পাথরবোঝাই ট্রা‌কের ভা‌রে ভাঙল বেইলি সেতু

পাথরবোঝাই ট্রা‌কের ভা‌রে ভাঙল বেইলি সেতু

ব‌রিশাল বানারীপাড়া সড়‌কে পাথরবোঝাই ট্রা‌কের ভা‌রে ভে‌ঙে প‌ড়ে‌ছে বেইলী সেতুটি। ছবি: নিউজবাংলা

মাধবপাশা ইউ‌নিয়‌ন পরিষদ চেয়ারম্যান সি‌দ্দিকুর রহমান ব‌লেন, এই সেতুটি বছর দে‌ড়েক আ‌গে আরেকবার ভে‌ঙে প‌ড়েছি‌ল। কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে আবারও এ ঘটনা ঘটল।

ব‌রিশাল বানারীপাড়া সড়‌কে পাথরবোঝাই ট্রা‌কের ভা‌রে ভে‌ঙে প‌ড়ে‌ছে এক‌টি বেইলি সেতু। এতে ওই সড়‌কে বুধবার ভোর থে‌কে সব ধর‌নের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়ন পরিষদসংলগ্ন সড়কের সেতুটি বুধবার ভো‌রে ট্রাকসহ ভেঙে পড়ে। ট্রাক‌টি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভা‌বিক করার চেষ্টা চল‌ছে ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছে পু‌লিশ।

নিউজবাংলাকে তথ্যগুলো জানিয়েছেন ব‌রিশাল এয়ার‌পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ও‌সি) কম‌লেশ চন্দ্র হালদার।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, ভো‌রে পাথর‌বোঝাই ট্রাকটি পি‌রোজপুর থে‌কে ব‌রিশা‌ল যাচ্ছিল। অতিরিক্ত ওজন হওয়ায় ট্রাকটি সেতুতে ওঠার পরপরই বিকট শব্দে ভেঙে পড়ে। আর ট্রাক পড়ে যায় খালে।

বরিশাল সদরের সঙ্গে বানারীপাড়া ও পিরোজপুরের নেছারাবাদসহ বেশ কয়েকটি উপজেলায় যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এ সড়ক। এক দশক আগে মাধবপাশা ইউনিয়ন পরিষদসংলগ্ন খালের ওপর নির্মিত সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেলে তা সংস্কারের উদ্যোগ নেয় সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

সে সময় সড়কের পাশে বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা হিসেবে বেইলি সেতুটি নির্মাণ করা হয়। এখন সেটিও ভেঙে পড়ায় বরিশাল সদরের সঙ্গে নেছারাবাদ ও বানারীপাড়ার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

এয়ার‌পোর্ট থানার ও‌সি কম‌লেশ চন্দ্র জানান, সেতু ও ট্রাক খা‌লে প‌ড়ে র‌য়ে‌ছে। ট্রাক উদ্ধার করার চেষ্টা চল‌ছে। সং‌শ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেতু সংস্কার না করা পর্যন্ত যান চলাচল স্বাভাবিক হ‌চ্ছে না।

মাধবপাশা ইউ‌নিয়‌ন পরিষদ চেয়ারম‌্যান সি‌দ্দিকুর রহমান ব‌লেন, এই সেতুটি বছর দে‌ড়েক আ‌গে আরেকবার ভে‌ঙে প‌ড়েছি‌ল। কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে আবারও এ ঘটনা ঘ‌টল।

বেইলি সেতুটির পাশের নির্মানাধীন সেতুর প্রকৌশলী শেখ ফ‌রিদ ব‌লেন, ‘প্রজে‌ক্টের সি‌কিউ‌রি‌টি গা‌র্ডের নি‌ষেধ স‌ত্বেও ট্রাক‌টি ব্রিজের উপর ওঠায় এই দুর্ঘটনা ঘ‌টে। মানু‌ষের চলাচ‌লের জন‌্য পা‌শে এক‌টি সড়ক নির্মাণ করা হ‌চ্ছে।’

আরও পড়ুন:
বেইলি ব্রিজে ধস, দুদিন ধরে বন্ধ সড়ক
বেইলি ব্রিজের পাটাতন ধসে ৮ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বাগেরহাটে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২১

বাগেরহাটে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২১

বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুর ইসলাম বলেন, ‘জুমার নামাজ শুরুর আগে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে নামাজ শেষে তারা সংঘর্ষে জড়ান। এতে দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

