পুরোনো ডিজাইনে নতুন আইফোন ১৩ উন্মোচন

পুরোনো ডিজাইনে নতুন আইফোন ১৩ উন্মোচন

আইফোন ১৩ সিরিজ উন্মোচন করেছে অ্যাপল। ছবি: অ্যাপল

আইফোন ১৩ সিরিজের ডিজাইন আগের ডিজাইন থেকে ভিন্ন করার উপায় নেই। দেখতে একেবারে আইফোন ১২ সিরিজের মতো। অবশ্য ডিজাইনে নতুনত্ব না থাকলেও পারফরম্যান্স বেশ বাড়ছে বলে জানিয়েছে অ্যাপল।

বছর ঘুরে আবারও নতুন আইফোনের ঘোষণা দিয়েছে অ্যাপল। আইফোনপ্রেমীরা মুখিয়ে ছিলেন নতুন কী পাচ্ছেন তারা। তবে খুব একটা চমক নেই নতুন আইফোনে।

আইফোন ১৩ সিরিজের ডিজাইন আগের ডিজাইন থেকে ভিন্ন করার উপায় নেই। দেখতে একেবারে আইফোন ১২ সিরিজের মতো। অবশ্য ডিজাইনে নতুনত্ব না থাকলেও পারফরম্যান্স বেশ বাড়ছে বলে জানিয়েছে অ্যাপল।

সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান অ্যাপলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা তাদের একটা রীতি হয়ে গেছে, এ মাসে নতুন পণ্য ঘোষণা দেয়ার।

গত বছর অবশ্য করোনাভাইরাস মহামারিতে সে ধারাবাহিকতায় ব্যাঘাত ঘটে। এক মাস পর গত বছর আইফোন ১২ সিরিজ উন্মোচন করে অ্যাপল। এবার আর দেরি হলো না।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাতে যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাপলের নতুন পণ্য উন্মোচনের আসর সাজিয়েছিল অ্যাপল। সেখানে আইফোন ১৩ সিরিজ ছাড়াও আনা হয়েছে নতুন আইপ্যাড, অ্যাপল ওয়াচসহ বেশ কয়েকটি নতুন পণ্য।

নতুন আইফোন ১৩ সিরিজে ব্যবহার করা হয়েছে অ্যাপলের নিজের বায়োনিক ১৫ প্রসেসর। এটি ফোনটিকে ১২ সিরিজের চেয়ে ৫০ শতাংশ বেশি কর্মদক্ষ করে তুলবে বলে জানায় অ্যাপল।

পেছনে রয়েছে ডুয়েল ক্যামেরা। ক্যামেরায় বেশ নতুনত্ব আনার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বলছে, তাদের নতুন আইফোনে ভিডিও করা যাবে পোর্ট্রেইট মোডে।

রয়েছে সিনেম্যাটিক মোড, কেউ যখন ফ্রেমে প্রবেশ করে এবং ফ্রেম থেকে বের হয় তখন তাকে ফোকাস করার ক্ষেত্রে এটি একটি উদ্ভাবন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টিম কুক বলেন, ‘এটিই একমাত্র স্মার্টফোন যা ব্যবহারকারীকে শ্যুটিংয়ের পর বিভিন্ন ইফেক্ট সম্পাদনা করতে দেবে।’

আইফোন ১৩ সিরিজে দেয়া হয়েছে ব্রাইটার সুপার রেটিনা এক্সডিআর ডিসপ্লে।

আইফোন ১৩ মিনিও এনেছে অ্যাপল। দাম শুরু হয়েছে ৬৯৯ ডলার থেকে। ফোনটির ডিসপ্লে দেয়া হয়েছে ৫.৪ ইঞ্চি।

এ ছাড়া আইফোন ১৩ বিক্রি শুরু হচ্ছে ৭৯৯ ডলার থেকে। এতে রয়েছে ৬.১ ইঞ্চির ডিসপ্লে, স্টোরেজ শুরু হয়েছে ১২৮ জিবি থেকে। আর র‍্যাম রয়েছে ৬ জিবি।

পুরোনো সিরিজ থেকে নতুন আইফোনে ব্যাটারি ব্যাকআপ আড়াই ঘণ্টা বেশি পাওয়ার কথা বলেছে প্রতিষ্ঠানটি।

নতুন আইফোন আনার পাশাপাশি পুরোনো মডেলের দাম কমানোর ঘোষণাও দিয়েছে জায়ান্টটি। নতুন দাম অনুযায়ী আইফোন এসই বিক্রি হবে ৩৯৯ ডলারে, ৪৯৯ ডলার থেকে শুরু আইফোন ১১, আইফোন ১২-এর দাম কমিয়ে বিক্রি শুরু হচ্ছে ৫৯৯ ডলার থেকে।

