সশরীরে পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের জন্য চলবে জবির বাস

সশরীরে পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের জন্য চলবে জবির বাস

পরিবহন পুল প্রশাসক আব্দুল্লাহ্-আল্-মাসুদ বলেন, ‘বাস কীভাবে চলবে এটা রোববার বিকেলে স্পষ্টভাবে বলতে পারব। তবে পরীক্ষার্থীদের যেভাবে আসতে সুবিধা হবে সেভাবেই চলবে। ডিন মহোদয়রা আবার বসেছেন। তারা সময়টা রোববারে চূড়ান্ত করবেন।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সশরীরে পরীক্ষা নেয়ার সময় শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য চালু থাকবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস। তবে পরীক্ষা দুই শিফটে হলেও বাস চলবে এক শিফটে।

বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জবি ৭ অক্টোবর থেকে সশরীরে পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ইতমধ্যে পরীক্ষার সময়সূচিও প্রকাশ করেছে বিভিন্ন বিভাগ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৭ অক্টোবর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ইনস্টিটিউট ও বিভাগে সশরীরে পরীক্ষা নেয়া হবে। যদি সার্বিক পরিস্থিতির কারণে সশরীরে পরীক্ষা গ্রহণ নেয়া সম্ভব না হয়, তবে অনলাইনে পরীক্ষা নেয়া হবে। শিক্ষার্থীদের সশরীরে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য নির্ধারিত রুটে পরিবহন সুবিধা চালু থাকবে।

বিজ্ঞপ্তিতে পরিবহন সুবিধা চালু থাকার কথা বলা হলেও কীভাবে কখন চলাচল করবে এ বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। এদিকে বিভিন্ন বিভাগ ও ইন্সটিটিউটের দেয়া পরীক্ষার সময়সূচিতে দেখা গেছে, পরীক্ষা হবে দুই শিফটে।

এ বিষয়ে পরিবহন পুল প্রশাসক অধ্যাপক আব্দুল্লাহ্-আল্-মাসুদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাস কীভাবে চলবে এটা রোববার বিকেলে স্পষ্টভাবে বলতে পারব। তবে পরীক্ষার্থীদের যেভাবে আসতে সুবিধা হবে সেভাবেই চলবে। ডিন মহোদয়রা আবার বসেছেন। তারা সময়টা রোববারে চূড়ান্ত করবেন।’

তিনি বলেন, ‘যদি পরীক্ষার সময়টা অনেক সকালেই হয়ে যায়, তাহলে শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক কষ্টকর হয়ে যাবে। তাই সময়ের সিদ্ধান্তটা আসলেই আমরা বাসের শিডিউল জানাতে পারব।’

পরীক্ষা দুই শিফটে হওয়ায় বাস দুই শিফটে চলবে কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘বাস একবার করেই যাওয়া-আসা করবে। সকালে আসবে একবার, যাবে একবার। দুইবার বাস চালানো সম্ভব না।’

এর আগে ১১ আগস্ট থেকে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ ও লকডাউন শেষে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য পুনরায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস সার্ভিস চালু হয়।

আরও পড়ুন:
দুই সেমিস্টারের পরীক্ষার পর জবি খোলার চিন্তা
জবিতে তিন নতুন সহকারী প্রক্টর
গবেষণা সহযোগিতায় জবি ও বিসিএসআইআরের সমঝোতা
জবিতে সশরীরে পরীক্ষা ৭ অক্টোবর থেকে
জবিতে ১৪৮ কোটি টাকার বাজেট পাস

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ঢাবি ছাত্রলীগের হল সম্মেলন: ৩৬ পদের পেছনে ৩৩০ জন

ঢাবি ছাত্রলীগের হল সম্মেলন: ৩৬ পদের পেছনে ৩৩০ জন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের হল সম্মেলন উপলক্ষে জীবনবৃত্তান্ত জমা দিচ্ছেন এক পদপ্রত্যাশী। ছবি: ফেসবুক

