বাসের ধাক্কায় গেল সেনা সদস্যের প্রাণ

বাসের ধাক্কায় গেল সেনা সদস্যের প্রাণ

প্রতীকী ছবি।

পুলিশ জানায়, শনিবার রাত ৮টার দিকে শামিম তার সাত বছর বয়সী ছেলে রেদওয়ানকে নিয়ে বাইসাইকেলে মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন। এসময় চাঁদনী ট্রাভেলসের একটি বাস তাদের ধাক্কা দেয়। এতে শামিম ও তার ছেলে গুরুতর আহত হন। হাসপাতালে রাত ৯টার দিকে শামিম মারা যান।

বগুড়ার শাজাহানপুরে বাসের ধাক্কায় শামিম হোসেন নামের এক সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। এ সময় তার ছেলে রেদওয়ান আহত হয়।

উপজেলার মাঝিড়া বাজার এলাকায় এমপি চেকপোস্টের সামনে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে শনিবার রাত ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

৩৩ বছর বয়সী শামিম মাঝিড়া সেনানিবাসে ফিল্ড ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে (এফআইইউ) সৈনিক পদে ছিলেন।

তিনি মাঝিড়া বাজারের পাশে ভাড়া বাসায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে থাকতেন।

শাজাহানপুর থানা পুলিশ জানায়, শনিবার রাত ৮টার দিকে শামিম তার সাত বছর বয়সী ছেলে রেদওয়ানকে নিয়ে বাইসাইকেলে মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন। এসময় চাঁদনী ট্রাভেলসের একটি বাস তাদের ধাক্কা দেয়। এতে শামিম ও তার ছেলে গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বগুড়া সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করে। রাত ৯টার দিকে শামিম মারা যান। বাসের চালক আজাদ মোস্তফা ও সুপার ভাইজার আমিনুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। বাসটিও জব্দ করা হয়।

শাজাহানপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক নান্নু খান বলেন, দুর্ঘটনার পরপরই সেনা সসদ্যরা বাসসহ চালক ও সুপারভাইজারকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে দিয়েছেন।

শামীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা নান্নু।

আরও পড়ুন:
নসিমন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত যুবক
ফ্লাইওভারে গাড়ির ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু
রিকশাভ্যান উল্টে চালকের মৃত্যু
ট্রাকচাপায় নিহত অটোরিকশার ২ যাত্রী
পিকআপ-প্রাইভেট কার সংঘর্ষে দাদা-নাতি নিহত

শেয়ার করুন

মন্তব্য

দুই বোনকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা

দুই বোনকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা

মামলার এজাহারের বরাতে ওসি রিয়াজ উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে পূর্বপরিচিত ওয়াদুদ ওই শিশুদের বাড়িতে যান। এ সময় বাড়িতে তাদের বাবা-মা ছিলেন না। এ সুযোগে দুই বোনের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন ওয়াদুদ।

মানিকগঞ্জের ঘিওরে দুই বোনকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা হয়েছে সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে।

ঘিওর থানায় বৃহস্পতিবার রাতে শিশুদের বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি করেন।

অভিযুক্তের নাম আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া। ৪০ বছরের ওয়াদুদ ঘিওর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য। মামলার পর থেকেই তিনি পলাতক।

ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বিপ্লব এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহারের বরাতে তিনি জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে পূর্বপরিচিত ওয়াদুদ ওই শিশুদের বাড়িতে যান। এ সময় বাড়িতে তাদের বাবা-মা ছিলেন না। এ সুযোগে দুই বোনের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন ওয়াদুদ। কিছু সময় পর শিশুদের বাবা-মা ফিরে এলে বাড়ি থেকে চলে যান তিনি।

সন্ধ্যায় শিশুরা বিষয়টি তাদের মাকে জানায়। রাত ১২টার দিকে তাদের বাবা ওয়াদুদকে আসামি করে মামলা করেন।

ওসি রিয়াজ বলেন, ‘মামলার পর থেকেই অভিযুক্ত ওয়াদুদ পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

