দেবীগঞ্জে ইজিবাইকের ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু 

দেবীগঞ্জে ইজিবাইকের ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু 

প্রতীকী ছবি

বিকেলে বাড়ি থেকে বের হয়ে দেবীগঞ্জ-ভাউলাগঞ্জ সড়ক পার হওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে ছিল সুমাইয়া। এ সময় দেবীগঞ্জ থেকে ভাউলাগঞ্জগামী একটি ইজিবাইক ধাক্কা দিলে সড়কে ছিটকে পড়ে সুমাইয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দেবীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক সুমাইয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। 

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে ইজিবাইকের ধাক্কায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলার টেপ্রীগঞ্জ ইউনিয়নের চর তিস্তাপাড়া এলাকায় দেবীগঞ্জ-ভাউলাগঞ্জ সড়কে বৃহস্পতিবার বিকেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মৃত শিশুর নাম সুমাইয়া আক্তার। আট বছরের সুমাইয়া চর তিস্তাপাড়া এলাকার আবদুল কুদ্দুসের মেয়ে এবং কসিম উদ্দীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।

স্থানীয় লোকজনের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বিকেলে বাড়ি থেকে বের হয়ে দেবীগঞ্জ-ভাউলাগঞ্জ সড়ক পার হওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে ছিল সুমাইয়া। এ সময় দেবীগঞ্জ থেকে ভাউলাগঞ্জগামী একটি ইজিবাইক ধাক্কা দিলে সড়কে ছিটকে পড়ে সুমাইয়া। গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে দেবীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক সুমাইয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

দেবীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হেলাল উদ্দীন জানান, কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘দুই বন্ধুর শক্তি পরীক্ষার খেলায়’ প্রাণ গেল একজনের
পুকুরে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু
খেলার সময় খাট থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু
রিকশা থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল শিশুর
‘খেলার ছলে’ কীটনাশক পানে শিশুর মৃত্যু

শেয়ার করুন

মন্তব্য

অটোরিকশার ধাক্কার পর কাভার্ড ভ্যানচাপায় মৃত্যু

অটোরিকশার ধাক্কার পর কাভার্ড ভ্যানচাপায় মৃত্যু

দুর্ঘটনার পর এক ঘণ্টা শ্রীপুর-মাওনা আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে রাখেন স্থানীয়রা। ছবি: নিউজবাংলা

শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক নাজমুল হক জানান, শ্রীপুর-মাওনা সড়ক পার হওয়ার সময় একটি অটোরিকশা মোহাম্মদকে ধাক্কা দেয়। এতে সে সড়কে ছিটকে পড়ে। এ সময় দ্রুতগামী একটি কাভার্ড ভ্যান তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় মোহাম্মদের।

গাজীপুরে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় চার বছরের এক শিশু নিহত হয়েছে।

শ্রীপুর-মাওনা আঞ্চলিক সড়কের ব্যাপারী বাড়ি এলাকায় শুক্রবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশুর নাম মোহাম্মদ। শ্রীপুরের ব্যাপারী বাড়ি এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে থাকত সে।

শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হক এসব নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে তিনি জানান, শ্রীপুর-মাওনা সড়ক পার হওয়ার সময় একটি অটোরিকশা মোহাম্মদকে ধাক্কা দেয়। এতে সে সড়কে ছিটকে পড়ে। এ সময় দ্রুতগামী একটি কাভার্ড ভ্যান তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় মোহাম্মদের।

এ ঘটনায় স্থানীয়রা প্রায় এক ঘণ্টা শ্রীপুর-মাওনা আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে রাখেন। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এসআই নাজমুল বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আটক করা হয়েছে কাভার্ড ভ্যানচালক ও তার সহকারীকে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার প্রস্তুতি চলছে।’

আরও পড়ুন:
‘দুই বন্ধুর শক্তি পরীক্ষার খেলায়’ প্রাণ গেল একজনের
পুকুরে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু
খেলার সময় খাট থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু
রিকশা থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল শিশুর
‘খেলার ছলে’ কীটনাশক পানে শিশুর মৃত্যু

