ব্রিফিংয়ে র‌্যাব

ইভ্যালিকে দেউলিয়া ঘোষণার পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

ইভ্যালিকে দেউলিয়া ঘোষণার পরিকল্পনা ছিল রাসেলের

র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার ইভ্যালির সিইও মো. রাসেল। ছবি: নিউজবাংলা

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন জানান, দেনা পরিশোধের সক্ষমতা ছিল না ইভ্যালির। এ কারণে সিইও রাসেল চেষ্টা করছিলেন বড় কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে দায়সহ প্রতিষ্ঠানটি বিক্রি করে দিতে। বিক্রি করতে না পারলে প্রতিষ্ঠানটিকে দেউলিয়া ঘোষণার পরিকল্পনাও ছিল তার।

আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির দেনা দিন দিন বাড়ছিল। এমন বাস্তবতায় প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল একে দেউলিয়া ঘোষণার পরিকল্পনা করেছিলেন।

ইভ্যালির সিইও রাসেল, তার স্ত্রী ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে গ্রেপ্তারের পরের দিন কুর্মিটোলায় নিজেদের সদরদপ্তরে শুক্রবার দুপুরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানায় র‌্যাব।

ব্রিফিংয়ে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন জানান, দেনা পরিশোধের সক্ষমতা ছিল না ইভ্যালির। এ কারণে সিইও রাসেল চেষ্টা করছিলেন বড় কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে দায়সহ প্রতিষ্ঠানটি বিক্রি করে দিতে। বিক্রি করতে না পারলে প্রতিষ্ঠানটিকে দেউলিয়া ঘোষণার পরিকল্পনাও ছিল তার।

র‌্যাবের এ কর্মকর্তা জানান, ২০২১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইভ্যালির দেনা ৪০৩ কোটি টাকা। আর প্রতিষ্ঠানটির হাতে থাকা সম্পদের মূল্য ৬৫ কোটি টাকা।

র‌্যাব জানায়, বিভিন্ন পণ্য বাবদ গ্রাহকদের কাছ থেকে কোম্পানিটি নিয়েছিল ২১৪ কোটি টাকা। ইভ্যালির কাছে বিভিন্ন কোম্পানি ও গ্রাহকের পাওনা ১৯০ কোটি টাকা।

অর্থ আত্মসাতের মামলায় আলোচিত ইভ্যালির সিইও রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমাকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডের বাসা থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল খায়রুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সে জন্য তাদের আজকে (বৃহস্পতিবার) গ্রেপ্তার করে র‌্যাব হেডকোয়ার্টারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।’

রাসেল-নাসরিনকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়ার সময় ইভ্যালির ভুক্তভোগী অর্ধশতাধিক গ্রাহক বিক্ষোভ করছিল।

ইভ্যালির সিইও রাসেলের বাসায় অভিযানের খবর পেয়ে এসব গ্রাহক বাসার সামনে জড়ো হয়। গ্রাহকদের কেউ কেউ বলেন, রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হলে তারা আরও বেশি ক্ষতির শিকার হবেন।

অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের যেসব কর্ণধারদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত কেউই তাদের অর্থ ফেরত পায়নি।

রেদোয়ান নামের এক গ্রাহক বলেন, ‘ইভ্যালির রাসেলকে যথাযথ নজরদারির মধ্যে রেখে আরও কিছুদিন সময় দেয়া উচিত। একটা নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়ে তাকে গ্রাহকদের টাকা ফেরত বা পণ্য দিতে বাধ্য করা যেতে পারে। তাকে ধরে নিয়ে গেলে গ্রাহকরা পণ্য বা টাকা কিছুই পাবে না।’

আরও পড়ুন:
র‍্যাব সদর দপ্তরে স্ত্রীসহ ইভ্যালির রাসেল
ইভ্যালির রাসেল-নাসরিন গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার কথিত মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান

অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার কথিত মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান

র‍্যাব কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘শাহীরুল নিজেকে মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচয় দিতেন। কখনও নিজেকে সিকিউরিটি অ্যান্ড গার্ড সার্ভিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পরিচয় দিতেন। এসব পরিচয়ে আড়ালে প্রতারণা করতেন। বিশেষ করে রামপুরা এলাকায়। তাকে বিপুল পরিমাণ দেশি ও বিদেশি অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

কথিত একটি মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে শাহীরুল ইসলাম সিকদার নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। এসময় তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি অস্ত্র উদ্ধারের কথাও জানিয়েছে বাহিনীটি।

শনিবার দুপুরে নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-৪ এর অপারেশন অফিসার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম সজল।

তিনি বলেন, ‘শাহীরুল নিজেকে মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচয় দিতেন। কখনও নিজেকে সিকিউরিটি অ্যান্ড গার্ড সার্ভিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পরিচয় দিতেন।

‘এসব পরিচয়ে আড়ালে প্রতারণা করতেন। বিশেষ করে রামপুরা এলাকায়। তাকে বিপুল পরিমাণ দেশি ও বিদেশি অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

র‍্যাব কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘শাহীরুলের প্রতারণার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনে জানানো হবে। বিকেল ৪টায় কারওয়ান বাজার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হবে।’

আরও পড়ুন:
র‍্যাব সদর দপ্তরে স্ত্রীসহ ইভ্যালির রাসেল
ইভ্যালির রাসেল-নাসরিন গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

যাত্রাবাড়ী ওভারব্রিজের পাশে গাড়ির ধাক্কায় যুবক নিহত

যাত্রাবাড়ী ওভারব্রিজের পাশে গাড়ির ধাক্কায় যুবক নিহত

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে শনিবার সকালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত যুবকের মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়। ছবি: বুলবুল চৌধুরী/নিউজবাংলা

পুলিশের ভাষ্য, গুরুতর আহত অবস্থায় শফিকুলকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক সকাল সাড়ে আটটার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর ফুট ওভারব্রিজের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় গাড়ির ধাক্কায় শফিকুল ইসলাম (২৬) নামের যুবক নিহত হয়েছেন।

শনিবার সকালের দিকে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

শফিকুলের গ্রামের বাড়ি খুলনার সোনাডাঙ্গা উপজেলায়। তাকে কোন গাড়ি ধাক্কা দিয়েছে, তা জানা যায়নি।

পুলিশের ভাষ্য, গুরুতর আহত অবস্থায় শফিকুলকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক সকাল সাড়ে আটটার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে যাত্রাবাড়ী ফুট ওভারব্রিজের সামনে থেকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে যাই। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

এসআই জানান, ওই যুবক রাস্তার পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন। একটি দ্রুতগামী গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়। পরে রাস্তার ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।

তিনি আরও জানান, গাড়িটিকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। যুবকের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
র‍্যাব সদর দপ্তরে স্ত্রীসহ ইভ্যালির রাসেল
ইভ্যালির রাসেল-নাসরিন গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

রায়েরবাগ থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

রায়েরবাগ থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

নিহতের স্বামী বলেন, ‘আমার একটি মোবাইলের দোকান রয়েছে। আমি দোকান থেকে এসে দেখি বাসার রুমের দরজা বন্ধ। পরে দরজায় গিয়ে ডাকাডাকি করলে দরজা না খোলায় দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে দেখতে পাই ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা প্যাঁচিয়ে ঝুলে রয়েছে। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে এলে চিকিৎসক জানান আমার স্ত্রী আর নেই।’

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগ গোবিন্দপুর এলাকার একটি বাসার দ্বিতীয় তলা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরহেদ উদ্ধার করা হয়েছে।

খাদিজা আক্তার নামের ২১ বছর বয়সী ওই নারীর দুই মাসের একটি শিশুসন্তান রয়েছে।

শুক্রবার রাত ৮টার দিকে খাদিজার স্বামী মাসুক মিয়া জানান, বাসায় এসে দরজা বন্ধ দেখতে পান তিনি। পরে দরজা ভেঙে অচেতন অবস্থায় খাদিজাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু হয়েছে খাদিজার।