আরও পড়ুন:
নসিমন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত যুবক
ফ্লাইওভারে গাড়ির ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু
রিকশাভ্যান উল্টে চালকের মৃত্যু
ট্রাকচাপায় নিহত অটোরিকশার ২ যাত্রী
পিকআপ-প্রাইভেট কার সংঘর্ষে দাদা-নাতি নিহত

শেয়ার করুন

পদ্মার চরের কাশবনেই অস্থায়ী বাজার, চলছে ইলিশ বিক্রি

পদ্মার চরের কাশবনেই অস্থায়ী বাজার, চলছে ইলিশ বিক্রি

পদ্মা নদী ও কাশবনের ফাঁকে অস্থায়ী তাঁবু টাঙিয়ে চলছে ইলিশ কেনাবেচা।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, নদী ও চরগুলোতে স্থায়ীভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী না থাকায় সুযোগ পেয়েই জেলেরা নদীতে নেমে পড়ছেন। চরের যে এলাকাগুলোতে সড়ক যোগাযোগ নেই, সেখানেই বসছে বাজার। কাশবনগুলোতে গড়ে তোলা হয়েছে জেলেদের অস্থায়ী আড়ত। অনেকে ইলিশের স্বাদ নিতে আসছেন পিকনিকে।

অভিযান চালিয়ে, জেল-জরিমানা করে, অস্থায়ী বাজার উচ্ছেদ করেও থামানো যাচ্ছে না ইলিশ শিকারিদের দৌরাত্ম্য।

প্রশাসনের ভাষ্য, নদী ও চরগুলোতে স্থায়ীভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ক্যাম্প না থাকায় প্রকাশ্যেই বিক্রি হচ্ছে মা ইলিশসহ ছোট-বড় ইলিশ।

ইলিশ ধরায় সরকারের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে অভিযানের শুরু থেকেই মাদারীপুর শিবচরের পদ্মা নদী ও চরগুলোতে প্রশাসনের ব্যাপক অভিযান চলছে। প্রশাসন অভিযান চালিয়ে কয়েকটি হাট-বাজারের শতাধিক অস্থায়ী স্থাপনাও উচ্ছেদ করে।

তবে মাদারীপুরের শিবচর, শরীয়তপুরের জাজিরা, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, ঢাকার দোহার, ফরিদপুরের সদরপুর অংশের পদ্মা নদী ও কাশবনের ফাঁকে অস্থায়ী তাঁবু টাঙিয়ে চলছে ইলিশ কেনাবেচা। অনেক সময় মুঠোফোনের মাধ্যমে নদীপাড়ের প্রত্যন্ত বাজারে বিক্রি হচ্ছে সেই মাছ। ক্রেতারা নানা উপায়ে যাচ্ছেন এসব এলাকায়।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, নদী ও চরগুলোতে স্থায়ীভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী না থাকায় সুযোগ পেয়েই জেলেরা নদীতে নেমে পড়ছেন। চরের যে এলাকাগুলোতে সড়ক যোগাযোগ নেই, সেখানেই বসছে বাজার।

কাশবনগুলোতে গড়ে তোলা হয়েছে জেলেদের অস্থায়ী আড়ত। অনেকে ইলিশের স্বাদ নিতে আসছেন পিকনিকে।

পদ্মার চরের কাশবনেই অস্থায়ী বাজার, চলছে ইলিশ বিক্রি

জেলে সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞার সময় আমাদের শিবচরের প্রশাসন অনেক কড়াকড়ি থাকলেও মুন্সিগঞ্জ, জাজিরাসহ অন্য অঞ্চলে প্রশাসন ততটা কড়াকড়ি করে না। তাই আমরা ওইসব অঞ্চলে গিয়ে মাছ ধরে চরেই বিক্রি করি।

‘শহরের কোনো হাট-বাজারে যাই না। এখানে অনেক ধরনের ক্রেতা আসে, আমরাও তাদের একটু কম মূল্যে মাছ দিয়ে থাকি।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্রেতা বলেন, ‘শুনেছি পদ্মার চর মাদবরচরের খাড়াকান্দি এলাকায় কম দামে ইলিশ মাছ পাওয়া যায়। তাই ট্রলারে গিয়ে কিছু মাছ কিনলাম। তবে মাছের দাম বেশি মনে হচ্ছে। যে পরিমাণে কম হওয়ার কথা, সেই পরিমাণে কম পাচ্ছি না। প্রশাসনেরও ভয় আছে।’