ঢাবি ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক মেফতাহুল বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত সিভি নেয়ার কথা থাকলেও আমরা রাত ১২টা পর্যন্ত সিভি জমা নিয়েছি। সন্ধ্যা ৬টার দিকে একবার গণনা করা হয়েছিল। তখন ৩০৮টা সিভি জমা পড়েছে। এখন পর্যন্ত আমি আরও ২০-২২টা সিভি নিয়েছি। সর্বমোট প্রায় ৩৩০ জন পদ প্রত্যাশী তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের হল সম্মেলনে শীর্ষ পদ প্রত্যাশীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত জমা নেয়া শেষ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি আবাসিক হল শাখার ৩৬টি পদের জন্য ৩৩০ জন পদ প্রত্যাশী তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম পান্থ।

২৮ ডিসেম্বর থেকে ১৮টি আবাসিক হলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত জমা নেয়া হয়। এদিন ছিল জীবনবৃত্তান্ত জমা দেয়ার শেষ দিন।

জীবনবৃত্তান্ত জমা দেয়ার বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক মেফতাহুল বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত সিভি নেয়ার কথা থাকলেও আমরা রাত ১২টা পর্যন্ত সিভি জমা নিয়েছি। সন্ধ্যা ৬টার দিকে একবার গণনা করা হয়েছিল। তখন ৩০৮টা সিভি জমা পড়েছে। এখন পর্যন্ত আমি আরও ২০-২২টা সিভি নিয়েছি। সর্বমোট প্রায় ৩৩০ জন পদ প্রত্যাশী তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন।’

দপ্তর সম্পাদক সূত্রে জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি হলের মধ্যে সবেচেয়ে বেশি পদ প্রত্যাশী রয়েছেন ফজলুল হক মুসলিম হলে। এই হল থেকে ৩১ জন পদ প্রত্যাশী তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন। সবচেয়ে কম জীবনবৃত্তান্ত জমা পড়েছে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল থেকে। এই আবাসিক হলটি থেকে আটজন পদ প্রত্যাশী তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন।

এতো বেশি পদ প্রত্যাশী থাকার কারণ সম্পর্কে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পদপ্রত্যাশী বলেন, ‘দীর্ঘ চার বছর হল কমিটি নেই। এতো দীর্ঘ সময়ের কারণে অনেক পদ প্রত্যাশী তাদের ছাত্রত্ব শেষ করে ফেলেছে। আবার নতুন করে অনেকে পদ প্রত্যাশী তৈরি হয়েছে। সাধারণত প্রতি বছর হল কমিটি হওয়ার কথা। তবে চার বছর কমিটি না থাকায় প্রতি বছর নতুন নতুন পদ প্রত্যাশী তৈরি হওয়ায় সংখ্যাটা বেশি।’

এই পদ প্রত্যাশী বলেন, ‘এই সংখ্যা বেশি হওয়ার আরও একটি কারণ আছে। সেটি হলো পদ প্রত্যাশী যারা হল সম্মেলনে পদ পাবেন না তাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বর্ধিত কমিটিতে রাখা হয়। সেই কমিটিতে থাকার জন্যও অনেকে তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘জীবনবৃত্তান্ত জমা নেয়া শেষ হয়েছে। এসব জীবনবৃত্তান্ত যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া আগামী দুই দিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে। এরপর আমরা কয়েকদিনের মধ্যেই কেন্দ্রীয়ভাবে সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করে সেটা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানিয়ে দেব। এছাড়া হল সম্মেলনের পরপরই আমরা কমিটি দিয়ে দিতে পারব বলে প্রত্যাশা করছি।’

আরও পড়ুন:
দুই সেমিস্টারের পরীক্ষার পর জবি খোলার চিন্তা
জবিতে তিন নতুন সহকারী প্রক্টর
গবেষণা সহযোগিতায় জবি ও বিসিএসআইআরের সমঝোতা
জবিতে সশরীরে পরীক্ষা ৭ অক্টোবর থেকে
জবিতে ১৪৮ কোটি টাকার বাজেট পাস

শেয়ার করুন

‘সব শিক্ষার্থীকে ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন করতে হবে’

‘সব শিক্ষার্থীকে ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন করতে হবে’

বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত দ্বিতীয় দিনের আলোচনা সভায় বক্তারা। ছবি: নিউজবাংলা

সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগ নিরলসভাবে জ্ঞান চর্চা এবং সৃষ্টির সাধনায় নিয়োজিত আছে। তারপরও মাঝে মাঝে কথা উঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতিকে যে নেতৃত্ব দিয়েছে সেই নেতৃত্বের স্থান ধরে রাখতে তাদের অনেক কষ্ট হচ্ছে। গতকাল যে উৎসাহ উদ্দীপনায় শতবর্ষের অনুষ্ঠান হয়েছে তাতে আমি আশাবাদী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুনর্জাগরণের জন্য এটি একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।’

যে শিক্ষার্থী যে বিভাগেই পড়ুক প্রত্যেক শিক্ষার্থীকেই ডিজিটাল দক্ষতা অর্জনের ওপর জোর দিতে পরামর্শ দিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমার অনুরোধ তোমরা যে যেই বিভাগেই পড়না কেন তোমরা প্রত্যেকেই ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন কর। তোমরা যেন ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করতে পার।’

বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত দ্বিতীয় দিনের আলোচনা সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বাধীনতা পদক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলামের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালনের মধ্য দিয়ে আলোচনা পর্বের সূচনা হয়।

সভায় মোস্তফা জব্বার বলেন, ‘প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যবহার জানতে হবে। যে যত কথাই বলুক ইন্টারনেট ব্যবহার করাও একটি ডিজিটাল দক্ষতা। এই দক্ষতা তুমি অর্জন করবে তবে অপব্যবহার করবে না। এটা তোমাদের জন্য একটা সুযোগ। তোমরা নিঃসন্দেহে সেটি কাজে লাগাবে। এই জন্য কিন্তু তোমাদের প্রোগ্রামার বা বিশেষজ্ঞ হতে হবে না। তোমাদের মেধা দক্ষতার ওপর বাংলাদেশের ভবিষ্যত নির্ভর করছে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন।

‘সব শিক্ষার্থীকে ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন করতে হবে’

আলোচনায় অংশ নিয়ে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সাবেক নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেন, ‘আমরা সেই দেশের মানুষ যে দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। আমরা সেই মুক্তিযুদ্ধের উত্তরাধিকারী। সেই সংগ্রামের উত্তরাধিকারী। ছাত্র বন্ধুদের কাছে অনুরোধ, আমরা যেন উত্তরাধিকারীর মত আচরণ করি। উত্তরাধিকারী তার উত্তরাধিকারকে পুঁজি করে নিজের স্বার্থ উদ্ধার করে না বরং উত্তরাধিকারকে আরও সমৃদ্ধ করে। শিক্ষকদের প্রতি অনুরোধ আপনারা শিক্ষার্থীদের এই শিক্ষা দিবেন।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের এখন যে সুযোগ সুবিধা আছে তা কিন্তু বিশ-ত্রিশ বছর আগে ছিল না। তবুও সেসময় আমাদের অনেক গুণী শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে অনেক ভালো গবেষণা হয়েছে। এখন আমাদের কিন্তু ফান্ডের অভাব নেই। আমরা যদি নিজেদের একটু আত্মসমালোচনা করি আগের স্বল্প সুবিধা নিয়ে যে মানের গবেষণা হতো এখন আমরা তা পারছি কিনা । আমার মনে হয়, এখন সময় এসেছে সংখ্যার চেয়ে মানের দিকে বেশি নজর দেয়া।’

সভাপতির বক্তব্যে ড. এ কে আজাদ চৌধুরী বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগ নিরলসভাবে জ্ঞান চর্চা এবং সৃষ্টির সাধনায় নিয়োজিত আছে। তারপরও মাঝে মাঝে কথা উঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতিকে যে নেতৃত্ব দিয়েছে সেই নেতৃত্বের স্থান ধরে রাখতে তাদের অনেক কষ্ট হচ্ছে। গতকাল যে উৎসাহ উদ্দীপনায় শতবর্ষের অনুষ্ঠান হয়েছে তাতে আমি আশাবাদী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুনর্জাগরণের জন্য এটি একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।’