বাগেরহাট সদর উপজেলার বিষ্ণপুর ইউনিয়নে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২১ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শেখরা গ্রামে শুক্রবার বেলা দেড়টার দিকে এ সংঘর্ষ হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুর ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘জুমার নামাজ শুরুর আগে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে নামাজ শেষে তারা সংঘর্ষে জড়ান। এতে দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

স্থানীয়রা জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জয় পেতে চলতি মাসের শুরুতে গ্রামের মসজিদে দোয়ার ব্যবস্থা করেন ইউপি সদস্য প্রার্থী আব্দুল লতিফ। ইমাম নামাজ শেষে দোয়া করেন।

কিন্তু ২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচনে জয় পেয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন আনিসুর রহমান।

শুক্রবার জুমার নামাজের আগে আনিসুর রহমানের সমর্থক ফারুক মসজিদের ইমামকে ওই দিন দোয়া করার বিষয়ে ব্যাখ্যা চান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল লতিফের সমর্থক বাবুল ফকির। একপর্যায়ে তারা তর্কে জড়ান। পরে নামাজ শেষে দুই পক্ষ ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

এ বিষয়ে আব্দুল লতিফ জানান, আমাদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালিয়েছেন আনিসুরের লোকজন। তাদের হামলায় আমার ১৩ জন সমর্থক আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে বাবুল ফকিরের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিক্যাল কজেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে আনিসুর রহমান বলেন, ‘মসজিদের মধ্যে বাবুল ফকির, কামরুল ইশারাত শেখসহ বেশ কয়েকজন আমার লোকজনের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তখন দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়।’

আরও পড়ুন:
বেইলি ব্রিজে ধস, দুদিন ধরে বন্ধ সড়ক
বেইলি ব্রিজের পাটাতন ধসে ৮ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ

শেয়ার করুন

সিআরবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত: রেলমন্ত্রী  

সিআরবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত: রেলমন্ত্রী  

রেলমন্ত্রী বলেন, ‘সিআরবি নিয়ে যা হচ্ছে, এতটা করার কোনো অর্থ নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের কল্যাণের জন্যই সব সময় কাজ করে আসছেন। সিআরবি হাসপাতাল নিয়ে তিনি যে সিদ্ধান্ত দেবেন তা সবার জন্য শিরোধার্য।’

চট্টগ্রামের মানুষ যদি সিআরবিতে স্থাপনা না চায় তবে জোর করে চাপিয়ে দেয়ার প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে শুক্রবার বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন রেলমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ‘সিআরবি নিয়ে যা হচ্ছে, এতটা করার কোনো অর্থ নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের কল্যাণের জন্যই সব সময় কাজ করে আসছেন। সিআরবি হাসপাতাল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যে সিদ্ধান্ত দেবেন তা সবার জন্য শিরোধার্য।’

সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে তথ্যগত কোনো ভুল হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখার ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সিআরবিতে হাসপাতাল করা নিয়ে কয়েক দিন আগে আমরা একটা অভিযোগ পেয়েছি। কিন্তু তার আগেই আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে। বিষয়টি পত্রিকা ও টেলিভিশনে দেখেছি।

‘কিন্তু কী নিয়ে আন্দোলন তা আনুষ্ঠানিকভাবে রেলওয়েকে জানানো হয়নি। এমনকি মন্ত্রী, সচিব বা রেলের ডিজির কাছেও কোনো আবেদন করা হয়নি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছেও কোনো দরখাস্ত দেয়া হয়নি। দরখাস্ত বা অভিযোগ দেয়ার পর যদি জোর করে কোনো কিছু হয়, তাহলে আন্দোলনের প্রশ্ন আসবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘২০১৩-১৪ সাল থেকে সিআরবিতে হাসপাতাল করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তখন কেউ আপত্তি তোলেনি। যখন হাসপাতাল নির্মাণ বাস্তবায়ন পর্যায়ে আসছে তখন আপত্তিগুলো আসছে। আপত্তির কারণটা আগে আমাদের জানাবেন। এখানে তো হাসপাতাল হচ্ছে, মেডিক্যাল কলেজ হচ্ছে।’

আন্দেলনকারীদের উদ্দেশ্য আসলে কী তা খতিয়ে দেখা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এক শ্রেণির মানুষ আছে, তাদের কোনো কাজই ভালো লাগে না। তাই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই আন্দোলন হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন আছে।’