শেয়ার করুন

মণ্ডপে হামলায় নুরের সংগঠনের ৭ সদস্য রিমান্ডে

মণ্ডপে হামলায় নুরের সংগঠনের ৭ সদস্য রিমান্ডে

চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে যুব অধিকার পরিষদের ১০ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি নেজাম উদ্দিন বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় যুব অধিকার পরিষদের ৯ নেতা-কর্মীসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছি। তারা ঘটনার পরিকল্পনায় ছিলেন। সাধারণ মানুষকে ব্যবহার করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে হামলার নেতৃত্বও দিয়েছেন।’

চট্টগ্রামের জেএমসেন হলের পূজামণ্ডপের হামলা ঘটনায় করা মামলায় যুব অধিকার পরিষদের সাত সদস্যের এক দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত।

যুব অধিকার পরিষদ ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরের নেতৃত্বাধীন সংগঠন।

চট্টগ্রামের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক শফি উদ্দিন শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে এ আদেশ দেন।

এর আগে দুপুরে যুব অধিকার পরিষদের গ্রেপ্তার ১০ জনের সার দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ রিমান্ডে পেয়েছে যুব অধিকার পরিষদের চট্টগ্রাম মহানগর শাখার আহ্বায়ক মো. নাছির, সদস্য সচিব মিজানুর রহমান, বায়েজিদ থানার আহ্বায়ক মো. রাসেল, কর্মী ইয়াসিন আরাফাত, হাবিবুল্লাহ মিজান, ইমন ও ইমরান হোসেন।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বাবলু কুমার পাল।

তিনি জানান, গ্রেপ্তার বাকি তিনজনের বয়স ১৯ বছরের কম হওয়ায় তাদের রিমান্ডে চাওয়া হয়নি।

এসআই বাবলু নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতে গ্রেপ্তার ১০ জনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কিছু তথ্য পেয়েছি আমরা। ঘটনার পরিকল্পনায় এবং নেতৃত্বে যুব অধিকার পরিষদের এসব নেতারা ছিল বলে জানতে পেরেছি। আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত জনকে আদালতে হাজির করে তাদের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করি। আদালত আসামিদের এক দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়।’

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে পূজামণ্ডপের হামলা, ভাঙচুর ও ব্যানার ছেঁড়ার পরিকল্পনায় জড়িত হিসেবে যুব অধিকার পরিষদের ৯ নেতা-কর্মীসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নেজাম উদ্দিন বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় যুব অধিকার পরিষদের ৯ নেতা-কর্মীসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছি। তারা ঘটনার পরিকল্পনায় ছিলেন। সাধারণ মানুষকের ব্যবহার করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে হামলার নেতৃত্বও দিয়েছেন।’

‘আমরা কিছু ফোন কল রেকর্ডও সংগ্রহ করেছি। সেসবেও তাদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়। শুধু তা-ই নয়, এই ঘটনায় আরও যারা জড়িত ছিল, আমরা তাদেরও খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। আশা করি, দোষী সবাইকে দ্রুতই আইনের আওতায় নিয়ে আসা যাবে।’

কুমিল্লায় পবিত্র কোরআন অবমাননার অভিযোগের জেরে ১৫ অক্টোবর জুমার নামাজের পর এক প্রতিবাদ মিছিল থেকে নগরীর আন্দরকিল্লা এলাকায় জেএমসেন হলের পূজামণ্ডপে হামলার চেষ্টা করা হয়। এ সময় মণ্ডপের প্রবেশ পথ ও তোরণ ভাঙচুর এবং ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন হামলাকারী।

এই ঘটনায় পরদিন ৮৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪০০-৫০০ জনকে আসামি করে উপপরিদর্শক (এসআই) আকাশ মাহমুদ ফরিদ বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় ৮৩ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

আরও পড়ুন:
‘দুই বন্ধুর শক্তি পরীক্ষার খেলায়’ প্রাণ গেল একজনের
পুকুরে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু
খেলার সময় খাট থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু
রিকশা থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল শিশুর
‘খেলার ছলে’ কীটনাশক পানে শিশুর মৃত্যু

শেয়ার করুন

মানবতাবিরোধী অপরাধ: ময়মনসিংহে গ্রেপ্তার ৭ জন কারাগারে

মানবতাবিরোধী অপরাধ: ময়মনসিংহে 
গ্রেপ্তার ৭ জন কারাগারে

ময়মনসিংহে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার দুজন। ছবি: নিউজবাংলা

