাকায়। আর পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ৭২০ টাকায়। আগের সপ্তাহে যা ছিল ৬৮০ টাকা।

পাম অয়েল খোলা বিক্রি হচ্ছে ১২৮ টাকায়। আগের সপ্তাহে এটি ছিল ১২৫ টাকা।

মালিবাগ বাজারে ক্রেতা আসাদুল্লাহ দরদাম সম্পর্কে বলেন, ‘পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে, তবে এখনও সহনীয় পর্যায়ে নেই।’

বাজারে অনেক আগে থেকেই আগমনের অপেক্ষায় থাকা শীতের সবজি বিক্রি হচ্ছে। সঙ্গে সারা বছর পাওয়া যায় এমন সবজি তো আছেই।

মাছ-মাংসের দরদাম অনেক আগে থেকেই স্থির। তবে মুরগির বাজারে যেন হঠাৎ করে দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। আগের সপ্তাহেও একই অবস্থা ছিল।

ফলে সাধ আর সাধ্য মিলিয়ে অনায়াসে আজকের দিনে বাজার করে নিতে পারেন।

রাজধানীর খিলগাঁও কাঁচাবাজারের ভেতরে সবজির খুব বেশি আয়োজন নেই। তবে ভ্যান আর রাস্তার দুই পাশে সারি সারি সবজি বিক্রেতার যেন দম ফালানোর সুযোগ নেই।

খিলগাঁও বাগানবাড়ি বাজারেও একই অবস্থা। এখানে স্থায়ী বাজার না হলেও প্রতিদিনই বসে অস্থায়ী বাজার। আর সরকারি ছুটির দিন শুক্রবার যেন এ বাজারেও ক্রেতার অভাব পড়ে না।

বাসাবো কাঁচাবাজার, মালিবাগ রেলগেট বাজারেও নানা পদের সবজি, মাছ, মাংসের কোনো কমতি নেই।

তবে দাম বৃদ্ধির বিষয়ে খুচরা বাজারের বিক্রেতাদের যে দাবি তাও ফেলে দেয়ার নয়। কারওয়ান বাজার বা যাত্রাবাড়ী থেকে যে সবজি বা মাছ পাইকারি দরে নিয়ে আসা হয় বিক্রি জন্য, তার পরিবহন খরচ অনেক বেড়েছে, যা যোগ হচ্ছে পণ্যমূল্যের সঙ্গে।

বাসাবো বাজারের মাসুদ ট্রেডার্সের বিক্রেতা ইব্রাহিম বলেন, ‘চকবাজার, বাবুবাজার থেকে আগে যে পণ্য রিকশা বা ভ্যানে ২০০ টাকায় আনা যেত, এখন সেটিতে দিতে হচ্ছে সাড়ে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। ফলে পাইকারি বাজারে যে পণ্যের দাম ১০ টাকা, সেটি নিয়ে আসার পরই হয়ে যাচ্ছে ১৩ টাকা। তার সঙ্গে লাভ, কর্মচারীর বেতন যোগ হলে পাইকারি দামের কথা আর বিবেচনা করা যায় না।’

খিলগাঁও কাঁচাবাজারের বিক্রেতা আসলাম আলম বলেন, ‘কারওয়ান বাজারের দাম এখানে বলে লাভ নেই। কারওয়ান বাজারে মুলা পাওয়া যায় ৫ টাকা কেজিতে। কিন্তু সেই মুলার বস্তা এখানে নিয়ে আসতে যে খরচ হয় সেটি উঠাতে হলে দাম ২০ টাকার কম রাখা সম্ভব নয়।’

দামদর

এদিকে মসলার বাজারে দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৫০-৮০ টাকায়। আগের সপ্তাহে যা ছিল ৬০-৮০ টাকা। আমদানি করা রসুন বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১৩০ টাকায়।

শুকনা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা কেজিতে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ২০০ টাকা। হলুদ দেশি বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়, আগের সপ্তাহে একই দরে বিক্রি হয়েছে হলুদ।

আদা দেশি বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকায়, আর আমদানি করা আদা মান ভেদে বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা থেকে ১৩০ টাকায়। জিরা বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা, এলাচ বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ২০০ টাকা, ধনে ১৪০ টাকা, তেজপাতা ২০০ টাকা কেজিতে।

মাছের বাজারে রুই বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা কেজি, তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি, কাতল ৩০০ টাকা কেজি, শিং ৪০০ টাকা কেজি, পাঙাশ ১৪০ টাকা কেজি, কাচকি ৪০০ টাকা কেজি, চাষের কই ২৫০ টাকা কেজি, চিংড়ি ৪৫০ টাকা কেজি।

ব্রয়লারের মুরগির বাজারে এখনও সেই উত্তাপ পাওয়া যায়। এক মাস আগেও যে ব্রয়লারের মুরগি পাওয়া যেত ১৫০ টাকা কেজিতে, এখন সেটি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা কেজিতে। দেশি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা থেকে ৩২০ টাকা।

