গৃহকর্ত্রীর নির্যাতন, সেই শিশুকে এসপির সহায়তা

গৃহকর্ত্রীর নির্যাতন, সেই শিশুকে এসপির সহায়তা

নির্যাতনের শিকার শিশুর বাবার হাতে বৃহস্পতিবার আর্থিক সহায়তা তুলে দেন পুলিশ সুপার আহমার উজ্জামান। ছবি: নিউজবাংলা

৯ সেপ্টেম্বর শিশুটিকে নির্যাতনের পর বাড়ির পাশে ফেলে রাখা হয়। ১০ সেপ্টেম্বর তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন শিশুটির বাবা। এ ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।  

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় নির্যাতনের শিকার সেই শিশু গৃহকর্মীকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন পুলিশ সুপার (এসপি) আহমার উজ্জামান। শিশুটির চিকিৎসার দায়িত্বও নিয়েছেন তিনি।

নির্যাতনের শিকার শিশুর বাবার হাতে বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে সহায়তা তুলে দেন এসপি।

নিউজবাংলাকে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ।

১১ বছরের ওই শিশুকে নির্যাতনের ঘটনায় গত ১০ সেপ্টেম্বর রাত ১২টার দিকে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন তার বাবা।

মামলায় উপজেলার বাগতা গ্রামের সাইফুল ইসলামের স্ত্রী আছমা আক্তার, তার বোন লিটু ও ভাই সোহাগকে আসামি করা হয়।

মামলায় বলা হয়, ময়মনসিংহ সদরের চরপাড়া নয়াপাড়া খালপাড় এলাকার একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন আছমা আক্তার। গত মে মাসে আছমার ছোট বোন লিটু ও ভাই সোহাগ ফুলবাড়িয়া উপজেলার কুশমাইল পানের ভিটা গ্রাম থেকে মাসে এক হাজার টাকা বেতনে ওই শিশুকে গৃহকর্মী হিসেবে আছমার বাড়িতে নিয়ে আসে।

শুরু থেকেই কাজে সামান্য ভুল হলেই শিশুটিকে মারধর করা হতো। মাঝে মধ্যে ব্লেড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থান ক্ষতবিক্ষত করা হয়। শিশুটিকে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতেও দেয়া হতো না।

গত ৯ সেপ্টেম্বর নির্যাতনের পর লিটু ও সোহাগ শিশুটিকে তার বাড়ির পাশে ফেলে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেয়। সেখানে সে অসুস্থ হয়ে পড়লে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার শিশুটির বাবার সঙ্গে কথা হয় নিউজবাংলার। তিনি বলেন, ‘আমি চায়ের দোহানদার (দোকানদার)। একবেলা খাইলে আরেকবার খাইবার পারিনা। ভাবছিলাম মাইয়্যাডারে (মেয়েকে) ভালা বাড়িতে কামে দিছি। অহন (এখন) বুঝবার পারছি আমি ভুল করছিলাম। সারা শরীর ব্লেড দিয়া কাইট্টাইলছে! আমি এর বিচার চাই।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন বলেন, ‘মামলার পর আসামিরা পালিয়েছেন। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। দ্রুত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

আরও পড়ুন:
গৃহকর্মীকে ‘ধর্ষণ’, পুলিশের বিরুদ্ধে মীমাংসার অভিযোগ
নির্যাতনের অভিযোগে স্বামীর গ্রেপ্তার দাবি
বৃদ্ধাকে হেনস্তার ভিডিও ভাইরাল: গ্রেপ্তার ২
গৃহবধূ হত্যা মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার
বৃদ্ধাকে হেনস্তার ভিডিও ভাইরাল, ৪ স্বজনের নামে মামলা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

দুই ঘণ্টার চেষ্টায় নিভল পোশাক কারখানার আগুন

দুই ঘণ্টার চেষ্টায় নিভল পোশাক কারখানার আগুন

স্টেশন অফিসার তাশারুফ হোসেন বলেন, পাঁচ তলা ভবনের নিচ তলার ফেব্রিকস ও এক্সেসরিজের গুদামে আগুনের সূত্রপাত। প্রথমে কাশিমপুর ডিবিএলের একটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে জয়দেবপুর ও কালিয়াকৈরের থেকে আরও ছয়টি ইউনিট যোগ দেয়। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। তবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর জানা যাবে।

গাজীপুরের কোনাবাড়িতে পোশাক কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

জরুন এলাকার রিপন গার্মেন্টসে মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে আগুন লাগে, নিয়ন্ত্রণে আসে দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়দেবপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার তাশারুফ হোসেন।