আরও পড়ুন:
আইফোনে স্টোরেজ ১ টেরাবাইট!
বিমান থেকে পড়েও অক্ষত আইফোন
ফাইভজি স্পিডে আসছে আইফোন ১২

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পরীক্ষামূলক ফাইভজি চালু করবে টেলিটক

পরীক্ষামূলক ফাইভজি চালু করবে টেলিটক

প্রতীকী ছবি

ঢাকার ২০০ স্থানে ফাইভজি চালু করতে প্রকল্প প্রস্তাব করেছে টেলিটক। আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে অপারেটরটির।

আগামী বছরই দেশে পঞ্চম প্রজন্মের নেটওয়ার্ক সেবা ফাইভজি চালুর চিন্তাভাবনা করছে সরকার। সরকারি মোবাইল অপারেটর টেলিটক শুরুতে রাজধানীর ২০০টি স্থানে পরীক্ষামূলক ফাইভজি সেবা চালু করবে।

প্রথম ধাপে ১ লাখ গ্রাহককে পাঁচটি সেবার আওতায় আনতে চায় টেলিটক। এ পরিষেবা দিতে আড়াই শ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে অপারেটরটি।

প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়, গণভবন, বঙ্গভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সচিবালয়, সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, ঢাকার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ থানা ও বেশ কিছু বাণিজ্যিক ও আবাসিক এলাকার গ্রাহক ফাইভজির আওতায় আসবে। এতে প্রতি সেকেন্ডে ১০০ মেগাবাইট (১০০ এমবিপিএস) গতির ইন্টারনেট সেবা পাবে তারা।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার তথ্য বলছে, বাংলাদেশে ইন্টারনেটের গতি সুদান ও উগান্ডার মতো দেশের চেয়েও কম। ইন্টারনেটে গতির হিসাবে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৭ দেশের মধ্যে ১৩৫তম। বাংলাদেশের পেছনে আছে শুধু আফগানিস্তান ও ভেনেজুয়েলা।

ইন্টারনেট অ্যাকসেস ও পারফরম্যান্স অ্যানালিসিস কোম্পানির তথ্য বলছে, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি গতির ইন্টারনেট রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। ডাউনলোডের গতি সেখানে ১৯৩ এমবিপিএসের বেশি। আর বাংলাদেশে এর গতি ১২.৪৮ এমবিপিএস। গ্রাহকদের এবার কমপক্ষে আট গুণ বেশি গতি দিতে চায় টেলিটক।

এ বিষয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পরীক্ষামূলক ফাইভজি নেটওয়ার্কের জন্য প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে চলতি বছরই ফাইভজির যুগে প্রবেশ করবে বাংলাদেশ। টেলিটক ফাইভজি নেটওয়ার্ক নিয়ে কাজ করছে। এ জন্য শুরুতে ঢাকায় কিছু অবকাঠামো তৈরি করা হবে।

‘এটি শেষ হলে সারা দেশের জন্য বড় প্রকল্প নেয়া হবে। একই সঙ্গে সারা দেশে ফোরজি নেটওয়ার্ক ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ সম্প্রসারিত করা হচ্ছে।’

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) হিসাব বলছে, দেশে ইন্টারনেট ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। জুলাই শেষে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৩৭ লাখে। এর মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ১১ কোটি ৩৬ লাখ। আর ব্রডব্যান্ডের গ্রাহক সংখ্যা ১ কোটি ৫ লাখের কিছু বেশি।

টেলিটক বলছে, দেশের প্রায় ৫৬ শতাংশ মানুষ মোবাইল সেবার আওতাভুক্ত। এদের মধ্যে ২৮ শতাংশ গ্রাহক স্মার্টফোনে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করে। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় সব উন্নত দেশ ও কিছু উন্নয়নশীল দেশে ফাইভজি সেবা চালু হয়েছে।

বাংলাদেশে এ প্রযুক্তি দেশব্যাপী চালুর আগে স্বল্প মাত্রায় পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা প্রয়োজন। এমন বাস্তবতায় রাষ্ট্রীয় মোবাইল কোম্পানি হিসেবে টেলিটক ঢাকার উত্তরা, গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি, রমনা ও শাহবাগের মতো কিছু এলাকায় সীমিত আকারে ২০০টি এজি বিটিএল স্থাপনের মাধ্যমে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছে।

‘ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় টেলিটকের নেটওয়ার্কে বাণিজ্যিকভাবে পরীক্ষামূলক পাঁচটি প্রযুক্তি চালুকরণ’ নামে এই প্রকল্পে খরচ হবে ২৫৪ কোটি ৮ লাখ টাকা। এ বছর শুরু হয়ে আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে এটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য ধরা হয়েছে।