সবজির বাজারে শুক্রবারকেন্দ্রিক শসা, টম্যাটোর বাড়তি চাহিদা থাকে। ফলে স্বাভাবিক সময়ে যে দামে বিক্রি হয় এই পণ্যগুলো, এদিন একটু বেশি দামই হাঁকেন বিক্রেতারা।

বাজারে পাকা টম্যাটো বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়, কাঁচা টম্যাটো ১০০ টাকা। আর শিম বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজিতে।

ছোট আকারের ফুলকপি কিনতে হবে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়। লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, বরবটি ৭০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শসা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজিতে।

এর মধ্যে পালংশাকের আঁটি বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকায়। আর লালশাক ১৫ থেকে ২০ টাকায়। ডাটাশাকের আঁটি ১৫ টাকা আর বড় আকারের ডাটা আঁটি পাওয়া যাবে ২৫ টাকায়। লাউশাক পাওয়া যাবে ৪০ টাকা আঁটি, মুলাশাকের আঁটি ২০ টাকা জোড়া।

এ ছাড়া চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, উস্তে ৮০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, ঝিঙা ৫০ টাকা, বেগুন কেজি ৮০ টাকা, কালো গোল বেগুন কেজি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কাঁচা মরিচের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা আর ধনে পাতা ১১০ টাকায়।

আরও পড়ুন:
মেট্রোরেলের মালামাল বিক্রি হচ্ছিল ভাঙারির দোকানে
মেট্রোরেলের নির্মাণসামগ্রী চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৫
মোংলা বন্দরে মেট্রোরেলের আরও ৪ বগি
মেট্রোরেল, পদ্মা সেতুর উন্নয়ন মানুষের কাজে আসবে না: মান্না
চাকা ঘুরল, মেট্রোরেলে যাত্রী চড়বে কবে

শেয়ার করুন

ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে প্রজন্ম ’৭১

ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে প্রজন্ম ’৭১

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধনে প্রজন্ম ’৭১

সংগঠনটির যুগ্ম সম্পাদক নুজহাত চৌধুরী শম্পা বলেন, ‘বাংলাদেশ আমাদের বাবাদের রক্তে রঞ্জিত পবিত্র ভূমি। বাংলাদেশকে অসম্প্রদায়িক রাখব। তার জন্য প্রয়োজন হলে রক্তও দেব।’

সাম্প্রদায়িকতা রুখতে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সন্তানদের সংগঠন প্রজন্ম ’৭১। ১৯৭২ সালের সংবিধান ফিরিয়ে আনারও আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে শুক্রবার সকালে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এসব দাবি জানানো হয়।

ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা ও রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিলসহ সংগঠনের অন্য দাবিগুলো হলো সব ধর্মের মানুষকে নির্ভয়ে ধর্মীয় উৎসব পালনের নিশ্চয়তা দিতে হবে। এ ছাড়া স্কুলপর্যায়ে পাঠ্যপুস্তক সাম্প্রদায়িকতামুক্ত করে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস অবশ্যই পাঠ্য করতে হবে।

মানববন্ধনে যুগ্ম সম্পাদক নুজহাত চৌধুরী শম্পা বলেন, ‘অসাম্প্রদায়িকতাকে প্রগতিশীল বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ করে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন। প্রতিবছর আমরা দেখছি পূজামণ্ডপে হামলা করতে। আমরা বারবার ফিনিক্স পাখির মতো উঠে দাঁড়াব। আমরা এ দেশ ছাড়ব না।

‘বাংলাদেশ আমাদের বাবাদের রক্তে রঞ্জিত পবিত্র ভূমি। বাংলাদেশকে অসম্প্রদায়িক রাখব। তার জন্য প্রয়োজন হলে রক্তও দেব।’

মানববন্ধনে বক্তারা জানান, শুধু আইন প্রয়োগ করে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির সংস্কৃতি বন্ধ করা যাবে না। বঙ্গবন্ধু প্রণীত ১৯৭২-এর সংবিধানকে উপেক্ষা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে সাম্প্রদায়িক সংস্কৃতি ও রাজনীতির চর্চাকে অবাধ করা হয়েছে সমাজের সবস্তরে।

গত বছর বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যবিরোধী সন্ত্রাসও এই সাম্প্রদায়িক রাজনীতির ধারাবাহিকতা। দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনাসংশ্লিষ্ট কোনো সিলেবাস প্রণয়ন হয়নি, বরং সাম্প্রদায়িকতার বীজ বপন করা হয়েছে।

মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সভাপতি আসিফ মুনীর তন্ময়, সাধারণ সম্পাদক কাজী সাইফুদ্দিন আব্বাস, যুগ্ম সম্পাদক বশীর আহমেদসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
মেট্রোরেলের মালামাল বিক্রি হচ্ছিল ভাঙারির দোকানে
মেট্রোরেলের নির্মাণসামগ্রী চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৫
মোংলা বন্দরে মেট্রোরেলের আরও ৪ বগি
মেট্রোরেল, পদ্মা সেতুর উন্নয়ন মানুষের কাজে আসবে না: মান্না
চাকা ঘুরল, মেট্রোরেলে যাত্রী চড়বে কবে

শেয়ার করুন