তিনি বলেন, পাঁচ তলা ভবনের নিচ তলার ফেব্রিকস ও এক্সেসরিজের গুদামে আগুনের সূত্রপাত। প্রথমে কাশিমপুর ডিবিএলের একটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে জয়দেবপুর ও কালিয়াকৈরের থেকে আরও ছয়টি ইউনিট যোগ দেয়। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। তবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর জানা যাবে।

কারখানার নিরাপত্তাকর্মী কাজল কুমার ও বিপ্লব বলেন, দুপুর সোয়া ১২ টার দিকে হঠাৎ নিচতলার গুদামে আগুন লাগে। পরে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

শ্রমিক হাবিব বলেন, ‘কারখানায় প্রায় ৩ হাজার শ্রমিক কাজ করেন। হঠাৎ নিচতলায় আগুন লাগলে আমরা সবাই নিরাপদে বের হয়ে যাই।’

এ বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
গৃহকর্মীকে ‘ধর্ষণ’, পুলিশের বিরুদ্ধে মীমাংসার অভিযোগ
নির্যাতনের অভিযোগে স্বামীর গ্রেপ্তার দাবি
বৃদ্ধাকে হেনস্তার ভিডিও ভাইরাল: গ্রেপ্তার ২
গৃহবধূ হত্যা মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার
বৃদ্ধাকে হেনস্তার ভিডিও ভাইরাল, ৪ স্বজনের নামে মামলা

শেয়ার করুন

কিশোরীর আত্মহত্যা: স্কুল কমিটির সদস্য গ্রেপ্তার

কিশোরীর আত্মহত্যা: স্কুল কমিটির সদস্য গ্রেপ্তার

কিশোরীকে যৌন নির্যাতন ও আত্মহত্যার প্ররোচনা দেয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার এই ব্যক্তি। ছবি: নিউজবাংলা

মামলার বরাত দিয়ে ওসি জানান, স্কুলের পরিত্যক্ত ভবনের ছাদে নিয়ে ওই কিশোরীর ওপর যৌন নির্যাতন চালায় রফিকুল ও সহযোগী শাহিনুর- এমন অভিযোগে তাদের আসামি করে গত ৮ নভেম্বর ক্ষেতলাল থানায় মামলা করেন কিশোরীর বাবা। এরপর গত ১৮ নভেম্বর দুপুরে ওই কিশোরীকে রফিকুল, শাহিনুর ও অন্য আসামিরা অপমান করেন। ওইদিন বিকেলে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে ওই স্কুলছাত্রী।

জয়পুরের ক্ষেতলালে এক স্কুলছাত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেয়ার অভিযোগে বড়তারা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য রফিকুুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নীরেন্দ্র নাথ মণ্ডল জানান, রফিকুলকে সোমবার সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার নামে স্কুলছাত্রীকে যৌন নির্যাতন ও আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেয়ার অভিযোগে মামলা আছে।

ওই স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী গত ১৮ নভেম্বর নিজ ঘরে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার বরাত দিয়ে ওসি জানান, স্কুলের পরিত্যক্ত ভবনের ছাদে নিয়ে ওই কিশোরীর ওপর যৌন নির্যাতন চালায় রফিকুল ও সহযোগী শাহিনুর- এমন অভিযোগে তাদের আসামি করে গত ৮ নভেম্বর ক্ষেতলাল থানায় মামলা করেন কিশোরীর বাবা। মামলার পর থেকে মেয়েটির পরিবারকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন আসামিরা।

এরপর গত ১৮ নভেম্বর দুপুরে নিজ বাড়ির সামনে ওই কিশোরীকে রফিকুল, শাহিনুর ও অন্য আসামিরা অপমান করেন। যৌন নির্যাতনের জন্য তাকেই দায়ী করে মামলা তুলে নেয়ার হুমকি দেন। মামলা প্রত্যাহার না করলে রফিকুল তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করারও হুমকি দেন তাকে। এ কারণে ওইদিন বিকেলে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে ওই স্কুলছাত্রী।

আত্মহত্যার পর ওই কিশোরীর সুইসাইড নোট পাওয়ার দাবি করে তার পরিবার। মামলার এজাহারেও সুইসাইড নোটের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর পর থেকেই রফিকুল পলাতক ছিলেন।