টেলিটকের প্রকল্প প্রস্তাব পেয়ে তা যাচাই-বাছাই করছে পরিকল্পনা কমিশন।

কমিশন বলছে, এ প্রকল্পে বিশদ কোনো সমীক্ষা হয়নি। ফাইভজি একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন অত্যাধুনিক কারিগরি প্রযুক্তি। এটি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করার আগে ইন-হাউজ সমীক্ষার পরিবর্তে এ বিষয়ে অত্যন্ত দক্ষ ও কারিগরি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন তৃতীয় কোনো পক্ষ দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা হওয়া প্রয়োজন।

ফাইভজির আগে শক্তিশালী ফোরজি সেবা দেয়া উচিত জানিয়ে কমিশন আরও বলছে, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে টেলিটকের ফোরজি সেবা শুরু হলেও এর কাভারেজের আওতায় এসেছে শুধু বিভাগীয় এবং জেলা শহরগুলো। এ ক্ষেত্রে ফাইভজি সেবা শুরু করার আগে ফোরজির কাভারেজ এরিয়া আরও শক্তিশালী ও সম্প্রসারণ হওয়া প্রয়োজন।

এ ছাড়া ফাইভজি প্রযুক্তিনির্ভর টেলিকম যন্ত্রপাতি সংযোজন করতে গিয়ে কোনো জটিলতার সৃষ্টি হবে কি না, তা পরীক্ষা করাও দরকার।

কমিশন আরও বলছে, সব ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ফাইভজি প্রযুক্তি গ্রহণ করতে পারবে না। এটি ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই ফাইভজি উপযোগী মোবাইল ডিভাইস থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকার সুবিধাভোগীদের আনুমানিক কত শতাংশের কাছে ফাইভজি উপযোগী মোবাইল ডিভাইস আছে, সে বিষয়টি বিবেচনায় নেয়া প্রয়োজন।

অন্যান্য মোবাইল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর তুলনায় টেলিটকের নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা সীমিত ও অপেক্ষাকৃত দুর্বল। নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নয়ন ছাড়া ফাইভজি প্রযুক্তি গ্রহণ কতটুকু ফলপ্রসূ হবে, সে বিষয়টিও আলোচনার বিষয়।

এর আগে গত মাসে একনেক সভা শেষে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত ও অবকাঠামো বিভাগের সদস্য মামুন আল রশীদ বলেন, ‘ঢাকার অন্তত ২০০টি স্থানে ফাইভজি সেবা চালুর জন্য টেলিটকের একটি প্রকল্প প্রস্তাব আগস্ট মাসে আমরা পেয়েছি। আমরা সেটা যাচাই করছি। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে ঢাকায় এ সেবা চালু হবে।’

আরও পড়ুন:
আইফোনে স্টোরেজ ১ টেরাবাইট!
বিমান থেকে পড়েও অক্ষত আইফোন
ফাইভজি স্পিডে আসছে আইফোন ১২

শেয়ার করুন

‘ইন্টারনেট নির্ভরতার সঙ্গে ডিজিটাল অপরাধও বাড়ছে’

‘ইন্টারনেট নির্ভরতার সঙ্গে ডিজিটাল অপরাধও বাড়ছে’

প্রতীকী ছবি

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘ইন্টারনেট নির্ভরতা যত বাড়ছে, ডিজিটাল অপরাধও তত বাড়ছে। প্রচলিত পদ্ধতিতে ডিজিটাল অপরাধ মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। ডিজিটাল অপরাধ শনাক্ত ও তা দমন করার জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তিই ব্যবহার করতে হবে।’

দেশে ইন্টারনেট নির্ভরতা যত বাড়ছে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ডিজিটাল অপরাধও বাড়ছে। এমন মন্তব্য করেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

বুধবার ঢাকায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (আইইবি) কম্পিউটার কৌশল বিভাগের উদ্যোগে ‘নিরাপদ ইন্টারনেট : চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, অপরাধ প্রতিরোধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিতে হবে। ডিজিটাল অপরাধ শনাক্ত ও তা দমন করার জন্য ‍ডিজিটাল প্রযুক্তিই ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি, জনগণের মধ্যেও ডিজিটাল নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করতে হবে বলে মনে করেন মন্ত্রী।

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, ইন্টারনেট নির্ভরতা যত বাড়ছে, ডিজিটাল অপরাধও তত বাড়ছে। প্রচলিত পদ্ধতিতে ডিজিটাল অপরাধ মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। ডিজিটাল অপরাধ শনাক্ত ও তা দমন করার জন্য ‍ডিজিটাল প্রযুক্তিই ব্যবহার করতে হবে।