আরও পড়ুন:
বেইলি ব্রিজে ধস, দুদিন ধরে বন্ধ সড়ক
বেইলি ব্রিজের পাটাতন ধসে ৮ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ

শেয়ার করুন

হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীর চাপ

হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীর চাপ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে বাড়ছে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। ছবি: নিউজবাংলা

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শিশু ওয়ার্ডে গত আট দিনে ১৬০ শিশু চিকিৎসা নিয়েছে। তাদের মধ্যে ডায়রিয়া আক্রান্ত ৫৫।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া দাবদাহে অতিষ্ঠ স্থানীয়রা। এমন পরিস্থিতিতে জেলার জেনারেল হাসপাতালে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ডায়রিয়া আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যাই বেশি।

কয়েক মাস আগে হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডকে করোনা রোগীর চিকিৎসায় বরাদ্দ দেয়া হয়। বর্তমানে হাসপাতালে আসা ডায়রিয়া রোগীদের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের মেডিসিন ওয়ার্ডে এবং শিশুদের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করানো হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শিশু ওয়ার্ডে গত আট দিনে ১৬০ শিশু চিকিৎসা নিয়েছে। তাদের মধ্যে ডায়রিয়া আক্রান্ত ৫৫।

শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই ওয়ার্ডে ৩২ শিশু চিকিৎসাধীন, তাদের মধ্যে ডায়রিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ১২।

আর হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে গত আট দিনে প্রাপ্তবয়স্ক ৫০ ডায়রিয়া রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ১০ জন।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত শিশু ও মেডিসিন ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, শয্যার থেকে বেশি রোগী থাকায় কয়েকজনকে মেঝেতে রাখতে হয়েছে।

রোগীদের স্বজনরা জানান, রোগীর চাপ বাড়লে সার্বক্ষণিক চিকিৎসক পাওয়া যায় না। তবে নার্সরা আন্তরিক। তারা নিজেদের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা করেন।

নার্সদের পাশাপাশি প্রতি ওয়ার্ডে সার্বক্ষণিক চিকিৎসক থাকলে চিকিৎসাসেবার মান আরও বাড়ত বলে জানান তারা।

কসবা উপজেলার কুটি চৌমুহনী এলাকার বাসিন্দা শাকিল মিয়া তার ডায়রিয়া আক্রান্ত চার মাসের শিশু হাসান মিয়াকে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

তিনি বলেন, ‘ছোট বাইচ্চাডারে দুই দিন ধইরা হাসপাতালে ভর্তি করছি। হেরে ওষুধ দিছে, কিন্তু এখনও হের ডায়রিয়া ভালো হইছে না।’

শিশু ওয়ার্ডের ইনচার্জ সিনিয়র স্টাফ নার্স ফেরদৌসী বেগম বলেন, ‘অপরিষ্কার পানি ও খাবার, মায়েদের অসাবধানতা, ময়লামিশ্রিত হাত মুখে দেয়ার কারণে শিশুরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে শিশুদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাসহ খাবারের বিষয়ে মায়েদের সাবধান থাকতে হবে।’

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. ওয়াহীদুজ্জামান বলেন, ‘হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসায় কোনো সমস্যা হচ্ছে না। চিকিৎসক ও নার্সরা রোগীদের সেবায় সব সময় নিয়োজিত।’

আরও পড়ুন:
বেইলি ব্রিজে ধস, দুদিন ধরে বন্ধ সড়ক
বেইলি ব্রিজের পাটাতন ধসে ৮ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ

শেয়ার করুন

থেমে গেল ওস্তাদ জুলহাসউদ্দিনের কণ্ঠ   

থেমে গেল ওস্তাদ জুলহাসউদ্দিনের কণ্ঠ   

ফাইল ছবি।

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরের বাড়ৈখালিতে নিজ বাসায় শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে মারা যান জনপ্রিয় এই নজরুল সংগীত সাধক। সন্ধ্যায় স্থানীয় মসজিদে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

একুশে পদকপ্রাপ্ত সংগীত শিল্পী ওস্তাদ জুলহাসউদ্দিন আহমেদ আর নেই। ৮৮ বছর বয়সে থেমে গেছে তার জীবন প্রদীপ।

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরের বাড়ৈখালিতে নিজ বাসায় শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে মারা যান জনপ্রিয় এই নজরুল সংগীত সাধক।