ওসি আরও জানান, রফিকুলের এক ছেলে ও এক মেয়ে ওই স্কুলেই পড়ে। যে স্কুলছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে, সে ওই স্কুলের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ত। সে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বলে মামলায় উল্লেখ করা আছে। তার মৃত্যুর পরদিন রফিকুল ও শাহিনুরসহ পাঁচজনের নামে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে আরেকটি মামলা করেন কিশোরীর বাবা।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহারুল আলম বলেন, ‘আসামি রফিকুল ওই কিশোরীকে এক বছর থেকে বিভিন্নভাবে যৌন নির্যাতন চালানোর বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তাকে মঙ্গলবার আদালতে তোলার কথা রয়েছে।’

ক্ষেতলাল থানার ওসি নীরেন্দ্র নাথ জানান, দুই মামলায় এখন পর্যন্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে আরেকজন হলেন রফিকুলের মামা আব্দুর রাজ্জাক। অন্য তিন আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
গৃহকর্মীকে ‘ধর্ষণ’, পুলিশের বিরুদ্ধে মীমাংসার অভিযোগ
নির্যাতনের অভিযোগে স্বামীর গ্রেপ্তার দাবি
বৃদ্ধাকে হেনস্তার ভিডিও ভাইরাল: গ্রেপ্তার ২
গৃহবধূ হত্যা মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার
বৃদ্ধাকে হেনস্তার ভিডিও ভাইরাল, ৪ স্বজনের নামে মামলা

শেয়ার করুন

ছাত্রীকে ধর্ষণে মাদ্রাসাশিক্ষকের যাবজ্জীবন

ছাত্রীকে ধর্ষণে মাদ্রাসাশিক্ষকের যাবজ্জীবন

সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে এই মাদ্রাসাশিক্ষককে। ছবি: নিউজবাংলা

২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারি দুপুরে গাইড বই দেয়ার কথা বলে ওই ছাত্রীকে মাদ্রাসায় ডেকে নেন সাইফুল। মাদ্রাসার কাছেই নিজ বাড়ির দোতলায় নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঘরে রেখেই পালিয়ে যান তিনি।

বরগুনায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষক সাইফুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দেয়া হয়েছে মামলার আরেক আসামি সাইফুলের ভাবী রাশেদা বেগমকে।

বরগুনার জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হাফিজুর রহমান মঙ্গলবার দুপুরে এই রায় দেন।

সাইফুল ইসলামের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার ফুলঝুরি ইউনিয়নের সাহেবের হাওলা গ্রামে।

২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারি দুপুরে গাইড বই দেয়ার কথা বলে ওই ছাত্রীকে মাদ্রাসায় ডেকে নেন সাইফুল। মাদ্রাসার কাছেই নিজ বাড়ির দোতলায় নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঘরে রেখেই পালিয়ে যান তিনি।

আশপাশের লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নেয়। সেখান থেকে পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে তাকে চিকিৎসা দেয়া হয়।

ঘটনার দিন বিকেলেই সাইফুল ও তার ভাবীর বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা করেন ওই কিশোরীর বাবা। সে বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি সাইফুলকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

আরও পড়ুন:
গৃহকর্মীকে ‘ধর্ষণ’, পুলিশের বিরুদ্ধে মীমাংসার অভিযোগ
নির্যাতনের অভিযোগে স্বামীর গ্রেপ্তার দাবি
বৃদ্ধাকে হেনস্তার ভিডিও ভাইরাল: গ্রেপ্তার ২
গৃহবধূ হত্যা মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার
বৃদ্ধাকে হেনস্তার ভিডিও ভাইরাল, ৪ স্বজনের নামে মামলা

শেয়ার করুন

ট্রেনে কাটা পড়ে লাইনে বসে থাকা স্কুলছাত্রী নিহত

ট্রেনে কাটা পড়ে লাইনে বসে থাকা স্কুলছাত্রী নিহত

ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত স্কুলছাত্রী নুসরাত জাহান তোয়া। ছবি: নিউজবাংলা

তোয়ার মা শায়লা বেগম বলেন, ‘সকালে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে আমার মেয়ে বের হয়। আমি আর আমার ছোট মেয়ে তাকে খানিকটা এগিয়েও দিয়ে আসি। বান্ধবীর বাসা থেকে তার স্কুলে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার কথা। ও রেললাইনে কীভাবে গেল বুঝতে পারছি না।’

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে এক স্কুলছাত্রী নিহত হয়েছে।

কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গর এলাকায় মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নুসরাত জাহান তোয়া এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সে পরিবারের সঙ্গে এলেঙ্গা শামসুল হক কলেজের সামনে একটি ভাড়া বাসায় থাকত। তাদের বাড়ি চট্টগ্রামে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তারা স্কুলের পোশাক পরা দুটি ছেলেমেয়েকে রেললাইনে এসে বসে থাকতে দেখেন। মেয়েটি লাইনের ওপর আর ছেলেটি একটু নিচে পাথরের ওপর বসা ছিল। এ সময় উত্তরবঙ্গগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনে ওই স্কুলছাত্রী কাটা পড়ে। এরপর ছেলেটি দ্রুত সেখান থেকে চলে যায়।

পুলিশ তার মোবাইল চেক করে জানায়, দুর্ঘটনার আধ ঘণ্টা আগে সোহাগ আল হাসান জয় নামের এক ছেলের সঙ্গে মেয়েটির মেসেঞ্জারে কথা হয়। তারা রেললাইনে দেখা করতে আসে।

তবে তোয়ার মা শায়লা বেগম বলেন, ‘সকালে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে আমার মেয়ে বের হয়। আমি আর আমার ছোট মেয়ে তাকে খানিকটা এগিয়েও দিয়ে আসি। বান্ধবীর বাসা থেকে তার স্কুলে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার কথা। ও রেললাইনে কীভাবে গেল বুঝতে পারছি না।’

এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুল করিম বলেন, ‘আজকে তোয়াদের গণিত পরীক্ষা ছিল। সকালে খবর পাই সে ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গেছে।’

ঘারিন্দা রেলওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ এএসআই আব্দুস সবুর জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
গৃহকর্মীকে ‘ধর্ষণ’, পুলিশের বিরুদ্ধে মীমাংসার অভিযোগ
নির্যাতনের অভিযোগে স্বামীর গ্রেপ্তার দাবি
বৃদ্ধাকে হেনস্তার ভিডিও ভাইরাল: গ্রেপ্তার ২
গৃহবধূ হত্যা মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার
বৃদ্ধাকে হেনস্তার ভিডিও ভাইরাল, ৪ স্বজনের নামে মামলা

শেয়ার করুন

মা-মেয়েকে ধর্ষণ মামলা: তিনজনকে যাবজ্জীবন

মা-মেয়েকে ধর্ষণ মামলা: তিনজনকে যাবজ্জীবন

গাইবান্ধার আদালতে রায় ঘোষণার পর দণ্ডিত আসামিদের নেয়া হয় কারাগারে। ছবি: নিউজবাংলা

আইনজীবী ফারুক আহমেদ বলেন, ২০১৮ সালের ১২ মে মা-মেয়েকে অর্থ সম্পদ পাইয়ে দেয়ার কথা বলে জামালপুর থেকে গোবিন্দগঞ্জে ডেকে নেন আসামিরা। পরে তাদের উপজেলার আমনাথপুর বালুয়া এলাকায় নিয়ে ধর্ষণ করে তারা। এ ঘটনার পরদিন ওই নারী বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে ধর্ষণ মামলা করেন।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মা-মেয়ে ধর্ষণ মামলায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। মামলায় দুই আসামিকে খালাস দেয়া হয়েছে।

গাইবান্ধা নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল-২ আদালতের বিচারক আবদুর রহমান মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে এ রায় দেন।

দণ্ডিতরা হলেন গাইবান্ধার গোবিন্দঞ্জ উপজেলার গোসাইপুর গ্রামের বেলাল হোসেন। একই গ্রামের এমদাদুল হক ও শ্যামপুর পারর্তীপুর গ্রামের খাজা মিয়া।

খালাস পাওয়া দুজন হলেন আজিজুল ইসলাম ও আসাদুল ইসলাম। আজিজুলের বাড়ি সাতগাছি হাতিয়াদহ গ্রামে এবং আসাদুলের বাড়ি সুন্দাইল গ্রামে।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফারুক আহমেদ প্রিন্স।

তিনি জানান, ২০১৮ সালের ১২ মে মা-মেয়েকে অর্থ-সম্পদ দেয়ার কথা বলে জামালপুর থেকে গোবিন্দগঞ্জে ডেকে নেন আসামিরা। পরে তাদের উপজেলার আমনাথপুর বালুয়া এলাকায় নিয়ে ধর্ষণ করে তারা।

এ ঘটনার পরদিন ওই নারী বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে গোবিন্দঞ্জ থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। পরে পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে।

রায় ঘোষণার সময় পাঁচ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
গৃহকর্মীকে ‘ধর্ষণ’, পুলিশের বিরুদ্ধে মীমাংসার অভিযোগ
নির্যাতনের অভিযোগে স্বামীর গ্রেপ্তার দাবি
বৃদ্ধাকে হেনস্তার ভিডিও ভাইরাল: গ্রেপ্তার ২
গৃহবধূ হত্যা মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার
বৃদ্ধাকে হেনস্তার ভিডিও ভাইরাল, ৪ স্বজনের নামে মামলা