ডিজিটাল অপরাধের বিষয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে এখন ১১ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন, তাদের মধ্যে খুব সামান্য মানুষ প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর দক্ষতা রাখেন। মাত্র কয়েক বছর আগেও ডিজিটাল নিরাপত্তা বলতে কোন প্রযুক্তি কিংবা অন্য কোন কৌশল বা সুনির্দিষ্ট আইন ছিল না।

‘ইন্টারনেট নির্ভরতার সঙ্গে ডিজিটাল অপরাধও বাড়ছে’
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। ফাইল ছবি

ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সাইবার থ্রেড ডিটেকশন ও রেসপন্স কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে ২২ হাজার পর্নো সাইট এবং ৪ হাজার অনলাইন জুয়ার সাইটসহ আরও সহস্রাধিক আপত্তিকর সাইট বন্ধ করা হয়েছে। সম্প্রতি ক্ষতিকর বেশ কিছু গেম বন্ধ করা হয়েছে। ফেসবুক ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ক্ষতিকর কন্টেন্ট পৃথিবীর কোন দেশই বন্ধ করার প্রযুক্তি আবিষ্কার করতে পারেনি। তবে আমাদের দৃঢ় প্রচেষ্টায় তাদের সঙ্গে সু-সম্পর্ক তৈরি করার ফলে কিছুটা সুফলতা পাচ্ছি।

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল অপরাধ দমনে আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী সংস্থাগুলোকে আরও বেশি দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। তাদের জন্য প্রযুক্তিগত সব ধরনের সুযোগ সুবিধা বাড়াতে হবে।

জব্বার বলেন, বাংলাদেশে ১৭ কোটি মোবাইল সিম ব্যবহৃত হচ্ছে, শতকরা ৯৮ ভাগ এলাকা নেটওয়ার্কের আওতায় এবং প্রায় ৮০ ভাগ এলাকা ফোর-জি নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হয়েছে।

আইইবি’র কাউন্সিল হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আইইবি কম্পিউটার কৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. তমিজ উদ্দীন আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। কম্পিউটার কৌশল বিভাগের সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সঞ্জয় কুমার নাথের সঞ্চালনায় সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এবং আইইবির সাবেক প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর, আইইবি’র ভাইস প্রেসিডেন্ট (এইচআরডি) ইঞ্জিনিয়ার মো. নূরুজ্জামান এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. সাহাব উদ্দিন।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইইবি কম্পিউটার কৌশল বিভাগের ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার খান মোহাম্মদ কায়ছার ও আইইবির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহাদাৎ হোসেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সিটিটিসি’র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ইঞ্জিনিয়ার সাইদ নাসিরুল্লাহ।

আরও পড়ুন:
আইফোনে স্টোরেজ ১ টেরাবাইট!
বিমান থেকে পড়েও অক্ষত আইফোন
ফাইভজি স্পিডে আসছে আইফোন ১২

শেয়ার করুন

বছরের শেষ দিকে আসছে ফাইভজি: জয়

বছরের শেষ দিকে আসছে ফাইভজি: জয়

সজীব ওয়াজেদ জয়। ফাইল ছবি

সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘চলতি বছরের শেষে পরীক্ষামূলকভাবে আমাদের ফাইভজি প্রযুক্তি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।’

চলতি বছরের শেষের দিকে দেশে পঞ্চম প্রজন্মের ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক বা ফাইভজি সেবা চালু হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং তার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয়।

নিউ ইয়র্কে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল আয়োজিত ‘বিজনেস রাউন্ড টেবিল: ইউএস বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা জানান।

জয় বলেন, ‘চলতি বছরের শেষে পরীক্ষামূলকভাবে আমাদের ফাইভজি প্রযুক্তি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।’

সরকার প্রান্তিক মানুষের কাছে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সে হিসেবে বাংলাদেশের সক্ষমতা ও ব্যান্ডউইথের ঘাটতিও নেই।’

প্রান্তিক লোকজন ফিক্সড লাইনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার না করে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করেন বলেও জানান জয়।

তিনি বলেন, ‘এ জন্য আমরা স্পেকট্রাম ছড়িয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছি। ঘন জনবসতির কারণে আমাদের ব্যাপক জায়গায় এই সংযোগ দিতে হবে এবং অতিরিক্ত সংযোগ নিলামের মাধ্যমে দিতে হবে। আর এ জন্য আমরা মোবাইল অপারেটরদের জন্য অধিক স্পেকট্রাম অবাধ করে দিচ্ছি।’

প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইন্টারনেটের গতি বাড়ানোর বিষয়ে জয় বলেন, ‘আমরা আশা করছি অতিরিক্ত স্পেকট্রাম ব্যবহার করে মোবাইল অপারেটরগুলো দুর্গম গ্রামীণ এলাকাগুলোতে ফোরজি চালু করতে পারবে।’

গোলটেবিল বৈঠকে জয় বলেন, ‘গত দুই বছরে তারা অনলাইন আইডেন্টিটি (কেওয়াইসি) চালু করেছে এবং মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই আরেকটি সেবা চালু করেছে, যার ফলে বাংলাদেশের যেকোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্টে তাৎক্ষণিক পেমেন্ট করা যাবে।’

এ সেবা চালুর আগে পেমেন্ট করতে দুই দিন পর্যন্ত সময় লেগে যেত বলেও জানান জয়।

বৈঠকের অংশীজনদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আরও কিছু ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমও পরীক্ষামূলক চালুর প্রক্রিয়া রয়েছে, যার একটি হচ্ছে আইডিপিপির মধ্য দিয়ে দেশে আন্তসংযোগের জন্য এমএফএস করা।

আরও পড়ুন:
আইফোনে স্টোরেজ ১ টেরাবাইট!
বিমান থেকে পড়েও অক্ষত আইফোন
ফাইভজি স্পিডে আসছে আইফোন ১২

শেয়ার করুন

ইন্টারনেটে ‘আংশিক স্বাধীন’ ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ

ইন্টারনেটে ‘আংশিক স্বাধীন’ ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ

প্রতীকী ছবি

ইন্টারনেট স্বাধীনতা নিশ্চিতের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বাজে দেশ বিবেচিত হয়েছে চীন। সব মিলিয়ে ১০ স্কোরের দেশটি ইন্টারনেট ব্যবহারের স্বাধীনতায় ৯ ধরনের হস্তক্ষেপ করেছে। সবচেয়ে ‘স্বাধীন’ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে ইউরোপের ছোট্ট দেশ আইসল্যান্ড, যার স্কোর ৯৬।

বিশ্বজুড়ে গত ১০ বছরের মতো ২০২১ সালেও ব্যাপকভাবে খর্ব হচ্ছে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের স্বাধীনতা। এ বছর সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা খর্ব হয়েছে মিয়ানমার, বেলারুশ ও উগান্ডায়।

বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ‘পার্টলি ফ্রি’ বা ‘আংশিক স্বাধীন’। আগের দুই বছরের চেয়ে দেশে এবার ইন্টারনেটে নিয়ন্ত্রণ আরোপের ক্ষেত্র বেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক অলাভজনক বেসরকারি গবেষণা সংস্থা ফ্রিডম হাউসের প্রকাশ করা ‘ফ্রিডম অন দ্য নেট’ শিরোনামের প্রতিবেদনে এ তথ্য এসেছে। প্রতিবেদনটি প্রকাশ হয় মঙ্গলবার।

কী আছে প্রতিবেদনে

প্রতিবেদনের সারাংশে ছয়টি বিষয় তুলে ধরেছে ফ্রিডম হাউস। এতে বলা হয়, টানা ১১ বছর ধরে বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের স্বাধীনতা কমছে। এ বছর সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা খর্ব হয়েছে মিয়ানমার, বেলারুশ ও উগান্ডায়। মিয়ানমারের স্কোর কমেছে ১৪ পয়েন্ট, যা ‘ফ্রিডম অব দ্য নেট’ প্রকল্প চালু হওয়ার পর একক কোনো দেশের সর্বনিম্ন অবনমন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যবহারকারীদের স্বাধীনতা নিয়ে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছে বিভিন্ন দেশের সরকার। গত এক বছরে অন্তত ৪৮টি দেশ প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর কনটেন্ট, ডেটা বিষয়ে নতুন আইন করার উদ্যোগ নিয়েছে। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে নিয়ন্ত্রণের মূল উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীন মত প্রকাশ রুদ্ধ করে দেয়া ও ব্যক্তিগত ডেটায় প্রবেশ বাড়ানো।

এতে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে সম্প্রতি অনলাইনে স্বাধীন মতপ্রকাশ নজিরবিহীন চাপে আছে। অহিংস রাজনৈতিক, সামাজিক কিংবা ধর্মীয় বক্তব্যের জন্য দেশে দেশে ব্যবহারকারীদের গ্রেপ্তারের মাত্রা বেড়েছে। অন্তত ২০টি দেশ ইন্টারনেটে প্রবেশ সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে, ২১টি দেশে বন্ধ হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। অন্তত ৪৫টি দেশের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বেসরকারি কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে স্পাইওয়্যার বা ডেটা সংগ্রহের প্রযুক্তি কেনার অভিযোগ উঠেছে।