স্বামী মাসুক বলেন, ‘আমার একটি মোবাইলের দোকান রয়েছে। আমি দোকান থেকে এসে দেখি বাসার রুমের দরজা বন্ধ। পরে দরজায় গিয়ে ডাকাডাকি করলে দরজা না খোলায় দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে দেখতে পাই ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা প্যাঁচিয়ে ঝুলে রয়েছে। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে এলে চিকিৎসক জানান আমার স্ত্রী আর নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার দুই মাসের একটি সন্তান রয়েছে, কী কারণে সে গলায় ফাঁস দিল আমি বলতে পারছি না।’

মাসুক জানান, তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীগঞ্জে। আর তার স্ত্রীর বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগরে। পরিবার নিয়ে থাকতেন যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগের গোবিন্দপুরে।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় নিহতের স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
র‍্যাব সদর দপ্তরে স্ত্রীসহ ইভ্যালির রাসেল
ইভ্যালির রাসেল-নাসরিন গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

ঢাবির কনসার্টে সহিংসতা প্রতিহতের ডাক

ঢাবির কনসার্টে সহিংসতা প্রতিহতের ডাক

বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যে ‘সহিংসতার বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ ব্যানারে কনসার্টের আয়োজন করা হয়। ছবি: সিমু নাসের

ব্যতিক্রমধর্মী এই আয়োজনের উদ্যোক্তা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ইনস্টিটিউটের সাবেক শিক্ষার্থী তুহিন কান্তি দাস বলেন, ‘এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য দেশব্যাপী চলমান সহিংসতার বিরুদ্ধে একাত্ম হয়ে সাংস্কৃতিকভাবে প্রতিবাদ জানানো। মিছিল, বক্তৃতা, সভা ও সেমিনারের চেয়ে শিল্প অনেক শক্তিশালী প্রতিবাদের মাধ্যম৷ তাই আমরা এই মাধ্যমকেই বেছে নিয়েছি।’

সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে কনসার্টের আয়োজন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতিমনা একদল শিক্ষার্থী।

বেলা ৩টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যে কনসার্ট শুরু হয়। রাত ১০টায় শেষ হয় এ কনসার্ট। ‘সহিংসতার বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ ব্যানারে এ কনসার্টের আয়োজন করা হয়।

কনসার্টে শিরোনামহীন, মেঘদল, সহজিয়াসহ ১২টি ব্যান্ড দল গান পরিবেশন করে। গানের পাশাপাশি হয়েছে মূকাভিনয়, একক গান, নৃত্য ও থিমেটিক পারফরম্যান্স।

গানের দলগুলোর মধ্যে রয়েছে শিরোনামহীন, মেঘদল, সহজিয়া, শহরতলী, বাংলা ফাইভ, গানপোকা, কৃষ্ণপক্ষ, কাল, অবলিক, অসৃক, গানকবি ও বুনোফুল৷

এ ছাড়া একক সংগীত পরিবেশন করেছেন জয় শাহরিয়ার, তুহিন কান্তি দাস, সাহস মোস্তাফিজ, লালন মাহমুদ, নাঈম মাহমুদ, প্রিয়াংকা পাণ্ডে, যশ নমুদার, তাবিব মাহমুদ, রানা, উদয়, অপু, উপায় ও অনিন্দ্য৷

উম্মে হাবিবা ও আবু ইবনে রাফি নৃত্য পরিবেশন করেছেন। মূকাভিনয় পরিবেশন করেছে ঢাকা ইউনিভার্সিটি মাইম অ্যাকশন। এ ছাড়া কনসার্টে একটি সমবেত ‘থিমেটিক পারফরম্যান্স’ পরিবেশন করা হয়।