গ্রেপ্তার সাতজন হলেন ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার আঠারবাড়ি ইউনিয়নের ইটাউলিয়া গ্রামের তারা মিয়া ও হাবিবুর রহমান মেনু মিয়া, কালিয়ান গ্রামের রুস্তম আলী, সোহাগী বাজার এলাকার সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান, ফানুর গ্রামের আব্দুল মান্নান, সোহাগী চরপাড়া এলাকার আব্দুল হান্নান এবং পৌরসভার কাকনহাটি এলাকার শহীদুল্লাহ ফকির।

একাত্তরে গণহত্যা, অপহরণ, নির্যাতন, লুণ্ঠনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ময়মনসিংহের সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ছয় আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। আরেক আসামিকে ২৩ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

এর আগে বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহের ১২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এরপরই অভিযানে নামে কোতোয়ালি মডেল থানা ও ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ।

আসামিদের বিরুদ্ধে একাত্তরে হত্যা, গণহত্যা, অপহরণ, নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। তারা সবাই ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।

গ্রেপ্তার সাতজন হলেন উপজেলার আঠারবাড়ি ইউনিয়নের ইটাউলিয়া গ্রামের তারা মিয়া ও হাবিবুর রহমান মেনু মিয়া, কালিয়ান গ্রামের রুস্তম আলী, সোহাগী বাজার এলাকার সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান, ফানুর গ্রামের আব্দুল মান্নান, সোহাগী চরপাড়া এলাকার আব্দুল হান্নান এবং পৌরসভার কাকনহাটি এলাকার শহীদুল্লাহ ফকির।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল কাদের মিয়া জানান, যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে বৃহস্পতিবার রাত ১০টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে পাঁচ আসামিকে নিজ নিজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে ২৩ সেপ্টেম্বর শহীদুল্লাহ ফকিরকে তার গ্রামের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

আরেক আসামি সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে ময়মনসিংহ নগরীর এ বি গুহ রোড থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ময়মনসিংহ আদালতের পরিদর্শক প্রসূন কান্তি দাস নিউজবাংলাকে জানান, শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে হাবিবুর রহমান মেনু মিয়া, আব্দুল মান্নান ও আব্দুল হান্নানকে ময়মনসিংহ মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে পাঠায় ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ। পরে ৪ নম্বর আমলি আদালতের মুখ্য বিচারিক হাকিম দেওয়ান মনিরুজ্জামান তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে তারা মিয়া, মো. রুস্তম আলী ও সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমানকে আদালতে তোলা হয়। তখন মুখ্য বিচারিক হাকিম আব্দুল হাইয়ের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

আর ২৩ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার শহিদুল্লাহকে আগেই বিচারকের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দৃষ্টি আকর্ষণ: গলায় ফিতা পরা লোকটি গ্রেপ্তার শহিদুল্লাহ। বাকি ছয়জন গতকাল রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়েছেন।

আরও পড়ুন:
‘দুই বন্ধুর শক্তি পরীক্ষার খেলায়’ প্রাণ গেল একজনের
পুকুরে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু
খেলার সময় খাট থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু
রিকশা থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল শিশুর
‘খেলার ছলে’ কীটনাশক পানে শিশুর মৃত্যু

শেয়ার করুন

দুই বোনকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা

দুই বোনকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা

মামলার এজাহারের বরাতে ওসি রিয়াজ উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে পূর্বপরিচিত ওয়াদুদ ওই শিশুদের বাড়িতে যান। এ সময় বাড়িতে তাদের বাবা-মা ছিলেন না। এ সুযোগে দুই বোনের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন ওয়াদুদ।

মানিকগঞ্জের ঘিওরে দুই বোনকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা হয়েছে সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে।

ঘিওর থানায় বৃহস্পতিবার রাতে শিশুদের বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি করেন।

অভিযুক্তের নাম আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া। ৪০ বছরের ওয়াদুদ ঘিওর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য। মামলার পর থেকেই তিনি পলাতক।

ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বিপ্লব এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহারের বরাতে তিনি জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে পূর্বপরিচিত ওয়াদুদ ওই শিশুদের বাড়িতে যান। এ সময় বাড়িতে তাদের বাবা-মা ছিলেন না। এ সুযোগে দুই বোনের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন ওয়াদুদ। কিছু সময় পর শিশুদের বাবা-মা ফিরে এলে বাড়ি থেকে চলে যান তিনি।