বৈশ্বিক পরিস্থিতি

‘ফ্রিডম অব দ্য নেট’ (এফওটিএন) প্রতিবেদনে টানা সপ্তম বছরের মতো ইন্টারনেট স্বাধীনতা দেয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বাজে দেশ বিবেচিত হয়েছে চীন। দেশটি ইন্টারনেট ব্যবহারের স্বাধীনতায় ৯ ধরনের হস্তক্ষেপ করেছে। তাদের স্কোর ১০। প্রতিবেদনে চীনকে ‘নট ফ্রি’ (স্বাধীন নয়) ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে।

ইন্টারনেটে সবচেয়ে কম স্বাধীনতার দিক থেকে চীনের পরের অবস্থান ইরানের। দেশটির স্কোর ১৬। তারা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ওপর আট ধরনের নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। ইরানকেও রাখা হয়েছে ‘নট ফ্রি’ ক্যাটাগরিতে।

অনলাইনে স্বাধীনতায় নিচের দিক থেকে তৃতীয় অবস্থানে আছে সামরিক অভ্যুত্থান হওয়া দেশ মিয়ানমার। ৯টি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা দেশটির স্কোর ১৭। দেশটি আছে ‘নট ফ্রি’ ক্যাটাগরিতে।

ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য সবচেয়ে স্বাধীন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে ইউরোপের ছোট্ট দেশ আইসল্যান্ড, যার স্কোর ৯৬। ‘ফ্রি’ বা মুক্ত ক্যাটাগরির দেশটি কোনোভাবেই ব্যবহারকারীদের বাধার মুখে ফেলছে না।

মুক্ত ইন্টারনেটের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে ইউরোপের আরেক দেশ এস্তোনিয়া, যার স্কোর ৯৪। ফ্রি ক্যাটাগরির এ দেশটিও ব্যবহারকারীদের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেনি।

অনলাইন ব্যবহারকারীদের স্বাধীনতার দিক থেকে তৃতীয় অবস্থানে আছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কোস্টারিকা। মুক্ত ক্যাটাগরির দেশটির স্কোর ৮৭।

বৈশ্বিক পরাশক্তিগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র আছে ফ্রি ক্যাটাগরিতে। দেশটির স্কোর ৭৫। তবে টানা পঞ্চম বছরের মতো স্কোর কমেছে যুক্তরাষ্ট্রের। ভুয়া, বিভ্রান্তিকর ও কারসাজি করা তথ্যে সয়লাব হয়েছে অনলাইন। অবস্থা এমন পর্যায়ে গেছে যে, ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে বিশ্বাসযোগ্যতা পর্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

আরেক বৈশ্বিক পরাশক্তি যুক্তরাজ্যের অবস্থা যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ভালো। ফ্রি ক্যাটাগরির দেশটির স্কোর ৭৮। আয়তনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ রাশিয়া ৩০ স্কোর নিয়ে আছে ‘নট ফ্রি’ ক্যাটাগরিতে। দেশটি সাতটি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনামের স্কোর ২২। নট ফ্রি ক্যাটাগরির দেশটি পাঁচটি ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছে।

ছয়টি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশ সৌদি আরব আছে ‘নট ফ্রি’ ক্যাটাগরিতে। দেশটির স্কোর ২৪।

ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ওপর সাতটি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা মধ্যপ্রাচ্যের আরেক প্রভাবশালী দেশ তুরস্ক আছে ‘নট ফ্রি’ ক্যাটাগরিতে। দেশটির স্কোর ৩৪।

আফ্রিকার দেশ উগান্ডা আছে ‘আংশিক মুক্ত’ ক্যাটাগরিতে। সাতটি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা দেশটির স্কোর ৪৯।

বাংলাদেশের অবস্থান

৭০টি দেশের তালিকায় ‘পার্টলি ফ্রি’ বা আংশিক মুক্ত ক্যাটাগরিতে আছে বাংলাদেশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ৪০ স্কোর পাওয়া বাংলাদেশ ৯টির মধ্যে সাতটি ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে কর্তৃপক্ষ।

এগুলো হলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা যোগাযোগের প্ল্যাটফর্ম ব্লক করা; রাজনৈতিক, সামাজিক বা ধর্মীয় কনটেন্ট ব্লক করা; ইচ্ছাকৃতভাবে আইসিটি নেটওয়ার্কের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত করা; অনলাইন আলোচনায় সরকারপন্থি ভাষ্যকারদের প্রভাব; রাজনৈতিক বা সামাজিক কনটেন্টের জন্য ব্লগার বা আইসিটি ব্যবহারকারীদের গ্রেপ্তার, কারারুদ্ধ কিংবা দীর্ঘ সময় কারাবন্দি রাখা; ব্লগার কিংবা আইসিটি ব্যবহারকারীদের শারীরিক হামলার শিকার হওয়া কিংবা নিহত হওয়া (এর মধ্যে কারা হেফাজতে মৃত্যুও রয়েছে) এবং সরকারের সমালোচনাকারী কিংবা মানবাধিকার সংস্থাগুলোর ওপর কৌশলগত হামলা।

এ বছর বাংলাদেশ সাতটি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। ২০১৯ ও ২০২০ সালে দক্ষিণ নিয়ন্ত্রণ ছিল ছয়টি ক্ষেত্রে।

দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর কী অবস্থা

তালিকায় বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার চারটি দেশ রয়েছে। অন্য তিন দেশ হলো, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। প্রতিবেদনে ৫১ স্কোর নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে ভালো অবস্থানে আছে শ্রীলঙ্কা। চারটি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা দেশটিতে ব্যবহারকারীরা ‘আংশিক স্বাধীন’।

এর পরের অবস্থানে থাকা ভারতের স্কোর ৪৯। আটটি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা দেশটিতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ‘আংশিক স্বাধীন’।

আর সাতটি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা পাকিস্তানকে রাখা হয়েছে ‘নট ফ্রি’ ক্যাটাগরিতে। দেশটির স্কোর ২৫।

আরও পড়ুন:
আইফোনে স্টোরেজ ১ টেরাবাইট!
বিমান থেকে পড়েও অক্ষত আইফোন
ফাইভজি স্পিডে আসছে আইফোন ১২

শেয়ার করুন

রাজধানীতে ফের ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার

রাজধানীতে ফের ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন ১০-এর কার্যালয়। ছবি: ফেসবুক

র‍্যাব ১০-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি এনায়েত কবীর সোয়েব বলেন, শেরেবাংলা নগর থানা এলাকায় একটি বাসায় অবৈধ ভিওআইপির বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানা এলাকা থেকে ভিওআইপি সরঞ্জামসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১০। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম-পরিচয় জানায়নি র‍্যাব।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর লালমাটিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার করেছিল বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন ও র‍্যাব।

বুধবার দুপুরে র‌্যাব ১০-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি এনায়েত কবীর সোয়েব ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানান।

তিনি বলেন, শেরেবাংলা নগর থানা এলাকায় একটি বাসায় অবৈধ ভিওআইপির বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।’

র‍্যাব-১০ এর অভিযানে সহায়তা করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

বিষয়টি নিয়ে বিকেলে যাত্রাবাড়ির ধলপুরে র‍্যাব-১০ এর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।

টেলিযোগাযোগে রাজস্ব ফাঁকি দিতে অবৈধ ভিওআইপি কারবারে জড়িত একাধিক চক্র। তারা এ পন্থায় কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। বাসাবাড়িতে ভিওআইপি সরঞ্জাম স্থাপন করে তারা কারবার পরিচালনা করে।

আরও পড়ুন:
আইফোনে স্টোরেজ ১ টেরাবাইট!
বিমান থেকে পড়েও অক্ষত আইফোন
ফাইভজি স্পিডে আসছে আইফোন ১২

শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে সম্প্রচার বিঘ্ন ৮ দিন

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে সম্প্রচার বিঘ্ন ৮ দিন

গাজীপুরে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের গ্রাউন্ড স্টেশন। ছবি: বিএসসিএল

বিএসসিএল-এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত সম্প্রচার কার্যক্রমে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে। সকাল ৯টা ২৮ মিনিট থেকে ৯টা ৪৩ মিনিটের মধ্যে এ সমস্যা হতে পারে।’

সৌর ব্যতিচার বা সান আউটেজের কারণে সেপ্টেম্বরের শেষ ও অক্টোবরের শুরুতে ৮ দিন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট থেকে সম্প্রচার সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে।

ওই সময়গুলোতে প্রতিদিন সকালে ৫ থেকে ১৫ মিনিটের জন্য সম্প্রচার সমস্যা হতে পারে বলে মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড- বিএসসিএল।

বিএসসিএল-এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত সম্প্রচার কার্যক্রমে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে। সকাল ৯টা ২৮ মিনিট থেকে ৯টা ৪৩ মিনিটের মধ্যে এ সমস্যা হতে পারে।’