বিকেলের দিকে কনসার্ট শুরু হলেও সন্ধ্যার দিকে কনসার্ট জমজমাট হয়ে ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী এই কনসার্ট উপভোগ করেন।

ব্যতিক্রমধর্মী এই আয়োজনের উদ্যোক্তা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ইনস্টিটিউটের সাবেক শিক্ষার্থী তুহিন কান্তি দাস বলেন, ‘এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য দেশব্যাপী চলমান সহিংসতার বিরুদ্ধে একাত্ম হয়ে সাংস্কৃতিকভাবে প্রতিবাদ জানানো। মিছিল, বক্তৃতা, সভা ও সেমিনারের চেয়ে শিল্প অনেক শক্তিশালী প্রতিবাদের মাধ্যম৷ তাই আমরা এই মাধ্যমকেই বেছে নিয়েছি।’

তিনি বলেন, আমাদের প্রতিবাদের ভাষা গান, নৃত্য ও কবিতা। আমরা এই কনসার্টের মাধ্যমে দেশবাসীকে সহিংসতা প্রতিহতের বার্তা দেয়ার চেষ্টা করেছি, যাতে এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে। আমরা চাই এ দেশের মানুষ হিন্দু-মুসলিম পরিচয়ের চেয়ে সবাই বাংলাদেশি পরিচয়ে পরিচিত হোক। এটাই আজকের আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।’

আরও পড়ুন:
র‍্যাব সদর দপ্তরে স্ত্রীসহ ইভ্যালির রাসেল
ইভ্যালির রাসেল-নাসরিন গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় আইন ও কমিশন গঠনের দাবি

ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় আইন ও কমিশন গঠনের দাবি

ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় রাজধানীর শাহবাগে ২০টি সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাজন কুমার মিশ্র বলেন, ‘সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও কমিশন গঠন করতে হবে। এজন্য সরকারকে ২ সপ্তাহের সময় দিচ্ছি। এর মধ্যে সংখ্যালঘু আইন প্রণয়নের তৎপরতা না দেখলে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় বরাবর পদযাত্রা কর্মসূচি ঘোষণা করব।’

ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় আইন প্রণয়ন, কমিশন গঠন এবং সাম্প্রতিক ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূণের দাবি করেছে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

শুক্রবার বিকেল শাহবাগে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে তারা এসব দাবি জানায়।

একই সঙ্গে দাবি পূরণে সরকারকে ২ সপ্তাহের আল্টিমেটাম দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। এর মধ্যে দাবি পূরণ না করলে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করার কথা জানান।

বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের নেতৃত্বে সমমনা প্রায় ২০টি সংগঠন কর্মসূচিতে অংশ নেয়।

পরে সন্ধ্যায় শাহবাগ থেকে মশাল মিছিল নিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে গিয়ে তাদের কর্মসূচি শেষ হয়।

এদিন বিকেল ৪টা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা শাহবাগ মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন তারা।

বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাজন কুমার মিশ্র বলেন, ‘সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও কমিশন গঠন করতে হবে। এজন্য সরকারকে ২ সপ্তাহের সময় দিচ্ছি। এর মধ্যে সংখ্যালঘু আইন প্রণয়নের তৎপরতা না দেখলে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় বরাবর পদযাত্রা কর্মসূচি ঘোষণা করব।’

আইন ও কমিশন গঠন ছাড়াও অবরোধ কর্মসূচি থেকে ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক হামলার বিচার এবং ক্ষতিগ্রস্ত প্রতি পরিবারকে ৫০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণের দাবি জানানো হয়।

‘দেশব্যপী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন্দির, বাড়িঘর ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, নারী নির্যাতন ও পূঁজারি হত্যার প্রতিবাদে’ বিক্ষোভ সমাবেশে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র চাই, ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবারসহ বিভিন্ন স্লোগান দেয় অংশগ্রহণকারীরা।