সন্ধ্যায় শিশুরা বিষয়টি তাদের মাকে জানায়। রাত ১২টার দিকে তাদের বাবা ওয়াদুদকে আসামি করে মামলা করেন।

ওসি রিয়াজ বলেন, ‘মামলার পর থেকেই অভিযুক্ত ওয়াদুদ পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

আরও পড়ুন:
‘দুই বন্ধুর শক্তি পরীক্ষার খেলায়’ প্রাণ গেল একজনের
পুকুরে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু
খেলার সময় খাট থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু
রিকশা থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল শিশুর
‘খেলার ছলে’ কীটনাশক পানে শিশুর মৃত্যু

শেয়ার করুন

পদ্মার চরের কাশবনেই অস্থায়ী বাজার, চলছে ইলিশ বিক্রি

পদ্মার চরের কাশবনেই অস্থায়ী বাজার, চলছে ইলিশ বিক্রি

পদ্মা নদী ও কাশবনের ফাঁকে অস্থায়ী তাঁবু টাঙিয়ে চলছে ইলিশ কেনাবেচা।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, নদী ও চরগুলোতে স্থায়ীভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী না থাকায় সুযোগ পেয়েই জেলেরা নদীতে নেমে পড়ছেন। চরের যে এলাকাগুলোতে সড়ক যোগাযোগ নেই, সেখানেই বসছে বাজার। কাশবনগুলোতে গড়ে তোলা হয়েছে জেলেদের অস্থায়ী আড়ত। অনেকে ইলিশের স্বাদ নিতে আসছেন পিকনিকে।

অভিযান চালিয়ে, জেল-জরিমানা করে, অস্থায়ী বাজার উচ্ছেদ করেও থামানো যাচ্ছে না ইলিশ শিকারিদের দৌরাত্ম্য।

প্রশাসনের ভাষ্য, নদী ও চরগুলোতে স্থায়ীভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ক্যাম্প না থাকায় প্রকাশ্যেই বিক্রি হচ্ছে মা ইলিশসহ ছোট-বড় ইলিশ।

ইলিশ ধরায় সরকারের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে অভিযানের শুরু থেকেই মাদারীপুর শিবচরের পদ্মা নদী ও চরগুলোতে প্রশাসনের ব্যাপক অভিযান চলছে। প্রশাসন অভিযান চালিয়ে কয়েকটি হাট-বাজারের শতাধিক অস্থায়ী স্থাপনাও উচ্ছেদ করে।

তবে মাদারীপুরের শিবচর, শরীয়তপুরের জাজিরা, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, ঢাকার দোহার, ফরিদপুরের সদরপুর অংশের পদ্মা নদী ও কাশবনের ফাঁকে অস্থায়ী তাঁবু টাঙিয়ে চলছে ইলিশ কেনাবেচা। অনেক সময় মুঠোফোনের মাধ্যমে নদীপাড়ের প্রত্যন্ত বাজারে বিক্রি হচ্ছে সেই মাছ। ক্রেতারা নানা উপায়ে যাচ্ছেন এসব এলাকায়।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, নদী ও চরগুলোতে স্থায়ীভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী না থাকায় সুযোগ পেয়েই জেলেরা নদীতে নেমে পড়ছেন। চরের যে এলাকাগুলোতে সড়ক যোগাযোগ নেই, সেখানেই বসছে বাজার।

কাশবনগুলোতে গড়ে তোলা হয়েছে জেলেদের অস্থায়ী আড়ত। অনেকে ইলিশের স্বাদ নিতে আসছেন পিকনিকে।

পদ্মার চরের কাশবনেই অস্থায়ী বাজার, চলছে ইলিশ বিক্রি

জেলে সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞার সময় আমাদের শিবচরের প্রশাসন অনেক কড়াকড়ি থাকলেও মুন্সিগঞ্জ, জাজিরাসহ অন্য অঞ্চলে প্রশাসন ততটা কড়াকড়ি করে না। তাই আমরা ওইসব অঞ্চলে গিয়ে মাছ ধরে চরেই বিক্রি করি।