সন্ধ্যায় স্থানীয় মসজিদে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

গুনী এই শিল্পীর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন শ্রীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রণব কুমার ঘোষ ও মুন্সিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর নাছিরউদ্দিন উজ্জ্বল।

জুলহাসউদ্দীন আহমেদ ১৯৩৩ সালের ১০ নভেম্বর মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালী গ্রামে জন্ম নেন। সঙ্গীতে বিশেষ অবদানের জন্য ২০১৭ সালে একুশে পদকে ভূষিত হয়েছিলেন।

এ ছাড়া নজরুল স্বর্ণপদক, নাছিরউদ্দিন স্বর্ণপদক, শিল্পকলা একাডেমি কর্তৃক সংবর্ধনা, বুলবুল একাডেমি কর্তৃক সংবর্ধনা, এবি ব্যাংক-চ্যানেল আই আজীবন সম্মাননাসহ নানা পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন তিনি।

রাজশাহীতে এক সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে স্বর্ণপদকসহ ‘সুর সাগর’ উপাধি লাভ করেছিলেন ওস্তাদ জুলহাসউদ্দিন।

আরও পড়ুন:
বেইলি ব্রিজে ধস, দুদিন ধরে বন্ধ সড়ক
বেইলি ব্রিজের পাটাতন ধসে ৮ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ

শেয়ার করুন

ইউএনও ঠেকালেন বাল্যবিবাহ

ইউএনও ঠেকালেন বাল্যবিবাহ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ইউএনওর হস্তক্ষেপে বন্ধ হয়েছে এক স্কুলছাত্রীর বাল্যবিবাহ। ছবি: নিউজবাংলা

ইউএনও শাহাদাত বলেন, ‘ওই ছাত্রীর পরিবার প্রশাসনের নজর এড়িয়ে তার বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। স্থানীয়রা আমাকে জানান তার বয়স ১৮-এর কম। তারা বিয়ে বন্ধের অনুরোধ করেন। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয় ওই এলাকার এক ইউপি সদস্যকে।’

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহের হাত থেকে রক্ষা পেল এক স্কুলছাত্রী।

উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে বিয়েবাড়িতে অভিযান চালান ইউএনও শাহাদাত হোসেন।

এ সময় কনের বাবা-মাকে বিয়ে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়ে মুচলেকা নেয়া হয়, ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত ওই স্কুলছাত্রীর বিয়ে না দেয়ার।

শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় একটি স্কুলের ১০ম শ্রেণির ওই ছাত্রীর বিয়ের আয়োজন করা হয়।

ইউএনও শাহাদাত বলেন, ‘ওই ছাত্রীর পরিবার প্রশাসনের নজর এড়িয়ে তার বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। স্থানীয়রা আমাকে জানান তার বয়স ১৮-এর কম। তারা বিয়ে বন্ধের অনুরোধ করেন। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয় ওই এলাকার এক ইউপি সদস্যকে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পরে আমি ওই বাড়িতে গিয়ে বর-কনে দুই পক্ষের অভিভাবকদের সঙ্গে আলাপ করে তাদের বিয়ে বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়।’

ইউএনও আরও বলেন, ‘প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর বিয়ে দেয়ার জন্য আমি ওই ছাত্রীর অভিভাবককে পরামর্শ দিয়েছি। ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত মেয়ের বিয়ে দেবেন না বলে মেয়ের বাবা লিখিত অঙ্গীকারে স্বাক্ষর করেছেন।’

আরও পড়ুন:
বেইলি ব্রিজে ধস, দুদিন ধরে বন্ধ সড়ক
বেইলি ব্রিজের পাটাতন ধসে ৮ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ

শেয়ার করুন

জাহাজের ধাক্কায় মাছ ধরার ট্রলারডুবি, দুই জেলের মৃত্যু

জাহাজের ধাক্কায় মাছ ধরার ট্রলারডুবি, দুই জেলের মৃত্যু

মনপুরা থানার ওসি সাইদ আহমেদ জানান, মনপুরার গিয়াস উদ্দিন মাঝির ট্রলারে ১১ জন জেলে মাছ ধরছিলেন। এ সময় একটি জাহাজ ট্রলারটিকে ধাক্কা দিলে এটি ডুবে যায়। পাশেই থাকা কামাল মাঝির ট্রলারের জেলেরা দুই জেলের মরদেহ ও আটজনকে জীবিত উদ্ধার করে।

বঙ্গোপসাগরে জাহাজের ধাক্কায় মাছ ধরার ট্রলারডুবিতে দুই জেলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিখোঁজ এক জেলে।

চট্টগ্রাম গ্যাসফিল্ড সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে শুক্রবার ভোররাত সাড়ে চারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত দুই জেলে হলেন ভোলার মনপুরা উপজেলার হাজীরহাট ইউনিয়নের চরফৈজুদ্দিন গ্রামের মো. রুবেল ও দাসেরহাট গ্রামের মো. মাফু।

নিখোঁজ জেলে মিজানুর রহমানের বাড়িও চরফৈজুদ্দিন গ্রামে।

মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদ আহমেদ নিউজবাংলাকে জানান, মনপুরার গিয়াস উদ্দিন মাঝির ট্রলারে ১১ জন জেলে মাছ ধরছিলেন। এ সময় একটি জাহাজ ট্রলারটিকে ধাক্কা দিলে এটি ডুবে যায়।

পাশেই থাকা কামাল মাঝির ট্রলারের জেলেরা দুই জেলের মরদেহ ও আটজনকে জীবিত উদ্ধার করে।

ওসি জানান, কামাল মাঝির ট্রলারে জীবিত ও মৃত জেলেদের মনপুরা আনা হয়েছে। মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন। নিখোঁজ জেলেকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

ধাক্কা দেয়া জাহাজের বিষয়ে তিনি জানান, জেলেরা ওই জাহাজ শনাক্ত করতে পারেনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীম মিঞা জানান, মৃত জেলেদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
বেইলি ব্রিজে ধস, দুদিন ধরে বন্ধ সড়ক
বেইলি ব্রিজের পাটাতন ধসে ৮ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ

শেয়ার করুন

জলবায়ু পরিবর্তন: ক্ষতিপূরণ দাবিতে সড়ক অবরোধ

জলবায়ু পরিবর্তন: ক্ষতিপূরণ দাবিতে সড়ক অবরোধ

জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত রাষ্ট্রের ক্ষতিপূরণ দাবিতে শুক্রবার দুপুরে বরিশাল নগরীতে সড়ক অবরোধ করে এলায়েন্স ফর ইয়ুথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট। ছবি: নিউজবাংলা

বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বে প্রতিনিয়ত অক্সিজেন কমছে। গাছ কেটে উজাড় হচ্ছে বন, বিলুপ্ত হচ্ছে বন্য প্রাণী। এতে হুমকির মুখে পড়ছে বিশ্ব। পরিবেশের ভারসাম্য ঠিক রাখতে উন্নত রাষ্ট্রগুলোকে কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ শূন্যের কোটায় আনতে হবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব থেকে বাংলাদেশসহ ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন, শোভাযাত্রা ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন সপ্তাহ উপলক্ষে এলায়েন্স ফর ইয়ুথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট শুক্রবার দুপুরে নগরীর বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়কে এসব কর্মসূচির আয়োজন করে।

বিভাগীয় প্রশাসন এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায় কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম বাদল, ফ্রেন্ডস ফর ফিউচার এর বাংলাদেশ কো-অরডিনেটর ফারিয়া হোসেন অমি, সিভিল সোসাইটির মো. আনোয়ার, ইউনিসেফের বরিশাল প্রধান তৌফিক আহমেদ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আসিফ চৌধুরীসহ অনেকে।

বিভাগীয় কমিশনার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বে প্রতিনিয়ত অক্সিজেন কমছে। গাছ কেটে উজাড় হচ্ছে বন, বিলুপ্ত হচ্ছে বন্য প্রাণী। এতে হুমকির মুখে পড়ছে বিশ্ব। বাড়ছে সাইক্লোন, বজ্রপাত, ভূমিকম্পসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। বাড়েছে নদী ভাঙন।
পরিবেশের ভারসাম্য ঠিক রাখতে উন্নত রাষ্ট্রগুলোকে কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ শূন্যের কোটায় আনতে হবে।

বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবি জানান তিনি।

মানববন্ধন শেষে ৩৫টি যুব সংগঠনের কর্মীরা শোভাযাত্রা করে নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে পাঁচ মিনিট সড়ক অবরোধ করেন।

আরও পড়ুন:
বেইলি ব্রিজে ধস, দুদিন ধরে বন্ধ সড়ক
বেইলি ব্রিজের পাটাতন ধসে ৮ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ

শেয়ার করুন