চরজানাজাতের স্থানীয় বাসিন্দা আল-আমিন শেখ বলেন, ‘মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনের লোকজন নদীতে দিনে দুইবার টহল দেন। পাড়ে কেউ আসেন না। চরগুলোতে অস্থায়ী বাজার বসিয়ে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ইলিশের বেচাকেনা হয়।’

পদ্মার চরের কাশবনেই অস্থায়ী বাজার, চলছে ইলিশ বিক্রি

এ ব্যাপারে শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আমরা প্রতিনিয়ত দফায় দফায় পদ্মায় অভিযান চালাই। চলতি অভিযানে শিবচরেই প্রায় ২০০ জেলেকে এক বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। চরগুলোতে অভিযান চালিয়ে শতাধিক ইলিশ বিক্রির স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।

‘তবে মা ইলিশ রক্ষায় স্থায়ীভাবে নদী ও চরগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা প্রয়োজন। তাহলে কার্যকর ব্যবস্থা হবে। না হলে সুযোগ বুঝে অসাধু মাছ শিকারিরা ইলিশ শিকার করবেই।’

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিরাজ হোসাইন বলেন, ‘আমরা মাঝে মাঝেই অসাধু ইলিশ শিকারিদের ধরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জেল-জরিমানা করছি। তবে জেলেরা কৌশলে সন্ধ্যা বা গভীর রাতে ইলিশ ধরে কাশবনে বসেই বিক্রি করছেন। যেটা আমাদের যাওয়ার আগেই তারা সরে যান।

‘ট্রলার বা স্পিডবোট নিয়ে গেলে, তারা দূর থেকে দেখে পালিয়ে যান। যে কারণে তাদের ধরার কোনো সুযোগ নেই।’

আরও পড়ুন:
নসিমন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত যুবক
ফ্লাইওভারে গাড়ির ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু
রিকশাভ্যান উল্টে চালকের মৃত্যু
ট্রাকচাপায় নিহত অটোরিকশার ২ যাত্রী
পিকআপ-প্রাইভেট কার সংঘর্ষে দাদা-নাতি নিহত

শেয়ার করুন

৯ পৌর ও রংপুর-রাজশাহীর ইউপিতে নৌকা পেলেন যারা

৯ পৌর ও রংপুর-রাজশাহীর ইউপিতে নৌকা পেলেন যারা

ফাইল ছবি

তৃতীয় ধাপে ১ হাজার ৭টি ইউনিয়ন এবং ১০টি পৌরসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হবে আগামী ২৮ নভেম্বর।

তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের ১৬ জেলায় মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ। এ ছাড়া অন্তত ৯টি পৌরসভায়ও প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে দলটি।

বৃহস্পতিবার বিকালে গণভবনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এসব প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

তৃতীয় ধাপে ১ হাজার ৭টি ইউনিয়ন এবং ১০টি পৌরসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হবে আগামী ২৮ নভেম্বর।

৯ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন রংপুরের পীরগঞ্জে আবু ছালেহ মো. তাজিমুল ইসলাম, নীলফামারী সদর পৌরসভায় দেওয়ান কামাল আহমেদ, পাবনার বেড়ায় এস এম আসিফ শামস, পটুয়াখালীর গলাচিপায় আহসানুল হক তুহিন, টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে শহীদুজ্জামান খান, গাজীপুরের কালিয়াকৈরে মো. রেজাউল করিম, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সৈয়দ মো. মনসুরুল হক, লক্ষ্মীপুর সদর পৌরসভায় মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভূঁঞা, নোয়াখালীর সেনবাগে মো. আবু জাফর টিপু।

তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের ১৬ জেলায় আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা দেওয়া হলো- তালিকা

আরও পড়ুন:
নসিমন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত যুবক
ফ্লাইওভারে গাড়ির ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু
রিকশাভ্যান উল্টে চালকের মৃত্যু
ট্রাকচাপায় নিহত অটোরিকশার ২ যাত্রী
পিকআপ-প্রাইভেট কার সংঘর্ষে দাদা-নাতি নিহত

শেয়ার করুন

শতবর্ষী নিদর্শন নিয়ে গেল চোর

শতবর্ষী নিদর্শন নিয়ে গেল চোর

শুক্রবার সকালের দিকে চুরি হয়ে গেছে মাদারীপুরের শিবচরের মৌলভী বাড়ির প্রাচীন শতবর্ষী ডেগ। ছবি: নিউজবাংলা

বিশালাকৃতির ডেগটির উচ্চতা ৩ ফুট ৬ ইঞ্চি। এর আয়তন ১৪৮ ইঞ্চি। ডেগের উপর দিকে কাঁধ বরাবর চারকোণে চারটি রিং রয়েছে। যার ওজন প্রায় ৪ কেজি করে। ডেগটি সরানোর জন্য পূর্ণবয়স্ক ১৪ থেকে ১৫ জন লোক লাগত। কমপক্ষে ৯-১০ মণ খিচুরি এই ডেগের মধ্যে রাখা যেত।

মাদারীপুরের শিবচরের প্রয়াত মাওলানা খবির উদ্দিন আহমেদ আল কাদেরি শত বছর আগে ইরাকের বাগদাদ থেকে একটি ডেগ এনেছিলেন। প্রাচীন নিদর্শন হিসেবে বিশাল ডেগটি দেখতে দূরদূরান্ত থেকে অনেকে তার বাড়িতে আসতেন।

বৃহস্পতিবার রাতে শতবর্ষী পিতলের সেই ডেগটি চুরি করে নিয়ে গেছে একটি চক্র। শিবচরের মগড়া পুকুরপাড় গ্রামে খবির উদ্দিনের কবরের পাশে খোলা একটি ঘরে ডেগটি দর্শনার্থীদের জন্য রাখা ছিল।

শুক্রবার ফজরের নামাজের সময় খবির উদ্দিনের নাতি হাবিব মুন্সী মসজিদে যাওয়ার সময় দেখেন ডেগটি নেই। ডেগ যেখানে রাখা ছিল সেই ঘরের একটি খুঁটি ভেঙে চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ডেগ চুরির ঘটনার জানার পর পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে জানায়। পরে শিবচর থানার তদন্ত কেন্দ্র থেকে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

স্থানীয়রা জানান, ডেগটিতে খোদাই করে লেখা ছিল ‘ডেগ ওরুচে পিরানে পীর সৈয়দ আব্দুল কাদের জিলানি- গোলাম ফকির-শ্রী মৌলবি খবির উদ্দিন কাদেরি, সাং- উৎরাইল, সন- ১৩১৯’। বাকি লেখাটুকু অস্পষ্ট ছিল। ওই লেখা দেখে ধারণা করা হয়, ডেগটি বাগদাদ থেকে আনা।

বিশালাকৃতির ডেগটির উচ্চতা ৩ ফুট ৬ ইঞ্চি। এর আয়তন ১৪৮ ইঞ্চি। ডেগের উপর দিকে কাঁধ বরাবর চারকোণে চারটি রিং রয়েছে। যার ওজন প্রায় ৪ কেজি করে। ডেগটি সরানোর জন্য পূর্ণবয়স্ক ১৪ থেকে ১৫ জন লোক লাগত। কমপক্ষে ৯-১০ মণ খিচুরি এই ডেগের মধ্যে রাখা যেত।

ডেগ চুরির পর স্থানীয় একটি বাড়ির ক্লোজ সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানে কাপড়ে ঢাকা ডেগ সদৃশ কিছু একটা নিয়ে যাচ্ছেন তিন থেকে চারজন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই ভ্যানে করেই ডেগটি চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়।

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিরাজ হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। স্থানীয় একটি সিসিটিভির ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চোরচক্রকে ধরতে অভিযান চলছে।’

আরও পড়ুন:
নসিমন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত যুবক
ফ্লাইওভারে গাড়ির ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু
রিকশাভ্যান উল্টে চালকের মৃত্যু
ট্রাকচাপায় নিহত অটোরিকশার ২ যাত্রী
পিকআপ-প্রাইভেট কার সংঘর্ষে দাদা-নাতি নিহত

শেয়ার করুন

‘মনের ক্ষত কি শুকাবে কাকা’

‘মনের ক্ষত কি শুকাবে কাকা’

সরকারি সহায়তায় ঠিক করা হচ্ছে রংপুরে সাম্প্রদায়িক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর। ছবি: নিউজবাংলা

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, হিন্দুপল্লিতে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬১ পরিবারকে ১০১ বান্ডিল ঢেউটিন দেয়া হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী ৬১ পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে ১৩ লাখ টাকা। এ ছাড়া শুকনা খাবার, কম্বল, শাড়ি ও লুঙ্গি দেয়া হয়েছে। তাদের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। 

‘ঘরে যা ছিল সব ভেঙে গেছে, পুড়ে গেছে। এখন টিন দিয়েছে, টাকা দিয়েছে, তা দিয়ে ঘর বানাইছি, ঠিকঠাক করেছি। যতই বলেন কাকা, ওই কথা কি ভোলা যায়, মনের ক্ষত কি শুকাবে?’

কথাগুলো রংপুরের পীরগঞ্জের রামনাথপুর উত্তর হিন্দুপাড়ার রুবিনাস চন্দ্র দাসের। গত রোববার রাতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় তার বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়া হয়।

শুধু রুবিনাস নয়, পাঁচ দিন ধরে ভয়াবহ মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন পুরো হিন্দুপাড়ার বাসিন্দারা। সরকারি সহায়তায় বাড়িঘর ঠিক করতে পারলেও ভীতি কাটেনি তাদের এখনও।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বাড়িঘরগুলোতে এখনও পোড়া দাগ রয়েছে। পুড়ে যাওয়া গাছগুলো শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে।

তার মধ্যেই চলছে ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়িঘর মেরামতের কাজ। এতে কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে সেখানকার পরিবেশ পরিস্থিতি। তবে এখনও আইশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তার চাদরে রয়েছে হিন্দুপল্লিটি।

‘মনের ক্ষত কি শুকাবে কাকা’

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, ওই হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬১ পরিবারকে ১০১ বান্ডিল ঢেউটিন দেয়া হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী ৬১ পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে ১৩ লাখ টাকা। এ ছাড়া শুকনা খাবার, কম্বল, শাড়ি ও লুঙ্গি দেয়া হয়েছে। তাদের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে।

পল্লির অনিতা রানী বলেন, ‘সংসারে ৩০ হাজার টাকা আচিল। দেড় ভরি সোনা ছিল। ২০ হাজার ট্যাকা পাইচি। কপাল তো নিয়ে যায় নাই…। ঘরটা ঠিক করোচি। টিওনো (ইউএনও) স্যার আসি কইচে ঘর ঠিক করবের। ঠিক করছি।’

সুপথ বলেন, ‘সকালে কামলা নিচি, বাঁশ কিনচি। ঘর ঠিক করোছি। এ্যালা ভালো আচি। ভয়টয় নাগোচে না।’

ওপিন চন্দ্র বলেন, ‘বাড়িঘর সরকারে ঠিক করি দেওচে, হামরা আস্তে আস্তে ঠিক করমো। অনেকে আসোচে, মেলা কিচু দেওচে।’

‘মনের ক্ষত কি শুকাবে কাকা’
দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে পুড়ে গেছে গাছও। ছবি: নিউজবাংলা

পল্লিবাসী জানিয়েছেন, সরকারিভাবে বাড়িঘর মেরামত করতে শুক্রবার দেড় শ শ্রমিক কাজ করছেন।

ওপিন চন্দ্রের বাড়ি মেরামত করছিলেন আব্দুর রহিম। তিনি জানান, তারা ৪৯ জন একসঙ্গে কাজ করছেন। অন্য পাশে আরও দুটি দল রয়েছে।

রামনাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাদেকুল ইসলাম জানান, এখন কোনো অসুবিধা নেই। প্রতিদিন বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ও ব্যক্তি উদ্যোগেও সহযোগিতা করা হচ্ছে।

রংপুরের সহকারী পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান জানান, হিন্দুপল্লিতে হামলার ঘটনায় তিনটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৫৩ জনকে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী রয়েছে। এখন কোনো সমস্যা নেই।

আরও পড়ুন:
নসিমন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত যুবক
ফ্লাইওভারে গাড়ির ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু
রিকশাভ্যান উল্টে চালকের মৃত্যু
ট্রাকচাপায় নিহত অটোরিকশার ২ যাত্রী
পিকআপ-প্রাইভেট কার সংঘর্ষে দাদা-নাতি নিহত

শেয়ার করুন

জমি নিয়ে বিরোধে খুন

জমি নিয়ে বিরোধে খুন

প্রতীকী ছবি।

বগুড়া সদর থানার ওসি সেলিম রেজা জানান, খাস জমিতে খড়ের পালা তোলা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে জাহেদুরের সঙ্গে একই গ্রামের সজিব হাসানের বিরোধ চলছিল। বিবদমান দুই পক্ষের বসতবাড়ির পাশে হওয়ায় জমিটি ভোগদখল করতে চাইছিলেন দুইজনই।  

বগুড়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের ছুরি হামলায় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত চারজন হাসপাতালে ভর্তি।

সদর উপজেলার লাহিড়ীপাড়া ইউনিয়নের রহমতবালা গ্রামে শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে সংঘর্ষ হয়।

নিহতের নাম জাহেদুর রহমান। ৪০ বছরের জাহেদুর সিএনজি অটোরিকশার চালক।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম রেজা।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, খাস জমিতে খড়ের পালা তোলা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে জাহেদুরের সঙ্গে একই গ্রামের সজিব হাসানের বিরোধ চলছিল। বিবদমান দুই পক্ষের বসতবাড়ির পাশে হওয়ায় জমিটি ভোগদখল করতে চাইছিলেন দুইজনই।

বিরোধ নিরসনে শুক্রবার সার্ভেয়ার ডাকা হয়। মাপজোকের সময় ফের বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ায় দুই পরিবার। এ সময় জাহেদুরকে পেছন থেকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন সজিব।

এর পরপরই সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ। এতে আহত চারজনকে বগুড়া টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান জাহেদুর।

ওসি সেলিম বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। অভিযুক্ত সজিবকে ধরতে অভিযান চলছে।’

আরও পড়ুন:
নসিমন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত যুবক
ফ্লাইওভারে গাড়ির ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু
রিকশাভ্যান উল্টে চালকের মৃত্যু
ট্রাকচাপায় নিহত অটোরিকশার ২ যাত্রী
পিকআপ-প্রাইভেট কার সংঘর্ষে দাদা-নাতি নিহত

শেয়ার করুন

কৃষককে কুপিয়ে হত্যা, আটক ১

কৃষককে কুপিয়ে হত্যা, আটক ১

পুলিশ জানায়, ৬৫ বছর বয়সী নওশের দুপুরে বিলের মধ্যে ধানগাছের পরিচর্যা করছিলেন। ফারুক শেখ সেখানে গিয়ে নওশেরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মুখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে পালিয়ে যান। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

নড়াইলের লোহাগড়ায় নওশের শেখ নামের এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

উপজেলার সরুশুনা গ্রামে শুক্রবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত ফারুক শেখকে বিকেলে চরশামুকখোলা গ্রাম থেকে আটক করেছে পুলিশ।

পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ৬৫ বছর বয়সী নওশের দুপুরে বিলের মধ্যে ধানগাছের পরিচর্যা করছিলেন। ফারুক শেখ সেখানে গিয়ে নওশেরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মুখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে পালিয়ে যান। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। সরুশুনা গ্রামের মতিয়ার মোল্যা ঘটনা দেখে নওশেরের পরিবারকে জানান।

এলাকাবাসী জানান, অভিযুক্ত ফারুক শেখ বিভিন্ন পেশার মানুষকে কোনো কারণ ছাড়াই মারধর করতেন।

এ ব্যাপারে লোহাগড়া থানার ওসি শেখ আবু হেনা মিলন জানান, ফারুক মানসিক সমস্যাগ্রস্ত বলে দাবি করেছে তার পরিবার। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
নসিমন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত যুবক
ফ্লাইওভারে গাড়ির ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু
রিকশাভ্যান উল্টে চালকের মৃত্যু
ট্রাকচাপায় নিহত অটোরিকশার ২ যাত্রী
পিকআপ-প্রাইভেট কার সংঘর্ষে দাদা-নাতি নিহত

শেয়ার করুন