‘শহরের কোনো হাট-বাজারে যাই না। এখানে অনেক ধরনের ক্রেতা আসে, আমরাও তাদের একটু কম মূল্যে মাছ দিয়ে থাকি।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্রেতা বলেন, ‘শুনেছি পদ্মার চর মাদবরচরের খাড়াকান্দি এলাকায় কম দামে ইলিশ মাছ পাওয়া যায়। তাই ট্রলারে গিয়ে কিছু মাছ কিনলাম। তবে মাছের দাম বেশি মনে হচ্ছে। যে পরিমাণে কম হওয়ার কথা, সেই পরিমাণে কম পাচ্ছি না। প্রশাসনেরও ভয় আছে।’

চরজানাজাতের স্থানীয় বাসিন্দা আল-আমিন শেখ বলেন, ‘মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনের লোকজন নদীতে দিনে দুইবার টহল দেন। পাড়ে কেউ আসেন না। চরগুলোতে অস্থায়ী বাজার বসিয়ে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ইলিশের বেচাকেনা হয়।’

পদ্মার চরের কাশবনেই অস্থায়ী বাজার, চলছে ইলিশ বিক্রি

এ ব্যাপারে শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আমরা প্রতিনিয়ত দফায় দফায় পদ্মায় অভিযান চালাই। চলতি অভিযানে শিবচরেই প্রায় ২০০ জেলেকে এক বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। চরগুলোতে অভিযান চালিয়ে শতাধিক ইলিশ বিক্রির স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।

‘তবে মা ইলিশ রক্ষায় স্থায়ীভাবে নদী ও চরগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা প্রয়োজন। তাহলে কার্যকর ব্যবস্থা হবে। না হলে সুযোগ বুঝে অসাধু মাছ শিকারিরা ইলিশ শিকার করবেই।’

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিরাজ হোসাইন বলেন, ‘আমরা মাঝে মাঝেই অসাধু ইলিশ শিকারিদের ধরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জেল-জরিমানা করছি। তবে জেলেরা কৌশলে সন্ধ্যা বা গভীর রাতে ইলিশ ধরে কাশবনে বসেই বিক্রি করছেন। যেটা আমাদের যাওয়ার আগেই তারা সরে যান।

‘ট্রলার বা স্পিডবোট নিয়ে গেলে, তারা দূর থেকে দেখে পালিয়ে যান। যে কারণে তাদের ধরার কোনো সুযোগ নেই।’

আরও পড়ুন:
‘দুই বন্ধুর শক্তি পরীক্ষার খেলায়’ প্রাণ গেল একজনের
পুকুরে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু
খেলার সময় খাট থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু
রিকশা থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল শিশুর
‘খেলার ছলে’ কীটনাশক পানে শিশুর মৃত্যু

শেয়ার করুন

৯ পৌর ও রংপুর-রাজশাহীর ইউপিতে নৌকা পেলেন যারা

৯ পৌর ও রংপুর-রাজশাহীর ইউপিতে নৌকা পেলেন যারা

ফাইল ছবি

তৃতীয় ধাপে ১ হাজার ৭টি ইউনিয়ন এবং ১০টি পৌরসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হবে আগামী ২৮ নভেম্বর।

তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের ১৬ জেলায় মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ। এ ছাড়া অন্তত ৯টি পৌরসভায়ও প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে দলটি।

বৃহস্পতিবার বিকালে গণভবনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এসব প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

তৃতীয় ধাপে ১ হাজার ৭টি ইউনিয়ন এবং ১০টি পৌরসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হবে আগামী ২৮ নভেম্বর।

৯ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন রংপুরের পীরগঞ্জে আবু ছালেহ মো. তাজিমুল ইসলাম, নীলফামারী সদর পৌরসভায় দেওয়ান কামাল আহমেদ, পাবনার বেড়ায় এস এম আসিফ শামস, পটুয়াখালীর গলাচিপায় আহসানুল হক তুহিন, টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে শহীদুজ্জামান খান, গাজীপুরের কালিয়াকৈরে মো. রেজাউল করিম, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সৈয়দ মো. মনসুরুল হক, লক্ষ্মীপুর সদর পৌরসভায় মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভূঁঞা, নোয়াখালীর সেনবাগে মো. আবু জাফর টিপু।

তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের ১৬ জেলায় আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা দেওয়া হলো- তালিকা

আরও পড়ুন:
‘দুই বন্ধুর শক্তি পরীক্ষার খেলায়’ প্রাণ গেল একজনের
পুকুরে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু
খেলার সময় খাট থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু
রিকশা থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল শিশুর
‘খেলার ছলে’ কীটনাশক পানে শিশুর মৃত্যু

শেয়ার করুন

শতবর্ষী নিদর্শন নিয়ে গেল চোর

শতবর্ষী নিদর্শন নিয়ে গেল চোর

শুক্রবার সকালের দিকে চুরি হয়ে গেছে মাদারীপুরের শিবচরের মৌলভী বাড়ির প্রাচীন শতবর্ষী ডেগ। ছবি: নিউজবাংলা

বিশালাকৃতির ডেগটির উচ্চতা ৩ ফুট ৬ ইঞ্চি। এর আয়তন ১৪৮ ইঞ্চি। ডেগের উপর দিকে কাঁধ বরাবর চারকোণে চারটি রিং রয়েছে। যার ওজন প্রায় ৪ কেজি করে। ডেগটি সরানোর জন্য পূর্ণবয়স্ক ১৪ থেকে ১৫ জন লোক লাগত। কমপক্ষে ৯-১০ মণ খিচুরি এই ডেগের মধ্যে রাখা যেত।

মাদারীপুরের শিবচরের প্রয়াত মাওলানা খবির উদ্দিন আহমেদ আল কাদেরি শত বছর আগে ইরাকের বাগদাদ থেকে একটি ডেগ এনেছিলেন। প্রাচীন নিদর্শন হিসেবে বিশাল ডেগটি দেখতে দূরদূরান্ত থেকে অনেকে তার বাড়িতে আসতেন।

বৃহস্পতিবার রাতে শতবর্ষী পিতলের সেই ডেগটি চুরি করে নিয়ে গেছে একটি চক্র। শিবচরের মগড়া পুকুরপাড় গ্রামে খবির উদ্দিনের কবরের পাশে খোলা একটি ঘরে ডেগটি দর্শনার্থীদের জন্য রাখা ছিল।

শুক্রবার ফজরের নামাজের সময় খবির উদ্দিনের নাতি হাবিব মুন্সী মসজিদে যাওয়ার সময় দেখেন ডেগটি নেই। ডেগ যেখানে রাখা ছিল সেই ঘরের একটি খুঁটি ভেঙে চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ডেগ চুরির ঘটনার জানার পর পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে জানায়। পরে শিবচর থানার তদন্ত কেন্দ্র থেকে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

স্থানীয়রা জানান, ডেগটিতে খোদাই করে লেখা ছিল ‘ডেগ ওরুচে পিরানে পীর সৈয়দ আব্দুল কাদের জিলানি- গোলাম ফকির-শ্রী মৌলবি খবির উদ্দিন কাদেরি, সাং- উৎরাইল, সন- ১৩১৯’। বাকি লেখাটুকু অস্পষ্ট ছিল। ওই লেখা দেখে ধারণা করা হয়, ডেগটি বাগদাদ থেকে আনা।

বিশালাকৃতির ডেগটির উচ্চতা ৩ ফুট ৬ ইঞ্চি। এর আয়তন ১৪৮ ইঞ্চি। ডেগের উপর দিকে কাঁধ বরাবর চারকোণে চারটি রিং রয়েছে। যার ওজন প্রায় ৪ কেজি করে। ডেগটি সরানোর জন্য পূর্ণবয়স্ক ১৪ থেকে ১৫ জন লোক লাগত। কমপক্ষে ৯-১০ মণ খিচুরি এই ডেগের মধ্যে রাখা যেত।

ডেগ চুরির পর স্থানীয় একটি বাড়ির ক্লোজ সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানে কাপড়ে ঢাকা ডেগ সদৃশ কিছু একটা নিয়ে যাচ্ছেন তিন থেকে চারজন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই ভ্যানে করেই ডেগটি চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়।

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিরাজ হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। স্থানীয় একটি সিসিটিভির ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চোরচক্রকে ধরতে অভিযান চলছে।’

আরও পড়ুন:
‘দুই বন্ধুর শক্তি পরীক্ষার খেলায়’ প্রাণ গেল একজনের
পুকুরে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু
খেলার সময় খাট থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু
রিকশা থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল শিশুর
‘খেলার ছলে’ কীটনাশক পানে শিশুর মৃত্যু

শেয়ার করুন