শেয়ার করুন

নির্বাচনি সহিংসতা: ছাত্রলীগ নেতা হত্যায় মামলা

নির্বাচনি সহিংসতা: ছাত্রলীগ নেতা হত্যায় মামলা

ইউপি নির্বাচনে সহিংসতায় নিহত লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের ইছাপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সজিব হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা

রামগঞ্জ থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, ইছাপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হিসেবে সদ্য জয়ী আমিরকে প্রধান আসামি করে সজিবের বোন ২১ জনের নামসহ অজ্ঞাতপরিচয় ২০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের ইছাপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ও এর বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে।

নিহত সজিব হোসেনের বোন মঙ্গলবার সকালে বিজয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থীকে প্রধান আসামি করে রামগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, ২৮ তারিখের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন আমির হোসেন খাঁন। তিনি এই নির্বাচনে জয় পান।

আমিরকে প্রধান আসামি করে সজিবের বোন ২১ জনের নামসহ অজ্ঞাতপরিচয় ২০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

এর আগে রোববার ওসি জানান, রোববার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে নৌকা ও এর বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে এটি সংঘর্ষ পর্যন্ত গড়ায়। সে সময় মাথায় আঘাত পান সজিব হোসেন।

তাকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সেখান থেকে চাঁদপুরের হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন:
গৃহকর্মীকে ‘ধর্ষণ’, পুলিশের বিরুদ্ধে মীমাংসার অভিযোগ
নির্যাতনের অভিযোগে স্বামীর গ্রেপ্তার দাবি
বৃদ্ধাকে হেনস্তার ভিডিও ভাইরাল: গ্রেপ্তার ২
গৃহবধূ হত্যা মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার
বৃদ্ধাকে হেনস্তার ভিডিও ভাইরাল, ৪ স্বজনের নামে মামলা

শেয়ার করুন

শফি-বাবুনগরীর পাশে শায়িত হলেন জিহাদী

শফি-বাবুনগরীর পাশে শায়িত হলেন জিহাদী

শফি-বাবুনগরীর পাশে শায়িত হলেন নুরুল ইসলাম জিহাদী। সংগৃহীত ছবি

হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটির নায়েবে আমির সালাউদ্দিন নানুপুরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রাতে ঢাকায় জানাজা শেষে মাদ্রাসায় নিয়ে আসা হয় হুজুরের মরদেহ। শফি সাহেব ও বাবুনগরী সাহেবের কবরের পাশে তার জন্য কবর তৈরি করা হয়েছিল। মরদেহ মাদ্রাসায় আনার পর ফজরের আজানের আগে দাফন করা হয়েছে।’

আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও জুনায়েদ বাবুনগরীর পাশে শায়িত হলেন হেফাজতে ইসলামের প্রয়াত মহাসচিব আল্লামা নুরুল ইসলাম জিহাদী।

মঙ্গলবার ফজরের আজানের আগে হাটহাজারী দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় সংলগ্ন বায়তুন নূর মসজিদের পেছনে তাকে দাফন করা হয়।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটির নায়েবে আমির সালাউদ্দিন নানুপুরী।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রাতে ঢাকায় জানাজা শেষে মাদ্রাসায় নিয়ে আসা হয় হুজুরের মরদেহ। শফি সাহেব ও বাবুনগরী সাহেবের কবরের পাশে তার জন্য কবর প্রস্তুত করে রাখা হয়েছিল। মরদেহ মাদ্রাসায় আনার পর ফজরের আজানের আগে দাফন করা হয়েছে।’

এর আগে সোমবার সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালের চিকিৎসধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। শনিবার রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় ল্যাবএইডে ভর্তি করা হয়েছিল তাকে।

আরও পড়ুন:
গৃহকর্মীকে ‘ধর্ষণ’, পুলিশের বিরুদ্ধে মীমাংসার অভিযোগ
নির্যাতনের অভিযোগে স্বামীর গ্রেপ্তার দাবি
বৃদ্ধাকে হেনস্তার ভিডিও ভাইরাল: গ্রেপ্তার ২
গৃহবধূ হত্যা মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার
বৃদ্ধাকে হেনস্তার ভিডিও ভাইরাল, ৪ স্বজনের নামে মামলা

শেয়ার করুন