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে আমার একটাই প্রত্যাশা, আগামী শতাব্দীতে আমরা যেন জাতিকে আরও ভাইব্রান্ট, আরও ক্রিয়েটিভিটি এবং হিউম্যান ভ্যালুসসহ রিচ সোসাইটি উপহার দিতে পারি সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করবো।

এ কে আজাদ চৌধুরী বলেন, ‘একটি দেশে কত বিশ্ববিদ্যালয় আছে সেটি গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো বৈশ্বিক অবস্থানে কতটি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। গবেষণায় বিশ্ববিদ্যালয়কে বৈশ্বিক অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার এখনই উপযুক্ত সময়।’

আর এ জন্য সরকারকে উদ্যোগ নেওয়ার আহবান জানান এই ইমেরিটাস অধ্যাপক।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বাহাউদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের অনারারি অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হক, বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান এবং উপ উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভা শেষে সন্ধ্যা ৬টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়। এই পর্বে উপস্থাপনা করবেন নাহিদ আফরোজ সুমি। অনুষ্ঠানের শুরুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ সংগীত পরিবেশন করেন। একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন সূবর্ণা মোস্তফা, নৃত্য পরিবেশন করেন শর্মিলা বন্দোপাধ্যায়।

এছাড়া অধ্যাপক রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, ইয়াসমিন মোস্তারী, কুমার বিশ্বজিৎ এবং ফাহমিদা নবী অনুষ্ঠানে গান পরিবেশনের কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
দুই সেমিস্টারের পরীক্ষার পর জবি খোলার চিন্তা
জবিতে তিন নতুন সহকারী প্রক্টর
গবেষণা সহযোগিতায় জবি ও বিসিএসআইআরের সমঝোতা
জবিতে সশরীরে পরীক্ষা ৭ অক্টোবর থেকে
জবিতে ১৪৮ কোটি টাকার বাজেট পাস

শেয়ার করুন

এইচএসসি পরীক্ষা দিতে আসেনি সাড়ে ৪ হাজার

এইচএসসি পরীক্ষা দিতে আসেনি সাড়ে ৪ হাজার

রাজধানীর একটি কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে ঢুকছেন এইচএসসির পরীক্ষার্থীরা। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস

সারাদেশে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধিনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সকাল এবং বিকেলে শিফটের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী ছিল ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬৬৬ জন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ২ লাখ ৫০ হাজার ৭৩ জন। এই হিসাবে অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ হাজার ৫৯৩ জন।

এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে ৯টি শিক্ষা বোর্ডে সাড়ে চার হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। নকল করার অভিযোগে দিনাজপুর বোর্ডের দুই এবং যশোর বোর্ডের এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রথম দিন নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সকালে পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) বিষয় ও বিকালে সাধারণ বিজ্ঞান, খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) রসায়ন প্রথম পত্র, জীব বিজ্ঞনি, লঘু সংগীত প্রথম পত্র (তত্ত্বীয়) ও মাদ্রাসা বোর্ডের কুরআন মজীদ বিষয়ের পরীক্ষা হয়।

সারাদেশে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধিনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সকাল এবং বিকেলে শিফটের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী ছিল ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬৬৬ জন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ২ লাখ ৫০ হাজার ৭৩ জন। এই হিসাবে অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ হাজার ৫৯৩ জন।

অন্যদিকে পরীক্ষার প্রথম দিনে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে অনুপস্থিতির সংখ্যা ৬ হাজার ৭৫২ জন আর অসাধুপস্থা অবলম্বন করায় ১৮ জনকে বহিস্কার করা হয়েছে। তবে রাত ৮টা পর্যন্ত কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সাধারণত প্রতিবছর এপ্রিল মাসে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হলেও এ বছর করোনা মহামারির কারণে এই পাবলিক পরীক্ষা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নেয়ার ঘোষণা দেয় সরকার।

এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিতে নিবন্ধন করেছে ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ৬৯০ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্র ৭ লাখ ২৯ হাজার ৭৩৮ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৬৯ হাজার ৯৫২ জন।

এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ১৭ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ৫ লাখ ৬৩ হাজার ১১৩ জন এবং ছাত্রী ৫ লাখ ৭৪ হাজার ৯০৪ জন।

মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিমের জন্য নিবন্ধন করেছে ১ লাখ ১৩ হাজার ১৪৪ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬১ হাজার ৭৩৮ জন এবং ছাত্রী ৫১ হাজার ৪০৬ জন।

এইচএসসি (বিএম/ভোকেশনাল) পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করেছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫২৯ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৪ হাজার ৮২৭ জন এবং ছাত্রী ৪৩ হাজার ৬৪২ জন।

৯ হাজার ১৮৩টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ২ হাজার ৬২১টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। দেড় বছর পর ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয় প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

আরও পড়ুন:
দুই সেমিস্টারের পরীক্ষার পর জবি খোলার চিন্তা
জবিতে তিন নতুন সহকারী প্রক্টর
গবেষণা সহযোগিতায় জবি ও বিসিএসআইআরের সমঝোতা
জবিতে সশরীরে পরীক্ষা ৭ অক্টোবর থেকে
জবিতে ১৪৮ কোটি টাকার বাজেট পাস

শেয়ার করুন

৪১তম বিসিএস: বিষয়ভিত্তিক লিখিত পরীক্ষা শুরু ২৯ ডিসেম্বর

৪১তম বিসিএস: বিষয়ভিত্তিক লিখিত পরীক্ষা শুরু ২৯ ডিসেম্বর

সরকারি চাকরিতে বিভিন্ন ক্যাডারে ২ হাজার ১৩৫টি শূন্য পদে প্রার্থী নিয়োগ দিতে গত বছরের ২৭ নভেম্বর ৪১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। ফাইল ছবি

বৃহস্পতিবার পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নূর আহম্মদের সই করা অফিস আদেশে বলা হয়, ৪১তম বিসিএসের বিষয়ভিত্তিক লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে, চলবে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত। পরীক্ষার হল, আসন বিন্যাস ও বিস্তারিত বিষয়াদি পরে জানিয়ে দেয়া হবে। এর আগে গত ১৯ মার্চ দেশের আট বিভাগের কেন্দ্রে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৪১তম বিসিএসে আবেদন করেছিলেন ৪ লাখ ৪ হাজার ৫১৩ প্রার্থী। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৩ লাখ ৪ হাজার ৯০৭ জন। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেননি ৯৯ হাজার ৬০৬ জন।

৪১তম বিসিএসের বিষয়ভিত্তিক লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে। চলবে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত। এর আগে গত ২৯ নভেম্বর থেকে ৪১তম বিসিএসের আবশ্যিক বিষয়গুলোর লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়, যা চলবে আগামী ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার সরকারি কর্ম-কমিশনের (পিএসসসি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নূর আহম্মদের সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

এতে বলা হয়, ৪১তম বিসিএসের বিষয়ভিত্তিক লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে, চলবে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত। পরীক্ষার হল, আসন বিন্যাস ও বিস্তারিত বিষয়াদি পরে জানিয়ে দেয়া হবে।

এর আগে গত ১৯ মার্চ দেশের আট বিভাগের কেন্দ্রে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৪১তম বিসিএসে আবেদন করেছিলেন ৪ লাখ ৪ হাজার ৫১৩ প্রার্থী। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৩ লাখ ৪ হাজার ৯০৭ জন। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেননি ৯৯ হাজার ৬০৬ জন।

গত ১ আগস্ট প্রকাশিত প্রিলিমিনারির ফলাফলে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২১ হাজার ৫৬ জন। উত্তীর্ণরাই লিখিত পরীক্ষায় বসছেন।

সরকারি চাকরিতে বিভিন্ন ক্যাডারে ২ হাজার ১৩৫টি শূন্য পদে প্রার্থী নিয়োগ দিতে গত বছরের ২৭ নভেম্বর ৪১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী প্রশাসন ক্যাডারে ৩২৩ জন, পুলিশে ১০০ জন, পররাষ্ট্রে ২৫ জন, আনসারে ২৩ জন, অর্থ মন্ত্রণালয়ে সহকারী মহাহিসাবরক্ষক (নিরীক্ষা ও হিসাব) ২৫ জন, সহকারী কর কমিশনার (কর) ৬০ জন, সহকারী কমিশনার (শুল্ক ও আবগারি) ২৩ জন ও সহকারী নিবন্ধক হিসেবে ৮ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে।

শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ দেয়া হবে ৯১৫ জনকে। বিসিএস স্বাস্থ্যে সহকারী সার্জন হিসেবে ১১০ জন ও সহকারী ডেন্টাল সার্জন হিসেবে ৩০ জন নিয়োগ পাবেন।

পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে পরিসংখ্যান কর্মকর্তা হিসেবে ১২ জন, রেলপথ মন্ত্রণালয়ে সহকারী যন্ত্র প্রকৌশলী হিসেবে ৪ জন, সহকারী ট্রাফিক সুপারিনটেনডেন্ট হিসেবে ১ জন, সহকারী সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক হিসেবে ১ জন, সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) হিসেবে ২০ জন ও সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) হিসেবে ৩ জন নিয়োগ পাবেন।

তথ্য মন্ত্রণালয়ে সহকারী পরিচালক বা তথ্য কর্মকর্তা বা গবেষণা কর্মকর্তা হিসেবে ২২ জন, সহকারী পরিচালক (অনুষ্ঠান) হিসেবে ১১ জন, সহকারী বার্তা নিয়ন্ত্রক হিসেবে ৫ জন, সহকারী বেতার প্রকৌশলী হিসেবে ৯ জন, স্থানীয় সরকার বিভাগে বিসিএস জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে ৩৬ জন, সহকারী বন সংরক্ষক হিসেবে ২০ জন নিয়োগ পাবেন।

সহকারী পোস্টমাস্টার জেনারেলে ২ জন, মৎস্যে ১৫ জন, পশুসম্পদে ৭৬ জন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হিসেবে ১৮৩ জন ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে ৬ জন, বাণিজ্যে সহকারী নিয়ন্ত্রক হিসেবে ৪ জন নিয়োগ পাবেন।

এ ছাড়া পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা পদে ৪ জন, সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক পদে ৬ জন ও সহকারী রক্ষণ প্রকৌশলী পদে ২ জন, বিসিএস গণপূর্তে সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) পদে ৩৬ জন এবং সহকারী প্রকৌশলী (ই/এম) পদে ১৫ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
দুই সেমিস্টারের পরীক্ষার পর জবি খোলার চিন্তা
জবিতে তিন নতুন সহকারী প্রক্টর
গবেষণা সহযোগিতায় জবি ও বিসিএসআইআরের সমঝোতা
জবিতে সশরীরে পরীক্ষা ৭ অক্টোবর থেকে
জবিতে ১৪৮ কোটি টাকার বাজেট পাস

শেয়ার করুন

স্কুলে ভর্তি শেষ করতে হবে ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে

স্কুলে ভর্তি শেষ করতে হবে ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে

ফাইল ছবি

মাউশি মহাপরিচালক ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক বলেন, সরকারি-বেসরকারি স্কুলে ভর্তি প্রক্রিয়া যেন ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হয় এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ভর্তির ক্ষেত্রে যেন পরীক্ষা নেয়া না হয় এ বিষয়েও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবগত করা হয়েছে।

সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি প্রক্রিয়া ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে। আর শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি ছাড়া ভর্তি পরীক্ষা নেয়া যাবে না।

বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ গোলাম ফারুকের সই করা অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মাউশি মহাপরিচালক বলেন, সরকারি-বেসরকারি স্কুলে ভর্তি প্রক্রিয়া যেন ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হয় এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ভর্তির ক্ষেত্রে যেন পরীক্ষা নেয়া না হয় এ বিষয়েও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবগত করা হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়, সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন ও ভর্তি প্রক্রিয়া অবশ্যই আগামী ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে। লটারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ভর্তি পরিচালনা কমিটি, ঢাকা মহানগরের ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাউশি অভিভাবক, ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষক প্রতিনিধির উপস্থিতি থাকতে হবে।

আরও বলা হয়, শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে ভর্তি নীতিমালা (সংশোধিত-২০২১) অনুসরণ করে লটারির কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। কোনোভাবেই ১১০ টাকার বেশি ফি নেয়া যাবে না।

আগামী বছরের জন্য সরকারি ও বেসরকারি স্কুলগুলোয় প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তির আবেদন শুরু হয়েছে ২৫ নভেম্বর। এই আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ৮ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

২০২২ শিক্ষাবর্ষে সরকারি স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তিতে শিক্ষার্থীর বয়স ছয় বছরের বেশি হতে হবে। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এর আলোকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এই বয়স নির্ধারণ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

ভর্তি কার্যক্রমের শর্তাবলি

সরকারি বিদ্যালয়: ঢাকা মহানগরে ৪৪টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় তিনটি ভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত থাকবে। আবেদনের সময় একজন শিক্ষার্থী একটি গ্রুপের পাঁচটি বিদ্যালয় নির্বাচন করতে পারবে। এখান থেকে লটারির মাধ্যমে একটি বিদ্যালয় নির্বাচন করা হবে।

সারা দেশে আবেদনকারীরা আবেদনের সময় প্রতিষ্ঠান নির্বাচনকালে থানাভিত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা পাবে। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীরা প্রাপ্যতার ভিত্তিতে প্রতিটি আবেদনে সর্বোচ্চ পাঁচটি স্কুল পছন্দের ক্রমানুসারে নির্বাচন করতে পারবে।

ডাবল শিফটের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে উভয় শিফট পছন্দ করলে দুটি পছন্দক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে বিবেচিত হবে। একই পছন্দক্রমের বিদ্যালয় কিংবা শিফট দ্বিতীয়বার পছন্দ করা যাবে না।

এ ছাড়া ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির মোট শূন্য আসনের ১০ শতাংশ কোটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

বেসরকারি বিদ্যালয়: ঢাকা মহানগরীর বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানসংলগ্ন কমপক্ষে একটি এবং সর্বোচ্চ তিনটি প্রশাসনিক থানা ক্যাচমেন্ট এরিয়া হিসেবে নির্ধারণ করা যাবে।

আবেদনকারীরা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনকালে মহানগর পর্যায়ের জন্য বিভাগীয় সদরের মেট্রোপলিটন এলাকা এবং জেলা সদরের সদর উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা পাবে। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীরা প্রাপ্যতার ভিত্তিতে প্রতিটি আবেদনে সর্বোচ্চ পাঁচটি বিদ্যালয় পছন্দের ক্রমানুসারে নির্বাচন করতে পারবে।

ডাবল শিফটের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে উভয় শিফট পছন্দ করলে দুটি পছন্দক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে বিবেচিত হবে। একই পছন্দক্রমের বিদ্যালয় কিংবা শিফট দ্বিতীয়বার পছন্দ করা যাবে না।

করোনা মহামারির কারণে গত বছর প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এর আগে শুধু প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হতো। আর দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তিতে পরীক্ষা নেয়া হতো। নবম শ্রেণিতে ভর্তি করা হতো জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে।

আরও পড়ুন:
দুই সেমিস্টারের পরীক্ষার পর জবি খোলার চিন্তা
জবিতে তিন নতুন সহকারী প্রক্টর
গবেষণা সহযোগিতায় জবি ও বিসিএসআইআরের সমঝোতা
জবিতে সশরীরে পরীক্ষা ৭ অক্টোবর থেকে
জবিতে ১৪৮ কোটি টাকার বাজেট পাস

শেয়ার করুন

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে রাবিতে ৭ দিনব্যাপী উৎসব

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে রাবিতে ৭ দিনব্যাপী উৎসব

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবাস বাংলাদেশ চত্বর।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে, 'জাতির পিতার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও কর্মময় জীবন’ শীর্ষক আলোচনায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মশিউর রহমান। উৎসবের প্রথম দিনের দ্বিতীয় পর্বে বেলা ৩টা থেকে ‘সাবাস বাংলাদেশ’ চত্বরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ৪ ডিসেম্বর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনে আলোচনা সভা এবং পরে সাবাস বাংলাদেশ চত্বরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ৫ ডিসেম্বরও থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাত দিনব্যাপী বিভিন্ন উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

শুক্রবার বেলা ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবাস বাংলাদেশ চত্বরে উৎসবের শুরু হবে।

প্রধান অতিথি হিসেবে উৎসবের উদ্বোধন করবেন মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ৩ থেকে ৫ ডিসেম্বর ও ১১ থেকে ১৪ ডিসেম্বর দুই ধাপে এ কর্মসূচি পালিত হবে।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক ড. আজিজুর রহমান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মাননীয় মেয়র ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, রাজশাহী-২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ফজলে হোসেন বাদশা, রাজশাহী-৩ আসনের এমপি মো. আয়েন উদ্দিন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়া ও অধ্যাপক মো. সুলতান-উল-ইসলাম।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেবেন ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মলয় ভৌমিক।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ‘জাতির পিতার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও কর্মময় জীবন’ শীর্ষক আলোচনায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মশিউর রহমান।

উৎসবের প্রথম দিনে দ্বিতীয় পর্বে বেলা ৩টা থেকে ‘সাবাস বাংলাদেশ’ চত্বরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ৪ ডিসেম্বর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনে আলোচনা সভা ও পরে সাবাস বাংলাদেশ চত্বরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ৫ ডিসেম্বরও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে।

এদিকে ১১ থেকে ১৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে সাবাস বাংলাদেশ চত্বরে শুরু হবে নাট্যোৎসব ও ১৪ ডিসেম্বর প্রামাণ্যচিত্র ‘বধ্যভূমিতে এক দিন’ প্রদর্শিত হবে।

আরও পড়ুন:
দুই সেমিস্টারের পরীক্ষার পর জবি খোলার চিন্তা
জবিতে তিন নতুন সহকারী প্রক্টর
গবেষণা সহযোগিতায় জবি ও বিসিএসআইআরের সমঝোতা
জবিতে সশরীরে পরীক্ষা ৭ অক্টোবর থেকে
জবিতে ১৪৮ কোটি টাকার বাজেট পাস

শেয়ার করুন

শীতের ছুটিতেও জগন্নাথে চলবে পরীক্ষা

শীতের ছুটিতেও জগন্নাথে চলবে পরীক্ষা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ২৬ থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ দিন শীতকালীন ছুটি। এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সেমিস্টার পরীক্ষা চালু থাকবে। স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টারের ভর্তির কাজও চালু থাকবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বিভিন্ন বিভাগের চলমান সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা শীতকালীন ছুটিতেও চালু থাকবে। এ ছাড়া স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টারের ভর্তি কার্যক্রমও চালু থাকবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জমানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ২৬ থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ দিন শীতকালীন ছুটি। এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সেমিস্টার পরীক্ষা চালু থাকবে।

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে চার বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টারের ভর্তির কাজও চালু থাকবে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অনুষদ, বিভাগ, ইনস্টিটিউট ও প্রশাসনিক দপ্তর খোলা থাকবে।

করোনার কারণে বিভিন্ন বর্ষের আটকে থাকা সেমিস্টার পরীক্ষাগুলো গত ৭ অক্টোবর শুরু হয়। ইতিমধ্যে এক সেমিস্টারের পরীক্ষা শেষ হয়েছে, আটকে থাকা আরেক সেমিস্টারের পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন:
দুই সেমিস্টারের পরীক্ষার পর জবি খোলার চিন্তা
জবিতে তিন নতুন সহকারী প্রক্টর
গবেষণা সহযোগিতায় জবি ও বিসিএসআইআরের সমঝোতা
জবিতে সশরীরে পরীক্ষা ৭ অক্টোবর থেকে
জবিতে ১৪৮ কোটি টাকার বাজেট পাস

শেয়ার করুন