বাংলাদেশ হিন্দু আইনজীবী পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুমন কুমার রায় বলেন, ‘রাষ্ট্র সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। সাম্প্রদায়িক হামলায় জড়িতরা বারবার পার পেয়ে যাচ্ছে। এর আগেও হামলায় সংখ্যালঘুরা বিচার পায়নি। হামলার নেপথ্যে যারা জড়িত, তাদেরও যেন বিচারের আওতায় আনতে হবে।’

আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন), বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাসংঘ, বাংলাদেশ সনাতন কল্যাণ জোট, শারদাঞ্জালি ফোরাম, বাংলাদেশ হিন্দু লয়ার্স অর্গানাইজেশন (বিএইচএলও), আর্য প্রতিনিধি সভা বাংলাদেশ, জাগো হিন্দু পরিষদ, ঢাকা ওয়ারী রবিদাস হিন্দু কল্যাণ সংঘ, ভক্ত সংঘ, হিন্দু সংরক্ষণ ও বাস্তবায়ন পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ফোরাম ও হিন্দু ছাত্র ফোরাম, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু সমাজ সংরক্ষণ সমিতি, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট সংহতি জানিয়ে কর্মসূচিতে অংশ নেয়।

১৩ অক্টোবর কুমিল্লায় একটি মণ্ডপে কোরআন শরিফ রাখাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে দুর্গাপূজার মণ্ডপে ও হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজনের প্রণহানিও ঘটে।

সবশেষ রংপুরের পীরগঞ্জে একটি হিন্দু গ্রামে হামলা চালিয়ে বেশ কয়েকটি বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুন:
র‍্যাব সদর দপ্তরে স্ত্রীসহ ইভ্যালির রাসেল
ইভ্যালির রাসেল-নাসরিন গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

শফিকুল ডিএমপি কমিশনার থাকছেন আরও এক বছর

শফিকুল ডিএমপি কমিশনার থাকছেন আরও এক বছর

ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। ফাইল ছবি

পুলিশ সদর দপ্তর ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিয়োগের সারসংক্ষেপে অনুমোদন দিয়েছেন। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ জার্মানি থেকে ফেরার পর তিনি সই করলেই আদেশ জারি করা হবে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে মোহা. শফিকুল ইসলামকে আরও এক বছর রাখতে যাচ্ছে সরকার। অবসরোত্তর ছুটিতে না গিয়ে এ দায়িত্বে বাড়তি এক বছর তিনি থাকবেন।

আগামী ২৯ অক্টোবর শফিকুলের বয়স ৫৯ বছর পূর্ণ হবে। এর পরদিন থেকে অবসরোত্তর ছুটিতে যাওয়ার কথা তার। কিন্তু এই অবসরোত্তর ছুটি বাতিল করে আবার ডিএমপি কমিশনার হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তর ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিয়োগের সারসংক্ষেপে অনুমোদন দিয়েছেন। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ জার্মানি থেকে ফেরার পর তিনি সই করলেই আদেশ জারি করা হবে।

ডিএমপির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘ফাইলটি এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আছে। মহামান্য রাষ্ট্রপতি দেশে ফেরার পর আগামী রবি বা সোমবার নিয়োগের প্রজ্ঞাপন আসতে পারে।’

গত বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, বর্তমান ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম অবসরে যাচ্ছেন। সরকারি বিধি অনুযায়ী বয়স ৫৯ বছর পূর্ণ হতে যাওয়ায় তাকে অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর ৫৯ বছর পূর্ণ হবে শফিকুলের।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, চলতি বছরের ৩০ অক্টোবর থেকে ২০২২ সালের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত শফিকুলকে এক বছরের অবসর ও অবসরোত্তর ছুটি দেয়া হয়েছে। নতুন প্রজ্ঞাপনে ওই ছুটি বাতিল হবে।

ডিএমপি কমিশনার হওয়ার আগে শফিকুল ইসলাম সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। তিনি ১৯৮৯ সালে অষ্টম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে পুলিশে যোগ দেন।