এর মধ্যে ২৯ সেপ্টেম্বর ৫ মিনিট, ৩০ সেপ্টেম্বর ১০ মিনিট, ১ অক্টোবর ১৪ মিনিট, ২ অক্টোবর ১৫ মিনিট, ৩ অক্টোবর ১৫ মিনিট, ৪ অক্টোবর ১৪ মিনিট, ৫ অক্টোবর ১২ মিনিট ও ৬ অক্টোবর ১০ মিনিটের জন্য এই সমস্যা হতে পারে।

প্রাকৃতিক কারণে সাময়িক এমন অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পান লিমিটেড।

আরও পড়ুন:
আইফোনে স্টোরেজ ১ টেরাবাইট!
বিমান থেকে পড়েও অক্ষত আইফোন
ফাইভজি স্পিডে আসছে আইফোন ১২

শেয়ার করুন

টিকটকের চীনা সংস্করণে শিশুদের জন্য সময় দিনে ৪০ মিনিট

টিকটকের চীনা সংস্করণে শিশুদের জন্য সময় দিনে ৪০ মিনিট

প্রতীকী ছবি

বাইটড্যান্স জানিয়েছে, আপাতত শিশু-কিশোরদের জন্য দুইনে ব্যবহারের নিয়ম কঠোর করা হচ্ছে। পরে শিশু-কিশোরদের শেখার মতো গুণগত মানসম্পন্ন কনটেন্ট প্রচারেও কাজ করবে প্রতিষ্ঠানটি।

জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মের চীনা সংস্করণ দুইনে দিনে সর্বোচ্চ ৪০ মিনিট সময় কাটাতে পারবে চীনের শিশুরা। ১৪ বছরের কমবয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য প্রযোজ্য হবে এ নিয়ম।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনে প্রতিদিন স্থানীয় সময় সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টার মধ্যে যে কোনো সময় সর্বোচ্চ ৪০ মিনিট অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবে শিশুরা।

বেইজিংভিত্তিক ইন্টারনেট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্স নিয়ন্ত্রণ করে দুইনে অ্যাপ। এক ব্লগ পোস্টে প্রতিষ্ঠানটি অ্যাপটির ইয়ুথ মোড চালু করার কথা জানিয়েছে।

স্বল্পদৈর্ঘ্য ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মে এরকম নিষেধাজ্ঞা এটাই প্রথম।

জানা গেছে, নতুন নিয়মে কেবল আসল নাম ব্যবহারকারীরাই দুইনে অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবে। এটি ব্যবহারে কোনো ন্যূনতম বয়স বেঁধে দেয়া নেই। তবে ১৮ বছরের কমবয়সীদের বৈধ অভিভাবকের অনুমতি নিয়ে অ্যাপটি ব্যবহার করতে হয়।

টিকটক ব্যবহারের ন্যূনতম বয়স ১৩ বছর।

দুইনের ইয়ুথ মোডে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা, জাদুঘরের প্রদর্শনী বা ঐতিহাসিক ব্যাখ্যাসহ শিক্ষাবিষয়ক কোনো কনটেন্ট নেই।

বাইটড্যান্স জানিয়েছে, আপাতত শিশু-কিশোরদের জন্য দুইনে ব্যবহারের নিয়ম কঠোর করা হচ্ছে। পরে শিশু-কিশোরদের শেখার মতো গুণগত মানসম্পন্ন কনটেন্ট প্রচারেও কাজ করবে প্রতিষ্ঠানটি।

গত মাসে অনলাইন ভিডিও গেমসেও শিশুদের দৈনিক সময়সীমা বেঁধে দেয় চীনা সরকার। ১৮ বছরের কমবয়সীদের জন্য সাপ্তাহিক কর্মদিবস, অর্থাৎ স্কুল খোলা থাকার দিনগুলোতে ভিডিও গেমসে সময় দেয়া নিষিদ্ধ করেছে বেইজিং। শুধু শুক্রবার আর সাপ্তাহিক ও অন্য ছুটির দিনগুলোতে সর্বোচ্চ এক ঘণ্টা করে ভিডিও গেমস খেলতে পারবে শিশুরা।

এর আগে ফেব্রুয়ারিতে স্কুলে মোবাইল ফোন নেয়া নিষিদ্ধ করে বেইজিং।

ইন্টারনেটে চীনের শিশু, কিশোর ও তরুণ প্রজন্ম প্রচুর বাড়তি সময় কাটাচ্ছে বলে গত তিন বছর ধরে সতর্ক করে আসছিল দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। বলা হচ্ছিল, বিষয়টি পরবর্তী প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

আরও পড়ুন:
আইফোনে স্টোরেজ ১ টেরাবাইট!
বিমান থেকে পড়েও অক্ষত আইফোন
ফাইভজি স্পিডে আসছে আইফোন ১২

শেয়ার করুন