চাকরিজীবনে শফিকুল পুলিশ সুপার হিসেবে নারায়ণগঞ্জ, পটুয়াখালী, সুনামগঞ্জ ও কুমিল্লা জেলায় দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি, অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের প্রধান (অতিরিক্ত আইজিপি), পুলিশ সদর প্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (এইচআরএম) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

পেশাদারত্ব ও দক্ষতার জন্য তিনি একাধিকবার বিপিএম পদক পান।

শফিকুল ইসলামের জন্ম চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায়। ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি (সম্মান) পাস করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
র‍্যাব সদর দপ্তরে স্ত্রীসহ ইভ্যালির রাসেল
ইভ্যালির রাসেল-নাসরিন গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

প্রেস ক্লাবের প্রশংসায় তথ্যমন্ত্রী

প্রেস ক্লাবের প্রশংসায় তথ্যমন্ত্রী

জাতীয় প্রেস ক্লাবের ৬৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর তোপখানা রোডে ক্লাবে আয়োজিত কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ৷ ছবি: নিউজবাংলা

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের পূর্বসুরীরা যে স্বপ্নে আপন প্রাণের মায়া ত্যাগ করে এদেশ স্বাধীন করে গেছেন, সবাই মিলে দেশকে সেই স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছে দেবার মধ্যেই আমাদের কর্মের সার্থকতা নিহিত।’ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন বিস্তারিতভাবে ক্লাবের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও পথনকশা তুলে ধরেন।

ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় জাতীয় প্রেস ক্লাব আগামী দিনগুলোতেও দেশপ্রেম, গণতন্ত্র ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্দীপ্ত থেকে বহুমাত্রিক সমাজ বিনির্মাণে ভূমিকা অব্যাহত রাখবে। এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ৷

জাতীয় প্রেস ক্লাবের ৬৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর তোপখানা রোডে ক্লাব প্রাঙ্গণে আয়োজিত কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী প্রেস ক্লাবের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান এবং তাদের উজ্জ্বল কর্মময় জীবন কামনা করেন।

ড. হাছান বলেন, ‘আমাদের পূর্বসুরীরা যে স্বপ্নে আপন প্রাণের মায়া ত্যাগ করে এদেশ স্বাধীন করে গেছেন, সবাই মিলে দেশকে সেই স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছে দেবার মধ্যেই আমাদের কর্মের সার্থকতা নিহিত।’

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন বিস্তারিতভাবে ক্লাবের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও পথনকশা তুলে ধরেন। সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, সহসভাপতি হাসান হাফিজ ও রেজওয়ানুল হক রাজা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাইনুল আলম ও মো. আশরাফ আলী, কোষাধ্যক্ষ শাহেদ চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা কমিটি ও উপকমিটিগুলোর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আমন্ত্রিত সাংবাদিক ও অতিথিদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরী, শওকত মাহমুদ, মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, বিএফইউজে সভাপতি মোল্লা জালাল, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আবদুল মজিদ, ডিইউজে সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ, সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

১৯৫৪ সালের ২০ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান প্রেস ক্লাব নামে প্রতিষ্ঠা করা হয়। যা স্বাধীনতার পর নাম ধারণ করে জাতীয় প্রেস ক্লাব। নীতিমালা অনুযায়ী নির্বাচিত কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত এ ক্লাবের প্রথম আজীবন সদস্য হলেন এন এম খান এবং ক্লাবের প্রথম সভাপতি ছিলেন মুজীবুর রহমান খাঁ।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনীর অপারেশন সার্চলাইটের সময় পুরো ক্লাব ভবনটি বিধ্বস্ত হয়ে যায়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ৫ মার্চ তৎকালীন সভাপতি আবদুল আউয়াল খানের সভাপতিত্বে আনুষ্ঠানিক ক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় ক্লাবের নাম জাতীয় প্রেস ক্লাব হয়।

আরও পড়ুন:
র‍্যাব সদর দপ্তরে স্ত্রীসহ ইভ্যালির রাসেল
ইভ্যালির রাসেল-নাসরিন গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন